আল খিদমাত - Al Khidmat

আল খিদমাত - Al Khidmat Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আল খিদমাত - Al Khidmat, ফার্মগেট, Dhaka.

ইসলামি বইসহ যে কোন বই, কোরআন, তাফসীর, আতর, জায়নামাজ, ঘানিতে ভাঙ্গনো সরিষার তেল, হানি নাট, মধু, এলার্ম ক্লক, চার্জেবল ফ্যান, , এ্যারাবিয়ান ল্যাম্প ইত্যাদি পণ্য সুলভ মূল্যে পেতে যোগাযোগ করতে পারেন ইন শা আল্লহ।

মিশরের একজন মুয়াজ্জিন আযান দেয়ার জন্য মিনারে দাড়ালো। পাশের ছাদে দৃষ্টি যেতেই সেখানে এক সুন্দরী খ্রিষ্টান যুবতিকে দেখতে প...
08/09/2026

মিশরের একজন মুয়াজ্জিন আযান দেয়ার জন্য মিনারে দাড়ালো।

পাশের ছাদে দৃষ্টি যেতেই সেখানে এক সুন্দরী খ্রিষ্টান যুবতিকে দেখতে পেল।

মুয়াজ্জিন মনে মনে ভাবল, নতুন ভাড়াটিয়া মনে হচ্ছে, আযানের পর পরিচিত হব।

আযান শেষ করে মুয়াজ্জিন ওই প্রতিবেশীর দরজায় গেল।

দরজায় আওয়াজ দিলে যুবতির পিতার সাথে সাক্ষাৎ হলো।

কথাবার্তার মাঝে জানতে পারল মেয়েটি কুমারী।

মুয়াজ্জিন বলল, আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।

মেয়ের বাবা বলল, আমাদের ধর্মে চলে এসো। তাহলে আমরা বিয়ে দিয়ে দেব।

তখন মুয়াজ্জিনের অন্তরে যৌন-চাহিদার এমন ভূত সওয়ার হয়েছিল যে, সে হ্যাঁ বলে দিল।

মেয়ের বাবা বলল, ওপরে ছাদে চলো। সেখানে বসে বিস্তারিত আলোচনা করি।

মুয়াজ্জিন সিঁড়ি বেয়ে উঠছিল, এমন সময় সে পা পিছলে পড়ে যায় এবং ঘাড়ের রগ ছিঁড়ে মারা যায়।

অর্থাৎ সে না পেল সেই যুবতীকে, না পারল তার খাহেশ মেটাতে।
আর না পেল সে তার রবের সন্তুষ্টি। ঈমান হারা হয়ে শেষ ঠিকানা হলো তার জাহান্নাম।

ইবনুল জাওযী রহ. থেকে বর্ণিত উপরের এই ঘটনাটি।
copy

04/09/2026

"তুমি বিছানা থেকে উঠে মসজিদে যেতে পারো না,
কবর থেকে উঠে জান্নাতে কীভাবে যাবে?"

-মির্জা গালিব

বাংলাদেশী ডাক্তার চাকরি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সেলসম্যান হিসাবে ইন্টারভিউ দিচ্ছিলেন, স্টোরের ...
02/09/2026

বাংলাদেশী ডাক্তার চাকরি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সেলসম্যান হিসাবে ইন্টারভিউ দিচ্ছিলেন, স্টোরের মালিক তাকে জিজ্ঞেস করলেন,

-'তোমার কি কোনো অভিজ্ঞতা আছে ?
-'তিনি জানালেন,
-'আমি আমার দেশে একজন ডাক্তার ছিলাম।
-'তুমি হিসাব-নিকাশ বুঝো?
-'ডাক্তার ভদ্রলোক বললেন,
-'চাকুরিটা পেলে হিসাব-নিকাশ বুঝে নিবো।

চাকরি পেয়ে ডাক্তার প্রথম দিনে খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করলেন। সন্ধ্যে ছ’টায় ছুটির সময় বস তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন,
-'আজ তুমি ক’জন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করেছ ?
-'তিনি উত্তর দিলেন,
-'আমি সারাদিনে একজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছি।
-'মালিক আশ্চর্য হয়ে বললেন- মাত্র একজন? এখানকার প্রত্যেক সেলসম্যান দিনে ২০ থেকে ৩০ জন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করে।
-'তা তুমি কত ডলারের পণ্য বিক্রি করেছ?
-'তিনি বললেন- $৪৫,৫৭০ ডলার ।
-'এবার বস অবাক হয়ে বললেন- কী!
-'এটা তুমি কিভাবে করলে?

