MAHA "MaHa"is the online super shop.We provide best product & services.All kinds of product we will give

02/03/2025

সবাইকে জানায় পবিত্র রমজান মাসের শুভেচ্ছা
আল্লাহ সবাইকে রহমত বরকত দান করুন আমিন

"🦞খানাদানা 🦐"চিকেন সুক্কাউপকরণ:মশলার জন্য:নারকেল কোরা- ১ কাপমাহা মাংসের মসলা-২ চা চামচস্বাদ অনুযায়ী নুনশুকনো লঙ্কা (দেগ...
24/01/2025

"🦞খানাদানা 🦐"
চিকেন সুক্কা

উপকরণ:
মশলার জন্য:
নারকেল কোরা- ১ কাপ
মাহা মাংসের মসলা-২ চা চামচ
স্বাদ অনুযায়ী নুন
শুকনো লঙ্কা (দেগি মির্চ হলেই সবচেয়ে ভালো)- ৯-১০টি
আদা- ১/২ ইঞ্চ (খোসা ছাড়িয়ে কু চি করে কা টা)
রসুন কোয়া- ৫-৬টি
সাদা তেল- ১ টেবিল চামচ
ঝিরিঝিরি করে কা টা পেঁয়াজ- ১টি (মাঝারি সাইজ)
তেঁতুলের পাল্প অথবা ভিনিগার- ১ চা চামচ

ম্যারিনেশনের জন্য:
চিকেন- ৭০০ গ্রাম (ছোট ছোট টু করো)
স্বাদ অনুযায়ী নুন
সাদা তেল- ১ চা চামচ
কাঁচা লঙ্কা বাটা- ১টি
আদা রসুন বাটা- ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ
হিং- এক চিমটি

স্যুপের জন্য;
সাদা তেল- ২ টেবিল চামচ
লবঙ্গ- ২-৪টি
ছোট এলাচ- ২-৩টি
বড় এলাচ- ১টি
দারচিনি- ১/২ ইঞ্চ
তেজপাতা- ২-৩টি

ম্যারিনেট করা চিকেন:
পেঁয়াজ - আধখানি (ঝিরিঝিরি করে কা টা)
জল- ৩ কাপ
প্রস্তুত করা মশলা- ২ চা চামচ
স্বাদ অনুযায়ী নুন
চিনি- ১/২ চা চামচ
ধনেপাতা কু চি- ১/২ টেবিল চামচ

চিকেন সুক্কার জন্য:
সাদা তেল- ২ টেবিল চামচ
কারি পাতা- বেশ কয়েকটি
পেঁয়াজ- আধ খানা (ঝিরি করে কাটা)
দেগি মির্চ গুড়ো- ১ টেবিল চামচ
তৈরি করা মশলা- ১/৩ কাপ
জল- ১/৪ কাপ
রান্না করা চিকেন

