Ankur Agro BD

Ankur Agro BD Agricultural producer and supplier.

♻️😲যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না। তবে বি...
20/05/2024

♻️😲যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না।
তবে বিশ্বাস করেন আর না করেন একবার ট্রাই করবেন অবশ্যই।
🎯এই টা এমন একটা মডেল যেখানে আপনি সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব গুলো সবজি চাষ করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে। এই মডেলটার জন্য মাত্র এক শতক জায়গা লাগবে।
আমাদের নিয়মে চাষ করলে আপনাকে কোনো রাসায়নিক সার, কীটনাশক দিতে হবে না।
একবার বেড তৈরী করে নিলে আজীবন শাক সবজি খেতে পারবেন।

সারাবছরের সবজি গুলোকে আমরা দুই সিজনে ভাগ করি, গ্রীষ্মকালীন এবং শীত কালীন।
এই মডেল টা ২৪ ফিট বাই ২৪ ফিট। নরমালি সবজির বেড থাকবে ৫ টা (মাঝখানে), তবে দুই মাথায় মাচায় হয় এমন সবজির জন্য আরো দুটি বেড হবে, মোট ৭ টা বেড। মাঝখানের ৫ টা বেড হবে ১৬ ফিট করে লম্বা আর ২ ফুট ৪ ইঞ্চি চওড়া, বেড গুলো হবে উত্তর দক্ষিন মুখি, বেডের মাঝখানে মাঝখানে নালা গুলো হবে ১০ ইঞ্চি চওড়া। দুই মাথায় মাচা গুলো হবে ৩ ফিট চওড়া আর ২৪ ফিট লম্বা।
এবার দেখে নিন কি কি সবজি লাগাবেন।

গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিক থেকে ঝিঙ্গা, কাকরোল, পটল, বরবটি,
মাঝখানের ৫ টা বেডের (পূর্ব থেকে)
প্রথম বেডে টমেটো এবং বেগুন
দ্বিতীয় বেডে মিষ্টি আলু ও কচু
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ
চতুর্থ বেডে ডাটা শাক, পাট শাক
পঞ্চম বেডে ঢেড়স(ভেন্ডি)
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিক থেকে মিষ্টি কুমড়ো, শসা।
উত্তর ও দক্ষিন মাথায় ৩ টি করে মোট ৬ টি পেপে গাছ।

শীতকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিকে লাউ, আরেক দিকে খীরা।
মাঝখানের বেড গুলোর(পূর্ব দিক থেকে)
প্রথম বেডে টেমেটো ও বেগুন,
দ্বিতীয় বেডে মূলা ও গাজর,
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ,
চতুর্থ বেডে লাল শাক ও পালং
পঞ্চম বেডে ফুলকপি ও বাধাকপি
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিকে শীম, অন্যদিকে উস্তা করলা। পেপে গাছ গুলোর গোড়ায় পুদিনা, ধনিয়া।

আপনার পরিবারের জন্য বিষমুক্ত নিরাপদ শাক সবজি সর্বরাহের দ্বায়িত্ব আপনার।
এই জিনিস গুলো কেউ আপনাকে বলবে না।
নিজে করুন, অন্যকে করতে উৎসাহিত করুন।

20/09/2023

যেনে নিন গাছের জন্য কোন #কীটনাশক কোন পোকা দমনে ব্যাবহার করা যেতে পারে...
*** ফুরাডান (দানাদার কীটনাশক)।
*** হেমলক (গাছে পিঁপড়া হলে)।
** নাইট্রো (মিলিবাগ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখে)।
** কনফিডর (ক্ষুদে মাকড় (মাইট) ও মিলিবাগ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখে)।
** ডায়থেন এম-৪৫ (ফাঙ্গাসের ঔষধ)।
** কপার অক্সি ক্লোরাইড (ছত্রাক নাশক)।
** রিপকরড (১ মিলি ৬ লিটার পানিতে)।
** ইনসাফ সালফার (ছত্রাক নাশক)।
** লিমবুশ (বেগুন ও টমেটো গাছের পোকার আক্রমন হলে ব্যাবহার করা যাবে)।
** ডারসবান (পাতা কুঁকড়ানো ও পোকার আক্রমণ হলে)।
** মাইক্রোথিয়ল স্পেশাল ডিস্পারস (ছত্রাক নাশক)।
** ইমিটাফ (উইপোকা/পিঁপড়া হলে)।
** ইন্ডোফিল এম ৪৫ পাতা (পাতা কুঁকড়ানো/ছত্রাক হলে)।
** সিকো (মিলিবাগ দমনে ও ছার পোকা এর জন্য অধিক কার্যকর)।
** কার্বোটাফ (দানাদার কীটনাশক, ৫০০ গ্রাম)।
** টাফগর (গাছে মশা হলে)।
** রেলোথ্রিন (মশা মাছি বাগানে অধিক হলে)।
** রীভা (ডগা ও ফল ছিদ্র কারি পোকা হইলে)।

