Map, Desh E-Mart

Map, Desh E-Mart "Get original and creative products delivered to your doorstep anywhere in Bangladesh. To order, send us a message. Cash on Delivery available."

বিটরুট পাউডার (Beetroot Powder) হলো শুকনো বিটরুট গুঁড়ো, যা নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। নিচে এর প্রধান গুণাগুণগ...
11/05/2025

বিটরুট পাউডার (Beetroot Powder) হলো শুকনো বিটরুট গুঁড়ো, যা নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। নিচে এর প্রধান গুণাগুণগুলো দেওয়া হলো:

১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

বিটরুটে থাকা নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তনালিকে প্রশস্ত করে, ফলে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

২. শক্তি ও স্ট্যামিনা বাড়ায়

বিটরুট পাউডার খেলোয়াড়দের মধ্যে জনপ্রিয়, কারণ এটি শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে পরিশ্রম করার ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. ডিটক্সিফিকেশন

বিটরুট লিভার পরিষ্কারে সাহায্য করে এবং শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সহায়ক।

৪. রক্তস্বল্পতা দূর করতে সহায়ক

এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ

বিটরুটে থাকা betalains নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্য বিলম্বিত করতে সাহায্য করে।

৬. চর্ম ও চুলের জন্য উপকারী

ভিটামিন C ও আয়রন থাকার কারণে বিটরুট পাউডার ত্বক উজ্জ্বল করতে ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৭. হজমের সহায়ক

এতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

11/05/2025
বাটারের উপকারিতা:1. পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ: বাটারে ভিটামিন A, D, E এবং K থাকে, যা চোখের দৃষ্টি শক্তি, হাড়ের গঠন এবং রোগ প্রত...
11/05/2025

বাটারের উপকারিতা:

1. পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ: বাটারে ভিটামিন A, D, E এবং K থাকে, যা চোখের দৃষ্টি শক্তি, হাড়ের গঠন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

2. শক্তির উৎস: এটি উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত একটি খাদ্য উপাদান, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

3. স্বাস্থ্যকর চর্বি সরবরাহ করে: বাটারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা সঠিক পরিমাণে খাওয়া হলে শরীরের কোষ গঠনে সহায়তা করে।

4. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক: বাটারে থাকা ভিটামিন E ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।

5. হজমে সহায়তা করে: প্রাকৃতিক বাটারে কিছু এনজাইম থাকে যা হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে সাহায্য করে।

6. প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে, যা শরীরে টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

NID নিয়ে যত সমস্যা ও সমাধানঃআলোচ্য বিষয়ঃ ১. হারানো NID কার্ড; ২. NID সংশোধন; ৩. স্মার্ট কার্ড; ৪. নতুন ভোটার হওয়া; ৫. অন...
25/07/2020

