Bangla

Bangla we want to satisfy our customers. so that we can connect them . It is a voluntary organization.

26/08/2019

আমাদের দেশের লেখকরা বড় হতে না পারার একমাত্র কারন অভিজ্ঞতার অভাব। ম্যাক্সিম গোর্কির মতো অভিজ্ঞতা কজনের আছে? একজনেরও নেই। আমরা লেখকরা কি করি? খাই দাই ঘুমাই আর আড্ডা দেই। একবিন্দু অভিজ্ঞতাও নাই।
—হুমায়ূন আহমেদ (জনম জনম)

11/08/2019

প্রেমের আরেক নাম সীমাহীন মিথ্যা স্বপ্নের কাছে ক্রমাগত আত্নবিনাস।

11/08/2019

চারিদিকে এখন সকাল—
রোদের নরম রং শিশুর গালের মতো লাল;
মাঠের ঘাসের ’পরে শৈশবের ঘ্রাণ—
পাড়াগাঁর পথে ক্ষান্ত উৎসবের এসেছে আহ্বান।

আপনার মনের ভিতর কম্পাস দিয়ে একটা বৃত্ত আকুন। এবার খুব ভালভাবে চিন্তা করে দেখুন, বৃত্তের ভিতরে কারা কারা যায়গা পেয়েছে।.. ...
13/07/2019

আপনার মনের ভিতর কম্পাস দিয়ে একটা বৃত্ত আকুন। এবার খুব ভালভাবে চিন্তা করে দেখুন, বৃত্তের ভিতরে কারা কারা যায়গা পেয়েছে।.. এরাই আপনার আপনজন। এরাই আপনার কাছের মানুষ। জগতের সবাইকে হ্যাপি রাখা দরকার নেই, জগতের সবার মন রক্ষা করেও চলতে পারবেন না। বৃত্তের ভিতরের মানুষগুলোকে হ্যাপি রাখলেই, আপনার জগত সুখে ভরে উঠবে।.. জগতের সকলের সমালোচনা গ্রাহ্য করার প্রয়োজন নেই, সকলের সমালোচনা করাও প্রয়োজন নেই। বৃত্তের ভিতরের মানুষ গুলোর চাওয়াকেই গুরুত্ব দিন। এদের সমালোচনা মনযোগ দিয়ে শুনুন, পরামর্শগুলো গ্রহন করুন।।.. বৃত্তের ভিতরে সেই মানুষগুলোকেই রাখবেন, যাদের চিন্তাধারা আপনার সাথে মিলে। আপনি মুখ ফুটে বলার আগেই বুঝে ফেলে, আপনার মন ভালো নাকি খারাপ!! মন খারাপ হলে, "অহ সরি। তাহলে তো ডিস্টার্ব করলাম" বলে সড়ে পড়বে না। বরং, মন ভালো করতে সব রকম চেস্টা করবে।.. কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময়েই বৃত্তের ব্যাসার্ধের মাপ সঠিক ভাবে নিতে পারি না। তাই হয়তো কখনো মনের বৃত্তটি বড় হয়ে অযাচিত কিছু মানুষ আমাদের লাইফে ঢুকে পড়ে কিংবা বৃত্ত ছোট হয়ে খুব প্রিয় কাউকে হারিয়ে ফেলি।। বৃত্তটা যারা ভালভাবে আকতে পারে, তারাই দিন শেষে সুখি মানুষের ট্যাগ গায়ে লাগাতে পারে।

11/07/2019

তুমি যদি অন্যের দিকে তাকিয়ে হাসো, অন্যেরাও তোমার দিকে হাসিমুখে তাকাবে। যদি তুমি অন্যের দিকে তাকিয়ে ভ্রুকুটি করো তবে তারাও তোমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু নাচাবে।
তাই তোমার যদি মনে হয় যে পুরো দুনিয়া তোমার বিরুদ্ধে, এর একমাত্র কারন তুমি নিজেই সবার বিরোধিতা করো।