জমি ছাড়াই বস্তায় ১২ মাস চাষ করুন শসা, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতিপরিচিত ফল গুলির মধ্যে শসা (Cucumber) সবথেকে জনপ্রিয়। বছরের ...
24/10/2022

জমি ছাড়াই বস্তায় ১২ মাস চাষ করুন শসা, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতি

পরিচিত ফল গুলির মধ্যে শসা (Cucumber) সবথেকে জনপ্রিয়। বছরের সবসময় বাজারে শসা পাওয়া যায়। শশার কার্যকারিতা অনেক। ডাক্তাররা শরীরের বিভিন্ন উপকারের জন্য শসা খেতে বলেন। শরীরের জলশূন্যতা প্রতিরোধ, কিডনির পাথর, কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণ, ওজন হ্রাস সহ একাধিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে শসা। এর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন বি, থিয়ামিন (বি১), রাইবোফ্লাবিন (বি২), নিয়াসিন (বি৪) সহ একাধিক উপাদান আমাদের শরীরের খেয়াল রাখে। কিন্তু বাজার চলতি শশা নয় বরং নিজের বাড়িতে চাষ করা শসা খেতে বেশি উপযোগী।

যে কারণে আমরা আপনাদের জন্য এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানাবো বাড়িতে জমি ছাড়াই এই শসা বস্তার মধ্যে কিভাবে সহজেই করতে পারবেন। তাহলে চলুন চাষের পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক-

১) সিমেন্টের বস্তা নিয়ে প্রথমেই তার মধ্যে পরিমান মতো উপযোগী মাটি ভরে নিতে হবে। শসা চাষের জন্য দোয়াশ মাটি ও গোবর সার মিশিয়ে এই শসা গাছের মাটি মিহিয়ে তৈরী করে নিতে পারবেন।

২) মাটিকে ভালো করে ভিজিয়ে নিয়ে বাজার থেকে কিনে আনা শসার বীজ গুলি পুঁতে দিতে হবে। বীজ গুলি যেন মাটির গভীরে থাকে সেই ব্যাপারটি লক্ষ্য রাখবেন।

৩) সাত থেকে আট দিন পরেই শসার বীজ থেকে চারা বেরিয়ে আসবে।

৪) চারা বেরোনোর ১৫-২০ পর্যন্ত সূর্যের আলো, জল ও মাটি খুব ভালো করে দিতে হবে। কারণ এই সময়েই গাছের দরকার উপযুক্ত খাদ্য ও বাতাসের।

৫) এবার আপনার গাছে দেবেন প্রয়োজনীয় জৈব সার। বাজার থেকে জৈব সার কিনে আনবেন যার মধ্যে থাকবে জিঙ্ক, কপার, সালফেট, অ্যামনিয়া, সীসা, ফসফরাস সহ আরও প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান।

৬) গাছ বড়ো হয়ে গেলে মাচার মধ্যে সুতো ও বাঁশের সাহায্যে সম্পূর্ণ গাছটা বেঁধে দিন। শসা গাছ বেশি লতালে খুব ভালো হয়।

৭) প্রায় ৫০ দিন পরেই দেখবেন এই গাছ ভর্তি শশা এসেছে। তারপরে আসতে আসতে সেই শসা গাছ থেকে ছিঁড়ে নিয়ে অনায়েসেই খেতে পারবেন।

ছাদে বাগানের কিছু জরুরি টিপস১) লম্বা গাছকে ছোট গাছকে সামনে রাখতে হবে।২) টবে বা ফ্রেমে খৈল দেয়া যাবে না, এতে পিঁপড়ার উপ...
06/09/2022

