Tapan Songster Groups / TSG

Tapan Songster Groups / TSG Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tapan Songster Groups / TSG, Movie & Music Store, North Dhaka/, Dhaka.

স্বরের যত্ন সুরের যত্নডা. মনিলাল আইচ লিটুকণ্ঠস্বরে প্রকাশ পায় যে কোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব। অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা, নিজে...
18/03/2019

স্বরের যত্ন সুরের যত্ন
ডা. মনিলাল আইচ লিটু
কণ্ঠস্বরে প্রকাশ পায় যে কোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব। অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা, নিজের প্রয়োজনের কথা জানানোর জন্য কণ্ঠস্বরের বিরাট ভূমিকা। গায়ক, শিক্ষক, ডাক্তার, উকিল, নার্স, বিক্রয়কর্মী এবং রাজনৈতিক বক্তারা তাদের কণ্ঠস্বরকে সারাক্ষণই ব্যবহার করতে চান। কিন্তু এটা করতে গিয়ে তারা কণ্ঠস্বরের সমস্যায় পড়েন। বিভিন্ন কারণে কণ্ঠস্বরের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যেমন-ঊর্ধ্ব শ্বাসনালীর সংক্রামণ, কণ্ঠস্বরের অন্যান্য ব্যবহার, স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার, নিউরোমাসকুলার সমস্যা, এমনকি মানসিক আঘাত। গলার স্বর ফ্যাসফেসে হয়ে গেলে, বিশেষ কোনো উঁচু স্কেলে গান গাইতে কষ্ট হলে, হঠাৎ কণ্ঠস্বর বসে গেলে, গলা ব্যথা করলে বা কথা বলতে কষ্ট হলে, বারবার গলা পরিষ্কার করার প্রয়োজন হলে বুঝতে হবে, ভালো নেই কণ্ঠ স্বাস্থ্য।
আরও পড়ুন: দিনে ৩ লিটার জল না খেলে কি হতে পারে জানেন?
কণ্ঠস্বর ভালো রাখার কৌশল :
চা, কফি বা অ্যালকোহল, পানীয় গ্রহণে সাবধান হতে হবে। এসব উপাদান শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। এতে স্বরযন্ত্রের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। এছাড়া স্বরযন্ত্রের আবরক ঝিলি্লর ওপর অ্যালকোহল পীড়নের সৃষ্টি করে থাকে।
খেতে হবে প্রচুর পানি। দিনে অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস।
ধূমপানের অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে হবে। ধূমপায়ীদের মধ্যে স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার রোগের হার অনেক বেশি।
কথা বলার সময় বুকের ডায়োফ্রামের মাংসপেশির সাহায্য নিতে হবে। ফুসফুস তার হাওয়ার চালানো দিয়ে কথা তৈরিতে যেন সহায়তা করে। অন্যথায় স্বরযন্ত্রের ওপর পড়ে যায় বাড়তি চাপ।
ঝাল খাওয়া বর্জন করতে হবে। ঝাল থেকে বেড়ে যায় পাকস্থলির এসিড। আর তা উঠে আসতে পারে খাদ্যনালী বেয়ে, যাকে বলা হয় রিফ্ল্যাঙ্।
ঘরের ভেতর আর্দ্রতা যেন শতকরা তিরিশের মতো থাকে- দরকার হলে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা উচিত।
আপনার খাদ্য তালিকা সাজান বেশি বেশি করে ফলমুল আর শাক-সবজি দিয়ে। এ সবের মধ্যে পাওয়া যাবে ভিটামিন এ, ই, আর সি। কণ্ঠযন্ত্রেও আবরক ঝিলি্লকে সুস্থ রাখতে দরকার এসব ভিটামিন।
ঘাড়ে রিসিভার নিয়ে দীর্ঘসময় কথা না বলা ভালো। গলার মাংসপেশিতে ব্যথা হতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। ব্যায়াম আপনার কর্মশক্তি যেমন বৃদ্ধি করে, তেমনি বাড়ায় মাংসপেশির দৃঢ়তা। ব্যায়াম যোজায় সুঠাম ভঙ্গিমা এবং নিঃশ্বাসের প্রাচুর্য্য, যাতে করে শুদ্ধভাবে কথা বলা সম্ভব হয়।
গলা চড়িয়ে কথা বললে স্বরযন্ত্রে অহেতুক চাপ পড়ে। সুযোগ থাকলে মাইক্রোফোনে আপনার কথাগুলো বলুন।

