Educated Bangladesh

Educated Bangladesh PSC/JSC/SSC/HSC/University admission/National University / BCS শিক্ষা বিষয়ক ?

02/07/2024

ডিগ্রি ২য় বর্ষের সর্ট সাজেশন পেতে ইনবক্স করুন

22/05/2024

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ৪র্থ বর্ষের সাজেশন নিতে চাইলে ইনবক্স করুন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৪র্থ লিখে)

09/02/2023

রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাস্টার্স ফাইনাল - ২০২০ (২০২৩) পরীক্ষার চূড়ান্ত সাজেশন পেতে ইনবক্স করুন।

*ফি প্রযোজ্য

দীর্ঘ ৭ ঘন্টার অপারেশন।অতঃপর.... সদ্য জন্মানো বাচ্চা শিশুটি তার মৃত মায়ের হাতের উপরে। এবং তার পাশেই ডাক্তার কাঁদছেন।এই ম...
29/01/2023

দীর্ঘ ৭ ঘন্টার অপারেশন।
অতঃপর....
সদ্য জন্মানো বাচ্চা শিশুটি তার মৃত মায়ের হাতের উপরে। এবং তার পাশেই ডাক্তার কাঁদছেন।

এই মা মারাত্মক রোগে আক্রান্ত। যার কারণে কোন বাচ্চা নিতে পারছিলেন না! দীর্ঘ ১১ বছর অপেক্ষা করে বড় ধরনের রিস্ক নিয়েছেন সন্তান নেয়ার জন্য। হয়তো সন্তান বাঁচবে না হয় মা!

এরপর ডাক্তার তার সবটুকু দিয়ে ৭ ঘন্টার চেষ্টায় বললো, বাচ্চা এবং মা দুই জনকে একসাথে বাঁচানো সম্ভব নয়।
সর্বশেষ ডাক্তার সিদ্ধান্ত নিলেন - বাচ্চার মাকে জিজ্ঞেস করবেন, তিনি কী করতে চান? বাচ্চাকে বাঁচাবেন, না কি নিজের জীবন?

মা নিজেই নিভে গিয়ে বাচ্চাকে আলো দিতে রাজি হলেন.. অপারেশন এর পর মা তার ফুটফুটে বাচ্চাটিকে তার মুখের কাছে নিয়ে চুমু খেলেন,বুকে জড়িয়ে নিলেন। মাত্র দুই মিনিট পর হাসি দিয়ে চোখ বন্ধ করলেন সারা জীবনের জন্য।মা হিসেবে দুই মিনিটের স্বার্থক জীবনের কাছে হার মানল মায়ের পুরোটা জীবন।হাঁ এটাই মায়ের জাত।
সারাবিশ্বে হাজারেরও বেশি মা প্রতি বছর মৃত্যুবরণ করেন বাচ্চা জন্ম দেয়ার সময়।

সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেক সন্তানকে মায়ের সম্মানটুকু দেয়ার জ্ঞান দিক। (আমীন)

রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ইয়ানী সাগিরা।
💙

27/11/2019

একজন বিসিএস (BCS) দিয়ে ফরেন ক্যাডার হলো।সে ভাবতেছে,
"সে সবার থেকে ভালো করেছে।" অথচ আরেক জন BUET
থেকে পাশ করলো। তাকে জিজ্ঞেস করলাম বিসিএস দিবে কিনা। সে
উড়িয়ে দিল। বললো, "বিসিএসই যদি দিতে হয় এতো কষ্ট করে
Engineering পড়লাম কেন?" তার কাছে বিসিএস এর মূল্যই নেই !
আরেক জন জজ হয়েছেন। সে ভাবছে, "আমিই পৃথিবীর সেরা
জব হোল্ডার। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও যদি মামলা হয়, তবে
আমার কোর্টে আমাকে স্যার বলতে হবে" । অথচ কিছুদিন আগে
আমার পরিচিত একজন জজ হয়েছিলেন। জয়েন করার কিছুদিন পরই চাকুরি
ছেড়ে দিলেন। তারপর তিনি টিচার হলেন। তিনি ভেবেছেন নিজে জজ
হওয়ার থেকে জজ বানানোটা বেশি সম্মানের। বর্তমানে তিনি জজ
নিয়োগের ভাইবাবোর্ডে থাকেন।
আবার আরেকজন ব্যবসায়ী। সে ভাবছে, "চাকুরিজীবীরা হচ্ছে
চাকর। এ জাতীয় পেশায় স্বাধীনতা নেই ।অপরদিকে আমার পেশায়
চাইলেই ছুটি কাটানো সম্ভব। সেই দিক দিয়ে আমার পেশাই সেরা।
দেশের অর্থনীতিতে আমাদের অবদানই বেশি। আমাদের কাউকে
স্যার বলতে হয়না। তাছাড়া ব্যবয়ায়ীদের সন্তানেরা যতটা স্বাচ্ছন্দ্য
পায়,অন্য প্রফেশনালিস্টরা তা চিন্তাও করতে পারেনা।তাই আমাদের
প্রফেশনই সেরা।"
সবশেষে আসলে সেরা কে?
কয়েক বছর আগে একদিন আমার প্রফেসরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,"
স্যার, ক্যাডারদের মধ্যে কোন ক্যাডার হওয়াটা বেশি সম্মানের?" স্যার
বললেন," সম্মান যে কার বেশি এটা বলা খুব মুশকিল। পদমর্যাদার দিকে
একজন সচিব একজন ডাক্তারের থেকে উপরে। আবার ঐ সচিবের
ছেলেটা যখন ইন্টার পাশ করে সচিবও চায় তার ছেলে যেন ডাক্তারিতে
চান্স পায়।"
আসল কথা হচ্ছে, এক পেশার সাথে অন্য পেশার কখনও তুলনা
করতে নেই। পৃথিবীতে প্রত্যেকটা সৎ পেশা সম্মানের। যাদের
মূলত সুশিক্ষার অভাব ও মানবিক মূল্যবোধের অভাব রয়েছে তারাই তুলনা
করে। তারাই বিতর্ক করে, "আপেল ভালো, নাকি কমলা? সাগর, নাকি পাহাড়?
গাড়িতে চড়া উচ্চ মানের, না প্লেনে-ইত্যাদি"।।
- অনলাইন থেকে সংগৃহীত

