IBM Society

IBM Society � Audiobook Summaries | � Mindset, Career & Islamic Books | Order in Inbox

20/06/2025

Is this real?

20/05/2025

🤝🤝কিভাবে বই মানুষের মস্তিষ্কে পরিবর্তন আনে?🤗🤗

আমাদের মস্তিষ্ক একটি অসাধারণ যন্ত্র, যা প্রতিনিয়ত নতুন অভিজ্ঞতা, তথ্য ও অনুভব থেকে নিজেকে গঠন করে। এই প্রক্রিয়াকে বলে Neuroplasticity — অর্থাৎ মস্তিষ্কের নিজেকে পরিবর্তন বা পুনর্গঠনের ক্ষমতা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, একটি সাধারণ অভ্যাস — বই পড়া — এই পরিবর্তনকে অভাবনীয়ভাবে ত্বরান্বিত করতে পারে।

১. নিউরনের সংযোগ বৃদ্ধি করে😴😴😴
যখন আমরা একটি বই পড়ি, তখন মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ একসাথে কাজ করে। চোখ পড়ে শব্দের উপর, তা রূপান্তরিত হয় চিন্তায়, মস্তিষ্ক কল্পনা করে চিত্র, অনুভব করে চরিত্রের আবেগ। এই পুরো প্রক্রিয়া নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে। যত বেশি আমরা পড়ি, তত বেশি এই সংযোগগুলো শক্তিশালী হয়। ফলে স্মৃতিশক্তি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং মনোযোগ ধীরে ধীরে উন্নত হয়।

২. কল্পনাশক্তি এবং সৃজনশীলতা বাড়ায়😴😴
ভিজ্যুয়াল মিডিয়া আমাদের কল্পনার জায়গাটা দখল করে নেয়, কারণ সিনেমা বা ভিডিওতে সবকিছুই চোখের সামনে দেখা যায়। কিন্তু বই পড়ার সময় পাঠককেই চরিত্র, পরিবেশ, পরিস্থিতি কল্পনা করতে হয়। এই কল্পনার কাজ আমাদের ব্রেইনের ডান পাশ সক্রিয় করে, যা সৃজনশীলতা এবং problem solving-এ বড় ভূমিকা রাখে।

৩. আবেগ ও সহানুভূতির বিকাশ ঘটায়🤭🫣🫣
ফিকশন বা জীবনীধর্মী বই পড়লে আমরা অন্য মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনকে দেখতে শিখি। একে বলে empathetic reading। এই অভ্যাস মানুষের মধ্যে সহানুভূতির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা সামাজিক জীব হিসেবে আমাদের আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

৪. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়🤯🤯
গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৬ মিনিট বই পড়া মানসিক চাপ ৬৮% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। যখন আমরা বইয়ের জগতে প্রবেশ করি, তখন বাস্তব জীবনের চিন্তা, দুশ্চিন্তা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এটি মস্তিষ্ককে রিল্যাক্স করতে সহায়তা করে এবং overall mental health ভালো রাখে।

৫. দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে🤗🤗
নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস বয়স বাড়লেও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। বই পড়া আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমায়, কারণ এতে করে মস্তিষ্ক সক্রিয় এবং উদ্দীপিত থাকে।

শেষ কথা:
একটা ভালো বই শুধু মন নয়, পুরো মস্তিষ্কের গঠনে ভূমিকা রাখে। নিজেকে আরও দক্ষ, সংবেদনশীল ও সৃজনশীল করে গড়ে তুলতে চাইলে—বই হোক তোমার প্রতিদিনের অভ্যাস।

ভালো লাগলে আমাকে ফলো করো — যাতে এমন আরও জ্ঞানসমৃদ্ধ বইয়ের সন্ধান তুমি সহজেই পেতে পারো।
– Islamic Billionaire Mind (IBM)

19/05/2025

জীবনে বই পড়া কেন নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা উচিত —
🫠🫠 ১২টি শক্তিশালী কারণ🤗🤗🤗