গান রেয়াজ করার মৌলিক কৌশলশুনা যত সহজ গান করা ততটাই কঠিন।শুদ্ধ সঙ্গীত সঠিকভাবে চর্চা করতে হলে শুদ্ধ ভাবে গান রেয়াজ করার ক...
18/03/2019

গান রেয়াজ করার মৌলিক কৌশল
শুনা যত সহজ গান করা ততটাই কঠিন।শুদ্ধ সঙ্গীত সঠিকভাবে চর্চা করতে হলে শুদ্ধ ভাবে গান রেয়াজ করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে।
আর সেইজন্য প্রথমেই একজন সঠিক গুরু নির্বাচন করতে হবে।একজন সত্যিকারের গুরু এ পারেন একটি মাননসই গলা তৈরী করে দিতে।
গুরু নির্বাচনের পর গান করার জন্য অবশ্শই একটি হারমোনিয়াম এবং সেইসাথে যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি তানপুরা যোগার করতে হবে।মনে রাখতে হবে গান হলো গুরুমুখী বিদ্যা।তারপরেও আমি আমার ব্লগ এ শুদ্ধ ভাবে সংগীত চর্চা করার কয়কটি সহজ কৌশল দিতে চেষ্টা করেছি যাতে করে ঘরে বসেই নিজের চেষ্টাতে একজন সংগীত অনুরাগী গান চর্চা করে অন্তত নিজের গলাটি তৈরী করতে পারেন।আশা করছি এই কৌশল গুলো আপনাদের উপকারে আসবে।
শুরুতে হারমোনিয়াম এর পাখা খুলে বাতাস দিতে হবে এবং হারমোনিয়াম এর সামনে কয়েকটি চাবি আছে তা খুলে দিতে হবে।তাতে হারমোনিয়াম এর শব্দ স্পষ্ট হবে।হারমোনিয়াম এর ঘাট গুলো কে ৩ ভাগে ভাগ করা হয় সংগীত এর ভাষাতে। এগুলো হলো উদার , মুদারা এবং তারা।গলাকে সঠিক ভাবে তৈরী করতে হলে অবশ্শই উদার তে গলা সাধতে হবে।প্রথমে সা, তারপর নি্ , ধা্ , পা্ , মা্…. তে দম নিতে হবে।দম নেয়া বলতে বুঝে একটি স্বর এ যতক্ষণ পর্যন্ত নিশ্বাস থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত দম টেনে রাখা।লম্বা করে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে তারপর মুখ দিয়ে সা বলে টেনে রাখবে।এইভাবে নি্ , ধা্ , পা্ , মা্…. তে দম নিবে।
সা, নি্ , ধা্ , পা্ , মা্ তে একই ভাবে নুন্যতম ৫ বার দম নিতে হবে।তারপর এই স্বর গুলোতেই আ…….. করে টেনে টেনে দম নিবে।এটাও ৫ বার করে করতে হবে।একই ভাবে ই ই ই ই ….. , উউ উউ উউ উউ ….. , ও ও ও ও …….. দিয়ে করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট করার চেষ্টা করতে হবে।সবগুলোই ৫ বার করে দম নিলে প্রায় নুন্যতম ৪০ মিনিট সময় লাগে।এইভাবে প্রতিদিন রেয়াজ করলে গলা আরো মিষ্টি হবে।মনে রাখতে হবে দম যত বেশি হবে গলা তত শক্তিশালী হবে আর গলা যত শক্তিশালী হবে তত ভালো গান করা যাবে।এই প্রক্রিয়াতে যদি গলার রেয়াজ প্রতিদিন করা হয় তাহলে আশাকরি ভাঙ্গা বা কর্কশ গলা গুলো ও মিষ্টি হবে।স্বর গুলো প্রথমে কান দিয়ে ভালো করে শুনতে হবে তারপর এ মুখ দিয়ে গাইতে হবে।
উপরিউক্ত উপায়ে গান করার জন্য একটি গলা তৈরী করা যায় খুব সহজেই।এতে করে আপনার উচ্চারণ ও আরো পরিষ্কার হবে। কারণ এগুলো মুখের বেয়াম।

