ToonToon Shop - টুনটুন শপ

Website

ToonToon Shop - টুনটুন শপ স্ক্রিন আসক্তির এই সময়ে একটি শিশু বই হাতে নিয়ে পড়ছে- এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে??

গ্যালারিতে বইয়ের যত ছবি ছিল সব ডিলেট করে দিয়েছি কয়েকদিন আগে শুধু খেলনার ছবিটা আছে। এই ব্যস্ততায় আর ফিরতে চাই না। চার কন্...
07/07/2026

গ্যালারিতে বইয়ের যত ছবি ছিল সব ডিলেট করে দিয়েছি কয়েকদিন আগে শুধু খেলনার ছবিটা আছে। এই ব্যস্ততায় আর ফিরতে চাই না। চার কন্যার জননী হিসেবে আমার একটু রিল্যাক্স থাকা দরকার। ইদানীং কোন প্রকার চাপ নিতে পারছি না। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ ভালো রেখেছেন। আল্লাহ যেনো তার পছন্দসই জীবনযাপন করার তাওফিক দেন।

ফেসবুক ব্যবহার করা হয় না, পেইজেও আসা হয় না। আপনাদের কথা মনে পড়লে মাঝেমধ্যে আসবো, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাদেরকে ভালো রাখুন। ঈমান এবং আমলের সাথে রাখুন। জান্নাতের পথ সুগম করে দিন। সন্তানদের চক্ষুশীতলকারী বানিয়ে দিন। জীবনকে অর্থবহ করে দিন। আমিন।

04/07/2026

লেখাটা খুব ভালো লেগেছে। শেয়ার না করে পারলাম না।
🍓🍓🍓🍓🍓🍓🍓🍓
ভাইলোগ, বেহনো, জামাই-বৌ কোনো প্রোডাক্ট না, যে কিছুদিন ব্যবহার করার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় রিভিউ দিতে হবে।
প্রোডাক্টসের রিভিউ দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে, যেন অন্যরা সেইম প্রোডাক্ট কিনতে গেলে রিভিউ দেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু আপনার বৌয়ের বা জামাইর তো কোনো কপি নাই, যে আরেকজন কিনে ব্যবহার করবে। আপনার রিভিউ দেখে যদি আপনার বৌকে বা জামাইকে অন্যের পছন্দ হয়ে যায় তখন কী করবে লোকেরা?

দাম্পত্য জীবনে অনেস্ট রিভিউ পাবলিকলি তো দূর কি বাত ব্যক্তিগতভাবেও দরকার নেই। প্রয়োজন আপনার সঙ্গীর ভালো গুনগুলোর এপ্রিসিয়েশান, খারাপবৈশিষ্ট্যগুলো ওভারলুক করা। আর এই এপ্রিসিয়েশানটা দরকার আপনার সঙ্গীর, কেবলই তার। তাই একান্তে তার প্রশংসা করুন, এপ্রিশিয়েট করুন। এমনভাবে মূল্যায়ন করুন যেন সে সত্যিই নিজেকে ধন্য মনে করে; আপনি তো তাকে খুশি করতে চাচ্ছেন, বাজারে তুলতে চাইছেন না।

তাছাড়া জামাই-বৌয়ের রিভিউ কালচার শুরু হলে সঙ্গীর খারাপ বৈশিষ্ট্য থাকলে তারও তো রিভিউ দিতে হবে, অনেস্ট রিভিউয়ার পয়েন্ট অব ভিউ থেকে। সেটা কি ভালো হবে?

আপনার সঙ্গী ভালো হলে আল্লাহর শোকর আদায় করুন, একান্তে তাকে প্রশংসা করুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে সঙ্গীর প্রশংসা, বিশেষত নারীদের প্রশংসা করা খুবই ছ্যাবলা পুরুষদের কাজ।

আবার এর খারাপ প্রভাব শুধু সমাজেই না, যারা এগুলো করে এদের ব্যক্তি জীবনেও পড়ে। মানুষের নজর লাগে। রোগবালাই লেগেই থাকে। কিছুদিন আগে একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রীর বিশাল প্রশংসা করার কিছু দিনের মাথায় ডিভোর্স হওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে।

আজকাল দাম্পত্য জীবনে সুখী মানুষের সংখ্যা খুবই কম। এসব ছ্যাবলামি দেখে তাদের সংকট আরও বাড়তে পারে। এদের বদদোয়াও আপনার জীবনে পড়তে পারে।

