Al I'lam আল ইলম

Al I'lam আল ইলম ইসলামি বইয়ের জন্য একটি নিরাপদ প্লাটফর্ম
এখানে সকল প্রকার ইসলামি বই পাওয়া যাই।

দা/জ্জা/লের কপালে কাফের লেখা থাকার পরেও কিভাবে মানুষ তাকে রব মানবে ?? "নেতা" দুর্নী/তিবাজ, চাঁ/দাবাজ, টে/ন্ডারবাজ, কালোব...
09/02/2026

দা/জ্জা/লের কপালে কাফের লেখা থাকার পরেও কিভাবে মানুষ তাকে রব মানবে ?? "নেতা" দুর্নী/তিবাজ, চাঁ/দাবাজ, টে/ন্ডারবাজ, কালোবাজারি ইত্যাদি জানার পরেও যেভাবে আপনি তাকে সমর্থন দেন !! ঠিক সেভাবেই-

#নির্বাচন #দাজ্জাল

23/10/2025

নিজের মুখেই স্বীকারোক্তি দিচ্ছেন, টঙ্গীর সেই নিখোঁজ হওয়া খতিব।

21/10/2025

সৌদি আরবে ১২৫ কিলোমিটারের সোনার খোনি। এটা কি কিয়ামতের আলামত??? #মুফতী_কাজী_ইব্রাহীম

একবার রাতে হযরত উমর (রাঃ) মদিনার পথে টহল দিচ্ছিলেন।হঠাৎ তিনি একটি ঘরের ভেতর থেকে এক মা ও মেয়ের কথোপকথন শুনলেন।মা বলল:দুধ...
20/10/2025

একবার রাতে হযরত উমর (রাঃ) মদিনার পথে টহল দিচ্ছিলেন।
হঠাৎ তিনি একটি ঘরের ভেতর থেকে এক মা ও মেয়ের কথোপকথন শুনলেন।

মা বলল:

দুধে একটু পানি মিশিয়ে দাও, যাতে বিক্রির সময় বেশি লাভ হয়।”

মেয়ে বলল:

আমীরুল মুমিনীন (উমর রাঃ) তো নিষেধ করেছেন যে, কেউ যেন দুধে পানি না মেশায়।”

মা বলল:

উমর তো এখন এখানে নেই, দেখবে কে!”

মেয়ে জবাব দিল:

উমর যদি না-ও দেখে, আল্লাহ তো দেখছেন!”

উমর (রাঃ) বাইরে থেকে এ কথা শুনে কেঁদে ফেললেন এবং বললেন,

এই মেয়েটি সত্যিই আল্লাহভীত!”

পরের দিন তিনি(উমার রঃ) তার ছেলে আসিম (রাঃ)-এর সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে দেন।
এই দম্পতির সন্তানদের বংশ থেকেই পরে জন্ম নেয় —
উমর ইবনু আবদুল আজিজ (রহিমাহুল্লাহ), যিনি “খুলাফায়ে রাশেদার পর পঞ্চম খলিফা” নামে বিখ্যাত।

হাদীসের সাথে সম্পর্ক:

নবী করিম ﷺ বলেছেন —

ইহসান (সৎতা) হলো তুমি আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো; আর যদি তুমি তাঁকে না দেখো, তবে তিনি তো তোমাকে দেখছেন।"
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: 8)

এই মেয়েটির কথা ও আচরণ ছিল ঠিক এই হাদীসের বাস্তব উদাহরণ —
“আল্লাহ দেখছেন” — এই ভয়ই তাকওয়ার মূল।”

শিয়া শাষক কতৃক ইমাম আবু বকর আল-নাবুলসী (রহি.) এর উপর অমানবিক নির্যাতন শিয়া রাফেযী উবাইদী (ফাতেমী) শাসকদের অপরাধসমূহ ইতি...
29/06/2025

শিয়া শাষক কতৃক ইমাম আবু বকর আল-নাবুলসী (রহি.) এর উপর অমানবিক নির্যাতন

শিয়া রাফেযী উবাইদী (ফাতেমী) শাসকদের অপরাধসমূহ ইতিহাসে এক ভয়াবহ অধ্যায়। ইমাম যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ফাতেমী শাসকদের দ্বারা মুসলিমদের উপর সংঘটিত বিপর্যয় ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। যখন তারা শাম (সিরিয়া) দখল করে নেয়, তখন মুসলিম আলেমদেরকে মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাহাবিদের প্রতি প্রকাশ্যে লানত করতে বাধ্য করত। তারা তাদের বিপথগামী মতবাদ প্রচার করত এবং তার প্রতি আহ্বান জানাত। তারা তারাবীহ ও চাশতের নামাজ বাতিল করে দেয় এবং জোহরের নামাজে কুনুত পাঠ করার আদেশ দেয়—এমন আরও অনেক শরীয়তবিরোধী কার্যকলাপ তারা চালু করে।