গান মানে হলো স্বরলিপির উঠানামাছেলে-মেয়েদের গান শেখার ক্ষেত্রে বাজনার ব্যবহার নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন স...
18/03/2019

গান মানে হলো স্বরলিপির উঠানামা
ছেলে-মেয়েদের গান শেখার ক্ষেত্রে বাজনার ব্যবহার নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সিটিগ্রুপের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাংবাদিক সাখাওয়াত রাব্বী অনিক।
তার স্ট্যাটাস-
বাচ্চা কাচ্চা কে যদি গান বাজনা শিখাতে চান, দয়া করে হারমোনিয়াম যন্ত্রটি দিয়ে এদের মিউজিকের জগ
তে ঢুকাবেন না ।
মানুষ যখন গান গায়, তার গলাটাকে বলা হয় লিড বা মূল বা নেতা। আর পেছনে মিউজিক যেটা বাজে তাকে বলে একোম্পানিমেন্ট বা সহকারী বাজনা। লিড ভোকাল একটা সুর তোলে গলা দিয়ে, আর পেছনের বাজনা গুলো সেই সুরের চারিদিকে নানা ধরণের শব্দের সম্ভার দিয়ে লিড গানটাকে ভরাট করে তোলে। এই কারণে দেখবেন কোন গানের শুধু বাজনাটা যদি ট্র্যাক হিসেবে শুনেন তাহলে মনে হবে ঠিক মধ্যখানে কিছু একটা মিসিং বা নেই। এই মিসিং জায়গাটা খালি রাখা হয় লিড ভোকালের জন্যে। অনেকটা বড় নেতার বা ভিআইপির জন্যে রাস্তায় লেন ফাঁকা রাখার মতোই একটা ব্যাপার।
হারমোনিয়াম যন্ত্রটা মিউজিকের উপরের ফর্মুলা ফলো করে না। গলা সরিয়ে দিয়ে যদি কোনো গানের শুধু হারমোনিয়ামটা আপনি শুনেন, তাহলে দেখবেন কোন কিছু মিসিং নাই। কোনো লেইন ফাঁকা নেই। গলা দিয়ে যেই সুর তোলার কথা, সেই একই সুর হুবহু হারমোনিয়ামেও বাজানো হচ্ছে। ভিআইপির লাইনে সহকারী দৌড়াচ্ছে। একই সুর গলা ও সহকারী বাদ্য যন্ত্রে একই সাথে বাজাতে, মিউজিকের ভ্যালু এড বা বিস্তার কম হচ্ছে।
হারমোনিয়ামের উপরের এই সীমাবদ্ধতার সুদূর প্রসারী প্রভাব আছে। এই সীমাবদ্ধতাটা কি এবার একটু বুঝাবো, ব্যাপারটা কিছুটা টেকনিক্যাল।
গান মানে হলো স্বরলিপির উঠানামা। যেমন ধরেন, ৪/৪ —– সা সা গা মা । মা গা সা পা । গা রে সা মা । মা পা সা ধা । —— ০ এখানে যেটা লিখলাম এটা একটা সুর। দুনিয়ার যেকোণ যন্ত্রে এটা বাজালে একই সুর বাজবে, হারমোনিয়ামে বাজালে, গিটারে বাজালে, কিংবা খালি গলা দিয়ে গেলেও হুবহু একই সুর বাজবে।
সমস্যা হলো হারমোনিয়াম দিয়ে উপরের সুরটা যে শিখবে সে একই সুর ছন্দে ছন্দে তালে তালে গলা দিয়েও বাজাবে, আবার হার্মোনিয়ামেও বাজাবে। এক্ষেত্রে কে ভালো গাইলো আর কে খারাপ গাইলো তা নির্ভর করবে কে কার গলা কত পারফেক্টলি হারমোনিয়ামের সাথে মেলাতে পারছে, বা ফলো করতে পারছে তার উপর। গানের মাস্টাররা একেই বলে “গলাটা ঠিক মতো বসা”
