20/04/2018
****** নতুন বউয়ের পান খাওয়া নিষেধ ******
-----------------------------------------------------------
লেখাটি পড়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইল। যে পড়বে তার চরম লাভ। যারা পড়েন নাই তারাই পড়বেন।
******************★*********************
নতুন বউ সখ করে পান খাইছে, মুখটা হয়েছে বেজায় লাল। শ্বাশুরী বা ননদ দেবর মশকরা করে বলে এহ্ বুড়ী, বুড়ীর মত লাগতেছে, সবাই কিছুক্ষন হাসাহাসি, বউ হাসে শ্বাশুরী, ননদ দেবর সবাই হাসে যেন সুখের বা আনন্দের বন্যা। সবাই জানে নতুন ভাবীকে নিয়া একটু আনন্দ করলাম। কিন্তু রাতে দেখবেন উল্টা রচনা তৈরী করেছে বউ।
সারাদিন কঠোর পরিশ্রমের পর বাড়ী ফিরবেন। মনে আপনার সুখ, বাড়ী গিয়ে নতুন বউয়ের মুখ দেখবেন। ঘরে ঢুকে দেখলেন বউ খাটের একেবারে ঐ কোনায় মুখ ভার করে বসে আছে। যেন মুখে ঠাডা পড়ছে। কি হয়েছে ময়ুরী? মনটা তোমার খারাপ কেন, কেউ তোমাকে কিছু বলেছে? উত্তরে মুখ অন্দকার করে বলবে-না ভালাই আছি, কে কি বলবে আমারে, সুখেই আছি। রাতে বিছানায় গেলে সে গভীর চুপচাপ। হঠাৎ বলবে আচ্ছা আমি কি বুড়ী, তুমি কি বুড়ী বিয়া করছো?
কেন এমন কথা, কেউ কি তোমারে বুড়ী বলেছে, মা বাবা বা অন্য কেউ?
না, এমনিই বললাম, কেউ বলে নাই।
অর্থাৎ স্বামীর মনে সন্দেহের বীজ ঢুকাচ্ছে।
একদিন অফিস থেকে এসে বাসায় ঢুকতেই শুনবেন আপনার মা বউকে বলছে-তোমাকেনা বহুদিন বলেছি তিন পট চাল দিবে, তুমি সব সময় বেশী দেও, তাতে ভাত নস্ট হয়, আর যেন কখনো দেখিনা। এটুকুই শেষ।
এতেই দেখবেন বউয়ের মুখে আমাবশ্যার অন্ধকার। বিছানায় যাবেন সারা শব্দ নাই। হয়তো হঠাৎ বলে উঠবে-আপনিতো সব সময় আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমি কিছু বলিনা সংসারে অশান্তি হবে, আপনিও কাজে টেনশানে থাকবেন। এই কথা বলেই টেনশন ঢুকাইয়া দিল। কাজে কর্মে আপরনার মন বসবে না। হয়তো আরেক দিন বলে ফেলবে আপনার ছোট ভাইয়ের কথা। বলবে-তোমার ভাই মিজানের নজর খারাপ, সে আমার দিকে কেমন করে তাকায়, কথা কয় কিংবা আব্বা পাকের ঘরে ঢুইকা দেখে আমি বেশী খাই নাকি।
আসলে সব ভূয়া বানোয়াট কথা। সে চাচ্ছে ঝগড়া বাজাইয়া আলাদা করার ফন্দি। বলবে শ্বশুর খালি কেট কেট করে, শ্বাশুরি রাত ভর কাশে, শুনে আমার বমি আসে। চল আলাদা হয়ে যাই। বাপের বাড়ি গিয়ে বলবে আমার শ্বশুরের নজর খারাপ, শ্বাশুরি ভাল না, জালা যন্ত্রনা করে, দেবর বইসা বইসা খায়, ননদগুলির বিয়া হয় না, দামরা হইয়া যাইতেছে ইত্যাদি।
