অনুকাব্য

অনুকাব্য Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অনুকাব্য, Gazipur.

শেষ কাপ চাসন্ধ্যা নেমেছে। বারান্দায় বসে থাকা বৃদ্ধা মায়ের চোখ বারবার গেটের দিকে চলে যায়।প্রতিদিনের মতো আজও তিনি দুই ক...
06/08/2026

শেষ কাপ চা
সন্ধ্যা নেমেছে। বারান্দায় বসে থাকা বৃদ্ধা মায়ের চোখ বারবার গেটের দিকে চলে যায়।
প্রতিদিনের মতো আজও তিনি দুই কাপ চা বানিয়েছেন। একটি নিজের জন্য, আরেকটি ছেলের জন্য।
পাশের বাড়ির এক মহিলা অবাক হয়ে বললেন, — "খালা, আপনার ছেলে তো অনেক বছর ধরে বিদেশে। তবুও প্রতিদিন দুই কাপ চা বানান কেন?"
বৃদ্ধা মায়ের মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠল।
তিনি ধীরে বললেন, — "জানি, সে আজও আসবে না। তবুও এই এক কাপ চা আমাকে আশা করতে শেখায়। যদি কোনো দিন হঠাৎ দরজায় কড়া নেড়ে বলে, 'মা, এক কাপ চা দাও'... তখন যেন বলতে না হয়— 'আজ চা বানাইনি।'"
মহিলার চোখ ভিজে উঠল।
ঠিক তখনই গেটের বাইরে একটি ছোট্ট ছেলে দাঁড়িয়ে বলল, — "দাদি, আমার খুব চা খেতে ইচ্ছে করছে না... কিন্তু আপনার সঙ্গে একটু বসতে পারি?"
বৃদ্ধা মা হেসে বললেন, — "এসো বাবা। এই দ্বিতীয় কাপটা তো অনেক দিন ধরেই কারও অপেক্ষায় ছিল।"
সেদিন চা ঠান্ডা হয়নি।
কারণ, ভালোবাসা কখনো অপেক্ষা করতে ক্লান্ত হয় না। শুধু মানুষ বদলে যায়, কিন্তু মায়ের হৃদয়ের দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

30/07/2026

মেঘলা আকাশ,,,

#হারিয়ে

কিছু মানুষ ভুলে যাওয়া যায় না।  #হারিয়ে  #অনুপ্রেনা
26/07/2026

কিছু মানুষ ভুলে যাওয়া যায় না।
#হারিয়ে
#অনুপ্রেনা

নিজেই সবচেয়ে বেশি মূল্যবান। #সফলতা #অনুপ্রেনা
25/07/2026

নিজেই সবচেয়ে বেশি মূল্যবান।
#সফলতা
#অনুপ্রেনা

জীবনের কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা । #অনুপ্রেনা  #সফলতা
24/07/2026

জীবনের কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা ।
#অনুপ্রেনা
#সফলতা

🌿গল্প: শেষ চিঠি🌿শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে ছোট্ট একটা ঘর ছিল। ঘরটা খুব বড় নয়, তবে জানালার পাশে দাঁড়ালে দূরে দেখা যেত ...
23/07/2026