 #অনুগল্পসত্য এবং মিথ্যার একদিন দেখা হলো। মিথ্যা সত্যকে বললো, 'এটা একটা চমৎকার দিন!' সত্য আকাশপানে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ...
02/07/2019

#অনুগল্প

সত্য এবং মিথ্যার একদিন দেখা হলো। মিথ্যা সত্যকে বললো, 'এটা একটা চমৎকার দিন!' সত্য আকাশপানে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো, 'হ্যা, সত্যি তাই'। তারপর তারা একসাথে অনেক সময় কাটালো এবং ঘুরতে ঘুরতে একসময় একটি কুয়োর কাছে চলে এল। মিথ্যে বললো, 'এই কূপের জল খুব সুন্দর চলো স্নান করে নেয়া যাক'। সত্যা আবার উদাসীন হল, আবিষ্কার করল কুয়োর জল সত্যি সুন্দর। তারা একসাথে জামা কাপড় ছেড়ে নাইতে নেমে পড়ল। কিন্তু হঠাত মিথ্যে জল ছেড়ে উঠে আসলো এবং সত্যের জামাকাপড় পরে পালিয়ে গেলো। সত্য উদভ্রান্তের মত নগ্ন হয়ে জল ছেড়ে উঠে এলো এবং সব জায়গায় মিথ্যেকে খুঁজতে লাগল, নিজের পোশাক ফিরে পাবার জন্য।
গোটা বিশ্ব সত্যকে চিনলো নগ্ন, এবং অসভ্য রূপে।

বেচারা সত্য লজ্জার বোঝা মাথায় নিয়ে আবার কুয়োর পাড়ে ফিরে গেলো এবং চিরদিনের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেল।

সেই থেকে মিথ্যে সত্যের আবরণে পৃথিবী ব্যাপী দাপিয়ে বেড়ায় এবং সমাজের চাহিদামত কাজ করে, কারণ সত্যের নগ্ন রূপ সহ্য করার মত ক্ষমতা সমাজের নেই।

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-মাসে তিন দিন রোযা রাখা পুরো মাস রোযা রাখার সমান।-সহীহ মুসলিমঃ ১১৫৯
30/06/2019

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
মাসে তিন দিন রোযা রাখা পুরো মাস রোযা রাখার সমান।

-সহীহ মুসলিমঃ ১১৫৯

আজ খুব বৃষ্টি হবে,জীবন্ত পোড়া লাশগুলির গন্ধটাও মিটে যাবে,কাল থেকে ভুলেই যাবো কী হয়েছিলো,কেইবা ছিলো ওরা আমাদের, আমরাইবা ক...
21/06/2019

আজ খুব বৃষ্টি হবে,
জীবন্ত পোড়া লাশগুলির গন্ধটাও মিটে যাবে,
কাল থেকে ভুলেই যাবো কী হয়েছিলো,
কেইবা ছিলো ওরা আমাদের, আমরাইবা কার কে..?

তাদের দমফাটা চিৎকার আর কারও কানে বাজবেনা,
কেউ হয়তো আজ নতুন গান লিখবে,
গানের দারুণ ছন্দ হবে, সবার মনে একই তালে বাজবে,
তারপর কাল থেকে ওসব ভয়ানক কান্নাগুলিও
স্মৃতির ধুলিতে মিশে পড়ে রইবে ফুটপাতের নিউজপেপারে।

আজ হয়তো নতুন কোনো ইস্যু হবে,
আগুন-আগুন হয়তো হবেনা এবার,
ধর-মার পাকড়াও এইসব কিছুও হতে পারে,
স্যাটেলাইট হারানো, নেতা-মন্ত্রীর জোক্স,
হাজারো ইস্যুর জন্ম হতেই পারে আজ,
তারপর, নতুন নতুন ইস্যু পেয়ে আজ গতকালটা আমরা আবার ভুলে যাবো।

