J & Z Quilting Industries

J & Z Quilting Industries I'm Mahbubur Rahman Bhuiyan. Last 5 years, I'm doing business J & Z Quilting Industries Mirpur Dhaka.

06/06/2026

আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে আমেরিকাকে টপকে চীন জিতে যাচ্ছে।যেমন আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগে একটি দেশেরও এমন উত্থান দেখা গিয়েছিল।যেমনটা আজ চীনের।

•~ বিগত ৬ মাসে মার্কিন ডলারের বিপরীতে চীনা মুদ্রা ইউয়ানের মান প্রায় ৪.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

•~ সবাই এখন একই আওয়াজ উঠছে "চীন জিতে যাচ্ছে, আর আমেরিকা হেরে যাচ্ছে।"

•~ তবে এই ছবির পেছনে সম্পূর্ণ অন্য এক বিপদের আভাসও পাওয়া যাচ্ছে।

•~ কারণ আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগে বিশ্বের অন্য একটি দেশের মুদ্রার মানও ঠিক এইভাবে আচমকা আকাশচুম্বী হয়েছিল। আর সেই দেশটি আজ অব্দি সেই ভুলের চড়া মাসুল গুনে চলেছে।

•~ ইতিহাসের সেই পাতাটি একটু উল্টে দেখা যাক -

•~ এখানে মূল অংকটা বুঝতে হলে আমাদের একটু পেছনের ইতিহাসে যেতে হবে।

•~ ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার অনেক আগে থেকেই চীনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ করে আসছিলেন:

"চীন হলো একটি মুদ্রা কারসাজিকী বা কারেন্সি ম্যানিপুলেটর।"

•~ তাঁর এই কথার অর্থ ছিল খুব পরিষ্কার -

।।।।।।।•~ চীন আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের মুদ্রার মান ইচ্ছা করে কৃত্রিম উপায়ে কম বা দুর্বল করে রাখে। আর ইউয়ানের মান দুর্বল থাকার কারণে বিশ্ববাজারে চীনা পণ্যের দাম সবসময় অত্যন্ত সস্তা থাকে, যার ফলে পুরো পৃথিবী সস্তার চীনা পণ্যে সয়লাব হয়ে যায়।•~।।।।।।।

•~তাই ট্রাম্পের মূল চাওয়াও ছিল সবসময় একটাই -

•~ ইউয়ানের মান যেন আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধি পায়, যাতে চীনা পণ্যের দাম রাতারাতি বেড়ে যায় এবং বিশ্ববাজারে তাদের দাপট কমে।

•~ এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি বছরের পর বছর ধরে চীনা পণ্যের ওপর ভারী ট্যারিফ {শুল্ক} বসিয়েছেন, বেইজিংয়ের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছেন এবং বারবার বলেছেন,
"চীন বাণিজ্যের নামে আমাদের পিষে ফেলছে।"

•~ আর আজ বর্তমানের এই ২০২৬ সালের এসে দেখা যাচ্ছে, বাজারে ইউয়ানের মান আসলেই ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। অর্থাৎ, ট্রাম্প বছরের পর বছর ধরে মনে মনে যা চেয়েছিলেন, আজ ঠিক সেটাই ঘটছে।

•~ কিন্তু প্রশ্ন হলো -এই ঘটনাটি কি আদেও চীনের জন্য কোনো সুখবর?

•~ এই কঠিন প্রশ্নের একটি উত্তরটি লুকিয়ে আছে ১৯৮৫ সালের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্যে।

•~ সে সময় জাপান ছিল গোটা বিশ্বের একমাত্র ম্যানুফ্যাকচারিং হাব বা পৃথিবীর আসল কারখানা -ঠিক আজকের চীনের মতো। জাপানি ইলেকট্রনিক্স আর গাড়িতে তখন বিশ্বের প্রতিটি বাজার মজে ছিল এবং আমেরিকার বুক কাঁপছিল এই অর্থনৈতিক দাপট দেখে।

•~ তখন ওয়াশিংটন এক চরম চতুর চাল চালল।

•~ ১৯৮৫ সালে নিউ ইয়র্কের প্লাজা হোটেলে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি পরাশক্তি দেশ একসাথে একটি গোপন বৈঠকে বসল, যা ইতিহাসে প্লাজা অ্যাকর্ড নামে পরিচিত।

সেখানে জাপানের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করে তাদের মুদ্রা ‘ইয়েন’-এর মান কৃত্রিমভাবে বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হলো। আর তার পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মান প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠল।

•~ আর তার পরের পরিণতি তো ইতিহাস -

•~ ইয়েনের মান বাড়ার সাথে সাথেই আন্তর্জাতিক বাজারে জাপানি পণ্যের দাম হু হু করে বেড়ে গেল। ফলে বিশ্ববাজার থেকে তাদের ক্রেতার সংখ্যা কমতে শুরু করল, জাপানি রপ্তানি খাত ধসে পড়ল এবং দেশের বড় বড় কারখানাগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে গেল।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাংকগুলো সুদের হার কমিয়ে শূন্যে নামিয়ে আনতে বাধ্য হলো।

•~ স্রেফ নিজেদের মুদ্রার মান অতিরিক্ত শক্তিশালী হওয়ার খেসারত হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে টানা ৩০ বছর এক গভীর ও স্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার অন্ধকারে ডুবে থাকতে হয়েছিল।

•~ এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না।এটি ছিল মূলত ঊর্ধ্বগামী পরাশক্তিকে ধ্বংস করার এক সুনিপুণ পশ্চিমা ফর্মুলা।

•~ এবার ঠিক এই একই সমীকরণটি আজকের প্রেক্ষাপটে মিলিয়ে দেখুন।

•~ বর্তমানে ইউয়ানের এই মান বৃদ্ধি কি সত্যিই চীনের কোনো মহাবিজয়, নাকি সেই পুরনো পশ্চিমা ফাঁদেই চীনের নতুন করে পা দেওয়া?

