NRB Bazaar Books

NRB Bazaar Books বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে বাংলা ভাষাভাষী লেখকদের বই সংগ্রহ করুন বাংলাদেশের প্রথম গ্লোবাল অনলাইন পোর্টাল NRB Bazaar থেকে।

শামসুর রাহমান বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। জীবদ্দশাতেই তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হিসেবে মর্যাদা...
23/10/2024

শামসুর রাহমান বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। জীবদ্দশাতেই তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হিসেবে মর্যাদালাভ করেছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগ, তথা পঞ্চাশের দশকে তিনি আধুনিক কবি হিসেবে বাংলা কবিতায় আবির্ভূত হন এবং অল্প সময়ের ভেতরেই দুই বাংলায় (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম বাংলায়) কবি হিসেবে পরিচিতি পান। আধুনিক কবিতার অনন্য পৃষ্ঠপোষক বুদ্ধদেব বসুর 'কবিতা' পত্রিকায় 'রূপালি স্নান' কবিতাটি প্রকাশিত হলে কবি হিসেবে শামসুর রাহমান সুধীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীতে উভয় বাংলাতেই তার শ্রেষ্ঠত্ব এবং জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি নাগরিক কবি, তবে নিসর্গ তার কবিতায় খুব কম ছিল না।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর লিখিত তার দুটি কবিতা খুবই জনপ্রিয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) ছদ্মনামে কলকাতার বিখ্যাত দেশ ও অন্যান্য পত্রিকায় কবিতা লিখতেন।

শামসুর রাহমান স্বৈরশাসক আইয়ুব খানকে বিদ্রুপ করে ১৯৫৮ সালে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকায় লেখেন 'হাতির শুঁড়' নামক কবিতা। বাংলাদেশের বাকশালী নেতা শেখ মুজিবুর রহমান যখন কারাগারে তখন তার চাটুকারিতা করে লেখেন অসাধারণ কবিতা 'টেলেমেকাস' (১৯৬৬ বা ১৯৬৭ সালে)। ১৯৬৭ সালের ২২ জুন পাকিস্তানের তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী রেডিও পাকিস্তানে রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্প্রচার নিষিদ্ধ করলে শামসুর রাহমান তখন সরকার নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা দৈনিক পাকিস্তান-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় পেশাগত অনিশ্চয়তার তোয়াক্কা না করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন যাতে আরও স্বাক্ষর করেছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান, আহমেদ হুমায়ুন, ফজল শাহাবুদ্দীন। ১৯৬৮ সালের দিকে পাকিস্তানের সব ভাষার জন্য অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করেন আইয়ুব খান যার প্রতিবাদে আগস্টে ৪১ জন কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মী এর বিরুদ্ধে বিবৃতি দেন যাদের একজন ছিলেন শামসুর রাহমানও। কবি ক্ষুদ্ধ হয়ে লেখেন মর্মস্পর্শী কবিতা 'বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা'।
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গুলিস্তানে একটি মিছিলের সামনে একটি লাঠিতে শহীদ আসাদের রক্তাক্ত শার্ট দিয়ে বানানো পতাকা দেখে মানসিকভাবে মারাত্মক আলোড়িত হন শামসুর রাহমান এবং তিনি লিখেন 'আসাদের শার্ট' কবিতাটি। ১৯৭০ সালের ২৮ নভেম্বর ঘূর্ণিদুর্গত দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় ও মৃত্যুতে কাতর কবি লেখেন 'আসুন আমরা আজ ও একজন জেলে' নামক কবিতা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবার নিয়ে চলে যান নরসিংদীর পাড়াতলী গ্রামে। এপ্রিলের প্রথম দিকে তিনি লেখেন যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় আক্রান্ত ও বেদনামথিত কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা'।শামসুর রাহমান ১৯৮৭ সালে এরশাদের স্বৈরশাসনের প্রতিবাদে দৈনিক বাংলার প্রধান সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৮৭ থেকে পরবর্তী চার বছরের তিনি প্রথম বছরে 'শৃঙ্খল মুক্তির কবিতা', দ্বিতীয় বছরে 'স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কবিতা', তৃতীয় বছরে 'সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কবিতা' এবং চতুর্থ বছরে 'সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কবিতা' লেখেন। ১৯৯১ সালে এরশাদের পতনের পর লেখেন 'গণতন্ত্রের পক্ষে কবিতা'। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জনমানুষের প্রতি অপরিসীম দরদ তার চেতনায় প্রবাহিত ছিল। তাকে সমালোচনাকারীদের হত্যার হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছিলো।

আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক, জীবনানন্দ পুরস্কার, আবুল মনসুর আহমেদ স্মৃতি পুরস্কার, মিতসুবিসি পুরস্কার (সাংবাদিকতার জন্য), স্বাধীনতা পদক, আনন্দ পুরস্কার ।

ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। তার ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গুগল তাদের হোমপেজে শামসুর রাহমানের গুগল ডুডল প্রদর্শন করে তার জন্মদিন উদ্‌যাপন করে। গুগল ডুডলটিতে দেখা যায় সবুজ পাঞ্জাবি পরা শুভ্র চুলের শামসুর রাহমান লেখালেখি করছেন।

জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, ছিলেন ব্রিটিশ ভারত ও পূর্ব পাকিস্তানের একজন বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ ও সাহি...
30/09/2024

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, ছিলেন ব্রিটিশ ভারত ও পূর্ব পাকিস্তানের একজন বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ ও সাহিত্যের ঐতিহ্য অন্বেষণকারী অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

আবদুল করিম আমৃত্যু নিরলসভাবে পুথি সংগ্রহ করেছেন। মধ্যযুগীয় মুসলিম সাহিত্যিকদের কর্ম তার আগ্রহের বিষয় ছিল। তার সংগৃহীত পুথির অধিকাংশই ছিল মুসলিম কবিদের রচিত। এসব পুথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত রয়েছে। পাশাপাশি হিন্দু কবিদের পুথিগুলি রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রক্ষিত আছে। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯২০-২১ সালে দুই খণ্ডে তার লেখা বাংলা পুথির তালিকা বাঙালা প্রাচীন পুথির বিবরণ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে রক্ষিত পুথির তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে পুথি পরিচিতি শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি ১১টি প্রাচীন বাংলা গ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপর ইসলামাবাদ নামে তার লেখা বই রয়েছে পূর্বে অজ্ঞাত ছিলেন এমন প্রায় ১০০ জন মুসলিম কবিকে তিনি পরিচিত করেন। এছাড়াও তিনি ও মুহম্মদ এনামুল হক যৌথভাবে আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য শিরোনামে গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য সম্পাদিত পুঁথিসমূহের মধ্যে জ্ঞানসাগর, গোরক্ষ বিজয়, মৃগলব্ধ, সারদা মুকুল ইত্যাদি অন্যতম। তিনি আলাওলের "পদ্মাবতী" পুথির সম্পাদনা করেন।

আবদুল করিম সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য নদীয়া সাহিত্য সভা তাকে "সাহিত্যসাগর" খেতাব এবং চট্টল ধর্মমণ্ডলী তাকে "সাহিত্যবিশারদ" খেতাব প্রদান করে।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি !

বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে।করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনেদিন যে, দীনের বন্ধু! -উজ্জ্বল জগতেহেমাদ্রির হেম- কান্তি ...
26/09/2024

বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে।
করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে
দিন যে, দীনের বন্ধু! -উজ্জ্বল জগতে
হেমাদ্রির হেম- কান্তি অম্লান কিরণে ।
--------- মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ছিলেন। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তার। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও সহজপাঠ্য করে তোলেন।
বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই।
তাকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি রচনা করেছেন যুগান্তকারী শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয়-সহ একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ।
সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা। নারীমুক্তির আন্দোলনেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

জার্মান সাহিত্যিক এরিক মারিয়া রেমার্ক তাঁর যুদ্ধবিরোধী উপন্যাস 'অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট'-এর জন্য দুনিয়াজোড়া খ...
25/09/2024