১. অন্তহীন জ্ঞানের ভাণ্ডার🤑🤑
বই হচ্ছে এমন এক দরজা, যেটা খুললেই আপনি প্রবেশ করতে পারেন নানা জ্ঞানের জগতে। ইতিহাস, বিজ্ঞান, ধর্ম, মনোবিজ্ঞান বা নতুন কিছু শেখা—সবকিছুর জন্যই বই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।

২. ভাষার উপর দখল বাড়ায়🤭🤭
নিয়মিত পড়লে আপনার শব্দচয়ন ও ভাষা ব্যবহারে বিশাল পরিবর্তন আসে। স্পষ্টভাবে ভাব প্রকাশ করতে ও অন্যকে ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।

৩. স্মরণশক্তি ও মনোযোগ উন্নত করে😌😌
বই পড়ার সময় মস্তিষ্ক সক্রিয়ভাবে কাজ করে। চরিত্র, ঘটনা ও তথ্য মনে রাখার প্রয়াস আমাদের স্মৃতিশক্তিকে আরও ধারালো করে তোলে।

৪. মনের চাপ কমায়😴😴
একটা চমৎকার বই আপনাকে বাস্তব জগত থেকে কিছু সময়ের জন্য দূরে নিয়ে যায়, মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং ক্লান্তি দূর করে।

৫. একাগ্রতা তৈরি করে😮‍💨😮‍💨
দিনের পর দিন পড়ার অভ্যাস আমাদের মনকে প্রশিক্ষণ দেয়—কীভাবে একটি বিষয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ রাখা যায়।

৬. মানবিক অনুভূতি জাগায়☺️☺️
কাহিনির চরিত্রদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জগৎকে দেখার সুযোগ পাই, ফলে অন্যের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

৭. নতুন চিন্তা ও কল্পনার জন্ম দেয়😐😐
ভিন্ন ভিন্ন ধরণের বই নতুন ভাবনা ও দর্শনের সাথে পরিচয় করায়, যা থেকে তৈরি হয় নতুন আইডিয়া ও উদ্ভাবনী চিন্তা।

৮. লেখার হাত মজবুত করে🙃🙃
ভালো লেখকদের লেখা পড়লে আমাদের নিজের লেখায়ও শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য আসে। লেখা হয় সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল।

৯. রাতের ঘুম ভালো হয়🥴🥴
ঘুমানোর আগে বই পড়া মনকে শান্ত করে, যা গভীর ও প্রশান্তিদায়ক ঘুমে সাহায্য করে।

১০. তথ্য বিশ্লেষণ ও বোঝার ক্ষমতা বাড়ায়😴😴
বইয়ের জগৎ আপনাকে শেখায় কিভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করতে হয় এবং চিন্তা করতে হয় গভীরভাবে।

১১. আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে🤝🤝🤝
যত বেশি শিখবেন, তত বেশি জানবেন। আর জানার মধ্য দিয়েই তৈরি হয় নিজের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস।

১২. সময়কে গঠনমূলকভাবে ব্যবহার করার অভ্যাস🤗
বই পড়া মানেই সময়ের সঠিক ব্যবহার। বিনোদনের পাশাপাশি এটি আপনাকে করে আরও জ্ঞানী ও আত্মসচেতন।

শেষ কথা:
"নিজেকে বদলাতে চাইলে, প্রতিদিন বইয়ের সঙ্গে সময় কাটাও। জ্ঞানই তোমার সবচেয়ে বড় শক্তি!"
তোমার বইপ্রীতির এই যাত্রায় আমি পাশে আছি। ভালো লাগলে আমাকে ফলো করো — যাতে তুমি এই অসাধারণ বইগুলোর সন্ধান সহজেই পেতে পারো।

শিশু, মোবাইল আর আমাদের দায়িত্বমোবাইল, স্ক্রীন, রীলস—এই শব্দগুলো এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে উপস্থিত। আর এই মোবাই...
06/05/2025

