Bonik Bari

Bonik Bari We make online shopping easy and convenient for everyone in Bangladesh. Discover quality products and enjoy reliable service with us. bonikbari.com

Welcome to Bonik Bari! I’m Ziaur Rahman, the founder and heart behind this online shop. Based in Bangladesh, Bonik Bari is dedicated to bringing you the latest and most reliable gadgets and electronics. My journey started with a passion for quality products and a desire to make them accessible to everyone across the country. At Bonik Bari, I focus on providing a seamless shopping experience, with

a strong commitment to customer satisfaction. From browsing our collection to receiving your order, I strive to ensure every step is smooth and enjoyable. Thank you for being a part of the Bonik Bari community. Your trust and support inspire me to keep delivering the best products and services. Stay connected with us for exciting updates, offers, and the latest in electronics!

চিন থেকে গোটা বিশ্বে দ্রুত ছড়াচ্ছে নোভেল করোনা ভাইরাস। ইউহান প্রদেশের মাছের বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের বাহক যে ...
27/01/2020

চিন থেকে গোটা বিশ্বে দ্রুত ছড়াচ্ছে নোভেল করোনা ভাইরাস। ইউহান প্রদেশের মাছের বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের বাহক যে মানবদেহ, সেটাও নিশ্চিত করেছে চিন। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কী এই করোনা ভাইরাস?

ভাইরাসের প্রকৃতি
----------------------
করোনা ভাইরাসের জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, এটা অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতোই। সার্সে আক্রান্ত হয়ে ২০০০ সালে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। নতুন ভাইরাসটিকে বিজ্ঞানীরা নোভেল করোনা প্রকৃতির বলেই উল্লেখ করেছেন।

কী ভাবে ছড়ায়?
--------------------
পশু-পাখি এবং গবাদি পশুর কাছাকাছি থাকা মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। পশুর লোম এবং মল থেকে ভাইরাস বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে সরাসরি মানবদেহে সংক্রমণ করে এই ভাইরাস। এক বার মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ভাইরাসটি।

সংক্রমণের স্থান!
---------------------
নাক, সাইনাস অথবা গলার উপরিভাগে সংক্রমণ ঘটে। ভাইরাসটির লক্ষ্য মূলত ফুসফুস।

লক্ষণগুলি কী?
-------------------
শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা। এ ছাড়া জ্বর, সর্দি-কাশি এর প্রাথমিক লক্ষণ। প্রাথমিক ভাবে উপসর্গ অধরা থাকে।

আক্রান্তের চিকিৎসা
-------------------------
সংক্রমিত ব্যক্তিকে আলাদা রেখে চিকিৎসা করাই রীতি। অরক্ষিত প্রাণীর থেকে দূরত্ব বজায় রাখা এবং ডিম এবং মাংস জাতীয় খাবার সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। আবার অ্যান্টি-বায়োটিকেও কাজ হয় না বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

ডিম কেন খাবেনডিম খাওয়ার অনেক ভালো দিক রয়েছে। সারা বিশ্বেই সকালবেলার নাশতায় ডিম খাওয়ার কথা বলা হয়। অনেক নিরামিষভোজীও ডিমক...
16/10/2017

ডিম কেন খাবেন

ডিম খাওয়ার অনেক ভালো দিক রয়েছে। সারা বিশ্বেই সকালবেলার নাশতায় ডিম খাওয়ার কথা বলা হয়। অনেক নিরামিষভোজীও ডিমকে নন-ভেজিটারিয়ান খাবার হিসেবে মনে করেন না। ডিমের মধ্যে প্রোটিন রয়েছে। অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের তুলনায় এর দামও কম।

অ্যামাইনো এসিড
=============
ডিম পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি খাবার। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৫, বি১২, বি৬, ডি, ই, কে, ফোলেট, ফসফরাস, সেলিনিয়াম, ক্যালিয়াম ও জিংক। প্রতিটি ডিমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন। তাই বডিবিল্ডার্সরা প্রতিদিন ডিম খান।

কোলিন
======
কোলিন কোষের মেমব্রেন তৈরিতে সাহায্য করে। বেশিরভাগই খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ কোলিন থাকে না। ডিমে যেহেতু ভালো পরিমাণ কোলিন রয়েছে, তাই এটি নিয়মিত খাওয়া ভালো।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
============
ডিমের মধ্যে রয়েছে জিক্সাথিন ও লুটেইন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি চোখের জন্য ভালো। এছাড়া এটি ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভালো চর্বি
=======
ডিমের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ও ভালো চর্বি। অনেকে ভাবেন, সব চর্বিই খারাপ। কথাটি সঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে। এটি শরীরের জন্য ভালো।

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে প্রতিদিন ডিম খেতে মানা করা হয় বা ডিমের কুসুম খেতে নিষেধ করা হয়।

ডিম তো খাবেনই, তবে প্রতিদিন ডিম খাবেন কি না বা কতটুকু পরিমাণ খাবেন, এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

লেখক : ডা. আলমগীর মতি, হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক, মডার্ন হারবাল গ্রুপ

শিশুর খিঁচুনি রোগ ও করণীয়মস্তিষ্ক-কোষ বা নিউরনের তড়িৎ বেগের (Electric discharge) অস্বাভাবিকতার কারণে যে কোনো ধরনের ক্ষণস...
15/10/2017

শিশুর খিঁচুনি রোগ ও করণীয়

মস্তিষ্ক-কোষ বা নিউরনের তড়িৎ বেগের (Electric discharge) অস্বাভাবিকতার কারণে যে কোনো ধরনের ক্ষণস্থায়ী শারীরিক প্রতিক্রিয়া বা বাহ্যিক লক্ষণকে খিঁচুনি বলা হয়। যদি ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বা ততোধিকবার খিঁচুনি হয় তাহলে এটিকে মৃগীরোগ (Epilepsy) হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মৃগীরোগ স্নায়ুতন্ত্রের একটি দীর্ঘস্থায়ী জটিল রোগ। যে কোনো বয়সের পুরুষ ও নারী এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে বাচ্চাদের এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

কী ধরনের খিঁচুনি রোগ হয়
===================
* সারা শরীরে খিঁচুনি- জেনারেলাইজড এপিলেপ্সি।
* শরীরের কোনো দিকের খিঁচুনি- ফোকাল এপিলেপ্সি।
* শরীরের এক জায়গা থেকে শুরু হয়ে সব শরীরে ছড়িয়ে যাওয়া খিঁচুনি, তবে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সিনড্রোম আকারে খিঁচুনি রোগ আসতে পারে।

শিশুদের খিঁচুনি রোগ কেন হয়
=====================
* পরিবারে এরকম ইতিহাস থাকলে।

গর্ভকালীন জটিলতা-
==============
* জন্মের সময় অতিমাত্রায় ওজন স্বল্পতা।
* জন্মের পরই শ্বাসনালীতে কষ্ট।
* গর্ভকালীন সময়ে মাথার আঘাতজনিত কারণে।
* জন্মের পরই জন্ডিসের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া।

