Nilufa's Bookish Journey

Nilufa's Bookish Journey বইয়ের পাতায় হারানো পথিক
(4)

14/08/2026

চলে এলাম Mohammad Nazimuddin ভাইয়ের বইয়ের গিভঅ্যাওয়ে নিয়ে।

আমাদের বইপাড়ার মৌলিক থ্রিলার জগত পরিবর্তনের জন্যে যে ভদ্রলোকের অবদান অনেক বেশি তার নাম মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। তার হাত ধরে রবীন্দ্রনাথ সিরিজ, বেগ বাস্টার্ড সিরিজসহ আরও দারুণ কিছু বই, একইসাথে বাতিঘর প্রকাশনা থেকে তরুণ বেশ কিছু লেখকের বই প্রকাশিত হওয়ার পর যেন এদিকে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। যার ফলাফল হিসেবে মৌলিক দারুণ সব থ্রিলার লেখক এখন লিখছেন। কৃতজ্ঞতা রইলো ভাইয়ের প্রতি।

অন্যান্য গিভঅ্যাওয়েতে তিন জনকে পুরষ্কার দেয়া হয়। এবার দেয়া হবে পাঁচজনকে।

ভাগ্যবান পাঁচ জন পেয়ে যাবেন নাজিম ভাইয়ের অটোগ্রাফসহ নতুন বই 'নেমসেক।'



নিয়মাবলি-

* পেজে লাইক অথবা ফলো দিতে হবে

* পোস্ট টাইমলাইনে শেয়ার করতে হবে। আইডি লক থাকলে স্ক্রিনশট দিতে হবে।

* কমেন্টে কমপক্ষে ৭ জনকে মেনশন করতে হবে। লাকি সেভেন আর কী। যত খুশি ততজনকে মেনশন করা যাবে।

* ইনভাইটেশন দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে দিলে আমার উপকার হয়। পেজটা একটু হলেও আগায়। সবখানেই গিভঅ্যাওয়ে করা হয় এই কারণেই।

সুতরাং কেউ যদি ইনভাইটেশন দেন, স্ক্রিনশট দেবেন। যিনি বিচার-আচার করবেন, তার মন নরম হলেও হতে পারে। আবারও বলছি, ইনভাইটেশন না দিলেও যে পুরষ্কার পাবেন না, এমন নয়।

আপনাদের যেসব বন্ধুবান্ধব বা ভাই বোন বা কাছের মানুষের বইপত্র পড়ায় আগ্রহ আছে সবাইকে মেনশন করতে পারেন।

সময় ১৭ তারিখ রাত ৯ টা পর্যন্ত।

ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৯তারিখ রাত ৯ টায়।

বাতিঘর প্রকাশনার বক্তব্য অনুযায়ী বই প্রকাশ হবে ২৫ তারিখ। প্রকাশিত হওয়ার পরই বই আপনাদের ঠিকানায় চলে যাবে।

যিনি বিজয়ীদের সিলেক্ট করবেন তিনি বইয়ের জগতের সঙ্গে যুক্ত নন। তাই পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ এখানে থাকবে না।

কেউ মেসেজ দিয়ে বইপত্র চাইলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যাবেন।

বেস্ট অফ লাক।

নিঃশব্দ এই যাত্রার নাম বইপড়া।
12/08/2026

নিঃশব্দ এই যাত্রার নাম বইপড়া।

 #বুক_রিভিউরিভিউ দাতা: nilufa's Bookish Journey বই নাম:মাসকারেড হোটেল লেখক:কেইগো হিগাসিনোঅনুবাদক:কাবিদ হাসান সহ-অনুবাদক:...
07/08/2026

#বুক_রিভিউ

রিভিউ দাতা: nilufa's Bookish Journey

বই নাম:মাসকারেড হোটেল
লেখক:কেইগো হিগাসিনো
অনুবাদক:কাবিদ হাসান
সহ-অনুবাদক:সালেহ আহমেদ মুবিন
জনরা: ক্রাইম থ্রিলার
পৃষ্ঠা সংখ্যা:৩২০
প্রকাশনা: ঋদ্ধ প্রকাশ

প্রারম্ভিক কথন:কেইগো হিগাসিনোর লেখা মাসকারেড হোটেল একটি জনপ্রিয় জাপানি ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস।এর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, একটি অভিজাত হোটেলে ধারাবাহিক খুনের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে গোয়েন্দা ও হোটেল স্টাফদের যৌথ প্রচেষ্টা। এছাড়া বইটিতে, অপরাধের রহস্যের পাশাপাশি, মানুষের মনস্তত্ত্ব ও পেশাদার আচরণের ভেতরের দিকগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

