Ajwad - আজওয়াদ

Ajwad - আজওয়াদ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ajwad - আজওয়াদ, House-91, Chalabon vai vai market Road, word no-5, dokkhin khan, azampur, uttara Dhaka, Dhaka Division, Bangladesh Dhaka, Dhaka.

শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন ✅মিসওয়াক করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাত। মিসও...
05/04/2021

শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন ✅
মিসওয়াক করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাত। মিসওয়াক করার মাঝে রয়েছে ইহ ও পরকালীন কল্যাণ ও উপকারিতা।
মিসওয়াক কি?
মিসওয়াক হলো গাছের ডাল বা শিকড়। যা দিয়ে দাঁত মাজা ও পরিষ্কার করা হয়। দাঁত মাজাকেও মিসওয়াক বলা হয়।
মিসওয়াকের গুরুত্ব!!
মেসওয়াকের মাধ্যমে দাঁত পরিস্কার করা আল্লাহ তাআলার নিকট অত্যান্ত পছন্দনীয় কাজ। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি বিশেষ যত্নবান ছিলেন এবং উম্মতকে অনেক তাকিদ দিয়েছেন। এ প্রসংগে হযরত আবু উমামা (রা) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি সবিশেষ উল্লেখযোগ্য, তিনি বলেনঃ
عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ما جاءني جبريل قط إلا أمرني بالسواك حتى لقد خشيت أن أحفي مقدم فمي»
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, এমনটি কখনো হয়নি যে, জিবরাইল (আ) আমার নিকট এসেছেন আর আমাকে মেসওয়াকের আদেশ দেননি। এতে আমার আশংকা হচ্ছিল যে, (মেসওয়াকের কারণে) আমার মুখের অগ্রভাগ ছিলে না ফেলি।(আল মুযামুল কাবীর লিত তবারানী, হাদীস নং৭৮৪৭, মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ২২২৬৯)
অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
لولا أن أشق على أمتي أو على الناس لأمرتهم بالسواك مع كل صلاة»
আমি যদি উম্মতের উপর (কষ্ট হবার) আশংকা না করতাম তাহলে প্রত্যেক নামাজেই মেসওয়াক করার আদেশ দিতাম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং৮৮৭, মুসলিম শরীফ, হাদীস নং২৫২)
মিসওয়াক করার ফজিলত!!
মিসওয়াকের বহু ফজিলত হাদীসে বর্ণিত আছে। এব্যপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
السواك مطهرة للفم مرضاة للرب
মেসওয়াক মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যম ও আল্লাহর সন্তুষ্টির উপায় (নাসায়ী শরীফ, হাদীস নং ৫)
অন্য এক হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فضل الصلاة التي يستاك لها على الصلاة التي لا يستاك لها سبعين ضعفا» تفرد به يحيى بن معاوية بن يحيى الصدفي ويقال إن ابن إسحاق أخذه منه
মেসওয়াক করে যে নামাজ আদায় করা হয়, সে নামাজে মেসওয়াকবিহীন নামাজের তুলনায় সত্তরগুন বেশী ফযীলত রয়েছে।(শুয়াবুল ঈমান, বাইহাকী, হাদীস নং ২৫১৯)
এছাড়া আরো বহু উপকার রয়েছে।
ইহকালীন উপকার!!!
১) মিসওয়াক করার মধ্যমে আল্লাহর রিজামন্দি হাসিল হয়।
২) দারিদ্র্যতা দূর হয়ে।
৩) সচ্ছলতা আসে এবং উপার্জন বাড়ে।
৪) পাকস্থলী ঠিক থাকে।
৫) শরীর শক্তিশালী হয়।
৬) স্মরণশক্তি ও জ্ঞান বাড়ে। ৭) অন্তর পবিত্র হয়।
৮) সৌন্দর্য বাড়ে।
৯) ফিরিশতা তার সঙ্গে মুসাফাহা করেন।
১০) নামাজে বের হলে সম্মান করেন, নামাজ আদায় করে বের হলে আরশ বহনকারী ফিরিশতারা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
১১) শয়তান অসন্তুষ্ট হয়।
১২) ফুলসিরাত বিজলীর ন্যায় দ্রুত পার হবেন
১৩) ডান হাতে আমলনামা পাবে।
১৪) ইবাদতে শক্তি পাবে।
১৫) মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে।
১৬) জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হবে।
১৭) জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা দেয়া হবে।
১৮) পূত-পবিত্র হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে।
১৯) দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়।
২০) মুখের দূর্গন্ধ দূর হয় ইত্যাদি।

Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

কুরআন পাঠের ফযীলত [ পর্ব-১ ](১৪২২) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়...
05/04/2021

কুরআন পাঠের ফযীলত [ পর্ব-১ ]
(১৪২২) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব (কুরআন মাজীদ) এর একটি বর্ণ পাঠ করবে, তার একটি নেকী হবে। আর একটি নেকী, দশটি নেকীর সমান হয়। আমি বলছি না যে, ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি বর্ণ; বরং আলিফ একটি বর্ণ, লাম একটি বর্ণ এবং মীম একটি বর্ণ। (অর্থাৎ, তিনটি বর্ণ দ্বারা গঠিত ‘আলিফ-লাম-মীম, যার নেকীর সংখ্যা হবে ত্রিশ।)
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ قَرَأ حَرْفاً مِنْ كِتَابِ اللهِ فَلَهُ حَسَنَةٌ وَالحَسَنَةُ بِعَشْرِ أمْثَالِهَا لاَ أَقُولُ : الـم حَرفٌ وَلَكِنْ : ألِفٌ حَرْفٌ وَلاَمٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ رواه الترمذي وقال حديث حَسَنٌ صَحِيْحٌ
Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

✅ আতর আমরা কেন ব্যবহার করবো?কারণ হচ্ছে আমরা এমন একজন নবী ( সাঃ)-এর উম্মত  যাকে সুগন্ধির নবী বলা যায়।👉 সুগন্ধির প্রতি প্র...
05/04/2021

✅ আতর আমরা কেন ব্যবহার করবো?
কারণ হচ্ছে আমরা এমন একজন নবী ( সাঃ)-এর উম্মত যাকে সুগন্ধির নবী বলা যায়।
👉 সুগন্ধির প্রতি প্রিয় নবী (সাঃ) প্রচণ্ড অনুরাগ ছিল।
মহানবী (সাঃ) নিজেও ছিলেন সুগন্ধির আকর। তিনি কোন রাস্তা দিয়ে হেটে যেতেন, "তো" সুগন্ধির ঝরনা বয়ে যেত।★ লোকেরা বুজতে পারতো নবী করিম (সাঃ) এ রাস্তা দিয়ে হেটে গেছেন।
★পাশা -পাশী সুগন্ধি আতর রাসুল (সাঃ) এর অত্যন্ত প্রিয় ছিলো,
তার মধ্যে উন্নতম ছিলো -মেশক্ বা আম্বর।

Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

এই রমজানে প্রিয়জনকে দিন শ্রেষ্ঠ উপহার ! বিস্তারিত জানতে সাথেই থাকুন । আমরা আসছি ...Ajwad - আজওয়াদ   #আজওয়াদ
05/04/2021

এই রমজানে প্রিয়জনকে দিন শ্রেষ্ঠ উপহার !
বিস্তারিত জানতে সাথেই থাকুন ।
আমরা আসছি ...

Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

মুমিন ও কাফেরদের মধ্যে পার্থক্য হলো, সালাত । - সহিহ মুসলিম ১৩৪Ajwad - আজওয়াদ     #আজওয়াদ
05/04/2021

মুমিন ও কাফেরদের মধ্যে পার্থক্য হলো, সালাত ।
- সহিহ মুসলিম ১৩৪

Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

রাসূল (সা.) কীভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন?রমজান মাসের প্রস্তুতির জন্য রাসূল (সা.) মূলত তিন প্রকার কৌশলে প্রস্তুতি গ্রহণ...
05/04/2021