NID নিয়ে যত সমস্যা ও সমাধানঃ
আলোচ্য বিষয়ঃ ১. হারানো NID কার্ড; ২. NID সংশোধন; ৩. স্মার্ট কার্ড; ৪. নতুন ভোটার হওয়া; ৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোড; ৬. স্থানান্তর আবেদন; ৭. ফি জমাদান পদ্ধতি; ৮. আপনার জিজ্ঞাসা, আমাদের উত্তর; ৯. ট্যাগকারী ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে চাকরিরতদের প্রতি অনুরোধ
১. হারানো NID কার্ডঃ
আপনার মূল NID কার্ড যদি হারিয়ে যায়, প্রথমেই নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করবেন। জিডি করতে কিন্তু টাকা লাগে না। আপনি যদি নতুন করে NID কার্ড উঠাতে চান, তাহলে জিডি কপি দিয়ে অনলাইনে (services.nidw.gov.bd) তে আবেদন করুন। প্রথমবার আবেদন ২৩০/= ( দুইশত ত্রিশ টাকা), ২য় বার আবেদন ৩৪৫/= (তিনশত পঁয়তাল্লিশ টাকা), ৩য়বার আবেদন ৪৬০/= (চারশত ষাট টাকা) লাগে। ফি রকেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। যেভাবে রকেটে ফি জমা দিবেন- ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
২. NID সংশোধনঃ
আপনার আই.ডি কার্ডের যেকোন তথ্য সংযোজন বিয়োজন করতে চাইলে অর্থাৎ নিজ নামের অথবা স্বামী-স্ত্রী অথবা বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক পরিবর্তন, জন্ম তারিখ, ব্লাড গ্রুপ, মোবাইল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, ভোটার এলাকা নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ অন্যান্য বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে, মোবাইলে/ কম্পিউটারে (services.nidw.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন। আপনি কি সংশোধন করবেন, তার জন্য কোন্ কোন্ পেপার সাবমিট করবেন, তা জানতে হবে। আপনি সংশোধন করবেন যা, তার জন্য অপ্রয়োজনীয় কাগজ দিয়ে রেখেছেন, তাহলে কিন্তু সংশোধন হবে না বরং হয়রানিতে পড়বেন। সঠিক তথ্য জেনে, সঠিক কাগজ সাবমিট করুন। সংশোধনী ফি ১ম বার ২৩০ (দুইশত ত্রিশ) টাকা, ২য়বার ৩৪৫/=, ৩য় বার ৪৬০/=। একবার একটা বিষয় সংশোধন করলে, ঐ বিষয়টাই ২য় বার আর সংশোধন করার সুযোগ নেই। এই বিষয়ে, বিস্তারিত তথ্য পাবেন, services.nidw.gov.bd এর "সাধারণ জিজ্ঞাসা" মেনুতে। সংশোধনী ফি কিভাবে জমা দিবেন, ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
৩. স্মার্ট NID কার্ডঃ
পৃথিবী ব্যাপি যে করেনা ভাইরাস আক্রমন করেছে, তার জন্য সাময়িকভাবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া বন্ধ আছে। তারপরও যদি সংশিষ্ট উপজেলায় স্মার্ট কার্ড এসে থাকে, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ "উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে" তথ্য নিতে পারেন। স্মাট কার্ড নিতে আপনাকে দেওয়া প্লাস্টিক NID কার্ড টি সংগে নিয়ে আসতে হবে, আর প্লাস্টিক কার্ড না পেয়ে থাকলে ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া স্লিপটি সাথে করে নিয়ে যাবেন। স্মার্ট কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কেউ টাকা চাইলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারকে অবহিত করুন।