13/10/2019

প্রাইমারি ভাইভা অভিজ্ঞতা ২০১৯
১০ অক্টোবর___
জেলা: শরীয়তপুর
,
ভাইভা বোর্ডে তিনজন সদস্য ছিল
,
১ম পরীক্ষক:
১. কোন বিষয়ে পড়াশুনা করছেন?
# ব্যবস্থাপনা
২. কোথায় পড়াশুনা করছেন?
# চাঁদপুর সরকারি কলেজ
৩.আমি চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনায় অনার্স পাস করেছি এটার ইংরেজি বলেন
# I have passed my honours degree from chandpur govt college in Management.
৪.কয়েকজন ভাষা শহীদের নাম বলেন
# সালাম, বরকত, শফিক, জব্বার, রফিক।
৬.হ্যামলেট কার লেখা
# শেক্সপিয়র
৭.আমি গনিতে ভালো এর ইংরেজি বলেন
# I am good at mathematics.
৮.বেগম রোকেয়া কে ছিলেন? তার দুটি গ্রন্থের নাম বলেন
# নারী জাগরণের অগ্রদূত। গ্রন্থ- মতিচুর ও অবরোধবাসিনী
৯.৬৯এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদের নাম বলেন
# আসাদ
১০.পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে এর ইংরেজি বলেন
# The earth moves around the sun.
১১.পেয়াজের দাম ৮০ টাকা কেজি হলে ৩০০ গ্রামের দাম কত?
# ২৪ টাকা

২য় পরীক্ষক:
১২. বঙ্গবন্ধু কত তারিখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পায়?
# ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯।
১৩.বঙ্গবন্ধু কত তারিখে বাংলাদেশে ফিরে আসেন
# ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২

৩য় পরীক্ষক:
১৪.সমকোনী ত্রিভুজ কাকে বলে?
# যে ত্রিভুজের একটি কোন ৯০ ডিগ্রি তাকে সমকোণী ত্রিভুজ বলে।
১৫.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখ?
# ২১শে ফেব্রুয়ারি
১৬.বঙ্গবন্ধুর মায়ের নাম কি ছিল?
# সায়েরা খাতুন

অনেকের অনুরোধে উত্তরগুলো দিলাম ভুল হলে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।।

আরেকটা প্রশ্ন করছিল কিন্তু সেটা এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না

আমি ১২ টা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছিলাম, ২টা কনফিউজড ছিল এবং বাকিগুলো পারিনি বলে সরি বলতে হয়েছে।।
দোয়া করবেন আমার জন্য
,
যাদের ভাইভা হয়নি তাদের জন্য শুভ কামনা রইল ♥
#সংগৃহীত

10/10/2019

* বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি
* শাবাস বাংলাদেশর এর ভাস্কর কে?
নিতুন কুন্ড
* বঙ্গবন্ধু ফোয়ারা কোথায় অবস্থিত?
গুলিস্তানে
* তিন নেতার স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
মাসুদ আহমেদ
* মুজিব নগর স্মৃতসৌধের স্থপতি কে?
তানভীর কবির
* অপরাজেয় বাংলা এর স্থপতি কে?
সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
* স্বোপার্জিত স্বাধীনতার ভাস্কর কে?
শামীম শিকদার
* কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
হামিদুর রহমান

03/10/2019

😍গণিতের সর্টকাট😍😍

কাজ ও শ্রমিক সংক্রান্ত কঠিন অংকগুলো করে ফেলুন

নিয়ম-১: ক, খ এবং গ একটি কাজ যথাক্রমে ১২, ১৫ এবং
২০ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

টেকনিক
= abc / (ab + bc + ca)
= (১২ x ১৫ x ২০)/ (১২x১৫ + ১৫x২০ + ২০x১২)
= ৫ দিনে (উঃ)

নিয়ম-২: ৯ জন লোক যদি একটি কাজ ৩ দিনে করে তবে কতজন লোক কাজটি ৯ দিনে করবে?

টেকনিক:
M1D1 = M2D2
বা, ৯ x ৩ = M2 x ৯
বা,M2×৯=২৭
M2=২৭/৯
সুতরাং, M2 = ৩ দিনে(উঃ)

নিয়ম-৩: ৩ জন পুরুষ বা ৪ জন মহিলা একটি কাজ ২৩
দিনে করতে পারে l ঐ কাজটি শেষ করতে ২ জন
পুরুষ এবং ৫ জন মহিলার প্রয়োজন হবে দিন সময়
লাগবে?

