27/05/2026
১০ জিলহজ… ঈদের সকাল। চারদিকে শুধু তাকবিরের ধ্বনি— “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ…” এই দিনটা শুধু আনন্দের দিন না, এটা আল্লাহর জন্য আত্মসমর্পণের দিন।
রাসূল ﷺ বলেছেন, “কুরবানীর দিনের আমলগুলোর চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রিয় আমল আর নেই।” (তিরমিজি)
আল্লাহ বলেন: “তোমার রবের জন্য সালাত আদায় করো এবং কুরবানী করো।” — (সূরা আল-কাওসার 108:2)
ইব্রাহিম (আঃ) স্বপ্ন দেখলেন— তিনি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ইসমাইল (আঃ)-কে কুরবানী করছেন। তিনি থামলেন না, দ্বিধা করলেন না। কারণ তাঁর কাছে আল্লাহর ভালোবাসাই ছিল সবচেয়ে বড়।
আল্লাহ বলেন: “তুমি তোমার স্বপ্ন সত্যি করেছ…” (সূরা আস-সাফফাত 37:104–105)
এরপর আল্লাহ রহমত করে ইসমাইল (আঃ)-এর পরিবর্তে পাঠালেন একটি দুম্বা। এই ঘটনা আমাদের শেখায়— ত্যাগ, আনুগত্য ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভালোবাসা। কুরবানী শুধু পশু জবাই না, এটা নিজের ভেতরের অহংকার, লোভ ও গুনাহ কুরবানী করার নাম।
আল্লাহ বলেন: “আল্লাহর কাছে না তাদের গোশত পৌঁছে, না রক্ত… বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।”
(সূরা আল-হাজ্জ 22:37)
আরাফাহ আমাদের শেখায়— ক্ষমা সবসময় কাছে, আর কুরবানী শেখায়— ত্যাগই আসল ইমান।