শিশু, মোবাইল আর আমাদের দায়িত্ব

মোবাইল, স্ক্রীন, রীলস—এই শব্দগুলো এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে উপস্থিত। আর এই মোবাইলের স্ক্রীনে যে শিশু আজকাল দেখছে, সে তার চোখের সামনে ‘রীলস’-এর পর রীলস দেখে যাচ্ছে, একটানা, থামানো যাচ্ছে না। কোনো শালীনতা নেই, অশালীনতারও ভেদাভেদ নেই, মাত্র একের পর এক ভিডিও, একের পর এক দৃশ্য, সেই শিশু সব কিছু শুষে নিচ্ছে। এর মধ্যে কি মনোযোগের কোন জায়গা আছে? কল্পনা করুন, এক সময় শিশুরা গুটি গুটি পায়ে ১০-১৫ মিনিটের কার্টুন দেখতো, একে একে বিশ মিনিট ধরে, আর এখন? এখন এক মিনিটের রীলস, পর পর তার সাথে অন্য আরেকটি...পরপর, যেন থামতেই চায় না।

শিশুটি বসে থাকে নিরুদ্দেশ, আর কোনো শব্দ নেই। হাঁটছে না, চেঁচাচ্ছে না, কিছুই করছে না। ধীরগতিতে ভেসে যাওয়া এক অভ্যাসের মতো যেন চুপচাপ বসে থাকে, তার চারপাশে সব কিছু শূন্য হয়ে যায়। একে মনে হতে পারে যেন এটা এক সুষ্ঠু ব্যবস্থা, সুবিধাজনক—ভালোই তো! কিন্তু এর মাঝে যে আসলে অমূল্য একটি ভুল ঘটছে, সেটা কি আমরা কেউ বুঝতে পারি?

একটু গভীরে ভাবুন। সেই শিশুটির মনে কী ঢুকছে? তার নিষ্পাপ, কোমল, অপরিণত মন—যেটা এখনো তৈরি হয়নি, যেটা সহজেই রূপান্তরিত হতে পারে, সেটার ভিতর কি আসলেই কিছু ভালো প্রবৃত্তি ঢুকছে? তার অভ্যন্তরে কি কিছু সুস্থ চিন্তা ঢুকছে? না কি একের পর এক ভাঙা চিন্তা, যা তার মনোযোগ এবং রুচি বিকৃত করে ফেলছে?

এটা কি শুধুই একটি বাচ্চার মন খারাপ বা অলস বসে থাকা? নাকি আরও কিছু গভীর অর্থ রয়েছে এই পরিস্থিতির? পুরনো দিনের চেয়ে এখনকার শিশুরা ‘ফ্রি’ সময় কাটানোর যেসব পদ্ধতি দেখছে, সেগুলোর ভেতর থেকে তারা কতটা সুফল পাবে?

এখন, যখন আপনার শিশুটি মোবাইল হাতে নিয়ে সেই রীলসগুলো দেখে চলেছে, তখন আপনি নিশ্চয়ই ব্যস্ত আছেন। কিন্তু সে যখন নিজের মনোভাব তৈরি করছে, তখন আপনি কিভাবে এর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন? আপনার শিশুটির হাতে মোবাইলটি রেখে যে আপনি তাকে একটু শান্ত রাখতে পারছেন, তার মানে এই নয় যে আপনি তার মানসিক স্বাস্থ্য ও বিকাশকে অবহেলা করতে পারেন। কিভাবে? আমাদের জীবনের অভ্যাস, আমাদের আচরণ, আমাদের চিন্তা—এই সব কিছুই তাকে প্রভাবিত করবে। তাকে শুধু নরমাল ব্যস্ততার মধ্যে ব্যস্ত না রেখে, তার জন্য কিছু সৃজনশীল, মানসিকভাবে সুস্থ ও শৃঙ্খলিত কাজের উপকরণ দিতে হবে।