৪. নতুন ভোটার হওয়াঃ
আপনি ভোটার/জাতীয় পরিচয় পত্রের অধিকারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে থাকলে, services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "নতুন নিবন্ধন" অপশনে গিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন ভোটার হন। তাছাড়া আপনি কিভাবে আমাদের কাছ থেকে সহযোগীতা পেতে পারেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো। ভোটার হতে কোনো টাকা লাগে না।
৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোডঃ
যারা ২০১৯ সালে ভোটার হয়েছেন, তারা সহজেই অনলাইন থেকে বিনামূল্যে NID কার্ড ডাউনলোড করে লেমিনেটিং করে নিতে পারবেন। যেভাবে ডাউনলোড করবেন---আপনি যদি আপনার NID নম্বর জানা না থাকে, তাহলে services.nidw.gov.bd তে গিয়ে "অন্যান্য তথ্য" তে গিয়ে এন.আই.ডি নম্বরে ক্লিক করুন। ফর্ম নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করে এন.আই.ডি নম্বর জানুন। তারপর হোম পেজ এ চলে যান, সেখানে গিয়ে রেজিষ্টার মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর বামপাশে "রেজিষ্টার করুন" অপশনে গিয়ে ক্লিক করুন। তারপর ডাউনলোড করুন, বিনা মূল্যে আপনার NID কার্ড।
৭. স্থানান্তর আবেদনঃ
আপনি কোনো কারণে নিজ এলাকার ভোটার না হয়ে, অন্য এলাকায় ভোটার হয়েছেন, কিংবা নদী ভাঙ্গন, বসতভিটা অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া, ইত্যাদি কারণে ভোটার স্থানান্তর খুব সহজেই services.nidw.gov.bd লিংকে গিয়ে আবেদন করুন। আবেদনের গ্রহন কপি নিয়ে স্ব-শরীরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।
৭. ফি জমাদান পদ্ধতিঃ
প্রথমে আপনার মোবাইলের ডায়ালপ্যাডে গিয়ে *৩২২ # তে ডায়াল করুন। তারপর Bill pay অপশনে যাবেন। তারপর Self অপশনে যাবেন। তারপর Biller ID 1000 লিখে সেন্ড করুন। তারপর আপনার ১০/ ১৭ ডিজিটের NID নম্বর লিখুন, সেন্ড করুন, এবার অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন, আপনি যেই সমস্যার জন্য আবেদন করছেন, ঐ অপশনে ডায়াল করুন, কত টাকা কেটে নিবে, ওখানে অটোমেটিক দেখতে পাবেন। এখন আপনার রকেট মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিয়ে, পিন নম্বর দিয়ে টাকা জমা দিন। তাছাড়া আপনি services.nidw.gov.bd এর হোম পেজ এ "হোম" এর নিচে ফিস/চার্জ এ হিসাব করতে পারেন, কত টাকা লাগবে।
৮. আপনার প্রশ্ন, আমাদের উত্তরঃ
যাবতীয় তথ্যের জন্য services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "সাধারণ জিজ্ঞাসা" অপশনে ক্লিক করুন। সব কিছু জানতে পারবেন।
৯.. ট্যাগকারী ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে চাকরিরতদের প্রতি অনুরোধঃ
আপনাদের প্রতি যথাযথ সম্মানের সহিত বিনীত অনুরোধ, কেউ কমেন্ট সেকশনে প্রশ্ন করলে সঠিক তথ্য দিয়ে নাগরিকদের সেবা করুন। কোন্ আবেদনের প্রেক্ষিতে কি কি ডকুমেন্ট/ কাগজপত্র লাগবে, শুধু সেটা বলে দিন। অযথা মানুষকে পেরেশানিতে রাখবেন না।
বিঃদ্রঃ কেউ যদি আপনাকে ফেসবুকের ইনবক্সে/ মেসেঞ্জারে/ হোয়াটস অ্যাপে/ ইমোতে যেতে বলে, আপনি যাবেন না এবং কারো খপ্পরে পড়বেন না।