ছোট বেলায় কোনো কারণে মস্তিষ্কে ইনফেকশনের কারণে পরবর্তীতে খিঁচুনি হতে পারে।

এছাড়া অনেক অজানা কারণেও খিঁচুনি রোগ হতে পারে।

চিকিৎসা ব্যবস্থা
===========
বাজারে অনেক ধরনের খিঁচুনি রোগের ওষুধ রয়েছে যেমন- ফেনোবারবিটল, ফেনিটয়েন, ভ্যালপ্রোয়েট ইত্যাদি প্রায় সব ধরনের খিঁচুনি রোগের জন্যই কার্যকরী। এসব ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। বর্তমানে নতুন ধরনের খিঁচুনিরোধক যে ওষুধ বাজারে এসেছে সেগুলো অধিকতর কার্যকরী এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। এসব ওষুধ অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।

খিঁচুনি রোগীর জন্য উপদেশ
====================
* রোগীকে নিয়মিত ও নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ খাওয়ান
* জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি খিঁচুনিকে বাড়িয়ে দিতে পারে তাই জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা করানো।
* আগুন এবং পানি থেকে এ ধরনের শিশুদের দূরে রাখা।
* পুকুরে ডুব দিয়ে গোসল করতে না দেয়া, বাসায় বাথরুমে গোসল করলে দরজা লক না করা (ছিটকানি বন্ধ না করা)।
* মনে রাখতে হবে এই রোগের ওষুধ কমপক্ষে ২-৩ বছর খিঁচুনি বন্ধ থাকলে (Seizure free) তবেই বন্ধ করা যেতে পারে (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)।
* খিঁচুনি রোগীদের ক্ষেত্রে একটা কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে (কার্ডের মধ্যে রোগীর নাম, রোগের নাম, ওষুধের নাম ও পরিমাণ এবং পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে)।

প্রতিরোধ করার উপায়
================
* শিশুর জন্মের আগে গর্ভাবস্থায় মাকে নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপ করান।
* গর্ভকালীন জটিলতা দূর করার জন্য ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে প্রসব করান।
* পরিবারে এ ধরনের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে।

খিঁচুনি রোগীকে কখন হাসপাতালে নেবেন
=============================
* খিঁচুনি যদি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়।
* একনাগাড়ে অনেকক্ষণ খিঁচুনি চলতে থাকে।
* একবার খিঁচুনির পর জ্ঞান না ফিরেই বারবার খিঁচুনি হলে।
* মারাত্মক খিঁচুনি যদি ওষুধ দিয়েও নিয়ন্ত্রণে না থাকে।

খিঁচুনি রোগীর জরুরি অবস্থায় করণীয়
==========================
* জোরপূর্বক দাঁত খোলার চেষ্টা না করা।
* শর্ট বা টাইট কাপড় পরা থাকলে ঢিলা করে দেয়া।
* সম্ভব হলে রোগীকে নিরাপদ স্থানে নেয়া।
* রোগীর পাশে থাকা আগুন, পানি, ধারলো জিনিস সরিয়ে ফেলা।
* রোগীকে পানি পান করানোর চেষ্টা না করা।
* রোগীর শরীরে বাতাস করা অথবা ফ্যানের ব্যবস্থা করা।
* খিঁচুনি আক্রান্ত ব্যক্তির চারদিকে ভিড় না করা।

মনে রাখতে হবে বেশিরভাগ খিঁচুনি হঠাৎ শুরু হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর থেমে যায়।

লেখক : ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু, সহযোগী অধ্যাপক, শিশু নিউরোলজি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়এখনকার দিনে বাড়িতে ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটর অনেকে জরুরি বলে মনে করেন। এতে অনেক খাবার সংরক্ষণ ক...
19/09/2017

যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়

এখনকার দিনে বাড়িতে ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটর অনেকে জরুরি বলে মনে করেন। এতে অনেক খাবার সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু রেফ্রিজারেটরে সব খাবার রাখা যায় না। পরিচিত খাবারের মধ্যে কিছু খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে তার স্বাদ ও গন্ধ বদলে যায়। কমে যায় পুষ্টিমান। কয়েকটি পরিচিত খাবার আছে, যা ফ্রিজে না রাখাই ভালো:

টমেটো: অনেকে টমেটো কিনে ফ্রিজে রেখে দেন। এতে টমেটো নিস্তেজ ও ময়দার তালের মতো তুলতুলে হয়ে যায়। একটা খোলা কনটেইনারে টমেটো ভরে জানালার পাশে রাখতে পারেন। এতে টমেটো সতেজ ও টুসটুসে থাকবে।

আলু: আলু যে ফ্রিজে রাখতে নেই—এ কথা অনেকেরই জানা। ফ্রিজে রাখলে আলুর শর্করার গুণাগুণ নষ্ট হয়। আলুতে যে মিষ্টি ভাব থাকে, ফ্রিজের হিমাগার তা শুষে নেয়। এতে আলুর স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রিজে রাখার চেয়ে খোলা ঝুড়িতে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ভালো থাকে আলু।

পেঁয়াজ: ফ্রিজে পেঁয়াজ রাখলে নরম হয়ে নষ্ট হতে পারে। যদি রাখতেই হয়, ব্যাগে ভরে সবজির ড্রয়ারে রাখতে পারেন। তা না হলে ফ্রিজের আর্দ্রতায় পেঁয়াজ ভালো থাকবে না।

মধু: মধুর মধ্যে থাকা সুগার ঠান্ডা হাওয়ায় কেলাসিত হয়ে যায়, যা মধুর স্বাদ ও গুণাগুণ একদম কমিয়ে দেয়। তাই মধু ফ্রিজের বাইরে রাখাই উচিত।

রসুন: ফ্রিজে রাখলে রসুন খুব তাড়াতাড়ি অঙ্কুরিত হয়ে যায়। এমনকি রসুন অপেক্ষাকৃত নরম হয়ে যায়। তবে রসুন বেটে বা ব্লেন্ড করে রাখতে পারেন।

পাউরুটি: পাউরুটির নিজস্ব আর্দ্রতা রয়েছে। ফ্রিজে রাখলে পাউরুটি আর্দ্রতা হারাতে শুরু করে। শক্ত হয়ে যায়।

কফি: বায়ু চলাচল করতে পারে না—এমন কনটেইনারে কফি রাখা উচিত। ফ্রিজে রাখলে কফি বিন বা পাউডারের আর্দ্রতায় নষ্ট হয়ে যায়। এর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। কফির গন্ধ চলে যায়। এর বদলে একধরনের দুর্গন্ধ তৈরি হয়।