এবার ডাক্তার বলতে লাগলেন,

ওই ক্রেতার কাছে প্রথমে মাছ ধরার একটি ছোট্ট বড়শি বিক্রি করেছি । তারপর একটি বড় ও একটি মাঝারি বড়শি বিক্রি করলাম। এরপর একটি বড় ফিসিং রড আর কয়েকটি ফিসিং গিয়ার বিক্রি করলাম। তারপর আমি তাকে প্রশ্ন করলাম- আপনি কোথায় মাছ ধরবেন? তিনি বললেন- তিনি সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় মাছ ধরবেন। তখন আমি তাকে বললাম- তাহলে তো আপনার একটি নৌকার প্রয়োজন হবে। আমি তাকে নিচতলায় নৌকার ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। ভদ্রলোক সেখান থেকে একটি নৌকা কিনলেন। এরপর আমি তাকে বললাম- এই নৌকাটি তো আপনার এই ছোট্ট গাড়িতে ধরবে না, একটা বড় গাড়ির প্রয়োজন! আমি ভদ্রলোককে অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। আমার পরামর্শে তিনি নৌকাটি বহন করার উপযোগী একটি গাড়ি বুকিং দিলেন। তারপর আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম- মাছ ধরার সময় কোথায় থাকবেন? তিনি জানালেন- এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা করেননি। আমি তাকে ক্যাম্পিং ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। তিনি আমার পরামর্শ মতো পরিবার নিয়ে ঘুমানোর উপযুক্ত একটি ক্যাম্প তাঁবু কিনলেন। সবশেষে আমি তাঁকে বোঝালাম- আপনি যখন এতোকিছু কিনেছেন, এখন কিছু খাবার ও পানীয় কিনে নেওয়া উচিত। ভদ্রলোক আমার পরামর্শ মোতাবেক কিছু মুদি-দ্রব্য ও দু’ কেইস বিয়ার কিনলেন!

এবারে স্টোরের মালিক একটু দমে গিয়ে বিস্ময়ের সঙ্গে বলে উঠলেন- যে লোকটা একটি বড়শি কিনতে এসেছিল, তুমি তাকে দিয়ে এতোকিছু কেনালে....!

ডাক্তার ভদ্রলোক বললেন,- না স্যার, ওই ভদ্রলোক বড়শি কিনতে আসেননি। তিনি শুধুমাত্র মাথাব্যথার ওষুধ কিনতে এসেছিলেন। আমি তাঁকে বোঝালাম- মাছ ধরলে মাথাব্যথা সেরে যাবে।

স্টোরের মালিক এবারে জানতে চাইলেন,
-'এতো অভিজ্ঞতা তুমি কোথা থেকে অর্জন করলে?

ডাক্তার বললেন- আমি বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের ডাক্তার ছিলাম। বিভিন্ন ভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে প্রয়োজন না থাকলেও রোগীদেরকে নানা ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, ইকো, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, এক্সরে, এম.আর.আই ইত্যাদি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিতাম।

স্টোরের মালিক বললেন- তুমি এখন থেকে আমার চেয়ারেই বসবে, আর আমি তোমার দেশে গিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে ট্রেনিং নিয়ে আসব...!

"অবাক পৃথিবী"। ©

সত্যিকারের আশেকে রাসুলরা এমনই হয়.... প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো ...
30/08/2026

সত্যিকারের আশেকে রাসুলরা এমনই হয়....
প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?!

দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।”

পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?

মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর?

যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে।

পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!

মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে?

তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়...

যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে!

কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই।

পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।

পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন?

পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল।

যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল:

هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟!

“ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!

হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।”

এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে।

পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো।

অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই।

পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।

এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।

আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।

~ আরবি লেখক থেকে অনূদিত

কপি পোস্ট।

27/08/2026

▪️পাঁচ জিনিস আছে, পাঁচ জিনিসের মধ্যে…

শাকীক বালখী (রহ.) বলেন, আমি পাঁচটি জিনিস তালাশ করেছি, আর তা পাঁচ জায়গায় পেয়েছি।

▪️গুনাহ ত্যাগের শক্তি :

طَلَبْنَا تَرْكَ الذُّنُوبِ فَوَجَدْنَاهُ فِي صَلَاةِ الضُّحَى
“গুনাহসমূহ ত্যাগ করার উপায় খুঁজেছি, পেয়েছি চাশতের নামাযে।”

▪️ক’বরের জ্যোতি :

طَلَبْنَا ضِيَاءَ الْقُبُورِ فَوَجَدْنَاهُ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ
“ক’বরের আলো তালাশ করেছি, পেয়েছি তাহাজ্জুদের নামাযে।”

▪️মুনকার–নাকীরের প্রশ্নের উত্তর :

طَلَبْنَا جَوَابَ مُنْكَرٍ وَنَكِيرٍ فَوَجَدْنَاهُ فِي قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
“কবরে ফেরেশতাদের প্রশ্নের জবাব খুঁজেছি, পেয়েছি কুরআন তিলাওয়াতে।”

▪️পুলসিরাত পার হওয়ার সহজতা :

طَلَبْنَا عُبُورَ الصِّرَاطِ فَوَجَدْنَاهُ فِي الصَّوْمِ وَالصَّدَقَةِ
“পুলসিরাত পাড়ি দেওয়ার পথ খুঁজেছি, পেয়েছি রোজা ও সদকার মধ্যে।”

▪️আরশের ছায়া :

طَلَبْنَا ظِلَّ الْعَرْشِ فَوَجَدْنَاهُ فِي الْخَلْوَةِ
“আরশের ছায়া তালাশ করেছি, পেয়েছি নির্জনে আল্লাহর ইবাদতে।”

“হায়! আমরা কত কিছু খুঁজি পৃথিবীর বাজারে—অথচ জান্নাতের পথগুলো লুকিয়ে আছে আমাদের সিজদা, তিলাওয়াত, রোজা, সদকা আর নীরব কান্নার ভেতর।”

[সূত্র : ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাকীন, ১০/৪১৮]

#সীরাহ

27/08/2026

জীবনটা যদি স্কুল জীবনের বৃহস্পতিবারের হাফ-বেলার পরের সময়টার মতো হতো—কেমন লাগত তাহলে?

সেদিন ক্লাস শেষ হওয়ার আগেই মনটা ছুটির আনন্দে ভরে যেত।
ব্যাগটা কাঁধে থাকত, কিন্তু মনে হতো—ব্যাগের ওজনও আজ একটু কম!

আগামীকাল ছুটি,
এই ছোট্ট ভাবনাটাই কত বড় আনন্দ ছিল!

তখন সুখের জন্য বড় কোনো আয়োজন লাগত না।
বন্ধুদের সঙ্গে একটু হাসি, টিফিনের শেষ কামড়, বাড়ি ফেরার পথে একটু আড্ডা,
এই সামান্য জিনিসগুলোই ছিল বিশাল আনন্দ।

আজ আমাদের কাছে অনেক কিছু আছে,
কিন্তু সেই “কাল ছুটি” অনুভূতিটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।

জীবনটা যদি আবার এমন হতো,
যেখানে প্রতিটি বৃহস্পতিবারের বিকেলের মতো মনে হতো,
“আর একটু পরেই সব ব্যস্ততা শেষ… এবার একটু নিজের মতো করে বাঁচব।”

হয়তো সুখ আসলে জীবনকে বদলানোর নাম নয়—
জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে আবার উপভোগ করতে শেখার নাম। ❤️

