eBoi Bangladesh

eBoi Bangladesh Eboi Bangladesh – the ultimate platform for ebook lovers!

01/07/2025

মন ও মস্তিষ্কের মালিন্য বোঝ?

রাশিয়ার জনসংখ্যা ১৪ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি। 😎
25/06/2025

রাশিয়ার জনসংখ্যা ১৪ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি। 😎

17/04/2025

বইয়ের পাতায় লেখা নাম
খুঁজে নিও বদনাম
এক পাতা ভালো লাগা
ভালোবাসারই ডাকনাম

আপনারা যারা Eboi Bangladesh পেইজটি অনুসরণ করছেন বা করতে চান, তাদের জন্য একটি দারুণ আপডেট —📚 এপর্যন্ত Eboi Bangladesh-এ প...
08/04/2025

আপনারা যারা Eboi Bangladesh পেইজটি অনুসরণ করছেন বা করতে চান, তাদের জন্য একটি দারুণ আপডেট —

📚 এপর্যন্ত Eboi Bangladesh-এ প্রকাশিত সব বই পেতে নিচের লিংক ক্লিক করুন।👉 https://www.eboi.xyz/

নিজের পছন্দের বইগুলো দেখে নিন, শেয়ার করুন এবং পড়ার আনন্দ ছড়িয়ে দিন।
নতুন বইয়ের খবর, প্রি-অর্ডার এবং রিভিউ জানতে পেইজে চোখ রাখুন নিয়মিত! 🌟

#বাংলাবই #ইবই #পড়াশোনা

https://www.eboi.xyz/

নতুন বই ঘুরে দেখুন Compare Quick view Add to wishlist Chatgpt Plus 1month with Canva Pro ইবই বাংলা ৳299.00 Add to cart -50% Compare Quick view Add to wishlist আমজনতার কনটেন্ট (ইবুক) প্রি-অর্ডার .....

শিগগিরই আসছে!“Learn Like a Genius: স্মার্ট স্টাডির সায়েন্স”একটি ইবুক, যা বদলে দিতে পারে তোমার শেখার ধরন, পড়াশোনার ফলাফ...
04/04/2025

শিগগিরই আসছে!
“Learn Like a Genius: স্মার্ট স্টাডির সায়েন্স”
একটি ইবুক, যা বদলে দিতে পারে তোমার শেখার ধরন, পড়াশোনার ফলাফল, আর পুরো জীবনটাই।

এই বইটি শুধু শেখার টেকনিক শেখাবে না, শেখাবে কীভাবে শেখা যায়।
নিকোলা টেসলা থেকে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, সান জু থেকে সক্রেটিস—সবাই ছিল শেখার শিল্পের মাস্টার।
তোমার মধ্যেও সেই সম্ভাবনা আছে।

যা থাকছে বইতে:

শেখার বিজ্ঞান

মেমোরি মাস্টারি

মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল

সাবজেক্টভিত্তিক স্টাডি টেকনিক

মাল্টিমোডাল লার্নিং স্টাইল

এবং গল্পে গল্পে শেখা শতভাগ প্র‍্যাকটিক্যাল টিপস

যে কেউ, যে বয়সেই হোক—শেখা বন্ধ করো না।
এই ইবুক হবে তোমার শেখার নতুন শুরু।

#ইবুক #শেখা_শুরু_হোক_আজই

গল্পের নাম: জীবন্ত জাহাজ ও অবসরপ্রাপ্ত রত্ন সন্ধানীকিশোরটির নাম সায়েম। তার বাড়ির পেছনের নদীতীরে দাঁড়িয়ে আছে একটি পুরন...
22/03/2025

গল্পের নাম: জীবন্ত জাহাজ ও অবসরপ্রাপ্ত রত্ন সন্ধানী

কিশোরটির নাম সায়েম। তার বাড়ির পেছনের নদীতীরে দাঁড়িয়ে আছে একটি পুরনো কাঠের জাহাজ। স্থানীয় মানুষজন ওটিকে বলে “মৃত জাহাজ”। কারণ জাহাজটি বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত, কারও যাতায়াত নেই, আলোও নেই—যেন নিঃশ্বাসহীন একটি কাঠামো। কিন্তু সায়েমের মনে হয় জাহাজটি এখনো “জীবন্ত”। মাঝে মাঝে যেন কান পাতলে ধুকপুক শব্দ শুনতে পায়।

