Bookiefy - বুকিফাই

Call Contact the business

Bookiefy - বুকিফাই সততাই আমাদের ব্যবসায়ের সবচেয়ে বড় মূলধন, ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

সৈয়দ মুজতবা আলী দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ডায়মন্ড বলপেন আছে?সেলসম্যান মুখের উপর বলে দিল,  "নেই" তিনি চলে যাচ্ছিলেন আবার ...
22/09/2026

সৈয়দ মুজতবা আলী দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ডায়মন্ড বলপেন আছে?

সেলসম্যান মুখের উপর বলে দিল, "নেই"

তিনি চলে যাচ্ছিলেন আবার ফিরলেন তারপর জিজ্ঞেস করলেন, ''অন্য কি বলপেন আছে?''
সেলসম্যান বললো অনেক আছে, পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ইত্যাদি।

সেলসম্যানশীপ কী সৈয়দ মুজতবা আলী তাদের বুঝালেন। যখন তিনি ডায়মন্ড বলপেন আছে কি তা জিজ্ঞেস করলেন তখন তাদের বলা উচিৎ ছিল যে নেই তবে পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ইত্যাদি আছে।
ক্রেতাকে বিকল্প না দেখিয়ে বিদায় করাটা ঠিক না।

সেলসম্যানরা লজ্জিত হলো কিন্তু শিখলো।
কিছুক্ষণ পর সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় এসেছেন, জিজ্ঞেস করলেন টয়লেট পেপার আছে?

সৈয়দ মুজতবা আলীর দীক্ষিত সেলসম্যান উত্তরে বললেন, টয়লেট পেপার একটু আগে শেষ হয়ে গেছে। তবে শিরিষকাগজ আছে। দেবো?

~ কোনো একটা বইয়ের পৃষ্ঠা থেকে নেয়া।

22/09/2026

জাপানিরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে যে ভাত সেটার নাম 'স্টিকি'। মানে ভাতের দানা একটার সাথে আরেকটা লেগে থাকে।
আমার ধারণা ছিল, স্টিকি ভাত কাঠি দিয়ে সহজে খাওয়া যায় বলেই জাপানিরা এটা এত পছন্দ করে। আমি এই ভাত খেতে একদমই পছন্দ করতাম না। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো জাপানের বাজারে জাপানি কৃষকদের উৎপাদিত এই বিশেষ ভাতের চালের দামই সবচেয়ে বেশি।
বাজার থেকে কয়েকবার বিভিন্ন ধরণের চাল কেনার পর বুঝলাম এই চাল যদি জাপানিরা নিজেরা উৎপাদন না করে আশেপাশের কোনও দেশ থেকে আমদানি করতো তাহলে এর দাম বেশ কম পড়তো।আমি কৌতুহলী হয়ে আমার সুপারভাইজার প্রফেসর কামিজিমাকে একবার জিজ্ঞেসই করে ফেললাম..
"আচ্ছা প্রফেসর, তোমরা এই চাল বিদেশ থেকে আমদানি করো না কেন? আমদানি করলে তো দাম অনেক কম পড়তো!"
কামিজিমা: "তা হয়তো পড়তো.."
আমি: "তাহলে?"
কামিজিমা: "সরকার ইচ্ছে করেই কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদন খরচের অনেক বেশি দামে এই চাল কেনে।"
"কেন?"
"কৃষকদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।"
"মানে?"
"কৃষক যদি ভালো দাম না পায় তাহলে কি ওরা আর কৃষিকাজ করবে? পেশা বদলে ফেলবে না!"
"তাই বলে সরকার এত বেশি দামে চাল কিনবে কৃষকদের কাছ থেকে?"
"শোনো, আমরা আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভুলিনি। জাপান একটা দ্বীপরাষ্ট্র। ঐরকম একটা যুদ্ধ যদি আবার কখনো লাগে আর শত্রুরা যদি আমাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে! তখন কী হবে ভেবেছ?"
"বুঝলাম না!"
"বাইরে থেকে কোনও খাবার জাপানে আসতে পারবে? আমরা কি তখন এই টয়োটা গাড়ি খাব? কৃষক যদি না বেঁচে থাকে তাহলে ঐসময় আমরা বাঁচব?!"
আমি অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলাম কামিজিমার কথা শুনে। ভাবলাম, আমরা কি অবলীলায়ই না আমাদের দেশের কৃষকদেরকে বছরের পর বছর উৎপাদিত শষ্যের ন্যায্য মূল্য না দিয়ে মেরে ফেলার যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করছি!
উল্লেখ্য জাপানিজ সরকার বছর শেষে তাদের মজুদ চাউল নষ্ট করে ফেলে দেয়। পুনরায় চাল কেনার জন্য। কৃষকদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য...