27/08/2026

মেয়েটার প্রথম বাচ্চা। ব্যথা শুরু হইসে দুপুরের দিকে। সে হাঁটতেসে, বসতেসে, আবার উঠতেসে, আবার শুইতেসে। তার মা পাশে বইসা আছেন। তার স্বামী বাইরের বেঞ্চে, হাতে একটা পলিথিনের ব্যাগ, ব্যাগের ভিতরে বাচ্চার নতুন কাপড় আর একটা কাঁথা। ডাক্তার আসলেন। মিনিট কয়েক দেখলেন। তারপর বাইরে আইসা লোকটাকে বললেন, রিস্ক নেয়া যাইব না, ওটিতে নিতে হবে, সিজার করবো। লোকটা জিগায় নাই কিসের রিস্ক। জিগানোর কথা তার মাথায়ও আসে নাই। তার সামনে একজন মানুষ দাঁড়ায়ে আছে যে জানে, আর সে নিজে জানে না। ওই সাদা শুভ্র এপ্রোনের মানুষটা তখন তার কাছে ঈশ্বরের পরেই। সে একটা কাগজে সই করল। সম্মতি দিলো অপারেশনের। একটু পরে সে বাচ্চার কান্না শুনলো। নার্স আইস্যা বাচ্চাটারে দেখায়ে নিয়ে গেলো লোকটারে। আনন্দের অশ্রু গড়ায়ে পড়লো লোকটার চোখ দিয়া। ফিস ফিস কইর‍্যা আজান দিলো, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ। হাইয়া আলাস সালাহ, হাইয়া আলাল ফালাহ আল্লাহু আকবার....

বাচ্চাটা কাঁদতেছে। মেয়েটার মা কানতেসেন। লোকটা মিষ্টি আনতে দৌড়াইল।

আমাদের কারো কাছেই এই গল্পটা অস্বাভাবিক লাগে নাই। বরং খুবই স্বাভাবিক লাগসে।

জ্বি না আমার ভ্রাতা ও ভগিনিরা। এইটা একটা অতি অস্বাভাবিক ঘটনা। মাতৃত্ব কোন রোগ না। সন্তান জন্মদানে তখুনি মেডিক্যাল ইন্টারভেনশন লাগে যখন সেটা কোন মেডিক্যাল জটিলতায় পর্যবসিত হয়। সন্তান জন্ম নেবে বাসায় বা মেটারনিটি সেন্টারে, হাসপাতালে না। খুঁজে দেখেন বাংলাদেশে কয়টা মেটার্নিটি সেন্টার আছে।

মেটার্নিটি সেন্টারে প্রশিক্ষিত ধাত্রী থাকবে, যার কাজটাই হইল ওই মেয়েটার পাশে বইসা থাকা, ঘণ্টায় ঘণ্টায় দেখা, ব্যথাটা ঠিকভাবে আগাইতেসে কি না বোঝা, আর মেয়েটার হাতটা ধইরা বলা যে এইটা স্বাভাবিক, এইটা হওয়ার কথা।

কারণ স্বাভাবিক প্রসব ছয় থেকে দশ ঘণ্টার কাজ। দেশে গত বছর প্রায় সতেরো লাখ নারীর পেট কাটা হইসে। হাসপাতালে যত বাচ্চা জন্মায় তার ঊনআশি শতাংশই এখন অপারেশনে, যেইটা দুনিয়ার সর্বোচ্চ। আর এইটা রাতারাতি হয় নাই। দুই হাজার চার সালে এই দেশে সিজারের হার ছিল চার শতাংশ। সতেরো আঠারো সালে তেত্রিশ। বাইশ সালে পঁয়তাল্লিশ। চার থেকে ঊনআশি। বাইশ বছরে। এই দেশে আর কোনো জিনিস এই গতিতে বাড়ে নাই। বিশেষজ্ঞরা বলতেসেন এইভাবে চললে দুই হাজার ত্রিশের মধ্যে এইটা নব্বই ছাড়াবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উনিশশো পঁচাশি সালে বলসিল, কোনো অঞ্চলের হার দশ থেকে পনেরো শতাংশের উপরে থাকার কোনো যুক্তি নাই। সিজারের হার যতক্ষণ দশ শতাংশের কাছাকাছি থাকে ততক্ষণ মা আর নবজাতকের মৃত্যু কমে। তারপর আর কমে না। দশের পরে যত ছুরি চলে, ওই ছুরিগুলা আর কারও জীবন বাঁচায় না।

দুনিয়ার গড় একুশ। ভারতে সাড়ে একুশ, নেপালে আঠারো, পাকিস্তানে বিশের কাছাকাছি। আর আমাদের? সব জন্ম মিলাইয়া, বাড়িতে হওয়াগুলা ধইরাও, পঁয়তাল্লিশ। প্রতিবেশীর দ্বিগুণ। আর যেই মেয়েটা হাসপাতালের দরজা দিয়া ঢোকে, তার জন্য সংখ্যাটা ঊনআশি। মানে আমাদের মেয়েদের শরীর প্রতিবেশী দেশের মেয়েদের শরীর থেকে আলাদা কিছু না। কিন্তু আমাদের হিসাবটা আলাদা।