সায়েমের নানাজি, আলি আকবর আন্দালিব—নিজেকে পরিচয় দিতেন “অবসরপ্রাপ্ত রত্ন সন্ধানী” বলে। এই অঞ্চলে জাহাজের অস্তিত্বের খবর যখন ছড়িয়েছিল, তখনই তিনি হঠাৎ করেই স্বেচ্ছানির্বাসনে চলে যান। পরিবারের কেউই ঠিক জানে না কেন। তবে সবাই জানে, সেই পরিত্যক্ত জাহাজ আর নানাজির রহস্যময় অন্তর্ধান একই সময়ের ঘটনা।

নানাজি চলে গেছেন বহু বছর। সায়েমের জন্মও হয়েছে অনেক পরে। তবু কেমন যেন একটা টান অনুভব করে সে। দিনের পর দিন নদীতীরে দাঁড়িয়ে থেকে সেই পরিত্যক্ত জাহাজকে দেখত। আকাশে উড়তে থাকা সারসের ঝাঁক দেখে মনে হতো—এই জাহাজও বুঝি তাদের মতোই কোথাও উড়ে যেতে চায়।

একদিন সায়েমের বাবা ঘরের পুরনো তোষাখানায় খুঁজে পেলেন একটা পুরনো স্যুটকেস। সেটা ছিল তার নানা, আলি আকবর আন্দালিবের। ধূলি-মলিন স্যুটকেসটি খোলার পর সায়েম তো অবাক! ভেতরে ছিল সিগিল-লাগানো কিছু কাগজ, একটা পিতলের দোলনায় বসানো ছোটখাটো মানচিত্রের অংশবিশেষ, আর কয়েকটি আজব আকৃতির পাথর। কাগজগুলোতে ছিল মানচিত্রের আঁচড়, কিছু লিপি আর অবোধ্য চিহ্ন।

সায়েম প্রতিটি কাগজ হাতড়ে দেখতে লাগল। কাগজের গায়ে কোনো জাদুকরী শব্দ আছে কি না, কিংবা নানাজি কোনো গুপ্ত বার্তা লুকিয়ে রেখেছেন কি না—এইসব ভাবনা মাথায় ঘুরছিল। একটা পাতায় ইংরেজি আর আরবি মিশিয়ে কিছু লেখা: “দ্য শিপ ইজ নট ডেড, ইট হোল্ডস দ্য হার্ট অব দ্য স্কাই”। বাক্যটির মানে পুরোপুরি বোঝা গেল না। কিন্তু সায়েমের মনে পড়ে গেল তার সেই “জীবন্ত জাহাজ”-এর কথা।

কৌতূহলী হয়ে সে সেই কাগজটা তুলে নিল। পেছনে ছিল জ্যামিতিক নকশা করা ছাপ। হঠাৎ তার নজরে এলো আরেকটি পাতায় জলছাপের মত সারস পাখির ছায়া। সারস পাখি বরাবরই সায়েমকে রহস্যময় আনন্দ দেয়। তখনই সে কাগজগুলো দিয়ে সারস পাখির মতো কাগজের ভাঁজ (ওরিগামি) বানাতে শুরু করল। অদ্ভুতভাবে কাগজগুলো সহজে ভাঁজ হয়ে সারসের আকার নিল। আর সেই সারসের মাথার দিকে একটা গোলচিহ্ন জ্বলজ্বল করছে।

কাগজের সারসটি হাতে নিয়ে সায়েম ভাবল—“এটা কি কোনো সংকেত?” সন্ধ্যায় নদীর ধারে গিয়ে সারসটিকে জাহাজের দিকে ছুঁড়ে দিল। অদ্ভুতভাবে সেটি ভেসে উঠল, আর সামান্য দুলে দুলে জাহাজের গায়ে এসে আটকে রইল।