🌿গল্প: শেষ চিঠি🌿
শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে ছোট্ট একটা ঘর ছিল। ঘরটা খুব বড় নয়, তবে জানালার পাশে দাঁড়ালে দূরে দেখা যেত বিশাল একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ। বসন্ত এলেই গাছটা লাল ফুলে ভরে উঠত। আর সেই গাছটার দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন বিকেলে বসে থাকত মেয়েটা।
মেয়েটার নাম ছিল মায়া।
মায়ার বয়স তখন মাত্র সতেরো। কিন্তু জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাকে বয়সের চেয়ে অনেক বেশি বড় করে দিয়েছিল।
মায়ার বাবা ছিলেন একজন দিনমজুর। সারাদিন মানুষের বাড়িতে, কখনো নির্মাণস্থলে কাজ করতেন। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। সংসারে অভাব ছিল, কিন্তু মায়ার একটা স্বপ্ন ছিল—সে পড়াশোনা করবে। অনেক দূর পড়াশোনা করবে। একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে।
কিন্তু গ্রামের মানুষ মায়ার স্বপ্ন নিয়ে হাসত।
কেউ বলত, "গরিবের মেয়ের আবার এত বড় স্বপ্ন কিসের?"
কেউ বলত, "বেশি পড়াশোনা করে কী হবে? শেষ পর্যন্ত তো সংসারই করতে হবে।"
মায়া কারও কথার উত্তর দিত না।
সে শুধু মনে মনে বলত, "মানুষের জন্ম যদি শুধু অন্যের কথা শোনার জন্য হয়, তাহলে স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কেন দিয়েছে সৃষ্টিকর্তা?"
মায়ার বাবা অবশ্য মেয়ের স্বপ্ন বুঝতেন। নিজের পকেটে টাকা না থাকলেও মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করার চেষ্টা করতেন।
একদিন রাতে মায়া দেখল, বাবা চুপচাপ ঘরের এক কোণে বসে আছেন। হাতে একটা পুরোনো খাতা। খাতার পাতায় কিছু হিসাব লেখা।
মায়া কাছে গিয়ে বলল, "বাবা, কী দেখছ?"
বাবা খাতাটা বন্ধ করে মৃদু হেসে বললেন, "কিছু না মা।"
মায়া বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল, বাবা কিছু একটা লুকাচ্ছেন।
পরদিন সকালে মায়া জানতে পারল, তার পরীক্ষার ফি দেওয়ার টাকা নেই।
মায়া বাবাকে বলল, "বাবা, এবার না হয় পরীক্ষা দেব না।"
বাবা অবাক হয়ে তাকিয়ে বললেন, "কেন?"
"টাকা নেই।"
বাবা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, "টাকার জন্য স্বপ্ন থেমে যায় না মা। মানুষ থেমে যায়। আর তুই মানুষ হয়ে থামবি না।"
সেদিন মায়ার বাবা নিজের একমাত্র পুরোনো মোবাইল ফোনটা বিক্রি করে দিলেন।
মায়া পরীক্ষা দিল।
কয়েক মাস পর ফল প্রকাশ হলো।
মায়া ভালো ফল করল।
সেদিন বাবা এত খুশি হয়েছিলেন যে, বাড়িতে কোনো খাবার না থাকলেও পাশের দোকান থেকে এক প্যাকেট মিষ্টি কিনে এনেছিলেন।
মায়া বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, "বাবা, একদিন আমি তোমাকে আর মাকে অনেক ভালো রাখব।"
বাবা মেয়ের মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, "আমার ভালো থাকার জন্য বেশি কিছু লাগবে না মা। তুই শুধু ভালো মানুষ হবি।"
সেই কথাটা মায়ার মনে গেঁথে গেল।
সময় যেতে লাগল।
মায়া শহরে পড়াশোনা করার সুযোগ পেল। কিন্তু শহরে যাওয়ার মতো টাকা ছিল না। অনেক কষ্টে মা-বাবা কিছু টাকা জোগাড় করলেন।
যেদিন মায়া শহরে যাবে, সেদিন বাবা তাকে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দিতে গেলেন।
বাস ছাড়ার আগে বাবা মায়ার হাতে একটা ছোট কাগজ দিলেন।