•~ প্রথমে আমরা মুদ্রার চকচকে বা উজ্জ্বল পিঠটা একটু দেখি -

•~ চীন বেশ কয়েক বছর আগেই আমেরিকার সুইফট সিস্টেমকে এড়াতে নিজস্ব এক স্বাধীন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল।

•~ যার নাম সিআইপিএস। এর একমাত্র লক্ষ্য ছিল -মার্কিন ডলারের কোনো প্রকার ছোঁয়া ছাড়াই বিশ্বজুড়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য চালানো।

•~ শুরুর দিকে এই সিস্টেমের লেনদেনের অঙ্কটা বেশ ছোট ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পুরো দৃশ্যপট বদলে যায়:

•~ ২০১৫: এই স্বাধীন সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
•~ ২০২১: দৈনিক লেনদেন ৩০০ বিলিয়ন বা ৩০,০০০ কোটি ইউয়ানে পৌঁছায়।

•~ ২০২৩: সৌদি আরব ডলারের মায়া ত্যাগ করে চীনা ইউয়ানের বিনিময়ে তেল বিক্রি শুরু করে।

•~ ২০২৪: রাশিয়া এবং ইরান তাদের উৎপাদিত জ্বালানির সিংহভাগ ইউয়ানের মাধ্যমে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

•~ মার্চ ২০২৬: এই সিস্টেমে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯২০ বিলিয়ন ইউয়ান।

•~ এপ্রিল ২০২৬: মাত্র এক দিনের ব্যবধানে লেনদেনের পরিমাণ ১.২২ ট্রিলিয়ন বা ১ লক্ষ ২২ হাজার কোটি ইউয়ানের অলৌকিক সংখ্যা স্পর্শ করে।

•~ বিগত ১০ বছর ধরে অত্যন্ত নীরবে বড় হতে থাকা এই পেমেন্ট সিস্টেমটি মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের পর এক রকেটের গতি লাভ করে। কারণ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে ডলার-বিমুখ দেশগুলো দলে দলে এই চীনা সিস্টেমের ছাতার নিচেই আশ্রয় নিতে শুরু করে।

•~ আর এভাবেই বিশ্বমঞ্চে জন্ম নেয় এক নতুন পরাশক্তি -‘পেট্রো-ইউয়ান’।

•~ দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটি ডলারের বুক চিরে চীনের এক চূড়ান্ত বিজয়।

•~ কিন্তু এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্ম বিষয় আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। বিশ্বজুড়ে তেলের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মধ্যে এই ইউয়ানের অংশীদারিত্ব আজও মাত্র ৩ থেকে ৮ শতাংশের ঘরেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

•~ যেখানে মার্কিন ডলার আজও প্রায় ৮০ শতাংশের বিশাল সিংহভাগ নিয়ে একচ্ছত্র রাজত্ব করছে।

•~ আমেরিকার সাম্রাজ্যের দেয়ালে ধরা এই চিরটি হয়তো আকারে ছোট। কিন্তু বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ‘পেট্রো-ডলার’ নিজের সামনে বাস্তব কোনো সমকক্ষ বিকল্পের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।

•~ তবে আসল ভয়ের কারণ কিন্তু এই ছোট ফাটলটি না। ভয়ের আসল কারণ লুকিয়ে আছে মুদ্রার অপর পিঠে।

•~ অর্থনীতি ও বাজারের সাধারণ নিয়ম হলো -বিশ্ববাজারে কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার চাহিদা যত বেশি বাড়বে, সেই মুদ্রার মানও তত বেশি শক্তিশালী বা দামি হতে থাকবে।

ইউয়ান আজ বিশ্বজুড়ে যত বেশি ছড়িয়ে পড়ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এর নিজস্ব দামও ততটাই চড়া হচ্ছে -ঠিক ১৯৮৫ সালের সেই জাপানি ইয়েনের মতো।

•~ আর এই অতিরিক্ত দামি বা শক্তিশালী মুদ্রাই হলো সেই আসল মরণফাঁদ -যা একসময় জাপানকে ৩০ বছর পেছনে ঠেলে দিয়েছিল।

•~ এই বাস্তব সত্যটি আমাদের খুব ভালো করে বুঝতে হবে -

•~ আজ যে শক্তির জোরে চীনকে বিশ্বমঞ্চে এত বেশি শক্তিশালী দেখাচ্ছে, ঠিক সেই একই শক্তিই কিন্তু যেকোনো মুহূর্তে চীনকে ভেতর থেকে এক্কেবারে পঙ্গু করে দিতে পারে। আর সেই শক্তিটি হলো -বিশ্বের বুকে চীনা ইউয়ানের ক্রমাগত বাড়তে থাকা চাহিদা।

•~ চীনের আসল দ্বন্দ্ব বা উভসংকট ঠিক এই জায়গাতেই। তারা যদি বিশ্বজুড়ে ইউয়ানের ব্যবহার না বাড়ায়, তবে তারা কোনোদিনও ডলারের সাম্রাজ্যকে হটাতে পারবে না।

আবার ইউয়ানের ব্যবহার যত বেশি ছড়াবে, বাজার নিয়মে এর মান অতিরিক্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠার ঝুঁকিও ততটাই বাড়বে।

•~ আর কোনো কারণে যদি ইউয়ানের মান আন্তর্জাতিক বাজারে অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যায়, তবে ঠিক কী ঘটবে?