আপেল: স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আপেল মিষ্টি আর রসাল থাকে। ফ্রিজে রাখলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। এ ছাড়া বাইরের আবরণ শুষ্ক হয়ে যায়। আপেলের রসাল ভাব থাকে না।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কখন বুঝবেন আপনি ‘আনফিট’একটু কাজ করেই কি হাঁপিয়ে উঠছেন? ধড়ফড় করছে বুক? হারিয়ে যাচ্ছে কথার খেই? এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিলে ব...
18/09/2017

কখন বুঝবেন আপনি ‘আনফিট’

একটু কাজ করেই কি হাঁপিয়ে উঠছেন? ধড়ফড় করছে বুক? হারিয়ে যাচ্ছে কথার খেই? এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে শারীরিকভাবে আপনি ‘আনফিট’! অনেকেই মনে করেন, ফিট থাকা মানেই হালকা-পাতলা হওয়া। আসলে কিন্তু তা নয়। ‘শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা মানেই ফিট থাকা।’ এমনটাই বললেন পারসোনা হেলথের প্রধান প্রশিক্ষক ফারজানা খানম। শারীরিকভাবে ফিট না থাকলে শুধু ক্লান্তই লাগবে না, দেখা দেবে আরও নানান জটিলতা। তাই এমন কিছু লক্ষণ দেখা দিলে সচেতন হোন এখনই; তবেই এড়িয়ে যেতে পারবেন যাবতীয় জটিলতা। চলুন, দেখে নেওয়া যাক আনফিট থাকার কারণগুলো।

১. দ্রুতই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া: অল্প কাজ করছেন, কিন্তু শরীরের ক্লান্তিতে মনে হচ্ছে যেন মাটি কেটে এলেন। এমন লক্ষণ দেখা দিলে বুঝবেন শারীরিকভাবে মোটেও ফিট নেই আপনি।

২. শ্বাস-প্রশ্বাসে অস্বাভাবিকতা: শরীর আনফিট হলে স্বাভাবিকের চেয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস অনেক দ্রুত হবে। হাঁপানি রোগীদের মতো ঘনঘন শ্বাস নেওয়ার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে।

৩. কথায় অমনোযোগী: কেউ যখন কথা বলবে, তখন সেখানে একটানা মনোযোগ ধরে রাখা কষ্ট হবে। এদিকে নিজে যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন, দেখবেন দ্রুতই পাল্টে ফেলছেন সেই কথার বিষয়। এটাও আনফিট শরীরের অন্যতম লক্ষ্মণ।

৪. স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া: ছোটবেলার কথাও আপনার মনে আছে। ফলে আপনার স্মৃতিশক্তির সুনাম আছে কাছের মানুষদের মধ্যে। কিন্তু হঠাৎ করেই খেয়াল করলেন, কদিন ধরেই গতকাল কী ঘটেছে বা সকালে পত্রিকায় কী পড়লেন তার কিছুই মনে করতে পারছেন না!

৫. কিছুই ভালো লাগে না: কোনো কাজ করতে ভালো লাগছে না বা সবকিছুতেই বিরক্তি লাগছে।

৬. ঘুমের সমস্যা: হয় ঘুম খুব বেশি হবে বা ঘুম একেবারেই আসবে না।

এ সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হলে আপনার শরীর মহাশয়কে নিয়ে ভাবুন। কেবল ভাবলেই তো হবে না; যথাযথ যত্ন নিন। যত্ন বলতে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত বিশ্রাম, মানসিক প্রশান্তির দিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যে ৩ আবেগে বাঁধ দেওয়া জরুরিসম্পর্কের মধ্যে কাজ করে আবেগ। কিন্তু তাই বলে আবেগে ভেসে যাওয়া ঠিক নয়। সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্কে...
17/09/2017

যে ৩ আবেগে বাঁধ দেওয়া জরুরি

সম্পর্কের মধ্যে কাজ করে আবেগ। কিন্তু তাই বলে আবেগে ভেসে যাওয়া ঠিক নয়। সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু আবেগে জোরালো বাঁধ দিতে হবে। কিন্তু সম্পর্কে জড়ালে অন্য আরেকজন মানুষের চাওয়া-পাওয়ার প্রতি এত বেশি লক্ষ রাখা শুরু হয় যে আবেগ বাঁধ মানতে চায় না। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে বিষয়গুলোয় খেয়াল রাখবেন:

‘না’ বলতে শিখুন: অনেকেই আছেন, সম্পর্কে জড়ানোর পর ‘না’ বলাটাই যেন ভুলে যান। অনেক সময় ব্যাখ্যা বা কোনো অজুহাত না দেখিয়ে সরাসরি ‘না’ বলে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। দ্বিধা না করে ‘না’ বলুন। মনে রাখবেন, ‘না’ কিন্তু একটি পুরো বাক্যর চেয়ে বেশি কিছু। নিজের ‘ভালোমানুষি’ দেখাতে স্বকীয়তা বিলিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সম্পর্ক মজবুত করতে অনেক ক্ষেত্রে ‘না’ বলতে শেখাটাও জরুরি।

অন্যকে মাথা ঘামাতে দেবেন না: অনেকেই আছেন, যাঁরা সম্পর্কে জড়ানোর পর যার-তার কাছে আলোচনা শুরু করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকের কাছে ছোটেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, যখন ছোট বা বড় যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্ন আসে, তখন সবাইকে খুশি করা যায় না। নিজের সিদ্ধান্তে অন্যকে মাথা ঘামাতে দেওয়া ঠিক নয়। নিজের সিদ্ধান্তের প্রভাব যাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, তাদের দূরে রাখতে পারলেই সম্পর্ক ভালো থাকে।

অন্যের সমস্যা টেনে আনা: সম্পর্কে জড়ালে অনেকেই আছেন, যাঁরা অন্যের নানা সমস্যা নিজেদের ঘাড়ে টেনে নেন। এই আবেগে বাঁধ দিতে হবে। অন্যের সমস্যায় নিজেকে জড়িয়ে ফেললে নিজের বিষয় নিয়ে ভাবার সময় থাকে না। অন্যের সমস্যা ঘাড়ে নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে খিটিমিটি বেধে যায়। অন্যের সমস্যা দূরে সরিয়ে দুজন দুজনকে সময় দিন, নিজেদের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলুন। সম্পর্ক মধুর হবে।

তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট

মিথ্যাবাদী চেনার উপায়অস্থিরতা আর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে না পারাই মিথ্যুক ধরার বড় হাতিয়ার নয়। এর বাইরেও এমন অনেক কিছু আছে...
16/09/2017

মিথ্যাবাদী চেনার উপায়

অস্থিরতা আর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে না পারাই মিথ্যুক ধরার বড় হাতিয়ার নয়। এর বাইরেও এমন অনেক কিছু আছে, যেগুলো দেখেই বলে দিতে পারবেন, সামনের মানুষটি সত্যি কথা বলছে, না মিথ্যা।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক অ্যামি কাডি একটি বই প্রকাশ করেছেন সম্প্রতি। বইটির নাম ‘প্রেজেন্স: ব্রিংগিং ইয়োর বোলডেস্ট সেলফ টু ইয়োর বিগেস্ট চ্যালেঞ্জেস’। বইটির এক অংশে কাডি তুলে ধরেছেন মিথ্যা কথা ধরে ফেলার কিছু উপায়। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, বড় কোনো বিষয়ের ওপর মনোযোগ না দিয়ে কথা বলার সময় মানুষের কিছু ছোট বিষয় খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন, তিনি মিথ্যা, না সত্য বলছেন। কারণ, মিথ্যা কথা বলার সময় চেহারা ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গি অজান্তেই অনেক সময় বিদ্রোহ করে বসে!

