Sawon store

Sawon store Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sawon store, Panchagarh.

04/01/2023

খোলো অর্ন্তদৃষ্টি
বাবুল হোসেন বাবলু

৪-১২-২০২৩

দাবদাহের স্ফুলিঙ্গে ধ্বংসের কবলে বিশ্ব চরাচর,
কর্ণকুহুরে বাজে পতিত পাতার আকুতি ভরা মর্মর।
সভ্যতা পিষ্ট অসভ্যতার পদতলে দাসত্বের শিকলে,
মনুষ্য নামধারী নরকীট রাজ করে বিশ্ব ভূমন্ডলে।
মানবতা ঘুমিয়ে তমিস্রতার চাদরে মৃতাত্মার আদলে,
যাপিত জীবন বিধ্বস্ত বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার অনলে।
ন্যায়ের দীপালোক জ্বালায় না সত্য সুন্দরের কাণ্ডারী,
রাক্ষুসে হংকারে কম্পিত ধরাধাম দম্ভিত বিনাশকারী।
ধেয়ে আসে মানবনামের যমদূত অধীশ্বরের ভূমিকায়,
ভুখানাঙ্গার নীরব মিছিলে বারুদের তপ্ত বারিষ বিলায়।
দিনকে দিন বাড়ছে লাশের সারি স্রষ্টার সৃজিত সংসারে,
স্রষ্টার আসনে আসীন পরাশক্তিরা নিত্য ব্যস্ত অনাচারে।
গোলার অগ্নিতে জ্বাজ্জল্য ধরা, মলিন প্রকৃতির আলো,
থাকতে সময় জ্ঞানপাপীরা,সত্য ন্যায়ের মশাল জ্বালো।
আপন দাহে দহিত হবে আপনি, পাবে না কভুও নিস্তার,
ইতিহাসের আস্তর পড়া পাণ্ডুলিপিতে দৃষ্টি দাও একবার।

28/12/2022

অবিস্মৃত একাত্তর
বাবুল হোসেন বাবলু
২৮-১২-২০২২

নিশুতির নীরবতা নেমে আসে সন্ধ্যা নামতে না নামতে,
শিশির ঝরা টুপটাপ শব্দও যেন বুলেট বৃষ্টির ধারাতে ।
মায়ের আঁচলে আবৃত সন্তানের কচি দেহ ভীত সন্ত্রস্তে,
উন্মাদ মাতাল হায়েনার অসময়ে আগমন রাত বিরাতে।
গৃহাবাসে কুপির আলো নিভন্তপ্রায় দৈত্যের আগমনে,
রাস্তার পাশের টং দোকানদার বাড়ি ফেরে বিরস মনে।
থেমে গেছে নিত্যকার চা আড্ডা যুদ্ধকালীন কথকতা,
গাঁও ছাড়া দেশপ্রেমী যুবাশ্রেণির রাত যাপন হেথাহোথা।
বিকেল থেকে মুখভার করে সেদিন মেঘাক্রান্ত আকাশ,
হিমশীতল কুয়াশায় সিক্ত নিশিঅন্তের দখিনা বাতাস।
কাঁচা রাস্তার বুক পিষ্টকরে ছুটে আসে জিপ সারি সারি ,
সমতালে আসে মেশিন গানের নলানিঃসৃত বুলেট বারি।
বিক্ষিপ্ত গোলার ঝলকানিতে ত্রাহি ত্রাহি রব গ্রামজুড়ে,
যে যেদিকে পারে বাঁচার তাগিদে ছোটে ঝোপ জঙ্গলে।
পাশের বাড়ির চনের চালাঘরে অগ্নির লেলিহান শিখা
ভোরের আকাশে মূর্তমান প্রজ্বলিত আলোর দীপ্তরেখা।
আকস্মিক মোটরের বজ্রসম সেল আঘাত হানে বসতে,
বেদিশা পরিবার পরিজন বন্দী চারপাশের অগ্নিপাতে।
মা জননী অকস্মাৎ ছররার আঘাতে উঠোনে শায়িত,
রক্তের স্রোত বইছে আঙিনা জুড়ে অবিরাম অবারিত।
ছোট ভাইবোনদের জড়িয়ে আমি, বাগান পানে ধাবিত,
অবোধ মনে শঙ্কার বসত,তবে কি আজ মৃত্যু নিশ্চিত?
সাবালক নই তবুও বুঝি মৃত্যু কতোটা কষ্টের পরিণতি,
জলাশয়ে আবক্ষ নিমগ্ন হয়ে,প্রাণপণে বাঁচার আকুতি।
জ্বলছে বাড়ি ঘর, গ্রামবাসির আহাজারি ধ্বনিত সর্বত্র,
মা ইশারায় জানান দিলেন, সরে যাও তোমরা অন্যত্র।
দিবারবির আগমনে ধ্বংসযজ্ঞ শেষে হায়েনার বিদায়
অদ্যাপিও পশ্চিমার নৃশংসতা কল্পচোখে ভেসে বেড়ায়।
ধ্বংসের চিহ্ন বিদ্যমান গৃহাবাসে, ছিদ্রকরা টিনের বেড়া,
মায়ের কপালের দাগ আজীবন ছিলো কপালজোড়া।
সেদিনের স্মৃতি শিহরিত করে- ফিরে এলে মহান বিজয়,
একাত্তরের কলঙ্কিত উপাখ্যান কভুও বিস্মৃত হবার নয়।

