Shopping World

Shopping World Narayanganj Online Shopping. We delivered all over in Bangladesh. Cash On Delivery.

আমার তো সারাদিন পরে এভাবে দেখলে খুব কষ্ট লাগে, কতো মায়া
14/05/2026

আমার তো সারাদিন পরে এভাবে দেখলে খুব কষ্ট লাগে, কতো মায়া

গিফটের জন্য ড্রেস খুঁজছেন?? তাও ১***-২*** এর ঘরে এতো সুন্দর আর এক্সক্লুসিভ ড্রেস।৩জন ভাগ্যবান পাবেন এই দামে, আমাদের বর্ষ...
14/05/2026

গিফটের জন্য ড্রেস খুঁজছেন?? তাও ১***-২*** এর ঘরে এতো সুন্দর আর এক্সক্লুসিভ ড্রেস।
৩জন ভাগ্যবান পাবেন এই দামে, আমাদের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে।
অফারটি পেতে পোস্টটি আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করুন।
সাথে আছে মাত্র ৪০০ টাকায় বাচ্চাদের লেহেঙ্গা।







11/05/2026

গরমের জন্য সেমি পার্টি কটন স্লাব ড্রেস।


09/05/2026

সিজারের সময় এক পরিবার থাকে ছোট্ট বাচ্চার আশায় আরেক পরিবার থাকে তাদের বাচ্চার আশায়💔

আমি ৮০ দিবো মাশাল্লাহ ❤️‍🔥❤️‍🔥
03/05/2026

আমি ৮০ দিবো মাশাল্লাহ ❤️‍🔥❤️‍🔥

একটা অসভ্য জাতি আমাদের কপালে লেখা! আজ ভোরে মাংস কিনতে গিয়েছিলাম। সকাল সকাল না গেলে পছন্দমতো মাংস পাওয়া যায় না। গিয়ে দেখল...
20/04/2026

একটা অসভ্য জাতি আমাদের কপালে লেখা!
আজ ভোরে মাংস কিনতে গিয়েছিলাম। সকাল সকাল না গেলে পছন্দমতো মাংস পাওয়া যায় না। গিয়ে দেখলাম, কসাই গরু জবাই করবে আমার সামনে। ভাবলাম, ভালোই হলো, দেখে শুনে নেওয়া যাবে।

গরু জবাই হলো। জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে কসাই ছুরির মাথা দিয়ে গলার ভেতর একটি খোঁচা দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে গরু নড়াচড়া বন্ধ করে দিল, রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে গেল। এরপরই কসাই চামড়া ছাড়ানো শুরু করে দিলেন।

আমি কসাইকে বললাম, “রক্তগুলো বের হতে দেন, তারপর চামড়াটা ছাড়ান।”
কসাই এক গাল হেসে আমাকে উপেক্ষা করে চামড়া ছাড়াতেই থাকলেন। আমি নির্বাক তাকিয়ে রইলাম তার দিকে।

আমাদের দেশের অধিকাংশ কসাইখানায় গরুর মাংস টকটকে লাল দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে, কসাইরা গরু জবাই করার পর ছুরির মাথা দিয়ে স্পাইনাল কর্ডে খোঁচা দেয়। এতে গরু ব্রেন স্ট্রোক করে দ্রুত নিস্তেজ হয়ে যায় এবং রক্ত তেমন বের হয় না।

একটি গরুর শরীরে প্রায় ২০–২৫ লিটার রক্ত থাকে। যত কম রক্ত বের হবে, তত ওজন বাড়বে,

আমাদের দেশের অনেক মানুষ অভিযোগ করে বলে, গরুর মাংস খেলে অ্যালার্জি হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এই রক্ত,, যা কসাইরা বের হতে দেয় না। অনেকেই গরুর মাংস খেলে এলার্জি হয়। বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে কারণ হতে পারে, মাংসে জমে থাকা রক্ত।
রক্তে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ (toxins), ইউরিয়া, এবং ব্যাকটেরিয়া থাকার সম্ভাবনা থাকে। সঠিকভাবে রক্ত বের না হলে এগুলো মাংসে থেকে যেতে পারে, যা হজমে সমস্যা, এলার্জি বা চুলকানি
ও দ্রুত পচন হতে পারে । অনেকেই আবার বলেন, কোরবানির মাংস খেলে কোনো সমস্যা হয় না। এর মূল কারণ হলো, কোরবানির পশুর রক্ত বের হতে সময় দেওয়া হয়, তাই সমস্যা হয় না।

সামান্য লাভের আশায় মানুষ কত কিছুই না করে।

শহরে এমন একটি কসাইয়ের দোকানও নেই, যেখানে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না। অথেনটিক গরুর মাংস বিক্রি করে, এমন দোকানও নেই বললেই চলে।