ছাদে বাগানের কিছু জরুরি টিপস
১) লম্বা গাছকে ছোট গাছকে সামনে রাখতে হবে।
২) টবে বা ফ্রেমে খৈল দেয়া যাবে না, এতে পিঁপড়ার উপদ্রব বাড়তে পারে।
৩) বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত কম্পোস্ট সার ব্যবহার করলে ভালো।
৪) বছরে একবার নতুন মাটি দিয়ে পুরাণ মাটি বদলিয়ে দিতে হবে। এটি অক্টোবর মাসে করলে ভালো।
৫) ছাদে বাগানের জন্য মিশ্র সার, গুঁটি ইউরিয়া, খৈল, হাড়ের গুঁড়া (পচিয়ে) ব্যবহার করা ভালো।
৬) বাজারে স্টিল লোহার ফ্রেম পাওয়া যায়। এগুলো দিয়ে অনায়সে ছাদে বাগান করা যায়।
৭) অবস্থা বুঝে গাছের গোড়ায় চুনের পানি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করা যায়।

নারিকেল গাছের পরিচর্যানারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকারী ফসল। নারিকেলের ইংরেজি নাম Coconut। নারিকেলের বহুবিধ ব্যব...
21/08/2022

নারিকেল গাছের পরিচর্যা

নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকারী ফসল। নারিকেলের ইংরেজি নাম Coconut। নারিকেলের বহুবিধ ব্যবহারের জন্য নারিকেল গাছকে কল্পবৃক্ষ বা স্বর্গীয় বৃক্ষ বলা হয়। ঔষধি গুণসম্পন্ন পানীয় হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি নারিকেল দিয়ে বিভিন্ন রকম সুস্বাদু খাদ্য তৈরি হয় যেমন- পিঠা, মোয়া ইত্যাদি।
সার প্রয়োগ/ব্যবস্থাপনা:
ক) নারিকেল গাছের গোড়ায় মাটিতে পানি ও খাবার কম থাকলে কচি ডাব ঝরে পড়ে।
খ) পটাশিয়ামের অভাবে কচি ডাব বেশি ঝরে। এক্ষেত্রে মাটিতে পটাশিয়াম ও নাইট্রোজেন জাতীয় সার ব্যবহার করতে হবে।
গ) নারিকেল গাছের গোড়ায় চারদিকে ১.৮ মিটার দূরে বৃত্তাকার গর্ত করে ইউরিয়া ৪ কেজি, এমওপি ৬ কেজি, টিএসপি ১ কেজি এবং সামান্য লবণ দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন লবণাক্ত এলাকায় লবণ দেয়া উচিৎ না।
আগাছা ও নিড়ানি:
ক) নারিকেল গাছের কিছু নিয়মিত পরিচর্যা করলে গাছের পুষ্টি উপাদানে ভারসাম্য আসে, পোকা ও রোগবালাই কম হয় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।
খ) এর মধ্যে আছে নিয়মিত নারিকেল গাছ বাছাই বা গাছ ঝাড়া, সুষম সার ও সার ও সেচ প্রয়োগ, ইঁদুর দমন এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা।
গ) ঝুনা নারিকেল বা ডাব সংগ্রহের সময় গাছের মাথা পরিষ্কার করে দেয়া ভালো। সাথে সাথে মরা ও হলুদ পাতা ফেলে দিতে হবে।
পোকামাকড় ও রোগ:
ক) নারিকেল গাছের ও ফলের ক্ষতিকর বালাই হলো পোকামাকড়, রোগবালাই ও ইঁদুর। পোকামাকড়ের মধ্যে আছে প্রধানত গণ্ডার পোকা, লাল কেড়ি পোকা ও উইপোকা।
খ) গণ্ডার পোকা ও লাল কেড়ি পোকা গাছের মাথায় আক্রমণ করে কচি অংশে ছিদ্র করে ভেতরের নরম অংশ খেতে থাকে। ফল গাছের মাথায় অসংখ্য ছিদ্র দেখা যায়।
