United Mart

United Mart Welcome to ❣️United Mart ❣️ Here you will find different seasonal authentic product.

Our products are collected from different trust able verified sources and then re-sell to you.

United Mart এক মুঠো নিমক পাড়া, আর আড্ডাটা হোক আরও জমজমাট! 😋❤️মুচমুচে, সুস্বাদু আর প্রতিটি কামড়ে দারুণ স্বাদের Premium Ni...
12/08/2026

United Mart এক মুঠো নিমক পাড়া, আর আড্ডাটা হোক আরও জমজমাট! 😋❤️
মুচমুচে, সুস্বাদু আর প্রতিটি কামড়ে দারুণ স্বাদের Premium Nimok Para—চায়ের সময়, অতিথি আপ্যায়ন কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আড্ডায় হতে পারে আপনার perfect snack companion। 🫖✨
স্বাদের ছোট্ট টুকরো, আনন্দের বড় মুহূর্ত! ❤️

United Mart -এর Special Kalai Roti – Duck Meat 🍽️✨দেশি স্বাদের টানে, জমুক আজকের আয়োজন! 🌶️🍽️মচমচে স্পেশাল কালাই রুটি আর ঝ...
11/08/2026

United Mart -এর Special Kalai Roti – Duck Meat 🍽️✨
দেশি স্বাদের টানে, জমুক আজকের আয়োজন! 🌶️🍽️
মচমচে স্পেশাল কালাই রুটি আর ঝাল ঝাল হাঁস ভুনা—দুই ঐতিহ্যবাহী স্বাদের দারুণ জুটি।
এক কামড়েই মনে হবে, এ যেন পরিচিত সেই ঘরোয়া স্বাদের নতুন আয়োজন! 😋
United দেশি স্বাদের টানে, জমুক আজকের আয়োজন! 🌶️🍽️
মচমচে স্পেশাল কালাই রুটি আর ঝাল ঝাল হাঁস ভুনা—দুই ঐতিহ্যবাহী স্বাদের দারুণ জুটি।
এক কামড়েই মনে হবে, এ যেন পরিচিত সেই ঘরোয়া স্বাদের নতুন আয়োজন! 😋
united Mart— ঐতিহ্যের স্বাদ, আস্থার সাথে। 🧡

🍠চিনা বাদামের উপকারিতা🍠সববয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। শখ করে কখনো কখনো হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকার...
07/10/2020

🍠চিনা বাদামের উপকারিতা

🍠সববয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। শখ করে কখনো কখনো হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই বাদাম রাখতে চাইবেন। এটি শরীরের অনেক উপকার করতে সক্ষম। এটি পুষ্টি গুণসম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে খেতেও বেশ দারুণ। আসুন জেনে নেই চিনা বাদামে কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে।

১. শরীরের মাত্রাধিক কোলেস্টেরল হৃদরোগ, উচ্চ রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস এর মতো কঠিন রোগ সৃষ্টি করে। বাদামের অসাধারণ কার্যকরী ফ্যাট শরীর থেকে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এই বাদাম শরীরের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন একমুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে।

২.রাতে ১০-১৫ টি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ডায়াবেটিস নির্মূলে বিশেষভাবে কার্যকরী।
এছাড়া চিনা বাদাম রক্ত থেকে সুক্রোজের মাত্রা কমায়।

৩.প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একমুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। তাছাড়া এটি আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।

৪.শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কঠিন রোগকে বাসা বাধতে বাঁধা দান করে। তাই প্রতিদিন চিনা বাদাম খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 #বাঁশের_কোঁড়লবাঁশের কোঁড়ল শুধু পার্বত্য  #চট্টগ্রামেই নয়, বিশ্বে বাঁশের কোঁড়ল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়  #জাপানে। বাংলাদেশ...
20/08/2020

#বাঁশের_কোঁড়ল

বাঁশের কোঁড়ল শুধু পার্বত্য #চট্টগ্রামেই নয়, বিশ্বে বাঁশের কোঁড়ল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় #জাপানে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে,বিশ্বে প্রতিবছর #বাঁশখাদক লোকদের কাছে বাঁশের কোঁড়লের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৫০ হাজার টন।