এই কারণে ভোর বেলা দেখবেন হারমোনিয়াম ধরে গান যারা শিখে তারা ” সা রে সা রে গা গা , রে গা রে গা মা মা ” করছে । অর্থাৎ হারমোনিয়ামের সাথে গলা বসাচ্ছে !!
এই কাজটা একটা তোতা পাখি এফেক্ট সৃষ্টি করে। একই গান কে কতো পারফেক্টলি গেতে পারলো তার কম্পিটিশন শুরু করে, পুরোন গান নতুন ভাবে গান গাওয়াকে নিরুৎসাহিত করে। বলতে পারেন কল্পনা শক্তি বা ইমাজিনেশন নষ্ট করে, মিউজিকের ফলোয়ার সৃষ্টি করে, গানের নির্মাতা বা লিডার বানাতে পারে কম। ব্যাপারটা আবার বুঝাই।
কেউ যখন গিটার বা পিয়ানো দিয়ে কোন একটা গান তোলে, সে লিখে রাখে কিছু কর্ড। যেমন “আবার এলো যে সন্ধ্যা” গানটা আমার গানের খাতায় লেখা আছে সি, ই মাইনর, এ মাইনর। জাস্ট ৩ – ৪ তা কর্ড। বাকিটা আমার মনে মনে থাকে, স্বাধীন ভাবে গানটা গাওয়ার সাহস জোগায়।
এবার কর্ড ব্যাপারটা বুঝাই।
— সা গা পা — এই তিনটা নোট বা স্বর একসাথে ধরলে একটা কর্ড হয়। কর্ডের মজা হলো, উপরের একটা মাত্র কর্র্ডে আপনি সা গা পা, সা পা গা, পা গা সা, পা সা গা , সা সা পা, সা সা পা , সা সা গা ইত্যাদি অনেকগুলো সুর গেতে পারবেন, বেসুরা লাগবে না। এই কারণে যারা পিয়ানো বা গিটার বাজায় গান শেখে, তাদের মধ্যে শুরু থেকেই যে কোন চেনা সুরকে হুবহু না গাওয়ার প্রবণতা থাকে। তারা জানে একই কর্ডের উপর নিজের মতো করে গেলেই চেনা একটা গান উঠে যাবে।
একারণে যখন ফিডব্যাকের মাকসুদ কিংবা কবির সুমন রবীন্দ্র সংগীত গায়, তারা ন্যাচারালি অনেক বেশি ফ্রিডম নিয়ে গায়, এটা তাদের কর্ড ধরে গান গাওয়ার ওরিয়েন্টেশনের কারণে হয় বলে আমার ধারণা।
অন্য দিকে হারমোনিয়াম যারা ব্যবহার করে, তাদের কাছে – সা গা পা — বলতে শুধু একটা সুরই বুঝায়, তারা একই সুর একই ভাবে যুগ যুগ ধরে গায়, কেননা তাদের স্বরলিপির খাতাতে সুরটা সেই ভাবেই লেখা থাকে । এটা সৃষ্টি করে এক ধরণের অতীত মুখিতা, মিউজিক্যাল মৌলবাদ।
এবার আসি হিউম্যান এবিলিটির উপর।
আল্লাহ মানুষকে হাত দিচ্ছে ২ টা, আঙ্গুল দিচ্ছে ১০ টা। গানিতিক ভাবে, দুই হাত আর দশ আঙ্গুলের সব গুলোকে যদি সুর তোলার জন্যে ব্যবহার করা যায়, তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই অনেক বেশি স্বরলিপি একবারে বাজানো যাবে, সুরটা বৈচিত্রময় হবে, শুধু এক হাত দিয়ে কিংবা পাঁচ আঙ্গুল ব্যবহার করে সুর তোলার চাইতে।