একটা ঘটনা ঢাকতে আরেকটা ঘটনা বানিয়ে বলে দিচ্ছে কেউ, কাজটা তো একটু কঠিনই বটে। অনেকের কাছে কাজটা সহজ হলেও মনে মনে অনুতপ্ত হন ঠিকই। যিনি মিথ্যা কথা বলার সময় অনুতপ্ত হচ্ছেন, তাঁকে কিন্তু সেটাও লুকাতে হচ্ছে। এত দিক সামলাতে গিয়ে কোথাও না কোথাও কিছু না কিছু ফাঁস হয়েই যায়।

কাডির মতে, সামনের মানুষটি মিথ্যা কথা বলছেন কি না, সেটা ধরার জন্য খেয়াল করুন তাঁর কথার সঙ্গে চেহারার অভিব্যক্তির মিল আছে কি না। গলায় হয়তো খুশির আভাস, কিন্তু চেহারায় থাকবে দুশ্চিন্তার ঝলক। তবে আমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। উল্টো দিকের মানুষটি কী বলছেন, সেটার ওপর বেশি মনোযোগ দিতে গিয়ে কথা আর চেহারার অভিব্যক্তির অমিলগুলো চোখে ধরা পড়ে না। তবে যাঁদের ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং ডিসঅর্ডার আছে, তাঁরা মিথ্যুকদের শনাক্ত করতে পারেন। যেহেতু ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে তাঁদের সমস্যা হয়, কী বলা হচ্ছে সেটা দ্বারা তাঁরা বিভ্রান্ত হন না। কাডির মতে, রাস্তা একটাই; যদি সত্য-মিথ্যা বুঝতে চান, তাহলে শুধু কথার ওপর ভরসা না করে চেহারা ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গির দিকেও লক্ষ রাখুন।

অতিরিক্ত কেনাকাটাও ভয়ংকর নেশা, জানেন?রাস্তার ধারে ঝাঁ–চকচকে কোনো শপিং মলের ডিসপ্লেতে শোভাবর্ধন করা ঘড়িটা আপনার নজর কে...
15/09/2017

অতিরিক্ত কেনাকাটাও ভয়ংকর নেশা, জানেন?

রাস্তার ধারে ঝাঁ–চকচকে কোনো শপিং মলের ডিসপ্লেতে শোভাবর্ধন করা ঘড়িটা আপনার নজর কেড়েছে। কিংবা সেই শপিং মলেরই একজোড়া জুতো, যা আপনার স্যুটের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়—কিনবেন বলে ভাবছেন। তা আপনি কিনতেই পারেন। মাঝেমধ্যে কেনাকাটা মনকে করে তোলে ফুরফুরে, মেটে প্রয়োজনও। কিন্তু এমন যদি হয়, আপনি যা-ই দেখছেন, তা-ই কিনতে ইচ্ছে করছে! না কেনা পর্যন্ত মনকে কিছুতেই দূরে সরাতে পারছেন না! শেষমেশ কিনেই ফেললেন। আর এভাবে মাস শেষে গিয়ে আবিষ্কার করলেন, এমন অনেক কিছুই কিনে ফেলেছেন, যেগুলো হয়তো না কিনলেও হতো।

এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন? জেনে রাখুন, আপনি তাহলে ‘শপাহোলিক’—কেনাকাটায় নেশাগ্রস্ত! যে নেশা মাদকের নেশার চেয়ে কোনো অংশে কম ক্ষতিকর নয়।

এসব নিয়ে বাংলাদেশে এখনো তেমন সামাজিক গবেষণা হয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা দেখেছেন, তাদের মোট জনগোষ্ঠীর ৬ শতাংশ কেনাকাটায় নেশাগ্রস্ত। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে। অনলাইন কেনাকাটা, ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত অভিরুচি জেনে নিয়ে সেই ধরনের বিজ্ঞাপন তাঁর মুঠোফোন বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের পর্দায় ক্রমাগত দেখানো, সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করা—এসব কারণে শপাহোলিকদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ‘শপাহোলিক’ মানুষ আসলে একটা রোগে আক্রান্ত, যার আভিধানিক নাম ‘কমপালসিভ বায়িং ডিসঅর্ডার’। কেনাকাটায় নেশাগ্রস্ত মানুষের আচরণে কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আসুন জেনে নিই সাতটি বৈশিষ্ট্য:

আলমারিভর্তি নতুন জিনিসপত্র
প্রচুর কেনাকাটা করলে এমন অনেক জিনিস আলমারিতে থেকে যায়, যা কেনার পর কখনো ব্যবহার কিংবা প্যাকেট খুলেও দেখা হয় না। যাঁরা কেনাকাটার নেশায় আসক্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে এ প্রবণতা অনেক বেশি। ‘শপাহোলিক’দের আলমারি খুললে দেখা যাবে, প্রচুর শপিং ব্যাগ, যার কোনোটাই খোলা হয়নি কেনার পর।

অপরিকল্পিত কেনাকাটা
প্রয়োজন নেই, এমন সব পণ্য বিরামহীন গতিতে কেনা ‘শপাহোলিক’ হয়ে ওঠার লক্ষণ। ঘরে একটা আইপড আছে, কিন্তু দোকানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য মডেলের একটা আইপড নজর কেড়ে নিল; কিনে ফেললেন। এমন অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা যাঁরা করছেন, তাঁরা আসলে পণ্যের প্রতি একধরনের নেশাগ্রস্ত। যুক্তিহীন কেনাকাটা করে তাঁরা সুখ পান।

হতাশা, একাকিত্ব মোচনে কেনাকাটা
আশপাশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা নানা বিষয়ে হতাশাগ্রস্ত। যেমন ধরুন, নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অনেকে সুখী নয়। কেউ আবার ভীষণ একাকী। আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে কারও কারও। কেনাকাটায় ডুবে থাকা এসব মানুষের কাছে সমস্যা ভুলে থাকার একটা বড় মারণাস্ত্র। মানুষের একটা বড় অংশ আছে, যারা মন খারাপ থাকলেই কেনাকাটা করতে ভালোবাসে।

