12/02/2026
আমাদের অন্তরগুলো যদি আসলেই সুস্থ থাকতো, তাহলে এই অন্তর কুরআন পড়তে পড়তে কখনোই ক্লান্তি বা, বিরক্তি অনুভব করতো না।
উসমান (রা) এর কথা এটা, যার মৃত্যুই হয়েছে কুরআনের মুসহাফ হাতে নিয়েই! প্রি-খারেজিদের একটা দল যখন উসমান(রা) কে খুন করার উদ্দেশ্যে তার উপর আঘাত হানে, উসমান(রা) এর রক্তের ছিটায় তার কুরআনের মুসহাফ রক্তাক্ত হয়ে যায়!
সুবহানআল্লাহ!
নিজেকে জিজ্ঞেস করি আসুন, আপনার আর আমার অন্তরটা কি এতটাই অসুস্থ হয়ে গেল?
কি এমন হয়ে গেলও আমাদের যে, শত অপ্রয়োজনীয় কথা-কাজের জন্য টাইম বের করলেও কুরআনের জন্য আমাদের টাইম বের হচ্ছে না?
জানেন?
আজকের যুগেও এমন মানুষ আছেন, যারা প্রতি ৩ দিনে একবার কুরআন সম্পূর্ণ পড়া কমপ্লিট করেন! আমি কিন্তু সাহাবীদের কথা বলছি না। এই ২০২৬ সালেও এমন মানুষ আছে পৃথিবীতে। তারা কিন্তু রান্না করেন, বাচ্চা পালেন, নিজেদের প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করেন, অন্যের উপকার করেন, এরপর আর কোনও সময় নষ্ট করেন না। বাটন ফোন ইউজ করেন। এরপর কুরআনের সাথে লেগে থাকেন। এখানেই শুরু, এখানেই শেষ। এখানেই আনন্দ, এখানেই অশ্রু, এখানেই গাইডেন্স।
তাহলে আমাদের কম্পিটিশান কার সাথে?
নিজের সাথে নিজের।
বলছি না আমি আপনাকে যে, সবকিছু বাদ দিয়ে শুধু কুরআন পড়ুন।
তবে এটা অবশ্যই বলবো যে, এবার কুরআন নিয়ে উচ্চাশা করুন।
নিজের স্টান্ডার্ড বাড়িয়ে দিন। এই রামাদানকে কুরআনময় করে তুলুন, নিজের ঘরকে কুরআনের উৎসব বানিয়ে ফেলুন।
এখন থেকেই শুরু করুন এই প্রক্রিয়া। আজকে থেকেই শুরু করে দিন ...
এখন থেকেই যদি জীবনকে কুরআনময় করার অভ্যাস না করেন, তাহলে হঠাৎ করে রামাদান শুরু হলে কোনও ম্যাজিক এই কাজ হবে না।
সময় যে বেশি নেই!
কুরআন পড়া শুরু করে দিন আজ থেকেই!
#কুরআন
#রাইটিং_থেরাপি
#রামাদান
লেখা: শারিন সফি অদ্রিতা আপু