তাই ভদ্রতা কিংবা ধর্ম সকল বিবেচনাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বামী-স্ত্রীর রিভিউ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

লেখাঃ Ahmed Rafique

01/07/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ

আপুরা, সবাই কেমন আছেন? আপনাদেরকে মিস করি খুব। প্রায়ই মনে হয় একটু পেইজে ঢু মারি। কিন্তু হয়ে উঠে না। পেইজের আপুরা যদি রিয়েল লাইফের আপু হয়ে যেতেন!❤️

মেজো পলিথিন দিয়ে পুতুল বানিয়েছে। দেখে মনে হলো, পরীর গল্প তো অনেক শুনলাম ছোটবেলায়, দেখলাম না। দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। কন্যা ...
23/04/2026

মেজো পলিথিন দিয়ে পুতুল বানিয়েছে। দেখে মনে হলো, পরীর গল্প তো অনেক শুনলাম ছোটবেলায়, দেখলাম না। দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। কন্যা আমার বাল্যকালের ইচ্ছে পূরণ করেছে।🤭🤭
অন্ধকারে দেখলে মনে হয় ভুত!👻

20/04/2026

ছোট কন্যার কথা নাকি ওদের দাদা বাড়ির প্রতিবেশী কেউ জানে না। শুনে কেমন জানি অদ্ভুত লেগেছে আমার। আমাদের বছরে ১-২ বার যাওয়া হয় ওখানে। ছোট্টু হওয়ার পর যাওয়া হয়নি এখনো। ওদের ফুপুরা ৬ বোনের পর ওদের বাবা আর চাচ্চু। মানুষের নানান কটু কথা শুনতে হয়েছে ওদের দাদুকে। তাই হয়তো মানুষের আজেবাজে মন্তব্য শোনার ভয়ে কাউকে জানাননি ওনারা।

এইদিকে আমার এই ছোট্টুটা যেনো আমার পুরো কলিজা। ও গর্ভে থাকতে যখন জেন্ডার জানতাম না, স্বাভাবিকভাবে ছেলেই চেয়েছিলাম কিন্তু আল্লাহকে বলেছিলাম "আল্লাহ আপনি পছন্দ করে যেটাই দেন, আমাকে তার প্রতি সন্তুষ্ট করে দিয়েন"। আল্লাহ আমার এই দুয়া কবুল করে ওর প্রতি মায়া মনে হয় একটু বেশিই দিয়ে দিয়েছেন, সুবহানাল্লাহ!! সারাদিন মনে হয়, ওকে কোলে নিয়ে বসে থাকি, আদর করি, ওর সাথে খেলা করি, ওকে বই পড়ে শুনাই। মানে পুরাই অবসেসড🤣। আগেরগুলোকে এতো বেশি করেছি বলে মনে পড়ে না।

কন্যারা গর্ভে থাকতে যাই চেয়েছি না কেন, প্রথমবার দেখে, কোলে নিয়ে আমার মনে হয়েছিলো একেই তো আমি চেয়েছিলাম! এই বাবুটা না হয়ে অন্য কোন বাবু হলে মনে হয় এতো খুশি লাগতো না🤭।

মূর্খ কাউকে কন্যাদের কথা বলতে ইচ্ছে করে না। আমার রব্বকে নিয়ে কোন নেতিবাচক মন্তব্য আমি সহ্য করতে পারি না। আমার রব্ব যে উনার অসীম দয়া থেকে আমাকে এই রত্নগুলো দিয়েছেন, আমি শুকরিয়া জানানোর ভাষা খুঁজে পাইনা। আমি কত কৃতজ্ঞ উনিই জানেন। উনি ওদেরকে দিয়ে আমার জীবনটা ভরিয়ে দিয়েছেন। আমার নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হয়।

মূর্খ যারা তারা ওদেরকে ভালো না বাসতে পারে। ওদের নিয়ে অখুশি হতে পারে। তাতে আমার যায় আসে না। মূর্খদের ভালোবাসার আমাদের কোন প্রয়োজন নেই। আল্লাহ যাদের সত্যিকারের জ্ঞান দিয়েছেন, তারা ওদের ভালোবাসবে এটা নিশ্চিত। আর আমরা জ্ঞানীদের ভালোবাসাই তো চাই। আমার এই পেইজের অনেক আপু আছেন আমার কন্যাদের ভালোবাসেন, ওদের খোঁজখবর রাখেন। জাযাহুন্নাল্লাহু খাইরন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জান্নাতের প্রতিবেশী বানিয়ে দিন। ❤️❤️

16/04/2026

(সংগৃহীত)

আমার ছোট্ট ছোট্ট সোনামণি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু কথা:

আল্লাহ তোমাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন করুন! তোমাদেরকে কল্যাণের পথে সাফল্য দান করুন!