হয়তো দুদিনেই,
ব্যাকটেরিয়া কিংবা ফানগাস আক্রমণ করবে তাদের অর্ধপোড়া দেহগুলিতে,
সবটা খেয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেবে তাদের অস্তিত্ব,
আমরা ভুলেই যাবো কেউ আগুন-আগুন বলে চিৎকার দিয়েছিলো,
আমরা ব্যর্থ ছিলাম ফায়ারসার্ভিস দিতে,
আমাদের ব্যর্থতা ছিলো নগরায়নে।

কাল হয়তো আবার কেউ হাঁটবে ঐ চিপা গলিতে,
বিরিয়ানির দোকানে নগ্ন সিলিন্ডার আবার দুদিন বাদেই বসবে,
এক্সপায়ারি ডেট, মেকানিজম এইসব নিয়ে ভাবার সময় কার..?
সেফটি নিয়ে ভাববে কারা ঐ ঘেসে দাঁড়ানো দালানবাড়ি গুলির,
কিংবা ফায়ার ডিস্টিংগুইশার ছাড়াই দাঁড় করানো উঁচু দালানগুলির..?
একটা শর্ট সার্কিট, পুরো এলাকা দাউদাউ করে দিতে পারে, এইটা সবাই জানে,
চিপা গলিতে ফায়ার সার্ভিস আসবেনা, এইটা ওরা সবাই বোঝে,
শিক্ষিত সমাজ আজ টাকার নেশায় জীবন ভুলেছে সব,
কাল থেকে আমরাও সব ভুলে যাবো,
বৃষ্টি হোক আজ, ধুয়ে যাক পোড়া দেহের কয়লা গুলি,
মিটে যাক পোড়া লাশের গন্ধগুলি।

কারও ফেইসবুক স্টাটাসে কেউ হয়তো কালকেই লিখবে,
আল্লাহ্‌ মৃত্যু লিখেছিলো বলেই মরবে,
কেউ বলবে ওসব ফালতু এলাকা, ডাকাতের দল ওরা মরবেই,
কেউ বলবে টাকার কুমার লুপাট যাবেই,
অথচ আল্লাহ্‌ এমন মৃত্যু শুধু এদেশেই কেন লিখেন?
রেপ, মার্ডার, ফায়ার ব্লাস্ট, বাসের তলায় পিষ্ট,
জাহাজ ডুবি, আরও হাজারো সহিংসতার গল্প শুধু এদেশেই কেন হয়?
উত্তর জানেন...?
সবটাই কি বলবেন আল্লাহ্‌ লিখিত?
নাকি বলবেন, ওরকম দুর্ঘটনা দুই-একটা হতেই পারে।

দুদিন গেলেই সব ভুলে যাবো আমরা,
জীবন এখানে খুব সস্তা,
মরছে মরুক, মরার জন্যেইতো জন্মেছে,
ভাগ্যে হয়তো এমনটাই লিখা ছিলো!
কিন্তু, ভাগ্যের দোহায় দিয়ে আর কত নিচে নামবে এ দেশ?
রাস্তাঘাট, পানি-বায়ু, খাবার-পোশাক, জনপদ,
সব বিষাক্ত এখানে।

হোকনা বৃষ্টি হোক,
ধুয়ে যাক টাকার গন্ধ, কোটি টাকার দালানের দামি আসবাব পত্রের গন্ধ,
মিটে যাক দ্রুত কিছু সস্তা লাশের গন্ধ,
জীবন এখানে বরাবর সস্তা,
শুধু এদেশের ভাগ্যেই নাকি দ্রুত মৃত্যু লিখা,
তাই, মৃত্যু শব্দটাই ভুলে যাই,
এইটাওতো জীবনের অংশ,
ভুলে যাই চলুন সব ভুলে যাই,
বৃষ্টি হোক আজ, চরম বৃষ্টি হোক,
ধুয়ে যাক সব ধোঁয়া, মিটে যাক দাগ।