হারমোনিয়াম যখন কেউ বাজায়, তখন এক হাত ব্যস্ত থাকে ফিজিক্যাল লেবার বা কামলা খাটার কাজে, সুর তোলার কাজে না। বাকী যে হাতে সুর তোলা হয়, বেশি ভাগ হারমোনিয়াম বাদক সেটারও মাত্র ২ থেকে ৩ আঙ্গুল ব্যবহার করেন, ৫ আঙ্গুল না। এটা আল্লাহর দেয়া বাকি ৬ – ৭ টা আঙুলের অপচয়।
পিয়ানো বা গিটারে দুই হাতের দশ আঙুলের প্রতিটাকেই একই সাথে সুর তোলার কাজে ব্যবহার করা যায়। এই কারণে এই দুই যন্ত্রে তোলা সুর বা বাজনা অনেক বেশি বৈচিত্রময় হয়, ৩ আঙুলে বাজানো হারমোনিয়ামে তোলা বাজনার থেকে। এই পার্থক্যটা রীতিমত গাণিতিক, এটা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ খুব কম।
উপরের আলোচনার আলোকে উপসংহার হলো, বাচ্চাদের প্রথম মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে গিটার বা পিয়ানো দিয়ে শুরু করুন। আর এর সাথে রাখুন তবলা কিংবা ড্রাম। তবলা বনাম ড্রামেও ফিজিক্যাল এবিলিটির ব্যাপার আছে।
ড্রাম বাজাতে ২ হাত ২ পা লাগে, তবলা বাজাতে শুধু ২ হাত। কিন্তু তবলা ড্রামের সাথে সমানে সমান পাল্লা দিতে পারে, কেননা তবলা বাদকের দুই হাতের ১০ আঙ্গুল আলাদা আলাদা শব্দ তৈরী করে, আর ড্রাম বাদকের আঙুলের কোন ব্যবহার থাকে না, তার দুই হাত একই সাথে ২ টা শব্দ তৈরী করতে পারে, সেই সাথে দুই পা শুধু দুইটা শব্দ। ড্রামার তার এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নেয় ১০ – ১২ প্রকারের ড্রাম একসাথে জোড়া দিয়ে, যাকে বলে ড্রাম সেট। তবলার সেটে সাধারণত ২টা তবলা থাকে, বেশী হলে ৩ টা, এর বেশি এক সাথে থাকে না। সব মিলিয়ে, মিউজিকের কেরামতির খেলায় তবলা ও ড্রাম তাল লয় সেখার জন্যে সমানে সমান।
হারমোনিয়াম নিয়ে লাস্ট কথায় আসি । এই যন্ত্রটা বাংলার যন্ত্র না, ঠিক যে ভাবে পিয়ানো গিটারও বাংলার যন্ত্র না। সুতরাং আজাইড়া মায়ার জালে এই হারমোনিয়াম যন্ত্রটাকে জড়াবেন না।
হারমোনিয়াম যন্ত্রটি সায়েন্টিফিক দিক থেকে দুর্বল, এবং সব চাইতে বড় কথা এইটাকে যে হিসেবে ব্যবহার করার জন্যে এর আবিষ্কারক বানিয়েছিল (লিড সিনথে-সাইজার হিসেবে) , আমরা তার থেকে অনেক বেশী গুরুত্বপূরর্ন কাজ একে দিয়েছি। এটা যন্ত্রের কোন দোষ না, দোষটা আনাড়ি বাঙালি/দক্ষিণ এশিয়ানদের।

16/03/2019

Address

North Dhaka/
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tapan Songster Groups / TSG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share