kheya.shop

kheya.shop For many of us, online shopping has become a routine part of daily life. We bring the easiest solution for your online shopping.

"বিশ্বের সবচেয়ে পুষ্টিকর কিন্তু সহজলভ্য খাবারগুলো"আদর্শ খাবার বলতে কি কিছু আছে? বা এমন কোন একক খাবার আছে যা খেলে আমাদের...
22/10/2020

"বিশ্বের সবচেয়ে পুষ্টিকর কিন্তু সহজলভ্য খাবারগুলো"

আদর্শ খাবার বলতে কি কিছু আছে? বা এমন কোন একক খাবার আছে যা খেলে আমাদের সব ধরণের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়? এমন কোন খাবার আসলে নেই।

তবে কিছু খাবার রয়েছে যা এত বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ যে, এগুলোকে 'ব্যালেন্সড ফুড' বলা হয়। অর্থাৎ এগুলো আমাদের দেহের বেশিরভাগ পুষ্টির যোগান দিতে সক্ষম।

বিশ্বের ১০০০টি খাবারের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে এমন ১০০টি খাবারের তালিকা করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকরা। বিবিসি-তে প্রকাশ করা হয়েছে এমনই কিছু খাবার।

১. অ্যামন্ড/আখরোট

এই দুই ধরণের বাদাম স্থান পেয়েছে সবচেয়ে পুষ্টি সম্পন্ন খাবারের তালিকায়৷। ১০০ টি খাবারের এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে অ্যামন্ড। ফ্যাটি এসিডের সবচেয়ে ভালো উৎস এটি। হার্ট ভালো রাখতে আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে এর জুরি নেই।

২. আতাফল
তালিকার দ্বিতীয় শীর্ষ খাবার আতাফল। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, ভিটামিন এ, সি, বি১, বি২ এবং পটাসিয়াম।

৩. বিভিন্ন ধরণের সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক কই বা পোয়া মাছ সবচেয়ে উচ্ছমাত্রার পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাওয়ার গুলোর মধ্যে একটি। এছাড়া কড মাছ,নীল পাখনার টুনা, বিভিন্ন ধরণের স্যামন, ইল, সামুদ্রিক চিতল বা ফ্লাট ফিশ পুষ্টিগুণের জন্য এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

৪. চিয়া সিড বা তিসি বীজ
বিভিন্ন ধরণের ডায়েটারি ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, লিনোলিক এসিড ও ফেনোলিক এসিড রয়েছে এতে।

৫. মিষ্টি কুমড়া ও বীজ
মিষ্টি কুমড়ার বীজ আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজ এর ভালো উৎস। কাঁচা কিংবা পাকা যেটিই হউক আর যেই যাতের ই হউক না কেনো মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টিগুণের কোন কমতি নেই।

৬.ধনিয়াপাতা
শুকনো ধনিয়াপাতার গুড়ো, তাজা ধনিয়াপাতা কিংবা এর ডাটা পুরো গুল্মটিই আসলে পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে থাকে ক্যারোটিনয়েডস যা হযমে সমস্যা, কাশি, বুকের ব্যাথা, এবং জ্বর উপশমে সাহায্য করে।

৭. মটরশুঁটি/বরবটি
প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, মিনারেল এবং দ্রবণীয় ভিটামিন রয়েছে মটরশুঁটিতে।
বরবটি সবজি এবং এর বীজ সবকিছুতে রয়েছে পুষ্টি। উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন রয়েছে এতে।
এছাড়া বিভিন্ন ধরণের শিমের বিচির কথা উঠে এসেছে এই তালিকায়।

৮. পেঁয়াজ
পাতাসহ বিভিন্ন ধরণের পেঁয়াজ, ডগাসহ ফুলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিন এ এবং কে এর ভাল উৎস এটি। এছাড়া পেঁয়াজ পাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

৯. বাধাকপি
সব ধরনের বাধাকপিই পুষ্টিগুনে ভরপুর, তবে লাল বাধাকপিতে পুষ্টিগুন একটু বেশি। এছাড়া রয়েছে চাইনিজ বাধাকপি যা একটু লম্বাটে ধরণের হয়, এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

১০. পালং শাক
হিমায়িত পালং শাক মূলত সালাদ তৈরিতে ব্যাবহৃত হয়। এতে ম্যাগনেসিয়াম, ফলেট, ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, জিজ্যানথিন এর ভালো উৎস। হিমায়িত পালং শাক পুষ্টি নষ্ট হওয়া রোধ করে এবং ধরে রাখে। আর তাই তাজা পালং শাক এর তুলনায় এতে বেশি পুষ্টিগুন থাকে বলে ধরা হয়। তবে তাজা পালং শাক ও কম যায়না, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং আয়রণ থাকে প্রচুর পরিমাণে। এটিতে এতই ভালো পুষ্টিগুন রয়েছে যে সেরা খাবারের তালিকায় দুইবার করে উঠে এসেছে পালং শাক।

১১. মরিচ
মরিচের গুড়ায় বিভিন্ন ধরণের ফাইটোকেমিক্যাল যেমন ভিটামিন সি, ই, এবং এ থাকে। সেইসাথে থাকে বিভিন্ন ধরণের ফেনোলিক উপাদান এবং ক্যারোটিনয়েডস। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের মরিচ যেমন ইয়ালাপিনো, কাঁচা মরিচ সবকিছুতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টএর মত পুষ্টিগুন।

