Mashhur

Mashhur যেকোনো ধরনের উপহার সামগ্রী ও দৈনন্দি?

📜 খাদি বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য...✳️ নিজেকে একটু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করার ইচ্ছে কার না আছে...✔️ তাই আপনার সেই ইচ্ছেকে প্রাধ...
27/01/2021

📜 খাদি বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য...

✳️ নিজেকে একটু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করার ইচ্ছে কার না আছে...

✔️ তাই আপনার সেই ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিয়ে,
💠 কুমিল্লার সেই বিখ্যাত খাদি কাপড় আপনার কাছে খুব সহজেই পৌঁছে দেয়ার ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস...

↗️ খাদি কাপড় অন্যান্য কাপড়ের তুলনায় খাদির কিছু বিশেষত্ব থাকার কারণে এর গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পেয়েছে দিন দিন...

✅ খাদি কাপড় বেশ আরামদায়ক বলে সব সময় সবরকম আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যায়।
কোনো প্রকার অস্বস্তি বোধ হয় না।

✅ দেখতে খুবই রুচিসম্মত এবং সুদৃশ্য বিধায় এটি যেকোনো বিভিন্ন বিশেষ জায়গা থেকে শুরু করে সব সময় পরিধান করার জন্য ব্যবহার করা যায়।
✔️ যা আপনার রুচিশীলতার পরিচয় বহন করবে প্রতিটি সময়...

✅ খুবই সুনিপুণ ভাবে হাতে বোনা এই কাপড়ে শীতে উষ্ণ এবং গরমে শীতল অনুভূতি দেয়।
✔️ এটি এই কাপড়ের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

✅ খাদি কাপড়ের অনন্য গঠনের জন্য আলাদা নকশার প্রয়োজন হয় না বলেই এটি স্বতন্ত্র।

✅ নিজেকে সাধারণের মাঝে অসাধারণ করে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে খাদি কাপড়ের কোনো তুলনা নেই...

💠 এই পন্যের গুনগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ই আপনাদের সামনে হাজির করেছি, ইন-শা-আল্লাহ নিরাশ হবেন না...

🛍️ তাই আপনিও আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই বিখ্যাত খাদি কাপড়।

📌 সবশেষে জেনে নিই কিছু তথ্য...

💠 কাপড়ঃ কুমিল্লার চান্দীনার পিউর খাদি কাপড়।

📶 কোয়ালিটিঃ প্রিমিয়াম কোয়ালিটি।
কাপড়ের মানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না...

🚹 সাইজঃ ৩৪-৩৬-৩৮-৪০-৪২-৪৪-৪৬-৪৮।
(এছাড়াও যেকোন সাইজের দেয়া যাবে)

🟡🟢🔵 কালারঃ পোস্টে উল্লেখিত কালারগুলো ছাড়া আরোও অনেক কালার সংগ্রহে আছে।

✔️ মূল্য- ১০০০ টাকা

🚚 সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের দেশের যেকোন প্রান্তে পৌঁছে দেয়া হবে...

🔍 আরোও বিস্তারিত তথ্য জানতে কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন...

👤 আসসালামু আলাইকুম দেশবাসী,আশা করছি সবাই ভালো আছেন...🗣️ প্রাচীন লোককথায় কথিত আছে যে,খদ্দর পরে,ভদ্দর লোকে...তার মানে এই ন...
19/01/2021

👤 আসসালামু আলাইকুম দেশবাসী,
আশা করছি সবাই ভালো আছেন...

🗣️ প্রাচীন লোককথায় কথিত আছে যে,
খদ্দর পরে,ভদ্দর লোকে...
তার মানে এই নয় যে,
যে খদ্দর পরে না সে ভদ্দর মানে ভদ্র লোক নয়...
এখানে খদ্দরের গুনগত মানে আর রুচির সাথে তুলনা করতে গিয়ে কথাটি বলা হয়েছে...

💠 খদ্দর হচ্ছে খাদি কাপড়...

📋 আমরা সাধারণত কুমিল্লাকে রসমালাই এর বিখ্যাত জানলেও কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড় সারা দেশ সহ বিশ্বের অনেক জায়গা সমাদৃত সেই প্রাচীন কাল থেকেই...

📜 খাদি বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য,
আর কুমিল্লা তার আতুর ঘর...

✳️ নিজেকে একটু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করার ইচ্ছে কার না আছে...

✔️তাই আপনার সেই ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিয়ে,
💠 কুমিল্লার চান্দিনার সেই বিখ্যাত খাদি কাপড় আপনার কাছে খুব সহজেই পৌঁছে দেয়ার ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস...