এখন প্রশ্ন হইল, এত সিজার হয় কেন? এই প্রশ্নের উত্তরটা নীতিবাক্যে নাই। উত্তরটা একটা সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানে আছে।

এই দেশে প্রতিদিন গড়ে দশ হাজার বাচ্চা জন্মায়। আর গাইনোকোলজিস্ট আছেন আড়াই থেকে তিন হাজার। একটা স্বাভাবিক প্রসব ছয় থেকে দশ ঘণ্টার কাজ। একটা সিজার বিশ মিনিটের কাজ। এখন আপনি ওই ডাক্তারের জায়গায় বসেন। রাত নয়টা। আপনার চেম্বারে আরও এগারোজন রোগী বসা। কাল সকালে আপনার দুইটা অপারেশন। আপনি কি এই মেয়েটার পাশে সকাল ছয়টা পর্যন্ত বইসা থাকবেন, বিনা পয়সায়, শুধু এই আশায় যে বাচ্চাটা নিজের রাস্তায় নিজে বাইর হইব?

আপনি থাকবেন না। কেউ থাকবে না। আর আপনি পারবেনও না। এতো গাইনেকোলজিস্ট নাই বাংলাদেশে। আর ক্লিনিকের মালিকের হিসাবটা আরও সহজ। স্বাভাবিক প্রসবে ক্লিনিকের আয় প্রায় শূন্য। বিছানা আটকায়ে থাকে দশ ঘণ্টা, বিল ওঠে সামান্য। আর সিজারে ওটি চার্জ, অ্যানেস্থেসিয়া চার্জ, সার্জন ফি, তিন দিনের কেবিন। সিজারের খরচ স্বাভাবিক প্রসবের প্রায় পাঁচ গুণ।

তাহলে ক্লিনিকটা কোনটা বেচবে?

এইটা কোনো ষড়যন্ত্র না। কেউ ঘরে বইসা প্ল্যান করে নাই যে দেশের মেয়েদের পেট কাইটা ফালাইব। এইটা স্রেফ ইনসেন্টিভ। যেই ব্যবস্থায় ধৈর্যের কোনো দাম নাই আর ছুরির দাম আছে, সেই ব্যবস্থায় ছুরিই চলবে। ডাক্তারকে গালি দিয়া এইটা থামবে না। যতক্ষণ ওই দশটা ঘণ্টা কারও চাকরির অংশ না হইতেসে, ততক্ষণ থামবে না। আর ওই দশটা ঘণ্টা যার চাকরির অংশ হওয়ার কথা, তাকে আমরা তৈরিই করি নাই।

সারা দুনিয়ায় স্বাভাবিক প্রসব সামলান ধাত্রীরা, গাইনোকোলজিস্ট না। গাইনোকোলজিস্ট লাগে জটিলতা হইলে। এই দেশে প্রশিক্ষিত ধাত্রী আছেন আট হাজার ছয়শ ছেচল্লিশ জন। তার মধ্যে সরকারি চাকরিতে আছেন দুই হাজার পাঁচশ সাতান্ন জন। দশ হাজার বাচ্চার জন্য দুই হাজার পাঁচশ সাতান্ন জন। দরকার অন্তত বাইশ হাজার। আমরা পদটাই বানাই নাই। তারপর অবাক হই পেট কাটা হইতেসে কেন।

এইবার সবচেয়ে জরুরি কথাটা। সিজার হইলে বাচ্চাটার কী ক্ষতি হয়।

আমাদের শরীরে উপকারী জীবাণুর একটা গোটা জগত আছে। মুখে, পেটে, চামড়ায়, এমনকি ফুসফুসে। এইটার নাম মাইক্রোবায়োম। এই জীবাণুগুলা আমাদের খাবার হজম করায়। ক্ষতিকর জীবাণুর সাথে লড়ে। আর সবচেয়ে বড় কাজটা হইল, এরা আমাদের শরীরকে শিখায়। আমাদের শরীরের নিজের একটা প্রতিরক্ষা বাহিনী আছে। ডাক্তারি ভাষায় এইটার নাম ইমিউন সিস্টেম। এই বাহিনীটা জন্মের সময় কিছুই চেনে না। কোনটা শত্রু আর কোনটা না, এইটা তারে কেউ শিখাইয়া দিতে হয়। শিখায় ওই জীবাণুগুলাই। আর ক্লাসটা হয় জীবনের একদম প্রথম দিনগুলাতে।