কসাইদের অভিযোগ, জবাইয়ের পর সময় দিলে চামড়া ছাড়ানো কঠিন হয়। এই কারণেই তারা দ্রুত চামড়া ছাড়িয়ে ফেলে। যদিও এই অভিযোগের তেমন কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, চামড়া ছাড়ানোর সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো গরুকে ঝুলিয়ে চামড়া ছাড়ানো।

কিন্তু এখানেও একই সমস্যা, তাহলে রক্ত সব বের হয়ে যাবে।

সচেতনতা না বাড়লে, এই অবস্থা পরিবর্তন হবে না। এবং এটি শুধু গরু নয়, খাসি, মহিষ, ভেড়া সব একই সিস্টেম।
Copy

মা হতে গেলে মেয়েদের কতোকিছু সহ্য করতে হয়💔
19/04/2026

মা হতে গেলে মেয়েদের কতোকিছু সহ্য করতে হয়💔

16/04/2026

আমার স্বামীর ছোট ভাই আমাদের বাসায় থাকতে এসেছিল এই বলে যে সে কাজ খুঁজছে।
“কাজ খোঁজা” করতে করতে তিন বছর কেটে গেল—কিন্তু কোনো কাজের দেখা নেই।

এই তিন বছরে সে আমাদের ঘরেই খেয়েছে, থেকেছে, নিজের কাপড় ধুয়েছে—সবই যেন তার অধিকার। কিন্তু সবচেয়ে কষ্টের বিষয়টা ছিল অন্য জায়গায়।

আমার বাবার রেখে যাওয়া টাকায় কেনা গাড়িটা… সেটার চাবি ধীরে ধীরে তার হাতেই চলে গেল।
সে গাড়ি নিয়ে বের হতো, বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়াত, আর মাঝরাতে ফিরে আসত—গাড়িতে এক ফোঁটা তেলও থাকত না।

সব কিছু আমি চুপচাপ সহ্য করতাম।
শুধু একটা কারণে—“সংসারটা ভেঙে না যাক”।

আর আমার স্বামীও প্রতিদিন আমার হাত ধরে বলত,
“সহ্য করো না, ও তো তোমার ভাইয়ের মতোই।”

আমি বিশ্বাস করতাম… বা হয়তো নিজেকে বিশ্বাস করাতে চাইতাম।

কিন্তু গত মঙ্গলবার… সবকিছু বদলে গেল।

হঠাৎ আমার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। প্রেসার একেবারে নেমে গেছে—তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিতে হবে।

আমি স্বামীকে ফোন করলাম, কিন্তু সে ধরল না।

তাড়াহুড়ো করে আমি ড্রয়িংরুমে গেলাম, যেখানে তার ভাই ঘুমাচ্ছিল। নিচে গাড়িটাও পার্ক করা ছিল। আমি প্রায় কাঁদতে কাঁদতে বললাম—
“মোহাম্মদ, প্লিজ! তাড়াতাড়ি ওঠো, আমার মা খুব অসুস্থ। গাড়িটা নিয়ে চল, হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে!”

সে হাই তুলে মোবাইলের দিকে তাকাল, সময় দেখল, তারপর একেবারে ঠান্ডা গলায় বলল—
“ঠিক আছে… কিন্তু এই ট্রিপের ভাড়া ৫০০ টাকা লাগবে। আর ফেরার সময় গাড়িতে ফুল ট্যাংক তেল দিয়ে দেবে।”

আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম।

মনে হচ্ছিল, আমি ভুল শুনেছি। হয়তো সে মজা করছে।
আমি কাঁপা গলায় বললাম—
“৫০০ টাকা? এই গাড়ি তো আমার! আমিই কিনেছি! গত মাসে তোমার জন্যই তো মেরামত করিয়েছি!”

সে নির্লিপ্তভাবে চটি পরে উঠে দাঁড়িয়ে বলল—
“গাড়িটা এখন আমার হাতেই থাকে। আমার সময়, আমার কষ্ট—সব কিছুর দাম আছে। না চাইলে, উবার ডাকো।”

সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আমি কিছু না বলে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম।
উবার ডেকে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।

পুরো পথটা… আমার চোখের পানি থামেনি।
শুধু ক্লান্তি নয়—অপমান, কষ্ট, অসহায়তা… সব একসাথে।

রাতে যখন আমার স্বামী বাসায় ফিরল, আমি সব খুলে বললাম।
আমি ভেবেছিলাম—সে রেগে যাবে, ভাইকে বকবে, অন্তত আমাকে একটু সান্ত্বনা দেবে।

কিন্তু সে সোফায় বসে একদম ঠান্ডা গলায় বলল—
“এত রাগারাগি করার কী আছে? ও একটু বেশি হিসেব করেছে, ঠিক আছে… কিন্তু ও তো কষ্ট করে গাড়ি চালাবে। তুমি কি ভেবেছো, আমার ভাই তোমার জন্য ফ্রি ড্রাইভার?”