জার্মান সাহিত্যিক এরিক মারিয়া রেমার্ক তাঁর যুদ্ধবিরোধী উপন্যাস 'অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট'-এর জন্য দুনিয়াজোড়া খ্যাতি এবং পরিচিতি। মানবতার দর্শনে ঋদ্ধ এই উপন্যাস সারা বিশ্বের মানুষের কাছে যুদ্ধের বীভৎসতা তুলে ধরার এক অনবদ্য দলিল।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯১৬ সালে তাঁকে বাধ্যতামূলক জার্মান সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, বীভৎসতা, ধ্বংসযজ্ঞ তিনি নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেন। যুদ্ধে গোলার বিস্ফোরণে তার ডান হাত, বাঁ পা ও ঘাড় ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

তাঁর ছদ্মনাম ছিল এরিক পল রেমার্ক। রেমার্ক বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য নাম। নানা রচনায় যুদ্ধের চরম বিভীষিকার কথা বলে লেখক রেমার্ক আসলে শান্তির কথাই বলতে চেয়েছেন। বিশ্ব সাহিত্য সম্ভারে যে কয়জন মানবতাবাদী যুদ্ধবিরোধী লেখক রয়েছেন তাদের মধ্যে এরিক মারিয়া রেমার্কের স্থান প্রথম কাতারে। ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয় মারিয়া রেমার্কের আরেকটি উপন্যাস 'দ্য রোড ব্যাক'। নিখুঁত বাস্তবতার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা সাহিত্যে তুলে আনার ক্ষেত্রে মারিয়া রেমার্ক ছিলেন অগ্রগণ্য।তাঁর এই বর্ণনারীতি পরবর্তী প্রজন্মের সাহিত্যিকরা অনুসরণ করেছেন।

‘অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’সহ লিখেছেন দারুণ সব উপন্যাস-‘দ্য ড্রিম রুম’,‘দ্য স্পার্ক অব লাইফ’, ‘এ টাইম টু লাভ এ্যান্ড এ টাইম টু ডাই’, ‘হ্যাভেন হ্যাজ নো ফেভারিটস’, ‘ দ্য নাইট ইন লিসবন’, ‘দ্য প্রমিস ল্যান্ড’, ‘শ্যাডোস ইন প্যারাডাইস’, ‘থ্রি কমরেডস’, ‘ব্ল্যাক অবিলিস্ক’ প্রভৃতি। যুদ্ধ মানুষের জীবনকে তছনছ করে দেয়। তার সহজ স্বাভাবিক জীবনকে ভেঙ্গে দেয়। রেমার্ক নিজের চোখে একজন সৈনিক হিসেবে প্রথম মহাযুদ্ধের বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তাই লেখনীর মধ্য দিয়ে বারবার ঘুরেফিরে যুদ্ধবিরোধী কথাই বলতে চেয়েছেন। রেমার্ক তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য ব্ল্যাক অবিলিস্ক’ এ বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের মৃত্যু একটি ট্রাজেডি কিন্তু অসংখ্য মানুষের মৃত্যু একটি পরিসংখ্যান’।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

“সম্ভবত, আমাকে নিজেকে একটু গোছাতে হবে,মাথা থেকে শুরু করতে হবে কাজটা ।"রিকার্দো এলিসের নেফতালি রেইয়েস বাসোয়ালতো যিনি তা...
23/09/2024

“সম্ভবত, আমাকে নিজেকে একটু গোছাতে হবে,
মাথা থেকে শুরু করতে হবে কাজটা ।"