রাসূল (সা.) কীভাবে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন?
রমজান মাসের প্রস্তুতির জন্য রাসূল (সা.) মূলত তিন প্রকার কৌশলে প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন।
১. নফল রোজার মাধ্যমে রমজানের ব্যবহারিক প্রস্তুতি গ্রহণ।
২. রমজানের বরকত হাসিলের জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া এবং
৩. চারপাশের সকলকে রমজানের রহমত, বরকত সম্পর্কে সচেতন করা এবং তা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করা, যাতে সকলে তা অর্জনের জন্য অগ্রসর হয়।
প্রথমত, রমজানের পূর্ববর্তী শাবান মাসে রাসূল (সা.) রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে নফল রোজা রাখতেন।
হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘আমি একবার রাসূল (সা.) কে জিজ্ঞেস করলাম,
“হে আল্লাহর রাসূল! আমি শাবান মাসের মত আপনাকে অন্যকোন মাসে রোজা রাখতে দেখিনা (এর কারন কী)।” রাসূল (সা.) বলেন, “রজব ও রমজানের মাঝে অবস্থিত এটি এমন এক মাস যাতে লোকেরা খুব মনোযোগ দেয়না। এটি এমন মাস যখন বান্দার আমল সারা জগতের অধিপতির সামনে হাজির করা হয়, এবং আমি চাই আমার আমল এই অবস্থায় হাজির হোক যখন আমি রোজা পালনের মধ্যে থাকি।”’ (নাসায়ী)
হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে,
“রাসূল (সা.) যে মাসে অধিক রোজা পালন করতেন, তা হল শাবান; এবং আবশ্যিকভাবে তিনি তা রমজানের সাথে যুক্ত করতেন।” (নাসায়ী, আবু দাউদ)
তবে শাবান মাসে তিনি কতদিন রোজা রাখতেন তা নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। কিন্তু এটি আমরা সাধারণভাবে ধারণা করে নিতে পারি, রমজান আসার পূর্বেই তিনি দৈনিক রোজা রাখার অনুশীলনের সূচনা করতেন।
অবশ্য, পুরো মাস তিনি রোজা রাখতেন না।
দ্বিতীয়ত, রাসূল (সা.) যখনই কোন নতুন মাসের চাঁদ দেখতেন, এমনকি রমজানের চাঁদ দেকলেও নিচের দোয়াটি করতেন।
হযরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, “যখনই কোন নতুন মাসের চাঁদ দেখা যেত, রাসূল দোয়া করতেন,
"‏اللهم أهله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام، ربي وربك الله، هلال رشد وخير‏"
অর্থ: হে আল্লাহ! এই চাঁদকে আমাদের জন্য নিরাপত্তা, ঈমান ও ইসলামের নিদর্শন হিসেবে আনয়ন কর। (হে চাঁদ) তোমার এবং আমার প্রভু একমাত্র আল্লাহ। পথনির্দেশনা ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই চাঁদ। (তিরমিজি)
তৃতীয়ত, রাসূল (সা.) রমজানের আগমন উপলক্ষে সবাইকে সচেতন ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন,
“যখন তোমাদের মধ্যে বরকতময় মাস রমজানের আগমন ঘটে যে মাসে সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তোমাদের জন্য রোজাকে নির্দিষ্ট করেছেন, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সকল শয়তানকে শেকলে বন্দী করা হয়। এই মাসে, আল্লাহ এমন একটি রাত রেখেছেন যা হাজার মাসের তুলনায় উত্তম; যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল, সে প্রকৃতই বঞ্চিত হল।” (নাসায়ী)
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, রাসূল (সা.) মুসলমানদেরকে রমজানের কল্যাণ অর্জনের জন্য কিরূপ উৎসাহ প্রদান করছেন।
আমরা আল্লাহর রাসূলের অনুকরণে এই তিন প্রক্রিয়ায় নিজেদের রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারি।
সর্বোচ্চ জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহই একমাত্র উত্তমভাবে জ্ঞান রাখেন।
Ajwad - আজওয়াদ

#আজওয়াদ

নবীজি (সা.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত। এ রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন, ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের...
30/03/2021

নবীজি (সা.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত। এ রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন, ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন’
আল্লাহ আমরা আপনার কাছে ক্ষমা ও অনুগ্রহ প্রার্থী, আপনি আমাদের সকল কে ক্ষমা ও অনুগ্রহ করুণ এবং বিদ্বেষ থেকে হেফাযত দান করুণ। (আমিন)
#আজওয়াদ

এই রমজানে প্রিয়জনকে দিন শ্রেষ্ঠ উপহার ! বিস্তারিত জানতে সাথেই থাকুন । আমরা আসছি ...   #আজওয়াদ
29/03/2021

এই রমজানে প্রিয়জনকে দিন শ্রেষ্ঠ উপহার !
বিস্তারিত জানতে সাথেই থাকুন ।
আমরা আসছি ...
#আজওয়াদ

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই/বোন।আসছে রমজানে আমরা আপনার প্রিয়জনদের জন্য তৈরি করছি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার সামগ্রী । আপনাদের ...
29/03/2021