কেনার সময় অতিরিক্ত উত্তেজনা
দোকানে গিয়ে কোনো কিছু কেনার সময় শরীরে ‘অ্যাড্রেনালিনে’র গতি বেড়ে যায় ‘শপাহোলিক’দের। এটা কোনো কিছুর মালিক হওয়ার জন্য নয়, বরং সে যেভাবে কিনছে, সে জন্য। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কেনাকাটায় নেশাগ্রস্ত মানুষ কোনো কিছু কেনার সময় তাদের মস্তিষ্ক থেকে ‘ডোপামিন’ নামে একধরনের কেমিক্যাল নিঃসরিত হয়, যা আনন্দ-বেদনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

কেনাকাটার অভ্যাস গোপন করার স্বভাব
আশপাশের মানুষ জানে, আপনি কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন। কিন্তু আপনি সব সময় তাদের কাছে বিষয়টি গোপন করে চলেন। বাড়ি ফেরার সময় কিছু একটা কিনে তা রাখলেন অন্য কারও আলমারিতে। নিজের আলমারিতে থাকলে অভ্যাসটা যদি প্রকাশ হয়ে পড়ে! কিংবা অফিসে সহকর্মীদের পাশে বসে প্রতিদিন গোপনে কেনাকাটা করছেন অনলাইনে। এসবই ‘শপাহোলিক’ হয়ে ওঠার লক্ষণ।

কিনতে না পারলে মন খারাপ
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার মতো ‘শপাহোলিক’রাও প্রতিদিন কেনাকাটায় অভ্যস্ত। এর ব্যত্যয় ঘটলেই তাদের মন খারাপ হয় কিংবা খিটমিটে হয়ে ওঠে মেজাজ। এদের অনেকের কাছে প্রতিদিন শপিং ছাড়া জীবন অচল!

উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার নিজের মধ্যে কিংবা পরিচিত কারও স্বভাবে পরিলক্ষিত হলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। সমস্যা হলে সমাধান থাকবেই। শপিং করতে করতে খাদের কিনারায় নিয়ে যাওয়া জীবনকে পথে ফেরাতে পারবেন একটু চেষ্টা আর একাগ্রতায়। আসুন জেনে নিই এর কিছু উপায়:

নতুন কিছুতে মন দিন
কেনাকাটার নেশা কাটাতে অন্য কোনো কাজ খুঁজে বের করুন। সেটা হতে পারে ঘরের কোনো কাজ, ব্যায়াম, গান শোনা, টিভি দেখা, বই পড়া কিংবা যেকোনো কিছু। এসব কাজে মনোনিবেশ করলে শপিংয়ের কথা ভোলাই স্বাভাবিক। তবে ব্যাপারটা হতে হবে ধারাবাহিক।

সব সময় ইচ্ছাপূরণ নয়
ইচ্ছা করলেই কিনতে হবে—এ ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসুন। এ জন্য মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ জরুরি। ইচ্ছার কাছে বশ মেনে নয়, নিজের প্রয়োজন বুঝে কেনাকাটা করুন। মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। তবে যোগ ব্যায়ামে আগ্রহ কিংবা সময় না পেলে নিজেই নিজেকে বোঝাতে পারেন। এ জন্য নিজের ওপর জেদটা জরুরি।

কাছে প্রচুর টাকা রাখবেন না
প্রয়োজনীয় শপিংয়ের একটা তালিকা প্রস্তুত করুন। সে অনুযায়ী টাকাপয়সা নেবেন, তার বেশি নয়। প্রয়োজনের বেশি টাকা নিয়ে শপিংয়ে যাওয়া মানে কিছু অতিরিক্ত পণ্য ঘরে আসবেই। প্রয়োজনে ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ড ঘরে রেখে বাইরে যাবেন।

জিনিসপত্রের মালিকানার রাশ টানুন
ফ্যাশনেবল থাকতে কখনো আলমারিভর্তি কাপড়চোপড়ের দরকার পড়ে না। রুচিসম্মত প্রয়োজনীয় জামাকাপড়ই যথেষ্ট। জামা-জুতো, সুগন্ধি, চুলের জেল থেকে শুরু করে অন্য জিনিসপত্রের মালিকানাতেও রাশ টানুন, যেগুলো আপনার কাজে লাগে না। মানে কেনাকাটায় সীমা লঙ্ঘন করবেন না।

শেষ কথা
আপনার চেনা ছকে দেখা জীবনটাকে অন্য দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন। সেই সব মানুষের কথা ভাবুন, যারা একবেলা ভরপেট খেতে পেলেই কী আনন্দ পায়! জীবনে ছোট ছোট পাওয়াগুলোকে মূল্যবান করে তুলতে চেষ্টা করুন। পণ্যের বদলে রক্ত-মাংসের সম্পর্ককে গুরুত্ব দিন। একটা খুব দামি কিছু কিনলে যে আনন্দ হয়, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি আনন্দ মানুষ পায় প্রিয়জনের মমতামাখা সান্নিধ্যে। যেটা আক্ষরিক অর্থেই অমূল্য।
কেনাকাটার আসক্তির বড় কারণ সারাক্ষণ মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকা। ভার্চ্যুয়াল জগতের ফাঁদ থেকে বের হয়ে আসুন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম-আলো

যেভাবে এলো আজকের মিয়ানমার: একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসবর্তমান সময়ে প্রতিবেশী যে রাষ্ট্রের দ্বারা বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চাপের মু...
14/09/2017

যেভাবে এলো আজকের মিয়ানমার: একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস

বর্তমান সময়ে প্রতিবেশী যে রাষ্ট্রের দ্বারা বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে রয়েছে এবং একইসাথে যে দেশটি অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য আরও অগণিত সমস্যা তৈরি করবে সেটি মিয়ানমার। লাখো লাখো রোহিঙ্গা অধিবাসীকে নিজ দেশ ত্যাগ করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করছে সে দেশের সরকার ও সামরিক বাহিনী। এই সমস্যা আজ নতুন নয়। সেই ‘৭০ এর দশক থেকেই রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন চলছে, চলছে বাংলাদেশের সীমান্তে শরণার্থী হয়ে তাদের অনুপ্রবেশ। আর মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্কসহ বড় বড় দেশগুলোর তাগাদায় এই উদ্বাস্তু জাতির বাস্তুসংস্থানের একক দায় চেপেছে আজ বাংলাদেশের উপর। চলুন জানা যাক সময়ের সবচেয়ে বড় মূর্তিমান উৎপাত মিয়ানমারের ইতিহাস।

১৯৮৯ সালে দেশটির নাম ইউনিয়ন অব বার্মা থেকে ইউনিয়ন অব মিয়ানমারে পরিবর্তন করা হয়। বার্মা নামটি এসেছে দেশটির সর্ববৃহৎ সম্প্রদায় ‘বামার’ থেকে। নাম থেকেই বোঝা যায় যে সাম্প্রদায়িকতা দেশটির রন্ধ্রে রন্ধে মিশে আছে।