("The Mind Game" বই থেকে উদ্ধৃত)

- খন্দকার ইমামুল হাসান

একটা বইকে বোঝার জন্য এতগুলো বই 💝
21/09/2026

একটা বইকে বোঝার জন্য এতগুলো বই 💝

📚 রহস্য, কবিতা আর দার্জিলিঙের কুয়াশায় এক অন্যরকম পাঠ-অভিজ্ঞতা!শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের ‘শেষ মৃত পাখি’ ও ‘নৈশ অপেরা’—একসঙ্গে...
20/09/2026

📚 রহস্য, কবিতা আর দার্জিলিঙের কুয়াশায় এক অন্যরকম পাঠ-অভিজ্ঞতা!

শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের ‘শেষ মৃত পাখি’ ও ‘নৈশ অপেরা’—একসঙ্গে দুইটি রহস্য উপন্যাস। যারা শুধু খুন-রহস্য নয়, রহস্যের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, কবিতা ও চরিত্রের মনস্তত্ত্ব উপভোগ করতে চান—তাদের জন্য এই দুটি বই বেশ আলাদা ধরনের পাঠের অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে।

🕯️ শেষ মৃত পাখি

১৯৭৫ সালে দার্জিলিঙে তরুণ কবি অমিতাভ মিত্রের রহস্যজনক মৃত্যু। চার দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই মৃত্যুর প্রকৃত সত্য অধরাই থেকে যায়। বহু বছর পর এই পুরোনো কেসের অনুসন্ধানে দার্জিলিঙে পৌঁছায় সাংবাদিক তনয়া ভট্টাচার্য।
কিন্তু এই তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসতে থাকে পুরোনো চিঠি, ডায়েরি, অসমাপ্ত রহস্যকাহিনি, কবিতা এবং একাধিক পরস্পরবিরোধী সূত্র। গল্পের বিশেষত্ব হলো—মূল হত্যারহস্যের পাশাপাশি উঠে আসে সত্তরের দশকের কবিতা, লিটল ম্যাগাজিন ও নকশাল আন্দোলনের সময়কাল। দার্জিলিঙের বৃষ্টিভেজা, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশও গল্পের আবহকে আরও রহস্যময় করে তোলে।

🌙 নৈশ অপেরা

‘শেষ মৃত পাখি’র পর লেখকের আরেক রহস্য-উপন্যাস ‘নৈশ অপেরা’। এখানেও ফিরে আসে সাংবাদিক তনয়া ভট্টাচার্য, যে আবারও এক রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়ে। Goodreads-এর পাঠক-আলোচনায় বইটির ক্ষেত্রে ‘শেষ মৃত পাখি’র সঙ্গে তুলনা এবং তনয়ার ফিরে আসার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে।

দুটি বই মিলিয়ে শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের রহস্যজগতের পাঠ শুরু করতে পারেন একসঙ্গে—যেখানে শুধু “খুনি কে?” নয়, বরং গল্পের ভেতরের গল্প, সূত্র, পরিবেশ আর মানুষের গোপন উদ্দেশ্যও হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ।