এই পরিস্থিতিতে, আহলুস সুন্নাহর একজন বর্ষীয়ান আলেম ইমাম আবু বকর আল-নাবুলসী (রহি.) সাহসিকতার সঙ্গে ফাতেমী শাসকদের বিরোধিতা করেন। তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকে বৈধ মনে করতেন এবং তাঁর বিখ্যাত উক্তিতে বলেন:
"যদি আমার হাতে ১০টি তীর থাকতো, আমি একটি রোমানদের দিকে ছুঁড়তাম, আর বাকি ৯টি এই শাসক (ফাতেমী খলিফা) এর দিকে ছুঁড়তাম।"

এই বক্তব্যের কারণে দামেস্কের শাসক তাঁকে গ্রেপ্তার করে রমজান মাসে কারাবন্দি করে এবং তাঁকে জাওহর আস-সাকালির মাধ্যমে একটি কাঠের খাঁচায় করে মিসরে পাঠায়। মিসরে পৌঁছালে তাঁকে ফাতেমী খলিফা আল-মু'ঈয লিদিনিল্লাহ-এর সামনে পেশ করা হয়।

খলিফা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন:
— “আমরা শুনেছি আপনি বলেছেন: যদি কারো হাতে ১০টি তীর থাকে, তবে একটিকে রোমানদের দিকে এবং ৯টিকে আমাদের দিকে ছুঁড়বে?”
ইমাম উত্তর দেন:
— “আমি এভাবে বলিনি!”

এই উত্তরে খলিফা আশ্বস্ত হন, মনে করেন ইমাম হয়তো নিজের কথা ফিরিয়ে নেবেন। তখন তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন:
— “তাহলে আপনি কী বলেছিলেন?”
ইমাম দৃঢ়ভাবে বলেন:
— “আমি বলেছিলাম, ১০টি তীরের ৯টি আপনাদের দিকে ছুঁড়বে, আর ১০মটিও আপনাদের দিকেই ছুঁড়বে!”
খলিফা জিজ্ঞেস করেন:
— “কেন?”
ইমাম বলেন:
— “কারণ আপনারা এই উম্মতের দীনকে বিকৃত করেছেন, নেককারদের হত্যা করেছেন, আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিয়েছেন এবং এমন দাবী করেছেন যা আপনাদের প্রাপ্য নয়।”

এরপর ইমাম নাবুলসী (রহি.)-এর উপর নির্মম নির্যাতন শুরু হয়:

প্রথম দিন: তাঁকে প্রকাশ্যে ঘোরানো হয়।

দ্বিতীয় দিন: তাঁকে কঠিনভাবে চাবুক মারা হয়।

তৃতীয় দিন: একজন ইয়াহূদী কসাইকে ডেকে আনা হয় (কারণ মুসলিম কসাইরা এই কাজ করতে অস্বীকার করে)।
কসাই তাঁর মাথার চাঁদী থেকে শুরু করে চামড়া ছোলাতে থাকে।
ইমাম তখনও আল্লাহর জিকির করতে থাকেন এবং ধৈর্য ধারণ করেন।
যখন চামড়া ছোলানো হাত পর্যন্ত পৌঁছে, তখন কসাই দয়ায় কাঁপে এবং তার হৃদয়ে করুণা জাগে। ফলে সে ইমামের হৃদয়ে ছুরি ঢুকিয়ে তাঁকে শহীদ করে ফেলে।

পরে ইমামের চামড়ায় খড় ভর্তি করে তাঁকে শূলে চড়ানো হয়। এ নির্মম ঘটনা ৩৬৩ হিজরী সনে সংঘটিত হয়।

এই ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়—একজন ইহুদী দয়া করতে পারে, কিন্তু রাফেযী (শিয়া উবাইদী) শাসকরা দয়া করতে পারে না।

ইবন কাসীর বলেন:
“তাকে বলা হতো শহীদ, এবং এখনো 'নাবুলুস'-এর অনেক লোক নিজেদের পরিচয় দেন 'বনু শহীদ' হিসেবে। তাদের মাঝে এখনো অনেক উত্তম গুণাবলী টিকে আছে।”