সোনামণিরা,
জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাইলে ৬টি বিষয় খেয়াল রেখো:

১. অতিরিক্ত ঘুম ত্যাগ করতে হবে: স্বপ্ন বড় হলে ঘুমের পরিমাণ কমিয়ে পরিশ্রম বাড়াতে হবে।
২. বন্ধুদের আড্ডায় সময় নষ্ট করা ছাড়তে হবে : সবার লক্ষ্য এক হয় না, তাই সবসময় আড্ডা না দিয়ে নিজের লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
৩. অকারণে মোবাইল ব্যবহার কমাতেই হবে: অকারণে সময় নষ্ট করলে জীবনে বড় সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। সময়ের সাথে যারা অবিচার করে, বিজয়ের হাসি তাদের জন্য নয়।
৪. কষ্ট সহ্য করার মানসিকতা থাকতে হবে: কষ্ট বা ত্যাগ ছাড়া জীবনে বড় কোনো অর্জন সম্ভব নয়। লক্ষ যদের মহৎ, গন্তব্য যাদের বহু দূরে, অলসতা আর বিলাসিতা তাদের জন্য সাজে না।
৫. হাল ছেড়ে না দেওয়া: একবার ব্যর্থ হলে থেমে না গিয়ে বারবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। কবির ভাষায়: একবারে না পারিলে দেখো শত বার....হাটিতে শিখেনা কেহ না খেয়ে আছাড়।
৬. সঠিক সিদ্ধান্ত নাও এবং সিদ্ধান্তে দৃঢ়ত থাকো: আবেগ দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধি খাটিয়ে সঠিক পথ এবং সিদ্ধান্ত বেছে নিতে হবে, বিবেক দিয়ে তোমার তৎপরতা ও পরিনতির হিসেব কষো, যা তোমাকে এগিয়ে নেবে।

তোমাকে অন্যদের মতো হলে চলবেনা, অন্যদের সাথে নিজেকে মিলালেও হবে না, কারণ তোমার স্বপ্ন অনেক বড়, তোমার গন্তব্য অনেক দূরে, আর তোমার জীবনের লক্ষ ভিন্ন কিছু। তোমাকে তোমার স্বপ্ন ছুঁতে হলে কুসুমাস্তীর্ণ পথের অপেক্ষায় বসে থাকা যাবে না, কন্টকাকীর্ণ পথ মাড়িয়েই তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলে সাফল্য নিজেই তোমার দিকে এগিয়ে আসবে।

সবশেষে, মিথ্যা ও অশ্লিল বিনোদনের পেছনে সময় ব্যয় না করে শিক্ষণীয় বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকো; জীবন বদলে যাবে। ইন শা আল্লাহ

আব্দুল্লাহ আল বাকী বিন আব্দুল জলীল

14/04/2026

When you are happy,
You go to the one you love,
When you are unhappy,
You go to the one who loves you.

(collected)

12/04/2026

বাচ্চারা কোথাও থেকে বেড়িয়ে এসে বা বন্ধুদের সাথে খেলে বাসায় এসে কী কী ঘটলো সব আমার সাথে শেয়ার করে। একটা বিষয় খেয়াল করলাম শেয়ারের উসিলায় ওরা অন্যদের এমন এমন বিষয়ও বলে ফেলে যা গীবতের পর্যায়ে পড়ে। প্রথমদিকে ভাবতাম, আমার সাথে সবকিছু শেয়ার করছে। আচ্ছা! থাক! ওরা তো ছোটমানুষ! কিন্তু পরে বোধদয় হলো- এভাবেই তো ওরা গীবতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। এখন ওদেরকে সীমা বলে দেই।