•~ প্রথমত, চীনা পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রয় মূল্য অনেক বেড়ে যাবে। আজ সস্তা হওয়ার কারণে বিশ্বের মানুষ যে সমস্ত চীনা পণ্য লুফে নিচ্ছে,

তখন সেগুলোর দাম তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর পণ্যের সমান হয়ে যাবে। ফলে বিশ্ববাজারের ক্রেতারা রাতারাতি চীন ছেড়ে অন্য সস্তা দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে।

•~ চীন হলো দিনশেষে এই পৃথিবীর মূল উৎপাদন কারখানা। আর তাদের অর্থনীতির মূল মেরুদণ্ডই হলো এই বৈশ্বিক রপ্তানি বা এক্সপোর্ট।

যখনই তাদের রপ্তানির গতি স্তিমিত হয়ে পড়বে, তখন দেশের বড় বড় কারখানাগুলো বিশ্ব থেকে নতুন কোনো অর্ডার পাবে না।

দেশের উৎপাদন চাকা থমকে যাবে, মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ হবে এবং দলে দলে লাখ লাখ শ্রমিক চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়বে।

•~ আর তার পরবর্তী দৃশ্যটি হবে হুবহু সেই পুরনো জাপানের পতনের কাহিনীর মতো। দেশের ধসে পড়া অর্থনীতিকে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখতে ব্যাংক সুদের হার কমাবে, দেদারসে কাগজের টাকা ছাপা হবে,

যার ফলে দেশের রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত এবং শেয়ার বাজারে এক বিশাল কৃত্রিম বুদবুদ তৈরি হবে এবং একদিন তা বিকট শব্দে ফেটে গিয়ে পুরো দেশের অর্থনীতিকে এক দীর্ঘস্থায়ী মন্দার অতল গহ্বরে ডুবিয়ে দেবে।

•~ কিন্তু প্রশ্ন হলো -চীন কি এই আসন্ন মহাবিপদের কথা নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছে না?

•~ অবশ্যই দেখতে পাচ্ছে। আর ঠিক এই কারণেই তারা বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত নীরবে ও দূরদর্শিতার সাথে এই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

•~ তারা একদিকে নিজেদের তহবিলে জমা থাকা মার্কিন সরকারি বন্ড বা ঋণের পরিমাণ প্রতিনিয়ত কমিয়ে আনছে।

•~ আর অন্যদিকে, তারা প্রতি মাসে কোনো প্রকার বিরতি ছাড়াই আন্তর্জাতিক বাজার থেকে টন কে টন খাঁটি সোনা কিনে নিজেদের ভল্ট ভরাচ্ছে।

বেইজিং মূলত তাদের জাতীয় রিজার্ভের মূল ভিত্তি ডলার থেকে সরিয়ে সম্পূর্ণ সোনার নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

•~ সেই সাথে চীনের কাছে আরেকটি বড় প্লাস পয়েন্ট বা সুবিধা রয়েছে -যা জাপানের কাছে ছিল না; আর সেটি হলো নিজেদের মুদ্রার ওপর বেইজিংয়ের একচেটিয়া কমিউনিস্ট নিয়ন্ত্রণ।

•~ সাধারণ অর্থনীতির নিয়ম বলে -কোনো দেশের মুদ্রা যদি সত্যিই বৈশ্বিক রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে ডলারের জায়গা নিতে চায়, তবে সেই দেশকে নিজের দরজা আন্তর্জাতিক পুঁজির জন্য চিরতরে উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

বিদেশী বিনিয়োগকারীরা যেন তাদের টাকা যখন খুশি দেশে আনতে পারে এবং যখন খুশি এক ক্লিকে দেশ থেকে বের করে নিয়ে যেতে পারে, সেই স্বাধীনতা দিতে হবে।

•~ কিন্তু চীন আজ পর্যন্ত ভুলেও কখনো এই কাজটি করেনি। তারা দেশের ভেতরের পুঁজি বাইরে পাচার হওয়ার ওপর অত্যন্ত কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে।

কারণ তারা কোনো অবস্থাতেই নিজেদের অর্থনীতির রিমোট কন্ট্রোল বাজারের অদৃশ্য হাতের ওপর ছেড়ে দিতে রাজি নয়।

•~ অবশ্য এই কঠোর নিয়ন্ত্রণের একটি চড়া খেসারতও চীনকে দিতে হচ্ছে।

দরজা বন্ধ থাকার কারণে বিশ্বের বড় বড় সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলো আজ ইউয়ানের ওপর শতভাগ ভরসা রাখতে পারে না। আর ঠিক এই কারণেই বিশ্ববাজারে ইউয়ানের অবদান আজও মাত্র ৩ থেকে ৮ শতাংশের ঘরেই আটকে রয়েছে।

•~ কিন্তু এই একই একনায়কতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের এক মারাত্মক সুবিধাও রয়েছে। এর ফলে চীন সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো ইউয়ানের মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক চাপ বা বাজারের চাহিদা বাড়লেও তারা ইউয়ানের দাম বাড়ার গতিকে কৃত্রিমভাবে টেনে ধরে রাখতে পারে।

•~ আর ঠিক এই জায়গাতেই ছিল জাপানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুল।

•~ জাপান সে সময় নিজেদের মুদ্রার মানের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি। তাদের কারেন্সি মার্কেট ছিল সম্পূর্ণ মুক্ত এবং দেশের পুঁজি বাজারের দরজা ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত।

