27/05/2022
ভীরুদের জন্য ৯ ▪ ঐষিক মজুমদার
ঐষিক মজুমদার-এর জন্ম কলকাতায়, ১৫ই মার্চ ১৯৭৬। ছোটবেলা কেটেছে উত্তর কলকাতার দমদম অঞ্চলে। পরবর্তীকালে চলে আসা দক্ষিণ কলকাতার বেহালায়। আপাতত সেখানেই থিতু। পেশায় চিকিৎসক। কলকাতার বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা। বর্তমানে নিজস্ব প্র্যাকটিস।
ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যে অনুরাগ। বিশেষত কিশোর বয়স থেকে ফিকশন সাহিত্যে। একটা সময় ভালো লাগতে থাকে দেশী ও বিদেশী ভৌতিক, অলৌকিক ও কল্পবিজ্ঞান জঁরের রচনা। পাঠক থেকে সেই অর্থে লেখকে উত্তরণ দু'হাজার উনিশ সালের মাঝামাঝি। এই সময় থেকেই বিভিন্ন ফেসবুক সাহিত্যগোষ্ঠীতে যুক্ত হওয়া। প্রথমে শখ করে লেখা। পরে বিভিন্ন বিচিত্র ইভেন্টে আকৃষ্ট হয়ে যোগদান। অনেক ক্ষেত্রেই স্বীকৃতি ও প্রশংসা তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তবে পাঠক হিসাবে যেমন, লেখক হিসাবেও তেমনই প্রিয় সেই জঁর সাহিত্য। ভৌতিক। অলৌকিক। কল্পবিজ্ঞান।
গাছের কি প্রাণ আছে? তারা কি মানুষের মতোই সব বোঝে? বার্তা পাঠায় ? তারা কি মানুষের মতোই... প্রতিশোধ নেয়? ক্যান্সার সংক্রামক নয়, এ কথা ডাক্তার কেন, সাধারণ মানুষও জানেন। কিন্তু সংক্রমণ যদি শরীরে না হয়ে চেতনার গভীর-গোপন স্তরে ঘটে তাহলে কী হবে?
রেড উইচের আবির্ভাব ঘটে আয়নায়, যদি হাতে এসে পড়ে তার নিয়মনিষ্ঠ আবাহনরীতি? পারিবারিক অভিশাপ কি সত্যি হয়ে উঠতে পারে? তার অন্তরালে কি রহস্য আছে? যদি এমন হয়, আমাদের দৃশ্যমান জগৎ ছাড়াও অন্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোতে থাকে আরেকটা জগৎ? আর সেই জগতের বাসিন্দারাই কি দৈবাৎ দৃশ্যমান হলে আমরা তাদের বলি প্রেত? জ্যোৎস্নার রূপ নানারকম হতে পারে। কাকে বলে
জাগানিয়া জ্যোৎস্না? এই জ্যোৎস্নায় কারা জেগে ওঠে? সমস্ত প্রশ্নের উত্তর আছে এই বইয়ের ৯টি গল্পে। আশা করা যায় 'ভীরুদের জন্য ৯’ ভীরু, সাহসী সবাইকেই ভালোলাগার আস্বাদন দেবে।