22/12/2022

সুখস্রোত
২২-১২-২০২২

বাবুল হোসেন বাবলু

শেষ রাতের ঝলমলে শুকতারাটি প্রাতের প্রতীক্ষায়,
বিদায়ী জোছনার রেশটুকু আঙিনার প্রান্ত চুমে যায়।
বাতায়ন পথে হিমেল হাওয়া মৃদুমন্দ শিহরণ তোলে,
মাদক নেশায় মাতাল দেহসৌষ্ঠব প্রণয় তান্ডব ঝড়ে।
একাত্ম দেহমন ক্রমশ জলাশয়ের গভীর হতে গভীরে,
বাধাহীন কপোত-কপোতী হারায় দূর হতে দূর অম্বরে।
প্রণয় শীৎকার আবৃত ঊষার পাখিডাকা কোলাহলে,
স্বর্গীয় সুধায় আপ্লুত হৃদন্তর আরাধ্য প্রাপ্তির বিহ্বলে।
পূর্বাকাশে রক্তিম রেখা জানান দেয় বাকি নেই নিশি ,
বুকের কর্ষিত উষ্ণ জমিনে চুম্বন আঁকে প্রিতম মানসী।

20/12/2022

কালের গহ্বর
বাবুল হোসেন বাবলু
২০-১২-২০২২

সময়ের রাজ প্রাসাদ কালের আবর্তে মজ্জ মলিনতার জঠরে,
ধীরে ধীরে খসিত ঝলমলে আস্তর, জীর্ণতা বাসা বাঁধে গহ্বরে।
চাকচিক্যের জৌলুস বিমূর্তপ্রায়, ধস নামতে পারে যখন তখন,
সবুজতার গায়ে দখল নিয়েছে হরিদ্রাভতার অবাঞ্ছিত গ্রহণ।
চারিপাশ বেষ্টিত গুণ কীর্তনকারীদের নেই আর তেমন সমাগম,
একাকীত্বের করাল গ্রাসে অন্তিম সুরের বাঁশি বাজার উপক্রম।
ধেয়ে আসে বিরান ভূমের শূন্যতা রিক্ত বসতিতে আসন গাড়তে,
নেই আর জলসাঘরের মুখরিত কোলাহল শিল্পীর নিপুণ কণ্ঠশৈলীতে।
নিশুতির নীরবতা ভেদে ঝঙ্কারিত হয়না প্রমোদের বিলাসী উচ্ছ্বাস,
তমসার চাদরে ঢেকে গেছে ফুর্তির ফোয়ারা ছড়ানো বিভাস।
থেকে থেকে উঁকি মারে স্মৃতির ক্যানভাসে বিগত সময়ের আলেখ্য,
ক্রমাগত ব্যথার শূলে বিদীর্ণ অতি যতনে রক্ষিত রাজার আবক্ষ।
নিয়তি বড়ই ক্ষমাহীন, ছাড় নেই এতটুকুন ধরাধামের মেলায়,
জলশূন্য ধূসর দৃষ্টিতে চেয়ে থাকা কেবল সমাগত অস্ত বেলায়।
চক্রবৃত্তের অচেনা পথে পাড়ি দিশাহীন পথহারা ভ্রান্ত পথিকের
সময় ঘড়ির অবিরাম স্রোতে গা ভাসিয়ে অপেক্ষা অন্তিম প্রহরের।