টেকনিকঃ
T = (M1 x W1 x T1) ÷ (M1W2 + M2W1)
= (৩x৪x২৩)÷(৩x৫ + ৪x২)
= ১২ দিন(উঃ)

নিয়ম-৪: যদি নুসরাত একটি কাজ ১০ দিনে করে এবং
মায়াম্মি ঐ কাজ ১৫ দিনে করে তবে নুসরাত এবং মায়াম্মি একসাথে কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

টেকনিকঃ
G = FS÷(F+S)
= (১০ x ১৫)÷(১০+১৫)
= ৬ দিনে(উঃ)

নিয়ম-৫: যদি ক একটি কাজ ১০ দিনে করে এবং ক ও খ
একসাথে কাজটি ৬ দিনে করে তবে খ কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

টেকনিকঃ
G = FS÷(F-S)
= (১০ x ৬)÷(১০-৬)
= ১৫ দিনে (উঃ)
‪‬‬কাজ ও সময় সংক্রান্ত গনিত

(৩০ সেকেন্ডে অংক গুলো করে পেলুন মাত্র ৫টি টেকনিকে)

‪১. কাজ‬,সময়ও লোক উল্লেখ থাকলে-
১ম লোক( M1) *১ম সময় ( T1) =২য় লোক ( M2) *২য় সময় (T2)
বা,, ২য় সময় = ১ম লোক * ১ম সময়÷ ২য় লোক‬‬
যেমন-
‪প্রশ্নঃ ১০জন‬ লোক একটি কাজ ২০ দিনে করতে পারে। ৮জন লোকের ঐ কাজটি করতে কতদিন লাগবে?‬‬
শর্টটেকনিক:
২য় সময় = ১ম লোক * ১ম সময় ÷ ২য় লোক
২য় সময় (D2 ) = ১০*২০÷৮=২৫ দিন।

‪২. কাজের‬ ক্ষেত্রে পুরুষ= স্ত্রী/ বালক বা স্ত্রী=পুরুষ/বালক এবং ১ম সময় উল্লেখ থাকলে ২য় সময়-
T2=T1÷(৩য় লোকসংখ্যা/ ১ম লোকসংখ্যা+৪র্থ লোকসংখ্যা/ ২য় লোকসংখ্যা।
(এখানে T1 =১ম সময় T2=২য় সময়)‬‬
যেমন-

প্রশ্নঃ‬ ২জন পুরুষ বা তিনজন বালক যে কাজ ১৫ দিনে সম্পন্ন করতে পারে, চার জন পুরুষ এবং ৯ জন বালক তার দ্বিগুন কাজ কত দিনে করতে পারে?‬‬
শর্টটেকনিক:
T2=১৫÷(৪/২+৯/৩)=৩দিনে

‪‎৩. কোন‬ কাজ দুজনে নির্দিষ্ট সময় পৃথকভাবে শেষ করলে একত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে-
প্রয়োজনীয় সময়=(১ম সময়(m)*২য় সময়(n))÷(১ম সময়(m)+২য় সময়(n)‬‬
যেমন-

প্রশ্নঃ একটি কাজ ক একা ৬ দিনে এবং খ একা ১২ দিনে শেষ করলে ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?
শর্টটেকনিক:
=১২*৬÷(১২+৬)=৪দিনে

‪‎৪. কোন‬ কাজ দুই জনে নির্দিষ্ট সময় একত্রে করতে পারলে একজনের একা কাজটি শেষ করতে-
প্রয়োজনীয় সময়=(১ম সময় (m)*২য় সময় (n))÷(১ম সময়(m)-২য় সময়(n)‬‬
যেমন-
প্রশ্নঃ একটি কাজ ক এবং খ ১২ দিনে এবং ক একা ২০ দিনে শেষ করলে , খ একা কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?
শর্টটেকনিক:
=(২০*১২)÷(২০-১২)= ৩০ দিনে

‪‎৫. দুই‬ ব্যক্তি কাজ শুরু করার পর একজন চলে গেলে কাজ শেষ হওয়ার সময়,যদি একজনের কাজের সময় অপর জনের দ্বিগুন হয় তবে-
কাজ শেষ হওয়ার সময়=২/৩*(D1+D3)
(এখানে, D1=১ম সময় D1=৩য় সময়)‬‬
যেমন-

প্রশ্নঃ ক একটি কাজ ১২দিনে এবং খ ২৪ দিনে করতে পারে।তারা একত্রে কাজ আরম্ভ করে এবং কয়েক দিন পর ক কাজটি অসমাপ্ত রেখে চলে যায়। বাকি কাজটুকু খ ৩ দিনে শেষ করে। কাজটি কত দিনে শেষ হয়েছিল।
শর্টটেকনিক:
=২/৩*(১২+৩) =১০দিনে
প্রতিযোগিতার রাজ্যে অল্প পড়ে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি মনে রাখতে টেকনিকের বিকল্প নেই। তাই এই গুলো ৮/১০বার প্র্যকটিস করুন। হয়ে যাবে ।

