মা খাঁটি সম্ভার

Call Directions Contact the business

মা খাঁটি সম্ভার Education, Motivation, Religion, etc

মা খাঁটি সম্ভার | MA Khati Shombhar
🌿 খাঁটি পণ্যে, ঘরের স্বাদ
🌾 দেশি ও নির্বাচিত খাদ্যপণ্যের সম্ভার
🌶️ মসলা | হলুদ | মরিচ | খেজুরের গুড়|মধু|সরিষা তেল|চালের আটা
📩 Order via Inbox

🌿 আজকের পণ্য — হলুদ গুঁড়া 💛খাঁটি হলুদের স্বাদ ও ঘ্রাণে প্রতিদিনের রান্না হোক আরও সুন্দর—অর্ডার ও বিস্তারিত জানতে ইনবক্স ...
23/09/2026

🌿 আজকের পণ্য — হলুদ গুঁড়া 💛
খাঁটি হলুদের স্বাদ ও ঘ্রাণে প্রতিদিনের রান্না হোক আরও সুন্দর—অর্ডার ও বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

🌿 মা খাঁটি সম্ভারে স্বাগতম 🌿হলুদ, মরিচ, সরিষার তেল, খেজুরের গুড়, মধু, চালের আটা ও ঘরোয়া খাদ্যপণ্যের আপডেট পেতে Page-টি ...
23/09/2026

🌿 মা খাঁটি সম্ভারে স্বাগতম 🌿
হলুদ, মরিচ, সরিষার তেল, খেজুরের গুড়, মধু, চালের আটা ও ঘরোয়া খাদ্যপণ্যের আপডেট পেতে Page-টি Follow/Invite করুন। ❤️

21/09/2026

অবিবাহিত মেয়েদের একটা লাইফ সেভিং বুদ্ধি দেই শোনো

তুমি যদি হও দেশের প্রথম শ্রেনীর স্কুল কলেজ ও ভার্সিটিতে পড়া উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে,বিয়ে করবা বাহিরের দেশে বাপ মা চৌদ্দ গুষ্টি নিয়ে সেটেল্ড এমন ছেলের সাথে।সেখানে গিয়ে তুমি কাজ থেকে ফিরে যদি ক্যান থেকে বের করা ফিস জাস্ট বেকড করে হাজবেন্ডের সামনে ধরো বা সকালে একটা বয়েল এগ ও ফ্রুটস স্যালাদ তো ঐ হাজবেন্ড মহাখুশি কারন ওর মা ও ওদের এই লাইফেই অভ্যস্ত করেছে।এতে তোমার লেবেল অনুযায়ী কাজও হবে কম,প্রশংসাও পাবা মাইন্ড রিফ্রেশিং।কারন সে তোমার কাজের কদর করবে।

আর যে মেয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা পাবলিক যেখানেই পড়ো,বড় হয়েছো সকালে উঠে ভাত বা আলুভাজি রুটি খেয়ে।সে বিয়ে করবা দেশের বিভাগীয় বা সিটি শহরে বসবাসরত পরিবারে।গিয়ে দেখবা এদের সকালে এসে বুয়া রুটি,ভাজি,সবজি কেটে অর্ধেক কাজ গুছায় রাখে।তুমি উঠে জাস্ট চা এবং ডিমের অমলেট করলেই তুমি বেশ সংসারী মেয়ে বলে গন্য হবা।এইখানে তুমি একটা পুডিং বা সেমাই বানালেও তোমার শ্রম সবার কাছে মূল্যায়িত হবে।

এরপর যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে, লেখাপড়ায় এভারেজ, টার্গেট সংসার।এরা বিয়ে করবা শহরের ব্যবসায়ী বা প্রবাসী ছেলে।মিনিমাম ওয়ার্কলোডে ম্যাক্সিমাম মূল্যায়ন পাবা।

আর যারা নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে যাদের বাবার আছে ধান পাটের ব্যবসা, এরা বিয়ে করবা গরুর ফার্ম ও মাছের হ্যাচারি আছে এমন পরিবারে।কারন সব ফার্মে কাজ করার জন্য হাফ ডজন লোকই থাকে।এরা হরহামেশাই তোমারে সংসারের কাজে সাহায্য করবে।সেই জায়গায়ও তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

