ছোঁয়া-Choya

ছোঁয়া-Choya ছোঁয়া-Choya is your ultimate Online Shopping mall.We are here to change your entire online shopping experience.

https://youtu.be/y9NtZNVjZ80?si=IdDf_7XtYdkJAz6x
11/08/2025

https://youtu.be/y9NtZNVjZ80?si=IdDf_7XtYdkJAz6x

#ভূরাজনীতি িউক্লিয়ার মেডিসিন: ক্যানসার চিকিৎসায় রাশিয়ার বৈপ্লবিক অগ্রগতি | Nuclear Medicine Technologists | ভূরা...

ঈদ কালেকশন নিউ ডিজাইনের পাঞ্জাবি।
01/04/2023

ঈদ কালেকশন নিউ ডিজাইনের পাঞ্জাবি।

পাকিস্তানি হাফ সিল্ক কটন থ্রি পিস।
01/04/2023

পাকিস্তানি হাফ সিল্ক কটন থ্রি পিস।

মনিপুরী শাড়ী।
01/04/2023

মনিপুরী শাড়ী।

গোলাপজলে ফেসপ্যাক, টোনার, সুগন্ধি========================রূপচর্চার উপকরণ বোতলজাত হয়ে যখন দোকানে বিক্রির রেওয়াজ ছিল না, স...
23/11/2022

গোলাপজলে ফেসপ্যাক, টোনার, সুগন্ধি
========================

রূপচর্চার উপকরণ বোতলজাত হয়ে যখন দোকানে বিক্রির রেওয়াজ ছিল না, সৌন্দর্যচর্চা তখনো হতো। গোলাপজলের আগে ছিল গোলাপের পাপড়ি। এরপর গোলাপ পাপড়ির নির্যাস বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কখনো ত্বক পরিষ্কার করতে, কখনো ত্বক সতেজ রাখতে। গোলাপজল শুধু ত্বককেই নয়, চুলকেও করতে পারে ঝলমলে।

আয়ুর্বেদ রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন ‘গোলাপজল আমাদের ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বককে রাখে সতেজ। পাশাপাশি ত্বককে করে উজ্জ্বল ও দাগহীন।’ তিনি যেকোনো ফেসপ্যাকের সঙ্গে গোলাপজল ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

ফেসপ্যাকে

চন্দন, মুলতানি মাটি, যষ্টিমধু আর পরিমাণমতো গোলাপজল মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। এটি আপনার ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করবে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করুন। এ ছাড়া ফেসপ্যাকের জন্য ব্যবহৃত যেকোনো উপকরণের গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপজল ব্যবহার করা যাবে।

টোনার হিসেবে

গোলাপজল খুব ভালো প্রাকৃতিক টোনার। মুখের ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এবার তুলার বলে সামান্য গোলাপজল নিয়ে পুরো মুখে লাগান।

মেকআপ ওঠাতে

সামান্য গোলাপজল আর জলপাই কিংবা নারকেল তেল মিশিয়ে মুখে মালিশ করুন। তুলা বা নরম সুতি কাপড় দিয়ে এবার মুখ মুছে নিন। মুখের মেকআপের পাশাপাশি সব ধরনের ময়লাও পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ময়েশ্চারাইজারে

গোলাপজল, গ্লিসারিন ও জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে নিতে পারেন। এটি চেহারায় বয়সের ছাপ রোধেও কাজ করবে। পাশাপাশি আপনার ত্বককে বেশ লম্বা সময় ধরে আর্দ্র রাখবে। বিশেষ করে শীতকালে এটি খুব কার্যকর। হাত ও পায়েও এটি ব্যবহার করা যাবে।

চুলের যত্নে

গোলাপজল চুলের খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি চুলে কন্ডিশনারের কাজও করে। এটি মাথার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করবে।

সুগন্ধি হিসেবে

গবেষণায় দেখা গিয়েছে গোলাপজলের সুগন্ধি আপনার মনকে খুব অল্প সময়ে সতেজ করতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা মানসিক প্রশান্তির জন্য অনেক সময় গোলাপজলের সুগন্ধি ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

