Deen Over Dunya

Deen Over Dunya Deen is our brand and Sunnah is our Fashion.
(317)

Deen Over Dunya পেইজ আপনাদের জন্য প্রিমিয়াম কোয়ালিটির বেস্ট ক্যাটাগরির দুবাই চেরী , দুবাই নিধা , মালশিয়ান সফট বি এম ডাব্লিউ কাপড় এবং চায়না সফট লিলেন প্রিন্টের খিমার সহ মুসলিমাহ্ বোনদের পর্দার সকল যাবতীয় আইটেম সেল করে থাকি।
গত 08 অক্টোবর আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমরা সাফল্যের সাথে আমাদের পেইজের এক বছর পার করেছি এবং বাংলাদেশের খুব কম পেইজে ই সামান্য এই সময়ে এমন রেকর্ড পরিমান রিভিউ যা 1000+ ফাইভ স্টার রিকমে

ন্ড
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমাদের প্রধান শক্তি ও সাপোর্ট হচ্ছে আমাদের কাস্টোমার গনেরা যাদের 90% ই আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমাদের রিপিট & রেগুলার কাস্টোমার।
আপনাদের সকলকে আমরা আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমাদের পেইজে ঢুকে আমাদের পেইজ ভিসিট করার এবং অবশ্যই রিভিউ ও কমিউনিটি/ ভিজিটর পোস্ট গুলো চেক করার।
সাথে পেইজের প্রতিটা পোস্টের কমেন্টেও একেক রিপিট কাস্টোমারদের অভিজ্ঞতা সহ কমেন্ট ত আছেই আলহামদুলিল্লাহ্‌�

ছোট্ট ওয়াফা তার স্কুলের প্রথম দিনের আনন্দটুকু উপভোগ করার সুযোগ পেল না। গতকাল ভর্তি হয়ে আজ বাবার সাথে বই-খাতা পেন্সিল কি...
08/09/2026

ছোট্ট ওয়াফা তার স্কুলের প্রথম দিনের আনন্দটুকু উপভোগ করার সুযোগ পেল না। গতকাল ভর্তি হয়ে আজ বাবার সাথে বই-খাতা পেন্সিল কিনে ফিরছিল। পথে তাদের গাড়ির ওপর দুই-দুইটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ই'স'রা'য়েল ছোট্ট ওয়াফা এবং তার বাবা ইউসুফ আকিলাকে পুড়িয়ে হ'ত্যা করেছে!

হাসবুনাল্লাহ... 💔

#গাজায়প্রতিদিন
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রক্তের নদী! কোথায়? গাজ্জায়!যাকে সমগ্র পৃথিবী একা ছেড়ে দিয়েছে!ইয়া রব,গাজার মাজলুমদের সাহায্য করুন। তাঁদের দুঃখ-কষ্ট ...
17/08/2026

রক্তের নদী!
কোথায়?
গাজ্জায়!
যাকে সমগ্র পৃথিবী একা ছেড়ে দিয়েছে!

ইয়া রব,
গাজার মাজলুমদের সাহায্য করুন। তাঁদের দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিন। তাঁদের শহীদদের কবুল করুন, আহতদের শিফা দান করুন। তাঁদের শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের হেফাজত করুন। ক্ষুধার্তদের আহার দিন, ভীতদের নিরাপত্তা দিন এবং গৃহহীনদের আশ্রয় দিন।

ইয়া মালিকুল মূলক,
আপনি তাঁদের অভিভাবক ও সাহায্যকারী হয়ে যান। তাঁদের ওপর আপনার রহমত, সাকিনা ও ধৈর্য নাজিল করুন। জালিমদের ষড়যন্ত্র তাঁদের থেকে ফিরিয়ে দিন এবং তাঁদের রক্তের হেফাজত করুন।

ইয়া আর হামার রহিমীন,
তাঁদের জন্য দ্রুত স্বস্তি, সম্মানজনক বিজয়, নিরাপত্তা ও শান্তি লিখে দিন। যারা আপনজন হারিয়েছে, তাঁদের অন্তরকে সান্ত্বনা দিন এবং তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

আমিন ইয়া রব আমিন,আমিন।

©

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুল...
16/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।

একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।

উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।

সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"

এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।

এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।

শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।

এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।

তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—

প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

৭ বার সূরা ফাতিহা

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

১ বার ইসমে আজম

আয়াতে শিফা

এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।

এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।

আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।

শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।

ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।

আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"

তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"

কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।

এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।

সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।

অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।

অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।

তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."

এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."

"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—

মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

লেখা : একজন ক্যান্সার জয়ী বোনের লেখা

এটাই ছিল আমাদের ঐতিহ্য এবং ইতিহাস। এই ছিল আমাদের দাপট। কিন্তু আজ! হায়রে আজ আমরা সবাই ইউরোপীয় শক্তির দাসে পরিণত হয়েছি। ই...
16/08/2026

এটাই ছিল আমাদের ঐতিহ্য এবং ইতিহাস। এই ছিল আমাদের দাপট। কিন্তু আজ! হায়রে আজ আমরা সবাই ইউরোপীয় শক্তির দাসে পরিণত হয়েছি। ইউরোপের যেকোনো নির্দেশ শুনলে মনে হয় আমাদের সব দর্প এবং আত্মসম্মান ধূলোয় মিশে গেছে। কোথায় সেই ওটোমান দাপট? কোথায় আমাদের গৌরবময় ইতিহাস?