প্রণালী:
প্রথমে চিকেন ম্যারিনেট করে নিন। একটি পাত্রে চিকেন, নুন, সাদা তেল, কাঁচা লঙ্কা বাটা, আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো এবং হিং নিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন। এ ভাবে আধ ঘণ্টা মতো ম্যারিনেট করতে হবে।
একটি পাত্রে নারকেল কোরা দিয়ে সেটি মাঝারি আঁচে রোস্ট করতে থাকুন। নারকেল কোরার রং সোনালি করতে হবে, তবে খেয়াল রাখুন সেটি বাদামি যেন না হয়ে যায়। রোস্টেড নারকেল কোরা একটি ঠান্ডা পাত্রে রেখে দিন।
যে পাত্রে নারকেল কোরা রোস্ট রেখেছেন তাতেই এই রোস্ট করা মশলা রেখে দিন।
এ বার কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ সঁতে করুন। পেঁয়াজ যেন বাদামি না হয়ে যায়।
একটি গ্রাইন্ডারে রোস্ট করা নারকেল কোরা, রোস্টেড মশলা, ভাজা পেঁয়াজ, গোটা দেগি মির্চ, আদা, রসুন, তেঁতুলের পাল্প অথবা সামান্য ভিনিগার নিয়ে খুব ভালো করে গ্রাইন্ড করে নিন।
এ বার স্যুপের পালা। কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে তেজপাতা, দারচিনি, লবঙ্গ, ছোট ও বড় এলাচ ফোঁড়ন দিন। সুগন্ধ বের হলে তাতে ম্যারিনেট করা চিকেন এবং পেঁয়াজ দিয়ে ভালো করে ভাজুন।
এর মধ্যে জল দিয়ে পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে মিনিট দশেক চিকেনগুলো সিদ্ধ করে নিন। প্রেসার কুকারেও সিদ্ধ করতে পারেন।
চিকেন ভালো ভাবে সিদ্ধ হয়ে গেলে সেগুলি এক এক করে আলাদা একটি পাত্রে তুলে রাখুন।
এ বার চিকেন স্টকের মধ্যে দুই চামচ প্রস্তুত করা মশলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে, মাঝারি আঁচে ভালোমতো ফুটিয়ে নিন।
স্যুপটিতে নুন লাগবে কিনা দেখে নেবেন। প্রয়োজনমতো নুন এবং চিনি যোগ করতে পারেন। আর যোগ করুন ধনেপাতা কু চি।
শেষে একটি ছাঁকনিতে সমস্ত স্যুপ ছেঁকে নিতে হবে,যাতে মশলা মুখে না পড়ে।
স্যুপের পর এ বার ফাইনাল টাচ। কড়াইতে তেল গরম করে, কারিপাতা ফোঁড়ন দিন। তাতে পেঁয়াজ, দেগি মির্চের গুঁড়ো, প্রস্তুত করা মশলা দিয়ে মাঝারি আঁচে মিনিট পাঁচেক মিনিট ভাজুন।
এতে জল দিয়ে ২-৪ মিনিট কষান। মশলা থেকে তেল আলাদা হলে তাতে চিকেন দিয়ে আরও ভালো করে কষান।
উপরে ছড়িয়ে দিতে পারেন ধনেপাতা কু চি।
পরিবেশনের সময় প্লেটে চিকেন সুক্কা রাখুন। স্যুপটি রাখুন আরেকটি বাটিতে। আর সঙ্গে নিন সাদা ভাত।।

🧠অসাধারণ জ্ঞান🥭🥭আম সমাচার 🥭🥭আম খাওয়ার পর আমরা আঁটি ফেলে দেই। আমের আঁটি ফেলে না দিয়ে গুঁড়া করে যত্নে রাখুন, কারণ এটির রয়ে...
19/01/2025

🧠অসাধারণ জ্ঞান
🥭🥭আম সমাচার 🥭🥭

আম খাওয়ার পর আমরা আঁটি ফেলে দেই। আমের আঁটি ফেলে না দিয়ে গুঁড়া করে যত্নে রাখুন, কারণ এটির রয়েছে নানা গুণাগুণ।
গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতি ১০০ গ্রাম আমের আঁটিতে রয়েছে ৬ গ্রাম প্রোটিন, ২০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ৩২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেড, ৩ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার আর প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২। এছাড়াও আমের আঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

আসুন জেনে নেই আমের আঁটির গুণাগুণ:

খুশকি সমস্যা দূর করতে: আপনার যদি খুশকির সমস্যা থাকে তাহলে আমের আঁটি ব্যবহার করতে পারেন। এক চিমটি আমের আঁটির গুঁড়ার সঙ্গে ২-৩ চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে মালিশ করুন।

এতে চুল উজ্জ্বল হবে পাশাপাশি খুশকির সমস্যা দূর হবে।
শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের জন্য: শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের জন্য আমের আটির জুড়ি নেই।

এজন্য আমের আঁটির গুঁড়ার সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করুন। নিয়মিত এটি ব্যবহার করলে ত্বক তেলতেলে ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
দাঁতের যত্নে: দাঁতের যত্নেও আমের আঁটি ব্যবহার করতে পারেন। ঝকঝকে দাঁত আর সুস্থ মাড়ি পেতে আমের আঁটির গুঁড়া দিয়ে দাঁত মাজুন।

জ্বালা-পোড়া দূর করতে: পিঁপড়া, মৌমাছি বা অন্যান্য কীট কামড়ালে জ্বালা-পোড়া করে। এই জ্বালা-পোড়া দূর করতে আক্রান্ত স্থানে আমের রস বা আমের আঁটির গুঁড়া লাগালে সাময়িক ভাবে ব্যথার বোধ দ্রুত কমে যায়।

রোগ প্রতিরোধে: যে কোনও খাবারের সঙ্গে আমের আঁটির গুঁড় মিশিয়ে খেতে পারলে উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আসসালামু আলাইকুম বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬কোটি+ এখান থেকে ৮০% মধ্যবিত্ত  নিম্নমধ্যবিত্ত  এবং গরিব পরিবার। আমাদের উপদেষ্...
16/01/2025