রিকার্দো এলিসের নেফতালি রেইয়েস বাসোয়ালতো যিনি তার ছদ্মনাম এবং পরবর্তীকালে আইনসিদ্ধ নাম পাবলো নেরুদা নামে অধিক পরিচিত, একজন চিলীয় কবি-কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ ছিলনে। তিনি ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
নেরুদা মাত্র তেরো বছর বয়েসে কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের কবিতা লিখতে শুরু করেন, তন্মধ্যে ছিল পরাবাস্তববাদী কবিতা, ঐতিহাসিক মহাকাব্য, প্রকাশ্য রাজনৈতিক ইশতেহার, গদ্য আত্মজীবনী এবং ভালোবাসার কবিতা, তন্মধ্যে একটি হল ১৯২৪ সালে প্রকাশিত বিশটি কবিতা ভালোবাসার একটি গান হতাশার শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ।

নেরুদাকে প্রায়ই চিলির জাতীয় কবি হিসেবে ধরা হয় এবং তাঁর সাহিত্যকর্মগুলি বিশ্বজুড়ে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। কলম্বিয়ার ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস একদা তাঁকে "বিংশ শতাব্দীর সকল ভাষার মহান কবি" হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়  একজন  বাঙালি লেখক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর শহরে নিজ মাতুলালয়ে। আদিনিবাস পশ্চিমবঙ্গ রাজ...
22/09/2024

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বাঙালি লেখক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর শহরে নিজ মাতুলালয়ে। আদিনিবাস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যস্থিত উত্তর কোলকাতার বরানগর কুঠিঘাট অঞ্চল৷ তাঁর রচিত প্রথম সাহিত্য প্রকাশিত হয় তার ২০ বছর বয়সে, যখন তিনি কলকাতায় বিদ্যাসাগর কলেজে আইন নিয়ে পড়াশুনো করছিলেন। পড়াশুনোর সাথেই তিনি সাহিত্য চর্চাও করতে থাকেন।
তার সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সী আত্মপ্রকাশ করে ১৯৩২ সালে।

শরদিন্দু ১৯৩৮ সালে বম্বের বম্বে টকিজ এ চিত্রনাট্যকাররূপে কাজ শুরু করেন। ১৯৫২এ সিনেমার কাজ ছেড়ে স্থায়ীভাবে পুনেতে বসবাস করতে শুরু করেন। পরবর্তী ১৮ বছর তিনি সাহিত্য চর্চায় অতিবাহিত করেন।শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হল ব্যোমকেশ বক্সী। ব্যোমকেশ একজন ডিটেকটিভ। নিজেকে তিনি সত্যান্বষী বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন। ১৯৩২ এ "সত্যান্বেষী"উপন্যাসে ব্যোমকেশের আত্মপ্রকাশ।
প্রথমে শরদিন্দু অজিতের কলমে লিখতেন। কিন্তু পরে তিনি তৃতীয়পুরুষে লিখতে শুরু করেন। এছাড়া উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে আছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপন্যাস। যেমন 'কালের মন্দিরা', 'গৌর মল্লার', 'তুমি সন্ধ্যার মেঘ', 'তুঙ্গভদ্রার তীরে', ইত্যাদি। সামাজিক উপন্যাস যেমন 'জাতিস্মর', 'বিষের ধোঁয়া' বা অতিপ্রাকৃত নিয়ে তার 'বরদা সিরিজ' ও অন্যান্য গল্প এখনো বেস্টসেলার। শরদিন্দু ছোটগল্প ও শিশুসাহিত্য রচনাতেও পারদর্শী ছিলেন। তার সৃষ্ট চরিত্র সদাশিব মারাঠা বীর শিবাজীর অভিযানের সাথে সম্পৃক্ত। তার অন্যতম লেখা চরিত্র ছিল বরদা, যা ভূত্যান্বেষী নামে পরিচিত।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

হারবার্ট জর্জ ওয়েলস একজন ইংরেজ লেখক। তিনি মূলত তার কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ও ছোটোগল্পগুলির জন্য সমধিক পরিচিত। তবে ওয়েলস ছি...
21/09/2024

হারবার্ট জর্জ ওয়েলস একজন ইংরেজ লেখক। তিনি মূলত তার কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ও ছোটোগল্পগুলির জন্য সমধিক পরিচিত। তবে ওয়েলস ছিলেন একজন বহুমুখী লেখক। তিনি সমসাময়িক উপন্যাস, ইতিহাস, রাজনীতি ও সামাজিক বিষয়গুলি নিয়েও বহু গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। জুল ভের্নের সঙ্গে তাঁকেও 'কল্পবিজ্ঞানের জনক' আখ্যা দেওয়া হয়।