আমরা এখন শুধুমাত্র অন্যের নির্দেশে কাজ করি, তাদের সংস্কৃতি অনুকরণ করি, তাদের গোলামে পরিণত হয়েছি। আমাদের নিজেদের কোনো স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেই। আমাদের নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কোন মূল্য নেই। আমরা আমাদের ঐতিহ্য, ঐতিহ্যবাহী উৎসব, ভাষা, সবকিছু হারিয়ে ফেলছি। এটা কি আমাদের গৌরব? এটা কি আমাদের স্বাধীনতা?

আমরা কি সেইসব ওটোমান শাসকদের উত্তরাধিকারী নই যারা একসময় বিশ্বকে শাসন করত? আমাদের শিরায় কি সেই রক্ত বইছে না? তবে আমরা কেন এতো সহজেই আমাদের আত্মা তাদের হাতে সঁপে দিলাম?

এখনও কি সময় আসেনি আমাদের চোখ খোলার? এখনও কি আমরা আমাদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে পারি না? হ্যাঁ, আমরা পারি। আমাদের কেবল ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে, এবং আমাদের নিজেদের শক্তিকে চিনতে হবে।

আমরা যদি আজ রুখে দাঁড়িয়ে যাই, তবে কে পারবে আমাদের থামাতে? আসুন আমরা সবাই এক হই, আমাদের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনি। এশিয়া মহাদেশ তথা বিশ্বের সমস্ত মুসলমানরা জাগুন, আমাদের সময় আবার আসবে। ✊ইনশাআল্লাহ ✊️✊️✊️

সংগৃহীত

নোয়াখালীতে সকালে বাল্য বিবাহ বন্ধ করে জামাইকে বাসায় ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গেছ...
13/08/2026

নোয়াখালীতে সকালে বাল্য বিবাহ বন্ধ করে জামাইকে বাসায় ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট, বিকেলে বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গেছে নাবালিকা বউ।

এক বন্ধুকে বললাম, আমি একটানা ২২ ঘন্টা ঘুমিয়েছি।সে অবাক হয়ে বললো, ‘না খেয়ে!?’একই কথা আমি আমার আরেক বন্ধুকে বললাম।সে অবাক ...
01/08/2026

এক বন্ধুকে বললাম, আমি একটানা ২২ ঘন্টা ঘুমিয়েছি।
সে অবাক হয়ে বললো, ‘না খেয়ে!?’

একই কথা আমি আমার আরেক বন্ধুকে বললাম।
সে অবাক হয়ে বললো, ‘এ সময়ের নামাজগুলো না পড়ে!?’..
ধর্মে, কর্মে, স্বভাব-চরিত্রে মানুষ তার বন্ধু-বান্ধব দ্বারা প্রভাবিত হয়।
সুতরাং, বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হও।

(সংগৃহীত)

“সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম”—এই কথাটিকে অনেকে খুব উদার ও মানবিক মনে করলেও সমাজবিজ্ঞান ও দর্শনের দৃষ্টিতে এটি সঠিক নয়...
31/07/2026

“সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম”—এই কথাটিকে অনেকে খুব উদার ও মানবিক মনে করলেও সমাজবিজ্ঞান ও দর্শনের দৃষ্টিতে এটি সঠিক নয়। এই বক্তব্যের ভেতরের মূল সমস্যাগুলো কয়েকটি পয়েন্টে নিচে সহজ করে গুছিয়ে দেওয়া হলো:
১.​নৈতিকতার স্থায়ী ভিত্তি: ধর্মকে বাদ দিলে সার্বজনীন ভালো বা মন্দের নির্দিষ্ট কোনো মাপকাঠি থাকে না। ফলে মানুষ ও পশুর মধ্যকার পার্থক্যের ধারণাটিও দুর্বল হয়ে পড়ে।
২.​মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাব: ‘সব ধর্ম এক’ বা ‘আগে মানুষ’—এই ধারণাগুলোর আড়ালে মূলত মানুষকে ধর্মের সুনির্দিষ্ট শাসন থেকে বের করে নিয়ন্ত্রণহীন ‘ভোক্তা’ বা ক্রেতা বানানোর একটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য কাজ করে।
৩.​পরিচয়ের শেকড়: মানুষ শূন্য থেকে তৈরি হয় না। তার চিন্তা, চরিত্র ও নৈতিকতা কোনো না কোনো সমাজ ও ধর্মীয় সংস্কৃতির ভেতর দিয়েই গড়ে ওঠে। তাই নিজেকে পুরোপুরি পরিচয়হীন বা বিমূর্ত ‘মানুষ’ দাবি করা বাস্তবসম্মত নয়।
​সংক্ষেপে বলতে গেলে, মানুষ কোনো বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়; তার শেকড়, পরিচয় এবং নৈতিক মূল্যবোধের পেছনে কোনো না কোনো আদর্শ বা সংস্কৃতির গভীর প্রভাব রয়েছে।