নামকরণের সার্থকতা:মাসকারেড হোটেল নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক ও ব্যঞ্জনাময়।মাসকারেড মানে ছদ্মবেশ বা মুখোশধারী একদল লোক, যা এখানে রুপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। হোটেলে আগত অতিথিরা প্রায়শই তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অপরাধ লুকিয়ে রাখতে মুখোশের আড়ালে ভিন্ন ব্যক্তিত্বের রুপ ধারণ করে আসে। অপরদিকে কাহিনীর কেন্দ্রীয় চরিত্র কোসুকে নিত্তা খুনিকে ধরার জন্য রিসেপশনিস্টের ছদ্মবেশ ধারণ করে। হোটেলটি যেনো ছদ্মবেশ ধারণ করার একটি বলয়। যেখানে সবাই তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। এদিক থেকে,মাসকারেড হোটেল নামকরণটি গল্পের সাথে একদম সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে। অন্য কোনও নামকরণ করলে হয়তো এতটা মানানসই হতো না।

কাহিনী সারসংক্ষেপ: গল্পের শুরুতে জাপানের টোকিও শহরে একের পর এক খুন হতে দেখা যায় এবং খুনি প্রতিটি ঘটনাস্থলেই সংকেত রেখে যায়। একপর্যায়ে, পুলিশ বুঝতে পারে যে, পরবর্তী খুনটি হোটেল কর্তেসিয়া টোকিও তে হতে পারে।খুনির পরিকল্পনা নস্যাৎ করার জন্য, পুলিশ বাহিনী ছদ্মবেশ ধারণ করে হোটেল কর্তেসিয়া তে অবস্থান নেয়।এই সময় তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন গোয়েন্দা কোসেকে নিত্তা, রিসেপশনিস্টের ছদ্মবেশ ধারণ করেন এবং নিত্তার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়, হোটেলের পেশাদার রিসেপশনিস্ট নাওমি ইয়ামাগিশিকে।

হোটেলে আগত প্রত্যেকটা অতিথির চরিত্রই ছিল অত্যন্ত রহস্যময়।তারা প্রায় সবাই ই কোনো না কোনো ছদ্মবেশে আসতেন। যেমন কেউ নিজের পরিচয় গোপন করে আসতেন,কেউ স্ত্রীকে লুকিয়ে অন্য সঙ্গী নিয়ে আসতেন,কেউবা কোনো অশুভ উদ্দেশ্য নিয়ে আসতেন। নাওমি ইয়ামাগিশি ,অতিথিদের সন্দেহ না করে,সেবার পাত্র হিসেবে দেখতেন।তার কাছে অতিথিদের মুখোশ উন্মোচন করার চাইতে তাদের আরাম ও গোপনীয়তা রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
অপরদিকে, কোসুকে নিত্তা, হোটেলে আগত প্রতিটি অতিথিদের চোখে চোখে রাখতেন এবং তাদের লুকানো মুখোশের আড়ালে আসল রুপ খোজার চেষ্টা করতেন। অতিথিদের যেকোনো অস্বাভাবিক আচরণকেই তিনি অপরাধের ইঙ্গিত হিসেবে সন্দেহ করতেন। কারণ, তার প্রধান লক্ষ্যই ছিল খুনিকে খুঁজে বের করা।নিত্তার এই ধরনের আচরণের জন্য শুরুর দিকে নাওমি ও নিত্তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্ব দেখা দিত। কিন্তু, একপর্যায়ে, তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় এবং অপরাধীকে খুঁজে বের করার জন্য নাওমি নিত্তাকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করতে থাকে। এভাবেই গল্পটা এগোতে থাকে। একপর্যায়ে খুনি এমন একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে যা ছিল পুলিশদের পরিকল্পনার সম্পূর্ণ বাইরে। আচ্ছা কি হয়েছিল শেষ পর্যন্ত ?পুলিশ রা কি ধূর্ত এই খুনিকে ধরতে পেরছিল? নাকি হোটেল কর্তেসিয়া তে খুনির হাতে জীবন দিতে হয়েছিল আরও একটি তরতাজা প্রাণকে। জানতে হলে, অবশ্যই মাসকারেড হোটেল উপন্যাসটি পড়তে হবে।