↗️ খাদি কাপড় অন্যান্য কাপড়ের তুলনায় খাদির কিছু বিশেষত্ব থাকার কারণে এর গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পেয়েছে দিন দিন...

✅ খাদি কাপড় বেশ আরামদায়ক বলে সব সময় সবরকম আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যায়।
কোনো প্রকার অস্বস্তি বোধ হয় না।

✅ দেখতে খুবই রুচিসম্মত এবং সুদৃশ্য বিধায় এটি যেকোনো বিভিন্ন বিশেষ জায়গা থেকে শুরু করে সব সময় পরিধান করার জন্য ব্যবহার করা যায়।
✔️ যা আপনার রুচিশীলতার পরিচয় বহন করবে প্রতিটি সময়...

✅ খুবই সুনিপুণ ভাবে হাতে বোনা এই কাপড়ে শীতে উষ্ণ এবং গরমে শীতল অনুভূতি দেয়।
✔️ এটি এই কাপড়ের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

✅ খাদি কাপড়ের অনন্য গঠনের জন্য আলাদা নকশার প্রয়োজন হয় না বলেই এটি স্বতন্ত্র।

✅ নিজেকে সাধারণের মাঝে অসাধারণ করে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে খাদি কাপড়ের কোনো তুলনা নেই...

💠 এই পন্যের গুনগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ই আপনাদের সামনে হাজির করেছি, ইন-শা-আল্লাহ নিরাশ হবেন না...

🛍️ তাই আপনিও আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই বিখ্যাত খাদি কাপড়।

📌 সবশেষে জেনে নিই কিছু তথ্য...

💠 কাপড় ও কোয়ালিটিঃ
কুমিল্লার চান্দীনার পিউর খাদি কাপড়।

🚹 সাইজঃ ৩৪-৩৬-৩৮-৪০-৪২-৪৪-৪৬-৪৮।
(এছাড়াও যেকোন সাইজের দেয়া যাবে)

🟡🟢🔵 কালারঃ পোস্টে উল্লেখিত কালারগুলো ছাড়া আরোও অনেক কালার সংগ্রহে আছে।

✔️ মূল্য- ৭০০ টাকা

🚚 সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের দেশের যেকোন প্রান্তে পৌঁছে দেয়া হবে...

🔍 আরোও বিস্তারিত তথ্য জানতে কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন...

আলহামদুলিল্লাহ...কালার কোডেড তাজবীদ কুরআন...📢 প্রি অর্ডার এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন...কালার কোডেড কোরআন।সম্পূর্ণ ৩০ প...
02/07/2020

আলহামদুলিল্লাহ...
কালার কোডেড তাজবীদ কুরআন...

📢 প্রি অর্ডার এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন...
কালার কোডেড কোরআন।
সম্পূর্ণ ৩০ পারা বাংলা অর্থ এবং উচ্চারণ সহ...

💠 কালার কোডেড কুরআন এর সুবিধাঃ

⏩ এখানে তিলাওয়াতের নিয়মগুলি মানে টান,গুন্নাহ এসবকিছু বিভিন্ন রঙ এ কালার করা থাকে প্রতি আয়াতে আয়াতে।
ফলে তিলাওয়াতের সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

⏩ আমরা যারা শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে চাই কিন্তু ভুল হওয়ার ভয়ে আছে,নিয়মগুলো ঠিকমত মনে থাকে না, তাদের জন্য বিশেষ কার্যকরী হবে এই কিতাব।
প্রতি আয়াতে আয়াতে এই কিতাব নিয়ম গুলো দেখিয়ে দিবে নানা রঙের দ্বারা।

⏩ আমরা অনেক সময় কোরান শরীফে কালার কোডের মাধ্যমে শুদ্ধ তিলাওয়াত করার সাথে অর্থও বুঝতে চাই যা এইখানে রয়েছে,ফলে আমরা শুদ্ধ ভাবে তিলাওয়াত করার সাথে সাথে অর্থ বুঝেও পড়তে পারবো।
আশা করছি এই কুরআন দ্বারা অনেকেরই বেশ উপকার হবে।

🔎 Specification:
বাইন্ডিংঃ বোর্ড বাইন্ডিং
পেজঃ গ্লসি আর্ট পেপার
সাইজঃ a4 Page Size
ভেরিয়েন্টঃ হার্ড কভার with লাক্সারি রেক্সিন

📦 আপনার সংগ্রহে রাখার জন্য:
আপনার নাম, ফোন নম্বর, সুন্দরবন কুরিয়ার
ব্রাঞ্চ এর নাম লিখে ইনবক্স করুন।

হাদিয়া: ১৪৫০ টাকা + ডেলিভারি চার্জ

নকশি কাঁথা...হ্যাঁ,নামটা শোনার পর পরই মাথায় আসে আমার গ্রাম-বাংলার মায়েদের হাতে বুনা রঙিন কোনো কাঁথার ছবি...বাংলার লোকসংস...
20/06/2020

নকশি কাঁথা...