22/07/2020
28/11/2018

কেন সাদা চিনি এড়িয়ে চলবেন?
ডা. তানজিনা হোসেন, সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম বিভাগ, গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ
২৮ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৩৪
আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৩৭



সাদা চিনির নানা ক্ষতিকর দিক আছে। ছবি: অধুনা
সাদা চিনির নানা ক্ষতিকর দিক আছে। ছবি: অধুনা
চিনিটা ছাড়তে পারছেন না শত চেষ্টায়। মিষ্টি জিনিস দেখলেই জিবে জল আসে। নিজেকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। কেউ কেউ আছেন চকলেট জাতীয় খাবার খেতে শুরু করলে আর থামতে পারেন না। তাহলে কি এই জিনিস, মানে চিনি, আসলে এক ধরনের আসক্তি? এ নিয়ে সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞানীরা দিচ্ছেন নানা মজার তথ্য। প্রাগৈতিহাসিককালে চিনি ছিল না, তার পরিবর্তে ছিল মধু আর মিষ্টি ফল। ওগুলো নানা ধাপে ভেঙে শরীরের রক্তে মিশত। প্রক্রিয়াজাত চিনি (রিফাইন্ড সুগার) তা নয়। এগুলো সরাসরি রক্তে মেশে আর মস্তিষ্কে গিয়ে পৌঁছায় এর প্রভাব।
বর্তমানে মিষ্টান্ন ঘনীভূত চিনি বা হাই ফ্রুকটোজ সিরাপ ও সুক্রোজের তৈরি, ওগুলো আরও নেশা উদ্রেককারী। গবেষকেরা বলছেন চিনি আমাদের স্বাদগ্রন্থিকে পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়ার সংকেত দিতে পারে না, যেমনটা পারে লবণ। যেমন লবণ বা নোনাজাতীয় খাবার একটু খাওয়া হয়ে গেলে আপনার স্বাদগ্রন্থি জানান দেবে যে যথেষ্ট হয়ে গেছে, আর খাওয়া যাবে না। চিনিযুক্ত খাবারের বেলায় তা হয় না। ফলে আপনি একসঙ্গে অনেকগুলো চকলেটবার খেয়ে ফেলতে পারেন বা আস্ত এক প্যাকেট মিষ্টি কুকিজ খাওয়ার পরও আপনার আরও খেতে ইচ্ছে করতে পারে। নোনতা খাবারের বেলায় এই ইচ্ছে খানিক পরই মরে যায়। আমেরিকান হার্ট ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেছেন প্রক্রিয়াজাত চিনি বা সাদা চিনি বারবার ওটা খাবার ইচ্ছে জাগিয়ে তোলে, আর না খেলে আবার উইথড্রয়াল (কোনো খাবারে আসক্ত হয়ে পড়লে তা ছেড়ে দেওয়ার পর শারীরিক প্রতিক্রিয়া) উপসর্গ হয়! এই দুটোই নেশাদ্রব্যের বিশেষত্ব।
চিনিপ্রিয়রা চিনি ছেড়ে দিতে চেষ্টা করলে মস্তিষ্কে ডোপামিনের (মস্তিষ্ক থেকে নিঃসরিত এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ) অভাব দেখা দেয়। ফলে তাঁরা বিষণ্ন, খিটখিটে, বদমেজাজি হয়ে পড়েন, ছোট শিশুরা কখনো অতিচঞ্চল হয়ে ওঠে। অবশ্য তাঁরা বলছেন চিনির প্রতি আসক্তি মানুষে মানুষে আলাদা, কারও একটু কম, কারও বেশি।
এখন কথা হলো, সাদা চিনি কি সত্যি খারাপ? তবে কেন আমরা বলি যে গ্লুকোজ বা চিনিই হলো শরীরের সব শক্তির উৎস বা চিনি খেলে বুদ্ধি বাড়ে? আসলে এখানে যে চিনির কথা বলা হচ্ছে তা সাদা চিনি নয়, এই চিনির অর্থ শর্করা। সুষম খাবারের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শর্করা হলেও আপত্তি নেই। কিন্তু সেই শর্করা জটিল শর্করা হতে হবে। আমরা যা সচরাচর রোজ খাই—ভাত, রুটি, শস্যজাতীয় খাবার, ফলমূল, নানা ধরনের সবজি—এগুলোতে লুকিয়ে আছে অনেক চিনি বা শর্করা। এই খাবারগুলো হজম হওয়ার পর ভাঙতে ভাঙতে গ্লুকোজে পরিণত হয়।
গ্লুকোজ থেকে আমরা প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করি। সাদা চিনি কিন্তু তা নয়। সাদা চিনি হলো সুক্রোজ, যা ভাঙার প্রয়োজন হয় না, দ্রুত রক্তে মিশে যায় এবং রক্তে চিনির পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। আমাদের মেটাবলিক সিস্টেম এই চিনিকে সামলে উঠতে পারে না এ কারণে যে আদিকালে কোনো চিনি ছিল না, শর্করার উৎস ছিল শস্য বা ফলমূল আর এই জন্যে মেটাবলিক সিস্টেম সেভাবে গড়ে ওঠেনি আমাদের শরীরে। তো এই বাড়তি চিনি তখন একধরনের চর্বি (ট্রাইগ্লিসারাইড) হিসেবে শরীরে জমা হতে থাকে। তাই সাদা চিনি খেলে কেবল ওজন এবং শর্করা বাড়ে তা–ই নয়, চর্বিও বাড়ে। ফলে দেখা দেয় স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, ফ্যাটি লিভারসহ অনেক কিছু। এর বাইরেও নানা খারাপ দিক আছে। যেমন—সাদা চিনি খাবারে আসক্তি ও রুচি বাড়িয়ে দেয়, দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে, আর এতে ক্যালরি অনেক থাকলেও আঁশ, ভিটামিন, খনিজ ইত্যাদি দরকারি উপাদান নেই। জটিল শর্করায় এগুলো বেশ ভালোমতোই আছে। তাই চিনি পেতে হলে যে চিনি খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই, আমাদের চারপাশের বেশির ভাগ খাবারেই আছে চিনি। সাদা চিনি সে জায়গায় একটা বাড়তি ক্ষতিকর উপাদান ছাড়া আর কিছু নয়।


প্রথম আলো...