আসসালামু আলাইকুম
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬কোটি+ এখান থেকে ৮০% মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্ত এবং গরিব পরিবার। আমাদের উপদেষ্টা মহাদয়রা ভুলেই গিয়েছেন এই ৮০% এর কথা। এইভাবে জিনিসপত্রের ভ্যাট তো বাড়িয়ে দিচ্ছেন যারা শ্রমিক চাকরিজীবি সবার বেতন গুলো তো বাড়ান।কখনো শাক সবজি চাল ডালের দাম বাড়ান কখনো বা ভ্যাটের নামে এইসব।দেশ নাকি স্বাধীন হয়েছে এখন দেখি স্বাধীনতা না স্বাভাবিকতা লাগবে। সামনে আসছে ঈদ মানুষ যেমন রেডিমেড কাপড় কিনতে হিমসিম খাবে তেমনি কাপড় কিনে বানানোরও কোনো অপশন নাই😪তার উপরে এলপি গ্যাস কিনে রান্না করে খেতে হবে না।এখন জেন-z রা কই এখন করবে না প্রতিবাদ?
ভেবেছিলাম ডা:ইউনুসের মত এত বড় বিজ্ঞ মানুষ যিনি অর্থনীতিতে অগ্রগতির জন্য ২টি মডেল আবিষ্কার করে পুরো বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি অন্তত আমাদের জন্য কিছু করবেন কিন্তু কি হচ্ছে? মানছি দেশকে খেয়ে অচল করে দিয়েছে কিন্তু উনারা কি এখন দেশের মানুষ গুলোকে না খেয়ে মারবে দেশ সচল করতে?এখন বলবে দেশকে উন্নত করার জন্য এগুলো করছি এইভাবে জনগণকে চেপে নিলে উন্নত তো দূরে থাক একদিন দেশই থাকবে না।

কুরিয়ারে ঝামেলায় এইভাবেই আমাদের অনেক ক্ষতি হতে থাকেএরপরও ক্রেতারা বলে দাম বেশি এই সেই😞ভালো খাঁটি জিনিসের দাম তো বাড়তী হব...
13/01/2025

কুরিয়ারে ঝামেলায় এইভাবেই আমাদের অনেক ক্ষতি হতে থাকে
এরপরও ক্রেতারা বলে দাম বেশি এই সেই😞ভালো খাঁটি জিনিসের দাম তো বাড়তী হবেই।সবাই দোয়া করবেন

Without him life like a body without breathAlhamdulillah Allah give him to me
10/01/2025

Without him life like a body without breath
Alhamdulillah Allah give him to me

অসাধারণ জ্ঞান🧄🧄পিপুল সমাচার🧅🧅🧅➡️পিপুল (Piper longum), (Pippali) যাকে কখনো কখনো ভারতীয় পিপুল নামে ডাকা হয়, এক প্রকার সপ...
02/01/2025

অসাধারণ জ্ঞান
🧄🧄পিপুল সমাচার🧅🧅🧅
➡️পিপুল (Piper longum), (Pippali) যাকে কখনো কখনো ভারতীয় পিপুল নামে ডাকা হয়, এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি নলিয়া লঙ নামেও পরিচিত। এটি Piperaceae গোত্রের একটি লতাজাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ যা ফলের জন্য চাষ করা হয়।

পিপুল ফল শুকিয়ে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পপি বীজের সমান আকৃতির অসংখ্য পিপুল ফল একটি সংযুক্ত দন্ডে অবস্থান করে। এর অপর একটি প্রজাতি Piper retrofractum ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপাঞ্চলে দেখা যায়।

পিপুল । এটি সুগন্ধিযুক্ত লতানো গাছ, মাটিতে বেয়ে বেয়ে বড় হয় । কখেনো অন্য গাছ বেয়ে উঠে । লতার প্রতি পর্ব্ সন্ধি বা গিট থাকে ।

এর একটি করে পাতা একান্ত ভাবে জন্মায় । এর পাতা দেখতে অনেকটা পান পাতার মতো । বোঁটা ছাড়া পাতা লম্বায় ৪-৬ সেমি এবং চওড়া ২-৪ সেমি । পতার উপরিভাগ ঘন সবুজ এবং চওড়া এবং নিচের দিকটা হালকা সবুজ । প্রতিটি পর্ব্ ৭-১৩ সেমি লম্বা হয় । ফুল কড়ি অবস্থায় সবুজ । ফল পাকলে হলুদ ও পরে ধূসর হয়ে যায় । বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জের আনাচে কানাচে এই গাছ দেখতে পাওয়া যায় । পিপুলের কিছু ভেষজ ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে যা এখন আলোচনা করা হল ।