গ) আক্রমণ বেশি হলে গাছের মাথা শুকিয়ে যায় ও গাছ মারা যায়। লাল কেড়ি পোকার ছিদ্রের মুখে বাদামী চটচটে গদের আঠার মতো রস গড়িয়ে পড়ে ও চিবানো কাঠের গুড়া দেখা যায়।
ঘ) কাণ্ডের গায়ে কান পাতলে কড় কড় শব্দ শোনা যায়। সামান্য বাতাসে গাছ ভেঙে পড়ে। বছরের যে কোন সময় এসব পোকা আক্রমণ করতে পারে।
ঙ) তবে উইপোকা চারার জন্য লাগানো নারিকেল ও কচি গাছকে বেশি আক্রমণ করে। অনেক সময় নারিকেল গাছের কাণ্ডে ঢিবি তৈরি করে কাণ্ডের যে অংশে ঢিবি করে সেই অংশ দুর্বল হয়ে গাছ ভেঙ্গে যায়।
পোকামাকড় ও রোগদমন:
ক) বাগান সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে বিশেষ করে গোবরের গাঁদা ও ময়লার স্তুপ পরিষ্কার করে সেখানে ৬০ সেন্টিমিটার বা ২৪ ইঞ্চি বা ১ ফুট গভীর করে ফুরাডান ও জি ১০ থেকে ১২ গ্রাম দিলে গণ্ডার পোকা বা লাল কেড়ি পোকা দমন হয়।
খ) আক্রান্ত গাছের ছিদ্রে শিক ঢুকিয়ে বা খুচিয়ে পোকা মারতে হবে। ছিদ্রে আলকাতরা বা তারপিন ঢেলে কাদা দিয়ে ছিদ্র মুখ বন্ধ করে দিলে ভেতরের পোকা মারা যায়।
গ) এতে যদি পোকা দমন না হয় তাহলে ২ মিলিলিটার বা ৪ ফোঁটা ডাইক্রোমেন ১০০ ইসি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে বা ৫.৭ সিসি বা ১১ ফোঁটা বাইড্রিন ৮.৫ ডব্লিউপি ৬ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
ঘ) উইপোকার জন্য কড়া রোদ উঠলে নারিকেলের বীজতলার মাটি ওলটপালট করে দিতে হবে বা নারিকেলে বাগানে উইয়ের আক্রমণ দেখা দিলে জমি প্লাবিত করে রাখলে উইপোকা মারা যায়।
ঙ) এছাড়াও নারিকেলের বীজতলায় লাগানোর সময় ও মূল জমিতে নারিকেলের চারা লাগানোর সময় ও মূল জমিতে নারিকেলের চারা লাগানোর আগে ১ শতাংশ জমির মাটির সাথে ৪ গ্রাম বাইফেনথ্রিন ২০ ডব্লিউপি মিশিয়ে দিলে উইপোকার আক্রমণ কম হয়।
পোকামাকড় ও রোগ নিরাময়:
ক) নারিকেলের প্রধান রোগের মধ্যে আছে কুঁড়ি পচা, কাণ্ডের রস ঝরা ও পাতায় দাগ পড়া। কুঁড়ি পচা রোগ হলে গাছের মাথার সবচেয়ে সবচেয়ে কচিপাতাগুলো শুকিয়ে যায়।
খ) পাতা প্রথমে ধূসর বাদামি ও পরে গাঢ় বাদামি হয়ে গোড়ার দিকে ভেঙে পড়ে। আক্রান্ত জায়গা থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হয় এবং জায়গাটি আঠার মত দগদগে দেখায়।
গ) গাছের আগার একেবারে মাঝের নরম কুঁড়ি পাতাটি পচে যায়, অবশেষে গাছ মরে যায়। একইভাবে নারিকেল, কাদি, কুঁড়ি প্রভৃতির গোড়া আক্রান্ত হয় ও ভেঙে পড়ে।
ঘ) কাণ্ডের রস ঝরা রোগে গাছের কাণ্ড লম্বালম্বিভাবে ফেটে যায়। ঐ ফাটা জায়গা দিয়ে লালচে বাদামি রঙের রস ঝরতে থাকে।
ঙ) রস ঝরার কিছু দিনের মধ্যে আবার তা শুকিয়ে কালো হয়ে যায়। এই ফাটা জায়গা আস্তে আস্তে পচতে শুরু করে।
চ) এছাড়া পাতার দাগ পড়া রোগে নারিকেলের পাতায় বিভিন্ন আঁকারের ধূসর-সাদা দাগ পড়ে। কয়েকটি দাগ মিলে বড় দাগের সৃষ্টি হয়।
ছ) আক্রমণ বেশি হলে পাতা শুকিয়ে যায়। কুঁড়ি পচা বা পাতার রোগ দেখা দিলে গাছের মাথা পরিষ্কার করে