18/09/2019

৪১ তম বিসিএস - কোন বই - কিভাবে পড়বেন - শুরু করুন এখনই?
**********************************************************
সঠিক দিকনির্দেশনা, পরিশ্রম ও বেশিক ক্লিয়ার করলে
প্রিলিতে পাশ করা সম্ভব না হলে অনেকটাই জটিল হয়ে যাবে
আপনার জন্য যেটা আমরা দেখেছি ৪০ তম বিসিএস এ। প্রিলি
মানে খালি মুখস্থ বিদ্যা নয় অবলম্বন করতে হবে কিছু টেকনিক,
আর সঠিক দক্ষতা , তাহলেই এ যাত্রাই পার।
জঙ্গলে দুটি প্রানী আছে একটি ১৮ ঘণ্টা ঘুমায় (সিংহ), আর
একটি ১৮ ঘণ্টা কাজ করে (গাধা ), বনের রাজা কিন্তু প্রথম জনই
। সুতরাং যেটুকু দরকার সেটুকু গুছিয়ে ভালো করে পড়ুন, তবে হ্যা
কোন বই এবং কিভাবে পড়বেন সেটা একটা বড় ব্যপার। কারন ৪০
তম বিসিএস এ দেখেছি
অনেকে ১০২ টা কারেক্ট করেই হয়েছে আবার কারো ১০৮ টা
করেও হয় নাই । তাই সঠিক তথ্যের বই একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয়
,যেটার উপর নির্ভর করে আপনি পরীক্ষার রুমে যাবেন।যেমন
একটা উদাহরণ বলিঃ আপনার বইতে কি আছে মিলিয়ে নিনঃ
আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে ?
১.জন ভন নিউম্যান ২. এলান টিউরিং ?? সঠিক উত্তর হবে এলান
টিউরিং।এরকম আইসিটিতে খালি একশর উপরে ভূল আছে অনেক
বইতে। সুতরাং সঠিক তথ্যের বই পড়ুন । যারা ৪১ তম বিসিএস
দিবেন তারা অনেকেই চিন্তা করছেন যে কি বই পড়বেন বা যে
বইগুলো পড়ছেন তা
ঠিক আছে তো ? মনে রাখবেন শর্টকাটে প্রিলি পার করা যাবে
না তবে শর্টটেকনিক অবলম্বন করা যেতে পারে । এভারেজ
টার্গেট করেন ১২০ মার্ক হলেই চান্স হবে। এখন কোন বই
কিভাবে পড়বেন চলুন শুরু করি...
প্রথমে সাবজেক্ট গুলোকে ২টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করুন
ক্যাটাগরি ১ - 4 সাবজেক্ট (১৫০ মার্ক )
*********************************************
১। # বাংলাঃ (৩৫ মার্ক ) বাংলার জন্য জর্জ এর MP3 ভালো
করে পড়ুন , সহায়ক হিসেবে অগ্রদূত এর বাংলাটা পড়তে পারেন ।
এই দুইটা বই পড়লে আর কিছুই লাগবে না। বাংলায় একটা স্ট্রং
জোন তৈরি করুন , বাংলা আপনাকে এগিয়ে রাখবে। বাংলা
সাহিত্য ভালো করে পড়ুন।
২। # ইংরেজিঃ (৩৫ মার্ক ) ইংরেজি গ্রামারের জন্য
Competitive Exams অথবা MASTER থেকে সিলেবাস দেখে বুঝে
বুঝে পড়ুন। ইংলিশ লিটারেচার এর জন্য অরাকল এর মিরাকল
থেকে প্রথম থেকে বিস্তারিত এর আগ পর্যন্ত পড়তে পারেন।
৩। # গনিতঃ (৩০ মার্ক ) শাহীন স ম্যাথ অথবা প্রফেসরস বা
ওরাকলের বই পড়তে পারেন , আমার কাছে শাহীনস ম্যাথ ই সব
থেকে ভালো মনে হয়েছে। মানসিক দক্ষতাঃ জর্জ এর MP3 বা
ওরাকল পড়লেই হবে।
৪। # সাধারন জ্ঞানঃ(৫০ মার্ক ) বাংলাদেশ বিষয়াবলি +
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - জর্জ এর # MP3 ,সম্ভব হলে আজকের
বিশ্ব বেসিক ক্লিয়ার করার জন্য । রিসেন্ট তথ্যের জন্য
(রিসেন্ট ভিউ বা MENs বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ) এবং সহায়ক
হিসেবে শেষের দিকে প্রফেসরস এর বিশেষ সংখ্যা পড়তে
পারেন।
ক্যাটাগরি ২ - 4 সাবজেক্ট (৫০ মার্ক)
*******************************************
৫। # কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ(১৫ মার্ক ) " Self Suggestion