বিশ্ব বাজারের প্রায় ৭০ শতাংশ বাঁশের কোঁড়লের ক্রেতা জাপান। আর সবচেয়ে বেশি বাঁশের কোঁড়ল উৎপন্ন হয় #চীনে। চীন প্রতিবছর বিশ্বের ৩৭টি দেশে গড়ে ১৩৭ হাজার টন টিনজাত বা প্যাকেটজাত বাঁশের কোঁড়ল রপ্তানি করে থাকে।কোরিয়া,জাপান, হংকং,সিঙ্গাপুর,জার্মানী, ইংল্যান্ড,নেদারল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়া,কানাডা, সুইডেন প্রভৃতি দেশে বাঁশের কোঁড়লের প্রচুর চাহিদা ও বাজার রয়েছে। এসব দেশ ছাড়া ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও বাঁশের কোঁড়ল জনপ্রিয় খাদ্য।

চীনারা বাঁশের কোড়লকে বলেন ‘স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা।’ তাজা বাঁশের কোঁড়লে ৮৮-৯৩% পানি, ১.৫-৪% প্রোটিন, ০.২৫-০.৯৫% চর্বি, ০.৭৮-৫.৮৬% চিনি, ০.৬০-১.৩৪% সেলুলোজ এবং ১.১% খনিজ পদার্থ আছে। ভিটামিনও আছে।

বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে যে বাঁশের কোঁড়ল দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, উচ্চ রক্তচাপ কমায় ও ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, হাঁপানী, ডায়াবেটিস, তীব্র জ্বর, মৃগি রোগে মূর্ছা যাওয়া ইত্যাদি নিরাময়েও যথেষ্ট অবদান রাখে। তাই যেকোনো সবজির সাথে তুলনা করলে বাঁশের কোঁড়ল কোনোভাবেই হেলাফেলার নয়।

#বাঁশ_কোড়লের কয়েকটা রেসিপিঃ
প্রথমে বাঁশের কোড়লের উপরের সবুজ শক্ত অংশটাকে সরিয়ে ফেলতে হবে। সবুজ শক্ত অংশ সরানো অবস্থায়ও অনেক জায়গায় বাঁশের কোড়ল কিনতে পাওয়া যায়। যাইহোক, এরপর আপনার প্রয়োজনমত ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে ভালো করে পানিতে ধুয়ে একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে বাঁশ কোড়ল সিদ্ধ করবেন। সিদ্ধ করার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। এই সিদ্ধ হওয়া বাঁশ কোড়ল বিভিন্ন আইটেমে রান্না করে খেতে পারবেন। কয়েকটা নিম্নরুপ:

১. #পুঁইশাকের সাথেঃ একটি পাত্রে পরিমাণমত পানি নিয়ে তাতে শুটকি, পেঁয়াজ, মরিচ ও পরিমাণমত লবণ দেবেন। পাহাড়িরা এই আইটেমে ছাঁকা নাপ্পির পানি দিয়ে থাকে। নাপ্পি হল পাহাড়িদের তরকারী রান্নার প্রিয় একটি মশলা যা মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া দিয়ে তৈরি করা হয়। লক্ষ্য রাখবেন এই আইটেমে হলুদ গুঁড়া দেয়া হয় না। এরপর এটি চুলায় বসিয়ে ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে । পানিটা ফুটতে থাকলে এতে বাঁশ কোড়ল দিতে হবে। এর ১০-১৫ মিনিট পর এতে হালকা পুঁইশাক দিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর রান্নাটা হয়ে আসবে।

২. শুধু বাঁশ কোড়লঃ সিদ্ধ করা বাঁশ কোড়ল কুচি কুচি করে কেটে তেল দিয়েও রান্না করে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি পাত্রে পরিমাণমত তেল ‍দিয়ে চুলায় বসাতে হবে। পেঁয়াজ একটা কুচি করে কেটে শুটকি তেলে ভাজাতে হবে। কিছুক্ষণ ভাজার পর কুচি করে কাটা বাঁশ কোড়ল দিতে হবে। এতে লবণ ও হালকা লাল মরিচের গুঁড়া মেশাতে হবে। এরপর সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে মিডিয়াম তাপে রান্নাটা করে নিতে হবে। চাইলে আপনারা শুটকি ভাজার স্থানে টাটকা চিংড়ি ভাজিয়েও দারুণ স্বাদের রান্না করে নিতে পারেন। এর জন্য হালকা জিরা গুঁড়া মেশাতে হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ! 💙💚💜