হ্যাঁ,নামটা শোনার পর পরই মাথায় আসে আমার গ্রাম-বাংলার মায়েদের হাতে বুনা রঙিন কোনো কাঁথার ছবি...
বাংলার লোকসংস্কৃতি আর গ্রামীণ কুটির শিল্পের একটি বড় জায়গা দখল করে আছে কাঁথা।

আজকে এই নকশি কাঁথারই কিছু জানা-অজানা কথা জানার চেষ্টা করবো এখানে...

নকশি কাঁথা হলো সাধারণ কাঁথার উপর সুই-সূঁচ আর রঙিন সুতো দিয়ে নানা ধরনের নকশা করে বানানো বিশেষ প্রকারের কাঁথা।
নকশি কাঁথা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সেলাই শিল্প এবং অন্যতম প্রাচীন একটি সংস্কৃতি।

বাড়িতে সন্তান জন্ম নেওয়ার সময়ে তার জন্য নতুন কাঁথা তৈরির রেওয়াজ টিকে আছে দীর্ঘদিন ধরে। বাড়িতে বিয়ে কিংবা পার্বণের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথিদের নতুন কাঁথা দিয়ে বরণ করে নেওয়ার চিরাচরিত রেওয়াজ পাওয়া যায় বাংলার কোনো কোনো গ্রামে। বিয়ের পরে মেয়েকে শ্বশুরালয়ে পাঠিয়ে দেওয়ার সময় উপহারের তালিকায় থাকে নকশী কাঁথা।

কাঁথা শব্দটির কোন উৎস স্পষ্টভাবে জানা যায় নি। সঠিকভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হয় কাঁথা শব্দটি পূর্বে উচ্চারিত হত "খেতা" বলে। নিয়াজ জামানের মতে, কাঁথা শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃতি শব্দ "কঁথা" হতে। "কঁথা" শব্দটির বাংলা হলো ত্যানা। বা কাপড়ের টুকরা। বাংলাদেশের অঞ্চলভেদে কাঁথাকে খাতা, খেতা বা কেথা, কেতা নামে অভিহিত হয়। রংপুর অঞ্চলে কাঁথাকে ‘দাগলা’, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর অঞ্চলে ‘গুদুরি’ বলা হয়।

পুরো বাংলার গ্রামে গঞ্জেই প্রচলিত রয়েছে নকশিকাঁথার সংস্কৃতি তবে রাজশাহী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ ও যশোর নকশিকাঁথার জন্য বিখ্যাত।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহারেও দেখা যায় বৈচিত্রপূর্ণ কাঁথার সমাহার। বিহারের 'সুজনী' কাঁথার আছে আন্তর্জাতিক মহলে 'ভৌগলিক স্বীকৃতি'। যদিও একই নামে এবং প্রায় একই ধরনের কাঁথা বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলেও প্রচলিত আছে।

খানিকটা ছিড়ে যাওয়া, পুরাতন হয়ে যাওয়া শাড়ি, লুঙ্গি, ধুতি কিংবা চাদরকেই সাধারণত কাঁথা বানানোতে কাজে লাগানো হয় তবে কাঁথা বানাতে শাড়ির আছে আলাদা কদর। পুরুত্বের দিক থেকে ক্ষেত্রবিশেষে একটি কাঁথায় তিনটি থেকে সাতটি শাড়িও ব্যবহার করা হয়। কাঁথা মিতব্যয়ীতার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
নকশি কাঁথায় থাকে নানান ফোঁড়। যেমন- কাইত্যা ফোঁড়, এক ফুঁইড়া, লিক ফোঁড়, ক্রসস্টিচ, তারা ফোঁড়, কাটা ফোঁড়, বরকা ফোঁড, তেসরি ফোঁড়, বাঁশপাতা ফোঁড়, বৈকা, বোতাম ঘর, হেরিং বোন, চেইন, কাঁথা ফোঁড়, রান ফোঁড়, ডবল রান, তেরছা ফোঁড়,নারকেল পাতা ও নৌকাবিলাস আরো বহু নামের নকশিকাঁথা রয়েছে।

জেনে নিই কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথার নাম ও তার ব্যবহার-