কখনো ক্ষুদ্র বিষয়ে ঝগড়া বাজাইয়া মেজাজ চড়া করে বাপের বাড়ী চলে যাবে। শুরু হবে বিরহের যন্ত্রনা। অনেক ঘটনার পর চিন্তা করে দেখবেন এত ঝামেলার চেয়ে আলাদা হয়ে যাওয়াই ভাল। একদিন আলাদা হয়ে যাবেন। দেখবেন আগে যে বউ ঘর দুয়ার লিপতে পারতনা, সে এখন উঠানও লিপে ক্ষেতও কোপায়।
অনেক ভাল ছেলেই বিয়ের পর স্ত্রীর চক্রান্তের কাছে পরাজিত হয়। মুল বিষয়টি ধরতে পারেনা। যাঁহারা অতি নিকটের মাতাপিতা, ভাই বোনদের চোখের কাটা মনে করে। অসহ্য যন্ত্রনাবোধ করে। পরে সময় শেষে নিজের ভুল বুঝতে পারে। এমন সমস্যায় পড়লে আপনি অজু করে গাছতলায় গিয়ে বসেন আর ভাবেন-
আমার বিশ পচিশ বৎসর হয়ে গেছে। আমার মা বাবা আমাকে মারছে ধরছে শাসন করছে আবার খুজে না পেলে পাগল হয়ে গেছে, দেরী করে বাসায় ফিরলে সবাই চিন্তিত থাকছে। এক ভাই বা বোন আরেক ভাই বোনকে ছাড়া খেতে বসে নাই। পিতা মাতা এত মারছে ধরছে তার পরওতো সংসার ভাঙ্গে নাই, জোড়া ছুটে নাই, একই পরিবারে লালিত পালিত ও বর্ধিত হয়েছি। আর পিতা মাতা অতি আনন্দে উৎসাহিত হয়ে নতুন বউয়ের মুখ দেখার জন্য বা নাতীপুতির মুখ দেখার জন্য প্রিয় পুত্রকে বিবাহ করান। পরের মেয়ে বউকে যন্ত্রনা করার জন্য নয়। সুখের সংসারে ঝামেলা বাজানোর অনুষ্ঠান করার জন্য কেউ পুত্রকে বিয়ে করান না। কিন্তু বউ বলে আমারে কেউ দেখতে পারে না, আমি কালো, ভুতের মত, আমার দাঁত উচা, আবার বলে যৌতুক চায়। পাচ লাখ নগদ দিছি, স্বর্নালংকার দশ লাখ, খাট পালং, এমনকি বাথরুমে যাওয়ার বদনা, খেতা সিলানো সুই দিছি। আরো এক লাখ টাকার জন্য নির্যাতন করে। অথচ খবর নিয়ে দেখা যাবে বউয়ের বাড়িতে ঘরের দরজা নাই, এক দরজা দিয়ে কুকুর ঢুকে অন্য দরজা দিয়ে বের হয়। নিজের বাড়িতে বদনা নাই, বাথরুম নাই, জঙ্গলে হাগু দেয় আবার জামাইকে নাকি টাকা পয়সা স্বর্নালংকার যৌতুক দিয়া ভইরা ফালাইছে। এত টাকা কই পেল, স্বপ্নে পেয়েছে, বাস্তবে নয়।
যাইহোক বিয়ে করার পর এমন হচ্ছে কেন? কাল বৈশাখী ঝড়, আসলে এটা আসল ঝর নয়, সব নকল, বানোয়াট।
সিনেমা হলে তিন ঘন্টা ছবি দেখলে সবাই নায়ক নায়িকা হয়ে যায়, কেউ রিক্সা বেবী টেক্সি চালাইয়া নায়কের মত হঠাৎ বড়লোক হয়ে যাবে ভাবে। কিন্তু হল থেকে বের হলে কিছুক্ষন পর সেই আগের মত। তেমনি সংসার ভেংগে যাবার পর আসল রূপটি ছেলেদের চোখে মনে ভেসে উঠে যে চরম ভুল করা হয়েছে। এটা ইবলিশ সয়তানের চক্রান্ত।
বিয়ের পর বদ মেয়েদের প্রথম কাজ শ্বশুর শ্বাশুরী ননদ দেবরদের নিয়ে সংসার গোছানো নয়, সংসার ভাংগা বা আলাদা করা তার প্রধান কাজ প্রধান চিন্তা। প্রায় ৯০ ভাগ মেয়েরা এটা করে।
+++++++++++++++++++++++++++++
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাঃ একদিন ইবলিশকে জিজ্ঞাসা করছিলেন-হে ইবলিশ সয়তানী কাজের মধ্যে তোর প্রথম সয়তানী কাজ কোনটি?