ফলে তাদের মুদ্রার ভাগ্য নির্ধারণ করেছিল আন্তর্জাতিক বাজার এবং আমেরিকার দেওয়া চতুর রাজনৈতিক চাপ। জাপান তখন স্রেফ এক অসহায় দর্শকের মতো নিজেদের ধ্বংসের দৃশ্য চেয়ে চেয়ে দেখেছিল।

•~ কিন্তু চীন এই দাবার বোর্ডে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্টাইলে খেলছে। তারা নিজেদের মুদ্রার আসল নিয়ন্ত্রণ কোনোদিনও কোনো বিদেশী শক্তি বা বাজারের হাতে ছেড়ে দেয় না। তারা এক্সচেঞ্জ রেট কঠোরভাবে পরিচালনা করে, পুঁজি পাচারের পথ বন্ধ রাখে এবং ব্যাকআপ হিসেবে অবিরাম সোনা মজুত করে চলেছে।

•~ জাপানকে ধ্বংস হতে দেখে চীন যে পরম শিক্ষাটি লাভ করেছে, তা হলো:

নিজের মুদ্রাকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দাও, কিন্তু তার মূল লাগাম বা নিয়ন্ত্রণ কোনোদিনও নিজের হাতছাড়া করো না।

•~ জাপান সেদিন নিজেদের লাগাম অন্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছিল এবং তার খেসারত হিসেবে নিজেদের জীবনের সোনালী ৩০টি বছর হারিয়েছে।

•~ আর চীন আজ পর্যন্ত সেই লাগাম নিজের বুকের মাঝেই শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছে।

•~ অন্তত এখন পর্যন্ত তো বটেই...







26/05/2026

উন্নয়নের মাইল্ফলকে বাংলাদেশ।
গরুর হাটে লিফট লাগানো হয়েছে।@@

উন্নয়নের মাইল্ফলকে বাংলাদেশ। দেখুন, গরুর হাটে লিফট লাগানো হয়েছে।            Merchandising Association of Bangladesh Ever...
26/05/2026

উন্নয়নের মাইল্ফলকে বাংলাদেশ।
দেখুন, গরুর হাটে লিফট লাগানো হয়েছে।







Merchandising Association of Bangladesh
Everyone is Included-All People, All Places, All Ways
Bangladesh Merchandiser Association
Bangladesh textile, Merchandising & Sourcing
𝑭𝒐𝒍𝒍𝒐𝒘𝒆𝒓𝒔.

19/05/2026

ফেসবুক, ইউটিউবে ভিডিয়ো দেখতে গেলেই ফুডপান্ডার এড আসে। এই এক বাল দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেছি। আমার কাছে অন্য কোন এড আসে না কেন- অনুসন্ধান শুরু করলাম।
বুঝতে পারলাম, কিছুদিন আগে কিছু খাবার অর্ডার করেছিলাম ফুডপান্ডায়। তারই শাস্তি পাচ্ছি এখন।
ইউটিউবে ঢুকলেই এক চোদনা বলে ওঠে- ফুডপান্ডায় অর্ডার করলেই ফ্রি ডিল্লিবারি।
ভয়েসওভারের শুয়োরটাকে সামনে পাইলে ওর পুন্দে তবলা বাজাইতাম।

এই জিনিস আর দেখা যায় না। অনলাইনে ঢুকে আফগানি কবুতর লিখে সার্চ দিলাম। পুরাতন ঢাকার জলিল সন্স এন্ড কোং আফগানি কবুতর সাপলাই দিচ্ছে। তিনবার অর্ডার করে ক্যান্সেল করলাম।

এখন আমার অনলাইন জগত কবুতরময়। একটু পর পর কবুতরের পতপত করে ওড়ার ভিডিও সামনে চলে আসে। দেখে বড্ড শান্তি পাই আমি।

এভাবে কিছুদিন কবুতরের বিজ্ঞাপন দেখে বিরক্ত হলে 'থাইল্যান্ডের খাঁটি সাপের বিষ' লিখে সার্চ দেবো। কয়েকটা অর্ডার করে ক্যান্সেলও করব। এরপর হোমপেজে কিছুদিন সাপ দেখব শুধু৷
কিলবিল করে বেড়ানো সাপ, ফনা তুলে রাখা সাপ, দংশনরত সাপ, সাঁতার কাটা সাপ, সাপের কাবাব, সাপের দোপেঁয়াজো, সাপের ঝোল... আরও কত কি!

পুরাতন ঢাকায় এক বাসাবাড়িতে সাইনবোর্ড দেখেছিলাম, 'এখানে বার্সিটির ছাত্রী ভাড়া দেয়া হয়'। যোগাযোগের নাম্বার এনেছি।
সাপ দেখতে দেখতে বিরক্ত হলে কয়েকটা ছাত্রী অর্ডার করব। এরপর অনলাইন জুড়ে শুধু ছাত্রী আর ছাত্রী দেখব। মন্দ কাটবে না সময়টা।

অনলাইন জগতের এলগরিদম যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন, তাকে বিভ্রান্ত করবার টেকনিক আমার মতো কিছু বিটলা বাঙালির জানা আছে! এদের কাছে দুনিয়ার সব ইঞ্জিনিয়ার ফেল।

আপনি যদি অনলাইনে একই ধারার বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে পড়েন, তবে একটি বার আপনার পছন্দের কোন জিনিস লিখে সার্চ দিন, সম্ভব হলে দুই-একবার অর্ডার করে ক্যান্সেল করুন। কথা দিচ্ছি, একঘেয়ে বিজ্ঞাপন দেখে দেখে আপনাকে আর বিরক্ত হতে হবে না।