উপকারিতা

শ্বাস কাস, উদর জ্বর , কুষ্ঠ , প্রমেহ , গুল্ম অর্শ, প্লীহা, শূল, আমবাত বিনাশক । আদ্র পিপুল কফ কারক, সিগ্ধ , শীতল, মধু রস, গরু ও পিত্ত নাশক শুষ্ক পিপুল পিত্ত প্রকোপক।

পিপুলের মূল ও পিপুলের ন্যায় গুণকারক । পিপুল চূর্ণ্ মধু সহ সেবনে মেদরোগ , কফ , শ্বাস , কাস ও জ্বর নিবারিতা হয় এবং বল মেধা ও অগ্নি বর্ধিত হয় ।

ইক্ষু গুড় দুই ভাগ এবং পিপুল চূর্ণ্ এক ভাগ, উভয়ে মিশ্রিত করে নিয়মিত সেবনে জীর্ণ্জ্বর , অগ্নিমান্দ্য, কাশ অজীর্ণ, অরুচি , শ্বাস, হৃদরোগ ও ক্রিমি ন্ষ্ট হয় ।

পিপুলের শুকনা অপরিপক্ক ফল বল বৃদ্ধিকারক ও টনিক হিসাবে , অপরিপক্ক ফুল এবং মূলের ক্বাথ পুরাতন ব্রঙ্কাইটিস, কাশি এবং ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য উপকরি ।

পিপুল পাতা মাছের ঝোলের সাথে রান্না করে খেলে কাশিতে উপকার পাওয়া যায় ।

সবচাইতে উপকার পাওয়া যায় মেদ ভূড়িতে যারা কষ্টে থাকে । তাদের জন্য ২৫০ মিগ্রা পিপুল চূর্ণ্‌ আধা চা চামচ মধু সহ খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে এক কাপ অল্প পানি সহ মাস খানেক খেলে উপকৃত হবেন ।

১৫০ মিগ্রা পিপুল চূণ ২০-২৫ ফোটা ঘিয়ের সাথে ভেজে মাস খানেক খেলে স্মরণ শক্তি ও মেধার লক্ষণীয় উন্নিতি হবে ।

দুই গ্রাম পিপুল সামান্য থেতো করে চার কাপ পানিতে সিদ্ধ করে দুই কাপের মতো থাকতে নামিয়ে নিয়ে ছেকে সেই পানি তিন ঘন্টা পর পর তিন চার কার করে খেলে হাপানির কষ্ট কমে যায় ।

31/12/2024

Happy new year

🧅❤️❤️অসাধারণ জ্ঞান❤️❤️❤️❤️জিরা সমাচার➡️জিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Cuminum cyminum জীরা বা কথ্য ভাষায় জিরে হলো অ্যাপিয়াসি গোত্...
27/12/2024

