26/06/2026
আজ ১০ ই মহরম
হযরত রাসূল সঃ ওফাতের পর
হযরত আবু বকর,তারপর,ওমর,ওসমান, হযরতুল আলী কারিমুল্লাহ ওয়াজহু,মা ফাাতিমা তুয যোহরা সহ
একে একে সবাইকে হত্যার মাধ্যমে শহীদ করেছে লেবাস দারি মুুসলমানরা,তারা নামাজ৷ পরতো,কোরআন তিলাওয়াত করতো,হজ,যাকাত সব পালন করতো কিন্তু অন্তরে ছিলো আল্লাহর রাসূল পরিবারের সকল সদস্য,সাহবি,খাটি আশেক ভক্তগনের প্রতি হিংসুক মনোভাব, ক্ষমতার লোভ এবং নারি,মদ্যপান থেকে শুরু করে কু চারিত্রিক উল্লাস ধরে রাখতে সর্বশেষে ইমাম হাসান রাঃ পর ইমাম হোসাইন রাঃ ওনার নবজাতক শিশু সন্তান প্রাক্তন সাহবি সহ ৭২ জনের অধিক রাসুল সঃ এর আশেক,আহলে বায়াত,পাক পান্জাতনের আশেক,ভক্তগন সদস্য সহ
সবাইকে শহীদ করে দিয়েছিলো।
শহীদের পূর্বে লেবাসদদারি মুনাফেক ইমাম হোসাইন রাঃ কে মুয়াবিয়া,এয়াজিদের প্রতি নত সিকার করে তাদের বায়াত গ্রহন করে আল্লাহর ইসলাম,রাসুল সঃ ইসলাম বাদ দিয়ে মুয়াবিয়া এজিদের মনগরা ইসলাম গ্রহনের প্রস্তাব দেওয়া হয়,প্রয়োজনে গবর্নর বানানো হবে,টাকা পয়সা,নারীসহ জঘন্যতম কু প্রস্তাব গুলো সাথে সাথে প্রত্যাক্ষান করেন,কিন্তু ঈমাম হোসাইন রাঃ ছিলেন ইমানি শক্তিতে বলিয়ান,তিনি রাসূল সঃ নাতি,
হযরত আলী ও মা ফতিমার সন্তান হয়ে কি করে অন্যায়ের সাথে নিজেকে আপোষ করবেন?
তিনি নিজের প্রান দিয়ে গেলেন তার পরেও ঈমানি শক্তিতে অটুট রইলেন।শাহাদাৎ বরন করলেন এজিদের ২২ হাজার সৌন্যের বহরে থমকে গেলেন ইরাকের কারবালায়।
শুুধু তাই নয় ওনাকে হত্যার মাধ্যমে শহীদ করার পর
কিভাবে মাথা দেহ থেকে আলাদা করে শিকে ঝুলিয়ে
তোরা আসরের জামাতে সালাত আদায় করলি???
আল্লাহর কোন ইসলামে আল্লার নবি,রাসুল,ওলি,বন্ধু আউলিয়াগনের সাথে মুনাফেকি করার আদেশ আছে?
আজকের এই দিনেই ৬১ হিজরি সনের ১ম মাস মহরম মাসের ১০ তারিখে এই ঘঠনা ঘটেছিলো
সুতরাং
মোল্লার ইসলাম,মুন্সি মৌলবির ইসলাম
এজিদ,মুয়াবিয়ার মনগরা ইসলাম
সেটা হলো সার্থের ইসলাম,জুলুম,নির্জাতন,হত্যা,যাবতিয় কু কর্ম করার ইসলাম
আর নবিজির ইসলাম,হযরত,আলী,মা ফাতিমা রাঃ ইসলাম ইমাম হাসান,হোসাইন রাঃ সয়ং আল্লাহর ইসলাম। প্রেম ভালোবাসার ইসলাম
যে ইসলামে হিংসা,লোভ লালসা,খুন,ধর্ষন,সুধ,ঘুষ,দুর্নিতি নেই।
জয় পান্জাতন, আহলে বায়াত।