01/02/2022
01.02.2022ইং
পোস্ট নংঃ 09
।।। নকশিকাঁথার আদি কথা বা জীবন কাহিনী ।।।
ঃ>পুরানো শাড়ি বা কাপড়কে সেলাই করে বানানো হত কাঁথা। আর এ কাঁথা কালের আবর্তে পরিণত হতে লাগল ‘নকশি কাঁথায়’। কাঁথায় ধীরে ধীরে উঠতে লাগল আমাদের জাগতিক প্রাকৃতিক নানান চিত্র, নকশা।
ঃ>আধুনিক ভাবনায় মানুষ যখন উন্নীত হল-পুরানো শাড়ির পরিবর্তে নতুন শাড়িতে নকশা করে তৈরি হতে থাকল ‘নকশীকাঁথা’।নকশীকাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার।
ঃ>রংপুর অঞ্চলে কাঁথাকে ‘দাগলা’, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর অঞ্চলে ‘গুদুরি’ বলা হয়। সূচিকর্মে অলঙ্কৃত কাঁথাকে বলা হয় নকশি কাঁথা। অনেক জায়গায় নকশি কাঁথাকে সাজের কাঁথা বা নকশি খেতাও বলা হয়ে থাকে।
ঃ>নকশি কাঁথা হলো সাধারণ কাঁথার উপর নানা ধরণের নকশা করে বানানো বিশেষ প্রকারের কাঁথা। নকশি কাঁথা বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটা অংশ। নকশি কাঁথা বাংলাদেশেরলোকশিল্পের একটা অংশ।
ঃ>সাধারণত পুরাতন কাপড়ের পাড় থেকে সুতা তুলে অথবা তাঁতীদের থেকে নীল, লাল, হলুদ প্রভৃতি সুতা কিনে এনে কাপড় সেলাই করা হয়। ঘরের মেঝেতে পা ফেলে পায়ের আঙ্গুলের সঙ্গে কাপড়ের পাড় আটকিয়ে সূতা খোলা হয়। এই সূতা পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য রেখে দেয়া হয়। সাধারণ কাঁথা সেলাইয়ের পর এর উপর মনের মাধুরী মিশিয়ে ফুঁটিয়ে তোলা হয় বিভিন্ন নঁকশা যার মধ্যে থাকে ফুল, লতা, পাতা ইত্যাদি।নকশি কাঁথা নকশা করা কাঁথা, বাংলার অন্যতম লোকশিল্প।
।।।নকশীকাঁথা র বিবরন।।।
১. নয়নমনি নকশীকাঁথা।
২. কিং সাইজ।।
৩. দুই পার্ট কাপড়।।
অর্ডার করতে ও মূল্য জানতে পণ্যের ছবি সহ ম্যাসেজ করুন।
আমি আফরোজা লিজা,
হোমডিস্ট্রিক্ট টাংগাইল।কাজ করছি ঢাকা ও টাংগাইল থেকেঃ> খিমার,ক্রোকারিজ আইটেম,কাস্টমাইজ পোশাকআইটেম,,শাল,কম্বল,শাড়ী,হিজাব,বেডশিট,নকশীকাঁথা ইত্যাদি নিয়ে।
আমার পেইজঃ> টপ কালেকশন।
আমার গ্রুপঃ> TOP COLLECTION.
আমাদের শো-রুম ঃ>TOP COLLECTION.
জে- আলী শপিং কমপ্লেক্স, বাজার রোড,ঘাটাইল,টাংগাইল।।