🥱
30/07/2026

🥱

ট্রা*ন্স*জেন্ডার ইস্যু স্বাভাবিকীকরণ একটি মার্কিন এজেন্ডা। পশ্চিমা এই মহামারীর বাঙালি প্রোমোটারেরা খুব কৌশলী একটি চাল দি...
29/07/2026

ট্রা*ন্স*জেন্ডার ইস্যু স্বাভাবিকীকরণ একটি মার্কিন এজেন্ডা। পশ্চিমা এই মহামারীর বাঙালি প্রোমোটারেরা খুব কৌশলী একটি চাল দিয়েছে।

এই কথিত বিয়েটি যেহেতু মন্দিরে হয়েছে, এখন এই বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রশ্নকারীদেরকে সাম্প্রদায়িকতার ট্যাগ দেওয়া যাবে।

কিন্তু জন্মগতভাবে মুসলিম একটি ছেলেকে মেয়েতে রূপান্তরিত করে বিয়ে করানোর বিষয়টা কি আদৌ হিন্দু ধর্মেও বৈধ?

মন্দির কর্তৃপক্ষ কী বুঝে এই বিয়ে পড়িয়ে দিল?

অনেকে দুঃখ করেন, ৫ আগস্টের পরে অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে নাকি ঐক্য ভেঙে গেছে।

কিন্তু মার্কিন এজেন্ডাগুলোর ক্ষেত্রে "অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর" মধ্যে ঐক্য ঠিকই অটুট। তাই চট্টগ্রাম বন্দর, মহেশখালীতে ইন্দো-প্যাসিফিক ফিউশন হাব, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেওয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অসম বাণিজ্য চুক্তি, ট্রা*ন্স* বিয়ে ইত্যাদি বিষয়ে সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে একমত।

ফ্যাসিবাদের আমলে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অনেকেই কথা বলতো। হ্যাঁ, কথা বলতে গিয়ে নির্যাতিত হতো। কিন্তু এখন মার্কিন ইন্টারেস্টগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলার লোকই পাওয়া যাচ্ছে না।

সবাই আনন্দের সাথে মার্কিন গোলামি উদযাপন করছে।
©

নবীজি (সা.)-এর শেখানো ১০টি লাইফ হ্যাকস।1. "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো সেটি, যা নিয়মিত করা হয়, তা পরিমাণে অল্প হলে...
21/07/2026

নবীজি (সা.)-এর শেখানো ১০টি লাইফ হ্যাকস।
1. "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো সেটি, যা নিয়মিত করা হয়, তা পরিমাণে অল্প হলেও।"

- সহীহ বুখারি: ৬৪৬৫

2. "একজন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য হলো, তার সাথে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা।"

-সুনান আত-তিরমিজি: ২৩১৭

3. "প্রকৃত বীর সে নয়, যে কুস্তিতে কাউকে হারিয়ে দেয়; বরং সেই প্রকৃত বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।"

- সহীহ বুখারি: ৬১১৪

4. "আগে তোমার উটটি বাঁধো, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা করো।"

- সুনান আত-তিরমিজি: ২৫১৭

5. "পার্থিব বিষয়ে সর্বদা তোমার চেয়ে নিচের অবস্থানে থাকা মানুষের দিকে তাকাও, ওপরের দিকে তাকিও না।"

- সহীহ মুসলিম: ২৯৬৩

6. "পাঁচটি জিনিস আসার আগে পাঁচটি জিনিসকে কাজে লাগাও: বার্ধক্যের আগে যৌবনকে, অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে, দরিদ্রতার আগে সচ্ছলতাকে, ব্যস্ততার আগে অবসরকে এবং মৃত্যুর আগে জীবনকে।"

মুসতাদরাক আলাস সাহিহাইন: ৭৮৪

7. "হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য সকাল বেলার সময়ে বরকত দান করুন।"

সুনান আবু দাউদ: ২৬০৬

৪. “তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।"

- সহীহ বুখারি: ১৩

9. "যদি কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার সময়ও তোমাদের কারো হাতে একটি গাছের চারা থাকে, সে যেন তা রোপণ করে দেয়।"

মুসনাদে আহমাদ: ১২৯০২

10. "দুনিয়াতে এমনভাবে জীবন কাটাও যেন তুমি একজন মুসাফির অথবা পথচারী।”

- সহীহ বুখারি: ৬৪১৬

দুনিয়ার সবকিছু স্থায়ী মনে করে এর পেছনে পাগলের মতো ছুটে লাভ নেই। ম্যাটেরিয়ালিস্টিক বা বস্তুবাদী চিন্তা কমিয়ে জীবনকে সিম্পল রাখলে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ অনেক কমে যায়।

©️ Sabar

Address

Kallayanpur
Dhaka

Telephone

+8801305980219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen Over Dunya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Deen Over Dunya:

Shortcuts

Share