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি" বইটি দেখতে পারেন ,৪০ তম বিসিএস
এ সর্বোচ্চ কমন পাওয়া বই এটি এবং নিবন্ধন পরীক্ষায় শতভাগ
অপশন সহ কমন পড়েছে শুধুমাত্র এই বই থেকে । শর্টটেকনিক
দেয়া আছে , স্বল্প সময়ে প্রস্তুতি নেয়া যায়। ১৫ ই ১৫ মার্ক কমন
পাওয়া সম্ভব এই বই থেকে কারন গুরুত্বপূর্ন অনুসারে অটো
সাজেশন দেয়া আছে আর ৬ টি ফিচার রয়েছে একসাথে ( SSC +
HSC এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আইসিটি বেসিক ক্লিয়ার, আইসিটি জব
সল্যুশন, আইসিটি ডাইজেস্ট, আইসিটি মডেল টেস্ট , এবং
আইসিটি অটো সাজেশন )। ৪১ তম বিসিএস দেওয়ার আগে অন্তত
এই বইয়ের প্রতি চ্যাপ্টারের শেষের প্রশ্নগুলি দেখে যাবেন যে
কইটা ICT থেকে প্রশ্ন আসবে এখান থেকে কমন পাওয়ার
সম্ভবনা আছে যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে ।
৬। # বিজ্ঞানঃ (১৫ মার্ক ) জর্জ এর MP3 অথবা শুধু ওরাকল
পড়বেন। সময় দিয়ে ভালো করে পড়ুন কারন এখান থেকেও ভালো
করা যায়। প্রশ্ন সবসময় গতানুগতিক হবে তা নয় , তাই শুধু বিগত
সালের প্রশ্ন গুলোর উপর জোর নয় বেসিক ক্লিয়ার করে পড়ুন।
৭। # নৈতিকতা ও সুশাসনঃ(১০ মার্ক ) এসুরেন্স গাইড ও জর্জ
এর MP3 দুটি বই পড়বেন। মনে রাখবেন নৈতিকতা ও সুশাসন
থেকেও ভালো মার্ক পাওয়া যায় যদি ভালো করে বার বার
পড়ে যেতে পারেন, আর নেগেটিভ মার্ক এখানে করবেন না ,
যেটা জানেন সেটাই উত্তর করার চেস্টা করবেন ।
৮। # ভূগোলঃ (১০ মার্ক ) জর্জ এর ও এসুরেন্স গাইড দুটি
বই পড়বেন, সাধারন জ্ঞান এর অনেক টপিকস এখানে কমন
পাবেন, ভূগোলের দিকটা গুরুত্ব দিন। এই ৪ টি সাবজেক্ট
আপনাকে অন্যদের থেকে পার্থক্য করবে, তাই এগুলো একবার
ভালো করে শেষ করতে পারলে আপনি
অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকবেন, তাই সময় করে এই ৪টি
সাবজেক্ট আগে ভালো করে পড়ে নিন , পরে ধারাবাহিক ভাবে
দ্রুত রিভিশন দিতে পারবেন।
কিভাবে_পড়বেনঃ
***********************
প্রথম ৪ টি সাবজেক্টকে প্রতিদিন টপ প্রায়রিটি দিয়ে
বাকি ৪ টি সাবজেক্ট প্রতিদিন আপনার সুযোগ , সময় এবং
সাধ্যমত একটা প্লান করুন , পড়তে থাকুন । আপনার প্রিপারেশন
যদি একিবারেই নতুন হয় তাহলে জবসল্যুশন বা ডাইজেস্ট পড়তে
পারেন না হলে এই দুটি বই পড়তে পারেন প্রাইমারী বা নিবন্ধন
এর জন্য । বেসিক ক্লিয়ার করে পড়ুন ,জয় আপনারই হবে ইনশা
আল্লাহ্ । বেশি বই পড়ে মনে না রাখার চেয়ে , ভালো মানের
বই অল্প করে বার বার বেসিক ক্লিয়ার করে পড়লে মেমোরাইজ
জোন তৈরি হবে, মনে থাকবে বেশি। এই বইগুলো পড়লে আপনার
বিসিএস ছাড়াও অন্যান্য চাকরির জন্য সহজ হয়ে যাবে,যদি
টার্গেট থাকে আপনার ৪১ তম বিসিএস বা সরকারি চাকরি
তাহলে আজকে থেকেই শুরু করুন , সাফল্য আপনার কাছে ধরা
দিতে বাধ্য।
সাজেশনটি একান্ত আমার বেক্তিগত , ভালো লাগলে ফলো
করতে পারেন। সবার প্রস্তুতি ভালো হউক সেই কামনায় ,
প্রতিটি সাবজেক্ট নিয়ে আলাদা আলাদা সাজেশন জানতে
চাইলে জানাবেন আবার কোন একদিন লিখব। ভালো লাগলে
লেখাটি শেয়ার করবেন, শুভ কামনা সর্বশেষ সাজেশন পেতে
যুক্ত হোন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে : fb/groups/bcsictbook