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা ।স্বাদের দিক থেকে ...
11/08/2020

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা ।

স্বাদের দিক থেকে অনেকের কাছেই 'আম্রপালী' আম খুবই প্রিয় । আকারে ছোট কিন্তু মিষ্টির দিক থেকে যেন সকল আমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে 'আম্রপালী' । কিন্তু এই আমটার নামকরণ কোথা থেকে হল জানেন ?

আম্রপালী জন্মেছিলেন আজ থেকে ২,৫০০ বছর আগে ভারতে । তিনি ছিলেন সে সময়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী এবং নর্তকী । তার রুপে পাগল ছিল পুরো পৃথিবী আর এই রুপই তার জন্য কাল হয়ে ওঠে । যার কারণে তিনি ছিলেন ইতিহাসের এমন একজন নারী, যাকে রাষ্ট্রীয় আদেশে পতিতা বানানো হয়েছিল !

আম্রপালী বাস করতেন বৈশালী শহরে । বৈশালী ছিল প্রাচীন ভারতের গণতান্ত্রিক একটি শহর, যেটি বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের অর্ন্তগত ।
মাহানামন নামে এক ব্যক্তি শিশুকালে আম্রপালীকে আম গাছের নিচে খুঁজে পান । তার আসল বাবা-মা কে ইতিহাস ঘেঁটেও তা জানা যায়নি । যেহেতু তাকে আম গাছের নিচে পাওয়া যায় তাই তার নাম রাখা হয় আম্রপালী । সংস্কৃতে আম্র মানে আম এবং পল্লব হল পাতা । অর্থাৎ, আমগাছের নবীন পাতা ।

কিন্তু শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতেই আম্রপালীকে নিয়ে হইচই পড়ে যায় । তার রুপে চারপাশের সব মানুষ পাগল হয়ে যান । দেশ-বিদেশের রাজপুত্রসহ রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যান । নানা জায়গায় থেকে তাকে নিয়ে দ্বন্দ, ঝগড়া আর বিবাদের খবরও আসতে থাকে । সবাই তাকে একনজর দেখতে চান, বিয়ে করতে চান । এ নিয়ে আম্রপালীর মা-বাবা খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন । তারা তখন বৈশালীতে সকল গণমান্য ব্যক্তিকে এর একটি সমাধান করার জন্য বলেন । কারণ, সবাই আম্রপালীকে বিয়ে করতে চান । তখন বৈশালীর সকল ক্ষমতাবান ও ধনবান ব্যক্তি মিলে বৈঠকে বসে নানা আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত নেন তা হল, আম্রপালীকে কেউ বিয়ে করতে পারবেন না । কারণ তার রুপ । সে একা কারো হতে পারে না । আম্রপালী হবে সবার । সে হবে একজন নগরবধু, মানে পতিতা ।

এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত । ইতিহাসে এভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে কাউকে পতিতা বানানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল ! আম্রপালী সে সভায় পাঁচটি শর্ত রাখেন-

(১) নগরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় তার ঘর হবে ।
(২) তার মুল্য হবে প্রতি রাত্রির জন্য পাঁচশত স্বর্ণমুদ্রা ।
(৩) একবারে মাত্র একজন তার গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন ।
(৪ ) শক্র বা কোন অপরাধীর সন্ধানে প্রয়োজনে সপ্তাহে সর্বোচ্চ একবার তার গৃহে প্রবেশ করা যাবে ।
(৫) তার গৃহে কে এলেন আর কে গেলেন- এ নিয়ে কোন অনুসন্ধান করা যাবে না ।

সবাই তার এসব শর্ত মেনে নেন । এভাবে দিনে দিনে আম্রপালী বিপুল ধন-সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন । তার রুপের কথাও দেশ-বিদেশে আরও বেশী করে ছড়িয়ে পড়তে থাকে ।