মোট কথা তুমি যে লেবেলে বড় হয়েছো তার চেয়ে উপরের দিকে সাঁতরাতে হবে,তবেই তোমার কাজের মূল্যায়ন হবে।

কিন্তু শিক্ষায়,পরিবেশে, অবস্থানে এ গ্রেড থেকে ডিগ্রেডে নামলেই ফেসে যাবা।তখন তুমি চাকরি করে,বাচ্চা পেলে, দুই বেলা তিন তরকারি দিয়ে ভাত দিয়েও কাজের মূল্যায়ন বা প্রশংসা পাবা না।কারন তোমার তুলনা হবে গরু ছাগল হাঁস মুরগী পালা,ঝাকায় ঝাকায় মাছ কাটা,মাটির চুলায় পাতা পুড়িয়ে রান্না করা,ফজরের ওয়াক্তে উঠে উঠান ঝাড়ু দেওয়া নারীর সাথে।যেখানে তোমার শ্রম সারাজীবনই উপেক্ষিত থাকবে,কারন তাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নারী মানে এই লেবেলে নেমে শ্রম দেওয়া।কিন্তু তুমি যে জীবনে বাসায় মাছটাও কাটো নাই,কাপড়টাও হেল্পিং হ্যান্ড পরিষ্কার করা লেবেল থেকে এসে একহাতে ফ্রিজ ম্যানেজ থেকে খাওয়ার টেবিল ম্যানেজ করে চলছো,এর মূল্যায়ন পাবা না কোনোদিনই।

তাই বস যা বলি শুনো,বিয়ে করার আগে ছেলের মায়ের রান্নাঘর আগে দেখবা, ঐখানে গিয়ে তুমি অন্তত এক কাপ চা বানিয়ে খাওয়ার উপযোগি কিনা।যদি দেখো না,তাহলে ঐ বিষ গেলার আগেই কেটে পরো।না হলে আজীবন তোমার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী হাইয়েস্ট লেবেলে গিয়ে শ্রম দিলেও এক ফোঁটা মূল্যায়ন পাবা না...…

বিয়ে করবা এমন যে শাশুড়ী সকাল ৮ টায় উঠে চোখ কচলাবে আর তুমি ৯ টায় উঠে হাই তুলবা।শাশুড়ী পার্লারে গিয়ে হার্বাল ফেসিয়াল করলে তুমি পার্লারে গিয়ে করবা হাইড্রা ফেসিয়াল

C

আগের দিনে মানুষ মারা গেলে আত্মা নাকি ঘুরে বেড়াতো আর এখনমানুষের আত্বা মারা যায়,মানুষ ঘুরে
18/09/2026

আগের দিনে মানুষ মারা গেলে আত্মা নাকি ঘুরে বেড়াতো আর এখন
মানুষের আত্বা মারা যায়,মানুষ ঘুরে

16/09/2026

কিছু কথা বলবো। মেনে চললে ইনশাআল্লাহ উপকৃত হবেন।

১) রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়বেন। কমপক্ষে ১১টার মধ্যে তো অবশ্যই। ১০টায় ঘুমাতে পারলে আরও ভালো। রাত জেগে কাজ না করে কাজগুলো ফজরের পরের জন্য রাখুন।

২) রাতে ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। অবশ্যই সহজপাচ্য খাবার। এতে হজমের নানা সমস্যা কমে আসবে।

৩) ফজরের আগে বিছানা ছাড়বেন। ঘুম থেকে উঠে অন্য যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে, এমনকি রুম টেম্পারেচারে থাকা পানি খাওয়ার আগেও এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খাবেন প্রতিদিন।

৪) ফজরের আযকার শেষ করে সারাদিনের জন্য রুকইয়াহ পানি পড়া রেডি করে রাখবেন। এখন প্রায় সবারই বদনজর, হাসাদ এসব সমস্যা হয়ই। তাই প্রতিদিন রুকইয়াহ পানি খাওয়া ও রুকইয়াহ গোসল দেওয়া ভালো। প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে একদিন!