ইবলিশঃ পরস্পর বিচ্ছেদ সৃষ্টি করা এটাই হচ্ছে আমার প্রথম সয়তানী কাজ। বন্ধুর সাথে বন্ধুর, পিতার সাথে পুত্রের, এমনকি স্বামী স্ত্রী।
এতে স্পষ্ট বুঝা যায় যে কোন দলকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চাইলে বা তাদের ভিতর মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানী সৃস্টি করতে চাইলে প্রথমে তাদেরকে দলে দলে বিভক্ত করতে হবে।
উহা যে সত্য কথা তাহার একটি পুরানো দলিল আমার মনে পরছে। আর তা হলো ইবলিশ বন্ধু হয়ে বেহেস্তে ঢুকল আর আদম আঃ ও হাওয়া বিবির মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করল। তাহলে দেখা যায় যখন আদম আঃ ও হাওয়া বিবির মধ্যে সংসার শুরু হলো তখনই ইবলিশ জান্নাতে ঢুকলো বা ঢুকার প্রয়োজন মনে করলো। এর আগে ঢুকে নাই, ঢুকতে পারে নাই বা ঢুকার প্রয়োজন মনে করে নাই। আর ঢুকার পর নারী দিয়া ঢুকলো নর দিয়ে বের হলো কার্য সিদ্ধি করে। হাওয়া বিবি দিয়া ঢুকে আদম আঃ দিয়ে বের হলো। তাহলে সুখের সংসারে ইবলিশ ঢুকার পথ হচ্ছে নারী বা নতুন বউ। নারীদের ভিতর দিয়েই সয়তান দ্রুত ঢুকতে পারে।
একটি সংসারে ততদিন ইবলিশ ঢুকতে পারেনা যতদিন ঐ সংসারে নতুন বউ না আসে। এর আগে সাত আটজন সদস্য নিয়ে একটি বড় পরিবার খাক বা না খাক একত্রে থাকে ও পরম সুখে শান্তিতে বসবাস করে।
অতএব, ইবলিশের প্রথম শয়তানী কাজটি আমাদের জানা হয়ে গেল। ইহা প্রতিরোধ করতে পারলে বিপদের সম্ভাবনা থাকে না। কারন সংসারে ইবলিশ ঢোকার রাস্তা বন্ধ হয়ে য়ায়।
কোন দলকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে হলে আগে সেই দলে ঢুকতে হয় এবং ঝগড়া ঝাটি সৃস্টি করে সেই দলকে দলে দলে বিভক্ত করতে হয়। এটাই ইবলিসের প্রথম ও প্রধান কাজ বা চিন্তা। দলে দলে একবার বিভক্ত করতে পারলে প্রতিটি দলে আবার নতুন নতুন নেতার সৃস্টি হবে। নতুন নেতারা আবার নতুন নতুন আইন বা ধর্মের সুচনা করবে। এভাবেই সৃস্টি হবে বিভিন্ন ধর্ম। হিন্দু, খৃস্টান, বৌদ্ধ ইত্যাদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হবে মানুষ। সৃস্টিকর্তার শান্তির ধর্ম ইসলাম থেকে মানুষ দুরে সরে যাবে। এটাই ছিল ইবলিশের পণ বা প্রতিজ্ঞা।
আপনার স্ত্রী এমন কথা বলতে পারে-
তুমি তোমার ঘায়ের রক্ত পানি করে যে ভাই বোনদের লেখাপড়া করাও তারাতো একদিন তোমাকে ভুলে যাবে। লেখাপড়া বন্ধ করে ওদের কাজে লাগিয়ে দেও। হ্যাঁ
ভুলে যেতে পারে তবে এরই মাঝে স্বার্থ আছে, আছে স্বর্গ।
সেই ভাই ভুলে যাবার কারন কি? কারন হচ্ছে লেখাপড়া শেষে সেই ভাই যখন বিয়ে করবে তার স্ত্রী ঠিক এমনই ভাবে তাকে কুমন্ত্রনা দিবে ও ভুলে যাবে। কিন্তু
আমার আপনার এই চিন্তাগুলি যখন সবার মাঝে পৌছে যাবে তখন আর কেউ ভুলবেনা। তবে সময় লাগবে। আর ইবলিশ সয়তান বলবে আমার মন্ত্রে এখন আর কোন কাজ হয় না। সে বেকার হয়ে যাবে।
মা বাবা বৃদ্ধ, ছোট ভাই বোন লেখাপড়া করে। সামনে পরীক্ষা। এমন অবস্থায় কেউ যদি স্ত্রীকে নিয়ে ভিন্ন সংসার গড়ে তা নিজের কল্পনা করে দেখুন কেমন লাগে।
যারা চিন্তা করবেনা তাদের বৃদ্ধ বয়সে তারাও সন্তানদের কাছে পাবেনা। বুদ্ধাশ্রম তাদের জন্য কনফর্ম।