#ছোঁয়া #রূপচর্চা #রূপচর্চাবিষয়কটিপস #সৌন্দর্যচর্চা #গোলাপজল #ত্বক #ফেসপ্যাক #টোনার #সুগন্ধি #আয়ুর্বেদ

চা হতে পারে মহৌষধ==============চা স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের জন্য আশার আলো। কারণ, সবুজ চায়ে ইজিসিজি নামক একধরনের উপাদান পাও...
21/05/2022

চা হতে পারে মহৌষধ
==============

চা স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের জন্য আশার আলো। কারণ, সবুজ চায়ে ইজিসিজি নামক একধরনের উপাদান পাওয়া যায়, যা রক্তের প্লাটিলেট নিয়ন্ত্রণ করে। প্লাটিলেট রক্ত পরিসঞ্চালনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি মাংসপেশির গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখ। ইজিসিজি শুধু প্লাটিলেট নিয়ন্ত্রণই নয়, বরং টিউমার, কিডনি, লিভারের রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এ জন্য ভারতের ইয়েল স্কুল অব মেডিসিনের গবেষকেরা চায়ের নাম দিয়েছেন ‘মহৌষধ’।

কিডনি সমস্যায় চা:
রক্ত চলাচল নিয়মিত এবং অব্যাহত রাখার জন্য দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা দরকার। এর ফলে কিডনি ভালোভাবে কাজ করবে, প্রস্রাবের মধ্য দিয়ে দেহের বিষ নিঃসৃত হবে এবং প্রস্রাব পরিষ্কার হবে। যখন রক্তের বিষাক্ত পদার্থ কিডনির মাধ্যমে বের করে দেওয়া যায় না, তখন সেসব বর্জ্য সেখানেই জমতে থাকে এবং কিডনির ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়। আরও অধিক বিষাক্ত পদার্থ জমে উঠলে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই কিডনি ও মূত্রনালি ঠিক রাখতে গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কালো চা তৈরির উপায়:
১ চা–চামচ যেকোনো চায়ের পাতা ১ কাপ পানিতে দিয়ে অর্ধেক কাপ হওয়া অবধি ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার ছেঁকে নিয়ে অর্ধেক কাপ পানিতে (ফ্রিজের নয়) মেশাতে হবে। অন্তত ১৫ দিন ধরে এই গরম গরম পান করতে হবে।

গবেষণায় যা বলা হচ্ছে:
মানসিক চাপ ঝেড়ে ফেলে তরতাজা হয়ে উঠতে চায়ের জুড়ি নেই। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) ডিপার্টমেন্ট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের একদল গবেষক দেখেছেন, যাঁরা ছয় সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন চার কাপ করে ব্ল্যাক টি খান, তাঁদের দেহে মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোনের নিঃসরণ অনেক কম। এমনকি জটিল সব কাজের পরও খুব দ্রুত তাঁরা সজীব হয়ে ওঠেন। গবেষক দলের সদস্য এন্ড্রু স্টেপটো জানান, ধারাবাহিক মানসিক চাপ অবসাদ এবং হৃদ্‌রোগের জন্য দায়ী। মানসিক চাপের কারণ যে হরমোন সেটির মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে চা কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত জাপানি বিশেষজ্ঞদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে সবুজ চা পান অন্তত এক-চতুর্থাংশ হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায় বলে দাবি করা হয়েছে। জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ৪০ হাজারের বেশি লোকের ওপর গবেষণা করে এ তথ্য তাঁরা দিয়েছেন। যাঁদের ওপর গবেষণা করা হয়েছে, তাঁদের বয়স ৪০ থেকে ৭৯ বছরের মধ্যে। ১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মোট ৪০ হাজার ৫৩০ জন বয়স্ক লোক পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই ১১ বছরে নানা কারণে তাঁদের মধ্য থেকে মোট ৪ হাজার ২০৯ জন লোক মৃত্যুবরণ করেছেন। ১৯৯৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে সিভিডিতে (কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিজ) মারা গেছে ৮৯২ জন এবং ক্যানসারে মারা গেছে ১ হাজার ১৩৪ জন।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা প্রতিদিন ১ কাপ চা পান করেন, তাঁদের চেয়ে দিনে ৫ কাপ চা পানকারীদের মারাত্মক অসুস্থতজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি ১৬ শতাংশ কম। পাশাপাশি দিনে ৫ কাপ চা পানকারীর হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুর আশঙ্কা ২৬ শতাংশ কম। এ গবেষণায় আরও বলা হয়, সবুজ চা পান পুরুষদের তুলনায় নারীদের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। দিনে ৫ কাপ চা পানকারী নারীরা দিনে ১ কাপ চা পান কারী নারীদের তুলনায় ৩১ শতাংশ কম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করেছেন, দিনে ৩ কাপের বেশি চা পান করলে তা পানির চেয়েও বেশি উপকারী। তাঁরা জানিয়েছেন, চা পানির মতোই শরীরের তরলের স্বল্পতা পূরণ করতে পারে। পাশাপাশি হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে রোধ করতে পারে। ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন জার্নাল–এ প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনটি পানি খুব একটা পান করেন না এবং যাঁরা নিয়মিত দৈনিক তিন বা তারও অধিক কাপ চা পান করেন, এমন একদল স্বেচ্ছাসেবীর ওপর চালানো গবেষণার ফলাফল।