18/08/2019

# সংবিধান মুখাস্ত করুন মাত্র ১ ঘন্টায়
(( by
Sushanta Paul))
সংবিধান মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক। আজ আপনাদের জন্য
থাকছে সংবিধান মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক । সংবিধান
মনে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধান থেকে সব ধরনের পরীক্ষায়
প্রায় সবসময়য়ই প্রশ্ন আসতে দেখা যায়।কিছু শর্টকাট টেকনিক
ফলো করলে সহজেই আপনি সংবিধান মনে রাখতে পারবেন।চলুন
জেনে নেই সংবিধান মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক।
☼ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনার করনীয়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১। প্রথমেই সংবিধান প্রনয়ন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য মনে
রাখুন যেমন-কবে সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়, কতজন
সদস্য ছিলেন, একমাত্র মহিলা সদস্যের নাম, তখনকার
আইনমন্ত্রী এবং সংবিধান প্রনয়ন কমিটির সভাপতি, কতটি
মীটিং করেছিলেন তারা, কতদিন লেগেছিল সংবিধান প্রনয়ন
করতে, কবে এটি কার্যকর হয়, কে তে সাক্ষর করেন নি ইত্যাদি।
এই তথ্য গুলো আপনি রচনামূলক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ব্যবহার
করতে পারবেন।
২। এরপর জেনে নিন সংবিধানের ভাগ গুলো এবং এই ভাগের
মধ্যকার অনুচ্ছেদ গুলো। যেমন-
প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র (অনুচ্ছেদ- ১ থেকে ৭)
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে
২৫)
এইভাবে আপনি ১১টি ভাগের অনুচ্ছেদগুলো মনে রাখুন। এই তথ্য
গুলো আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। কোন কারনে যদি ভুলে
যান, সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ এ কি আছে তখন কমপক্ষে
ধারনা করতে পারবেন কোন ভাগে এটি পড়েছে।
৩। এরপর প্রত্যেক অনুচ্ছেদ এর শিরোনাম গুলো মুখস্ত করুন।
৪। এরপর অনুচ্ছেদ গুলো ভালভাবে পড়ুন। বার বার পড়ুন। কোন
বন্ধুর সাথে আলাপ করুন “বলতো আইনের দৃষ্টিতে সমতা এটি
কোন অনুচ্ছেদ এ আছে?” প্রথম বার না পারলেও সমস্যা নেই।
আস্তে আস্তে দেখবেন আপনি ঠিকই বলতে পারছেন।
৫। নিজে নিজে একাকী মনে করার চেষ্টা করুন কোন অনুচ্ছেদ এ
কি আছে। ভুলে গেলে ভাববেন না সব শেষ। বরং চিন্তা করবেন
আরো ভালো ভাবে পড়তে হবে!! সব সময় হাতের কাছে পকেট
এডিশনের সংবিধান সাথে রাখুন। গল্পের বই (!!!!!!) মনে করে
পড়ুন।।
কী পড়তে হবে- এই বিষয়ে অনেক কিছু বললাম। এই বার আসি মূল
আলোচনায়।
আমি হুবহু মুখস্ত করার জন্য প্রথমেই বলব প্রস্তাবনাটাকে। কারন
এই প্রস্তাবনা অনেক বার সংশোধিত হয়েছে। আবার, সংবিধান
নিয়ে প্রশ্ন আসলে চেষ্টা করবেন ভূমিকা হিসেবে কোটেশন
আকারে এটি ব্যবহার করতে। যেহেতু মুখস্ত করেছেন সেহেতু
কোটেশন হিসেবে দেয়ার সময় অবশ্যই নীল রঙের কালি ব্যবহার
করবেন। পরীক্ষক কে বুঝান যে সংবিধান টা আপনি পড়েছেন
বেশ ভালো (!!!) করে।
☼ তো চলুন মুখস্ত করে ফেলি-
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
“আমরা, বাংলাদেশের জনগন, ১৯৭১ খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাসের
২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির
(স্বাধীনতা) জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের (যুদ্ধের) মাধ্যমে
স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত
করিয়াছি”
[আগ্রহী পাঠকগন হয়ত খেয়াল করবেন আমি বন্ধনীর মধ্যে ২টি
শব্দ ব্যবহার করেছি। কারন সংবিধান সংশোধন করে এই শব্দ
গুলো একবার যোগ হয়েছে ও একবার প্রতিস্থাপিত হয়েছে] ☼
আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের
বীর জনগনকে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের (স্বাধীনতার) জন্য
যুদ্ধে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রানোৎসর্গ করিতে
উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও
বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ
অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচারের সেই সকল আদর্শ এই
সংবিধানের মূলনীতি হইবে। [আমার কাছে এই মুহূর্তে ১৫তম
সংশোধনীর পরের সংবিধান টা নাই বলে আগ্রহী পাঠকরা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে এটা ঠিক করে
নিবেন। এই রকম হবার কথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র
ও ধর্মনিরপেক্ষতা-সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি
হইবে।] ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সংবিধানের ১১টি ভাগ মনে রাখার উপায়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
☼ প্র রা মৌ নি আ বি নি ম বাং জ সং বি
আসুন, মিলিয়ে নেই-
১। প্র- প্রজাতন্ত্র
২। রা-রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
৩। মৌ- মৌলিক অধিকার
৪। নি- নির্বাহী বিভাগ
৫। আ- আইন সভা
৬। বি- বিচার বিভাগ
৭। নি- নির্বাচন
৮। ম- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৯। বাং- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
৯ক। জ- জরুরী বিধানাবলী
১০। সং-সংবিধান সংশোধন
১১। বি- বিবিধ
চলুন, এইবার আলাদা ভাবে অনুচ্ছেদ গুলোর দিকে দৃষ্টি দেই।
☼ অনুচ্ছেদ ১-১২
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১-১২ মোটামুটি এমনি মনে থাকে। এই অনুচ্ছেদ গুলোর
মধ্যে গুরুত্তপূর্ন অনুচ্ছেদ গুলো হল-
২- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২ক- রাষ্ট্রধর্ম ( মনে রাখবেন কোন সংশোধনীর মাধ্যমে এটি
হয়েছে)
৪ক- প্রতিকৃতি (১৫ তম সংশোধনীতে পরিবর্তন হয়েছে এখানে)
৬- নাগরিকত্ব
৭- সংবিধানের প্রাধান্য
৮- মূলনীতিসমূহ ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
৯- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়ন
( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
১০- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন
১১- গনতন্ত্র
১২- ধর্মনিরপেক্ষতা ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
☼ অনুচ্ছেদ ১৩-২৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১৩ থেকে অনুচ্ছেদ ২৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মালি কৃষককে মৌ গ্রামে নিয়ে গিয়ে অবৈতনিক
জনস্বাস্থ্যের জন্য সুযোগের সমতা সৃষ্টি করে। এতে অধিকার ও
কর্তব্য রূপে নাগরিকরা নির্বাহী বিভাগ থেকে জাতীয়
সংস্কৃতি ও জাতীয় স্মৃতি নিদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক
শান্তির অংশীদার হলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
১৩-মালি- মালিকানার নীতি
১৪-কৃষক- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫- মৌ- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬- গ্রাম- গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭- অবৈতনিক- অবৈতনিক ও বাধ্যতা মূলক শিক্ষা
১৮। জনস্বাস্থ্য- জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৯। সুযোগের সমতা- সুযোগের সমতা
২০- অধিকার ও কর্তব্য রূপে- অধিকার ও কর্তব্য রূপে কর্ম
২১- নাগরিক- নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২- নির্বাহী বিভাগ থেকে- নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার
বিভাগের পৃথকীকরন
২৩- জাতীয় সংস্কৃতি- জাতীয় সংস্কৃতি
২৪- জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন -জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি
২৫-আন্তর্জাতিক শান্তি- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও
সংহতির উন্নয়ন
এইখানে একটি কথা বলতেই হবে। যদি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে,