প্রাচীন ভারতের মগধ রাজ্যের রাজা ছিলেন বিম্বিসার । শোনা যায়, তার স্ত্রীর সংখ্যা নাকি ৫০০ ছিল ! নর্তকীদের নাচের এক অনুষ্ঠানে তিনি এক নর্তকীর নাচ দেখে বলেছিলেন, এ নর্তকী বিশ্বসেরা ।
তখন তার একজন সভাসদ বলেন- মহারাজ, এই নর্তকী আম্রপালীর নখের যোগ্য নয় !
বিম্বিসারের এই কথাটি নজর এড়ায়নি । তিনি তার সেই সভাসদের থেকে আম্রপালী সম্পর্কে বিস্তারিত শুনে তাকে কাছে পাবার বাসনা করেন ।
কিন্তু তার সভাসদ বলেন, সেটা সম্ভব নয় । কারণ, তাহলে আমাদের যুদ্ধ করে বৈশালী রাজ্য জয় করতে হবে আর আম্রপালীর দেখা পাওয়াও এত সহজ নয় । দেশ-বিদেশের বহু রাজাসহ রাজপুত্ররা আম্রপালীর প্রাসাদের সামনে তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন । কিন্তু মন না চাইলে তিনি কাউকে দেখা দেন না ।

এত কথা শুনে বিম্বিসারের আগ্রহ আরও বেড়ে গেল । তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ছদ্মবেশে বৈশালী রাজ্যে গিয়ে আম্রপালীকে দেখে আসবেন । কি এমন আছে সেই নারীর মাঝে, যার জন্য পুরো পৃথিবী পাগল হয়ে আছে !
তারপর বহু চড়াই উৎরাই শেষে তার আম্রপালীর সাথে দেখা করার সুযোগ আসে । আম্রপালীর প্রাসাদ আম্রকুঞ্জে । কিন্তু দেখা করতে গিয়ে রাজা চমকে উঠেন, এত কোন নারী নয় ; যেন সাক্ষাৎ পরী ! এ কোনভাবেই মানুষ হতে পারেন না । এত রুপ মানুষের কিভাবে হতে পারে !
কিন্তু অবাক রাজার জন্য আরও অবাক কিছু অপেক্ষা করছিল । কারণ, আম্রপালী প্রথম দেখাতেই তাকে মগধ রাজ্যের রাজা বলে চিনে ফেলেন এবং জানান- তিনি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন বহু আগে থেকেই ।
এই কথা শুনে রাজার বিস্ময়ের সীমা থাকে না ।
রাজা সাথে সাথে তাকে তার রাজ্যের রাজরাণী বানানোর প্রস্তাব দেন । কিন্তু আম্রপালী জানান, তার রাজ্যের মানুষ এটা কখনোই মেনে নেবেন না । উল্টো বহু মানুষের জীবন যাবে । রক্তপাত হবে । তাই রাজাকে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলেন ।
কিন্তু বিম্বিসার বৈশালী আক্রমন করে আম্রপালীকে পেতে চান । ওদিকে আম্রপালী তার নিজের রাজ্যের কোন ক্ষতি চান না । তাই তিনি রাজাকে তার নিজ রাজ্যে ফেরত পাঠান এবং বৈশালীতে কোন আক্রমণ হলে তিনি তা মেনে নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন ।

এদিকে বিম্বিসারের সন্তান অজাতশত্রুও আম্রপালীর প্রেমে মগ্ন ছিলেন । তিনি বিম্বিসারকে আটক করে নিজে সিংহাসন দখল করে বসেন এবং আম্রপালীকে পাওয়ার জন্য বৈশালী রাজ্য আক্রমণ করে বসেন । কিন্তু দখল করতে সক্ষম হননি এবং খুব বাজেভাবে আহত হন । পরবর্তীতে আম্রপালীর সেবায় সুস্থ হয়ে গোপনে তার নিজের রাজ্যে ফেরত যান । সেদিনও আম্রপালী অজাতশত্রুর বিয়ের প্রস্তাব সবিনয়ে ফিরিয়ে দেন ।