গবেষক কেরি রুক্সটনের মতে, চা পানে শরীরে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট জুগিয়ে শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। তিনি ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে আরও জানান, অনেকেই ভাবে প্রতিদিন চা পান করলে তাদের শরীরে পানি শূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে। ফলে তৃষ্ণার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, যা একদমই ভ্রান্ত ধারণা।

মনে রাখতে হবে, কনডেন্সড মিল্ক অথবা গুঁড়া দুধ মিশ্রিত শরবত চা আর এখানে বর্ণনা করা চা এক নয়। সাধারণ চা পাতা গরম পানিতে চিনি ছাড়া তৈরি ও ব্ল্যাক টি আর গ্রিন টি নিয়ে আলেচনা করা হয়েছে৷

#ছোঁয়াChoya #চা #স্বাস্থ্য #পরামর্শ

রান্নায় তেল কমানোর উপায়==================আমাদের গতানুগতিক রান্নার ধরনে প্রচুর তেল, মসলা ব্যবহার করা হয়। অথচ একটু সচেতন হ...
14/05/2022

রান্নায় তেল কমানোর উপায়
==================

আমাদের গতানুগতিক রান্নার ধরনে প্রচুর তেল, মসলা ব্যবহার করা হয়। অথচ একটু সচেতন হলে তেলের ব্যবহার অনেকটাই কমিয়ে আনা যায়। প্রতিদিনের ক্যালরি চাহিদার শতকরা ২৫-৩০ শতাংশ তেল ও চর্বিজাতীয় খাদ্য থেকে গ্রহণের কথা। এই পরিমাণের পুরোটাই যে ভোজ্যতেল থেকে হতে হবে, তা কিন্তু নয়।

সাধারণ খাবার যেমন বিভিন্ন শর্করা (ভাত, রুটি) ও প্রোটিন (মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, বাদাম, বীজ) থেকেই দৈনিক চাহিদার অনেকটুকু তেল চলে আসে। ফলে রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করার খুব বেশি দরকার আর থাকে না। একটি পরিবারে পাঁচ সদস্য থাকলে দৈনিক রান্নায় ভোজ্যতেলের প্রয়োজন হবে ২০ থেকে ২৫ মিলিলিটার। তার মানে চাইলে এমন পরিবারে মাসে এক লিটারের কম তেল (৭৫০ মিলিলিটারের মতো) ব্যবহার করা যায়। ১ গ্রাম তেল বা চর্বি থেকে ৯ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। অধিক তেল-চর্বি খাওয়া মানে অধিক ক্যালরি। এ ছাড়া উচ্চতাপ দিয়ে রান্না ভোজ্যতেল শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

কীভাবে কমানো যায়
ননস্টিক পাত্র বা ফ্রাইপ্যানে সামান্য পরিমাণ তেল ব্রাশ করে, ঢাকনা ব্যবহার করে সহজেই রান্না করা যায়। এ ছাড়া আজকাল রোস্টিং প্যান বা এয়ার ফ্রায়ারও ব্যবহার করা হয় কম তেলে রান্নার জন্য।