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি গুলো সংবিধানের আলোকে
আলোচনা করুন অনেকেই শুধু অনুচ্ছেদ-৮ এর “মূলনীতি সমূহ” দিয়ে
আসে। মনে রাখতে হবে দ্বিতীয় ভাগে বর্নিত অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে
অনুচ্ছেদ-২৫ সব –ই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। অনুচ্ছেদ ৮ এ
বর্নিত “মূলনীতি সমূহ” আসলে সংবিধানের মূলনীতি যা
প্রস্তাবনায় বলা আছে। আরেকটি কথা এখানে বলব ঝেহেতু এই
প্রশ্নটির উত্তর অনেক বড় হবে সেহেতু, আপনি অনুচ্ছেদ ৮ এ
বর্নিত মূলনীতি সমূহ একটু বেশী আলোচনা করে অন্য অনুচ্ছেদ
গুলো শুধু নাম লিখে ১ /২ লাইনের মধ্যে লেখা শেষ করবেন।
সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি ভালো পারেন দেখে
শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর অনেক বড় করে দিবেন, সেটা করলে
দেখবেন আপনি সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সময়
পাচ্ছেন না। আর যাদের হাতের লেখা একটু স্লো, তাদের তো
এটা আরো ভাল করে মনে রাখতে হবে।
☼ অনুচ্ছেদ- ২৬ থেকে ৩১
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩১ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মৌলিক অধিকার আইনের দৃষ্টিতে ধর্ম , সরকারী নিয়োগ ও
বিদেশী খেতাব গ্রহনে সকলের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
রয়েছে
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
২৬-মৌলিক অধিকার- মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য
আইন বাতিল
২৭-আইনের দৃষ্টিতে – আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২৮- ধর্ম- ধর্ম প্রভৃতি কারনে বৈষম্য
২৯- সরকারী নিয়োগ- সরকারী নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন
নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার – আইনের আশ্রয় লাভের
অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩২ থেকে ৩৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩২ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ জীবনে ১বার গ্রেপ্তার হলে জবরদস্তি বিচার হয়
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩২-জীবনে- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ
৩৩-গ্রেপ্তার – গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৩৪- জবরদস্তি- জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরন
৩৫- বিচার- বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন
নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার – আইনের আশ্রয় লাভের
অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩৬ থেকে ৩৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ চসমা সংবা(দ)ক
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩৬-চ-চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭-সমা – সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮- সং- সংগঠনের স্বাদহীনটা
৩৯- বাদ(ক)- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক
স্বাধীনতা
☼ অনুচ্ছেদ- ৪০ থেকে ৪৩
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪০ থেকে অনুচ্ছেদ ৪৩ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ পেধসগৃ
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪০-পে-পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
৪১-ধ – ধর্মীয় স্বাধীনতা
৪২- স- সম্পত্তির অধিকার
৪৩- গৃ- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
☼ অনুচ্ছেদ- ৪৮ থেকে ৫৪
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪৮ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৪ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমার মেয়াদে দায়মুক্তি পেতে অভিসংশন
ও অপসারনের ক্ষমতা স্পীকার কে দিলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪৮-রাষ্ট্রপতি -রাষ্ট্রপতি
৪৯-ক্ষমার –ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
৫০- মেয়াদে- রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ
৫১- দায়মুক্তি- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২-অভিসংশন –রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
৫৩-অপসারনের – অসামর্থ্যের কারনে রাষ্ট্রপতির অপসারন
৫৪- স্পীকার- অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতি পদে
স্পীকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৫৫ থেকে ৫৮
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৫৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৮ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিগণ প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদের
মেয়াদ ঠিক করেন।
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৫৫-মন্ত্রিসভায়- মন্ত্রিসভা
৫৬-মন্ত্রিগণ- মন্ত্রিগণ
৫৭- প্রধানমন্ত্রী- প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ
৫৮-অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ- অন্যান্য মন্ত্রীর পদের
মেয়াদ
☼ অনুচ্ছেদ- ৬৫ থেকে ৭৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৭৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই
ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ সংসদ সদস্যগন শুন্য পারিশ্রমিকে অর্থদন্ড ও পদত্যাগের
কারনে দ্বৈত অধিবেশেনে ভাষনের অধিকার স্পীকার কে
দিলেন। কিন্তু কোরাম না থাকায় স্থায়ী কমিটি ন্যায়পাল
নিয়োগে বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি পেতে সচিবালয় গঠন
করেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৬৫-সংসদ –সংসদ প্রতিষ্ঠা
৬৬-সদস্যগন –সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৬৭- শুন্য- সদস্যদের আসন শুন্য হওয়া
৬৮- পারিশ্রমিকে- সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি
৬৯-অর্থদন্ড– শপথ গ্রহনের পূর্বে আসন গ্রহন বা ভোট দান করিলে
সদস্যের অর্থদন্ড
৭০-পদত্যাগের কারনে – পদত্যাগ ইত্যাদি কারনে আসন শূন্য
হওয়া
৭১- দ্বৈত- দ্বৈত সদস্যতায় বাঁধা
৭২-অধিবেশেনে –সংসদের অধিবেশেন
৭৩-ভাষনের –সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
৭৩ক-অধিকার- সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার
৭৪- স্পীকার- স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার
৭৫-কোরাম– কার্যপ্রনালী বিধি, কোরাম প্রভৃতি
৭৬-স্থায়ী কমিটি – সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ
৭৭- ন্যায়পাল- ন্যায়পাল
৭৮-সচিবালয়- সচিবালয়
এতক্ষন ধরে পড়ার পর যারা চিন্তা করছেন এই কবিতাই তো মনে
থাকবে না, তাদের জন্য বলছি আর কোন কবিতা বা ছন্দ আমি
তৈরি করি নি!!! কিন্তু তারপরেও আমি বলব, আরো বেশ কিছু
অনুচ্ছেদ আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে পড়তেই হবে। সেগুলো
হলঃ
§ অনুচ্ছেদ-৪৬- দায়মুক্তি বিধানের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ-৬৩- যুদ্ধ
§ অনুচ্ছেদ- ৬৪- অ্যাটনী জেনারেল
§ অনুচ্ছেদ- ৮১- টীকা হিসেবে অনেকবার এসেছে, টীকা
হিসেবে তাই খুব ই গুরুত্বপূর্ণ
§ অনুচ্ছেদ-৮৩-অধ্যাদেশ প্রনয়নের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ- ১১৭-প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
§ অনুচ্ছেদ- ১২২-ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
§ অনুচ্ছেদ-১৪১ ক, খ, গ- জরুরী অবস্থা
§ অনুচ্ছেদ- ১৪২-সংবিধান সংশোধন
§ ১৪৫ক- আন্তর্জাতিক চুক্তি
§ ১৪৮- পদের শপথ

