11/10/2024
ভন্ডামি ছাড়ুন, বইটি পড়ুন!
দেশে এতো প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে লাভ কি? যদি চাইনিজরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করে! বাঙালি যোগালি কাজে বিশ্ব সেরা!
বর্তমান পৃথিবীতে ৫৭টি দেশের নেটিভ ভাষা আরবি, এদিকে বাংলাদেশে ২ কোটি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী যাদের মধ্যে অনেকে আরবিতে কথা বলতে পারে, লিখতে পারে, আরবি কথাও বুঝতে পারে! চাইলেই এদের মধ্যে যারা উত্তম তাদের উন্নত ট্রেনিং দিয়ে এই ৫৭ টি মুসলিম দেশের দাপ্তরিক, সামরিক, বেসামরিক কাজের জন্য পাঠাতে পারে। এতে যে কাজ পাবে সাথে সম্নান জনক বেতনও পাবে, তা দিয়ে সে তার স্ত্রীকে নিয়ে বাহিরে সুন্দর ভাবে থাকতে পারবে এবং তাদের সন্তান একটি সুন্দর পরিবেশ পাবে! কিন্তু কে করবে?
নামধারী আলেমগণ ভক্তদের ওয়াজ নছিওত করে হাদিয়া নেয়! সেই টাকা দিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণ করে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ভক্তদের সন্তান। মাদ্রাসায় ভর্তি ফি, ডে কেয়ার, নাইট কেয়ার, আবাসিক, খাওয়ার ফি সহ বিভিন্ন ফি দিতে হয়। এতে মাদ্রাসা ব্যাবসায়ীদের উন্নয়ন আকাশ ছোঁয়া, তাদের মাদ্রাসা একটা হতে দুইটা, তিনটা এভাবে অগণিত মাদ্রাসার মালিক হয় তারা কিন্তু মাদ্রাসার ছাত্রদের কোনো উন্নতি নেই! আপনি খুঁজেও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, ভুকিল পাবেন না, অথচ রাস্তার ধারে ফিতরার টাকা তোলার জন্য ২/৪ ডজন খুঁজে পাবেন। এছাড়াও চামড়ার টাকা তোলার জন্য তো স্পেশাল ফোর্স তো রয়েছে।
বাংলাদেশে ২০ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার কিন্তু দেশের নিজেস্ব কোনো ওয়েবসাইট নেই, এখনো তারা ফ্রিল্যান্সার ডটকম, আপ ওয়ার্ক ডটকম, ফাইভারের মতো প্লাটফর্মে কাজ করে! অন্যের জন্য ওয়েবসাইট বানায় কিন্তু নিজেরটার খবর নেই। কয়েক লক্ষ ব্যাংকার কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল কোনো পেমেন্ট গেটওয়ে নেই! ৫৫০০ আর এম জি কারখানা এবং কয়েক লক্ষ এম বি এ বেকার কিন্তু নিজেদের কোনো ব্রান্ড নেই। আলেম রাস্তা ঘাটে পায়ে পায়ে উষ্টা খেয়ে পরে রয়েছে কিন্তু খেলাফতের খবর নেই।
বাংলাদেশের আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার এটি সকলের জানা, বর্তমান কিছু দ্বীপ জেগে উঠায় আয়তন আরো কিছু বেড়েছে। বাড়তি আয়তনের কথা আপাতত বাদ দিলাম কিন্তু বাকি ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার কথা সকলের জানা।
বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ে এই ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার তথ্য রয়েছে যে এর মধ্যে বন, জঙ্গল, নদী, নালা, খালা, বিল, আবাদি, অনাবাদি, বাসস্থান সহ কোথায় বা কোন অঞ্চলে কতটুকু জমি রয়েছে। বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রাণালয়ে এই তথ্য রয়েছে যে কোন অঞ্চলে কোন ফসল ভালো হয় বা কোন অঞ্চল কোন ফসলের জন্য উত্তম এবং বিঘা বা একর প্রতি কোন ফসল কত পরিমাণে হয়। ধান বিঘা প্রতি কত হয়, আলু, মরিচ, পিয়াজ সহ দেশের সকল ফসলের একটা উপস্থিত তথ্য কৃষি মন্ত্রাণালয়ে রয়েছে।
বাংলাদেশের বানিজ্য মন্ত্রাণালয় সকল মন্ত্রাণালয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাজেট নিয়ে কথা বলে, যে আমাদের পেয়াজ প্রয়োজন এতো কেজি, উৎপাদন এতো কেজি, ঘাটতি এতো কেজি যা উৎপাদন বাড়াতে হবে নাহলে বাহিরের দেশ থেকে আনতে হবে। মজার বিষয় বাংলাদেশের উৎপাদন না বাড়িয়ে ভারত থেকে কেনা হয়। যে পেয়াজ আপনি চাইলে নিজের জমিতে উৎপাদন (চাষাবাদ) করতে পারেন তা আপনাকে সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ি দিয়ে আনতে হয়।
প্রধানমন্ত্রী কখনোই ভূমি, কৃষি এবং বানিজ্য মন্ত্রীর গলায় পারা দিয়ে এটা জিজ্ঞেস করেনি যে দেশে এতো জমি খালি থাকতে কেন মরিচ, পিয়াজ, চাল, ডাল, আক্রুড, কাঠ বাদাম, মসলা, সুতা সহ কয়েক হাজার পন্য কিনে আনতে হয়? বরং প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশে ঘাটতি থাকলেই ভালো, কেননা বাহিরে থেকে কেনা মানেই কমিশন। অথচ আব্দুল্লাহপুর হতে ময়মনসিংহ ব্রিজ পর্যন্ত ডানে বামে অনেক জমি খালি পরে রয়েছে, নারায়ণগঞ্জে জমি খালি, আশুলিয়া সাভার অঞ্চলে জমি খালি, এছাড়াও দেশের কয়েক লক্ষ একর খাস জমি তো রয়েছেই। এমন হাজারো সমস্যার সমাধান রয়েছে এই বইটিতে।
বইটির মুল্য ২২৪৯৳ কিন্তু সাময়িক সময়ের জন্য মাত্র ২৪৯৳। ডেলিভারির কোনো ঝামেলা নেই। তাই দেরি না করে এখনি নিচের লিংক টি ভিজিট করুন
https://buritista.com/campaign/cithi-bastbe-fire-asun