বৃষ্টি হোক, সস্তা লাশের গন্ধ মিটুক
~ পিয়াস
#ফ্যানপোস্টঃলিখালিখি

ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাননা কেন তার সঙ্গে থাকে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী। থাকে মণি মুক্তার মতো বহুমূল্...
19/06/2019

ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাননা কেন তার সঙ্গে থাকে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী। থাকে মণি মুক্তার মতো বহুমূল্যের রত্ন। এমনকি তার সঙ্গে তার পোষা কুকুর করজিসের জন্যও থাকে বিশেষ খাদ্য। তবে, যে জিনিসটি কখনোই থাকেনা তা হলো পাসপোর্ট। কারণ পৃথিবীর কোথাও কোন সীমান্ত অতিক্রমণে তার পাসপোর্ট লাগেনা।
রাণী এলিজাবেথ ছাড়া যে কোন মানুষকেই পৃথিবীর কোন না কোন স্থানে পাসপোর্ট ব্যবহার করতেই হবে। এমনকি সে যদি রাণী ছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের অন্য যে কোন সদস্যও হয়। কিন্তু কি এর কারণ?
জানা গেছে, যতো ব্রিটিশ পাসপোর্ট ইস্যু করা তার সবই রাণীর পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ওয়েবসাইটে লেখা আছে, ‘রাণী যখন বিদেশে ভ্রমণ করেন তখন তাঁর কোন পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই। মেরুণ রঙের ব্রিটিশ পাসপোর্টে দুটি রাজকীয় অস্ত্রের প্রতিকৃতি খোদাই করা আছে। আর লেখা আছে যে, ব্রিটেনের মহিমান্বিত রাণীর পক্ষ থেকে পাসপোর্টধারী ব্যক্তিকে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’
সুতরাং যেখানে স্বয়ং রাণীই ব্রিটিশ পাসপোর্ট ইস্যু করেন এবং পাসপোর্টধারী ব্যক্তির দায় গ্রহণ করেন সেখানে তার নিজের দায় নিয়ে কারো কোন প্রশ্নই থাকতে পারেনা। তবে, রাণী ছাড়া ব্রিটিশ রাজ পরিবারের অন্য যে কোন সদস্যকেই বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট বহন করতে হবে। এমনকি এটি রাণীর স্বামী ডিউক অব এডিনবার্গের জন্যও প্রযোজ্য।
এছাড়াও একই কারণে পৃথিবীর কোথাও রাণী এলিজাবেথের কোন ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও প্রয়োজন নেই।

সূত্র: দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট

  (২য় পর্ব)আমার গ্রামের বাড়ি বরেন্দ্র অঞ্চলে। বরেন্দ্র অঞ্চলের একটু বর্ণনা দিই। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূমিরূপ সিঁড়ির মত থাক থ...
19/06/2019

(২য় পর্ব)