ইমাম আবু বকর আল-নাবুলসী (ইনশাআল্লাহ শহীদ)—ইসলামের, সুন্নতের এবং হক কথা বলার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আল্লাহ তাঁকে শহীদের মর্যাদা দান করুন।

এই কাহিনীতে আজকের ঘুমন্ত আলেমগণ ও রাফেযীদের দ্বারা প্রভাবিত আলেমদের জন্য রয়েছে এক বড় শিক্ষা।

ইবন কাসীর – আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১১/৩২২
ইমাম যাহাবী – সিয়ার আ’লামিন নুবালা: ১৬/১৪৮
©উস্তাদ আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ

#কপিপোস্ট #শিয়া #আকিদাহ FWO জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস শেরপুর জেলা

যাও জাহান্নামে ❤️
17/06/2025

যাও জাহান্নামে ❤️

17/06/2025

তেল আবিবে এমুন দৃশ্য দেখলে চোখ জুরিয়ে যাই। 👍

06/06/2025

‘নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু শুধুই আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব।’ (সূরা আন'আম-১৬২)

"সত্যের পথ নির্জন, ভুলের পথ ভিড়ে পূর্ণ"আল্লাহ বলেন: “তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মানো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ...
05/06/2025

"সত্যের পথ নির্জন, ভুলের পথ ভিড়ে পূর্ণ"

আল্লাহ বলেন: “তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মানো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে।” (সূরা আনআম ৬:১১৬)

আজকের দিনে ইসলামকে অনেক রকম রঙে রাঙানো হচ্ছে। একপাশে আছে "মিষ্টি ইসলাম" যা অধিকাংশ মানুষ অনুসরণ করে, যেখানে বলা হয়: গান-বাজনা হালাল, হিজাব ঐচ্ছিক, নারী-পুরুষ মেলামেশা আধুনিকতা, আকিদা ভুল হলেও চলে, বিদআত ভালো উদ্দেশ্যে করা হলে সমস্যা নেই, নিয়ত ভালো থাকলে সব কিছু বৈধ, আলেমরা অতিরিক্ত কঠোর, ইসলাম শুধু অন্তরের ব্যাপার। এই পথটা সহজ, জনপ্রিয়, আর ভিড়ভাট্টা বেশিই।

“আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব সে ব্যক্তির কথা, যার আমল ধ্বংস হয়ে গেছে, অথচ সে মনে করে সে ভালো কাজ করছে?”
(সূরা কাহফ ১৮:১০৩-১০৪) এর সারমর্ম

অন্যদিকে রয়েছে "প্রকৃত ইসলাম" — যেখানে মানুষ নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টি মুখ্য। কোরআন, সুন্নাহ ও সালাফের পথ। এখানে সহজ নয়, কিন্তু সঠিক। এখানে প্রত্যেক আমল কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী হতে হয়। হিজাব ফরজ, বিদআত হারাম, আকিদা বিশুদ্ধ হওয়া জরুরি, আর আলেমদের নির্দেশনা হলো নিরাপদ পথের আলো।

"ভিড় যেখানে বেশি, সত্য সবসময় সেখানে নাও থাকতে পারে।"

প্রশ্ন একটাই: আপনি কোন পথ ধরবেন? লোক দেখানো মিষ্টি ইসলাম, না পরিশুদ্ধ প্রকৃত ইসলাম?

copy

📚 যাদুল মা'আদ – পরকালের পাথেয়ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)-এর অনন্য সাধারন গ্রন্থ, যেখানে নবীজির (সা.) জীবন, আখলাক ও তাঁর সুন্নাহ...
03/06/2025

📚 যাদুল মা'আদ – পরকালের পাথেয়
ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)-এর অনন্য সাধারন গ্রন্থ, যেখানে নবীজির (সা.) জীবন, আখলাক ও তাঁর সুন্নাহর আলোকে পরকালের জন্য প্রস্তুতির উপায় বর্ণিত হয়েছে।
এটা শুধু একটি বই নয়, বরং জীবন গঠনের পথনির্দেশিকা।

🔖 যারা হেদায়াতের পথে দৃঢ় হতে চান—এই বই হতে পারে আপনার সাথী।

নিতে আগ্রহী গন ইনবক্সে মেসেজ দিন।

#যাদুল_মা_আদ #ইসলামিক_বই #ইবনুল_কাইয়্যিম #সুন্নাহ_অনুসরণ #পরকালের_পাথেয়

Address

Ashulia, Savar, Dhaka
Baipail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al I'lam আল ইলম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share