ব্যক্তিগত মতামত: সত্যি বলতে, বইটি পড়ে আমি এক অন্যরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছি। উপন্যাসের বুদ্ধিদীপ্ত প্লট ও হোটেলে আগত মুখোশধারী চরিত্রগুলোর বৈচিত্র্যময় ও অদ্ভুত আচরণ আমাকে অভিভূত করেছে। এছাড়া আমার কাছে মনে হয়েছে, গোয়েন্দা নিত্তার হোটেলের রিসেপশনিস্ট হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করা এবং হোটেলের কঠোর নিয়ম মেনে কাজ করা তার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবুও সে তার দায়িত্ব পালনে ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গল্পের মাঝে গোয়েন্দা নিত্তা ও নাওমির মধ্যে কাজের দ্বন্দ্ব এবং পরবর্তীতে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠার বিষয়টি আমি দারুণভাবে উপভোগ করেছি।
তবে, আমাকে যদি বলা হয়, এই উপন্যাসে আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র কোনটি? আমি নিঃসন্দেহে, নাওমির নামটিই উচ্চারণ করবো। তার তীক্ষ্ম বুদ্ধি ও পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাকে অন্যসব চরিত্র থেকে আলাদা করে তুলেছে। এছাড়া নাওমির পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যপরায়ণতা একজন পাঠক হিসেবে আমাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। নিজের পেশার প্রতি কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত এই বিষয়টি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে নাওমি চরিত্রটি।

প্রকাশনী ও অনুবাদকের উদ্দেশ্য কিছু কথা: ঋদ্ধ প্রকাশনী নিয়ে নতুন করে আর কি বলবো! বইয়ের নান্দনিকতা ও টেকসই কোয়ালিটির জন্য, ঋদ্ধ প্রকাশনী যে বর্তমানে কতটা জনপ্রিয় এটা আমরা যারা বইপ্রেমীরা আছি ,সবাই কম-বেশি জানি।মাসকারেড বইটি ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বইয়ের প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং, কাগজের মান সবকিছু যথেষ্ট ভালো ছিল।

এছাড়া, আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই, বইটির অনুবাদক কাবিদ হাসান ও সহ- অনুবাদক সালেহ আহমেদ মুবিন কে।এত চমৎকার একটি জাপানি ক্রাইম থ্রিলার বই অনুবাদ করার মাধ্যমে আমাদের মতো পাঠকদের পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি তাদের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সত্যি বলতে, আমার কাছে একবারের জন্যও মনে হয়নি যে, আমি কোনো অনুবাদ করা বই পড়ছি।অনুবাদের ভাষা সহজবোধ্য ও সাবলীল হওয়ায় পুরো গল্পটা দারুণভাবে উপভোগ করেছি। সবমিলিয়ে, গল্পটা আমার কাছে দারুণ শিক্ষণীয় ও উপভোগ্য ছিল।

পার্সোনাল রেটিং:৮/১০

আমার বুকশেলফের নতুন অতিথি।
23/07/2026

আমার বুকশেলফের নতুন অতিথি।

20/07/2026

চলে এলাম গিভঅ্যাওয়ে নিয়ে।

গতকাল ছিল হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকের নাম যদি বলতে হয়, এখনও সেটা হুমায়ূন আহমেদই হবে। তার অমর সৃষ্টিগুলোর একটা 'বাদশাহ নামদার'।

এবার অংশগ্রহণকারী তিন জনের জন্যে থাকবে বাদশাহ নামদার।

নিয়মাবলি-

* পেজে লাইক অথবা ফলো দিতে হবে

* পোস্ট টাইমলাইনে শেয়ার করতে হবে। আইডি লক থাকলে স্ক্রিনশট দিতে হবে।

* কমেন্টে কমপক্ষে ৫ জনকে মেনশন করতে হবে। যত খুশি ততজনকে মেনশন করা যাবে।

আপনাদের যেসব বন্ধুবান্ধব বা ভাই বোন বা কাছের মানুষের বইপত্র পড়ায় আগ্রহ আছে সবাইকে মেনশন করতে পারেন।
সময় ২৩ তারিখ রাত ৯ টা পর্যন্ত। ফলাফল ঘোষণা করা হবে ২৫ তারিখ রাত ৯ টায়।।

যিনি বিজয়ীদের সিলেক্ট করবেন তিনি বইয়ের জগতের সঙ্গে যুক্ত নন। তাই পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ এখানে থাকবে না।

কেউ মেসেজ দিয়ে বইপত্র চাইলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যাবেন।