অনেক খাবার তেল দিয়ে কষিয়ে অথবা ডুবোতেলে না ভেজে তেল ছাড়া বা খুব সামান্য তেল ব্যবহার করে বেক করে নেওয়া যায়। প্রয়োজনে মাছ-মাংস ও সবজি সেদ্ধ বা ভাপিয়ে নিয়ে তারপর পছন্দ অনুযায়ী উপকরণ মিশিয়ে বেক করে নিলে তেলের ব্যবহার সীমিত করা যায়।

বোতল থেকে সরাসরি রান্নার পাত্রে তেল না ঢেলে দিয়ে চামচ দিয়ে মেপে নিন। এতে দৈনিক হিসাব থাকবে।

খাবার রান্না করার সময় যেসব মসলা সচরাচর ব্যবহার করা হয়, সেগুলো তেলের বদলে একটু একটু করে পানি দিয়ে কষিয়ে নিয়েও তেলের ব্যবহার কমানো যায়।

শাকসবজি থেকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ ও ভিটামিন পাওয়া যায়। কিন্তু উচ্চতাপে অনেকক্ষণ রান্না করলে অধিকাংশ পুষ্টি উপাদানই নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিদিনের খনিজ লবণ ও ভিটামিন পেতে শাকসবজি ভাপ দিয়ে খেলে সর্বোচ্চ পুষ্টি উপাদান মেলে। এ ছাড়া সালাদ ও স্যুপ করে খেলেও অতিরিক্ত তেলের প্রয়োজন হয় না।

যাঁরা শাকসবজি একেবারেই তেল ছাড়া খেতে পারেন না, তাঁরা প্রথমে ভাপিয়ে নিয়ে তারপর সামান্য তেলের মধ্যে পাঁচফোড়ন, জিরা ইত্যাদি টেলে অথবা পেঁয়াজ বা রসুনের বেরেস্তা করে সবজিটা তার মধ্যে গড়িয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া সালাদে অথবা সবজি ভাপানোর পর কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে।

মাছ-মাংস তেল ছাড়া সব মসলা দিয়ে অথবা সঙ্গে টক দই দিয়ে ম্যারিনেট করে রেখে তারপর চুলায় মাঝারি আঁচে নেড়েচেড়ে কষিয়ে রান্না করা যায়। মাছ-মাংসে থাকা তেল রান্না শেষে বেরিয়ে এলে দেখতে অনেকটা একই রকম লাগে।

#তেল #ভালোথাকুন #পরামর্শ #স্বাস্থ্য #রান্নায়তেলকমানোরউপায়

ত্বকের যত্ন ভেতর থেকে===============মাঘ মাসের আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক, খসখসে ও নিষ্প্রাণ হয়ে। শুষ্কতা রোধে বাজারে পা...
29/01/2022

ত্বকের যত্ন ভেতর থেকে
===============

মাঘ মাসের আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক, খসখসে ও নিষ্প্রাণ হয়ে। শুষ্কতা রোধে বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের প্রসাধনসামগ্রী ও প্যাক। তবে কেবল প্রসাধনসামগ্রীতেই তো আর ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হয় না। ত্বককে সুস্থ এবং ভেতর থেকে সুন্দর রাখতে প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস। পরামর্শ দিলেন গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান।

খালি পেটে ১-২ ঢোঁক পানি পান দিয়ে শুরু করুন:

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। সকালে খালি পেটে পানি খেতে হবে। ২২০ মিলি কুসুম গরম পানিতে এক টুকরা লেবুর রস আর এক চা-চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে নিয়ে সকালে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। ত্বকে আসবে উজ্জ্বল আভা।

অনেকেই সকালে পানি পানের অভ্যাসটা রপ্ত করতে পারেন না। তবে পানি খেতেই হবে। অল্প অল্প করেই না হয় শুরু করুন। খালি পেটে অন্তত ১-২ ঢোঁক পানি খেয়ে নিন। খানিকটা হাঁটাহাঁটি করুন। কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে বাকি পানিটুকু খান। ধীরে ধীরে পানি পানের পরিমাণটা বাড়াতে হবে। একজন সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক আড়াই থেকে তিন লিটার পানি খাওয়া প্রয়োজন। ঘাম বেশি হলে সেই অনুপাতে বাড়াতে হবে পানির পরিমাণ; অর্থাৎ শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানির পরিমাণ কমবেশি হবে। শীতকালে এই পরিমাণ দুই থেকে আড়াই লিটার হলেই যথেষ্ট।