এত নাটকীয়তার পর শেষের দিকে এসে কি হল ? গৌতম বুদ্ধর সময়কাল তখন । গৌতম বুদ্ধ তার কয়েকশ সঙ্গী নিয়ে বৈশালী রাজ্যে এলেন । একদিন বৈশালী রাজ্যের রাবান্দা থেকে এক বৌদ্ধ তরুণ সন্ন্যাসীকে দেখে আম্রপালীর মনে ধরে গেল । তিনি ভাবলেন, দেশ-বিদেশের রাজারা আমার পায়ের কাছে এসে বসে থাকেন আর এত সামান্য একজন মানুষ । তিনি সেই সন্ন্যাসীকে চার মাস তার কাছে রাখার জন্য গৌতম বুদ্ধকে অনুরোধ করলেন । সবাই ভাবলেন, বুদ্ধ কখনই রাজি হবেন না । কারণ, একজন সন্ন্যাসী এমন একজন পতিতার কাছে থাকবেন ; এটা হতেই পারে না । কিন্তু গৌতম বুদ্ধ তাকে রাখতে রাজি হলেন এবং এটাও বললেন, আমি শ্রমণের (তরুণ সে সন্ন্যাসীর নাম ছিল) চোখে কোন কামনা-বাসনা দেখছি না । সে চার মাস থাকলেও নিষ্পাপ হয়েই ফিরে আসবে- এটা আমি নিশ্চিত !

চার মাস শেষ হল । গৌতম বুদ্ধ তার সঙ্গীদের নিয়ে চলে যাবেন । তরুণ শ্রমণের কোন খবর নেই । তবে কি আম্রপালীর রুপের কাছেই হেরে গেলেন শ্রমণ ? সেদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে তরুণ শ্রমণ ফিরে আসেন । তার পিছনে পিছনে আসেন একজন নারী । সেই নারীই ছিলেন আম্রপালী । আম্রপালী তখন বুদ্ধকে বলেন, তরুণ শ্রমণকে প্রলুব্ধ করতে কোনও চেষ্টা বাকি রাখেননি তিনি । কিন্তু এই প্রথম কোন পুরুষকে বশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বৈশালীর নগরবধূ আম্রপালী । তাই আজ সর্বস্ব ত্যাগ করে বুদ্ধের চরণে আশ্রয় চান তিনি ।

পরে সব কিছু দান করে বাকী জীবন গৌতম বুদ্ধের চরণেই কাটিয়ে দেন ইতিহাস বিখ্যাত সেই রমণী আম্রপালী আর এই আম্রপালী নামেই ১৯৭৮ সালে ভারতের আম গবেষকরা 'দশোহরি' ও 'নিলাম'- এই দু'টি আমের মধ্যে সংকরায়ণের মাধ্যমে এক নতুন জাতের আম উদ্ভাবন করেন এবং নাম রাখেন 'আম্রপালী' ।

হরিধান: হরিপদের সোনালী সন্তানঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে নাম না জানা এক জাতের ধান চাষ হচ্ছে ব্যাপক হারে। আসাদ নগর বং...
31/07/2020

হরিধান: হরিপদের সোনালী সন্তান

ঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে নাম না জানা এক জাতের ধান চাষ হচ্ছে ব্যাপক হারে। আসাদ নগর বংকিরাসহ পাশ্ববর্তী গ্রামগুলোর কৃষকরা তাদের শত শত একর জমিতে এই ধান চাষ করে বাম্পার ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছেন। অল্প খরচে অধিক ফলনে এই ধান দেখতে ও বীজ সংগ্রহে প্রতিদিন দূর-দূরান্তের অসংখ্য লোক গ্রামগুলোতে আসছে।
কৃষি বিভাগ অজানা এই ধানের ফলন ভালো হচ্ছে বলে জানালেও ধানের জাত বলতে পারেননি। তারা দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে জাত বাছাই করার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছে।
তবে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার আসাদনগর গ্রামের হরিপদ কাপালী এই নাম না জানা জাতের ধান প্রথম চাষ করেন। তার কাছ থেকে বীজ নিয়ে অন্যরা ওই ধান করছে। ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এলাকার লোকজন ধানের নাম দিয়েছেন ‘হরি ধান’। কৃষকরা জানান আশপাশের দশ-বারো গ্রাম ছাড়িয়ে বর্তমানে অন্য জেলায়ও এই ধানের চাষ শুরু হয়েছে। কম খরচে অধিক ফলন তুলতে দেখে সবাই এই ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছে। হরি ধানে চিটা কম ও বিচালীর দামও বেশি।