মাঝেমধ্যে এমন হয়, ওরা হয়তো কোন কথা শুরু করেছে, "মা জানো! ওমুক না.......! আমি হয়তো গলার টোন শুনে বুঝে ফেললাম, ওরা নেতিবাচক কিছু বলতে যাচ্ছে। ওর বলার আগেই জিজ্ঞেস করি, তুমি কি গীবত করতে যাচ্ছো? সাথে সাথে বেচারি লজ্জা পেয়ে হেসে দেয়। ওদেরকে শেখাতে গিয়ে আমাকেও গীবত থেকে বেচে থাকার চেষ্টা করতে হয়। ইনশাআল্লাহ আমি আশা করি ওরা যখন ভালোভাবে বুঝবে বিষয়টা তখন আমরা এমন গীবত করতে গেলে ওরাও থামিয়ে দিবে। রাব্বানা তাকাব্বাল!

আমরা বড়রা গীবত কবিরা গুনাহ জেনেও ছাড়তে পারি না তার একটা কারণ ছোটবেলা থেকেই এটাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি আমরা। আমাদেরকে কেউ কোনদিন অন্যের ব্যাপারে কতটুকু বলা যাবে তার সীমা বলে দেয়নি। বাচ্চাদের শেখানোর উসিলায় ইনশাআল্লাহ আমরা বড়রাও উপকৃত হবো।

তবে, হ্যাঁ বাচ্চার সাথে ক্ষতিকর কিছু হলে এটা যেন সে অবশ্যই শেয়ার করে - এই ব্যাপারে উৎসাহ দিতে হবে।

11/04/2026

আরওয়ার বয়স তখন ৬-৭ মাস হবে। আমি ভয়াবহ রকমের ডিপ্রেশনে ছিলাম। ওর গ্রোথ খুব ই কম ছিল এটার জন্য বেশি টেনশন করতাম।

এক আপুর পোস্ট পড়তাম নিয়মিত। উনার বাচ্চা আমার আরওয়ার ৭ মাসের বড়। উনার প্যারেন্টিং নিয়ে লেখাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। উনার হাজব্যান্ড খুবই সাপোর্টিভ ছিল। মাশাল্লাহ।

উনার প্যারেন্টিং, উনার হাজব্যান্ডের সাপোর্ট, উনার বাচ্চার গ্রোথ -এক্টিভিটি - এগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। আর নিজের সাথে কম্পেয়ার করে মনে মনে নিজের বাচ্চাকে নিয়ে আরও হতাশ লাগতো।

উনাকে আমার সুখী মানুষ মনে হতে লাগলো। যার কোন দু:খ-কষ্ট ই নেই (যেহেতু আমার কন্সার্নের বিষয়গুলো তে উনি সুখী)। একদিন উনার একটা পোস্ট আমাকে নাড়া দিল। উনি লিখলেন - "মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে সব কিছু ছেড়ে যদি কোথাও চলে যাওয়া যেত"। পোস্ট টা পড়ে আমি একটা ধাক্কা খেলাম। এতো সুখী মানুষ। কোন কিছুর ই অভাব নেই। সাপোর্টিভ হাজব্যান্ড, বাচ্চার গ্রোথও ঠিক আছে - তারপরও উনার কেন সবকিছু ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছে করে? তাহলে কি উনারও কষ্ট আছে? নিশ্চয়ই আছে। নইলে কি আর সব ছেড়ে চলে যেতে চায়?

যাহ, আমি যে এতো দিন উনার সাথে কম্পেয়ার করে করে নিজে কষ্ট পাচ্ছিলাম!! বোকা কোথাকার!!

প্রিয় আরেক আপু আছেন। স্বামী -সন্তান সব মিলিয়ে সুখী মানুষ। কখনো মনে হয় নি, উনার কোন দু:খ থাকতে পারে। কষ্টের সময় উনার সাথেও নিজেকে কম্পেয়ার করতাম আর আরও বেশি কষ্ট পেতাম। একদিন কথায় কথায় জানলাম, ভাইয়া দ্বীনি কাজে ব্যস্ত থাকায় উনাকে বেশি সময় দিতে পারেন না। উনার ইচ্ছে করে, তারপরও মানিয়ে নিয়েছেন দ্বীনের জন্য।

ওমা! সময় না দিলে উনি বাচ্চাদের নিয়ে একা একা কীভাবে সামলান? এতো সুখী মানুষেরও কষ্ট থাকতে পারে?

যাহ, আমি যে এতো দিন উনাকে সুখী মানুষ ভেবে, নিজের সাথে কম্পেয়ার করে নিজের কষ্ট বাড়ালাম!!