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই/বোন।
আসছে রমজানে আমরা আপনার প্রিয়জনদের জন্য তৈরি করছি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার সামগ্রী । আপনাদের পারস্পারিক ভালোবাসা বৃদ্ধির সাথে সাথে রমজানে অধিক সওয়াব লাভের লক্ষ্যে প্রস্তুত করছি #রমাদান_হাদিয়া_প্যাক। অনেকেই আমাদের জিজ্ঞেসা করেন কি কি থাকবে রমাদান হাদিয়া প্যাকে ? তাই আপনাদের জন্য উন্মোচন করছি রমজান উপলক্ষে আমাদের হাদিয়া প্যাকেজ সমূহ।
আর আমরা দুটি ক্যাটাগরীতে প্যাকেজগুলো সাজাচ্ছি,
১. স্ট্যান্ডার্ড প্যাক
২. প্রিমিয়াম প্যাক
প্যাকেজ দুটির হাদিয়া সম্পর্কে জানতে কিংবা আপনার প্রিয়জনদের জন্য অর্ডার করতে ম্যাসেজ করুন 👉

অথবা ফোন করুন 👉 01971-747553, 01971-747551
আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সকলের নেক মাকসাদকে কবুল করুন।

#আজওয়াদ

জেনে নিন কোন উপহার হাদিয়া, কোন উপহার ঘুষ?[ শেয়ার করার অনুরোধ রইলো ]ভালোবাসা ও আন্তরিকতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে আত্মীয়-স্বজন,...
29/03/2021