ও হ্যাঁ, সাথে টাকা দিয়ে বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন দেখানো চোদনাগুলোরেও সাইজ করা হয়ে যাবে।
ওরা বুস্ট করে বিজ্ঞাপন দেবে, কিন্তু ওদের কোনো পণ্য বিক্রি হচ্ছে না- এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু দুনিয়াতে আছে বলে আমার মনে হয় না।

(বিদ্রঃ আরে বাড়া, তর পণ্য ভালো হলে গ্রাহক এমনিতেই খুঁজে নেবে, তর বিজ্ঞাপন দিয়ে পাবলিককে বিরক্ত করতে হবে না, বিজ্ঞাপন দিবি সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ। এইভাবে মাসের পর মাস পাবলিককে 'ফ্রি ডিল্লিবারি' শোনানোর মানে কী)।



Merchandising Association of Bangladesh
Everyone is Included-All People, All Places, All Ways
Bangladesh Merchandiser Association
Bangladesh textile, Merchandising & Sourcing

পৃথিবীর বুক থেকে যদি সব পিঁপড়া হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে প্রকৃতিতে এমন এক বিপর্যয় নেমে আসবে যা কল্পনা করাও কঠিন। পিঁপড়াক...
10/05/2026

পৃথিবীর বুক থেকে যদি সব পিঁপড়া হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে প্রকৃতিতে এমন এক বিপর্যয় নেমে আসবে যা কল্পনা করাও কঠিন। পিঁপড়াকে অনেক সময় প্রকৃতির "ইঞ্জিনিয়ার" বলা হয়। তারা মারা গেলে যেসব বড় পরিবর্তন আসবে সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
​১. মাটির উর্বরতা হ্রাস
​পিঁপড়া মাটির নিচে গর্ত করে এবং চলাচলের মাধ্যমে মাটিতে বাতাস চলাচলে (Aeration) সাহায্য করে। তারা মাটির গভীরে পুষ্টি উপাদান পৌঁছে দেয়। পিঁপড়া না থাকলে মাটি শক্ত হয়ে যাবে এবং অক্সিজেনের অভাব ঘটবে, যার ফলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
​২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থবির হওয়া
​পিঁপড়া হলো প্রকৃতির অন্যতম বড় "পরিচ্ছন্নতা কর্মী"। মৃত পোকা-মাকড়, পচা পাতা এবং প্রাণীর অবশিষ্টাংশ খেয়ে তারা পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। পিঁপড়া না থাকলে এসব বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াবে এবং জীবাণু সংক্রমণের হার বেড়ে যাবে।
​৩. খাদ্যশৃঙ্খলে ধস
​টিকটিকি, মাকড়সা, পাখি এবং অনেক ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান খাদ্য হলো পিঁপড়া। পিঁপড়া বিলুপ্ত হলে এই প্রাণীগুলো খাদ্যাভাবে পড়বে, যা পুরো খাদ্যশৃঙ্খলে (Food Chain) একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
​৪. উদ্ভিদের বংশবিস্তার ও পরাগায়ন বাধাগ্রস্ত হওয়া
​অনেক গাছের বীজ ছড়ানোর দায়িত্ব পালন করে পিঁপড়া (যাকে Myrmecochory বলা হয়)। তারা বীজ বহন করে মাটির গভীরে নিয়ে যায়, যা থেকে নতুন চারা জন্মায়। পিঁপড়া ছাড়া এই গাছগুলোর বংশবিস্তার চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অনেক পোকা যারা গাছের ক্ষতি করে, পিঁপড়া তাদের খেয়ে নিয়ন্ত্রণ করে। পিঁপড়া না থাকলে সেই ক্ষতিকারক পোকারা অবাধে ফসলের ক্ষতি করবে।
​৫. ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য নষ্ট
​বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী E.O. Wilson এর মতে, যদি মানুষ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে পৃথিবী আবার আগের স্বাস্থ্যে ফিরে আসবে। কিন্তু যদি পিঁপড়া এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র পতঙ্গ বিলুপ্ত হয়, তবে পৃথিবী এক বিশৃঙ্খল ভাগাড়ে পরিণত হবে এবং কয়েক দশকের মধ্যে প্রাণিজগত ধ্বংসের মুখে পড়বে।
​সংক্ষেপে বলতে গেলে, পিঁপড়া ছোট হলেও তারা পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখার অন্যতম প্রধান কারিগর। তাদের ছাড়া প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করা অসম্ভব।







Merchandising Association of Bangladesh
Everyone is Included-All People, All Places, All Ways
Bangladesh Merchandiser Association
𝑭𝒐𝒍𝒍𝒐𝒘𝒆𝒓𝒔.
Bangladesh textile, Merchandising & Sourcing

জ্বি,  উনি আমাদের *মাননীয় সংসদ সদস্য*। মজার বিষয় উনার সদস্য পদ নিয়া অনেকেরই জ্বলতেছে। অনেক ট্রল হচ্ছে। কারণ সবারই জানা।আ...
10/05/2026

জ্বি, উনি আমাদের *মাননীয় সংসদ সদস্য*।
মজার বিষয় উনার সদস্য পদ নিয়া অনেকেরই জ্বলতেছে। অনেক ট্রল হচ্ছে। কারণ সবারই জানা।

আচ্ছা বলেন তো, সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য *বোরখা পরা* কি অনিবার্য কোনো শর্ত? কোথায় আছে এটা?
বাংলাদেশের সংবিধানে? নির্বাচন কমিশনের আইনে? নাকি নির্বাচনী আচরণবিধিতে? নাকি অন্য কোথাও?

