Abrar Fahad Shop

Abrar Fahad Shop Way to Sunnah

29/04/2024

[ একটু আগে দেওয়া পোস্টটা ফেইসবুক নিজ থেকে ডিলেট করে দিয়েছে কোনো ধরণের নোটফিকেশন ছাড়াই৷ ওরা মনে হয় বুঝতে পেরেছে এই অ্যাপ ব্যবহার করলে ওদের অ্যাড আর হারাম কন্টেন্ট কনজিউমার কমে যাবে—তাই। সরাসরি পোস্টে লিঙ্কটা দিলাম না৷ আগের মতো কমেন্টে দিলাম সব। ]

কোনো সন্দেহ নেই যে—ফিতনা-কালের চরম উর্বর সময়টা অতিক্রম করছি আমরা। চারপাশে হারামের এতো এতো ছড়াছড়ি যে, হাজার চেষ্টা করেও যেন এসব থেকে নিষ্কৃতি মিলানো সেরকম দুষ্কর, হাদিসের ভাষায় যেরকম দুষ্কর বলা হয়েছিল হাতের তালুতে আগুনের কয়লা ধরে রাখার বিষয়টাকে। ফিতনা এখন হাতের মুঠোয়—ফোন খুললেই যেন হুড়মুড় করে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে চোখের সামনে।

ফিতনার এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে আমাদের চেষ্টারও অন্ত নেই। আমরা মোবাইল কম ব্যবহার করি, হারাম কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকি, হারাম ছড়ায় এমন ব্যক্তি থেকেও রাখি নিরাপদ দূরত্ব। কিন্তু, এতোসব চেষ্টা তদবিরের পরও কি আমরা আদৌ নিরাপদ? আদৌ কি আমরা সকল হারাম কন্টেন্ট আর তার নির্মাতাদের এড়িয়ে যেতে পারি?

সেটা সম্ভব হয় না, কারণ এসব হারাম যারা বানায় আর যারা ছড়ায়, তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত এসবের সাথে। সুতরাং আমি আর আপনি দেখতে না চাইলেও আমাদের টাইমলাইনে, আমাদের ভিডিওর মধ্যে, আমাদের পড়তে থাকা আর্টিকেলের মধ্যে তারা কখনো ‘সাজেশান’ অথবা কখনো ‘পুশ’ নোটিফিকেশন আকারে সেসব হারাম কন্টেন্ট আর তার উৎসকে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়।


স্ক্রীনের এই হারাম দেখা থেকে বাঁচার দুটো উপায় হতে পারে। প্রথম উপায়—স্মার্টফোন ব্যবহারটাই বাদ দেওয়া। কিন্তু আমরা জানি, স্মার্টফোন বর্তমানে আমাদের জীবনের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে, এটাকে বাদ দিয়ে কাজ আর জীবনকে অনেকপর্যায়ে কল্পনাও করা যায় না ।

দ্বিতীয় উপায় হলো—এমন কোনো প্রযুক্তির দ্বারস্থ হওয়া যারা আমার সামনে আসা হারাম জিনিসগুলোকে আটকে দেবে।
কিন্তু, মুসলিম-ফ্রেণ্ডলি এই প্রযুক্তি কোথায় পাবেন আপনি, তাই তো?

আপনার জন্য সেরকম একটা প্রযুক্তি নিয়েই হাজির হয়েছে কাহাফ গার্ড।

কাহাফ গার্ড অ্যাপটা ডাউনলোড করে যদি আপনি ফোনে কানেক্ট করে রাখেন, তাহলে এর DNS সিস্টেম ভার্চুয়াল জগতের মিলিয়ন মিলিয়ন হারাম কন্টেন্ট আপনার সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

অর্থাৎ, আপনি যখন কোনোকিছু সার্চ দেন ইউটিউব অথবা গুগলে, তখন সাজেশানে এমন অনেক ভিডিও বা ওয়েবসাইট অথবা আর্টিকেল লিঙ্ক চলে আসা যার মধ্যে হারাম কন্টেন্ট বিদ্যমান। কাহাফ গার্ড সেসমস্ত হারাম উৎসগুলোকে আপনার সামনে আসতে দিবে না।

কাহাফ গার্ড আরো যেসব সুবিধা আপনাকে দেবে:

০১. কোনো ধরণের হারাম বিজ্ঞাপন আপনার সামনে শো করবে না। আর, বিজ্ঞাপন ব্যতীত যেকোনো ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হয় । ফলে, আপনার জন্য যেকোনো সাইটে এক্সেস নেওয়া আগের চাইতে সহজতর হবে।