মায়ের পেটের ভিতরে বাচ্চা থাকে প্রায় জীবাণুশূন্য একটা জায়গায়। তাহলে সে এই বন্ধু জীবাণুগুলা প্রথম পায় কই?

পায় জন্মের সময়। মায়ের যোনিপথে ওই জীবাণুগুলা থাকে। বাচ্চা যখন ওই পথ দিয়া বাইর হয়, তখন ওইগুলা তার গায়ে, মুখে, নাকে লাইগা যায়। ওইটাই তার প্রথম টিকা। কেউ ওইটার দাম নেয় না, কেউ ওইটা প্রেসক্রাইব করে না। এইটা খোদাতায়ালার দান। আমাদের শিরীর এইভাবেই ডিজাইন করা।

সিজারের বাচ্চা ওই পথটা দিয়া আসে না। সে প্রথমে পায় অপারেশন থিয়েটারের জীবাণু আর যেই হাত তাকে ধরল তার জীবাণু। মায়ের শরীরে জীবানু না অন্য কারো জীবানু। এইটা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জীবনের প্রথম প্রহরেই ব্যাড়াছ্যাড়া কইর‍্যা ফেলে।

এই দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ শিশু খর্বকায়। আমরা ভাবি এইটা শুধু কম খাওয়ার ফল। না। শরীরের ভিতরের জীবাণু আর ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্য নষ্ট হইয়া গেলে খাওয়া খাবারটাও কাজে লাগে না। দুনিয়ার পুষ্টিবিজ্ঞানে এখন সবচেয়ে আলোচিত জিনিসটাই এইটা। মানে আমরা একদিকে পুষ্টি প্রকল্পে হাজার কোটি টাকা ঢালতেসি, আর অন্যদিকে জন্মের ওই বিশ মিনিটে বাচ্চাটার হজম আর প্রতিরোধের ভিতটাই ধ্বংস কইর‍্যা দিতেসি।

মা স্থিতিশীল আছেন, বাচ্চা স্থিতিশীল আছে, শুধু ব্যথাটা ধীরে আগাইতেসে, এইটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে সিজার করার কোনো কারণই না। প্রসবের জন্য সময় লাগে। সময় লাগাটাই স্বাভাবিক। আমরা সময়টাকেই রোগ বানায়ে ফেলসি।

তারপর টাকা। শুধু আঠারো সালেই এই দেশে সিজারিয়ান ডেলিভারিতে খরচ হইসিল প্রায় চার হাজার সাতান্ন কোটি টাকা। ওইটা আঠারো সালের হিসাব, আর তখন হার ছিল আজকের অর্ধেকের নিচে। এই টাকাটা সরকারের বাজেট থেকে যায় নাই। এই টাকাটা গেছে ওই লোকটার পকেট থেকে যে বাইরের বেঞ্চে পলিথিনের ব্যাগ নিয়া বইসা ছিল। জমি বেচা টাকা, ধার করা টাকা, এনজিওর কিস্তির টাকা।

এখন ওই ঘরটাতে ফিরা যাই।

মেয়েটা এখন বাড়িতে। পেটে একটা দাগ। কয়েক বছর পর তার আরেকটা বাচ্চা হবে, আর ওইটাও সিজার হবে, কারণ এই দেশে একবার কাটা মানে সারা জীবন কাটা। চিরজীবনের জন্য বান্ধা কাস্টমার। কী চমৎকার।