১)লেপকাঁথা: এই কাঁথা শীতকালে লেপের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। এটি অন্যান্য কাঁথার তুলনায় পুরু ও ভারী।
২)দস্তরখান: অতিথিকে খাবার সময় বাসনের নিচে পেতে দেয়া হয়।
৩)সুজনী কাঁথা: বিছানার চাদর হিসেবে এ কাঁথা ব্যবহার করা হয়। নওগাঁ, কুষ্টিয়া ও যশোর এলাকায় এই কাঁথাকে পাড়নী কাঁথা বা নাছনী কাঁথা বলে। অতিথি এলে বসার জন্য এই কাঁথা বিছিয়ে দেয়া হয়।
৪)নকশি থলে: বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে পান-সুপারি বহনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫)আরশীলতা: এটি আয়না ও চিরুনি জড়িয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৬)বর্তন ঢাকনা: অনুষ্ঠানে অভ্যাগতদের খাবার দেয়ার সময় বাসনের আচ্ছাদন বা ঢাকনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৭)গাঁটরি বা বোঁচকা কাঁথা: কাপড় চোপড় বেঁধে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৮)গিলাফ : আল-কুরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় কিতাবের খোল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৯)আসন কাঁথা: হিন্দুদের পূজা-অর্চনা বা বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কনেকে বসতে দেয়া হয় আসন হিসেবে।
১০)রুমাল কাঁথা: এটি রুমাল হিসেবেই ব্যবহার করা হয়।
১১)চাদর কাঁথা : শীতকালে গায়ের চাদর হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

গ্রাম বাংলার নারীদের অনুপম দক্ষতায় কাঁথার জমিনে ফুটে উঠে গাছ, পাখি কিংবা লতাপাতার ছবি। কোনোসময় কাঁথায় উঠে এসেছে দুঃখ আর সুখের কাহিনী, কখনো লন্ঠনের নিভু আলোয় শোনা পুঁথির গল্পই সূচ দিয়ে কাঁথায় ফুটিয়ে তুলেছেন নারীরা।
নকশি কাঁথার নকশাগুলোতে ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতির গভীর প্রভাব রয়েছে।

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

অমর এক আখ্যানের নাম ‘নকশী কাঁথার মাঠ’

"বিয়ের পরে রুপাই আর সাজুর ভালোবাসায় আখ্যান বেশি দূর যেতে পারেনি। ফেরারি হয়ে যায় রুপাই। স্বামীর অপেক্ষায় স্ত্রী সাজু বাকি জীবন নকশী কাঁথা বুনতে শুরু করে, দিন-মাস-বছর যায়। সাজু নকশী কাঁথায় সুঁইয়ের আচড় দিয়ে যায়, কাঁথায় লেখে কত গল্প, রুপাই ফিরে আসে না। সারা জীবন সাজুর এভাবেই কেটে যায়। সাজুর নকশী কাঁথা বোনা যেদিন শেষ হয়ে যায় সেদিন সে মাকে অনুরোধ করে, তার মৃত্যুর পর যেন তার কবরের উপরে নকশী কাঁথাটি বিছিয়ে দেওয়া হয়। বহুদিন পরে নকশী কাঁথার নিচে শুয়ে থাকা সাজুর কবরের পাশে ভিনদেশী বংশীবাদকের মরদেহ পাওয়া যায়।"

"কেহ কেহ নাকি গভীর রাত্রে দেখেছে মাঠের পরে,
মহা-শূন্যেতে উড়াইছে কেবা নকসী কাঁথাটি ধরে,
হাতে তার সেই বাঁশের বাঁশিটি বাজায় করুণ সুরে,
তারি ঢেউ লাগি এ-গাঁও ওগাঁও গহন ব্যথায় ঝুরে।"

('নকশী কাঁথার মাঠ'; জসীম উদদীন)

এভাবেই বাংলার নারীরা স্বামীর বিরহে নকশী কাঁথা বুনেছে, প্রবাসে কিংবা বিদেশ বিভূঁইয়ে আত্মীয় স্বজন কিংবা পরিবার পরিজনের স্মৃতি কাঁথার জমিনে জীবন্ত হয়ে ওঠেছে। কেউ হয়তো স্বজনের কাছে নতুন কাঁথা তুলে দিতে পেরেছে, কেউ রুপাই-সাজুর মতো পারেনি।

নকশী কাঁথার নকশা শুধু কাঁথার জমিনে সুঁইয়ের ফোঁড়ে ফুটিয়ে তোলা নকশাই নয়,
একেকটি নকশী কাঁথার জমিনে লুকিয়ে থাকে গল্প, কখনো ভালোবাসার, কখনো দুঃখের।
বাংলার পথে প্রান্তরে হারিয়ে যাওয়া গল্পকে বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে একেকটি নকশী কাঁথা....






