14/07/2026
মুফতি আজম আবদুস সালাম চাটগামী রহিমাহুল্লাহ সেই মহামনীষীদের একজন ছিলেন, যারা নিজ দেশকে ছাপিয়ে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে রাজত্ব করেছেন বিশ্বের আনাচকানাচে। হাদিস অধ্যায়নের তেষ্টা নিয়ে তিনি করাচির বানুরিটাউনে গিয়েছিলেন।
ইলম অধ্যয়নে এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে দেশে ফেরা হয়নি তার। পাকিস্তান খুঁজে পেয়েছিল একজন দক্ষ ফকিহকে। বানুরিটাউনের গ্র্যান্ড মুফতির আসনটি বোধহয় অপেক্ষা করছিলো তাঁরই জন্য, তিনি তাতে আসীন হলেন। ত্রিশটি বসন্ত কেটে যায়।
দিনে দিনে আস্থার পাত্র হয়ে উঠলেন তিনি; ছাত্র, শিক্ষক, সহকর্মী থেকে শুরু করে আপামর জনতার। শুধু পাকিস্তান নয়, গোটা বিশ্ব থেকে তাঁর কাছে আসতে থাকে জীবনঘনিষ্ঠ নানাবিধ জিজ্ঞাসা, তিনি তার তীক্ষ্ণ মেধার স্বাক্ষর রেখে সরল ভাষায় দিয়ে যান প্রতিটি সমস্যার শরয়ি সমাধান।
এই সমাধানগুলো মানুষ চোখবুঁজে গ্রহণ করে নিত, স্থিরতা পেত হাজার হাজার জিজ্ঞাসু মন। বানুরিটাউনের প্রধান মুফতি তিনি। দারুল ইফতায় দৈনিক বিশ ত্রিশটা ফাতাওয়া আসতো, মাসে প্রায় সাড়ে সাতশো, বছরে প্রায় নয় হাজার! এসব জিজ্ঞাসার জবাব কিছুটা তিনি নিজ হাতে লিখেছেন, বাকিগুলো সত্যায়িত হয় তাঁর হাতে।
এভাবেই জমা হয়ে যায় লক্ষ লক্ষ জীবনঘনিষ্ঠ জিজ্ঞাসার সরল সহজ সমাধান। এই ফাতাওয়াগুলো হয়ে উঠে অমূল্য রতন। তাঁর নিজহাতে লেখা অমূল্য সে রত্নগুলো সংকলন হয়ে প্রকাশিত হয় 'আপ কি সুয়ালাত আওর ইনকা হল' নামে। প্রকাশের পরপরই সাড়া ফেলে আহলে ইলম থেকে নিয়ে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের মাঝে। বাংলা ভাষায় এর অনুবাদ করা ছিলো সময়ের দাবি, মানুষের চাহিদা। বহুল সমাদৃত প্রত্যাশিত সে বইয়ের অনূদিত গ্রন্থ হচ্ছে বক্ষ্যমাণ— ফাতাওয়া ও মাসাইল।
আলেম-উলামা-তলাবা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের নিত্যকার জীবনের সহস্রাধিক সমস্যার সমাধান মিলবে ৪ খণ্ডের বইটিতে। বাংলা ভাষায় বইটির সহজ সরল অনুবাদ করেছেন তরুণ আলেম আবুল কাসেম আদিল।
বই : ফাতাওয়া ও মাসাইল (৪ খণ্ড)
লেখক : মুফতি মুহাম্মাদ আবদুস সালাম চাটগামী রহ.
অনুবাদ : মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব কাবিলপুরী, আবুল কাসেম আদিল
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৫২৩
মুদ্রিতমূল্য : ২৮০০ টাকা
ছাড়মূল্য : ১৪০০ টাকা
বাঁধাই : হার্ডকভার
৫০% ছাড়ে ৪ খণ্ডের ফাতাওয়া ও মাসাইল সংগ্রহ করতে আমাদের ইনবক্সে নক করুন।