DotPen Publications

Call Website Contact the business

DotPen Publications প্রতিভাবান নবীন লেখক ও সম্পাদকদের এগ?

10/01/2023

বন্যায় বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল

10/01/2023

যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার বিষয়ে যে প্রতিবেদন এসেছে তা ডাহা মিথ্যা

29/08/2022

ফজরের সালাত!
বরকত বয়ে আনে।

03/08/2022

"তোমায় নিয়ে সারাবেলা"

mehjabin mun

সূচনা পর্ব

সন্ধ্যাবেলা।

রাইসার রুমমেইটরা সবাই চা পার্টি করবে বলে বসে আছে আর রাইসা বসে বসে ব্যাগ গোছাচ্ছে। এত করে বলার পরও রাইসা চা খাবেনা মানা করে দেওয়ায় শানাজ, তাহমিদা, তাসনিম সবাই মুখ ফুলিয়ে অন্যদিকে বসে ফিসফিস করে গল্প করছে। রাইসা চা না খেলে তারাও খাবেনা পণ করেছে সবাই।
এতে করে রাইসার আরও বেশি মন খারাপ হলো, সে গলার আওয়াজ একটু উঁচু করে বললো,
-- আমার চিন্তায় জান বের হয়ে যায় আর উনারা আমার সাথে রাগ করে। আমি বলেছি তো চিন্তা হলে আমি কিছু খেতে পারিনা, আমার বমি পায়।
--- বলি তোর চিন্তাগুলোও কি বমি করে ফেলে দিতে পারছিস না? আজব একখান মেয়ে, আমি কখনও শুনিনি চিন্তা হলে মানুষের বমি পায়।
শানাজ এর কথার সাথে তাল মিলিয়ে তাসনিম ও বলে উঠলো,
-- বাড়ি থেকে ব্যাগ গুছিয়ে কিছুদিনের জন্য যাওয়ার কথা বলেছে, এতে চিন্তার কি আছে শুনি হ্যা? বেশিকিছু হলে বিয়ে দিয়ে দিবে, এত বড় মেয়ে হয়েছিস বিয়ে দিবে না তো মাথায় নিয়ে নাচবে?
--- আসতাগফিরুল্লাহ! এই এখানে আমিই শুধু বড় হয়েছি? তোরা বড় হসনি? আর আমার বিয়ে নিয়ে তোদের এত চিন্তা কেন? আমি তোদের বেশি জ্বালাই?
-- আমরা বড় হলে কি হবে আমরা দুজন তোমার এক ইয়ার জুনিয়রই।
এই প্রথম তাহমিদা উত্তর দিলো।
রুমের মধ্যে সবচেয়ে ভদ্র এবং কম কথা বলা মেয়ে তাহমিদা। তাহমিদা এবং শানাজ এইবার অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে উঠলো, আর তাসনিম রাইসা থার্ড ইয়ারে। চারজনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। একই রুমে থাকার সুবাদে তাদের মধ্যে তুই মুই সম্পর্ক বিদ্যমান। বলতে গেলে একজন অপরজনের জানের জান।
সকালবেলা হুট করে বাড়ি থেকে মা ফোন দিয়ে যাওয়ার কথা বলায় রাইসা ভয় পেয়ে গেছে।
ওর মা পড়াশোনার ব্যাপারে খুবই সিরিয়াস, তারপরও সামনে পরীক্ষা জানার পরও এভাবে হুট করে বাড়ি ডেকে পাঠানোর বিষয়টা রাইসার কাছে রহস্যজনক ঠেকছে। এই নিয়ে সারাদিন চিন্তায় চিন্তায় ক্লাসও করা হয়নি, খাওয়াও হয়নি। সন্ধ্যায় মাকে আবারও পরীক্ষার কথা বলে যেতেই হবে কিনা জিজ্ঞেস করেছিলো, মা জোর দিয়ে যেতে বলায় ব্যাগ গোছাচ্ছে আর চিন্তায় বিড়বিড় করে নিজের মনে কথা বলছে। এমন সময় তাসনিমরা চা অফার করলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
শেষমেশ শানাজরা জিতলো, রাইসা সবার সাথে চা খেতে বসলো।
সবাই তাহমিদার বাড়ি থেকে নিয়ে আসা তিলের নাড়ু আর পুলিপিঠা দিয়ে চা খেয়ে শেষ করলো, সাথে চললো নানারকম গল্পের পসরা।

পরদিন সকালবেলা রাইসা হল থেকে বেরিয়ে বাসট্যান্ডের উদেশ্যে রওয়ানা দিলো।
রাস্তায় মাহতাব স্যারের সাথে দেখা, স্যার ওর দিকে তাকিয়ে একবার জিজ্ঞেস করলেন,
-- কেমন আছো রাইসা?
--আসসালামু আলাইকুম স্যার, জি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি স্যার। আপনি কোমন আছেন?
--- আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ, তা বাড়ি যাচ্ছো বুঝি? ভালো, ঠিকঠাক মতো যেও।
-- জ্বি স্যার, আচ্ছা স্যার আসি।
রাইসা কথাটা বলে কোনমতে পাশ কাটালো। ডিপার্টমেন্টের সবচেয়ে ইয়াং, হ্যান্ডসাম আর গুরুগম্ভীর স্যার মাহতাব খন্দকার। সব মেয়েদের ক্রাশ, কিন্তু স্যারের স্বভাবের জন্য কেউ ভয়ে স্যারকে কিছু বলতে পারে না। রাইসা স্যারকে যমের মতো ভয় পায়। হুট করে স্যার রাইসার সাথে যেচে কথা বলায় বেশ চমকালো রাইসা, মনে কেন জানি একটা খটকা লাগলো।
বাসট্যান্ডে এসে বাঘার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আনমনে উঠে বসলো। খেয়াল করলো না পিছনে তার সেই গুরুগম্ভীর স্যারও উঠে বসে আছেন।

(কয়েক পর্বের নতুন গল্প শুরু করলাম, অনেকদিন পর লেখার কারণে আনাড়ি হয়েছে লেখাগুলো। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর কেমন হলো জানাবেন।
আমাদের জেনারেশন সুস্থ সাহিত্য আর বিনোদন নিয়ে বেড়ে উঠুক এই প্রত্যাশা।)

পদ্মা সেতু!
27/07/2022

পদ্মা সেতু!

24/07/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
সকলেই কেমন আছেন?

Address

Islami Tower. Bangla Bazar
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DotPen Publications posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DotPen Publications:

Shortcuts

Share

Category