আজকের মিয়ানমার বা পূর্বের বার্মা এককালে একাধিক ছোট ছোট স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল। ১০৪৪ সালে রাজা অনরথ পাগান নামক রাষ্ট্রের সিংহাসনে বসেন। তিনিই প্রথম ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাষ্ট্রগুলোকে একত্রিত করে একটি একচ্ছত্র রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং পাগান প্রদেশটি হয় তার রাজধানী। রাজা অনরথের রাজত্বকালকে স্বর্ণকাল বলা চলে। বৌদ্ধধর্মে অতিমাত্রায় অনুরক্ত এই রাজা শহরজুড়ে অনেক মন্দির ও প্যাগোডা নির্মাণ করেন, শিল্প, সংস্কৃতি ও শিক্ষায় অনেক সমৃদ্ধ হয় এই রাজত্ব। তবে রাজতন্ত্রে বেশিদিন রাজ্য টিকিয়ে রাখাটাও এক অনিশ্চিত ব্যাপার। ত্রয়োদশ শতকের শেষের দিকে পাগান রাজত্ব ভেঙ্গে পড়ে।

একদিক থেকে ‘শন’ ও আরেকদিক থেকে ‘মোঙ্গল’ জাতি পাগান সাম্রাজ্য দখল করে এবং একে ভেঙ্গে পুনরায় ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত করে। চতুর্দশ শতকের মাঝামাঝি দেশটি চারটি অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে পড়ে- উচ্চ বার্মা (Upper Burma), নিম্ন বার্মা (Lower Burma), শন প্রদেশ ও আরাকান প্রদেশ। এসব প্রদেশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই যুদ্ধ-বিগ্রহ লেগে থাকতো। ১৬৩৫ সালে রাজা থালুন বিশৃঙ্খল অঞ্চলগুলোর দখল নিয়ে দেশটিকে একক সীমারেখার ভেতর নিয়ে আসেন। তার অধীনে বার্মায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আসে এবং তা দীর্ঘদিন বিরাজ করে। তবে এর পরও যুদ্ধ বিগ্রহ থেমে থাকেনি। পরবর্তী রাজবংশগুলো ক্ষমতার সাথে যুদ্ধেরও উত্তরাধিকারিতা লাভ করে। পরবর্তী সময়ে কংবং রাজবংশের রাজা বোধপায়া ও তার নাতি অলংপায়া সফল শাসক হিসেবে বার্মার ইতিহাসে স্মরিত হন।

তবে নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বার্মায় কখনোই বিরাজ করেনি। এরুপ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিতে দখলবাজ ব্রিটিশরাও ভুল করেনি। ৬০ বছরে ৩টি অ্যাংলো-বার্মিজ যুদ্ধের পরে ১৮৮৬ সালে বার্মাকে ব্রিটিশ শাসিত ভারতের একটি অংশ হিসেবে জুড়ে নেয়া হয়। ব্রিটিশরা তাদের ‘Divide and Rule’ নীতি বার্মা শাসনের ক্ষেত্রেও কাজে লাগায়। বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভক্ত বার্মার জনগণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়গুলোর লোকজনকে বেশি করে সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনে নিয়োগ দিতে থাকে। সংখ্যালঘুদের বিড়ম্বনার শুরু সেখান থেকেই। গত শতাব্দীর বিশের দশকে বার্মার সুশীল সমাজ ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরা প্রথম ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। সংসার বিরাগী ভিক্ষুদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যোগদানের শুরুটাও সম্ভবত তখন থেকেই। ১৯৩৫ সালে রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের যোগদানে এই আন্দোলন আরও সক্রিয় ও গতিশীল হয়।

এই সময় অং সান নামে এক তরুণের উত্থান হয়। তিনি ছিলেন আইনের ছাত্র, একই সাথে ছাত্র ইউনিয়নের কার্যকরী কমিটি সদস্য ও ম্যাগাজিন সম্পাদক। পরবর্তী বছরগুলোতে কিছু সফল ছাত্র ধর্মঘট ও প্রাণবন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে অং সান পুরো জাতির সমর্থন অর্জন করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে এক নতুন রাজনৈতিক দলের সাথে যোগ দেন। অং সানকে বার্মিজ জাতীয়তাবাদী প্রথম নেতা বলা যায়। তিনি সমাজতন্ত্রকে বার্মায় চলমান অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচনা করতেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে অং সান বুঝলেন বার্মার স্বাধীনতা আদায়ের এটাই মোক্ষম সময়। ২৯ জন সহচরকে নিয়ে অং সান জাপানে গিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ নিলেন। এরা ‘থার্টি কমরেডস’ নামে পরিচিত ছিলেন। জাপানিজরা অং সানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা ব্রিটিশদের পরজিত করতে সক্ষম হলে তারা বার্মার স্বাধীনতা হস্তান্তর করবে। জাপানিজদের সঙ্গে যোগ দিয়ে অং সান ও তার সহযোগীরা বার্মা আক্রমণ করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধও করেছেন। কিন্তু ক্রমে অং সান বুঝলেন যে জাপানের প্রতিশ্রুতি শুধুই বুলিসর্বস্ব। তৎক্ষণাৎ তিনি পক্ষ পরিবর্তন করে জাপানকে পরাজিত করার জন্য ব্রিটিশদের সার্বিক সহযোগিতা দেবার চুক্তি করলেন। শর্ত সেই একই থাকলো, বার্মার পূর্ণ স্বাধীনতা। অং সানের পেছনে বার্মাবাসীর প্রবল সমর্থণ ছিল। যদিও কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে তিনি বিতর্কিত ছিলেন, তবুও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করতেন ও সমগ্র বার্মার অধিবাসীদের মধ্যে একতা স্থাপনের চেষ্টা চালাতেন। নিঃসন্দেহে যেকোনো দেশের স্বাধীনতা অর্জনের প্রাক্কালে জাতীয় ঐক্য সবচেয়ে জরুরী বিষয়।

ব্রিটিশদের প্রশ্রয়ে বার্মার রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকে। অং সানের গঠিত দল এএফপিএফএল (AFPFL) ভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। বিরোধী দল স, মাও ও তুন এর যুক্তফ্রন্ট এই নির্বাচন বয়কট করে। বিজয়ী দলের প্রধান হিসেবে অং সান বার্মার জন্য নতুন সংবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু করেন। কিন্তু নবগঠিত সরকারের সকল সম্ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় ১৯৪৭ সালের ১৯ জুলাই। এই দিন কার্যকরী পরিষদের একটি অরক্ষিত সভায় অং সানের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দী স-এর একদল মেশিনগানধারী ঢুকে অং সানসহ পরিষদের সাতজন সদস্যকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। স ও তার সহকর্মীদের গ্রেফতার করা হয় এবং এদিকে অং সানের ক্যাবিনেটের এক সদস্য ইয়ু ন্যু কে অং সানের শূন্যস্থানে বসানো হয়। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বার্মা শেষমেষ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হয়।