ওয়েলস ছিলেন একজন ঘোষিত সমাজবাদী। তিনি শান্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সহানুভূতিশীল হলেও, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে, তিনি যুদ্ধকেই সমর্থন করেন। পরবর্তীকালে তার রচনা বিশেষভাবে রাজনৈতিক ও নীতিবাদী চরিত্র লাভ করে। তার লেখক জীবনের মধ্যপর্বের (১৯০০-১৯২০) রচনাগুলির মধ্যে কল্পবিজ্ঞান উপাদান কম।
এই পর্বের রচনাগুলির মধ্যে বিধৃত হয়েছে নিম্ন মধ্যবিত্ত সমাজের জীবন (দ্য হিস্ট্রি অফ মি. পলি), "নব্য নারীসমাজ" ও নারী ভোটাধিকার ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে চলতে থাকে তার লেখালেখি। দু চার বছরের ব্যবধানে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত তিনটি উপন্যাস দ্য ইনভিজিবল ম্যান, টাইম মেশিন এবং দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর আরেকজন রূপকার বিখ্যাত ফরাসি লেখক জুল ভের্ন এর সাথে যৌথভাবে ওয়েলস বিজ্ঞান বিষয়ক কল্পকাহিনীর উদ্ভাবন ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। সমাজ চিন্তাবিদ হিসেবেও ওয়েলসের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধানের দিক নির্দেশনা পাওয়া যায় তার লেখায়।

জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

‘আমি মুগ্ধ; উড়ে গেছ; ফিরে এসো, ফিরে এসো, চাকা,রথ হয়ে, জয় হয়ে, চিরন্তন কাব্য হয়ে এসো।আমরা বিশুদ্ধ দেশে গান হবো, প্রে...
17/09/2024

‘আমি মুগ্ধ; উড়ে গেছ; ফিরে এসো, ফিরে এসো, চাকা,
রথ হয়ে, জয় হয়ে, চিরন্তন কাব্য হয়ে এসো।
আমরা বিশুদ্ধ দেশে গান হবো, প্রেম হবো, অবয়বহীন
সুর হয়ে লিপ্ত হবো পৃথিবীর সব আকাশে।’

বিনয় মজুমদার বা মংটু একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও ইঞ্জিনিয়ার।বাংলা কবিতায় বিনয় মজুমদারই একমাত্র কবি, যিনি কোনো পত্র-পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হওয়ার আগেই বই প্রকাশ করেছিলেন। তার বইয়ের নাম 'নক্ষত্রের আলোয়'। এরপর ২৮ বছর বয়সে প্রকাশ করেন 'ফিরে এসো চাকা'।বিনয় মজুমদার বাংলা কবিতায় এক আশ্চর্য চরিত্র হিসেবে পরিচিত। বলা হয়, বিনয় যে কারণে বিনয় মজুমদার, সে জীবন স্বল্পস্থায়ী, বাকিটা তাকে ঘিরে রহস্যের আধার।

রহস্যময়তা, প্রতীকের সন্ধান, জড় ও প্রাণের সম্পর্কে ব্যাখ্যা ছিল তার কবিতার মর্মবস্তু। এরসাথে মৌলিক প্রতিমা নির্মাণ,বিশিষ্ট অন্বয় এবং ভাবের ও আবেগের তীব্রতা নিবিড়তা স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে। ১৯৬২-৬৩ সালে বিনয় মজুমদার হাংরি আন্দোলন-এ যোগ দেন এবং তার কয়েকটি কবিতা হাংরি বুলেটিনে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে, অর্থাৎ ১৯৬৩ সালের শেষ দিকে তিনি শক্তি চট্টোপাধ্যায় এবং সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়-এর কার্যকলাপে বিরক্ত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি হাংরি বুলেটিন প্রকাশ করে কলকাতা কফিহাউসে বিলি করার পর হাংরি আন্দোলন ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তাকে দুটি বড় পুরস্কার দেওয়া হয়, রবীন্দ্র পুরস্কার এবং সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার।

জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

যে লোক দাবী করতে ভয় পায়, পরের দাবী মেটাতেই তার জীবন কাটে।            ---------- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়শরৎচন্দ্র চট্টো...
15/09/2024

যে লোক দাবী করতে ভয় পায়,
পরের দাবী মেটাতেই তার জীবন কাটে।
---------- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।

এই জীবদ্দশায় বাংলা সাহিত্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন । শরৎ বাবুর শিকারের প্রতি আগ্রহ ছিলো । শিকার করতে গিয়ে এক লেখকের সাথে ঘটে একদিনের ঘটনা বলছি-

এক লেখক, শরৎচন্দ্র এবং পেগু শহরের বিশিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি দুই দলে বিভক্ত হয়ে শিকারে গেলেন। লেখকের বর্ণনায়, ‘শরৎচন্দ্র একা বন্দুক ঘাড়ে করে নিয়ে অনেক দূর অগ্রসর হয়ে পড়েছিলেন। দূরে চঞ্চলনেত্র হরিণশিশুর নির্ভয় পদচারণা, আর দূরবর্তী সেগুনবনে দলবদ্ধ বিহঙ্গের মধুর কাকলি। এই সমস্ত মধুর দৃশ্য দেখিতে দেখিতে তিনি স্থান-কাল বিস্মৃত হইয়া একটি গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করিলেন।’

হঠাৎ বন্দুকের গুড়ুম শব্দ শুনে সবাই আগ্রহভরে এগিয়ে গিয়ে দেখলেন, শরৎচন্দ্র একটি গোদা চিল শিকার করে বসে আছেন! পরে জানা গেল, জঙ্গলের মধ্যে অনেকক্ষণ বন্দুক হাতে করে একা বসে থেকে বিরক্ত শরৎ দেখলেন, আকাশে একদল বক উড়ে যাচ্ছে। অমনি তিনি ফায়ার করলেন। মিসফায়ার হয়ে একটি টেলিগ্রাফ পোস্টের ওপর বসে থাকা এই চিলের প্রাণবিয়োগ হলো।
সবাই যখন শরৎকে লজ্জা দিচ্ছেন, তখন চিলটির ডানা ধরে ওলটপালট করে শরৎ বললেন, ‘দেখো, এর শরীরে কোনো গুলির চিহ্ন নেই। বন্দুকের ভয়ে বেটা হার্টফেল করেছে।’

ফেরার সময় একটি হরিণশিশু দেখে তার পেছনে খানিকটা দৌড়ালেন শরৎ। ততক্ষণে প্রাণীটি গা ঢাকা দিয়েছে। ফিরে এসে বললেন, সেটা শিয়াল ছিল। অমনি সবাই হো হো করে হেসে দিলেন। হাসির কারণ শরৎ জানতেন না যে সারা বর্মা দেশে একটিও শিয়াল নেই। রেঙ্গুন চিড়িয়াখানায় আশ্চর্য দর্শনীয় বস্তুরূপে একটি শৃগাল থাকতে পারে!

জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি !

“ভালোবেসে মিটলো না সাধ্,ভরলো না মন এই জীবনে।হায়, জীবন এতো ছোট কেনো?”              ―তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়তারাশঙ্কর বন্...
14/09/2024

“ভালোবেসে মিটলো না সাধ্,
ভরলো না মন এই জীবনে।
হায়, জীবন এতো ছোট কেনো?”
―তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর এক বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি ৬৫টি উপন্যাস, ৫৩টি ছোটোগল্প-সংকলন, ১২টি নাটক, ৪টি প্রবন্ধ-সংকলন, ৪টি স্মৃতিকথা, ২টি ভ্রমণকাহিনি, একটি কাব্যগ্রন্থ এবং একটি প্রহসন রচনা করেন।