19/01/2018

যে লক্ষনগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে কিডনিতে সমস্যা আছে:-

১: প্রস্রাব কম হওয়া।
২: প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে।
৩: অনেকবেশি ক্লান্ত অনুভব করা।
৪: কাজ হতে মনোযোগ কমে যাওয়া।
৫: পা ফুলে যাওয়া।
৬:খাবারে অরুচি।
৭: চোখের চারপাশে ফুলে যাওয়া।
৮: মাংশপেশীতে টান অনুভব বা খিচুনি।
৯: ত্বকে চুলকানি দেখা দেওয়া।

13/01/2018

"তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা তেতুল মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর" আধুনিক ডাক্তারদের মতে এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।।

জেনে নেই তেতুলের উপকারিতা:

১: হৃদরোগের জন্য উপকারী।

২: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্তনে রাখে।

৩: রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।

৪: শরীরের মেদ কমায়।

৫: হজমে সহায়তা করে।

৬: পেটের বায়ু, হাত পা জ্বলায় তেতুলের শরবত অনেক উপকারী।

৭: তেতুল গাছের বাকল লাগালে ক্ষত সারে।

৮: বুক ধড়ফর করা, মাথা ঘোরানো রোগে তেতুল উপকারী।

৯: আমাশয়,কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার করে।

১০: পাকা তেতুল কাশি সারায়।

১১: তেতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ উঠা সারায়।

১২: মুখে ঘা হলে তেতুলের পানিতে কুলি করলে উপকার পাওয়া যায়।

১৩: মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।

১৪: ক্যান্সারের জন্য উপকারী।

১৫ তেতুলের সাথে রসুন খেলে রক্তের চর্বি কমে।

১৬: তেতুল খিদে বাড়ায় বমি বমি ভাব দূর করে।

১৭: তেতুলের পাতা ম্যালেরিয়া জ্বর সারায়।

১৮: শিশুদের পেটের কৃমি দূর করে।

১৯: বাত ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।

30/11/2017

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় শিশুদের বাড়তি যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কারণ এ সময় শিশুরা রোগের ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষ করে শিশুদের অ্যাজমার সমস্যা থাকলে ঠান্ডা আবহাওয়ায় তার প্রকোপ বেড়ে যায়। এ নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন-

হাঁপানি শব্দটির সাথে কমবেশি সকলেই পরিচিত। গ্রীক শব্দ Asthma থেকে বাংলায় হাঁপানি। যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ করে শ্বাস নেয়া।

সামান্য একটু ঠান্ডা লাগা থেকেই বেড়ে যেতে পারে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ। তাই এটাকে হালকা ভাবে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। সাধারণত শরতের শেষ দিকে থেকে শুরু করে শীত আসার আগে আগেই ঠান্ডা লাগা শুরু হয়। এ সময় ফ্লু ও অন্যান্য আবহাওয়া জনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। মূলত আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই এইসব রোগ ছড়াতে থাকে এবং হাঁপানি বাড়িয়ে দেয়।

অ্যাজমা/ হাঁপানির লক্ষণ সমূহঃ অ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্ত হলে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়-

-শ্বাস কষ্ট হওয়া

-শ্বাস নেয়ার সময় সাঁ সাঁ জাতীয় শব্দ হওয়া

- কাশি

- দম বন্ধ লাগা

রোগের কারণ-

শ্বাসনালির চার পাশের মাংসপেশি সংকুচিত হয়, ফলে বাতাস চলার পথ সরু হয়ে যায়।

বিভিন্ন রোগজীবাণুর সংক্রমণে শ্বাসনালির ভেতরের স্তরে প্রদাহ হওয়া বা ফুলে ওঠা।

দূষিত বাতাস গ্রহণের ফলেও দিন দিন শিশুদের মধ্যে হাঁপানির প্রকোপ বেড়ে চলছে।

অ্যাজমা সাধারণত বংশগত রোগ। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তন, বাড়িঘরের ধুলা-ময়লা, উৎকট গন্ধ বা স্প্রে, সিগারেট বা অন্যান্য ধোঁয়া ইত্যাদি কারণে এই রোগ বাড়তে পারে।