18/12/2022

মুক্তির নিঃশ্বাসে
বাবুল হোসেন বাবলু
১৮-১২-২০২২

রক্ত নদী সাঁতরে, লক্ষ লাশের প্রাচীর ডিঙিয়ে,
অবশেষে মানচিত্রে অঙ্কিত হলো লাল সবুজের পতাকা
চব্বিশ বছরের গোলামীর জিঞ্জির ছিন্ন করে,
সবুজ বাংলার ভূমে ডানা মেললো মুক্ত স্বাধীন বলাকা।
ভাই হারা বোনের, মা হারা সন্তানের আর্তিতে,
প্রকৃতিও কেঁদেছে জলন্ত অগ্নিশিখার তীব্র দাবানলে
পশ্চিমা হায়েনার নির্বিচার হত্যাযজ্ঞও পারেনি
ফাটল ধরাতে বীর বাঙালির, দৃঢ় অদম্য মনোবলে।
মাতৃভূমি জননীর সন্মান রক্ষায় অকাতরে,
বলিদান দিলো আবাল বৃদ্ধ বনিতা আপামর জনতা
মা তুলে দিয়েছে অস্ত্র একমাত্র সন্তানের হাতে
অকুণ্ঠ চিত্তে বলেছে, ছিনিয়ে নিয়ে আয় স্বাধীনতা।
স্বাধীনতার সামনে তুচ্ছ সবই, কে পারে রুখতে,
জয় বাংলা ধ্বনি রব বাংলার ঘরে,আকাশে বাতাসে
নয়মাসের প্রাণপণ যুদ্ধে কুচক্রীরা হটে পশ্চাতে
মুষ্টিবদ্ধ হাত উর্ধ্বে উত্তোলিত আরাধ্য মুক্তির নিঃশ্বাসে।

15/12/2022

জাগ্রত প্রত্যয়ী চেতনা
বাবুল হোসেন বাবলু
১৬-১২-২০২২

একুশের আন্দোলন একাত্তরে বিস্ফোরণ
অস্তিত্ব রক্ষায় অসম রণ
মস্তকে কাফনের কাপড়
দিতে হবে মরণ কামড়
স্বাধীনতা না হয় মরণ।
অস্ত্রধারী শাসক একদিকে
নিরস্ত্র জনতা অন্যদিকে
সারা বাংলায় রক্তের হোলি
আর কত সইবে বাঙালি?
জেগেছে তরুণ বৃদ্ধ বনিতা
কত আর পরাভবতা
ছিন্ন হবে এবার অধীনতা।
প্রতিরোধের ঝড় উঠেছে এবার
সময় হয়েছে হিসেব চুকাবার
ঘুমঘোরে নয় আর
শাসকের স্বর্গ হবে চুরমার।
মাঠ ঘাট প্রান্তরে তারুণ্যের পদভারে
কম্পিত পশ্চিমা হায়েনা
পালাবার পথ পায়না
নির্লজ্জ আত্মসমর্পণে
রেসকোর্সের ময়দানে
পঁচানব্বই হাজার হায়েনা এককাতারে।
নর ঘাতক পাকিদের দর্প
নয়মাসে হয়ে গেলো খর্ব
ষোলই ডিসেম্বরের লাল সূর্যটা
বয়ে আনে লাল সবুজের পতাকা।
বিস্ময়ে হতবাক বিশ্ববাসী
বাঙালির মুখে মুক্তির হাসি
বিজয়ের মালিকা বাঙালির গলে
পশ্চিমার অহমিকা পায়ের তলে।
অমর চিরদিন আমাদের স্বাধীনতা
বিস্ফোরণের রেশ
হয়নি আজও শেষ
আজও যারা পাকিভক্ত
নিভৃতে ঝরায় তাজারক্ত
রাখিস তোরা আজন্ম স্মরণ
অমিত তেজের হয়নি ক্ষরণ
আর কভু নয় শিকলে বাঁধা পরাধীনতা।