🧅❤️❤️অসাধারণ জ্ঞান❤️❤️❤️❤️
জিরা সমাচার
➡️জিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Cuminum cyminum জীরা বা কথ্য ভাষায় জিরে হলো অ্যাপিয়াসি গোত্রের একটি পুষ্পক উদ্ভিদ। এটি মধ্যপ্রাচ্য থেকে পূর্বে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের স্থানীয় প্রজাতি।এর বীজ ফলের ভেতরে থাকে। বিভিন্ন দেশে জিরার ফল শুকিয়ে গোটা অথবা গুঁড়ো মশলা হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। বহু পূর্ব থেকেই জিরা চিরাচরিত চিকিৎসাব্যবস্থার একটি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এর নিরাপত্তা বা কার্যকারিতার উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
জিরা খুব সম্ভবত পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের লেভান্তে উৎপত্তি লাভ করেছিল।প্রায় সহস্রাধিক বছর ধরে জিরা মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।সিরিয়ায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননে খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের জিরার বীজ পাওয়া যায়।প্রাচীন মিশরের নব্য সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানেও জিরার নমুনা পাওয়া গেছে।প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় জিরা মশলা হিসেবে এবং মমীকরণের সংরক্ষক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
প্রাচীন ক্রিটের মিনোয়ান সভ্যতায় জিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মশলা হিসেবে বিবেচিত হতো। মিনোয়ান সভ্যতার শেষ যুগে বিভিন্ন প্রাসাদে জমাকৃত বস্তুর আর্কাইভে লিনিয়ার এ চিত্রলিপিতে লিখিত জিরার বর্ণনা পাওয়া যায়।প্রাচীন গ্রিসের অধিবাসীরা খাওয়ার সময় টেবিলে একটি কৌটায় জিরা রাখত (বর্তমান যুগে গোলমরিচ রাখার মতো)। এই প্রথা আধুনিক মরক্কোতে অদ্যাবধি চলিত আছে। প্রাচীন রোমান সভ্যতাতেও জিরার ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ভারতীয় উপমহাদেশে কয়েক হাজার বছর ধরে রান্নার উপকরণ হিসেবে জিরার ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়া উপমহাদেশের রান্নায় ব্যবহৃত বিশেষ মশলার মিশেলেও জিরার ব্যবহার লক্ষণীয়।
স্প্যানীয় ও পর্তুগিজ ঔপনিবেশিকদের মাধ্যমে আমেরিকা অঞ্চলে জিরা পরিচিতি লাভ করে। পারস্য রন্ধনশৈলীতে কালো ও সবুজ জিরা ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে আবাদকৃত জিরার সিংহভাগ চাষ হয় ভারতীয় উপমহাদেশ, উত্তর আফ্রিকা, মেক্সিকো, চিলি ও চীনে।এছাড়াও, পাখির খাদ্য হিসেবে জিরা ব্যবহৃত হওয়ায় বিভিন্ন দেশে এটি রপ্তানি করা হয়। ফলে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযোজিত উদ্ভিদ হিসেবে জিরার আবাদ হতে দেখা যায়।

স্বতন্ত্র ফ্ল্যাভার বা গন্ধের জন্য জিরা প্রধানত মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ফ্রান্সে কিছু কিছু পনির (যেমন লাইডেন পনির) ও ঐতিহ্যবাহী রুটিতে জিরা ব্যবহৃত হয়। মরিচ গুঁড়ার সমন্বয়ে বিভিন্ন মসলার মিশ্রণে (সাধারণত টেক্স-মেক্স বা মেক্সিকান-স্টাইলে) জিরা ব্যবহার করা হয়। অ্যাকিয়োট ব্লেন্ড, আদোবো, সোফ্রিতো, গরম মসলা, কারি পাউডার ও বাহারাত প্রভৃতি মসলার মিশ্রণ তৈরিতে ও বাণিজ্যিকভাবে ঝাঁজালো গন্ধের খাদ্য প্রণালিতে জিরার ব্যবহার আছে।দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অঞ্চলে ধনের সাথে জিরা মিশিয়ে ধনে জিরা নামে একটি মসলা ব্যবহার করা হয়।
জিরা গুঁড়া বা গোটা দুইভাবেই ব্যবহার করা যায়।জিরার ব্যবহারে খাদ্যে ঈষৎ মেটো, ঝাঁজাল ভাব আসে, যার কারণে কিছু কিছু স্টু, স্যুপ, ও গ্র‍্যাভি বা ঘন ঝোল তৈরিতে মরিচ ও কারি মসলার সাথে জিরা অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে।এছাড়া বিভিন্ন আচার ও প্যাস্ট্রি তৈরিতে অন্যতম উপাদান হিসেবে জিরা ব্যবহৃত হয়।

প্রতি ১০০ গ্রাম জিরায় উচ্চ পরিমাণে দৈনিক চাহিদার চর্বি (বিশেষত এক-অসম্পৃক্ত চর্বি), প্রোটিন ও খাদ্য আঁশ রয়েছে (টেবিল দ্রষ্টব্য)। জিরায় ভিটামিন বি, ভিটামিন ই ও খনিজ পদার্থ, বিশেষত লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। জিরায় পেট্রোসেলিনিক অ্যাসিডও বিদ্যমান।

Alhamdulillah another order done
26/12/2024

Alhamdulillah another order done

Alhamdulillah delivery done শীতে ঘীয়ের স্বাদই অন্যরকম লাগে। গরম গরম ভাতে ঘী খেতে অসাধারণ লাগে।
25/12/2024

Alhamdulillah delivery done
শীতে ঘীয়ের স্বাদই অন্যরকম লাগে। গরম গরম ভাতে ঘী খেতে অসাধারণ লাগে।

Address

82 No J. I Madrasa Road, Dampara
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MAHA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share