15/04/2022
https://www.facebook.com/108545881698033/posts/141068701779084/?sfnsn=mo
গীবত থেকে কীভাবে বাঁচবেন?
-হাকীমুল উম্মল আশরাফ আলী থানভী রাহ.
হযরত থানভী বলেন, কিছু লোক মাঝেমধ্যে আমার কাছে এসে বলে, ‘আমি আপনার গীবত করেছি। আমাকে মাফ করে দিন।’ তখন তাদের বলি, আমি তোমাকে মাফ করে দিব। তবে এর পূর্বে আমাকে বলতে হবে, তুমি আমার কী গীবত করেছ? আমার অনুপস্থিতিতে লোকে আমাকে নিয়ে কী মন্তব্য করে- তা জানার জন্য। যদি তা বলো তাহলে আমি মাফ করে দিব। তারপর তিনি বলেন, আমি এর হিকমত জানিয়ে দেই যে, আমার অনুপস্থিতিতে যে দোষ আলোচনা হয়, বাস্তবেই যদি তা আমার মাঝে থাকে, তাহলে তা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাআলা তা থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করবেন।
অতএব যদি কখনো কারো গীবত যবানে চলে আসে তাহলে ঐ ব্যক্তিকে বলে দাও, আমি আপনার গীবত করেছি। এ কথা বলার সময় তোমার দিল চুরমার হয়ে যাবে। নিজ যবানে এ কথা স্বীকার করা তো অনেক কষ্টসাধ্য। কিন্তু এটাই গীবত থেকে বাঁচার ঔষধ। দু’চার বার এ ঔষধ সেবন করলে আগামীর জন্য শিক্ষা হয়ে যাবে।
বুযুর্গ উলামায়ে কেরাম গীবত থেকে বাঁচার অন্য পদ্ধতিও বলেছেন। যেমন: হাসান বসরী রাহ. বলেন: যখন অন্যদের গীবত যবানে চলে আসবে, তখন সাথে সাথে নিজের দোষত্রুটির প্রতি নজর দাও। দোষত্রুটিমুক্ত কোনো মানুষ নেই। আর কল্পনা করো, আমার মাঝেই অমুক, অমুক দোষ বিদ্যমান। অন্যদের দোষ কোন মুখে আমি আলোচনা করি! সাথে সাথে আল্লাহ তাআলার নিকট এ আপদ থেকে পরিত্রাণের দুআ করো। কোনো মজলিসে এমন হয়ে গেলে সাথে সাথে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করো। তা থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাও।
ইরশাদাতে আকাবির পৃ. ৩৭-৩৮
Written by: Maulana Khairul Islam
আল্লাহপাক এই ভয়ংকর আত্মীক ব্যাধি থেকে হেফাজত করুন।। নিজে কষ্ট করে নেক আমল করে অন্যকে ফ্রীতে সওয়াবগুলো দিয়ে দেয়ার মতো আহাম্মকী থেকে আল্লাহপাক হেফাজত করুন।
Phoro Credit: Amatullah