সরেজমিন আসাদ নগর গ্রামে গিয়ে হরিপদ কাপালীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ছয়-সাত বছর আগে তিনি জমিতে অত্র অঞ্চলে প্রচলিত বিআর১১ জাতের ধান চাষ করেন। ওই ধান ক্ষেতে আগাছা পরিষ্কার করার সময় চার-পাঁচটি মোটা ধান গাছ দেখতে পান যা আগাছা হিসেবে কেটে না ফেলে তিনি রেখে দেন। তার ধারণা ছিল এই গাছে হয়তো বা ধান হবে না কিন্তু অন্যান্য ধান গাছের সঙ্গে এই গাছগুলোও বাড়তে থাকে এবং ভালো ধান হয়। ধানের গাছগুলো মোটা ও লম্বা হয়।

হরিপদ ওই গাছ থেকে পাওয়া ধানগুলো আলাদা করে রেখে দেন। পরের বছর তিনি দুই থেকে তিনশ গ্রামের ওই ধান বীজের জন্য আলাদা বীজতলা তৈরি করেন এবং আলাদা জমিতে রোপণ করেন। বাকিতে জমিতে করেন অন্য ধান। কিন্তু সমান ভাবে উভয় ধানের পরিচর্যা করেন। আচার্য অন্যান্য ধান থেকে অজানা জাতের ধানের ফলন ভালো হয়। এরপর ধান কাটার সময় তিনি স্বর্ণা জাত ও নাম না জানা ওই জাতের উত্পাদন পরীক্ষা করেন। নিজের দুই জাতের সমপরিমাণ জমির ধান কেটে দেখতে পান অজানা জাতের ধানের ফলন বেশি হয়েছে। এর পরের বছর তিনি দশ কাঠা জমিতে এই ধানের চাষ করেন। তার ক্ষেতের ধানগাছ দেখে এলাকার লোকজন মুগ্ধ হন। আশপাশের লোকজন ধানের ক্ষেত দেখতে আসতে শুরু করেন। পরে ধান কাটার সময় ফলন দেখে অন্য কৃষকরা বীজ নেওয়ার জন্য তার কাছে ধন্যা দেন। বীজ দিতে না পারায় অনেকে তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

হরিপদ জানান প্রথম বছর তার দশ কাঠা জমিতে যে ধান উত্পাদন হয়েছিল তার সবই বীজ করে গ্রামের কৃষকদের দিয়েছি এভাবে একে ওপরের কাছ থেকে বীজ নিয়ে এই ধানের চাষ শুরু করেছে। গত দুই/তিন বছরের ব্যবধানে পুরো এলাকায় এই ধান ছড়িয়ে পড়েছে। এ জাতের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় কৃষকরা এই ধানকে তার নাম অনুসারে ‘হরিধান’ নামকরণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাছের রাজা ইলিশমাছের রাজা ইলিশভরদুপুরে নদীর কিনারে দুলছে মাছ ধরার নৌকা। তার পাটাতনে কলাপাতা বিছিয়ে খেতে বসেছেন মাঝিরা। প...
31/07/2020

মাছের রাজা ইলিশ

মাছের রাজা ইলিশ

ভরদুপুরে নদীর কিনারে দুলছে মাছ ধরার নৌকা। তার পাটাতনে কলাপাতা বিছিয়ে খেতে বসেছেন মাঝিরা। প্রথমেই পরিষ্কার কলাপাতায় দেওয়া হলো সামান্য লবণ, হলুদ ও শর্ষের তেল মেশানো প্রমাণ আকারের ইলিশের পেটি, কাঁচা। তার ওপর হাঁড়ি থেকে তোলা গরম ভাত। কলাপাতার এক পাশে লবণ, তার ওপর শর্ষের তেল। যাঁরা খেতে বসেছিলেন, তাঁরা ভাত ঠান্ডা হওয়ার জন্য একটুখানি সবুর করলেন। তারপর তেল মেশানো লবণ ভাতে ছিটিয়ে দিয়ে খেতে শুরু করলেন। দু-এক গ্রাস খাওয়ার পরই ধবধবে সাদা ভাত ইলিশের তেলে ধীরে ধীরে সোনালি হতে শুরু করল! চারদিকের বাতাস হয়ে উঠল ইলিশগন্ধি।