10/12/2022

দুর্ভেদ্য প্রাচীর
বাবুল হোসেন বাবলু
১০-১২-২০২২
দুর্ভেদ্য প্রাচীরে আবেষ্টিত তমসাচ্ছন্ন জীবন,
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় অষ্টপ্রহর দুখ সৈনিকের বিচরণ।
মিলে যদি শান্ত দেবের প্রসন্নচিত্তের একটু দরশন,
প্রতীক্ষিত সুখপাখি ফাঁকফোকরের করে অন্বেষণ।
পাষাণ পাথরে মাথা ঠুকে দিবারাতি রক্ত ঝরা,
ভগ্ন জীবন রথের যাত্রী হয়ে প্রাণপাখি দিশাহারা।
জীবন দাতা হয় না সহায় তুলে নিতে কোলে,
প্রশান্ত হবে কষ্টরাজ আর কত রক্ত স্রোত গড়ালে?
লেলিহান শিখায় জ্বলে জ্বলে অঙ্গার আত্মা,
জাগতিক চেতনা মেনে নেয় কেবলই পরাভবতা।
তিক্ত যাপনে অন্তর্গত মিনতি অবাঞ্ছিত মরণ,
অসহনীয় নারকীয় যন্ত্রণাকে কত আর করবো বরণ?
ছিন্ন হয় না অদৃশ্যমান দেয়ালের রূঢ় অর্গল,
ক্লান্তি শ্রান্তিতে নেতিয়ে পড়ে ক্ষত বিক্ষত মনোবল।
বাড়ায় না কেউ সান্ত্বনার হাত তুলে নিতে কিনার,
এ্যঁমনি করে বন্দী কয়েদি পৌঁছে যাবে জীবনের ওপার।