ত্বককে বাঁচানোর প্রথম ‘ঢাল’:

রান্না করলে খাবারের কিছু পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। তাই কাঁচা সবজির সালাদ ও ফলমূল খান। শসা, গাজর, টমেটো, লেটুসপাতা, বাঁধাকপি প্রভৃতি ত্বকের সুস্থতায় প্রয়োজন। মিশ্র সবজির সালাদ খেতে হবে দৈনিক ৫০ গ্রাম। লাউ, ঝিঙে, চিচিঙ্গাতে পানি থাকে। এগুলোর তরকারি খেতে পারেন। কমলা, বাতাবিলেবু, আনারসেও পানি আছে বেশ। পাকা পেঁপে, পেয়ারা, পানিফল আর আমলকীও খেতে পারেন। আবার রস করেও ফল খেতে পারেন। কমলা, পেঁপে বা যেকোনো ফলের রস ত্বককে রাখবে আর্দ্র।

রোজ অন্তত একটি ফল খাবেন। বড় আকারের ফল (যেমন বড় পেয়ারা) হলে অর্ধেকটাও যথেষ্ট। মৌসুমি ফল বেছে নিতে পারেন। যেসব ফল খোসাসহ খাওয়া যায়, সেগুলো সেভাবেই খেতে চেষ্টা করুন। টক ফল খেতে হবে ভিটামিন সি পেতে। ভুট্টায় পাবেন ভিটামিন ই। বাঁধাকপি, লাল ক্যাপসিকাম, কাঠবাদাম, চীনাবাদাম, অ্যাভোকাডো, মাছ প্রভৃতিতেও ই আছে। ভিটামিন ই-সমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহারের চাইতে ভিটামিন ই-সমৃদ্ধ খাবার খেলে বেশি উপকার পাবেন। বলিরেখা ও ব্রণ এড়াতে ভিটামিন ই কাজে দেবে। ত্বককে নানা সমস্যা থেকে বাঁচানোর প্রথম ‘ঢাল’ এই ভিটামিন।

সব তেল মন্দ নয়:
প্রয়োজনীয়; অর্থাৎ ‘ভালো’ তেলও গ্রহণ করতে হবে। মোটামুটিভাবে দেড় কেজি পর্যন্ত ওজনের ছোট ও মাঝারি আকারের মাছের তেল ত্বকের জন্য ভালো। রোজ আধা চা-চামচ কালিজিরার তেল খেতে পারেন। শুধু কালিজিরার তেল খেতে না পারলে সঙ্গে যোগ করুন সমপরিমাণ মধু। জলপাই তেলও ভালো। খাবারের তালিকায় বাদাম রাখুন। তরল বা গুঁড়া যেটাই হোক, রোজ খেতে হবে দুধ কিংবা টক দই। ত্বক থাকবে মসৃণ, টানটান ও উজ্জ্বল। ডিমও খেতে হবে। এড়াতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য। শাকসবজিতে থাকে পর্যাপ্ত আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানোর জন্য খুব প্রয়োজনীয়। মেয়োনেজ, ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন। ঘুমও চাই ঠিকঠাক। তবেই শরীর থাকবে সুস্থ, ত্বক হবে কোমল।

ছোঁয়া-Choya #রূপচর্চা #ত্বকেরযত্ন #লাইফস্টাইল #জীবনযাপন

কীভাবে বানাবেন চুলের সানস্ক্রিন=====================শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে দরজা খুললেন। রোদে ঝলমল করছে বারান্দা। বাইরে...
06/01/2022