স্বাভাবিক জন্মের ওই মুহূর্তে একটা মা তার বাচ্চাকে যেই জিনিসটা দেয়, ওইটার কোনো বিল হয় না। কোনো ফার্মেসিতে ওইটা বিক্রি হয় না। কোনো ডাক্তার ওইটা প্রেসক্রাইব করতে পারেন না। ওইটা দুনিয়ার একমাত্র জিনিস যেইটা শুধু মায়ের কাছেই আছে। আমরা সেই খোদাতায়ালার কুদরত থিকা বাচ্চাটারে বঞ্চিত করতেছি। কিন্তু অবাক ব্যাপার দেখেন, ওই মেয়েটা সারাজীবন ওই ডাক্তারের জন্য দোয়া করবে। বিশ্বাস কইরা যাবে ওই ডাক্তার, ওই হাসপাতাল তার বাচ্চাটাকে বাঁচাইসিলো।

এ দৃশ্যটি একবার দেখুন...একজন আফগান সেনা সদস্য চেকিংয়ের সময় একটি গণপরিবহনের বাসে উঠেছেন। তাঁর জুতার ওপর পলিথিনের শপিং ব্য...
25/08/2026

এ দৃশ্যটি একবার দেখুন...

একজন আফগান সেনা সদস্য চেকিংয়ের সময় একটি গণপরিবহনের বাসে উঠেছেন। তাঁর জুতার ওপর পলিথিনের শপিং ব্যাগ পরিহিত—শুধু এই কারণে, যাতে বাসের ভেতরে বিছানো কার্পেটটি নোংরা না হয়।

এটি শুধু কার্পেটের যত্ন নেওয়ার বিষয় নয়; বরং জনগণের ব্যবহারের জিনিসের প্রতি যত্নশীলতার একটি উদাহরণ।

একদিকে এই সেনাবাহিনী—যারা জনগণের কথা তো বাদই দিলাম, জনগণের ব্যবহৃত জিনিসেরও যত্ন নেয়; অন্যদিকে আমাদের এখানে অনেক সময় শুধু জনগণেরই নয়, জনগণের জানমালেরও কোনো যত্ন নেওয়া হয় না।

পার্থক্যটা শুধু পোশাক বা ইউনিফর্মের নয়; পার্থক্য চিন্তাভাবনা ও দায়িত্ববোধের।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের এধরণের পরিবহনে জুতা খুলে পলিথিনের ব্যাগে করে যাত্রীরা প্রবেশ করে, যাতে গাড়ির ভেতরে অপরিচ্ছন্ন হয়ে না যায়।

বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় বাংলা প্রস্তুতি।বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি মানেই এক কঠিন লড়াই, যেখানে বাংলা সাহিত্য ও ...
23/08/2026

বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় বাংলা প্রস্তুতি।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি মানেই এক কঠিন লড়াই, যেখানে বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ অনেক সময় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক দিকনির্দেশনা না পেলে এই লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ার ভয় থাকে।

আপনি হয়তো অনেক বই ঘেঁটেছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না তেমন কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস যা আপনার বাংলা অংশের দুর্বলতা দূর করে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। আপনার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগে, কোন বইটি আমাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে?

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এসেছে মোঃ আবু বকর সিদ্দিক রচিত 'অভিযাত্রী বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ লিখিত ও এমসিকিউ' বইটি। অভিযাত্রী পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত এই বইটি বাংলা অংশের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য একটি অপরিহার্য গাইড। এর প্রতিটি অধ্যায় এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন জটিল বিষয়গুলোও আপনার কাছে সহজ মনে হয়।

লেখকের গভীর জ্ঞান এবং প্রকাশকের মানসম্মত উপস্থাপনা এই বইটিকে করেছে অনন্য। এটি আপনাকে শুধু তথ্যই দেবে না, বরং শেখাবে কীভাবে ভর্তি পরীক্ষার প্যাটার্ন অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়। আপনার প্রস্তুতিকে দেবে এক নতুন গতি।

এই মূল্যবান বইটি এখন পাচ্ছেন ৩০% ছাড়ে! এর আসল মূল্য ৳৭৯০ হলেও, রকমারি.কম দিচ্ছে মাত্র ৳৫৫০-এ। ঘরে বসেই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে বইটি পেতে, এখনই অর্ডার করুন। আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে এই বইটি হতে পারে সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী।

18/08/2026

আমি চ্যানেল( i )তে (love) এক্সপ্রেস মুভি দেখি।
,, এরপর( you) tube গান শুনবো�

Address

ফার্মগেট
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল খিদমাত - Al Khidmat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share