জরুরী জ্ঞাতব্য:আমাদের অনেকের ধারনা ব্লিচিং পাউডারের সাথে যদি ডেটল/স্যাভলন/হ্যাক্সিসল বা হারপিক মিশাই অথবা একই জায়গায় একস...
08/06/2020

জরুরী জ্ঞাতব্য:
আমাদের অনেকের ধারনা ব্লিচিং পাউডারের সাথে যদি ডেটল/স্যাভলন/হ্যাক্সিসল বা হারপিক মিশাই অথবা একই জায়গায় একসাথে দু'টো ব্যবহার করি তাহলে মনেহয় কার্যকারিতা বাড়বে!জীবানু বেশী মরবে! আসলেও কী তাই?

করোনাকালীন সময়ে ব্লিচিং পাউডার (ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট) সবচেয়ে পরিচিত এবং সহজলভ্য জীবানুনাশক। কিন্তু অনেকের মনে হতে পারে, ব্লিচিং পাউডারের সাথে অন্য যেকোন পরিষ্কারক (ডেটল, স্যাভলন, হ্যাক্সিজল, হারপিক) কিংবা জীবানুনাশক (স্যানিটাইজার) মিশিয়ে নিলে এর শক্তি বাড়তে পারে। হয়ত আরো বেশি জীবানু ধ্বংস হবে। এই ক্রান্তিলগ্নে এটা একেবারেই স্বাভাবিক একটি চিন্তা।

কিন্তু না!
এটা করবেন না!
ভাবছেন কী এমন হবে?

ব্লিচিং পাউডারের সাথে যে কোন পরিষ্কারক বা জীবানুনাশক মেশালে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস উৎপন্ন হয়। আর ক্লোরিন গ্যাস যা মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই চোখ, ন্যাজাল প্যাসাজ (নাক) এবং ফুসফুসকে মারত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

কেউ যদি মাত্র ৩০ সেকেন্ডও এই গ্যাস নিশ্বাসের সাথে গ্রহণ করে তবে তার ফুসফুস স্বাভাবিক হতে ৭-৮ ঘন্টা সময় লাগবে। এই বিষাক্ত গ্যাস ফুসফুসে ঢোকার সাথে ফুসফুস মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অক্সিজেন নেয়া বন্ধ করে দিবে। এমনকি বদ্ধ ওয়াশরুমে এই বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

ব্লিচিং এর সাথে ভিনেগারও (সিরকা) মেশানো যাবেনা।

এখানে স্বল্প পরিসরে কয়েকটি বিক্রিয়া ও তার মানব শরীরে ক্ষতিকর রুপ উল্লেখ করছি -

১। ব্লিচিং পাউডার + সেনিটাইজার (Rubbing alcohol) = বিষাক্ত ক্লোরোফরম

২। ব্লিচিং পাউডার + ভিনেগার = বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস

৩। ব্লিচিং পাউডার + গ্লাস ক্লিনার (Ammonia) = ক্লোরো-অ্যামিন ( যার জন্য শ্বাসকষ্ট ও বুকব্যথা হতে পারে)

৪। হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড + ভিনেগার = পার-অক্সি-এসিটিক এসিড (ক্ষয়কারক)

৫। ব্লিচিং পাউডার + হারপিক = বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস

কোন রাসায়নিক দ্রব্যাদিকেই সাধারণভাবে নেওয়া যাবেনা। না জেনে করা ছোট কোনকিছু থেকেই ঘটে যেতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা।

এমন কি খোদ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারেও সতর্ক হতে হবে,এটিও মানব ত্বকের জন্য উপযোগী নয়।পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অনুপাত আবেগে না বাড়িয়ে দিয়ে বিজ্ঞান সম্মত ব্যবহার কাম্য।

*আমাদের পেজের সাথে যুক্ত কোনো রসায়নবিদ,সাস্থবিদ,এ বিষয়ে আরো যৌক্তিক তথ্য সংযুক্ত অথবা যা বলা হয়েছে তা ঠিকঠাক আছে কিনা তা মন্তব্যে দিলে আমরা আরো উপকৃত হতাম।

আসুন নিজে সতর্ক হই, যথাসম্ভব অন্যকে সতর্ক করি। অজ্ঞতায় এক বিপদ দূরকরতে নতুন বিপদ না বাড়াই।

পোস্ট কৃতিত্ব: জনাব, Abdul Hi Muhammad Saifullah





ভয়ঙ্কর ঘাতক গাছ...এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :গাছটি খুব পরিচিত।অফিস, স্কুল বা বাড়িতে শখ করে লাগানো এই পাতাবাহারটি যে আদতে কি ভয়ঙ্...
30/11/2019

ভয়ঙ্কর ঘাতক গাছ...

