20/04/2021
#অজওয়া খেজুর
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন," যে ব্যক্তি সকাল বেলায় সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে,সেদিন তাকে কোন বিষ বা জাদু ক্ষতি করবে না। "
মদীনার উঁচু ভূমির অঞ্চলের আজওয়া খেজুরে আরোগ্য রয়েছে, অথবা প্রতিদিন সকালে এর আহার বিষনাশক হিসাবে কাজ করে...
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী খেজুর হচ্ছে মাদিনার আজওয়া খেজুর,
এটি একটি সাধারন ফল/খাবর নয় বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ,
বারাকাত পূর্ণ খাবার ও নিরাময় যা হাদিস দ্বার প্রমাণিত।
জুম্আ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ... সা'দ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে না।
حَدَّثَنَا جُمْعَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ، أَخْبَرَنَا عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ تَصَبَّحَ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرُّهُ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ سُمٌّ وَلاَ سِحْرٌ ".
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)- হাদিস নাম্বার: ৫০৫১
(৫৩৫৬, ৫৩৫৭, ৫৩৬৪, ৫১৬৬, ৫১৬৮, ৫৪৪৫)
■ আজওয়া খেজুরের উপকারীতা হাদিস দ্বারা প্রমানীত তাই রোগের প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহার করুন, নিরাপদ জীবন যাপন করুন।
--------------------------------------------------------------
#আজওয়া খেজুরের উপকারিতা
------------------------------------
■ আজওয়া খেজুর সম্পর্কে,রাসুল(সা:)এর হাদিস: হযরত সাদ(রা:)থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,আমি রাসুল (সা:) কে বলতে শুনেছি,যে ব্যক্তি ভোরবেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে,সেদিন কোন বিষ, বা যাদু তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
■ আজওয়া খেজুর হলো দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মানের খেজুর।-সহিহ বুখারী:৫৩৫৭।
■ হযরত আয়েশা (রা:)থেকে বর্নিত তিনি বলেন, হযরত রাসুল (সা:)বলেছেন নিশচয় মদীনার আজওয়া খেজুর রোগ নিরাময়- কারী এবং প্রাতঃ কালিন প্রতিষেধক। -সহিহ মুসলিম।
কেন খাবেন এই খেজুর!
কারন এটা সকলের জন্য মহাঔষধ
-----------------------------------------
১। লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
২। অন্ত:সস্তা নারীর সন্তান জন্মের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন প্রসারন ঘটিয়ে প্রসব হতে সাহায্য করে।
৩। ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহব্বরের ক্যান্সারজনিত রোগ নিরাময় করে।
৪। প্রসব প্রবর্তী কোসঠকাঠিন্য ও রক্ত ক্ষরন কমিয়ে দেয় ।
৫। এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
৬। এতে রয়েছে ৭৭.৫%কার্বোহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
৭। এতে আছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ যা হাড়,দাঁত,নখ, ত্বক, ও চুল ভাল রাখতে সহায়তা করে ।
৮। আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুকি কমায়,হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলির শক্তি বৃদ্ধি করে।
৯। পৃথিবীর ইতিহাসে যৌন শক্তির এক মহাঔষধ, যা এক মাএ আল্লাহ তায়ালার পক্ষথেকে আজওয়া খেজুর বিশ্ববাসির জন্য নেয়ামত, আজওয়া খেজুরের বরকতেই মক্কা ও মদীনা বাসির দাম্পত্বী জীবন সবচাইতে মধুময় ।
১০। আজওয়া খেজুর, ত্বকের উজ্জলতা বাড়ায়,চেহারাকে করে লাবন্যময় এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এই খেজুর দৃষটি শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ন কাজ করে।
তাই সুস্থ ও সুখিময় জীবন গড়ার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর খাওয়া জরুরী।
#আজওয়া খেজুরের ইতিহাসঃ.
#আজওয়া খেজুর সম্পর্কে আরও কিছু তথ্যঃ
১। লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে।
২। অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন। প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে।
৩। ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
৪। প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।
৫। এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। এতে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।
৬। এতে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।
৭। স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৮। আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৯। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
১০। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
১১। ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
১৩। নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত।
খেজুর সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ নরমাল ফ্রিজে কাগজের প্যাকেট অথবা পলি প্যাকেটে রেখে দীর্ঘ দিন খেতে পারেন, এর স্বাদ ও মান অপরিবর্তনীয় থাকবে, ইংশা আল্লহ্। নরমাল ফ্রিজে ভালো মানের খেজুর শক্ত হয়ে থাকে, অনেকটা চকোলেট এর মত, চকোলেট ফ্রিজে রাখলে যেমন শক্ত হয়ে থাকে।