০২. ৫.৫ মিলিয়ন হারাম ওয়েবসাইট আপনার সামনে আসা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বাই ডিফল্ট। ফলে, গুগল বা অন্যান্য ব্রাউজার আমাদের সামনে রেগুলার বেইসিসে যেসব হারাম ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট শো করতো, সেসবের অধিকাংশই আর আসতে পারবে না।

০৩. ইসলামের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ায় বা ইসলামবিদ্বেষ প্রচার করে এমন এন্টি-ইসলামিক ওয়েবসাইটগুলোকে কাহাফ গার্ড ব্লক করে দেবে।

০৪. পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইট, অশ্লীল ওয়েবসাইট, জুয়া বা প্রতারণা টাইপ ওয়েবসাইট, ফিশিং বা ড্রাগ ওয়েবসাইট সহ যাবতীয় হারাম ওয়েবসাইট ব্লক করে দেবে এই কাহাফ গার্ড।

০৫. গুগল/Bing এ দিবে সেইফ সার্চ নিশ্চয়তা যা অশ্লীল কন্টেন্ট সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

০৬. ইউটিউবে অ্যাডাল্ট বা অশ্লীল ভিডিও ব্লক করবে।


মোস্ট ইন্টারেস্টিংলি, কাহাফ গার্ড অ্যাপ একদম ফ্রি এবং অ্যাড মুক্ত অ্যাপ । শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নিরাপদ এবং হারাম মুক্ত ইন্টারনেট নিশ্চিত করাই এই প্রজেক্টের একমাত্র লক্ষ্য।

কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কগুলো থেকে Kahf Guard অ্যাপটা নামিয়ে নিন। অথবা, প্লে-স্টোর/অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Kahf Guard লিখলেই পেয়ে যাবেন অ্যাপটি।


কাহাফ গার্ড ব্যবহার করুন এবং দূরে থাকুন ইন্টারনেটের যাবতীয় হারাম কন্টেন্ট থেকে । নিজে ব্যবহার করুন, সাথে নিজের পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সহ সকলকে কাহাফ গার্ড ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করুন ।

আলহামদুলিল্লাহ, এতোবড় এই প্রজেক্টে আমার খুব ক্ষুদ্র আকারে হলেও কন্ট্রিবিউশান থাকছে—সেটাই মহা আনন্দের।
আমাদের ইন্টারনেট হোক অশ্লীলতা মুক্ত 💚
#আরিফ আজাদ ভাই

৬ অক্টোবর ২০১৯।রাত  ৮.১৩।বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১  নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিমসহ তিনজন এসে তা...
03/04/2024

৬ অক্টোবর ২০১৯।
রাত ৮.১৩।
বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১ নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিমসহ তিনজন এসে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে।
-- বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে। ২০১১ তে আয়।
-- কেনো?
-- গেলেই দেখতে পাবি।
-- কখন যাওয়া লাগবে?
-- এখনই। তোর ল্যাপটপ এটা?
-- হ্যাঁ।
-- মোবাইলটাও দে।
--কেনো?
-- দিতে বলছি তাই দিবি। ভাইরা বলছে।
মোবাইল, ল্যাপটপ এবং ছেলেটাকে নিয়ে তারা রওনা দিলো ২০১১ নাম্বার রুমের উদ্দেশ্যে। এই ছেলেটা কোন সাধারণ ছেলে ছিলো না। বুয়েটের EEE বিভাগে ২০১৮ সালে ভর্তি হওয়া এই ছেলের নাম আবরার ফাহাদ রাব্বি। অসাধারণ মেধাবী এই ছেলে ঢাবি 'ক ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষায় ১৩ তম হয়েছিলো। চান্স পেয়েছিলো ঢাকা মেডিকেলেও। বড় ভাইদের ডাকে ২০১১ নাম্বার রুমের দিকে পা বাড়ানো আববার তখনো জানতো না, "অনন্ত মহাকালে এই যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে"।