ধর্ম-বর্ণ, শিক্ষিত -অশিক্ষিত, কালো-সাদা, লম্বা-বাটু, ধনী-গরিব, নেংটা-হিজাবি পুরুষ-নারি নির্বিশেষে বাংলাদেশি যে কোনো মানুষ ইচ্ছা পোষণ করলেই সংসদ নির্বাচন করতে পারেন।
তাহলে উনাকে নিয়ে এতো জ্বালা কেনো?

যেই খা//পো রা এই নেংটা কে নির্বাচিত করে সংসদে নিয়া আসছে, তাদের আপনি ঘৃণা করুন, তাদের বয়কট করুন, তাদের আপনি জবাবদিহিতায় আনেন?
যাতে এরা ভবিষ্যতে এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণ করতে সাহস না পায়। কারণ - এই নেংটাকে তো নির্বাচিত করেছে আমাদেরই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্যরা।

আর আমরা বো//চো রা পড়ে আছি ওই নেংটাকে নিয়ে?
সুতরাং, গাছের পরিচর্যা করুন, ফল ভালো আসবেই।

Merchandising Association of Bangladesh
Everyone is Included-All People, All Places, All Ways
Bangladesh Merchandiser Association
𝑭𝒐𝒍𝒍𝒐𝒘𝒆𝒓𝒔.
Bangladesh textile, Merchandising & Sourcing





মশা বিরক্তিকর এবং রোগ ছড়ানোর জন্য দায়ী হলেও, প্রকৃতি থেকে হঠাৎ সব মশা বিলুপ্ত হয়ে গেলে কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবন...
09/05/2026

মশা বিরক্তিকর এবং রোগ ছড়ানোর জন্য দায়ী হলেও, প্রকৃতি থেকে হঠাৎ সব মশা বিলুপ্ত হয়ে গেলে কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে।
প্রধান ক্ষতিগুলো হলো:
​১. খাদ্য শৃঙ্খলে ব্যাঘাত
​মশা অনেক প্রাণীর প্রধান খাদ্য। বিশেষ করে ব্যাঙ, ফড়িং, মাকড়সা, টিকটিকি এবং অনেক প্রজাতির পাখি মশা খেয়ে বেঁচে থাকে। এছাড়া মশার লার্ভা (পানিতে থাকা অবস্থা) মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উৎস। মশা না থাকলে এই প্রাণীগুলো খাদ্য সংকটে পড়বে।
​২. পরাগায়ন বাধাগ্রস্ত হওয়া
​আমরা জানি মৌমাছি পরাগায়ন করে, কিন্তু অনেক প্রজাতির পুরুষ মশা ফুলের মধু খেয়ে জীবন ধারণ করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা অজান্তেই এক ফুল থেকে অন্য ফুলে পরাগরেণু বহন করে। বিশেষ করে কোকো (Cocoa) গাছের পরাগায়নে মশার একটি বিশেষ প্রজাতির (Ceratopogonidae) বড় ভূমিকা রয়েছে। মশা না থাকলে চকলেট উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
​৩. বাস্তুসংস্থান বা ইকোসিস্টেমের পরিবর্তন
​উত্তর মেরুর মতো তুষারাবৃত অঞ্চলে মশা বিশাল সংখ্যায় বংশবিস্তার করে। সেখানে মশার ঝাঁক অনেক পাখির খাবারের প্রধান উৎস। মশা হারিয়ে গেলে ওই অঞ্চলের পুরো প্রাণিকুল বা ইকোসিস্টেমের কাঠামো বদলে যেতে পারে।
​৪. অন্যান্য কীটপতঙ্গের আধিপত্য
​মশা না থাকলে সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্য অন্য কোনো ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে, যা মানুষের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে।

মশা কী খায় :
তা নির্ভর করে তাদের লিঙ্গ এবং জীবনচক্রের পর্যায়ের ওপর। মজার ব্যাপার হলো, সব মশা কিন্তু রক্ত খায় না।
​মশার খাদ্যাভ্যাসকে প্রধান কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
​১. শর্করা বা মিষ্টি রস (প্রধান খাদ্য)
​পুরুষ ও স্ত্রী—উভয় ধরনের মশার বেঁচে থাকার জন্য প্রধান শক্তির উৎস হলো চিনি বা শর্করা। তারা মূলত এগুলো থেকে পুষ্টি পায়:
​ফুলের মধু (Nectar): মৌমাছির মতো মশাও ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে।
​গাছের রস: বিভিন্ন গাছের কান্ড বা পাতার রস খেয়ে তারা প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাড় করে।
​২. রক্ত (শুধুমাত্র স্ত্রী মশা)
​অনেকের ধারণা মশা পেট ভরার জন্য রক্ত খায়, কিন্তু বিষয়টি আসলে ভিন্ন।
​কেন খায়: স্ত্রী মশার ডিম পাড়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং আয়রনের প্রয়োজন হয়, যা তারা রক্ত থেকে পায়। অর্থাৎ, রক্ত মশার প্রধান খাবার নয়, বরং এটি তাদের বংশবিস্তারের একটি মাধ্যম।
​উৎস: মানুষ ছাড়াও তারা গরু, ছাগল, পাখি এমনকি ব্যাঙ বা সাপের রক্তও পান করতে পারে।
​৩. জলজ অণুজীব (লার্ভা অবস্থায়)
​মশা যখন পানির নিচে লার্ভা (Larva) অবস্থায় থাকে, তখন তারা রক্ত বা মধু কিছুই খায় না। তখন তাদের খাদ্য হয়:
​পানিতে থাকা অতি ক্ষুদ্র শ্যাওলা (Algae)।
​ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য পচনশীল জৈব কণা।
​৪. পুরুষ মশা কী খায়?
​পুরুষ মশা কখনোই রক্ত খায় না। তাদের কামড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হুল বা মুখচ্ছদ থাকে না। তারা সারাজীবন কেবল ফুলের মধু এবং উদ্ভিদের রস খেয়েই বেঁচে থাকে।
​একটি মজার তথ্য: মশা মানুষের শরীরের কার্বন ডাই-অক্সাইড, ঘামের গন্ধ এবং শরীরের তাপ অনুভব করে রক্তের সন্ধানে ছুটে আসে। আপনি যদি মিষ্টি জাতীয় ফল বেশি খান, তবে মশা আপনার প্রতি বেশি আকৃষ্ট হতে পারে!