অনেক নারী সংসার ভাংগেতো ভাংগে আবার তার সন্তানদেরও কুমন্ত্রনা দেয় দাদা দাদী চাচা ফুফুদের সম্পর্কে। ফলে সন্তানরা পিতার গোস্টি থেকে দুরে থাকে। মামার গোস্টির সেবা করে। প্রকৃত পক্ষে পিতার গোস্টিই কাছের মানুষ অতি আপন। অন্ততঃ দাদা দাদীর খবর নিতেই হবে। এখনই যান পিতামাতা, দাদা দাদীর খবর নেন, ঔষধ পত্র লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করেন।
তবে যতই কুমন্ত্রনা দেউক না কেন, সন্তানরা উপযুক্ত হয়ে মায়ের কৃতকর্মের কথা বুঝতে পারে, ফলে তারাও একদিন ঐ মাকে ছেড়ে আলাদা হয়ে যায়। এটাই কিন্তু সয়তানের খেলা, শেষে বিধাতার তরফ থেকে পুরস্কার বৃদ্ধাশ্রম না হয় অন্য কোন দূর্গতী।
তাহলে এখনতো সুস্পষ্ট বুঝতে পারছেন? ইবলিশ সয়তান বিচ্ছেদের মাধ্যমে সয়তানী কাজ শুরু করে। আরো বুঝতে পারছেনতো জান্নাতে আদম আঃ ও হাওয়া বিবির মধ্যে বিচ্ছেদ সৃস্টি করেই ক্ষেন্ত হন নাই, ঐ কার্য আমাদের মানব সংসারেও অব্যাহত রেখেছেন। সংসার ভাগ করতে পারলেই পরে আস্তে আস্তে সয় সম্পক্তি জমি জমা নিয়ে বিবাদ সৃস্টি করতে পারেন।
আপনি মনস্খির করছেন এ মাসে বেতন পেয়ে দুই হাজার টাকা পিতা মাতাকে দিবেন। কিন্তু পারবেন না। কারন আপনার স্ত্রী চালাকি করে আড়াই হাজার টাকার কাপড় চোপড় পাশের বাড়ির মহিলার কাছ থেকে বাকীতে এনেছে।
আপনি শ্বশুর শ্বাশুড়ীকে কাপড় চোপড় কিনে দিবেন। খুব খুশি তারা, আরো বলবে আমার মেয়ের জামাইর হাত লম্বা, মনটা আকাশের মত প্রশস্ত। খুব প্রশংসা করবে আপনার। কিন্তু আপনার মাকে তিনশত টাকার কাপড় দিলে গাঁয়ে তাদের ঠোয়া পড়ে যাবে।
বলতে পারে সারা জীবন কামাই করে তাদের লালন পালন করেছো এখন বউ পোলাপানের ভবিষ্যতের কথা ভাব। বউয়ের কথায় না চললে উন্নতি হয় না।
তাই বলে কি আমি শ্বশুর শ্বাশুড়ীর সেবা করতে নিষধ করছি, তা কিন্তু নয়। আপনার উপর তাদের অধিকার আছে।
আপনি হয়তো বলতে পারেন মেয়েরা মায়ের জাত, বোনের জাত। কিন্তু বউয়ের জাত যে আছে তা কিন্তু ভুলে যেয়েন না। তারা যেমন সংসারের লক্ষী তেমন অলক্ষীও আছে। তাদের মন নরম, জ্ঞান বুদ্ধি দুর্বল, সয়তান তাদের সহজে আক্রমন করে। সয়তানের কুপ্ররোচনায় নারী যদি কোন অপকর্ম করে তার শাস্তির ভাগ নরকেও ভোগ করতে হয়। দলিল বা প্রমান হিসাবে হাওয়া বিবির কথা উল্লেখ করা যায়। সে নিজে গন্ধম ফল খেলো, আদম আঃ কেও খাওয়ালো। ফলে আদম আঃ কেও শাস্তি ভোগ করতে হলো। যাইহোক তা ছিল আল্লাহর ইশারা বা লিলাখেলা। আল্লাহ যেন আমাকে মাপ করে।
নারী হচ্ছে পুরুষের জন্য একটা বড় নেয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকে। তবে যতই বড় নেয়ামত হোকনা কেন তাদের শাসন, সংরক্ষন, হেফাজতের দায়িত্ব নরের উপর বর্তায়। তাই নতুন বউকে যাতে সয়তানে না পায় এর জন্য নিজের পাশাপাশি তাকেও বলবেন সে যেন বেশী বেশী-আউযুবিল্লাহে মিনাশ সাইতোয়ানের রাজীম পাঠ করে। এর পরও যদি কাজ না হয় তাহলে
আরেকটা কথা আমি শিখাইয়া দেই, পান খাওয়ার টাকা দিতে হবেনা আমাকে, শুধু দোয়া করবেন।
রাতের বিছানায় যদি স্ত্রী কিছু বলে শুধু হ হ করে যাবেন, কিন্তু সুর্যোদয়ের সাথে সাথে তা ভুলে যাবেন। বলবেন রাতের কথা দিনে আমার মনে থাকেনা। এটা একটা রোগ। উত্তরাধীকার সুত্রে পিতার কাছ থেকে পেয়েছি এই রোগ। ভাল হয় না।
ভুলে যাবেন কিনা শপথ করে বলেন। কমেন্টে লিখুন-
শপথ করলাম ভুলে যাব।