আবরারের অপরাধ ছিল তাদের চোখে মারাত্মক! ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছে সে। আবরারেরই রুমমেট মিজানের সন্দেহ, "আবরার শিবির করে।" তাই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আজ এই আয়োজন। কক্ষে ঢোকার পরই মোবাইল আর ল্যাপটপ চেক করা শুরু করে তারা। তেমন কোন প্রমাণ না পেয়ে রুমে থাকা রবিন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
-- এদিকে আয়। চশমা খোল।
আবরার চশমা খোলার পর রবিন প্রচন্ড জোরে তার গালে কয়েকটি চড় মারে। হাত দিয়ে গাল চেপে বসে পড়ে আবরার। এরই মধ্যে মোরশেদ কাঠের তৈরি শক্ত ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। ইফতি প্রথমে রবিনের মতোই গায়ের জোরে থাপ্পড় মারে আবরারকে। এরপর হাতে তুলে নেয় ক্রিকেট স্ট্যাম্প। পিঠে, পায়ে, পায়ের তালুতে, হাতে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে। প্রচণ্ড শক্তিতে মারার কারণে কয়েক বাড়ি দেওয়ার পরই স্ট্যাম্প ভেঙে দুই টুকরা হয়ে যায়। আবরার ততক্ষণে চিৎকার দিতে দিতে লুটিয়ে পড়েছে মেঝেতে। সেই চিৎকার শুনে আশেপাশের রুমের জানালা ভয়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এহতেসামুল, রাব্বি ও তানিম আরেকটি নতুন স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। এবার অনিক স্ট্যাম্প হাতে তুলে নেয়। একাধারে মাটিতে লুটিয়ে থাকা আবরারের সারা শরীরে আঘাত করতে থাকে। প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আঘাত করে অনিক নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মেঝেতে পড়ে কাতরাতে থাকে আবরারের শরীর। সঙ্গে সঙ্গে মুজাহিদ ও শামিম স্কিপিং রোপ (মোটা দড়ি) দিয়ে মারতে শুরু করে। আবরার তখন বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে কিন্তু তাতে কারো মন গলেনি। কারো মধ্যেই মনুষ্যত্ব ফিরে আসেনি। বরং জীয়ন এগিয়ে এসে অনিক থেকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে।

রাত সাড়ে দশটা। অমানুষিক মার খেয়ে মেঝেতে লুটিয়ে গোঙাতে থাকে আবরার। ইফতি ধমক দিয়ে টেনে দাঁড় করায়। তারপর সর্বশক্তিতে কয়েকটি চড় মারে। এরপর আবার স্ট্যাম্প দিয়ে পেটাতে থাকে।

রাত এগারোটা। ২০১১ নাম্বার কক্ষে এসে হাজির হয় এস এম মাহমুদ সেতু। এসেই সবাইকে জিজ্ঞেস করলো,
-- কি অবস্থা? কিছু বাইর হইছে?
-- না, কোন কিছু বলতেছে না।
-- মারতে থাক।
সেতুর নির্দেশে আবরারকে আবার ক্রিকেট স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ দিয়ে মারা শুরু হয়। ইফতি ও অনিক আবরারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে। হাতের কনুই দিয়ে পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করে। উৎসাহিত হয়ে তখন সবাই মিলে প্রচন্ড শক্তিতে আবরারকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি চড়-থাপ্পড়, লাথি মারতে থাকেন। আবরারের কুঁকড়ে যাওয়া শরীর থেকে তখন শুধু গোঙানি শোনা যাচ্ছিলো।

রাত সাড়ে এগারোটা। কিছুক্ষণের জন্য রুম থেকে বের হওয়ার আগে অনিক ও রবিন অন্যদের বলে যায়,
-- তোরা অর কাছ থেকে যেমনেই হোক তথ্য বের কর।
এবার মনির ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করে। তাবাখখারুল, নাজমুস সাদাত, তানিম, জেমি আবরারকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। বাইরে থেকে আবার রুমে ঢুকে অনিক হাতে ক্রিকেট স্ট্যাম্প তুলে নেয়। এরপর আবরারকে প্রচন্ড জোরে একটানা আরও ৪০ থেকে ৫০টি আঘাত করে। মুমূর্ষু আবরার তখন বমি ও প্রস্রাব করে ফেলে। ব্যথায় চিৎকার করার মতো শক্তিও অবশিষ্ট নেই। বাঁচার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে কাকুতি-মিনতি করে। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। শ্বাসকষ্ট দেখে ইফতি আবরারের মাথার নীচে বালিশ দেয়। পরপর আরো কয়েকবার বমি করে আববার। এমন অবস্থায় আবরারকে হলের বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। ধুয়ে মুছে জামা কাপড় বদলানো হয়।