📖 বই:
• শেষ মৃত পাখি
• নৈশ অপেরা
✍️ লেখক: শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
🏷️ ধরন: রহস্য / মিস্ট্রি / থ্রিলার

💬 সংগ্রহ করতে ইনবক্স করুন Bookiefy-তে।

Bookiefy — বইয়ের সঙ্গে, গল্পের আরও কাছে। 📚💙
#শেষমৃতপাখি #নৈশঅপেরা #শাক্যজিৎভট্টাচার্য #বাংলাথ্রিলার #রহস্যউপন্যাস #বাংলাবই

বই- শেষ মৃত পাখিপৃথিবীর সবথেকে বুদ্ধিমান এবং নিখুঁত খু*নি হিসেবে তুমি কাউকেই দাগিয়ে দিতে পারবে না। সহজ কারণ। যে খু*নটা ...
20/09/2026

বই- শেষ মৃত পাখি

পৃথিবীর সবথেকে বুদ্ধিমান এবং নিখুঁত খু*নি হিসেবে তুমি কাউকেই দাগিয়ে দিতে পারবে না। সহজ কারণ। যে খু*নটা নিখুঁত হবে, তার খু*নি হিসেবে তুমি কাউকে শনাক্ত করতে পারবে না। ভাববে আত্মহ*ত্যা, বা অ্যাক্সিডেন্ট। আর শনাক্ত করলে, সেটা নিখুঁত হবে না।’

এ কয়েকটা লাইনই যথেষ্ট একজন থ্রিলারপ্রেমীকে গল্পে আটকে ফেলতে। মানে পারফেক্ট মা*র্ডার নিয়ে এভাবে তো ভেবে দেখিনি। তাই এ লাইনগুলো আপনাকে আটকাতে পেরেছে কিনা জানিনা, আমাকে আটকে ফেলেছিলো। আর এই লাইনগুলো আছে শাক্যজিৎ ভট্টাচার্যের রহসোপন্যাস ‘শেষ মৃত পাখি’র একদম ১ম পৃষ্ঠায়।

গল্পটা শুরু হয় ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট তনয়া ভট্টাচার্যের দার্জিলিং যাত্রা দিয়ে। তনয়া সারা ভারত ব্যাপি যত অমীমাংসিত কেস রয়েছে তা নিয়ে একটি ধারাবাহিক লেখেন ম্যাগাজিনে। ধারাবাহিকটা বেশ জনপ্রিয়। আর সে জনপ্রিয় সিরিজের শেষ লেখাটি হবে ৪৪ বছর আগে দার্জিলিং এর বুকে ঘটে যাওয়া ৭০ দশকের উঠতি সম্ভাবনাময় কবি অমিতাভ মিত্রের খু*নের রহস্য উদঘাটন দিয়ে। এ খু*নের সবচাইতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন বিখ্যাত লেখক, অমিতাভ মিত্রের বন্ধু অরুণ চৌধুরী। কিন্তু অভিযোগের তীর তার দিকে থাকলেও ৪৪ বছর আগেও সে তীর মুখ থুবড়ে পড়েছিলো। অরুণ চৌধুরীর শক্ত অ্যালিবাই থাকার এবং যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে। তবে কি আসলে অরুণ চৌধুরীই খু*নি নাকি এই প্রায় পারফেক্ট ক্রাইমটির পেছনে লুকিয়ে আছে গভীর কোন রহস্য? অরুণ যদি খু*নী না-ই হোন তবে খু*নী কে? ৪৪ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। সময় নদীর স্রোতে গত হয়েছেন ঘটনার অনেক পাত্র পাত্রীই, হারিয়ে গেছে অনেক সূত্রই। তার থেকে বড় কথা হচ্ছে, ৪৪ বছর আগে যে রহস্য কেউ সমাধান করতে পারেনি, আজ এত বছর পর তনয়া কি পারবেন ইতিহাস খুঁড়ে সে রহস্য উদ্ঘাটন করতে?