পরদিন ভোরে সায়েম সেখানে গেল। দেখল, সারসটি এখন আর নেই। জাহাজের কাঠের গায়ে সামান্য একটা ফাঁটল দেখা দিয়েছে, যেন সেটি খুলতে চাইছে। সায়েম সাহস করে কাছে গিয়ে ধাক্কা দিতেই, সশব্দে একটা অংশ সরে গেল। ভেতরে দেখা গেল ছোট্ট একটা কুঠুরি। সেখানে ছিল আরেকটি মানচিত্রের টুকরো, আর তার সঙ্গে একটা পুরনো নৌকার ছাই-রঙা পতাকা।

অবাক হয়ে সায়েম ভাবল—“নানাজি নিশ্চয়ই এই জাহাজের গোপন কুঠুরিতে কিছু রেখেছিলেন!” মানচিত্রের টুকরোটা খুলে দেখে, তাতে লেখা: “আকাশে সারস, জাহাজে হৃদয়, রত্ন খোঁজো—আনন্দই পথ দেখাবে।”

নানাজি নিশ্চয়ই কোনো রত্ন পেয়েছিলেন, কিংবা কোনো গুপ্তধন খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন। তাই তো নিজেকে “অবসরপ্রাপ্ত রত্ন সন্ধানী” বলতেন। হয়তো তিনি চেয়েছিলেন এই রত্ন (বা রহস্য) তার পরবর্তী প্রজন্ম খুঁজে বের করুক।

সায়েম বুঝতে পারে—এই মানচিত্রের টুকরো, জাহাজের ফাঁটল, আর সারসের প্রতীক—সব মিলিয়ে একটা বড়ো রহস্য লুকিয়ে আছে। সেই রহস্যের কেন্দ্রে আছে পরিত্যক্ত এই কাঠের জাহাজ, যেটিকে সে “জীবন্ত” বলে মনে করে। জাহাজের গায়ে হাত বুলিয়ে সে স্পষ্টই বুঝতে পারে—এর ভেতরে আছে আরেক জগৎ।

এরপর থেকে সায়েম প্রায়ই জাহাজের সেই ফাঁটল ধরে ভেতরে উঁকি দেয়। প্রতিবারই ছোটখাটো কিছু চিহ্ন বা খোঁজ পায়—কখনও সিল করা খাম, কখনও আবার কোনো ছাপা বইয়ের পাতা যেখানে ছন্দময় কবিতা। সেগুলো একে একে জোড়া লাগিয়ে সায়েম একটা বড়ো মানচিত্র তৈরি করতে থাকে।

একদিন মানচিত্রের বেশিরভাগ অংশ জোড়া লাগাতে পেরে সায়েম দেখতে পেল—সেটা আসলে কোনো নির্দিষ্ট গুহার পথের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যার অবস্থান দূরের পাহাড়-জঙ্গলে। সায়েমের মনে হতে লাগল, এই পথই হয়তো নানাজির “রত্ন সন্ধানের” শেষ সূত্র।

যতই এগোতে থাকে, ততই সে বুঝতে পারে—এই রহস্যের আসল রত্ন শুধু স্বর্ণ-রূপো নয়, বরং তার নিজের কল্পনা, সাহস আর পরিবার-পরম্পরায় আসা ভালবাসার স্মৃতি। নানাজি হয়তো চেয়েছিলেন, সায়েম যেন অজানা কিছু সন্ধান করে জীবনের আসল স্বাদ পায়।

অবশেষে, এক গোধূলিবেলায়, জাহাজের ফাঁটল আরেকটু বড়ো হয়ে যায়। সায়েম ভেতরে ঢুকে আবিষ্কার করে ছোট্ট একটি বাক্স, তাতে খোদাই করা আছে: “আনন্দই আসল রত্ন”। বাক্স খুলতেই পায় একটি হাত-লেখা চিরকুট, যেখানে নানাজি লিখেছেন—

> “সায়েম, যদি আমার পথে চলতে চাও, ভয়কে জয় করো। জাহাজটা কখনো ‘মৃত’ নয়—এর ভেতরেই আছে তোমার কল্পনা আর সাহসের পৃথিবী। আমার গল্প এখানেই শেষ, তোমার গল্প এখান থেকে শুরু।”