সেই মুহূর্তে… আমি বুঝে গেলাম—
এই ঘরটা আর আমার না।
এই মানুষগুলোও আমার কেউ না।

আমি আর একটা কথাও বলিনি।

চুপচাপ নিজের কাগজপত্র গুছিয়ে নিলাম।
পরদিন সকালেই প্রথমে গেলাম রেজিস্ট্রি অফিসে… তারপর সরাসরি থানায়।

আমি আগে থেকেই তার ভাইকে গাড়ি চালানোর জন্য একটা অনুমতিপত্র (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি) করে দিয়েছিলাম—যাতে সে আইনগতভাবে চালাতে পারে।

মাত্র দশ মিনিটে… আমি সেই অনুমতি বাতিল করে দিলাম।

তারপর থানায় গিয়ে অভিযোগ করলাম—
“আমার গাড়ি একজন অপরিচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে ব্যবহার করছে।”

সব কাগজপত্র জমা দিলাম।

ফিরে আসার পথে স্বামীর একটা মেসেজ এল—
“মোহাম্মদ গাড়ি নিয়ে বের হবে, দ্বিতীয় চাবিটা কোথায়?”

আমি হালকা করে হাসলাম… কিন্তু সেই হাসির ভেতরে ছিল তীব্র কষ্ট।

মনে মনে বললাম—
“চাবিটা এখন সরকারের কাছে আছে।”

বাড়ির নিচে এসে দেখি—
পুলিশের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।
মোহাম্মদ চিৎকার করছে, আর পুলিশ তাকে লাইসেন্স দেখাতে বলছে।

তার হাতে যে অনুমতিপত্র ছিল… সেটা এখন শুধু একটা মূল্যহীন কাগজ।

আর আমার স্বামীর চোখে যে নিস্তব্ধতা দেখেছিলাম…
সেটা কোনো ঝগড়ার চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল।

---

চলবে… 😎

মাঝে কতো বসালে সবদিক সমান হবে?
15/04/2026

মাঝে কতো বসালে সবদিক সমান হবে?

শহরে বড় হ‌ওয়া মেয়েদের কখনোই গ্রামে বিয়ে করা উচিত না।শহরের ব্লগাররা গ্রামে গিয়ে ১দিন মাটির চুলায় রান্না করার ভিডিও ...
11/04/2026

শহরে বড় হ‌ওয়া মেয়েদের কখনোই গ্রামে বিয়ে করা উচিত না।
শহরের ব্লগাররা গ্রামে গিয়ে ১দিন মাটির চুলায় রান্না করার ভিডিও করলো,২দিন বেড়াতে যাওয়ার ভিডিও করলো আর আপনি সেটা দেখে চিন্তা করতেছেন "আহা কি সুন্দর পরিবেশ। কিন্তু সুন্দর রান্না বান্নার কাজ। কি সুন্দর মানুষজন"

কিন্তু একটা কথা ভুলে গেলেন? শাখের বসে করা ১দিনের কাজ আর সারাজীবন সেই কাজ করার মধ্যে অনেক পার্থক্য।

এখন অনেকে বলতেই পারেন যে "গ্রাম হলেও এখনতো গ্যাসেই রান্না করা যায়"

হ্যা যায়, কিন্তু গ্রামের কিছু কিছু মানুষ আছে গ্যাসের রান্না খায়না। যেমন আপনার শশুড় শাশুড়ি‌ই বলে বসবে "আমরা গ্যাসের রান্না খেতে পারিনা" তখন কি করবেন?

শহরের মতো গ্রামের পরিবেশ না যে আপনার ঘরে কি হলো না হলো আশে পাশের কারো কিছু যায় আসবেনা। এখানে ঘরের ব‌উ একটা দোশ করলে পাড়া প্রতিবেশী ১০টা দোষ জেনে যাবে। শহরের মতো এখানে চুপচাপ‌ও থাকতে পারবেননা তাহলেই বলবে "ব‌উর ভাব বেশি"💔

আর বাচ্চা হ‌ওয়ার পরের কথা তো আর নাই বলি😐
©

কাজের চাপ একটু কম, তাই বাচ্চাদের নিয়ে একটু ভালো সময় পার করার চেষ্টা। যদিও তাদের এক জায়গায় বসানো অনেক টাফ।সারাদিন শুধু দৌ...
30/03/2026

কাজের চাপ একটু কম, তাই বাচ্চাদের নিয়ে একটু ভালো সময় পার করার চেষ্টা।
যদিও তাদের এক জায়গায় বসানো অনেক টাফ।
সারাদিন শুধু দৌড়ঝাপ করতে পারলে খুশি।

Address

Bandar
Dhaka

Telephone

01647333686

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shopping World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share