08/12/2022

ঈর্ষার অধিরাজ
০৮-১২-২০২২

বাবুল হোসেন বাবলু
হতে পারে এ আমার অধঃপতন
ঈর্ষার রোষানলে দগ্ধ সারাক্ষণ।
গুণকীর্তন করে যদি কেউ তোমার,
জ্বলে পুড়ে হই আমি অঙ্গার।
মুগ্ধতায় কেউ তাকায় যদি তোমার পানে,
কে যেন আমার বুকে অঙ্কুশ হানে।
মহানুভব নই আমি,
যার তার হবে তুমি।
হাস্যরসে এলিয়ে পড়বে তুমি অন্যের গায়ে,
আমার অর্পিত অঞ্জলি দু'পায়ে দলিয়ে!
ঝর্ণাসম হাসির কলকল ধারায়,
বিলাও যখন সুধাবাণী প্রিতম তরে
মন পাখি যন্ত্রণায় কাতরায়।
উদ্যত অন্তর পশু শানিত ছুরিতে,
তোমার সুজন রসিকের বক্ষ বিঁধিতে।
তুমি যে একা আমার,
একচ্ছত্র অধিরাজ আমি তোমার।
ছাড় নেই এখানে একবিন্দু,
দেখো চেয়ে দুচোখে জমানো প্রেমের সিন্ধু।
এ জীবন খেয়ার,
যাত্রী নেই কেউ আর
শুধুই দুজন দুজনার ।
অবাঞ্ছিত এখানে অনুপ্রবেশ কারো,
একক মালিকানা এখানে
আবেদনে নিবেদনে -
বলে বলুক লোকে ঈর্ষাতুর যতো পারে আরো।
এপার ওপারের হোক যতো ব্যবধান,
মাঝখানে হবে নাকো অন্য কারো স্থান।
বলো তুমিও ঈর্ষারাজ নেই তাতে কোন ক্ষতি,
একালে ওকালে তোমাতেই অর্পণ আমার সকল আরতি।
অপবাদ যা কিছু থাকুক আমারই,
প্রেমাঞ্জলি রেখে যাবো চরণে তোমারই।
ভূমন্ডলে যা কিছু দৃশ্যমান তুচ্ছ সবি,
রাতের চাঁদনি - সন্ধ্যার সাঁঝ মালতি
নন্দন নদীতট - সবুজ প্রকৃতি
দিলাম সবই আহুতি --
তুমিই আমার শীত সকালে রোদ ছড়ানো তপ্ত রবি।

06/12/2022

কখনো কোন অবেলায়
বাবুল হোসেন বাবলু
৬-১২-২০২২

তোমার পথের পানে চেয়ে চেয়ে ধূসর দুটি আঁখি
কাটে না প্রতীক্ষার প্রহর মানসী আমার,
তোমার আসার আর কত বাকি?
দিবা শেষে বেলা যে অস্তের কিনার
আশার পিদিম জ্বলে আর নিভে,
সহসায় ঘনাবে হয়তো নিকষ কালো আঁধার।
কি হবে জ্বালিয়ে রেখে দীপ মনোমন্দিরে
ক্লান্ত পথিক ফিরে যায় বিফল মনোরথে দূর হতে দূরে,
সেই ভালো বাজালে না হয় বিদায়ের বাঁশি একেবারে।
আলেয়ার আলো সে তো মরীচিকাল ছল,
মিছেই মায়াবিনী তরে ঝরানো দুচোখের জল।
ব্যথার দানই হোক ব্যর্থ জীবনের সান্ত্বনার আধার।
কেটে যায় দিবানিশি বাসনার কলি ঝরে ঝরে,
মরোমরো প্রাণপাখি, কি হবে পাথরের পূজা করে।
সেই ভালো ছিন্ন করে দাও চিরতরে বন্ধন যত,
আমার বুকের শুভ্র চাদরেই অঙ্কিত থাক রক্তের ক্ষত।
তোমার সুখের জলসায় আসবো না কাঁটা হতে,
পূজারির ঝরাফুল ভেসে যাক বেদনার নোনাস্রোতে।
ভুলে যেও বাসন্তী সেই সন্ধ্যায় ছিলো কেউ সাথে,
গেয়ে ছিলো ভোরের পাখি ফুল কুড়ানো প্রাতে।
আশিস সদায় স্বর্গীয় আবেশে কাটুক তোমার জীবন,
হয়তো শুনবে কখনো অবেলায়, তোমাকে প্রাণাধিক
ভালোবাসার মানুষটি মৃত্যুকে করেছে আলিঙ্গন।