"আরোগ্য নিকেতন" উপন্যাসের জন্য তারাশঙ্কর ১৯৫৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার ও ১৯৫৬ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার এবং ১৯৬৭ সালে গণদেবতা উপন্যাসের জন্য জ্ঞানপীঠ পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ১৯৬২ সালে তিনি পদ্মশ্রী এবং ১৯৬৮ সালে পদ্মভূষণ সম্মান অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

তারাশঙ্করের উপন্যাস ও ছোটোগল্প অবলম্বনে বাংলা ভাষায় একাধিক জনপ্রিয় ও সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সেগুলির মধ্যে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত জলসাঘর ও অভিযান, অজয় কর পরিচালিত সপ্তপদী, তরুণ মজুমদার পরিচালিত গণদেবতা, তপন সিংহ পরিচালিত হাঁসুলী বাঁকের উপকথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

যে জাতির মধ্যে সৌন্দর্যবোধ দিন দিন এত কমে যাচ্ছে, সে জাতির ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে খুব সন্দেহ হয়।                          ----...
12/09/2024

যে জাতির মধ্যে সৌন্দর্যবোধ দিন দিন এত কমে যাচ্ছে, সে জাতির ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে খুব সন্দেহ হয়।
------ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন।
পথের পাঁচালী ও অপরাজিত তাঁর সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপন্যাস।

বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতি, নান্দনিকতা, নিসর্গ, আর গ্রাম্য জীবনকে কেউ যদি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে সাহিত্যে ফুটিয়ে তুলে আনেন, তিনি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। চরিত্রের উপস্থাপন, অতুলনীয় গদ্য আর দৈনন্দিন জীবনকে বাস্তবিকভাবে সাহিত্যে তুলে আনা থেকে ভাষার অপরূপ উপস্থাপন সবকিছু মিলিয়ে তার লেখা বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে বাংলা সাহিত্যে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিঃসন্দেহে বলা যায় প্রকৃতির জীবন শিল্পী। বাংলা কথা সাহিত্যের ব্যাপ্তিতে যার তুলনা পাওয়া ভার।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমার (লেখকের জন্মস্থান) পারমাদান বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নাম লেখকের সম্মানার্থে রাখা হয়েছে "বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য"।
রবীন্দ্র পুরস্কার - ১৯৫১ (মরণোত্তর), ইছামতী উপন্যাসের জন্য।

জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

... তবুও আমরা আরও একবার সমবেত হলাম,আর আমাদের সময়ের মাধ্যমে একটি কুঁড়ি ফুলে পরিণত হয়,একটি রূপালি রূপচাঁদা নোনা পানিতে ...
11/09/2024

... তবুও আমরা আরও একবার সমবেত হলাম,
আর আমাদের সময়ের মাধ্যমে একটি কুঁড়ি ফুলে পরিণত হয়,
একটি রূপালি রূপচাঁদা নোনা পানিতে ভাসে ...

— শহীদুল জহির

শহীদুল জহির ছিলেন বাংলাদেশী ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন আমলা। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি লেখক ।

শহীদুল জহির ছিলেন মূলত গল্পকার। সত্তরের দশকের শেষ দিকে তেইশ বছর বয়সে লেখালেখি শুরু করেলেও,আশির দশকে তিনি পুরোপুরি সক্রিয় হন।প্রায় তিন দশক লেখালেখি করলেও তার রচনার সংখ্যা সেই তুলনায় বেশি নয়।নিজেকে তিনি ‘ডিমান্ডিং লেখক’ হিসেবে দাবি করতেন।

তার গল্প-উপন্যাসে রাজাকার ও সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠীর কদর্য নৃশংস চিত্র ব্যাপক বিস্তার লাভ করে।তার প্রতিটি রচনায় ঘনিষ্ঠভাবে ফুটে উঠেছে জীবনবোধ। একাধিক ভাষায় তার রচনা অনুদিত হয়েছে।


শহীদুল জহিরের জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি!

Address

Level-8, Janata Tower, Software Technology Park, Kawran Bazar
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NRB Bazaar Books posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category