এই সময়ে গাছের যত্নগাছের যত্ন-আত্তি যে শুধু গরমেই করতে হয়, এমন নয়। সারা বছর কম-বেশি পরিচর্যা প্রয়োজন। তবে অত্যধিক গরমে কি...
20/07/2022

এই সময়ে গাছের যত্ন
গাছের যত্ন-আত্তি যে শুধু গরমেই করতে হয়, এমন নয়। সারা বছর কম-বেশি পরিচর্যা প্রয়োজন। তবে অত্যধিক গরমে কিছু কিছু গাছের ক্ষেত্রে খানিকটা বাড়তি যত্নের প্রয়োজন পড়ে। তবে কথাগুলো শুধু আমাদের ঘর বা বারান্দা-ছাদের গাছগুলোর জন্য বেশি প্রযোজ্য। আমাদের চারপাশের প্রকৃতিতে আপনাআপনি বেড়ে ওঠা গাছগুলো শীত-গ্রীষ্মে নিজেদের মতো করেই নিজেকে মানিয়ে নেয়। ওদের সুবিধা হলো, ওরা প্রকৃতির শতভাগ সান্নিধ্যে থাকে। আর টবের গাছগুলো থাকে অনেকটা সীমাবদ্ধতার মধ্যে। এখানে মাটি, পানি, আলো-বাতাস সব কিছুই সীমিত। বাগানের গাছগুলো প্রতিদিন পানি না পেলেও কোনো না কোনোভাবে হয়তো বেঁচে যাবে, কিন্তু টবের গাছগুলো বাঁচবে না।
গরমে ছাদ কিংবা বারান্দার গাছগুলো বেশ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। অতিরিক্ত তাপে পানি শুকিয়ে মরেও যেতে পারে। এ কারণে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় সকাল থেকে দুই-এক ঘণ্টা রোদ লাগার পর গাছগুলোর জন্য ছায়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নিয়মিত পানি সেচ দেওয়া চাই। এ মৌসুমে সকাল-বিকেল দুই বেলা সেচ করলে সবচেয়ে ভালো হয়। তবে চড়া রোদের সময় গাছে পানি দেওয়া যাবে না। আবার গাছের গোড়ায় সরাসরি পানি না দিয়ে একটু দূরে দিতে হবে। গাছের গোড়ায় সরাসরি তীক্ষ ধারায় পানি পড়লে গাছের ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকাও ক্ষতিকর।
গরমের সময় সবচেয়ে বেশি নজরদারি করতে হয় টব বা বস্তায় রোপণ করা মৌসুমি শাকসবজিগুলোর ওপর। এই মৌসুমে চাষ করা শাকসবজির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে—বরবটি, করলা, শসা, ক্যাপসিকাম, ডাঁটাশাক, কলমিশাক, ঢ্যাঁড়স, পুঁইশাক, পাটশাক, পুঁদিনা ও থানকুনি। আশপাশের বিভিন্ন নার্সারিতেও এসব গাছের চারা এখন মোটামুটি সহজলভ্য। এ ধরনের শাকসবজির জন্য খুব বেশি গভীরতার মাটি বা বেড প্রয়োজন হয় না। যদি বেড করার কোনো সুযোগ না থাকে, তাহলে বড় মাপের টবে থাকা গাছের গোড়াতেই বুনে দিতে পারেন এসব শাকসবজি। ভালো ফলন পেতে হলে দুই বেলা সেচ করা প্রয়োজন। পরিচর্যা করতে পারলে অল্প সময়ের মধ্যেই ফলন পাওয়া সম্ভব।
গ্রীষ্মকালীন শাকসবজিতে পোকামাকড়ের আক্রমণটা একটু বেশিই থাকে। সুতরাং কীটনাশক ব্যবহার জরুরি। রাসায়নিক কীটনাশকের চেয়ে প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক ব্যবহার করা ভালো। নিজেই বানিয়ে নিতে পারেন কীটনাশক। ১০০ গ্রাম শুকনো মরিচের গুঁড়া ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে একরাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিন। তারপর অল্প পরিমাণ গুঁড়া সাবান মিশিয়ে ঝাঁকিয়ে একটু ফেনা করে নিলেই স্প্রে করা যাবে। রোদ থাকা অবস্থায় স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। গাছের পরিমাণ কম হলে আনুপাতিকহারে মরিচের গুঁড়া এবং পানির পরিমাণও কমবে।
এ সময় গাছের পুষ্টির জন্য অল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক সারও ব্যবহার করা যেতে পারে। ইদানীং বিভিন্ন নার্সারিতে সারযুক্ত মাটিও পাওয়া যায়। সব কিছুর সমন্বয়ে তৈরি হবে একটি আদর্শ বাগান।.