সায়েমের চোখ ভিজে আসে। বুঝতে পারে, এই পরিত্যক্ত জাহাজ কেবলই একটা কাঠের নৌযান নয়; এটা তার নানাজির রেখে যাওয়া জীবন্ত উত্তরাধিকার—যেখানে সাহস, কল্পনা, আর ভালোবাসার মিলনে তৈরি হয় এক নতুন অধ্যায়।

সেদিন সন্ধ্যায় সারসের ঝাঁক উড়ে গেলে সায়েম নদীর ধারে বসে ভাবে—“নানাজির মতো আমিও কি রত্ন সন্ধানী হবো?” সামনে নদী আর পেছনে জাহাজ; জীবনের মানে খোঁজার জন্য এর চেয়ে রহস্যময় আর অনুপ্রাণিত জায়গা আর কী হতে পারে!

শেষমেশ, সায়েম অনুভব করে: জাহাজটি আসলে ‘জীবন্ত’ কারণ সেটি বহন করে চলছে তার পূর্বপুরুষের স্বপ্ন আর তার নিজের দুর্নিবার কৌতূহল। আর এই কৌতূহলের পরিধি যত বিস্তৃত হবে, ততই খুলে যাবে রত্ন সন্ধানের নতুন সব পথ।

গল্পের নাম: অন্তর্বাসের রঙ ও ডাক্তারের দুশ্চিন্তাডা. আসিফ একজন জনপ্রিয় সাইকিয়াট্রিস্ট। হাসিখুশি, একটু বদরাগী, আবার রোগীদ...
21/03/2025

গল্পের নাম: অন্তর্বাসের রঙ ও ডাক্তারের দুশ্চিন্তা

ডা. আসিফ একজন জনপ্রিয় সাইকিয়াট্রিস্ট। হাসিখুশি, একটু বদরাগী, আবার রোগীদের মানসিক দুরবস্থায় অসামান্য সংবেদনশীল। তার একটা অদ্ভুত অভ্যাস—তিনি যতক্ষণ না কেউ নিজের সমস্যা খুলে বলছে, ততক্ষণ তিনি ডায়াগনসিস করতে চান না। এটাকে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের অঘোষিত এটিকেট বলে মনে করেন।

কিন্তু দিনগুলো সব সময় নিয়ম মেনে চলে না।

একদিন বিকেলে, ডা. আসিফের চেম্বারে ঢুকলেন একজন ভদ্রলোক, বয়স আনুমানিক চল্লিশ। নাম বললেন—সুলতান মাহফুজ। তার সঙ্গে একটি ছোট্ট ব্যাগ, চোখে কালো চশমা, আর এক ধরনের “আমি খুব সাধারণ না” ভঙ্গিমা।

– “আপনার কী সমস্যা?”
– “আমি আসলে কাউকে খুন করিনি।”
– “ওকে... আমি ধরেও নিইনি।”
– “কিন্তু আমার মাথার ভেতরে কেউ একজন প্রতিদিন বলে—‘তুই খুনি!’”

ডা. আসিফ মাথা চুলকে ভাবলেন, ব্যাপারটা তো একটু বেশি ইন্টারেস্টিং হয়ে গেলো। কিন্তু তিনি চুপ করে থাকলেন। রোগী এখনও তার অনুমতি দেয়নি রোগ নির্ণয়ের।

– “আমি যখন ঘুমাই, কেউ আমার মাথার পাশে এসে বলে, ‘লাশটা তুই লুকাইছস কোথায়?’”
– “আপনার কি ঘুমে অসুবিধা হয়?”
– “না। আমি ঘুমিয়ে পড়ার আগেই মোবাইলে সিরিয়াল কিলার ডকুমেন্টারি দেখি। তারপর মাথায় ওই ভয়েস আসে।”

ডা. আসিফ একদিকে নিজের স্নায়ু টানটান করে রোগী পর্যবেক্ষণ করছেন, অন্যদিকে হালকা ভয় পাচ্ছেন—এই লোক সত্যিই খুনি কিনা!