৫) সকালের সময়টায় যত বেশি কুরআন তিলাওয়াতে সময় দিবেন, সারাদিন তত বেশি বারাকাহ্ পাবেন। বিশেষ করে সূরা বাকারাহ তিলাওয়াত করার চেষ্টা করবেন, যত আয়াত পারেন। এটা অসম্ভব ফজিলতপূর্ণ সূরা।

৬) মেয়েরা ঘরের কাজকর্মে পরিশ্রম করে। তবুও বলবো, প্রতিদিন অন্তত ১৫/২০ মিনিট আলাদা করে এক্সারসাইজ করবেন। বডির প্রতিটা জয়েন্টের মুভমেন্ট খুব দরকার। স্কোয়াট, বাটারফ্লাই পোজ, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ ইউটিউব দেখে শিখে নিবেন। এক্সারসাইজ করলে শরীর ফুরফুরে থাকবে। মন-মেজাজ তুলনামূলক ভালো থাকবে। বয়স যেমনই হোক, বডি টোনড থাকবে।

৭) সূর্যের আলো গায়ে মাখার আগে ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হওয়া উচিত নয় আসলে। আমার নিজেরই এই বদঅভ্যাস আছে। চেষ্টা করছি নিজেকে পরিবর্তন করার। সূর্যের আলোতে কিছুক্ষণ বসে তারপর প্রয়োজনে ফোন হাতে নেওয়া উচিত।

৮) সকালে তো সবারই ফোনটা হাতে নেওয়াই হয়। হোক তা প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে। ফোন হাতে নিয়ে বিকাশ, নগদ, রকেট যে অ্যাপ আপনার কাছে এভেইলএবল, সে মাধ্যমে বিশ্বস্ত কোনো ফান্ডে সদকাহ্ করে দিবেন।

সকালে একদল ফেরেশতা দুনিয়ায় আসে, যারা দানশীলের জন্য বরকতের দুআ ও কৃপণের জন্য ধ্বংসের দুআ করে যায়। হোক ১ টাকা, সামান্য দান করেও আপনি ফেরেশতার বরকতের দুআ পেতে পারেন ও ধ্বংসের দুআ থেকে বেঁচে যেতে পারেন।

সদকাহ্ করার কোনো অপশন না পেলে মনে মনে নিয়্যাত করে আলাদা টাকা সরিয়ে রাখবেন। পরে বাসা থেকে বের হলে বা সুযোগ বুঝে সদকাহ্ করে দিবেন।

৯) দুধ চা খাওয়া ছেড়ে দিবেন। হ্যাঁ, এটা আমি 'চাখোর' বলছি। যে আমার নিজেরই দুধ চা ছাড়া চলতো না। সত্যি বলছি, দুধ চা খাওয়া ছাড়তে পারলে আপনি অনেক বেশি উপকৃত হতে পারবেন সবদিকে!

১০) দেশীয় ফল খাবেন প্রতিদিন। যেই সিজনে যা পান, সেটাই খাবেন।

১১) রোদে বসবেন প্রতিদিন ১০/১৫ মিনিট। ভিটামিন ডি এর অভাবে এ দেশের অধিকাংশ মেয়েরা কোমরব্যথা, মুড সুইংসহ নানা সমস্যায় ভুগে। ভিটামিন ডি লেভেল কমে গেলে ডাক্তার দেখিয়ে সাপ্লিমেন্ট নিবেন, পাশাপাশি রোদে বসতে হবে।

পর্দা মেইনটেইন করে কিভাবে রোদে বসাটা ম্যানেজ করা যায় বলতে পারছি না। আল্লাহকে বলবেন সহজ করে দিতে। তাঁর দেওয়া শরীর। তিনিই ব্যবস্থা করবেন।

১২) ইউরিন আর ইস্ট ইনফেকশন কমন সমস্যা। লেবু খাবেন প্রতিদিন। প্রোবায়োটিক রাখবেন (টকদই বা প্রোবায়োটিক আচার যেটা সুবিধা হয়)।