19/06/2022
গোলাপ গাছের পরিচর্যাযে কোনো অনুষ্ঠানের পরিপূর্ণতা আনে এক গুচ্ছ ফুল। ফুল পছন্দ করে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। নিজেদের এক...
29/05/2022

গোলাপ গাছের পরিচর্যা
যে কোনো অনুষ্ঠানের পরিপূর্ণতা আনে এক গুচ্ছ ফুল। ফুল পছন্দ করে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। নিজেদের একান্ত মুহূর্ত রাঙিয়ে তোলা থেকে শুরু করে নতুন পথ চলার সময়কে সরণীয় করে রাখতে ফুলের তুলনা মেলা ভার। আর এসব ফুলের মধ্যে গোলাপের নাম আসে একটু আলাদা ভাবে। গোলাপের যেমন আছে নিজস্ব এক অভিরূপ তেমনি এর শোভা সৌন্দর্য পিয়াসু মানুষের কাছে এক পরিতৃপ্তি। গোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। তবে এর চাহিদা আর সৌন্দর্য একে বছরের সব সময় হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে। একটা সময় বছরের কেবল একটি মৌসুমে এ গোলাপ গাছের চাষ করা হলেও এখন এর চাষ করা হয় সারা বছরজুড়ে।

গোলাপের মাঝেও আছে নানা রঙের আর ধরনের ভিন্নতা। অনেকের দৃষ্টি কেবল লাল গোলাপ পর্যন্ত সীমিত থাকলেও কালো, খয়েরি, গোলাপি, সাদা গোলাপের মতো নানা রঙের গোলাপ সবাইকে আকৃষ্ট করে। গোলাপ মূলত শীত আর নাতিশীতোষ্ণ জাতীয় ফুল। বেশি উষ্ণ কিংবা আদ্র কোনো আবহাওয়াই গোলাপ গাছের জন্য উপযুক্ত নয়। আমাদের দেশীয় তাপমাত্র অনুযায়ী ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্র এবং দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উপযুক্ত। অন্যদিকে গোলাপের চারা রোপণের দিকে নজর দিলে বছরের শেষ সময় যেমন অক্টোবর থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাস গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়। তবে সব ধরনের গোলাপের জাত এ ধরনের আদ্রতায় চাষ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আদ্রতা এবং আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে মিরান্ডি, ডাবল ডিলাইট, তাজমহল প্যারাডাইজ জাতীয় গোলাপ চাষ করা সম্ভব।

গোলাপ চাষের জন্য যেমন উর্বর মাটি প্রয়োজন তেমনি তার ব্যাপ্তি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মাটির দিক থেকে অনেকেই এঁটেল মাটি নির্বাচিত করে থাকে গোলাপ চাষের জন্য। তবে যারা টবে সীমিত পরিসরে গোলাপ গাছের চাষ করে থাকেন তাদের জন্য দোআঁশ মাটি ব্যবহার করতে না পারলেও এঁটেল মাটি ফুরফুরে করে হালকা হাতে সারের সঙ্গে মিশ্রণ করে টবে লাগাতে পারেন। যারা টবে গোলাপের চারা রোপণ করে তারা গাছ যেন পর্যাপ্ত রোদ পায় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্রীষ্মের সময় গাছে প্রয়োজন বুঝে দুই বেলা অন্তর অন্তর পানি দিতে হবে এবং প্রখর রোদে গাছ যাতে দীর্ঘ সময় না থাকে সেই দিকে নজর দিতে হবে। গাছকে রোদ থেকে রক্ষা করতে বেড়া কিংবা রোদের দিক থেকে বারবার গাছের মুখ ঘুরিয়ে দেয়া যাতে পারে। গোলাপ গাছের বেড়ে ওঠার জন্য মাটির পাশাপাশি সারের গুরুত্ব অসীম। এ ক্ষেত্রে মাটি প্রস্তুতকরণ গোলাপ চাষের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। মাটি তৈরির জন্য চার ভাগ দোআঁশ মাটি, দুই ভাগ গোবর সার কিংবা কম্পোস্ট, আড়াই ভাগ পাতা পচা সার, দুই ভাগ বালি, দুই থেকে তিন মুঠ সরিষার খৈল, তিন চামচ চুন মিশিয়ে এক থেকে দেড় মাসের জন্য রেখে দিলে তৈরি হয়ে যাবে গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত মাটি। গোলাপের চারা রোপণের পাশাপাশি কলমের মাধ্যমেও এর বিস্তার সম্ভব।