এক পর্যায়ে রোগী কথা বলতে বলতে হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন—
– “ডাক্তার সাহেব, আপনি কি কাউকে দেখে তার অন্তর্বাসের রঙ আন্দাজ করতে পারেন?”
– “আমি… না! কেন এমন প্রশ্ন করছেন?”
– “কারণ আমার অফিসের বসের অন্তর্বাসের রঙ আমি প্রতিদিন আন্দাজ করি, আর ৭ দিন ধরে প্রতিদিন ঠিক মিলেছে!”

ডা. আসিফ এবার আর চুপ থাকতে পারলেন না।
– “আপনার কি মনে হয় কেউ আপনাকে দিয়ে কিছু করিয়ে নিচ্ছে? মন নিয়ন্ত্রণ করছে?”
– “হুম… একবার মনে হয়েছিলো আমার বিড়ালটাই আমার ব্রেইন কন্ট্রোল করছে।”

এমন সময় খবর এল—ডা. আসিফের ক্লিনিকের পাশের বিল্ডিংয়ে এক খুন হয়েছে। ঠিক সেই টাইমে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে মাহফুজ সেই ভবনে ঢুকছেন, আবার দৌড়ে বের হচ্ছেন।

পুলিশ ডা. আসিফের কাছ থেকে তার রোগীর মানসিক অবস্থা জানতে চায়।
কিন্তু আসিফ জানেন—ডায়াগনসিস করা মানে চিকিৎসা শুরু। রোগী এখনও “সেভাবে” খুলে বলেনি।

শেষমেশ মাহফুজ নিজেই বলে ফেললেন—
– “আসলে আমার বস, যিনি ওই ভবনে থাকেন, উনি আসলে আমার চাচাতো বোনের স্বামী। আমি প্রতিদিন তার অন্তর্বাস আন্দাজ করি কারণ ওরা বারান্দায় জামাকাপড় শুকায়!”

সবাই থমকে গেলো।
– “তাহলে খুনের সময় আপনি সেখানে কেন?”
– “আমি গিয়েছিলাম কুকুরকে মারতে! সে আমার শুয়োর পালনের ব্যবসা ধ্বংস করেছে!”

মাহফুজ খুনি না, একটু বেশি কল্পনাবিলাসী। তার বিড়াল ব্রেইন কন্ট্রোল করে না, বরং সে বিড়ালকে প্যান্ট পরে খাওয়াতে চায়।

ডা. আসিফ হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। কিন্তু এরপর থেকে চেম্বারের দরজায় একটি নতুন নোটিশ ঝুলিয়ে রাখলেন:

"বিঃদ্রঃ: রোগী নিজে না চাইলে, অন্তর্বাসের রঙ বা খুনের দায় কিছুই যাচাই করা হবে না।"

#অঘটনেরগল্প #মনস্তত্ত্বেরমজা #ডাক্তারডায়াগনসিস

বলো কেমন লাগলো! টুইস্ট আরও চাই?

বই পড়ার আনন্দ, একটি হারিয়ে যাওয়া সময় ফিরে পাওয়ার মত…কখনও কি কোনো বই পড়ে মনে হয়েছে—"আরে! আমি তো যেন আবার ছোটবেলায় ফিরে গে...
21/03/2025

বই পড়ার আনন্দ, একটি হারিয়ে যাওয়া সময় ফিরে পাওয়ার মত…

কখনও কি কোনো বই পড়ে মনে হয়েছে—"আরে! আমি তো যেন আবার ছোটবেলায় ফিরে গেলাম!"
পুরনো দিনের মতোন নির্ভেজাল সুখ, কোনো টেনশন নেই, শুধু পাতা উল্টাতে উল্টাতে হারিয়ে যাওয়া।
গল্পের চরিত্রগুলো যেন পুরনো বন্ধুর মতো, আর প্রতিটি অধ্যায় যেন জীবনের এক টুকরো স্মৃতি।

আজকের দুনিয়ায়, যেখানে সময় সবকিছুকে ছুটিয়ে নিয়ে যায়—সেখানে বই পড়া যেন থেমে থাকা এক শান্ত দুপুর, হারিয়ে যাওয়া শৈশবের মতো এক আবেগময় ফেরার পথ।

তোমার শেষ পড়া বইটার নাম কি?
কমেন্টে জানাও—চলুক আবার সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের খোঁজ!