আমার গ্রামের বাড়ি বরেন্দ্র অঞ্চলে। বরেন্দ্র অঞ্চলের একটু বর্ণনা দিই। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূমিরূপ সিঁড়ির মত থাক থাক করে সাজানো এবং তীব্র খরা প্রবণ শক্ত মাটি। আপনি যদি বিস্তৃত বরেন্দ্রভূমির দিকে তাকিয়ে দেখেন, তবে মনে হবে যেনো বিশাল সবুজের ঢেউ খেলানো সোপান। আমাদের গ্রামে হিন্দু মুসলিম সাঁওতাল ধাঙড় দের ছিল একত্র বসবাস। সাঁওতাল ধাঙড় রা প্রচণ্ড সরল এবং নির্লোভ জীবনযাপন করে অভ্যস্ত। জীবনকে কিভাবে উপভোগ করা যায় তা ওদের কাছে দেখেছি।
একদম প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে থাকা যাকে বলে। ওদের পোশাকে চালচলনে ছিল অমায়িক সাধারণত্ব। পুরুষদের একটুকরো ধুতি যা হটূর উপরে উঠে থাকতো আর নারীদের ক্ষেত্রে শুধু ছোট একটি পুরানো পাতলা ফিনফিনে শাড়ি। শরীরের কোন অংশ বেরিয়ে আছে তা নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা ছিলোনা। বরং মাথা ব্যাথা ছিলো কাজ নিয়ে, পানি, খাদ্য যোগাড় নিয়ে। সকালে পান্তা ভাত কাচা মরিচ আর পিয়াজ দিয়ে খেয়ে সবাই বেরিয়ে পড়তো মাঠে। নারীপুরুষ একসাথে মাঠে কাজ করেছে। পুকুরপাড়ে স্নান শেষে নিশ্চিন্তে খোলা আকাশের নিচে কাপড় বদল করেছে, কেউ বিরক্ত করার ছিলোনা। সাবানের বদলে কিযেনো একটা মাটি গায়ে ডলে ময়লা তুলতো, চুলে শ্যাম্পুর বদলে ছিলো আলাদা আরেকপ্রকার মাটি, কাপড় কাচা বলতে শুধু পানি দিয়েই ধোয়া। অর্থাৎ তারা পরিবেশ দূষণ করত খুব কম। দিনের শেষে ভাটিখানায় যে যার মতো মহুয়া পান করে ঘুমিয়ে পড়তো। ওদের উৎসব গুলো ছিলো দেখার মত, ঘরদোর সুন্দর করে মাটি দিয়ে ডিজাইন করে লেপা হতো। রমনীরা একে অপরের ঘাড় ধরে সারিবদ্ধ হয়ে গানের তালে তালে নাচতো। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।

সাঁওতাল রমণীদের দেখেছি আবলুষের মত কালো কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার কাছে ওদেরকে লেগেছে ত্রিমাত্রিক সুন্দর। একজন পুরুষ যা পারে সাঁওতাল রমনীরা তার থেকেকেও বেশি পারে। তারা সুন্দর গায়ের রঙ দিয়ে নয়, তারা সুন্দর তাদের কাজে, তারা সুন্দর তাদের সরলতায়, তারা সুন্দর তাদের স্বকীয়তায়।

এই সংস্কৃতিই ছিলো আদি বাঙালি সংস্কৃতি। এখনকার ভাষায় যারা অসভ্য। আচ্ছা? সভ্য হয়ে আমরা কি পেয়েছি বলতে পারেন? প্রকৃতির সব কিছুই যে সুন্দর তা আপনি দেখেন নি, বরং এই সভ্য সমাজ আপনাকে শিখিয়েছে আরো আরো সুন্দর মাংসপিণ্ড কিভাবে পেতে হবে। হ্যা সভ্যতা আমাদের এগিয়ে দিয়েছে অনেকখানি, জীবনকে করেছে সুখের কিন্তু সভ্যতা বিষ ও ঢুকিয়ে দিয়েছে। সভ্যতার বিষবাষ্প আপনাকে শিখিয়েছে অতৃপ্তি নিয়ে বেচে থাকা। সভ্যতার বিষবাষ্প আপনাকে শিখিয়েছে নারী একটি মাংস পিণ্ড, তাকে শোকেসে সাজিয়ে, প্রিজারভেটিভ দিয়ে রেখে অল্প অল্প করে খেতে হবে যার নাম পুরুষতান্ত্রিক সংসার। আবার এই মাংসপিণ্ড কে একসাথে মিলে ভুরুভোজও করা যাবে যার নাম গণধর্ষন।

---------চলবে
By Bikash Bhoumik

"Lovers"- by Pablo Picaso 1904
19/06/2019

"Lovers"- by Pablo Picaso 1904

মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি ধৈর্যশীল হয়! তারা অনেক কষ্ট বুকের মধ্য চাপা রেখে হাসতে পারে, যেটা ছেলেরা পারে না।
14/06/2019

মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি ধৈর্যশীল হয়! তারা অনেক কষ্ট বুকের মধ্য চাপা রেখে হাসতে পারে, যেটা ছেলেরা পারে না।

Address

D
Dhaka
1208

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share