মাঝিরা বাদে আর যে দু-চারজন ছিলেন সেখান, এভাবে ইলিশ খেয়ে স্মৃতিকথা লিখে রেখেছেন তাঁরা। ‘আহা আহা’ লিখেই সুখ্যাতি করেছেন এ খাবারের। কিন্তু এই বিশেষ রেসিপির নাম কী? না, খুঁজে পাইনি। সম্ভবত মাঝিরাও এর কোনো নাম রাখেননি। ইলিশপ্রেমী এক কবিবন্ধু বলেছিলেন, ‘কেন ইলিশ মাছের রাজা, জানেন? কারণ, ভেজে, ভাপিয়ে, তরকারিতে দিয়ে সেদ্ধ করে, লবণ মেখে শুকিয়ে যেকোনোভাবে ইলিশ খাওয়া যায় এবং সেটা সেরা স্বাদেই। তবে সম্ভবত ইলিশের সেরা স্বাদ ভাপানোতেই।’ ভাপা নাকি ভাজা, কোন ইলিশ স্বাদে সেরা, সেটা তর্কসাপেক্ষ যদিও, তারপরও ব্যাপারটা ইলিশ—কোনো কথা হবে না!

খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই, সব মাছের নামের পাশে ‘মাছ’ শব্দটি লেখা বা বলা হয়। যেমন চিতল মাছ, বোয়াল মাছ, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি। কিন্তু ইলিশের বেলায় শুধুই ইলিশ। এ যেন এক এবং অনন্যতারই গল্প, নামেই যার পরিচয়। ইলিশ মানে জলের অধীশ্বর বা রাজা।

শুধু মানুষই নয়, ইলিশও চন্দ্রাহত হয়। ‘ফড়িংফাট’ মানে ফড়িং ধরা জোছনায় নাকি ইলিশ পাওয়া যায় বেশি, এমনটাই মনে করেন ইলিশ-জেলেরা। ভরা পূর্ণিমায় জলের গভীর তলদেশ থেকে জোছনাবিহারে বেরিয়ে পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে চন্দ্রগ্রস্ত ইলিশ। উদ্দাম ডুবসাঁতারের খেলা চলে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে। তারপরই টপাটপ ধরা পড়ে জেলেদের ফাঁদে। এ যেন চন্দ্রকলায় আত্মহত্যা! অবশ্য ইলিশ যদি এমন আত্মহত্যা না করত, তাহলে আমরাই-বা তার স্বাদে স্বর্গ-মর্ত্য ভুলে ‘ঘটি-বাঙাল’ ঝগড়া করতাম কীভাবে?

কিন্তু এমন যে ইলিশ, বাহারি স্বাদের ইলিশ ইংরেজরা তাকে কেন ঠিক গ্রহণ করল না? ২০০ বছর এ দেশ শাসন করে, এ দেশের অর্থে-সম্পদে পরিপুষ্ট হয়েও কেন তারা ইলিশকে নিজের করে নিল না? কেনই-বা ভেটকি মাছ প্রিয় হলো তাদের? এমন প্রশ্ন বহুবার করেছি বহুজনকে। বেশির ভাগই উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেছেন। তবে দিগেন বর্মণ তার ইলিশ পুরাণ বইয়ে যা লিখেছেন, তাকে আমার মোটামুটি সন্তোষজনক বলে মনে হয়েছে। এই সব কেনর উত্তরে দিগেন বর্মণ ছোট্ট করে একটি শব্দ লিখেছেন—কাঁটা। আমরা ছড়া শুনেছি না, ইলিশ মাছের তিরিশ কাঁটা…। ইলিশে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি কাঁটা আছে। বলা হয়ে থাকে, ৯ হাজারের বেশি কাঁটা আছে ইলিশের শরীরে!