এই হচ্ছে উপন্যাসের মূল কাহিনী। তবে এত ছোটভাবে বললেও উপন্যাসটা যে মোটেও এত ছোট কিছু না সেটা পাঠকগণ উপন্যাসের সাইজের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন। এবারে বলি বইটা আমার কেমন লাগলো আর এইটুকু গল্প লিখতে লেখকের কেন ৪০০+ পৃষ্ঠা লাগলো।

বইটাকে স্রেফ মার্ডা*র মিস্ট্রি কিংবা রহস্যপোন্যাস বললে এটার প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ একটিই, লিখনশৈলী। তবে লিখনশৈলী নিয়ে বলার আগে অন্য জিনিসগুলো নিয়ে বলি।

প্লট বিচারে এই বইয়ের প্লট অনন্য। আমি প্লট হিসেবে যেটাকে লিখেছি সেটার চাইতে অনেক বেশী বিস্তৃত। তবে সেটা বলে দিয়ে আপনাকে উপন্যাসটার স্বাদ থেকে বঞ্চিত করতে চাইনি। তবে যারা স্রেফ প্লট/কন্টেন্টের বিচারে পড়েন তাদের জন্য এ বই একদম পারফেক্ট একটা উপন্যাস। সেই সাথে মেজর দুটো টুইস্ট আছে, যেগুলোর প্রথমটি অনেকে ধরতে পারলেও শেষটি আপনি ধরতে পারবেন না, আমি মোটামুটি নিশ্চিত, যদিও অসংখ্য ক্লু বইয়ের ভেতরের পরতে পরতে ছড়ানো ছিলো। সুতরাং টুইস্ট লাভাররাও বইটা তুলে নিতে পারেন স্বচ্ছন্দ্যে। চাইলে উপন্যাসের মূল রহস্য উদ্ঘাটনকে আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবেও নিতে পারেন।

এরপর আসে চরিত্রায়ন। আমার দৃষ্টিতে এইখানে লেখক পুরোই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। মানে প্রতিটা চরিত্র আমার কাছে আলাদা লেগেছে। লেখক অনেক যত্ন নিয়ে তৈরী করেছেন বলে মনে হয়েছে। বিশেষ করে অমিতাভ চরিত্রটা। তাকে বর্ণনা করার অংশগুলোয় পাগলাটে, ক্ষ্যাপা একটা মানুষের ছবি দেখেছি যে কিনা শুরুতে কবিতার ফুলঝুরিতে সমাজকে পাল্টে দেবার ইচ্ছাপোষণ করতো। তার লেখা চিঠিগুলোতেও তার চরিত্রের দিকগুলো দারুণভাবে উঠে এসেছে। উপন্যাসে আরেকটা এক্সক্লুসিভ ব্যাপার আছে। সেটা হচ্ছে, বইয়ের মাঝে বই। এখানে অমিতাভের একটা অর্ধসমাপ্ত উপন্যাস আনা হয়েছে যেটা অরুণ চৌধুরী তনয়াকে দেন পড়ার জন্য। অরুণ চৌধুরীর মতে এখানে অমিতাভের মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত অনেক কিছু লুকিয়ে আছে। এই যে উপন্যাসের মধ্যে উপন্যাস, এই কনসেপ্টটা আমার দারুণ লেগেছে। আর তাছাড়া এই উপন্যাসে যে চরিত্রগুলোও এসেছে ওগুলোও অনেক যত্ন নিয়ে তৈরী করেছেন লেখক।