১৩) অলস বসে থাকবেন না। এমন কিছু করবেন, যাতে নিজের ও অন্যের দুনিয়া এবং আখিরাতের কল্যাণ সাধন হয়। কারও ক্ষতি না হয়।

১৪) সারাদিন জবানকে যিকরে ব্যস্ত রাখবেন। দুরুদ ও ইস্তেগফার করবেন। ইনশাআল্লাহ সব কাজে সহজতা আসবে।

১৫) অযু নষ্ট হলে অযু করে নেওয়া ভালো। অধিক পরিমাণে অযুকারীর অঙ্গ কেয়ামতের দিন উজ্জ্বল হবে।

১৬) দুপুরের খাবারের এক ঘণ্টা পর মৌরি ফুটিয়ে সেই পানি খেতে পারেন। শরীর হালকা লাগবে।

১৭) চুলে প্যাক লাগাবেন মাঝে মাঝে। নখে, হাতে মেহেদী দিবেন। এটা নারীদের জন্য সুন্নাহ আমল। আর নখ ছোট রাখবেন।

১৮) চেষ্টা করবেন, সপ্তাহে তিন-চার দিন হলেও শরীরে তেল মাখার। গরম লাগলে গোসলের আগে ম্যাসাজ করে তারপর গোসল দিবেন। জয়তুন তেল হলে ভালো হয়।

১৯) প্রতিদিন গোসল করবেন। গোসলের আগে পরা কাপড় আবার গায়ে দিবেন না। এই অভ্যাস মোটেই ভালো না। বাসার জন্য সুন্দর, হালকা ঘ্রাণের আতর রাখবেন৷ পরিষ্কার ও সুবাসিত থাকলে সব মেয়েকেই সুন্দরী লাগে। (নন-মাহরামের সামনে সুগন্ধি ব্যবহার নিষেধ)

২০) কয়েক মাস পর পর হিজামা করবেন। শরীর ব্যথামুক্ত থাকবে ইনশাআল্লাহ। হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ এটি। হাদিসে বর্ণিত, সবচেয়ে উত্তম চিকিৎসা হিজামা।

২১) দাঁত ও জিহ্বা পরিষ্কার রাখবেন।মিসওয়াক করবেন। জয়তুনের মিসওয়াক সবচেয়ে ভালো। দাঁত একদম চকচকে লাগে।

২২) জিনিসপত্র অকারণে জমিয়ে জমিয়ে রাখবেন না। এক্সট্রা কিছু থাকলে, সেটা আপনার প্রয়োজন না হলে অন্য কোনো নিডি মানুষকে দিন। আল্লাহ আপনাকে বরকত দিবেন। দেওয়ার ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনদের প্রাধান্য দিবেন।

২৩) মাঝে মাঝে সাজগোজ করতে হয় মেয়েদের। জীবনে যত সমস্যা থাকুক, বয়স ৫০+ হোক, হালাল রংঢং বাদ দিবেন না। এটা মেয়েদের সৌন্দর্য। রিজনেবলেই এখন কাজল, লিপ অয়েল পাওয়া যায়। দু-একটা কালেকশনে রাখবেন।

২৪) যাদের বয়স ৩০+ হয়ে গেছে, কিন্তু বিয়ে হয়নি, ফেসবুকের আবুল তাবুল কথায় নিজেকে ছোট ভাববেন না। আল্লাহ ইজ্জত দেন। সম্মানিত করেন। অন্য মানুষ যেমন, আপনিও আল্লাহর কাছে তেমনই। তো আপনি আপনার সমমানের কারও কথায় এত হতাশ হবেন কেন?