চারা প্ল্যাস্টিকের গোল্লাসহ পলিথিন ব্যাগে কিংবা ছোট আকারের টবে কিনতে পাওয়া যায়। চারাটি যদি মাটির টবের হয় তাহলে তা খুব সাবধানে টব থেকে তুলে শিকড়সহ তা শুকনো মাটিতে রোপণ করতে হবে। এরপর পানি দিতে হবে। চারা রোপণের ছয় মাস অন্তর অন্তর এটিকে ছাঁটাই করে নির্দিষ্ট আকারে নিয়ে আসতে হবে যাতে গাছ পর্যাপ্ত জায়গা পায় তার নিজের জন্য। মাসে অন্তত একবার জৈব সার কিংবা ডিমের খোসা পচিয়ে তা মাটির সঙ্গে মিক্স করে ওপরের মাটি নিচে আর নিচের মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হবে। গাছের নিচে পানি জমা হয়ে থাকলে গাছ মারা যায়। তাই টবের নিচে ফুটো করে দিন যাতে পানি জমতে না পারে। গাছের পরিচর্চা ব্যতীত ফুলের প্রতিও বাড়টি যত্ন আব্যশক। ফুল উৎপাদনের জন্য পাতা সার আর ফলিয়ার স্প্রে খুব জনপ্রিয়। কয়েকটি রাসায়নিক সারের মিশ্রণে মূলত এটি তৈরি হয়। এ ফলিয়ার স্প্রে তৈরি করতে ইউরিয়া, ডাই অ্যামোনিয়া সালফেট, ডাই পটাশিয়াম ফসফেট প্রতি দশ থেকে বারো গ্রাম গাছ বুঝে আবশ্যক। অনেক সময় গাছের পাতায় পোকার উপস্থিতি গাছের শক্তি কমিয়ে আনে। এতে করে গাছে ফুল কম ফুটে এবং খুব জলদি গাছ মুছড়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে ফেরাস সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট পাঁচ থেকে দশ গ্রাম করে পানিতে মিশিয়ে গাছের পাতার উভয় পাশে স্প্রে করলে তাতে পোকার উপদ্রব কমে যায়। এছাড়া শুয়ো পোকা বিশাল আকার গোলাপের বাগান নিধন করতে সব চেয়ে বড় শত্রু। তাই এগুলো যতটা সম্ভব মেরে ফেলা আবশ্যক।

গোলাপ গাছের এসব সমস্যা ছাড়াও আরও একটি সমস্যা হচ্ছে গাছের নানা অংশ কালো হয়ে মরে যাওয়া। এ রোগটিকে ডাইব্যাক বলে। এর প্রতিকার পেতে গাছের সেই রোগাক্রান্ত অংশটি কেটে ফেলে দিন। এছাড়া পাতায় সাদা ফুকরি আকাড়ে ছোট ছোট দানা এক ধরনের ছত্রাকের উপস্থিতি। এটি দূর করতে ডাইথেন এম-৪৫ স্প্রে করলে গাছের এই ছত্রাক দূর হয়। এসব পরিচর্যা বাদেও প্রতিনিয়ত বাগানের দেখভার, পানি দেয়া এবং মাসে অন্তত সার দেয়া গোলাপ গাছ বেড়ে তুলতে আবশ্যক।

Address

Uttara, Dhaka
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ankur Agro BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share