আর পাঁচটা থ্রিলার বইয়ের মত নয় এ বইয়ের লেখা। এ বইতে এসেছে ৭০ দশকের সাহিত্য, রাজনীতি, লিটল ম্যাগাজিন ও সাহিত্যে তার প্রভাব, লিটল ম্যাগাজিন আর ব্যবসায়িক প্রকাশনী গুলোর দ্বন্দ্ব। আরও এসেছে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, নকশাল আন্দোলন। শুধু তাই নয়, গল্পের প্রয়োজনে এসেছেন পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলাল (বইটার নামও কিন্তু তার কবিতা থেকেই নেয়া হয়েছে), শম্ভু রক্ষিত, প্রসূন বন্দোপাধ্যায়সহ আরো অনেক কবি। লেখক শাক্যজিৎ শুধু একটি রহস্যপোন্যাস লিখতে চাননি। এমনকি আমি মনে করি এটি আসলে রহস্যপোন্যাস কম, মূলধারার সাহিত্য বেশি। কি দারুণ ভাষার প্রয়োগ, কি দারুণ শব্দের ব্যবহার! আমি তো অন্তত ১০টা নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছি। সাথে দারুণ কিছু দার্শনিক উক্তি যেন উপরি পাওনা ছিলো। এই মূহূর্তে একটা সেরা উক্তির কথা মনে পড়ছে-

“খুন হল একটা শিল্প। আর গোয়েন্দা হল সেই শিল্পের ক্রিটিক। সমালোচক যেমন শিল্পকর্মের ভেতর থেকে লুকানো নানা চিহ্ন খুঁজে খুঁজে ব্যাখ্যা করেন, গোয়েন্দাও একটা হত্যার মধ্যে লুকিয়ে থাকা বিভিন্ন ক্লু খুঁজে খুঁজে হত্যার ব্যাখ্যা দেয়।”

কি দারুণ উক্তি, তাইনা? এছাড়াও গল্পের প্রয়োজনে এসেছে অনেক নামী দামী কবির কবিতা, ৪০-৪৫ টা তো হবেই। আর এই কবিতার জন্যই এখানে একটা পাঠকদের উদ্দেশ্যে একটা সতর্কবার্তা দেয়া প্রয়োজন মনে হলো। আপনি যদি স্রেফ একটা স্ট্রেইট থ্রিলার পড়তে চান, যেখানে শুধু রহস্য ও রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে কথা হবে, তাহলে এই বইটা আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। তবে যদি রহস্যের সাথে সাথে সেই সময়ের পটভূমি নিয়ে জানতে চান, দার্জিলিং এর গ্লুমি আবহাওয়ায় দূর্দান্ত বর্ণনা উপভোগ করেন তবে এই বইটি আপনার জন্যই।

বইয়ের কি সবই ভালো দিক? আসলে সব দিকই ভালো এমন বই খুব একটা হয় না। প্রায় পারফেক্ট এই বইটার একটা দিক আমার খানিকটা দূর্বল লেগেছে। তবে সেটা আসলে আমারই দূর্বল লাগবে, আপনার নাও লাগতে পারে তাই রিভিউতে উল্লেখ করলাম না। আপনি যদি বইটা পড়তে চান কিংবা বইটা ইতোমধ্যে পড়ে থাকেন স্রেফ তাহলেই আপনার সাথে ইনবক্সে এটা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। এখানে নয়, কারণ দূর্বল জায়গাটা হোয়াইট বা ব্ল্যাক না, গ্রে। আর সেটা বলে আপনার বই পড়ার আগ্রহটা নষ্ট করতে চাই না। এমনকি বইটা এ জায়গাটাকে কোট করা সম্ভবত ডিজার্ভও করে না (খানিকটা বায়াসড মনে হচ্ছে, না?)। তারচেয়ে বরং বইতে ব্যবহৃত হওয়া পছন্দের একটা কবিতা দিয়ে রিভিউটা শেষ করি, কেমন?

Yesterday, upon the stair,

I met a man who wasn't there!

He wasn't there again today,

Oh how I wish he'd go away!