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :

গাছটি খুব পরিচিত।
অফিস, স্কুল বা বাড়িতে শখ করে লাগানো এই পাতাবাহারটি যে আদতে কি ভয়ঙ্কর, তা আমরা ঘুণাক্ষরেও টের পাই না! এই গাছটির কারণে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন আপনি,এমনকি মারাও যেতে পারেন!

বাড়িতে পাতাবাহার জাতীয় গাছ রাখতে ভালোবাসেন অনেকেই। তবে গাছ রাখার আগে অবশ্যই জেনে নেওয়া প্রয়োজন গাছটি আমাদের কোনো ক্ষতি করতে সক্ষম কি না। বিশেষ করে বাসায় ছোট শিশু থাকলে অবশ্যই সাবধান হওয়া প্রয়োজন।

এই যে গাছটির ছবি দেখছেন, তার পোশাকি নাম হলো Dieffenbac hia
এবং অফিস আদালতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বারান্দা বা করিডোরে,
এমনকি বাসাবাড়ির বারান্দাতেও একে দেখা যায়। সুন্দর এই গাছটি যে আসলে আমাদের ক্ষতি করতে সক্ষম তা আমরা কেউই জানি না।

একজন অভিভাবকের পরামর্শ হচ্ছে এটি,
যে বাড়িতে ছোট বাচ্চা থাকলে আপনার উচিত হবে এদের ব্যাপারে জেনে নিয়েই এসব গাছকে বাসায় রাখা। কারণ তার ৩ বছর বয়সী কন্যাশিশু ভুল করে এই গাছের একটি পাতা গিলে ফেলে। এতে তার জিহ্বা ফুলে যায় এবং তার মৃত্যু ঘটে। সামান্য অসাবধানে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে আপনার জীবনেও।

খুব সুন্দর একটি পাতাবাহার। এটাকে বাসায় রাখা তো উচিতই নয়, তার পাশাপাশি বাইরেও এই গাছ দেখলে বাচ্চাদেরকে এর কাছাকাছি যেতে দেবেন না। এর প্রভাব এতই খারাপ, যে এর যে কোনো অংশ খাওয়ার এক মিনিটের মাথায় একটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যু হতে পারে ১৫ মিনিটের মাঝে। এমনকি এই গাছ হাত দিয়ে ধরলে এবং এই হাত চোখে গেলে অন্ধত্বের সম্ভাবনা থাকে।

এই গাছ যদি আপনার ঘর বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাতে না চান বা সরানো সম্ভব নাও হয়, তাহলে এর চারপাশে বেড়া অথবা গ্রিল দিয়ে রাখুন যাতে বাচ্চারা এর পাতার নাগাল না পায়। এতে দুর্ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হবে।

লিখেছেন-
খায়রুন নাহার
স্নাতকোত্তর (শেষ বর্ষ)
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

মূল রেফারেন্স:
১) mrhealthylife.com- his-plant-in-the-home-can-kill-a-child-in-less-than-a-minute-and-an-adult-in-15-minutes
২) Toxicity of dieffenbachia-
৩) Dieffenbachia poisoning- Medline plus




"দেয়াল সজ্জা"আমাদের সবার কাছে সবচেয়ে প্রিয় জায়গায়াটি হলো আমাদের ঘর...ঘর মানেই নিজের একান্ত একটা জায়গা যেখানে দিন শেষে এক...
15/11/2019

"দেয়াল সজ্জা"

আমাদের সবার কাছে সবচেয়ে প্রিয় জায়গায়াটি হলো আমাদের ঘর...
ঘর মানেই নিজের একান্ত একটা জায়গা যেখানে দিন শেষে একটু স্বস্তিতে সময় কাটানো যায়।
কমবেশি সব মানুষই চায় তার ঘরটাকে একটু নিজের মতন করে সাজাতে-গুছাতে।
ঘরের একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অংশ হলো দেয়াল। এ ক্ষেত্রে ঘরের দেয়াল হতে পারে চমৎকার একটি স্থান।
দেয়াল যেহেতু ঘরের একটা বিশেষ স্থান দখল করে আছে, ঘর সাজানোর সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।
খুব সহজেই আমরা আমাদের ঘরের দেয়াল সাজিয়ে তুলতে পারি।
যা ঘরকে আরও আকর্ষণীয় তো করে তুলবে।
কিন্তু,
দেয়াল শব্দটা মনে পড়লেই যেন কোন প্রতিবন্ধকতাকেই ইঙ্গিত করে।
কিন্তু এ দেয়াল সবসময় প্রতিবন্ধক নয়। অতীতকালের নানা ঘটনা, শিল্প-সাহিত্য-কলা’র ইতিহাসের স্বাক্ষ্য বহন করে।
তাছাড়া সুন্দর একটি ঘর কিন্তু আপনার রুচিশীল মনেরই বহিঃপ্রকাশ,
ঘরের চার দেয়াল আপনার সুন্দর রুচিশীলতার স্বাক্ষর বহন করবে যুগের পর যুগ...

বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে দেয়াল সাজানো সম্ভব।
সেগুলো হতে পারে,
ওয়ালমেট, ফটোফ্রেম, ওয়াল পেপার, ওয়াল স্টীকার, দেয়াল লিখন, ওয়াল ডেকোরেশন হ্যাঙ্গার, সুইচ স্টীকার, ফুলদানি, অর্কিড প্লান্ট ইত্যাদি।

দেয়ালসজ্জার নানা উপকরণের ব্যবহার হয়ে আসছে বহু কাল ধরেই।
যেমন - ছবি, আয়না, কাপড়, কাগজ, কাঠ, সুতা, দড়ি, ফুল, লতাপাতা, ঝিনুক, শামুক, পালক এমনকি নকশী কাঁথাও দেয়াল সাজানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। মোটকথা, শৌখিন ও শৈল্পিক জিনিস দিয়ে তৈরি দেয়ালসজ্জাই ঘরের পরিবেশ বদলে দেয় অনেকখানি।

প্রথমে আসা যাক পেইন্টিং এর কথায়।
ঘরের দেওয়াদের সৌন্দর্য এক মুহূর্তে বাড়িয়ে দিতে পারে একটি সুন্দর পেইন্টিং। সব ঘরের জন্য সব ধরনের পেইন্টিং মানানসই নয়।
যেমন - বসার ঘরে প্রাকৃতিক দৃশ্য, ঐতিহাসিক জায়গার বা ঘটনার ছবি, সূচিনকশা, বিমূর্ত চিত্র ইত্যাদি।
খাবার ঘরে ফুল-ফলের ছবি,
শোবার ঘরে প্রাকৃতিক দৃশ্য, ফুলের ছবি ইত্যাদি দেয়াল সজ্জা হিসেবে রাখতে পারেন।

এরপর ওয়াল পেপার,
আজকাল ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ওয়াল পেপারের তুলনা নেই। অনেকেই এখন তাদের পুরো ঘর জুড়ে ওয়াল পেপার ব্যবহার করেন।

গাছ,
আপনি রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরনের অর্কিড থেকে শুরু করে ইনডোর প্লান্ট সবকিছুই। ঝুলন্ত টব ছাড়াও হ্যাংগিং স্ট্যান্ড লাগিয়ে সেখানে সাধারণ টব দিযে ঘর সাজাতে পারেন।

ওয়াল স্টিকার,
ওয়াল স্টীকার আকারে ওয়াল পেপারের চেয়ে একটু ছোট। দেয়ালের নির্দিষ্ট যায়গায় লাগানো হয়। লতা-গুল্ম, ফুল-ফল, প্রকৃতির নানা দৃশ্য এতে ছাপানো থাকে।

শৌখিন সামগ্রী...
বর্তমানে দেয়ালে ব্যবহৃত হচ্ছে সুন্দর সুন্দর শৌখিন ঘড়ি এবং আয়না...
এক্ষেত্রে অভিজাত নকশা করা ঘড়ি আর আয়না রয়েছে সবার পছন্দের শীর্ষে।
বর্তমানে অনেকেই টেরাকোটা ব্যবহার করছেন।
মাটির তৈরী এই নকশা শৌখিনতার পরিচয় বহন করে।
অনেকেই নকশীকাঁথা ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেয়ালে টানিয়ে রাখছে। তাছাড়া, দেয়ালের ঝোলানো কাঠের শো-কেস কিংবা কাঠের ফ্রেম পাওয়া যায়, যার উপরে ছোট ছোট শো-পিস বাসার চেহারা পাল্টে দিতে পারে।
তবে,
যে দেয়াল সাজানো হবে সে দেয়ালে যথেষ্ট পরিমাণে আলোর ব্যবস্থা রাখা উচিত এবং দেয়াল সাজানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যেন ঘরের আসবাবপত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়...

ধন্যবাদ...