১৯৪৮ সালের সংবিধানে বার্মার অনেক সম্প্রদায় ও তাদের অধিকার গুরুত্ব লাভ করেনি। যার ফলে পরবর্তী ১০ বছর তুমুল গৃহযুদ্ধ বার্মার রাজনৈতিক জীবন সংঘাতময় করে রাখে, অর্থনীতিতেও ধ্বস নামে। এমন অবস্থায় দেশে আইন ও শৃঙ্খলা পুনর্বহালের জন্য ১৯৫৮ সালে জেনারেল নে উইন এক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে ইউ ন্যুকে অপসারণ করেন। সমগ্র দেশের ভার নিয়ে নে উইন সার্থকভাবে সকল সম্প্রদায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুগামী হতে বাধ্য করেন। তার সরকারের অধীনেই ১৯৬০ সালে ইউ ন্যু পুনঃনির্বাচিত হন। কিন্তু মাত্র দু’বছর পরেই নে উইন এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বার্মার সামরিক একনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন। নে উইন পূর্বের সংবিধান বাতিল করে স্বৈরাচারী সামরিক শাসন চালু করেন। কমিউনিস্ট ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর বিদ্রোহের সশস্ত্র দমনের উপর পূর্ণ মনোযোগ দেয়া হয়। বার্মীজদের সামাজিকীকরণের নামে বাইরের দুনিয়া থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করা হলো। কুসংস্কারাচ্ছন্ন, বিদেশীবিদ্বেষী ও নির্দয় নে উইন পরবর্তী তিন দশকে একটি উন্নয়নশীল দেশকে পরিবেশ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি সবদিক দিয়ে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সশস্ত্র বিদ্রোহ রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

১৯৮৮ সালের জুলাইয়ে হঠাৎ নে উইন ঘোষণা দেন যে তিনি ক্ষমতা ছাড়ছেন। এতদিনের সামরিক শোষণ, নিয়মতান্ত্রিক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অর্থনৈতিক অবনতি হতে মুক্তির আশা দেখে রেঙ্গুনের রাস্তায় জনতার ঢল নামে। কিন্তু ৮ জুলাই সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেনাবাহিনী রাস্তায় জমা নারী পুরুষ ও শিশুদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়। চারদিন ধরে চলা এ হত্যাযজ্ঞে প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয়। হাজারে হাজারে ছাত্র ও গণতন্ত্রকামী মানুষ সীমান্তবর্তী এলাকায় পালিয়ে যায়।

ঠিক এই অশান্ত অবস্থাতেই বার্মার স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা অং সানের কন্যা বিদেশে অবস্থানরত অং সান সু কি অসুস্থ মাকে দেখতে দেশে আসেন। সময়ের প্রয়োজনে তিনিও রাজনীতিতে পা রাখেন। এ সময় আন্তর্জাতিক চাপ এড়াতে সামরিক সরকার এক বহুদলীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেয়। সমমনাদের নিয়ে গঠিত সু কির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) দেশব্যাপি জনপ্রিয়তা লাভ করে। সু কির জনপ্রিয়তার ফলাফল টের পেয়ে তাকে গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৯০ সালের ২৭ মে প্রতিশ্রুত নির্বাচনে সু কির দল ৮২% ভোট পেয়ে জয়ী হয়, কিন্তু সামরিক সরকার সে ফলাফল গোপন রেখে ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায়।

২০০২ সালে সু কিকে মুক্তি দেয়া হলেও ক্ষমতা সামরিক সরকারের হাতেই থাকে। টানা একনায়কতন্ত্রের ফলে গৃহযুদ্ধ, মানবেতর জীবন, সংঘাত, রক্তপাত, অর্থনৈতিক দুর্বলাবস্থা সব মিলিয়ে জাতিসংঘের সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলোর তালিকায় প্রথম দিকে আছে বার্মা। সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের ১৫ বছরই সু কির বিভিন্ন সময়ে গৃহবন্দী অবস্থায় কাটে। ২০০৯ সালে আসিয়ান সামিটে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সু কির মুক্তির উপর বিশেষ জোর দেন। আমেরিকা ও ব্রিটেন উভয়ই বার্মায় সাধারণ নির্বাচনের উপর জোর দিতে থাকে। ২০১০ সালে সু কি মুক্তি পান। ২০১২ সালে সাধারণ নির্বাচনে সু কি ও তার দল NLD বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালের ৯ মে সু কি প্রথম আইন প্রণেতা হিসেবে পার্লামেন্টে উপস্থিত হন। ছয় দশকের রক্তপাত ও সশস্ত্র সংঘাত ও একনায়কতন্ত্রের পর বার্মা বা মিয়ানমার গণতন্ত্রের মুখ দেখে। কিন্তু সমস্যা কি আদৌ ফুরোলো?

বার্মায় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতির মানুষদের উপর অত্যাচার নিপীড়ণ চলছে সে গোড়া থেকেই। এর পেছনে মূল কারণ তাদের বহিরাগত ভাবা (‘রোহিঙ্গা: এক রাষ্ট্রহীন জাতির জন্মকথা‘ লেখাটি থেকে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন)। অনেক আগে মূলত বাংলাদেশ থেকে উঠে যাওয়া মানুষদেরই একটি গোষ্ঠী এই রোহিঙ্গারা। সেনাবাহিনী ও সংখ্যাগুরু বার্মীজদের গণহারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াও এর কারণে রোহিঙ্গারা আজ নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত। আশ্চর্যের বিষয় বার্মার গণতন্ত্রের মানসকন্যা সু কি রোহিঙ্গা ইস্যুতে একদম চুপ। ২০১২-তে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের বার্মার অধিবাসী মনে করা যায় কি না সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

বর্তমান পরিস্থিতি সকলেরই জানা। ভারত, আমেরিকা ও ইসরায়েলের প্রত্যক্ষ সমর্থনে আরও তুমুল আগ্রহে রোহিঙ্গা নিধন চলছে। তুরস্ক, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া যথেষ্ট সমবেদনা দেখালেও তেমন কার্যকরী ভূমিকা কেউই নিচ্ছে না। আর সীমান্তবর্তী দেশ হওয়ায় লাখে লাখে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সয়লাব হয়ে গেছে বাংলাদেশ। যেভাবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের মাটি আঁকড়ে ধরছে আর যেভাবে মিয়ানমার সরকার তাদের ফিরে যাবার পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে এই দ্রুত জনবর্ধনশীল দেশের কী অবস্থা হবে তা ভাবা যাচ্ছে না।

এদিকে একদল অসহিঞ্চু ও অজ্ঞ বাঙালির দাবি বৌদ্ধদের দেশ থেকে তাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের জায়গা করে দেওয়া। তাদের সাথে ওপারের রোহিঙ্গা বিতাড়নকারী সংখ্যাগুরু বার্মীজদের কী তফাৎ তা বোঝা দায়। সীমান্তবর্তী বৌদ্ধ অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে হঠাৎ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা জারি রয়েছে। পৃথিবীর রাজনীতিতে সুদীর্ঘদিন আড়ালে থাকা মিয়ানমার এভাবেই আজ বাংলাদেশের জন্য এক মূর্তিমান উৎপাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। পার্শ্ববর্তী এই দেশকে নিয়ন্ত্রণ করাই এখন বাংলাদেশের জন্য সময়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