পুনশ্চঃ এই কবিতাটার মাঝে কিন্তু বইতে লুকিয়ে থাকা রহস্যের খানিকটা আছে। ক্লু দিলাম। বই পড়ার সময় কাজে লাগাতে পারেন কিনা দেখেন।

Goodreads- 5/5
©️ তান জীম

আর কিছু?
18/09/2026

আর কিছু?

18/09/2026

সিঙ্গাপুরে স্ক্রিনটাইম কমাতে বই পড়ার বিনিময়ে অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হচ্ছে!
ব্যাপার টা দারুণ না?

সোর্স: The buisness Standard.

📚 মিতিনমাসি সমগ্র অখন্ড ✍️ সুচিত্রা ভট্টাচার্যরহস্য, রোমাঞ্চ আর বুদ্ধির দুর্দান্ত মিশেলে সুচিত্রা ভট্টাচার্যের সৃষ্ট জনপ...
16/09/2026

📚 মিতিনমাসি সমগ্র অখন্ড
✍️ সুচিত্রা ভট্টাচার্য

রহস্য, রোমাঞ্চ আর বুদ্ধির দুর্দান্ত মিশেলে সুচিত্রা ভট্টাচার্যের সৃষ্ট জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র মিতিনমাসির এক অসাধারণ সংকলন।

প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জি—সবার প্রিয় মিতিনমাসি—তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, যুক্তিবোধ ও উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে একের পর এক জটিল রহস্যের সমাধান করেন। প্রতিটি ঘটনায় থাকে নতুন রহস্য, নতুন পটভূমি এবং শেষ পর্যন্ত সত্যের কাছে পৌঁছানোর উত্তেজনাপূর্ণ অনুসন্ধান।

মিতিনমাসির সঙ্গে টুপুর ও পার্থর উপস্থিতি গল্পগুলোকে আরও জীবন্ত করে তোলে। তাই শুধু রহস্যের সমাধান নয়, চরিত্রগুলোর সম্পর্ক ও গল্পের আবহও পাঠককে টেনে রাখে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত। 🔎📖

যারা বাংলা গোয়েন্দা গল্প ভালোবাসেন কিংবা সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লেখা সংগ্রহ করেন, তাঁদের বুকশেলফে রাখার মতো একটি সুন্দর সংকলন।

💰 Sale Price: ₹890
🚚 Delivery Charge: ₹99

📩 অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন।

#মিতিনমাসি #সুচিত্রাভট্টাচার্য #বাংলাবই #গোয়েন্দাগল্প #বাংলাগোয়েন্দাসাহিত্য

সাতকাহন উপন্যাসটি যারা পড়েছেন, এবং এমনই টাইপ আরও উপন্যাস খুজছেন, তাদের জন্য নিচের সিরিজ দুইটি! প্রতিটি মেয়েরই এই দুইটি স...
07/09/2026

সাতকাহন উপন্যাসটি যারা পড়েছেন, এবং এমনই টাইপ আরও উপন্যাস খুজছেন, তাদের জন্য নিচের সিরিজ দুইটি! প্রতিটি মেয়েরই এই দুইটি সিরিজ অবশ্যই পড়া উচিৎ। আশাপূর্ণা দেবীর সত্যবতী ট্রিলজি এবং গজেন্দ্রকুমার মিত্রের শ্যামা ট্রিলজি বাংলা সাহিত্যের দুই নামকরা নাম।

সিরিজ দুইটি আমাদের কাছে পেয়ে যাচ্ছেন অবিশ্বাস্য ছাড়ে! অফার প্রাইজে বইগুলো অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

সারাদেশে ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি সুবিধা আছে।

©️ সংগৃহীত।
07/09/2026

©️ সংগৃহীত।

Address

38 Bangla Bazar, Sutrapur
Dhaka
1100

Telephone

+8801537537652

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bookiefy - বুকিফাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bookiefy - বুকিফাই:

Shortcuts

Share

Category