#বইপড়ুন #হারানোসময় #বইএরভুবন

“যে সিভি চাকরি দেয়”—এই কথাটি শুনেই হয়তো আপনার মনে হাজারো প্রশ্ন জাগছে।কীভাবে একটি সিভি চাকরি দিতে পারে? কীভাবে কাগজের এক...
23/02/2025

“যে সিভি চাকরি দেয়”—এই কথাটি শুনেই হয়তো আপনার মনে হাজারো প্রশ্ন জাগছে।

কীভাবে একটি সিভি চাকরি দিতে পারে? কীভাবে কাগজের একটি বা দুটি পাতায় লেখা কিছু শব্দ আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে? আসুন, এই যাত্রায় আমরা একসাথে আবিষ্কার করি সেই রহস্য, যা একটি সাধারণ কাগজকে করে তোলে অসাধারণ।

এই ইবুকটি শুধু সিভি লেখার গাইড নয়, এটি আপনার ক্যারিয়ারের সঙ্গী। এখানে আপনি শিখবেন কীভাবে আপনার জীবনের গল্পকে এমনভাবে বলবেন, যেন তা চাকরিদাতার হৃদয় স্পর্শ করে। প্রতিটি অধ্যায় আপনাকে নিয়ে যাবে এক নতুন অভিজ্ঞতায়—সিভির মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে সফল সিভি লেখার গোপন কৌশল পর্যন্ত।

আপনি কি প্রস্তুত? প্রস্তুত হোন আপনার স্বপ্নের চাকরি পাওয়ার এই যাত্রায়। কারণ, এই বইটি শুধু সিভি লেখা শেখায় না, এটি আপনাকে শেখায় কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হয়, কীভাবে নিজের গল্প বলতে হয়। আর যখন আপনি নিজের গল্প বলতে শিখবেন, তখন সেই গল্পই আপনাকে নিয়ে যাবে সাফল্যের শিখরে।

তাহলে আর দেরি কেন? চলুন শুরু করি এই অসাধারণ যাত্রা, যেখানে প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন আপনার ক্যারিয়ারকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনার স্বপ্নের চাকরি এখন হাতের নাগালে। শুধু প্রয়োজন একটি সফল সিভি। আর এই বইটি আপনাকে সেই সফল সিভি লেখার পথ দেখাবে।

আপনিও জানুন, সিভি কিন্তু চাকরি দেয়!

লিংকঃ
https://www.eboi.xyz/product/jcvcd/

ইবুকটির মূল্য মাত্র ৬৯ টাকা!

বাংলার চেতনা অমর একুশের চেতনা...২১ শে ফেব্রুয়ারী...
21/02/2025

বাংলার চেতনা
অমর একুশের চেতনা...
২১ শে ফেব্রুয়ারী...

📚 একটি বইয়ের গল্প, আপনার জীবনের গল্প হয়ে উঠতে পারে! 📚✅বই শুধু কাগজের পাতায় বন্দি কিছু শব্দ নয়, বরং এটি হতে পারে আপনার জী...
16/02/2025

📚 একটি বইয়ের গল্প, আপনার জীবনের গল্প হয়ে উঠতে পারে! 📚

✅বই শুধু কাগজের পাতায় বন্দি কিছু শব্দ নয়, বরং এটি হতে পারে আপনার জীবনের সঙ্গী, পথপ্রদর্শক এবং অনুপ্রেরণা! ❤️

✅আপনি কি কখনও কোনো বই পড়ে নিজেকে নতুন করে চিনেছেন? বইয়ের চরিত্রগুলোর সঙ্গে কখনো কি আপনার জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন?

✅বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন, জীবনের গল্প আরও রঙিন হয়ে উঠবে! 📖🎧

ুন #জীবনের_গল্প

Address

Jigatola, Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when eBoi Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to eBoi Bangladesh:

Share

Category