আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ সৃষ্ট জীবের আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে যুগে যুগে মানবসভ্যতার জীবনযাত্রার মানোন্নতি বা পরিবর্তন ঘটিয়েছে। জীবন নিয়ে, সমাজ নিয়ে, ব্যক্তি নিয়ে, সৃষ্টি নিয়ে বা স্রষ্টা নিয়ে চিন্তাশীল ও ভাবধর্মী এই মানুষেরাই তাদের প্রজন্মকে মাতৃকোল থেকে কবরের বিছানা অব্ধি জ্ঞান শিক্ষা দিয়ে গেছেন। আর এই জ্ঞান শিক্ষা কালক্রমে বহু মনিষী, সাধক, নেতা, অভিভাবক, শিক্ষকগণ বুকে লালন করেছেন এবং সত্যের সুঘ্রাণ ছড়িয়েছেন মানুষের ঘরে ঘরে, লোকালয়ে, অফিস বা আদালতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাসে।
মানুষের এ অগ্রগতি ও ধর্মানুভূতির বিকাশ ঘটে সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার আলো অনুসন্ধান করে। আর এ শিক্ষার আলোর প্রধান ও সর্বোত্তম মাধ্যম বই মানুষের জীবনে ক্রমশ আধিপত্য নির্মান করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষ বইশিক্ষাকে জীবনের এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনায় এনেছে। আজকের প্রজন্ম প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সক্ষম হচ্ছে। দোজাহানের কামলীওয়ালা নবী-রাসূল হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা ﷺ এর জীবনকাল, অমৃত কথামালা, তাঁর দেয়া শিক্ষা-দীক্ষা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। সকল বিষয়ের সঠিক পথ ও ধর্মীয় বিধি-বিধানের শিক্ষায় আলোকিত হচ্ছে। আর এর সববিষয়েই বই শিক্ষার অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। তাই আলোকিত সমাজ ও জীবনব্যবস্থা গড়ে তুলতে বই পড়ার বিকল্প নেই।
জীবনে বেঁচে থাকার লক্ষ্য থাকে। থাকে সৃষ্টির রহস্যাদি বা মূলমন্ত্র। বই পড়লে মানুষ সে রহস্য ও মূলমন্ত্র জানতে পারে। বই পড়লে মস্তিষ্ক চিন্তা করার খোরাক পায়, সৃষ্টি করার যোগ্যতা বাড়ে। জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়। বইয়ের সাথে ঐশী জ্ঞানের নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। বই মানুষকে নিয়ে যায় এক কাল্পনিক শিক্ষা শহরে, শিক্ষার পরতে পরতে যেখানে সমৃদ্ধ বা বিশুদ্ধ শিক্ষার সন্ধান পাওয়া যায়। যদিও বর্তমান এই যান্ত্রিক জগতে শিক্ষা জ্ঞান চর্চা খুব একটা বেশি নয়। তার উপর বিশুদ্ধ জ্ঞানের চাইতে অশুদ্ধ জ্ঞানের চর্চাই বেশি। এ কারণে জীবনে ধর্মীয় রীতিনীতি ও অনুশাসন বাস্তবিক রূপ নিচ্ছে না। এতে করে যেমন আলোর উৎস ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, তেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্ধকার জগতের রাজত্ব।
এ অন্ধকার রাজত্বকে নির্মুল করতে হলে আমাদের উচিত বিশুদ্ধ শিক্ষার আলো গ্রহণ করা। কারণ বিশুদ্ধ জ্ঞান চর্চা যেকোনো মানব অন্তর আলোকিত করে সঠিক জ্ঞানের আলোয়। মহামহিম দয়াবান ও করুণাময় প্রতিপালকের অশেষ দয়া ও রহমতে পাঠ্যনগর অংশ নিয়েছে ‘বিশুদ্ধ জ্ঞানের আলোকিত সন্ধান’ স্লোগানে সেই আলো বিকিরণের যাত্রায়। এ যাত্রাটি আমরা ছোট পরিসরে বাছাইকৃত ইসলামি বিশুদ্ধ জ্ঞান চর্চার বই নিয়ে শুরু করেছি। তবে খুব শীঘ্রই আপনাদের মোহাব্বত ও সহযোগিতায় ইসলামের প্রতিটি সেকশনের পৃথক পৃথক বিষয়ভিত্তিক বইয়ের পাশাপাশি জীবনমুখী অন্যান্য শ্রেনী ও বিষয়ের বই কালেকশন নিয়ে আসব ইনশাআল্লহ।
দেশে বইয়ের বাজার গুলোতে সঠিক জ্ঞানভিত্তিক বইগুলো থাকলেও নেই এর তেমন কোনো প্রচার, চাহিদা ও উন্নত মানের বাজার ব্যবস্থাপনা। যার ফলশ্রুতিতে যুগে যুগে লিখে যাওয়া মহামানব ও মনিষীদের বইগুলো বর্তমান প্রজন্মের ঘরে ঘরে পৌঁছতে পারছে না। এমতাবস্থায় পাঠ্যনগর আপনাকে দিচ্ছে ঘরে বসেই দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বই কিনে হোম ডেলিভারি পাওয়ার ও দেয়ার সুযোগ। আর আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিনের ডিসকাউন্ট অফার সহ অন্যান্য সকল আকর্ষণীয় অফার তো আছেই। স্বল্পমূল্যে ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ বই পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনিও হয়ে যান আমাদের সফলতার অংশ। আর পেয়ে যান বিশেষ সম্মাননা। কারণ আমাদের সফলতা মানেই আপনার সফলতা।
বিশুদ্ধ জ্ঞান চর্চা করুন, জ্ঞানের পরিধি সমৃদ্ধ করুন।
যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে,
ই-মেইলঃ [email protected]
মোবাইলঃ 01886324366
হোয়াটসআপঃ wa.me/01886324366
মেসেঞ্জারঃ m.me/pathyanagar
[বিঃদ্রঃ বর্তমানে আমাদের কোনো ফিজিক্যাল শপ নেই।]