17/01/2019
For order : 01750-428875
মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে কম-বেশি আমরা সবাই জানি।
মধুতে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ছাড়াও রয়েছে খনিজ পদার্থ, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়ামসহ অন্যান্য নানা প্রয়োজনীয় উপাদান৷ এজন্য বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এ মধু ব্যবহার করতে পারেন।
ঠান্ডায় মধু ব্যবহার :
কাশি হলে বা ঠান্ডা লাগলে মধু মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে শরীর ঝরঝরে হয়৷
*তবে ভালো ফলাফল এর জন্য বেশ নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে*
সৌন্দর্যচর্চায় মধু:
শুধু শরীর নয়, সৌন্দর্যচর্চাতেও রয়েছে মধুর বড় ভূমিকা৷ রাসায়নিক পদার্থের প্রসাধন সামগ্রীর পার্শপ্রতিক্রিয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করতে নানা উপায়ে মধু ব্যবহার করা হয়৷ মধু ত্বককে উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ করে৷ রূপচর্চায় মধু সাধারণত ‘ফেসমাস্ক’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷ তবে মধু তৈলাক্ত ত্বকের চাইতে শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য বেশি উপকারী৷
*অনেকের ই মধু তে এলার্জি থাকে এজন্য আগে হাতে লাগিয়ে দেখে নিবেন*
ওজন কমাতে মধু:
মধুতে কোনো ধরনের চর্বি নেই৷ তাছাড়া মধু পেট পরিষ্কার রাখে এবং শরীরের ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে৷ ফলে ওজন কমে৷ অনেকেই তাই গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করেন৷ মধুতে চর্বি নেই, কাজেই তা ওজন বাড়ায় না৷ রাতে গরম দুধে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হয়।
খাঁটি মধু চেনার উপায়ঃ
খাঁটি মধু কিংবা ভেজাল মধু চেনার একমাত্র উপায় হল ল্যাব টেস্ট।
প্রচলিত কিছু ভুল পরীক্ষাঃ
আগুন পরীক্ষা
পানি পরীক্ষা
পিঁপড়া পরীক্ষা
ফ্রিজিং পরীক্ষা
খাঁটি মধুর বৈশিষ্ট্য ঃ
খাঁটি মধুর নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যেমনঃ
মধুর উপরের স্তরে হালকা ফেনা হওয়া,
গ্যাস হওয়া,
গাদ জমা,
তলানীতে চিনিরমত পদার্থ জমা (যা মুলত সুক্রোজ ও গ্লুকোজ)
অনেকেই মধুর নানা ধরণের পরীক্ষার কথা বলেন, যা আসলে মধুর ধরণভেদে ভিন্ন-ভিন্ন ফলাফল প্রদান করে থাকে। এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিৎ – এসব প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতি আদৌ সঠিক নয়, বিজ্ঞানসম্মতও নয়।
খাঁটি মধু চেনার উপায় নিয়ে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো সঠিক নয় কেন ?
• অনেকের ধারণা খাঁটি মধু কখনোই জমাট বাধে না। কিন্তু তা সঠিক নয়। মধুর প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে আছে সুক্রোজ এবং গ্লুকোজ। গ্লুকোজ সুযোগ পেলে জমাট বাধবেই। একে বলে ক্রিসটালাইজেশন।
• আবার, মধুর ঘনত্ব-ভিত্তিক টেস্টের বিষয়টি ভিত্তিহীন। কারণ, মধু পাতলাও হতে পারে। যেমন – বরই ফুলের মধুতে ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে, এজন্য তা পাতলা হয় এবং প্রচুর গ্যাস হয়। সিজনাল কারণে ময়েসচারের তারতম্য থাকলে মধুর ঘনত্ব পরিবর্তন খুবই স্বাভাবিক। একারণে পানিতে ঢেলে পরীক্ষা, আঙ্গুলের নখে নিয়ে পরীক্ষা, টিস্যু বা নিউজপ্রিন্ট কাগজে নিয়ে পরীক্ষা করার ফলাফল মোটেও সঠিক ফলাফল দিতে সক্ষম নয়।
• মধুতে আগুন ধরলে আসল মধু, ধারণাটি সম্পূর্ণ অমূলক। মধুর সাথে মোম মিশিয়ে যদি তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তবে মধুতে খুব সহজেই আগুন জ্বলবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই মোমটা যদি মধুতে না মিশিয়ে চিনির শিরাতে মিশিয়ে দেই, তাহলেও একই ফল পাবেন। বিশ্বাস না হলে নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
এই পোস্টের কিছু অংশ সংগৃহীত। মধু নিয়ে অনেকদিন কাজ করছেন এমন কিছু মানুষের সাহায্য এই পোস্টের জন্য নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে আলামিন ভাই, আদম আলি, সাহারাজ ভাই অন্যতম।
দয়া করে আমাদের পণ্য ব্যবহার না করেই অযথা মন্তব্য করে নিজের মূর্খতার পরিচয় দিবেন না।
ভেজালমুক্ত খাঁটি মধু কিনতে আমাদের ইনবক্স করুন অথবা কল করুন 01750-428875
প্রতি কেজির দাম মাত্র ৭৫০ টাকা।
ডেলিভারিঃ ঢাকার ভেতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি ৫০ টাকা। ঢাকার বাইরে ১০০ টাকা। ঢাকার বাইরের জন্য ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।