বিকল্প ভাবনা:
অনেক বিজ্ঞানীর মতে, মশা পুরোপুরি বিলুপ্ত না করে কেবল রোগবাহী প্রজাতিগুলোকে (যেমন: এডিস বা অ্যানোফিলিস) নিয়ন্ত্রণ করা বেশি কার্যকর। এতে মানুষের প্রাণহানি কমবে কিন্তু পরিবেশের বড় কোনো ক্ষতি হবে না।
​সব মিলিয়ে, মশা আমাদের জন্য অভিশাপ মনে হলেও প্রকৃতির বিশাল কর্মযজ্ঞে তাদেরও ছোট কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু ভূমিকা রয়েছে।








Merchandising Association of Bangladesh
Everyone is Included-All People, All Places, All Ways
Bangladesh Merchandiser Association
𝑭𝒐𝒍𝒍𝒐𝒘𝒆𝒓𝒔.
Bangladesh textile, Merchandising & Sourcing

29/04/2026







মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ ক্লাবের সদস্য হতে যাচ্ছে,দা...
29/04/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে
বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ ক্লাবের সদস্য হতে যাচ্ছে,
দা প্ল্যান অফ তারেক রহমান 💚

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি বেশকিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে। একটানা কেউ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দাঁড়ি...
28/04/2026

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি বেশকিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে। একটানা কেউ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যাপারটা সন্দেহজনক দেখাতে পারে, এই ধারণা আমার আছে। আমি তারপরেও দাঁড়িয়ে আছি। কারণ দুনিয়ার মানুষ কি ভাবলো না ভাবলো, এইসব নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি মানুষটা মোটেও সন্দেহজনক কিছু করতে আসিনি।

'আপনি কে?'

ভুড়ি ভাসিয়ে মোটা গলায় একলোক আমাকে এই প্রশ্ন করলো। আমি লোকটার দিকে তাকালাম। উনার শরীরের আকারের সাথে ভুড়ির সাইজ ব্যালেন্স হয়নি। খুবই অদ্ভুত দেখাচ্ছে। ভুড়ি যে আমার নাই, তা না। আমারও ভুড়ি আছে। তবে এতটা ব্যালেন্সহীন না।

'কি ব্যাপার, কথা বলেন না কেন?'

'জ্বি একটা জরুরি কাজে এসেছি।'

'এপয়েন্টমেন্ট আছে?'

'জ্বি না। এপয়েন্টমেন্ট নেই বলেই বাইরে দাঁড়িয়ে আপনার সাথে কথা বলছি।'

'এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া ভিতরে কোনও মানুষ এলাও না। গেট থেকে সরে দাঁড়ান।'

'ছোট্ট একটা কাজ করতে আসছি। ওটা করেই চলে যাবো।'

'আমাকে বলেন কি কাজ। তারপর দেখি কি করা যায়।'

লোকের একধাক্কায় এমন সাহায্য করার মনমানসিকতা তৈরি হয়ে যাবে, এইটা ধারণার বাইরে ছিলো। পরে উপলব্ধি হলো, এই লোক হালকা টাকাপয়সা খসানোর চেষ্টা করবে একটু পরে। এখন মুরগি ম্যারিনেট শুরু করেছে, সময়মতো পিছন দিয়ে শিক ঢুকাবে কাবাব বানানোর জন্য।

'জলদি বলেন, এই রোদের মধ্যে দাঁড়ায় কথা বলতে ভাল্লাগে না।'

'আসলে হয়েছে কি, আমার না ফেসবুকে মনেটাইজেশন অন হয়ে গেছে।'

'কি অন হয়ে গেছে?'

'এইতো আপনি বুঝতে পারছেন না... আপনি অন্য কাউকে পাঠান, তার সাথে ডিল করি। ইয়াং কাউকে পাঠাবেন।'

'না না ভাই, আমাকে বুঝান, আমি বুঝবো। ভাই, কিছু মনে না করলে আমরা একটু বসি? ওইসাইডে যাই, রাস্তার ধারে একটা মিষ্টির দোকান আছে, এসিওয়ালা। ওই দোকানে বসে কথা বলি।'

লোকটা খুব আদরের সাথে আমাকে পাশের এক মিষ্টির দোকানে নিয়ে গেলেন। তারপর বরফঠান্ডা আনারের ড্রিংক কিনে দিলেন। হুটহাট এতো খাতির দেখে ভালোই লাগলো। আরও ভালো লাগলো এই দেখে যে, মিষ্টির দোকানে মিষ্টির পাশাপাশি অন্যান্য আইটেমও পাওয়া যাচ্ছে দেখে।

'তো ভাই, আপনার কি অন হয়ে গেছে বললেন?'