রাত সাড়ে বারোটা। ইফতি ও মেহেদীর নির্দেশে আবরারকে ধরাধরি করে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়। ইফতি মোশাররফ হলের মেস বয় জাহিদ হাসানকে ডেকে আসে। ২০১১ নম্বর রুমে আবরারের বমি তাকে দিয়ে পরিষ্কার করানো হয়।
২০০৫ নম্বর কক্ষে আনার পর ইফতি বলে,
-- তোরা এবার অর থেকে তথ্য বাইর কর। বুয়েটে কে কে শিবির করে বাইর কর।
দুই-একজন আবরারের মুমূর্ষু অবস্থা দেখে ভয়ে ভয়ে বললো,
-- ভাই, অবস্থা বেশ খারাপ। হাসপাতালে নেওয়া দরকার।
এই কথা শোনার পর রবিন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন।
-- যা বলছি তাই কর। এইগুলি সব নাটক। ভং ধরছে। তোরা শিবির চেনস না। শিবির চেনা কষ্ট।

রবিনের রেগে ওঠা দেখে সবাই ভয়ে জলদি আবরারকে আবার ইন্টারোগেট শুরু করে। কিন্তু আবরারের মুখ থেকে কোন শব্দ আসে না। নিশ্চল, নিস্তেজ পড়ে থাকা দেহ কোন সাড়া না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আরেক দফা পেটানো শুরু হয়।

রাত দুইটা। সিদ্ধান্ত হয় আবরারকে হল থেকে বের করে পুলিশে দেওয়া হবে। মেহেদী চকবাজার থানা পুলিশকে ফোন দেয়, "হলে একটা শিবির ধরা পড়েছে। এসে নিয়ে যান।" চকবাজার থানা পুলিশ একটা টহল দল পাঠায় শেরে বাংলা হলের গেইটে। কিন্তু দেরী হওয়ায় গেইট থেকে পুলিশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

রাত আড়াইটা। ইফতি, মুজাহিদ, তাবাখখারুল ও তোহা মিলে নিশ্চল আবরারকে তোশকে করে হলের দোতালার সিঁড়িতে এনে রেখে দেয়। সিঁড়ির লাইটের আলোয় আবরারের খালি গায়ে তখন স্পষ্ট কালো কালো দাগ। সারা শরীরে স্ট্যাম্পের বাড়ির কারণে কালশিটে পড়ে আছে। চোখ বন্ধ। তবে চেহারায় কোন যন্ত্রণার ছাপ নেই। বরং সেখানে প্রশান্তির চিহ্ন। নিষ্ঠুর অমানুষদের এই পৃথিবী ছেড়ে স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার প্রশান্তি।

রাত তিনটা। খুনীরা বুয়েটের চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনে। চিকিৎসক আবরারের দেহ পরীক্ষা করে ঘোষণা দেন সে মারা গেছে। তড়িঘড়ি করে ক্রিকেট স্ট্যাম্প, তোষক, বালিশ, আবরারের ল্যাপটপ, চাপাতি হলের ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ এর কক্ষে নিয়ে রেখে দেওয়া হয়। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রাসেল আবরারের মৃতদেহ হলের নিচে নামানোর পর তড়িঘড়ি করে সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য বুয়েটের চিকিৎসককে চাপ দেন। খুনীরা সিদ্ধান্ত নেয় আবরারের লাশ গুম করে ফেলা হবে। কিন্তু ততক্ষণে কিছু শিক্ষার্থী দেখে ফেলায় তার নতুন পরিকল্পনা করে। আবরারের লাশের সাথে কিছু মাদক দিয়ে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার নাটক সাজানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আবরারের সহপাঠীদের দৃঢ়তায় সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

৭ অক্টোবর ২০১৯। ভোরের আলো ফোটার আগেই বুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপহার পায় এক সতেজ তাজা লাশ। পাঁচ ঘন্টা অমানুষিক নির্যাতনে মৃত ফর্সা শরীরটার সবখানে শুধু লাল আর কালোর মিশ্রণ। দেশের পক্ষে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস আবরার ফাহাদ রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্ত মহাকাশের পথে।

***

লেখা- মারুফ হাসান,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

20/03/2023
15/03/2023

যে ব্যক্তি ধৈর্যধারন করতে পারবে,সে কখনো সফলতা থেকে বঞ্চিত হবেনা।হয়তবা সফল হওয়ার জন্য তার একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
হযরত আলী (রাঃ)

Address

Shop-3/1, Eastern Plaza, Hatirpool
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar Fahad Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abrar Fahad Shop:

Share