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়ঃ অ্যাজমা রোগের প্রতিকার হিসেবে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে হবে।

-অ্যাজমা আক্রান্ত শিশুর বাবা মা’র ধূমপান করা উচিত নয়।

-অ্যাজমা সর্দি, কাশির মত ছোঁয়াচে রোগ নয়। শিশুর অ্যাজমা হলেও মায়ের বুকের দুধ খেতে কোন বাঁধা নেই। এই রোগ একজন থেকে অন্যজনে ছড়াবে না।

-শিশুকে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখুন।

-শিশুকে পুরোনো কাপড় পরানো উচিত নয়। কারণ পুরোনো কাপড়ে ধুলা ময়লা লেগে থাকে। তাই শিশুকে সব সময় পরিষ্কার কাপড় পরানো উচিত।

-শিশুকে সাধারণ ব্যায়াম করানোর অভ্যাস করান। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শিশুর অ্যাজমা হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ মত চললে এবং ঠিকমত চিকিৎসা করালে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

https://mytonic.com/bn/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6...
19/08/2017

https://mytonic.com/bn/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF/tonic/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%AB%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F

আমরা দিন শেষে বাইরে থেকে এসেই পরিষ্কার হওয়ার জন্য হাত-মুখ ধোয়া, গোসল করায় ব্যস্ত হয়ে যাই। কারণটা স্বাভাবিক, নিজের গায়ে রোগ-জীবাণু/ময়লা কে চায়? অথচ একই ব্যাপারটা যখন শরীরের ভেতরে ঘটে প্রতিনিয়ত, তখন আমরা নির্বিকার! দিনের পর দিন জাঙ্কফুড, প্রসেসড ফুড, কোলা ড্রিংকস খেয়ে, দেহের ভেতরে যে কত ক্ষতিকর পদার্থ...

18/08/2017

সাধারণ সর্দি জ্বর ... ... ... ... !

# লক্ষণ :-

* হঠাৎ করে নাকে ও গলায় সুড়সুড়ি লাগে, জ্বালা করে৷

* হাঁচি হয়, নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরে, নাক বন্ধ হয়ে যায়৷

* গা ম্যাজ ম্যাজ ও ব্যথা করে, গলা ব্যথা করে, সামান্য জ্বর থাকতে পারে

* মাথা ভার ভার লাগে৷

* ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ইনফেকশন হলে- জ্বর, সর্দি, মাথাব্যথা, সাইনাসের ব্যথা, কানব্যথা, ফুসফুসের প্রদাহ হতে পারে৷

* কিছু জটিলতা যেমন- সাইনোসাইটিস, মধ্যকর্ণের প্রদাহ, ফুসফুসের প্রদাহ দেখা দিতে পারে৷

# প্রাথমিক চিকিত্সা :-

* রোগীকে বিশ্রামে থাকতে হবে৷ ঠাণ্ডা জাতীয় সব কিছু এড়িয়ে চলতে হবে৷ গরম খাবার ও পানীয় বেশি বেশি খেতে হবে৷

* পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পানীয় গ্রহণ করতে হবে৷

* ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার যেমন লেবু, আনারস, পেয়ারা, আমলকি ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে৷

* এই রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় রোগীর সাথে অন্যান্য সুস্থ মানুষের মেলামেশা সাবধানে করতে হবে৷ রোগীর ব্যবহৃত তোয়ালে, গামছা, রুমাল ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না৷ রোগী হাঁচি দেয়ার সময় মুখে রুমাল দিতে হবে এবং যেখানে সেখানে কফ, থুথু বা নাকের শ্লেষ্মা ফেলবেন না৷

* প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে৷

----------------------------------------------------------------------
স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখুন, পোষ্টটি লাইক কমেন্ট অথবা শেয়ার করুন ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Map, Desh E-Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share