৯ হাজারের বেশি! এত কাঁটার জঙ্গল ঠেলে কাঁটাচামচে করে ইলিশ খাওয়ার কষ্ট ইংরেজরা স্বীকার করতে চায়নি। ফলে প্রায় কাঁটাহীন ভেটকি বা কোরাল মাছই তাদের প্রিয় হয়েছিল। এখন ভাবলে ভালোই লাগে যে ইংরেজরা ইলিশ অপছন্দ করত। পছন্দ করলে তাদের ‘বিটিশবুদ্ধিতে’ কি-না-কি করে ফেলত। তার চেয়ে এ-ই ভালো হয়েছে।

অবশ্য এখন কাঁটা ছাড়া ইলিশও পাওয়া যায়। কিন্তু বাঙালির সামনে বোনলেস ইলিশের গল্প দিলে মানসম্মান থাকবে কি?

আগেই বলেছি, ভেজে, ভাপে, তরকারিতে দিয়ে সেদ্ধ করে, পেঁয়াজ দিয়ে কিংবা ছাড়া, কাঁচা মরিচ দিয়ে বা না দিয়ে, যেভাবে খুশি আপনি ইলিশ খেতে পারেন। সব সময় আটপৌরে রন্ধনপ্রণালিতে আটকে থাকতে হবে, তেমন কোনো কথা নেই। গুগল ঘাঁটলে কিংবা ইউটিউবে খুঁজলে প্রচুর রান্নার পদ্ধতি পেয়ে যাবেন। যেকোনো একটা পছন্দ করে নিন। অথবা নিজেই বসে যান নিজের মতো করে রান্না করতে। আরে খাবেন তো আপনি, কেউ আপনাকে রেটিং দেবে না। কাজেই ভয় নেই।

তবে যা-ই করুন না কেন, ইলিশের সঙ্গে চিংড়ি মেশাবেন না যেন😋

কুষ্টিয়ার সুস্বাদু তিলের খাজা❣️বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। পূর্বে নদীয়া জেলার এই মহকুমাটির রয়েছে নানা দর্শনী...
31/07/2020

কুষ্টিয়ার সুস্বাদু তিলের খাজা❣️
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। পূর্বে নদীয়া জেলার এই মহকুমাটির রয়েছে নানা দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহ্য। কুষ্টিয়ার তিলের খাজা দেশব্যাপী জনপ্রিয় এবং প্রসিদ্ধ এক উপাদেয় খাবার। ক্ষুদ্র শিল্পে পরিণত হওয়া তিলের খাজা কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ করে আছে। তিল থেকে উৎপাদিত এই খাবার সব বয়সের মানুষের কাছেই জনপ্রিয়। বিশেষত অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের কাছে এটি চমকপ্রদ এক খাবার।

একসময় স্থানীয় পর্যায়ে শুধুমাত্র এর চাষ হলেও ধীরে ধীরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। খাজা বলতে কেবল কুষ্টিয়ার তিলের খাজাই বুঝে থাকে সকলে।

তিলের খাজা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় তিল ও চিনি। চিনির সিরকা তৈরি করে একটি নির্দিষ্ট ঘনত্বে পৌঁছালে সেটাকে ঠাণ্ডা করে জমাট ধরানো হয়। এরপর চলে বিশেষ কায়দায় হাত ও গাছের ঢাল ব্যবহার করে সেই বাদামি রঙের সিরাকে সাদা করার পালা। হাতের ভাজে ভাজে টানা সিরার ভেতরে তৈরি হয় ফাঁপা। ফাঁপা আকৃতির এই সিরাকে নির্দিষ্ট পরিমাপে কেটে তাতে খোসা ছড়িয়ে তিল ছিটানো হয়। এভাবেই তৈরি হয় মজাদার মুখরোচক এই খাবার🥰

Address

House 8/16, Parthiv Block: C (near Minar Mosque) Lalmatiya
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:30 - 18:00
Tuesday 09:30 - 18:00
Wednesday 09:30 - 18:00
Thursday 09:30 - 18:00
Saturday 09:30 - 18:00
Sunday 09:30 - 18:00

Telephone

+8801975458388

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when United Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to United Mart:

Shortcuts

Share