"দাগ লেগে গেলে"প্রতিদিন অসাবধানতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমাদের কাপড়ে, পর্দায়, বালিশের কাভার কিংবা বিছানার চাদরের বিভিন্ন...
26/10/2019

"দাগ লেগে গেলে"

প্রতিদিন অসাবধানতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমাদের কাপড়ে, পর্দায়, বালিশের কাভার কিংবা বিছানার চাদরের বিভিন্ন কিছুর দাগ লেগে যায়।
এতে করে আমার নানা রকম বিরম্বনায় পড়তে হয়।
😥😥😥
মাঝে মাঝে তো প্রিয় শখের কিছু জিনিস বিসর্জনও দিয়ে দিতে হয় এই সামান্য দাগের জন্য!
😕😕😕
তাই আজকে "মাশহুর" এর পক্ষ থেকে সেই দাগ যাতে সহজেই তোলায় সেটার জন্য থাকছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ যা আপনার জন্য বেশ উপকারী হবে...
😊😊😊

☕ চা কিংবা কফির দাগ-
চা কিংবা কফির দাগ বসে গেলে কাপড়টাকে বোরিক পাউডার এবং গরম পানির মধ্যে চুবিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এছাড়াও হলে হলে ভিনেগার দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেললেও দাগ চলে যাবে।

🕳 ভেজা কাদার দাগ-
কাদার দাগ তোলার তোলার জন্য সেদ্ধ আলুর খোসা বেশ দিয়ে ভালো করে ঘষলে দেখা যাবে দাগ অদৃশ্য হয়ে গেছে।

✒ জামায় বা শার্টে বলপেনের কালি লাগলে-
সেখানে প্রথমে স্পিরিট দিয়ে ঘষে পরে স্পঞ্জ দুধ দিয়ে ঘষলে দাগ চলে যাবে।
যদি সাদা কাপড় হয় তবে প্রথমে লেবু দিয়ে ভিজিয়ে রেখে সাবধানে ধুয়ে ফেলতে হবে।

〽 হলুদের দাগ-
যেখানে হলুদ লেগেছে সেকাখে ভালো করে লেবু দিয়ে ঘষে শুকাতে দিতে হবে। পরে শুকিয়ে গেলে কাপড় ভালোভাবে ধুয়ে ফেললেই দাগ চলে যাবে।

🛢 তেল লেগে গেলে-
তেল লেগে গেলে প্রথমে সেই জায়াগায়
টেলকম পাউডার ছড়িয়ে দিয়ে মিনিট দশেকের মতো রাখতে হবে। পরে নরম কাপড় পানিতে ভিজিয়ে সবান/ডিটারজেন্ট দিয়ে হালকা ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

💄লিপস্টিক এর দাগ-
লিপস্টিকের দাগ লাগলে সেই জায়গাটা স্পিরিটে ভিজিয়ে রাখলে দাগ উঠে যাবে।

😥 ঘামের দাগ-
ঘামের দাগ দূর করতে শ্যাম্পু অনেক কার্যকর ভূমিকা পালন করে। হালকা গরম পানিতে শ্যাম্পু দিয়ে ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে ঘামের দাগ দূর হয়ে যাবে।
শার্টের কলারের হলদে বা কালচে হয়ে যাওয়া অংশেও শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কার করলে তেল চিটচিটে ময়লা ও দাগ চলে যাবে।

🔗 মরিচার দাগ-
কাপড়ে অনেক সময় মরিচার দাগ লাগে সেক্ষেত্রে,প্রথমে লেবুর রস দিয়ে জায়গাটায় ঘষে সেখানে কিছুটা খাবার সোডা বা লবণ ছড়িয়ে রোদে শুকাতে হবে। পরে সাবান ও হালকা গরম পানি দিয়ে ধুলে দাগ চলে যাবে।

🎨 রঙের দাগ-
ছবি আকাঁর সময় জামায় দাগ লাগলে টুথব্রাশ ফিনাইলে ডুবিয়ে দাগ লাগা জায়গায় ঘষলে দাগ মুছে যাবে।

🌱 ঘাসের রঙ-
ঘাসের রঙ প্যান্টে লাগলে সেখানে টুথপেস্ট ব্রাশে লাগিয়ে ঘষলে ভালোভাবে সেই দাগ দূর হয়ে যাবে

◼আলকাতরার দাগ-
আলকাতরার দাগ তুলতে দাগের জায়গায় খানিকটা কেরোসিন ঘষে লাগানোর পরে শুকিয়ে সাবান দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে।

আশাকরি তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে...

ধন্যবাদ...




24/10/2019


Address

Love Road, Tejgoan
Dhaka
1215

Telephone

+8801609848004

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mashhur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mashhur:

Share