দুআ করবেন প্রচুর উত্তম জীবনসঙ্গীর জন্য। কিন্তু আল্লাহর সিদ্ধান্তেও সন্তুষ্ট থাকবেন। দুআ করি, আল্লাহ অবিবাহিত বোনদের উত্তম বর ও উত্তম ঘর মিলিয়ে দিন। বিবাহিতদের সংসারে বারাকাহ্ দিন।

২৫) দুআ করতে গিয়ে অন্যের জন্য দুআর কথা মনে এলো। নিজের পাশাপাশি অন্যের জন্য দুআ করবেন। এতে মন হিংসা থেকে মুক্ত থাকবে৷ হিংসা খুব খারাপ জিনিস। এটা নিজেকে পোড়ায়, সেই সাথে অন্যকেও।

২৬) মাঝে মাঝে খালি পায়ে মাটিতে হাঁটবেন। এটা সুন্নাহ। বাড়ির আঙ্গিনায়, বেলকনিতে ফুলের গাছের পাশাপাশি বিভিন্ন সবুজ, ঔষধি গাছ যেমন-নিম,কারিপাতা ইত্যাদি গাছ রোপণ করবেন৷

২৭) অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং মারাত্মক ক্ষতিকর। সালাতের খুশু-খুযু নষ্ট হয় এর কারণে। আমার নিজেরই ইদানীং এই অভ্যাস বেড়েছে। আল্লাহ আমাকেসহ অন্য যারা এই কুঅভ্যাসে জড়িত, তাদের হিদায়াত দিন।

২৮) মা-বাবার সাথে সদাচরণ করবেন। তাদের জন্য দুআ করবেন। ইনশাআল্লাহ আপনার দুআ কবুল হবে। রিজিকে বরকত হবে। আমি যেদিন আমার মা-বাবার সাথে কর্কশ কণ্ঠে কথা বলি, আমার দুনিয়া এলোমেলো হয়ে যায়। শরীর ভার লাগে। আল্লাহ এই ব্যাপারে বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন ও মা-বাবার সাথে সদাচরণের তওফিক দিন।

২৯) একাকী খাবেন না। ভাগযোগ করে খাবেন। পরিবারের সাথে একসঙ্গে বসে খাবেন। পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হবে। মোহাব্বত বাড়বে। রান্না থেকে অল্প অল্প আশেপাশের মানুষকে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আর খাবার খাওয়ার সময় ফোন চালাবেন না বা দেখবেন না৷

৩০) দুপুরে খাবার খাওয়ার পর একটু ঘুমাবেন। এটাকে কাইলুলা বলে। শয়তান কাইলুলা অপছন্দ করে আর ফজরের পরের ঘুমকে পছন্দ করে। ফজরের পর না ঘুমিয়ে সারাদিনের বাকি কাজ গুছিয়ে নিবেন। ইনশাআল্লাহ বরকত পাবেন।

৩১) কখনোই মনে করবেন না, আপনার যোগ্যতা আছে বলেই যোগ্য স্থানে যাবেন। কখনোই মনে করবেন না, বাবা বা স্বামী আপনার রিজিকদাতা। কখনোই মনে করবেন না, আপনি কাজে দক্ষ বলে নিজের টাকায় নিজে চলতে পারেন। কখনোই মনে করবেন না, আপনি পড়াশোনায় ভালো বলে ভালো রেজাল্ট করেন। কখনোই মনে করবেন না, আপনার লেখা ভালো, তাই মানুষের হৃদয়ে দাগ ফেলে।

বরং, সকল কিছুর ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লাই একক ক্ষমতাবান। তিনি দেন বলেই আমরা পাই। তিনিই করেন সবকিছু। আমাদের শ্রম, মেধা, চেষ্টা, সম্মান, অর্জন তাঁর তওফিকেই হয়। এই বিশ্বাস নিজের মাঝে গেঁথে নিতে পারলে আপনি জীবনে অনেক কিছুই করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

পয়েন্টগুলো বেশ এলোমেলো হয়েছে জানি। যখন, যেভাবে, যা মাথায় এসেছে, তাই তাই লিখেছি। লেখাটা আমার জন্যই লিখেছি। আপনাদের সামান্য উপকার হলে এটাই আমার পাওয়া।

(কার্টেসী ব্যতীত কপি করবেন না প্লিজ)
~ তাহিয়া ইসলাম

রুচিহীন পুরুষের ঘরে যতই উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী বউ অথবা সুন্দরী বউ থাকুক নজর তার অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত ক্লাসলেস মেয়ে অথবা ...
14/09/2026