বস্তুত উপরের এনারা দুজন ই সুখী মানুষ। আমার প্রিয় দুজন আপু। দুজনকেই ভালোবাসি। আল্লাহ উনাদের জীবন বরকতময় করে দিন। যদিও সেসময় আমার কাছে সুখের যেই সংজ্ঞা ছিল সেই সংজ্ঞা ভুল ছিল বলে সাময়িক উনাদেরকে আমার অসুখী মনে হয়েছিল।

সেই থেকে শুরু। এরপর জীবনকে একটু করে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে শুরু করলাম। যার রেজাল্ট, এখন আমার নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হয়। তার মানে এই না যে আমার জীবনে কোন জটিলতা নেই। বরং সবকিছুকে পজিটিভলি নেয়ার মানসিকতা আল্লাহ দিয়ে দিয়েছেন।

পৃথিবীতে কেউ নেই যার কোনই কষ্ট নেই। ক্ষেত্র আলাদা। আমার প্যারেন্টিং নিয়ে কষ্ট তো অন্যজনের দাম্পত্য নিয়ে কষ্ট, আরেকজনের দেখেন জয়েন্ট ফ্যামিলি বিষয়ক কষ্ট। আরেকজনের দেখবেন সব আছে। টাকা পয়সা, সন্তান কোন কিছু নিয়ে কষ্ট নেই। কিন্তু জটিল কোন রোগে ভুগছেন। আবার দেখেন, বিরাট ধনীদের মনে শান্তি নাই। সুখ ভোগ করতে করতে পানসে হয়ে গেছে। আর কোনকিছুতে তারা সুখ খুঁজে পান না। সুইসাইডের খবর পাই প্রায়ই।

দুনিয়াতে সুখ-দুঃখের একসাথে বসবাস। শুধুমাত্র আখিরাতে গিয়ে সুখ-দুঃখ আলাদা হয়ে যাবে। সব সুখ জান্নাতের এবং সব দুঃখ- কষ্ট জাহান্নামের।

দুনিয়া জান্নাত না। কেউই চাইলে এখানে চিরসুখী হতে পারবে না। দুনিয়া যদি জান্নাত হয়ে যেত, তাহলে আখিরাতের জান্নাত পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মানুষের ভেতর তৈরি হতো না। দুনিয়ার জান্নাত নিয়েই ব্যস্ত হয়ে যেত।

তারপরও সুখ-দুঃখের এই পৃথিবীকে আল্লাহর অবাধ্যরা জান্নাত ভেবে নিজেদের প্রবোধ দেয়। এদেরও কিন্তু দুঃখ- কষ্ট নেই - এমন না। আশেপাশের নাস্তিকগুলারে দেখলেই বুঝবেন।

(প্রায় ২বছর আগের লিখা। নোটসে খুঁজে পেয়ে মনে হলো শেয়ার করি।)

08/04/2026

মাঝেমধ্যে প্রোডাক্টিভ কিছু করতে গিয়ে যদি মেয়েদের কারণে না পেরে ওদের উপর বিরক্ত হই, তখন নিজেকে মনে করিয়ে দেই, আমার জীবনের অনেকগুলো বছর কেটেছে যখন ওরা ছিল না, তখন তো আমি প্রোডাক্টিভ ছিলাম না। বরং অনেক বড় অথর্ব ছিলাম। এখনো এমন অনেক হয়, ওরা ঘুমিয়ে পড়েছে বা বাহিরে খেলতে গিয়েছি, আমি ১-২ ঘন্টা সময় পেয়েছি। কিন্তু সেই সময় প্রোডাক্টিভ কিছু না করে আজাইরা শুয়ে-বসে মোবাইল টিপেই কেটে গেছে। তাই মেয়েদেরকে প্রতিবন্ধকতা ভাবার কোন কারণ নাই। বরং এখন যতটুকুই প্রোডাক্টিভ আছি, এই মেয়েগুলোর উসিলায় ই। ওদেরকে শেখানোর জন্য কিছু শিখি। ওদের ভালো অভ্যাস গড়ার জন্য নিজের খারাপ অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, জীবন অনেক সুন্দর।

আল্লাহুম্মা বারিক লানা।

Address

Choto Paiti, Demra
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ToonToon Shop - টুনটুন শপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share