বললেন, "এটা এখন পড়িস না। যখন খুব কষ্ট হবে, তখন পড়বি।"
মায়া কাগজটা ব্যাগে রেখে দিল।
বাস ছেড়ে দিল।
জানালার পাশে বসে মায়া দেখল, বাবা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। বাস যত দূরে যাচ্ছিল, বাবার অবয়ব তত ছোট হয়ে আসছিল।
একসময় বাবাকে আর দেখা গেল না।
শহরে এসে মায়ার জীবন আরও কঠিন হয়ে গেল।
পড়াশোনার পাশাপাশি তাকে টিউশনি করতে হতো। কখনো নিজের খাওয়ার টাকা বাঁচিয়ে বই কিনতে হতো। কখনো রাত জেগে পড়তে পড়তে চোখে পানি চলে আসত।
অনেক সময় মনে হতো, "আমি কি পারব?"
তখন সে বাবার দেওয়া কাগজটার কথা মনে করত।
কিন্তু খুলে দেখত না।
সে ভাবত, "আরও একটু কষ্ট হোক। যখন সত্যিই আর পারব না, তখন খুলব।"
একদিন মায়া একটি বড় পরীক্ষায় ব্যর্থ হলো।
তার জীবনে প্রথমবার সে এত বড় ব্যর্থতার মুখোমুখি হলো।
বন্ধুরা সবাই বলল, "একবার ব্যর্থ হয়েছিস, আবার চেষ্টা কর।"
কিন্তু মায়ার মনে হলো, সে আর পারবে না।
সেদিন রাতে সে একা ঘরে বসে কাঁদছিল।
হঠাৎ তার মনে পড়ল বাবার দেওয়া সেই কাগজের কথা।
কাঁপা হাতে ব্যাগ খুলে কাগজটা বের করল।
কাগজটা অনেক পুরোনো হয়ে গেছে।
মায়া ধীরে ধীরে কাগজটা খুলল।
সেখানে মাত্র কয়েকটি লাইন লেখা ছিল।
"মা,
জীবনে এমন দিন আসবে, যেদিন তোর মনে হবে তুই হেরে গেছিস। মনে হবে তোর পাশে কেউ নেই। সেদিন এই কথাটা মনে রাখিস—তুই আমার মেয়ে। তোর হার মানার অধিকার নেই।
আমি হয়তো তোকে সবকিছু দিতে পারিনি। ভালো পোশাক দিতে পারিনি, বড় বাড়ি দিতে পারিনি, দামি মোবাইল দিতে পারিনি। কিন্তু তোকে একটা জিনিস দিয়েছি—স্বপ্ন দেখার সাহস।
তুই পড়ে গেলে আবার উঠে দাঁড়াবি।
মানুষ তোকে ছোট করলে মনে রাখবি, তোর মূল্য মানুষের কথায় কমে না।
আর একটা কথা...
যেদিন তুই সফল হবি, সেদিন আমাকে খুঁজতে যাস না। শুধু এমন একজন মানুষের পাশে দাঁড়াস, যে আজ তোর মতো অসহায়।
তাহলেই মনে করব, আমার মেয়ে সত্যিই বড় হয়েছে।
—তোর বাবা"
চিঠিটা পড়ে মায়া অনেকক্ষণ কাঁদল।
কিন্তু সেই কান্না ছিল না হেরে যাওয়ার কান্না।
সেটা ছিল আবার উঠে দাঁড়ানোর কান্না।
পরদিন সকাল থেকে মায়া নতুন করে শুরু করল।
সে আবার পড়াশোনা করল।
আবার পরীক্ষা দিল।
আবার ব্যর্থ হলো।
কিন্তু এবার সে ভেঙে পড়ল না।
কারণ সে জানত,
ব্যর্থতা মানে শেষ নয়।
কখনো কখনো ব্যর্থতা মানুষকে তার আসল শক্তিটা চিনিয়ে দেয়।
তিন বছর পর...
একদিন মায়ার ফোনে একটা খবর এলো।
সে একটি ভালো চাকরি পেয়েছে।
মায়া ফোনটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর প্রথমেই বাবাকে ফোন করল।
ফোনের ওপাশ থেকে বাবার কণ্ঠ ভেসে এলো,
"হ্যালো মা?"
মায়া কিছু বলতে পারছিল না।
শুধু কাঁদছিল।
বাবা ভয় পেয়ে বললেন, "কী হয়েছে মা? কাঁদছিস কেন?"
মায়া কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"বাবা, আমি পেরেছি।"
ওপাশে কিছুক্ষণ নীরবতা।
তারপর বাবার কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
"আমি জানতাম মা। তুই পারবি।"
মায়া বলল, "বাবা, আমি তোমাদের শহরে নিয়ে আসব। তোমাদের আর কষ্ট করতে হবে না।"
বাবা হেসে বললেন, "আমার আর কিছু চাই না মা। শুধু তুই ভালো থাকিস।"
কয়েকদিন পর মায়া বাড়িতে ফিরল।
বাড়ির সামনে সেই কৃষ্ণচূড়া গাছটা তখন লাল ফুলে ভরে গেছে।