24/06/2019

২৪ জুন
ঘটনাবলী
০২০৭ সালে রোমান্সরা গাইস ফ্লামিনিয়াস পরিচালনায় ওত পেতে থাকে এবং পরাজিত হয় হানিবাল কর্তৃক লেইক ত্রিসিমিনি যুদ্ধে।
০৬৫৬ সালে খলিফা হযরত ওসমান (রা.)’র হত্যাকাণ্ডের পর হযরত আলী (রা.) চতুর্থ খলিফা নির্বাচিত হন।
১৭৬৩ সালে ব্রিটিশ সৈন্যরা মুর্শিদাবাদ দখল করে মীর জাফরকে বাংলার নবাব নিযুক্ত করা হয়।
১৭৯৩ সালে ফ্রান্সে প্রথম গণতান্ত্রিক সংবিধান গৃহীত হয়।
১৮১২ সালে ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ৩ লাখ ৫০ হাজার সৈন্য’র এক বিশাল বাহিনী নিয়ে যার শাসিত রাশিয়ায় হামলা করেন।
১৮৫৯ সালে সোলফেরিনোর যুদ্ধে ফরাসিরা অস্ট্রিয়দের পরাজিত করে।
১৯১৮ সালে কানাডায় মনট্রিল থেকে টরন্টো প্রথম এয়ার মেইল সার্ভিস শুরু হয়।
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় উপলক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়নে বিজয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৪৮ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক বার্লিন অবরোধ শুরু হয়।
১৯৭৫ সালে মোজাম্বিক স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭৬ সালে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম পুনরেকত্রীকরণ করা হয়।
১৯৭৮ সালে ইয়েমেনে এক কূটনীতিকের ব্রিফকেসে পাতা বোমা বিস্ফোরণে প্রেসিডেন্ট আহমদ হুসেইন ঘাশামি নিহত হন।
১৯৮৮ সালে ইরাকের আগ্রাসী বাহিনীর জঙ্গীবিমান মাজনুন দ্বীপে মোতায়েন ইরানী সেনাদের ওপর রাসায়নিক বোমা বর্ষণ করে।
১৯৯২ সালে ইসরাইলে নির্বাচনে লেবার পার্টির কাছে কট্টরপন্থি লিকুদ পার্টি পরাজিত হয়।
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া যৌথ মহাশূন্য স্টেশন স্থাপন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে।
২০০২ সালে তাঞ্জানিয়ায় আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর রেল দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ২৮১ জন মারা যায়।

Address

Manikganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Educated Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share