'মনেটাইজেশন।'

'এইটা কি?'

'মানে টাকাপয়সা আসবে এমন একটা মাধ্যম হয়ে গেছে আরকি।'

'আলহামদুলিল্লাহ! টাকাপয়সা আসবে এইটা তো খুশির সংবাদ!'

'জ্বি।'

'তো কেমন টাকাপয়সা আসবে?'

'ওটা তো ভাই ডলারের রেটের উপর নির্ভর করছে। আসলে প্রতিদিন ডলারের দাম যেভাবে উঠানামা করে, এক্সাক্ট টাকার নাম্বারটা বলা কঠিন।'

'ভাই আপনি আর কিছু খাবেন? একটা মিনি বার্গার অর্ডার দেই? অনেকক্ষণ দাঁড়ায় ছিলেন, ক্ষুধাটুধা লাগসে নিশ্চয়!'

'না না ভাই আমি ঠিক আছি, থ্যাংক্স। কাজের কথা বলি, কাজের কথা না বললে আমার ভালো লাগে না।'

'জ্বি অবশ্যই। বলেন ভাই।'

'প্রধানমন্ত্রী যেই হারে সব ইস্যুতে ফ্রি কার্ড দিয়ে বেড়াচ্ছেন, আমাকে যদি একটা ডুয়েল কারেন্সির ডেবিট কার্ড ম্যানেজ করে দিতেন, আমার জন্য উপকার হতো আরকি।'

'ডুয়াল কারেন্সি... এইটা কি প্রধানমন্ত্রীরে ছাড়া হবে না এমন কিছু?'

'উনাকে ছাড়া হবে না তা নয়। এইটা অনেকেই করতে পারবে। তবে প্রধানমন্ত্রী এখন একটু কার্ডসংক্রান্ত জিনিস দ্রুত প্রোভাইড করছেন। উনি যদি এই কার্ডটাও ম্যানেজ করে দেন, আমি আপনাকে খুশি করে দিবো।'

ভুড়িওয়ালা যেভাবে কৃতজ্ঞতার হাসি দিলো, সেই হাসি দেখে আমার মন হালকা হয়ে গেলো। এভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সর্বশেষ কে আমার সামনে এভাবে হেসেছিলো? অকৃতজ্ঞের পৃথিবীতে এই হাসির যে কি মূল্য, তা কি মানুষ জানে?

'স্যার, আপনি এখানে বসেন। আমি ভিতর থেকে একটু খবর নিয়ে আসি। আপনি আমাকে একটা কাগজে একটু ডিটেইল লিখে দেন, কি কার্ড, কেমন কার্ড, জিনিসপত্র কবে লাগবে এমন। আমি না আসা পর্যন্ত আপনার যা খাওয়ার ইচ্ছা হয় খান, বিল দিয়েন না। বিল দিলে আমি যেই লজ্জাটা পাবো, সেই লজ্জা কবরে যাওয়া অব্দি লাঘব হবে না। আমার জন্য এইটুকু কইরেন।'

ভুড়িওয়ালা ব্যক্তি দোকানের কর্মচারীকে কাগজ কলম দিতে বললেন। কাগজ কলম পাওয়ার পর সেখানে ইংরেজিতে লিখলাম, 'Duel Currency card needed for Meta Monetization. Hurry.' 'Hurry' লিখার পর সেইটার উপর কয়েকবার কলম চালিয়ে শব্দটাকে বোল্ড ফরম্যাটের লুক দিলাম। ভুড়িওয়ালা ব্যক্তি কাগজ নিয়ে কৃতজ্ঞতার হাসি ফ্যাকফ্যাক করে হাসতে হাসতে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে, ক্যাশিয়ারকে বলে গেলেন আমি যা খেতে চাই, তাই যেন দেয়া হয়। উনি এসে বিল পরিশোধ করবেন।

লোকটা চলে যাওয়ার পর, মিষ্টির দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে থাকা একটা ছেলে আমার পাশে এসে দাঁড়ালো।

'স্যার আপনি কি উনার সাথে মশকরা করলেন?'

'এমন কেন মনে হলো?'

'ডেবিট কার্ড দিবো ব্যাংক। আপনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কার্ড নিতে চলে আসলেন, উনাকে ভুজংভাজং বুঝাইলেন। উনি কি বুঝলেন না বুঝলেন জানি না, তবে আমার মনে হইলো আপনি মশকরা করলেন।'

'ডেবিট কার্ডের কনসেপ্ট বুঝে না এমন লোক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। আর কনসেপ্টও বুঝে, মশকরাও বুঝে, এমন একটা স্মার্ট ছেলে মিষ্টির দোকানে ক্যাশিয়ার। এটা মশকরা না? পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় মশকরা হচ্ছে। এটা অস্বাভাবিক কিছু না।'

বিকাল হয়ে গেছে। মিষ্টি বাতাস বইছে ঢাকার বুকে। কিছুদিন তীব্র তাপদাহের পর এমন মিষ্টি বাতাসে ঘুমিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। আজ রাতে আরাম করে ঘুমাবো। ভুড়িওয়ালা ব্যক্তির 'টাকা দিয়া লজ্জা দিবেন না' অনুরোধ রক্ষা করতে বাসার জন্য ২ কেজি সন্দেশ আর ৬ টা আনারের ড্রিংকের ক্যান নিয়ে যাচ্ছি। আনারের ড্রিংকটা আমার বেশ ভালো লেগেছে।






Address

Plot-19, Road-06, Mirpur/10
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when J & Z Quilting Industries posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category