তথ্যসূত্র: রোয়ার মিডিয়া
কন্ট্রিবিউটর: রুবায়েত আমিন

যা খেলে পুরুষের শরীর ঠিক থাকেবয়স লুকাতে চান? সুস্থ থাকতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে কিছু খাবার পুরুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। নিয়ম...
13/09/2017

যা খেলে পুরুষের শরীর ঠিক থাকে

বয়স লুকাতে চান? সুস্থ থাকতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে কিছু খাবার পুরুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। নিয়মিত এসব খাবার খেলে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। বয়স বাড়তে শুরু করলে শরীরে তার চিহ্ন ফুটতে শুরু করে। শুধু বয়সের ছাপ নয়, শরীর দুর্বলবোধ হতে থাকে। যাঁরা বংশগতভাবে ভাগ্যবান বা যাঁরা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সহজে বয়স বোঝা যায় না। বয়স চল্লিশের কোঠায় যাওয়ার পর থেকে মেটাবলিজমের হার কমতে থাকে। তাই এ সময় শরীর ঠিক রাখতে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদিও দেহঘড়ির চলার পথ আটকানো কঠিন, তারপরও কিছু খাবারের কারণে বয়সের ছাপ পড়ার হার ঠেকিয়ে রাখা যায়। ভারতের পুষ্টিবিদ শিল্পা অরোরার মতে, কিছু খাবার আছে, যা ফাইটোনিয়ট্রিয়েন্টে ভরপুর। এ ছাড়া তারুণ্য ধরে রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাট, লাইকোপেন, ভিটামিন ‘সি’ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। তারুণ্য ধরে রাখে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:

টমেটো: টমেটোতে আছে লাইকোপেন। এটি শরীর সুস্থ রাখে এবং তারুণ্য ধরে রাখে। ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ থেকে এটি শরীরকে সুরক্ষা দেয়। টমেটো ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে এবং ত্বকে প্রোটিনের সরবরাহ বজায় রাখে। টমেটোর আছে নানা গুণ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’, যা আমাদের ত্বক সুন্দর রাখে। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটো থেকে শক্তি পাওয়া যায় প্রায় ২০ ক্যালরি। টমেটোতে পানির পরিমাণ প্রায় ৯৪ শতাংশ। ‘লাইকোপেন’ নামের একধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে টমেটোর রং লাল। লাইকোপেন শরীরের মুক্ত যৌগমূলকগুলোকে নষ্ট করে দেয় এবং কোষগুলোকে রক্ষা করে। লাইকোপেন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। প্রোস্টেট, বৃহদন্ত্র, মলাশয়, পাকস্থলী, গ্রাসনালি ইত্যাদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্যানসার প্রতিরোধে টমেটো সহায়ক ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন গবেষণায় এ ব্যাপারে প্রমাণ মিলেছে।

মাছের তেল: মাছের তেল ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম উৎস। এটি শরীরের কোষের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ঠিকমতো চালাতে সাহায্য করে। এতে উচ্চমাত্রার হজমে সহায়ক প্রোটিন আছে, যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে। এটি রক্তের চিনির মাত্রা কমায়, যা বয়সের ছাপ ফেলার জন্য প্রাথমিক কারণ হিসেবে মনে করা হয়। প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় তাই মাছ রাখা উচিত।

বাদাম: সুস্বাস্থ্যের বিবেচনায় প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় বাদাম রাখা উচিত। তারুণ্য ধরে রাখতে এতে দরকারি ভিটামিন ও পুষ্টি আছে। কাজুবাদাম, আখরোট ও কাঠবাদাম ওমেগা-৩-এর প্রয়োজনীয়তা মেটায়।

বেরি: স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি ও ব্লুবেরিতে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েডসের ভালো উৎস। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’, যা কোলাজেনকে শক্তিশালী করে। এতে ত্বকের দাগ কমায়।

গ্রিন টি: তারুণ্য ধরে রাখতে অনেক জনপ্রিয় একটি পানীয় হচ্ছে গ্রিন টি বা সবুজ চা। সবুজ চায়ে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান ও খনিজ পদার্থ, যেমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ভাঁজহীন ত্বক এবং অভ্যন্তরীণ অবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে।

দই: দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য ভালো। দই বয়সের কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। দইয়ে ক্যালসিয়ামও থাকে। প্রোটিনের দারুণ উৎস দই। প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়া হজমে সাহায্য করে। এতে রিবোফ্লোবিন, ফসফরাস ও ভিটামিন ১২ রয়েছে।

অ্যাভোকাডো: পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে অ্যাভোকাডো একটি। কেননা, এর মধ্যে আছে নানা ঔষধি গুণও। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। আছে প্রচুর পটাশিয়াম, যা কলার চেয়ে ৬০ ভাগ বেশি। ১৮ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড, ৩৪ শতাংশ স্যাচুরেটেড ফ্যাট। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভালো কোলেস্টেরল, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে। অর্থাৎ শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

কোনটি খাবেন? গ্রিন টি নাকি রং চা?ঘুম থেকে উঠেই কিংবা কাজের ফাঁকে একটু চা না হলে কি চলে? স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আমরা...
12/09/2017

কোনটি খাবেন? গ্রিন টি নাকি রং চা?

ঘুম থেকে উঠেই কিংবা কাজের ফাঁকে একটু চা না হলে কি চলে? স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আমরা অনেকেই দুধ চা এড়িয়ে যাই। কিন্তু রং চা (লিকার টি) এবং গ্রিন টির মধ্যো কোনটি বেশি ভালো হবে শরীরের জন্য এই ভাবনা থেকে মুক্তি দিতে দুই ধরনের চায়ের গুণাগুণের কথা বলেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় প্রধান শামসুন্নার নাহিদ।

গ্রিন টি
=====
ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টির জুড়ি নেই। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। বেশি পরিমাণে গ্রিন টি পান করা ক্ষুধামন্দার কারণ হতে পারে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের জন্যও গ্রিন টি কার্যকর।

রং চা
====
এটিও শরীরের জন্য ভালো। তবে গ্রিন টির তুলনায় কম কার্যকর। যেহেতু এতে অনেকেই চিনি মেশান, তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা কমে যায়। এটিও ত্বকের জন্য ভালো। তবে যাদের শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি তাদের জন্য এই দুই ধরনের চা খাওয়াই মানা। স্বাস্থ্যকর চা পানের নিয়ম হলো দিনে ২ বার চা পান করা। অনেকের চা পান করলে ঘুমের সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে চা পান করা উচিত, যাতে করে ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম-আলো

Address

Tekpara-Banasree Link Road, Banasree
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bonik Bari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bonik Bari:

Share