জেনে নিন কোন উপহার হাদিয়া, কোন উপহার ঘুষ?
[ শেয়ার করার অনুরোধ রইলো ]
ভালোবাসা ও আন্তরিকতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অন্যদের যে উপহার আদান-প্রদান করা হয় তাকে ‘হাদিয়া’ বলে। কোনো মুখাপেক্ষী ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের নিয়তে কিছু দেওয়াকে ‘সাদাকায়ে নাফেলা’ বলা হয়। নবীজি (সা.) বলেন, ‘একে অন্যকে হাদিয়া দেবে। হাদিয়া অন্তরের কলুষ দূর করে। এক পড়শি অন্য পড়শিকে হাদিয়া দিতে যেন অবহেলা না করে, সামান্য মনে না করে, যদিও তা এক টুকরা বকরির খুর হয়।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২১৩০)
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবিদের হাদিয়া দিতেন এবং সাহাবিরাও রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হাদিয়া দিতেন।
হাদিয়ার প্রতিদান দেওয়া উচিত
কেউ হাদিয়া দিলে তার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক মধুর হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যাকে দান করা হয়েছে তার সামর্থ্য থাকলে সে যেন এর প্রতিদান দেয়। যার সামর্থ্য নেই, সে যেন প্রশংসা করে। কেননা যে প্রশংসা করল, সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। আর যে তা গোপন করে, সে তার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৮১৩)
হাদিয়ার প্রতিদানে সমপরিমাণের জিনিস হতে হবে এমন কোনো কথা নেই; বরং নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদান দিতে চেষ্টা করা উচিত।
হাদিয়া প্রত্যাখ্যান করা ঠিক নয়
কেউ হাদিয়া দিলে তা প্রত্যাখ্যান করা ঠিক নয়। কেননা তাতে হাদিয়াদাতার মনে কষ্ট হয় এবং পারস্পরিক সম্পর্ক তিক্ত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যাকে সুগন্ধি দান করা হয়, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কেননা এটি হালকা জিনিস অথচ সুগন্ধযুক্ত।’ (মুসলিম, হাদিস : ২২৫৩)
হাদিয়া সামান্য হলেও তা ফিরিয়ে না দিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে গ্রহণ করা উচিত।
হাদিয়া ফিরিয়ে নেওয়া শোভনীয় নয়
হাদিয়া দেওয়ার পর তা ফিরিয়ে নেওয়া শোভনীয় নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে দান করে তা প্রত্যাহার করে নেয়, তার দৃষ্টান্ত এমন কুকুরের মতো, যে বমি করে পুনরায় তা গলাধঃকরণ করে নেয়।’ (বুখারি, হাদিস : ২৫৮৯)
হাদিয়া ও ঘুষের পার্থক্য
হাদিয়া ও ঘুষের মধ্যে বিরাট পার্থক্য রয়েছে। হাদিয়া দেওয়ার নিয়তের মধ্যে পারস্পরিক মহব্বত থাকে। পার্থিব কোনো স্বার্থ হাসিল বা কোনোরূপ সাহায্য পাওয়ার আশা থাকে না। পক্ষান্তরে ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্য হয় কোনো স্বার্থ হাসিল করা বা সাহায্য পাওয়া। সাধারণত কর্তব্যরত কোনো ব্যক্তির কাছে থেকে কাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিছু দেওয়া ঘুষের অন্তর্ভুক্ত।
বর্ণিত আছে, নবীজি (সা.) আজদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে সদকা আদায়ের জন্য নিয়োগ করেন। তাঁর নাম ছিল ইবনে লুতবিয়্যা। তিনি ফিরে এসে বলেন, এগুলো আপনাদের আর এগুলো আমাকে হাদিয়াস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। এ কথা শুনে নবীজি (সা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা আমার ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, তা পালনের জন্য আমি তোমাদের কোনো কোনো লোককে নিয়োজিত করি। তাদের কেউ এসে বলে, এগুলো আপনাদের আর এগুলো আমাকে হাদিয়াস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সে তার পিতা বা মাতার ঘরে বসে থাকেনি কেন? তখন দেখতে পেত তাকে হাদিয়া দেওয়া হয় কি না? সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ—এ ক্ষেত্রে কেউ যদি কিছু গ্রহণ করে তাহলে সে তা তার ঘাড়ে বহন করে কিয়ামতের ময়দানে উপস্থিত হবে...। (বুখারি, হাদিস : ২৫৯৭)
পদের অধিকারী যাদের হাদিয়া গ্রহণ করতে পারে
যিনি এমন কোনো পদে রয়েছেন, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের উপকারিতা সম্পৃক্ত, তার জন্য সাধারণভাবে হাদিয়া গ্রহণ করা বৈধ নয়। তবে তিন শ্রেণির মানুষ থেকে হাদিয়া গ্রহণের অবকাশ রয়েছে : (১) নিজের কাছের মাহরাম আত্মীয়দের থেকে। (২) যারা তাকে এ পদ লাভ করার আগেও হাদিয়া দিত, এখনো সেই পরিমাণ দেয় তাদের থেকে এবং (৩) স্বীয় পদের চেয়ে ওপরের পদবিধারী থেকে। শর্ত হলো, তার পদ দ্বারা তাদের উপকৃত হওয়ার আশা না থাকা। (দুররে মুখতার ও রদ্দুল মুহতার : ৪/৩১১)
অমুসলিমের সঙ্গে হাদিয়ার আদান-প্রদান
অমুসলিমকেও হাদিয়া দেওয়া জায়েজ আছে। অনুরূপভাবে যদি কোনো অমুসলিম মুসলিমকে হাদিয়া দেয় এবং এর দ্বারা তার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য না থাকে তাহলে তা গ্রহণ করাও জায়েজ আছে। (বুখারি ও ফাতহুল বারি : ৫/২৭৫-৭৬)
হাদিয়াদাতার আয়ের উৎস হারাম হলে
হাদিয়াদাতার আয়ের সব উৎস হারাম হলে তার হাদিয়া গ্রহণ করা জায়েজ নয়। যদি তার বেশির ভাগ আয় হারাম হয় এবং সে হাদিয়া দেওয়ার সময় উল্লেখ না করে যে হালাল আয় থেকে দিচ্ছে না হারাম আয় থেকে তাহলেও তা গ্রহণ করা জায়েজ নয়। যদি স্পষ্ট উল্লেখ করে যে এ হাদিয়া হালাল আয় থেকে, তাহলে তা গ্রহণ করার অবকাশ আছে। যদি বেশির ভাগ আয় হালাল হয়, তাহলে হালাল-হারাম স্পষ্ট না করলেও হাদিয়া গ্রহণ করা জায়েজ আছে। তবে বেশির ভাগ আয় হালাল—এমন ব্যক্তির হাদিয়ার ব্যাপারে যদি জানা যায় যে হাদিয়া হারাম আয় থেকে দিচ্ছে তাহলে তা গ্রহণ করা বৈধ নয়। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ৫/২৪২-৪৩)
লেখক : মুহাদ্দিস, জামিয়া আম্বরশাহ আল ইসলামিয়া, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
#আজওয়াদ

Address

House-91, Chalabon Vai Vai Market Road, Word No-5, Dokkhin Khan, Azampur, Uttara Dhaka, Dhaka Division, Bangladesh Dhaka
Dhaka
1230

Telephone

+8801971747553

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ajwad - আজওয়াদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ajwad - আজওয়াদ:

Shortcuts

Share