বেস্ট অফ লাক।

কালির আঁচড়ে আঁকা এক অদ্ভুত মায়াবী জগত।
16/07/2026

কালির আঁচড়ে আঁকা এক অদ্ভুত মায়াবী জগত।

বাইরে ঝুম বৃষ্টি,আর ভেতরে গল্পের সৃষ্টি।
13/07/2026

বাইরে ঝুম বৃষ্টি,আর ভেতরে গল্পের সৃষ্টি।

শব্দের জাদুতে বন্দী মন।
10/07/2026

শব্দের জাদুতে বন্দী মন।

 িভিউরিভিউ দাতা:Nilufa's Bookish Journey বই নাম: অচেনা আগন্তুক লেখিকা:লামাইয়া তাসনিমজনরা: সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস...
09/07/2026

িভিউ
রিভিউ দাতা:Nilufa's Bookish Journey

বই নাম: অচেনা আগন্তুক
লেখিকা:লামাইয়া তাসনিম
জনরা: সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস
প্রকাশনা: স্বরবিন্দু প্রকাশন
মুদ্রিত মূল্য:৪০০টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা:১৫২

প্রারম্ভিক কথন: লেখিকা লামাইয়া তাসনিমের লেখা অচেনা আগন্তুক মূলত একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস। অপরাধ, রহস্যময়তা এবং অচেনা আগন্তুক আসলে কে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে গল্পটি এগিয়ে যায়। এবং একসময় বেরিয়ে আসে ভয়াবহ কিছু সত্যি।

কাহিনী -সারসংক্ষেপ: গল্পটি লেখা হয়েছে পোল্যান্ডের একটি গ্রামকে কেন্দ্র করে। সেখানে পাহাড়ের উপর ছোট্ট একটা বাড়িতে আলেক্সা এবং তার বাবা মি থমাস বসবাস করতেন।সুখ -দুঃখ, হাসি-কান্না , আনন্দ -বেদনা সবমিলিয়ে ভালোই কাটছিল বাবা -মেয়ের দিনগুলো। হঠাৎ করে শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ এক আতঙ্ক।১৬-২০বছর বয়সী মেয়েরা রহস্যজনকভাবে একের পর এক নিখোঁজ হতে থাকে। স্বজনদের আহাজারিতে চারিদিকের বাতাস ভারী হয়ে আসে। শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো গ্রামে। আচ্ছা এই ঘটনার পেছনে কি কোনো অশরীরী শক্তি আছে?? নাকি রক্ত _মাংসে গড়া কোনো নরপশু এর পেছনে দায়ী। উত্তরটা পুরো গ্রামবাসীর কাছেই অজানা। হঠাৎ করে এক নিস্তব্ধ বৃষ্টির রাতে আলেক্সাদের বাড়িতে এক অচেনা আগন্তুকের আগমন ঘটে, এবং এরপর ঘটতে থাকে একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা।

পাঠ -প্রতিক্রিয়া: বইটি শেষ করে মনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল। আলেক্সার জন্য খারাপ লাগছিল তার বাবার একটি ভুলের জন্য পুরো একটি পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছিল। তবে আলেক্সার বাবার একজন অচেনা আগন্তুককে হুট করে নিজের বাড়িতে থাকতে দেওয়ার বিষয়টা আমার কাছে অনেকটাই নাটকীয় লেগেছে। তরুণী নিখোঁজের ঘটনাগুলো আমার কাছে বাস্তবিক মনে হচ্ছিল।কারণ বাস্তবে ও আমাদের চারপাশে এমন অহরহ তরুণী নিখোঁজ হচ্ছে। অনেকসময় যাদের লাশের ও কোন হদিস মিলেনা হয়তো।

সমালোচনা: গল্পের বেশ কিছু জায়গায় বানানের ভুল চোখে পড়েছে। যদিও গল্পের প্লটটা চমৎকার ছিল। কিন্তু, লেখিকা তার লেখার মাধ্যমে গল্পের মাধুর্য খুব একটা ফুটিয়ে তুলতে পারেননি। লেখনিতে পরিপক্কতার অভাব লক্ষ করেছি।

এছাড়া, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার হিসেবে যতটা মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন ছিল, কোনো কোনো স্থানে সেটার যথেষ্ট ঘাটতি মনে হয়েছে। খলনায়কের সাইকোপ্যাথ দিকটি আরও নিখুঁত ও বাস্তবিক হতে পারত।

বইটি কারা পড়বেন: যারা হালকা ধাঁচের সামাজিক, রোমান্টিক বা বাস্তবিক গল্প পড়তে অভ্যস্ত তাদের কাছে এই গল্পটা খুব একটা ভালো লাগবে না।

যারা থ্রিলারধর্মী রহস্যে ভরপুর কাহিনী পড়তে পছন্দ করেন তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন।

পার্সোনাল রেটিং ৬.৫/১০

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nilufa's Bookish Journey posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category