রুচিহীন পুরুষের ঘরে যতই উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী বউ অথবা সুন্দরী বউ থাকুক নজর তার অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত ক্লাসলেস মেয়ে অথবা বাজে চরিত্রের মেয়ে অথবা বাড়ির গৃহকর্মীর দিকে যাবে। রাফসানের বউ ছিল ডাক্তার, ববির বউ ও কিন্তু কম সুন্দরী ছিল না, আলভীর বউ ইকরাও কিন্তু ভাল ঘরের মেয়ে ও ভাল একটা পাবলিকের স্টুডেন্ট ছিল, জামালপুরের ডিসির বউ অনেক সুন্দরী ছিলেন, শাকলায়েনের ওয়াইফ একজন গুনী বিসিএস ক্যাডার। নারীদের সব সময় বুঝতে হবে সে যে পুরুষকে চায় সেই পুরুষটার নজর নিচুর দিকে নাকি উপরের দিকে। যে পুরুষ বেশ্যালয়ের নারীর মাঝে ফূর্তি পায় তাকে কোনভাবেই ধরে রাখা যায় না। যে পুরুষের ডোপামিন রিলিজ হয় গৃহকর্মীর দিকে বাজে দৃষ্টিতে তাকিয়ে তার কাছে হাই ক্লাস বউ থাকলেও লাভ নেই।

08/09/2026

“আমি তো এত দোয়া করলাম, কিন্তু কিছুই তো হলো না!”


এই কথাটা হয়তো আমরা অনেকেই কোনো না কোনো সময় বলেছি।

কখনো অনেকদিন ধরে একটা জিনিস চেয়েছি। বারবার দোয়া করেছি। কিন্তু যখন দেখি পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না, তখন মনে হয়, আল্লাহ হয়তো আমার দোয়া শুনছেন না।

কিন্তু একটু থামুন।

আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দাদের জীবন দেখলেও কি আমরা এমনটা বলতে পারি?

নূহ (আ.) প্রায় সাড়ে নয়শ বছর তাঁর জাতিকে দাওয়াত দিয়েছেন। এত দীর্ঘ সময় দাওয়াত দেওয়ার পরও তাঁর নিজের স্ত্রী ও সন্তান পর্যন্ত তাঁর কথা মেনে নেয়নি।

আইয়ুব (আ.) দীর্ঘ সময় কঠিন অসুস্থতার মধ্যে ছিলেন।

ইয়াকুব (আ.) তাঁর প্রিয় সন্তান ইউসুফ (আ.)-কে হারিয়ে বছরের পর বছর কেঁদেছেন।

তাহলে কি তাঁদের দোয়া আল্লাহ শুনছিলেন না?

অবশ্যই শুনছিলেন।

কিন্তু আল্লাহ সবসময় আমাদের চাওয়া অনুযায়ী, আমাদের সময় অনুযায়ী জবাব দেন না।

এর সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণ পাওয়া যায় ইমরানের স্ত্রীর ঘটনায়।

তিনি যখন গর্ভবতী ছিলেন, তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, তাঁর গর্ভের সন্তানকে আল্লাহর ঘরের খেদমতের জন্য উৎসর্গ করবেন।

তখন তাঁর ধারণা ছিল, সন্তানটি ছেলে হবে।

কিন্তু সন্তান জন্ম নেওয়ার পর দেখলেন, এটি মেয়ে।

তিনি বললেন, “হে আমার রব! আমি তো কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছি।”

তাঁর মনে হয়েছিল, তাঁর পরিকল্পনাটা হয়তো আর পূরণ হবে না।

কারণ সে সময় তাঁর ধারণা ছিল, একটি ছেলে হলে যেভাবে সে আল্লাহর ঘরের খেদমত করতে পারত, একটি মেয়ে হয়তো তা পারবে না।

কিন্তু তিনি জানতেন না, আল্লাহ তাঁর জন্য কী রেখেছেন।

আল্লাহ বলেন,

“তার রব তাকে উত্তমভাবে গ্রহণ করলেন এবং তাকে সুন্দরভাবে বড় করে তুললেন।”