১২. পুদিনা
পুদিনা গুল্মজাতীয় উদ্ভিত যা মূলত হৃদপিন্ড ভালো রাখে। এতে রয়েছে অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান।]

১৩. সরিষা শাক
সরিষা শাকে সিনিগ্রিন নামে এক ধরণের উপাদান থাকে যা যেকোন ধরণের প্রদাহ দূর করে।

১৪. লেটুস
পুষ্টিগুনে ভরপুর লেটুস। যত তাজা তত পুষ্টি।

১৫. কলা
বিভিন্ন জাতের কলায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এবং ডায়াবেটিক প্রতিরোধী উপাদান। যা সাস্থ্যের জন্য খুবি ভালো।

১৬. টমেটো
কাঁচা এবং পাকা দু ধরণের টমেটো পুষ্টিগুন সম্পন্ন। পাকা টমেটোতে রয়েছে ফলেট, পটাশিয়াম ভিটামিন এ, সি, এবং ই। তবে পাকা টমেটোর তুলনায় কাঁচা টমেটো বেশি পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

১৭. ডালিম
ডালিমে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসায়ানিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়া প্রদাহরোধী উপাদান ও রয়েছে এই ফলটিতে।

বিশ্বের শীর্ষ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবারের এই তালিকায় আরো রয়েছে, আদা, ডুমুর, মিষ্টি আলু, শুকনো খেজুর, গাজর, কচু শাক, ব্রকলি, ফুলকপি, কমলা এবং কমলাজাতীয় ফল।

(বিবিসি বাংলা ইউটিউব চ্যানেল থেকে তথ্য সংগৃহীত)

এই ২০২০-এ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারী আমাদের হাত ধোয়া এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখি...
15/10/2020

এই ২০২০-এ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারী আমাদের হাত ধোয়া এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অন্যতম উপায় হচ্ছে সাবান দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ভালোভাবে ধোয়া।

তাই এবার বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে আমাদের স্লোগান হউক,

-----------------'বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের অঙ্গিকার
সর্বদা দু হাত রাখবো পরিষ্কার'-------------------

২০০৮ সালে সুইডেনের স্টকহোমে বিশ্ব পানি সপ্তাহ উদযাপন অনুষ্ঠানে গ্লোবাল হ্যান্ড ওয়াশিং পার্টনারশিপে সর্বপ্রথম হাত ধোয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ দিনটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর দিনটি উদযাপনের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা জীবনের অঙ্গ। খাবার শুরুতে যেমন হাত ধোয়া দরকার, তেমনি খাবার বানাতে বা পরিবেশন করতেও হাত ধোয়া জরুরী। আবার খাবার শেষে হাত ধুয়ে মোছার তোয়ালেটাও পরিষ্কার থাকা উচিৎ। প্রতিটা ক্ষেত্রে হাত ধোয়া, হাত পরিষ্কার রাখা সুস্বাস্থ্যের অন্যতম পূর্বশর্ত। এই একটি অভ্যাস আমাদের স্বাস্থ্যের উপর বিরাট প্রভাব রাখতে পারে। প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী “গ্লোবাল হ্যান্ড ওয়াশিং ডে” পালন করা হয়।

সঠিকভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে পারলে প্রায় ২০টি রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সাবান দিয়ে দু’হাত ভালোভাবে কচলিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ছয় ধাপে হাত ধোয়া সম্পন্ন করলে জীবাণুমুক্ত হওয়া যায় মর্মে অভিজ্ঞজনরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়মঃ

১. কলের পানি ছেড়ে দিয়ে চলমান অবস্থায় দুই হাত ধুতে হবে।

২. যে কোন সাবান দুই হাতে লাগিয়ে কয়েক সেকেন্ড সময় ধরে আঙ্গুলের ফাঁকে ফাঁকে, নখে, হাতের সামনে-পিছনে ও কবজিতে ভালভাবে ঘষা উচিত। পরে আবার পানি ঢেলে দিলেই পরিষ্কার হবে।

৩. হাত দুটি কলের পানির নিচে ধরলেই পানি নিচে পড়বে।

৪. বেসিনের ট্যাপেও একইভাবে পরিষ্কার করা যায়।

৫. সাবানের বদলে অনেক এন্টিসেপটিক জাতীয় তরল পদার্থ পাওয়া যায়। এগুলোও ব্যবহার করা যেতে পারে।

৬. হাত মোছার সময় কাপড় বা তোয়ালেটাও যেন পরিষ্কার থাকে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

হাত ধোয়ার কারণে করোনাভাইরাস সহ যে কোন রোগ জীবাণু থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়। সুন্দর জীবন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অন্যতম মন্ত্র হলো বেশি বেশি হাত পরিষ্কার রাখুন সুস্থ থাকুন।

Be Easy 😇
10/10/2020

Be Easy 😇

10/10/2020
13/09/2020

Visit kheya.shop for exploring the new experience of shopping 🛒

Address

Sabujbagh
Dhaka
1214

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 00:00
Wednesday 09:00 - 00:00
Thursday 09:00 - 00:00
Friday 09:00 - 00:00
Saturday 09:00 - 00:00
Sunday 09:00 - 00:00

Telephone

+8801711080318

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when kheya.shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to kheya.shop:

Share