কীভাবে বানাবেন চুলের সানস্ক্রিন
=====================

শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে দরজা খুললেন। রোদে ঝলমল করছে বারান্দা। বাইরে বের হওয়ার আগে মুখে সানস্ক্রিন লাগাতে আমাদের ভুল হয় না। অথচ চুলের জন্য সেটা আর মনে থাকে না! যদিও মুখের জন্য যে রকম সানস্ক্রিন জরুরি, চুলের জন্য ততটা না হলেও জরুরি। নতুবা চুলের ফ্যাশন ভুলে মাথায় স্কার্ফ পরতে হবে বা চুল বেঁধে রাখতে হবে। যাতে সামান্য অংশ সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির সংস্পর্শে আসে! নতুবা রোদ পড়ে গেলে তবেই ঘর থেকে বাইরে পা রাখতে হবে। নাহলে রোদের তেজে ক্ষতিগ্রস্ত হবে চুল, রুক্ষ হবে, ভেঙে যাবে, নষ্ট হবে স্বাভাবিকতা।

মুখের সানস্ক্রিন দুই ধরনের হয়। একটা ধরন বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির (ইউভি এ) ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। আরেক প্রকার সানস্ক্রিন কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির (ইউভি বি) বিরুদ্ধে কাজ করে। ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ত্বকের সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে চুলের জন্য ব্যবহার করতে হয় এসপিএফ (সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর)। এটা সব ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুলকে রক্ষার করে।

কখন, কাদের বেশি দরকার:

রোদ থেকে চুলের ক্ষতি হতে পারে। তবে রোদে জ্বলে যাওয়া চুল থেকে কোনো জটিল অসুখ হবে না। যেমনটা হতে পারে ত্বকের ক্ষেত্রে। ত্বকে আল্ট্রাভায়োলেট থেকে ত্বকের ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। চুলের ক্ষেত্রে এ রকম কোনো আশঙ্কা নেই। তাই চুলের সানস্ক্রিন নিয়ে বাড়াবাড়ি না করলেও চলে।

চুলের জন্য মূলত দুই ধরনের সানস্ক্রিন পাওয়া যায়। হেয়ার সিরাম ও হেয়ার স্প্রে। যাঁরা চুলে রং কিংবা মেহেদি ব্যবহার করেন, তাঁদের চুলে সানস্ক্রিনের বেশি প্রয়োজন। যেকোনো রং একধরনের কৃত্রিম পিগমেন্ট। এটা আমাদের চুলে বসে চুলকে অন্য রঙে রাঙায়। এ ধরনের পিগমেন্ট কড়া রোদে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। ফলে রং করা চুলের জন্য সানস্ক্রিন অতি জরুরি।

নিয়মিত চুলে সানস্ক্রিন ব্যবহার না-ই করতে পারেন। তবে আপনি যদি সমুদ্রের ধারে বেড়াতে যান, তা হলে অবশ্যই চুলের সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। কেননা সমুদ্রপাড়ের রোদ সাধারণ রোদের তুলনায় কড়া। তা আপনার চুলের ক্ষতি করবেই!

চুলের সানস্ক্রিন বানোর ঘরোয়া পদ্ধতি:

একটি স্প্রে করা মুখ লাগানো বোতলে এক কাপ পানি নিন। এর ভেতর এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, এক চা–চামচ সৈন্ধব লবণ (সমুদ্রের পানি বাষ্পীভূত করে তৈরি করা হয় এই লবণ। বাজারেই পাওয়া যাবে। দানাদার এই লবণের তেজ সাধারণ লবণের চেয়ে বেশি হয়। রান্নায়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বা ব্যথা কমানোর জন্য গরম সেঁক দেওয়ার সময় ব্যবহার হয়। খাবার বা শরবতের স্বাদ বাড়িয়ে তুলতে এই লবণ ব্যবহার করা হয়), এক চা–চামচ নারকেল তেল ও এক টেবিল চামচ মধু ঢালুন। ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। রোদে বসার আগে কিংবা বাইরে বের হওয়ার আগে চুলে এই মিশ্রণটি একবার স্প্রে করে নিন।

পাতিলেবুর খোসা ও নারকেল তেল দিয়েও বানানো যাবে চুলের সানস্ক্রিন। মিক্সচার মেশিনে দুই কাপ পানি, একটি পাতিলেবুর খোসা আর আর এক টেবিল চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। শীতকালে নারকেল জমে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে গরম পানিতে এক মিনিট চুবিয়ে রাখলেই হবে। বাইরে বের হবার আগে শ্যাম্পু করার পর সিরাম লাগানোর মতো করে চুলে এই মিশ্রণটি লাগাতে পারেন। এ ছাড়া বাজারে একটু খোঁজ করলেই পাওয়া যাবে চুলের সানস্ক্রিন। প্রয়োজনে চুল বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে নিতে পারেন।