সেই মেয়েটিই ছিলেন মারিয়াম (আ.)।

তিনি শুধু আল্লাহর ঘরের খেদমত করার সুযোগই পেলেন না। আল্লাহ তাঁকে এমন মর্যাদা দিলেন, যা তাঁর মা কল্পনাও করতে পারেননি।

তাঁর গর্ভেই জন্ম নিলেন ঈসা (আ.)।

আর মারিয়াম (আ.)-এর নামে কোরআনে একটি পূর্ণ সূরার নাম রাখা হয়েছে।

ভাবুন তো, একজন মা চেয়েছিলেন একটি ছেলে, যে আল্লাহর ঘরের খেদমত করবে।

আল্লাহ তাঁকে দিলেন মারিয়াম।

অর্থাৎ, তিনি যা চেয়েছিলেন, আল্লাহ শুধু সেটাই দেননি। বরং তাঁর জন্য আরও বড় কিছু নির্ধারণ করে রেখেছিলেন।

কখনো কখনো আমাদের দোয়ার ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়।

আমরা ভাবি, “এটাই আমার জন্য সবচেয়ে ভালো।”

কিন্তু আল্লাহ জানেন, এর চেয়েও ভালো কিছু সামনে অপেক্ষা করছে।

আবার কখনো দোয়ার জবাব আসতে দেরি হয়।

মারিয়াম (আ.)-এর জীবনেও এমন একটি মুহূর্ত এসেছিল।

ঈসা (আ.)-কে গর্ভে ধারণ করার পর যখন প্রসববেদনা শুরু হলো, তখন তিনি এতটাই অসহায় হয়ে পড়েছিলেন যে বলেছিলেন,

“হায়! এর আগে যদি আমি মারা যেতাম এবং সম্পূর্ণ বিস্মৃত হয়ে যেতাম!”

যিনি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে বেড়ে উঠেছেন, যাঁর কাছে জিবরাইল (আ.) এসেছেন, তিনিও চরম কষ্টের মুহূর্তে এমন কথা বলে ফেলেছিলেন।

এরপর কী হলো?

আল্লাহ তাঁকে সেই অবস্থায় একা ছেড়ে দিলেন না।

তাঁর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করলেন। পানির ব্যবস্থা করলেন। তাঁর ভয়, কষ্ট আর অসহায়ত্বের মধ্যেই সাহায্য পাঠালেন।

কখনো কখনো আমরা দোয়া করে শুধু একটা জিনিসের অপেক্ষায় থাকি।

“আল্লাহ, এটা আমাকে দাও।”

কিন্তু আল্লাহ হয়তো আমাদের জন্য অন্য কিছু লিখে রেখেছেন।

হয়তো আমরা একটি দরজা খুলতে বলছি, অথচ আল্লাহ জানেন ওই দরজার ওপাশে আমাদের জন্য ক্ষতি আছে।

হয়তো আমরা একটি জিনিস পেতে দেরি করছি, কারণ আল্লাহ সেটাকে আরও সুন্দর সময়ে দেওয়ার জন্য রেখে দিয়েছেন।

তাই দোয়া কবুল হতে দেরি হচ্ছে মানেই দোয়া শোনা হচ্ছে না, এমন নয়।

আপনি দোয়া করুন।

কাঁদুন।

বারবার চাইতে থাকুন।

কিন্তু ফলাফলটা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।

কারণ আপনি শুধু জানেন আপনি কী চান।

আর আল্লাহ জানেন আপনার আসলে কী প্রয়োজন।

হয়তো আজ আপনি একটা ছোট্ট নেয়ামতের জন্য কাঁদছেন।

অথচ আপনার রব আপনার জন্য মারিয়ামের মতো এমন কিছু লিখে রেখেছেন, যার সৌন্দর্য আপনি আজ কল্পনাও করতে পারছেন না।


(লেখাটি 'How Duaa Works' লেকচার অবলম্বনে)

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801614515999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা খাঁটি সম্ভার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মা খাঁটি সম্ভার:

Shortcuts

Share