মায়া গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে দেখল, বাবা আগের মতোই বসে আছেন।
চুলে পাক ধরেছে।
মুখে বয়সের ছাপ পড়েছে।
মায়া দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরল।
বাবা কিছু বললেন না।
শুধু মেয়ের মাথায় হাত রাখলেন।
মায়া বাবার হাতে একটা খাম দিল।
বাবা অবাক হয়ে বললেন, "এটা কী?"
মায়া বলল, "তোমার জন্য।"
বাবা খাম খুলে দেখলেন।
ভেতরে ছিল একটি নতুন মোবাইল ফোন।
আর সঙ্গে একটা ছোট্ট চিঠি।
চিঠিতে লেখা ছিল,
"বাবা,
তুমি আমাকে স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিলে।
আজ আমি সেই স্বপ্নের একটু কাছে এসেছি।
তুমি বলেছিলে, সফল হলে তোমাকে খুঁজতে না। অন্য কারও পাশে দাঁড়াতে।
আমি তোমার কথা ভুলিনি।
আজ থেকে আমি প্রতি মাসে আমার আয়ের একটা অংশ এমন একটা মেয়ের পড়াশোনার জন্য দেব, যে আমার মতো স্বপ্ন দেখে কিন্তু টাকার অভাবে থেমে যেতে বসেছে।
কারণ আমি জানি,
একজন বাবার বিশ্বাস একটা মেয়ের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।
তুমি আমার বাবা হয়ে শুধু আমাকে বড় করোনি।
তুমি আমাকে শিখিয়েছ—
মানুষ বড় হয় টাকা দিয়ে নয়,
মানুষ বড় হয় অন্য মানুষের জীবনে আলো হয়ে উঠতে পারলে।"
চিঠিটা পড়ে বাবা চোখ মুছলেন।
তারপর মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন,
"আজ তুই সত্যিই বড় হয়েছিস মা।"
মায়া বাবার হাত ধরে হাসল।
দূরে তখন কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে এক মুঠো লাল ফুল ঝরে পড়ছিল।
আর সেই মুহূর্তে মায়ার মনে হলো—
জীবনে কিছু মানুষ আমাদের হাত ধরে পথ দেখায়।
তারা হয়তো আমাদের সব কষ্ট দূর করতে পারে না।
কিন্তু তারা এমন একটা সাহস দিয়ে যায়,
যে সাহস নিয়ে আমরা একদিন নিজেরাই সমস্ত কষ্টের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখি।
তাই জীবনে যতবারই মনে হবে তুমি হেরে গেছ,
ততবার মনে রেখো—
হয়তো তোমার গল্পের শেষ অধ্যায় এখনো লেখা হয়নি।
হয়তো তুমি যে জায়গাটাকে শেষ ভেবেছ,
সেখান থেকেই তোমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়টা শুরু হবে।
শুধু হাল ছেড়ে দিও না।
কারণ—
যে মানুষ স্বপ্ন দেখতে জানে, আর সেই স্বপ্নের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়তে জানে, তাকে পৃথিবীর কোনো অভাব চিরদিন আটকে রাখতে পারে না।
অনুকাব্য,🌿

23/07/2026
21/07/2026

কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে,
ভালোবাসা শেখাতে নয়—
বরং শিখিয়ে যায়,
কাকে আর কখনো বিশ্বাস করতে নেই।

তবুও তাদের জন্য আফসোস করি না,
কারণ তাদের দেওয়া কষ্টগুলোই
আজ আমাকে আগের চেয়ে অনেক শক্ত করেছে।

জীবন থেকে কিছু মানুষ হারিয়ে যায়,
কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া শিক্ষা—
সারাজীবন থেকে যায়। 🖤

— অনুকাব্য

অন্ধকারি আলোর খোঁজ দেয়। #ছবি
19/07/2026

অন্ধকারি আলোর খোঁজ দেয়।
#ছবি

19/07/2026

জীবন বড়ই বিচিত্র
সন্ধ্যা কাটে না,
অথচ বছর কেটে যায়।💙
সময়ের সাথে আমরাও চলে যাচ্ছি।
কোথায় যাচ্ছি জানি না।
তবে বুঝতে পারছি কোথায় একটা যাচ্ছি,
হয়তো সমুদ্রের দিকে নয়তো নক্ষত্রের দিকে🌿💙


Address

Gazipur
,,

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনুকাব্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share