এমনিতেই নারকেলের তেল আর অ্যালোভেরার জেল চুলের জন্য ভালো। এগুলো চুলের ওপর একটা আলাদা প্রলেপ তৈরি করে। সেটা রোদের ক্ষতিকর রশ্মিকে সরাসরি চুলের সংস্পর্শে আসতে দেয় না। আপনি চুলে তেল বা জেল মেখে ছাদে বা বারান্দায় বসে গায়ে রোদ মাখতেই পারেন। কিন্তু তেল আর জেল মেখে তো আর বাইরে যাওয়া যাবে না।

ছোঁয়া-Choya #রূপচর্চা #চুলেরসানস্ক্রিন #সানস্ক্রিন #লাইফস্টাইল #চুলেরযত্ন #চুলপড়া #চুলেরসাজ #

কান ফোঁড়ানোর আগে–পরে যা করবেন, যা করবেন না==================================নিশ্চিত করুন পরিচ্ছন্নতা:ঘর, পারলার কিংবা চি...
04/01/2022

কান ফোঁড়ানোর আগে–পরে যা করবেন, যা করবেন না
==================================

নিশ্চিত করুন পরিচ্ছন্নতা:

ঘর, পারলার কিংবা চিকিৎসক, যেখানেই কান ফোঁড়ানো হোক না কেন, পরিচ্ছন্নতাটা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হবে। কান ফোঁড়ানোর আগে কান ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। বাড়িতে কান ফোঁড়ানো হলে সুচটি আগুনে পুড়িয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। কান ফোঁড়ানোর পর প্রতিদিন ফোঁড়ানোর জায়গাটি দেখতে হবে এবং যত্ন নিতে হবে।

অনেক সময় শিশুরা নির্দিষ্ট স্থানটি দেখতে দিতে চায় না, ভয় পায়। তাদের বুঝিয়ে নিয়ে প্রতিদিন নরম কাপড়ের গরম ভাপ দেওয়া আবশ্যক। গোসলের আগে গরম পানি দিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করে নিন। শর্ষের তেলে দুই টুকরা রসুন ছেড়ে একটু গরম করে নিন। এ তেল তুলায় ভিজিয়ে ফোঁড়ানো স্থানে দেওয়া যেতে পারে। এতে ব্যথা কমে যাবে। ঘুমানোর সময় নরম বালিশ দিতে হবে।

কান ফোঁড়ানোর পর সাবধানতা:

ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. লুনা পারভীন জানালেন, কান ফোঁড়ানোর নির্দিষ্ট বয়স নেই। কিন্তু কান ফোঁড়ানো উচিত এমন বয়সে, যখন শিশু নিজে বিষয়টি সামলাতে পারবে। তা না হলে কানের দুল ধরে টানাটানি করে বা হাতের ঘষায় ঘা তৈরি করে ফেলতে পারে। পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন পরিবেশে, জীবাণুমুক্ত উপায়ে সাবধানতার সঙ্গে কান ফোঁড়ানো উচিত। কান ফোঁড়ানোর পর সেরে ওঠার জন্য কমপক্ষে সাত দিন সময় দিতে হবে।

তবে ক্ষতস্থান সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে, ভিজতে দেওয়া যাবে না। জীবাণুনাশক ক্রিমগুলো লাগানো যেতে পারে। কানে বারবার হাত দেওয়া যাবে না। কানের দুল সোনার হলে ভালো। অসাবধানে আঘাত যেন না লাগে, খেয়াল রাখুন। খেলার সময় শিশুকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে। পানি, শাকসবজি, ভিটামিন সি–জাতীয় খাবার, ফলের রসসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে দিন এ সময়।

ছোঁয়া-Choya #কান #কানফোঁড়ানো #জেনেনিন #শিশু

Address

Gulshan 1
Dhaka
1212

Telephone

+8801915647966

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছোঁয়া-Choya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share