04/12/2022

পাথুরে প্রতিমা
বাবুল হোসেন বাবলু
০৪-১২-২০২২

সকালের মিষ্টি রোদ হয়ে এসেছিলে জীবনে,
ব্যথার বারিষ ঝরিয়ে ফিরে গেলে অস্তের লগনে।
দিনভর ভ্রান্তির খেলা খেলে-
জানিনা কোন্ সুখে ভাসলে।
অনন্ত ভাবনারা কুরে কুরে খায় দিবানিশি,
ম্রিয়মাণ কেন জোছনা ছড়ানো রাতের শশী।
প্রশ্নের ভিড়ে প্রশ্ন একাকার -
তবে কি তুমি ছিলেনা আমার?
আকাশে বিমূর্ত ঝলমলে তারার হরষিত মেলা,
আঁধার বসতিতে শূন্যতাকে সাথী করে কাটছে বেলা।
জানি কর্ণ কুহরে ঢুকবে না
রিক্ত ভিখারির সকরুণ কান্না
হয়তো নতুন খেলায় মগ্ন, সাথে নিয়ে নতুন সাথী,
মিলে না দেখার ফুরসত, কার গৃহে নিভলো বাতি।

02/12/2022

শূন্য হৃদ পিঞ্জর
বাবুল হোসেন বাবলু

০২-১২-২০২২.

যত্নে লালিত সোনা পাখিটি উড়ে গেছে দূর অজানায়,
ধরা ছোঁয়ার বাইরে ঘন কালো মেঘের শূন্য নিলীমায়।
খণ্ড খণ্ড মেঘমালা ঢেকে রাখে দীপালির আলোরেখা,
দৃষ্টির সীমানায় ছায়া ফেলে স্মৃতির জলন্ত বহ্নিশিখা।
শূন্য পিঞ্জর হাহাকারে দিবানিশি পাখির পরশ বিনে,
হয়তো কাটছে মধুময় ক্ষণ নববধূর আদুরে পরশনে?
ফাগুন বসন্ত কেঁদে যায় রিক্ত আকুলতা বুকে লয়ে,
বিষাদিত গোধূলি রক্তিমাভা ছড়ায় হৃদয়ের আলয়ে।
করুণ কান্নার রোল ভেসে বেড়ায় দখিনার সমীরণে,
পাহাড়ের বুক ভাঙা আর্তনাদ ধ্বনিত ঝরনার রোদনে।
মিষ্টি পাখির গুঞ্জন রণিবে না আর বেলা অবেলায়,
মন খারাপের ক্ষণগুলো মুখর হবে না বিজন বরষায়।
প্রতীক্ষার প্রহর গুলো দিবাঅন্তে বিষের বাঁশি বাজায়,
অজান্তে অলক্ষ্যে যেন যমদূত প্রাণ কেড়ে নিতে চায়।
'ফিরে আয় ওরে পাখি,আকুল আহাজারি গুমরে কাঁদে,
জানতে ইচ্ছে করে বড়, হারালো পাখি কোন অপরাধে?

28/11/2022

আজন্মের আশ
২৮-১১-২০২২

বাবুল হোসেন বাবলু

আঁচল পাতিয়া দাও বধূয়া
দেখি ধবল জোছনা,
মিলন বাসনায় কাতর হিয়া
বাধার প্রাচীর রেখোনা।
জোনাই জ্বলে ঐ কুঞ্জবনে
তারারা সাজায় বাসর,
হাসনু সুবাস ছড়ায় অঙ্গনে
বাতায়নে চাঁদনির আসর।
বাহুবন্ধনে বেঁধে রেখো সই
আলগা করোনা মধুর বাঁধন,
বৃক্ষ ডালে পাখি ডাকে ওই
ফুল কাননে ভ্রমরের গুঞ্জন।
হোকনা কথা নয়নে নয়নে
নিশির নীরবতা হোক সাথী,
ভাঙুক নীরবতা প্রণয় মিলনে
অনিঃশেষিত হোক এ রাতি।
বক্ষ বিছানার উষ্ণ পরশনে
দ্রবীভূত হোক বরফের রাশি,
করপল্লবের শীতল আবেষ্টনে
রৌশনি ছড়াবে পূর্ণিমার শশী।
রক্তিম অধরের মধুসুধা দিও
পিয়াসি চাতকের মিটাও পিয়াস,
যা কিছু সঞ্চিত নেবে বধূ নিও
মিটে যাক চির জনমের আশ।

Address

Panchagarh

Telephone

+8801875433813

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sawon store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share