তাহলে আপনি কি করবেন? একটু ভাবুন, একটু সময় নিয়ে ভাবুন। একে একে কিছু উপায় নিয়ে কাজ করুন। আপনার শিশুটির হাত থেকে মোবাইলটি নিতে হবে, তারপর তাকে কিছু বই দিন—হ্যাঁ, আপনি ভাবতে পারেন, এখন সে বই পড়তে পারবে না। সে নষ্ট করবে। বই নষ্ট হবে! কিন্তু আপনি যখন বলবেন “এটা পড়ো”, তখনই একটি নতুন পথ খুলে যাবে, একটি নতুন সূচনা শুরু হবে।

এখন বলুন, যদি আপনি কিছু বই না দেন, তবে তাকে তো সাদা কাগজ আর রং পেন্সিল দিন। তাকে ক্রিয়েটিভ কিছু করতে দিন। সেগুলো তার মনের বিকাশে সাহায্য করবে। ঘর নোংরা হবে, কিছু তো ছিঁড়বে বা ছড়িয়ে পড়বে—তাতে কি হবে? আসলে, মনের ভিতর যে নোংরা ঢুকছে—সেই তুলনায় তো কোন কষ্টই না। তাকে কিছু করতে দিন, সে যদি কিছু নিজে থেকে রঙ করে, কাটাকুটি করে, নিজের মতো করে কোনো কিছু তৈরি করে, সেই অনুভুতি তার মাথা ও মনকে আলাদা ভাবে খুলে দিবে।

আর যদি এই কিছুও না হয়, তাহলে তাকে ব্লকস দিন, কাঠ বা প্লাস্টিকের। মডেলিং ক্লে দিন। তাও যদি না পারেন, তাহলে পুরনো খেলনাগুলোর দিকে তাকান। পুতুল, গাড়ি, বাটি—যে কিছু তাকে আরামদায়ক মনে হয়। তার মনের ভিতর গড়ে উঠুক কিছু নিজস্ব ভাবনা, নিজস্ব সৃষ্টির আনন্দ—তার নিজের হাতে, মাথায়, মন দিয়ে।

এখনকার মতো আপনার শিশুর মনকে শুদ্ধ এবং উন্নত রাখার জন্য যা যা করার, তার কিছু অন্তত আমরা করতে পারি। কিন্তু যখন আমরা শিশুর হাতে মোবাইল দিয়ে শুধুমাত্র সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে তাকে একা ফেলে দিচ্ছি, তখন সে কোন দিকে যাচ্ছে? তার মনের মধ্যে সৃজনশীলতা কি আসবে? নাকি সে শুধু অন্যের তৈরি, অন্যের শিখানো অস্থিরতা শিখবে?

অন্যরা, যারা সমাজে বসে শিশুদের জন্য নানা সৃজনশীল উপকরণ তৈরি করছে, তারা তো জানেই না, আমাদের দেশের শিশুরা কীভাবে একটি মুঠো ফোনের স্ক্রীনের ভিতর আটকে যাচ্ছে। যারা জানে, তাদের কাছ থেকে কিছু শিক্ষা নেবার চেষ্টা করলে না?

আপনার পরিবারের খুদে সদস্যটির জন্য এমন কিছু খুঁজে বের করুন, যাতে তার হাতে মোবাইল না থাকে। একে একে তাকে নতুন কিছু শেখান। আপনি চাইলে, কিছুই করতে পারবেন না যদি আপনি শিশুর হাতে মোবাইলটি রেখে তাকে এই ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখান।

এটা তো ঠিক—আজকাল সবাই জানে, সময়ের সাথে সাথে কিছু কিছু অভ্যাস বদলাবে, কিন্তু মনে রাখবেন—যে অভ্যাসগুলো শিশুর জীবনে প্রবাহিত হবে, তা একদিন তাকে জীবনের পথে বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিন, আপনার শিশুর জন্য কিভাবে একটি ভালো ভবিষ্যত গড়ে তুলবেন।

Address

Azimpur
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBM Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category