Fatima's Mirror

Fatima's Mirror welcome to my profile.

🔥 “বিয়ের পর একজন পুরুষ কী হারায়? স্ত্রীর এক উত্তরে বদলে গেল স্বামীর চিন্তা…”এক সন্ধ্যায়, চা হাতে বারান্দায় বসে স্বাম...
28/02/2026

🔥 “বিয়ের পর একজন পুরুষ কী হারায়? স্ত্রীর এক উত্তরে বদলে গেল স্বামীর চিন্তা…”

এক সন্ধ্যায়, চা হাতে বারান্দায় বসে স্বামী হঠাৎ তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল—

“শোনো, বিয়ে করলে একজন মানুষের কী হারায়? আর কীই বা লাভ হয়?”

স্ত্রী একটু মুচকি হাসল। তার সেই হাসির ভেতরে ছিল অভিজ্ঞতা, ছিল সময়ের সঞ্চিত উপলব্ধি।

সে বলল—
“একজন পুরুষ বিয়ের পর হারায় তার একাকিত্ব।
হারায় ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নেবার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা।
হারায় ‘কাউকে না জানিয়ে’ যা খুশি করে ফেলার সুযোগ।

কিন্তু বিনিময়ে সে পায়—
একজন সঙ্গী,
একজন বন্ধুকে,
তার সন্তানের মাকে,
আর একটি ঘর…
যেখানে ফিরে এসে সে শান্তি খুঁজে পায়।”

স্বামী একটু অবাক হয়ে বলল—
“এইটুকুই? সুখ পায় না?”

স্ত্রী এবার গভীরভাবে তাকাল।
“সুখ বাইরে থেকে আসে না। সুখ আমাদের ভেতরেই থাকে।
আমরা যদি বিয়েকে ‘দায়িত্বের ভাগাভাগি’ হিসেবে দেখি, তাহলে আমরা সুখী হব।
আর যদি এটাকে ‘স্বাধীনতা হারানো’ হিসেবে দেখি, তাহলে সারাজীবনই কষ্ট পাব।”

কিছুক্ষণ নীরবতা।
তারপর স্বামী আরেকটি প্রশ্ন করল—
“তুমি আমাকে বেশি ভালোবাসো, না আমাদের সন্তানদের?”

স্ত্রী বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে বলল—
“অবশ্যই বাচ্চাদের।”

স্বামী কৌতূহলী—
“কেন?”

স্ত্রী শান্ত গলায় বলল—
“কারণ তারা আমার শরীরের অংশ। আমার রক্ত। আমার আত্মা।”

স্বামী হেসে বলল—
“আর আমি?”

স্ত্রী উত্তর দিল—
“তুমি আমার এই জীবনের যাত্রাসঙ্গী।
কখনো তুমি আমাকে আকাশভরা আনন্দ দাও,
কখনো তুমি কষ্টের কারণ হও।
কিন্তু এই পথটা তোমাকে নিয়েই হাঁটি।”

---

তারপর স্বামী চুপ করে রইল…

সে ভাবতে লাগল—
দাম্পত্য কি শুধু ত্যাগের ওপর গড়া?
আর এই ত্যাগ কি কখনো স্বীকৃতি পায়?

বাস্তবতা হলো—
সংসারে একজন নারীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি, কিন্তু তার মূল্যায়ন সবচেয়ে কম।

একটা পরিবার তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়।
সে ভোরে ওঠে, সবার প্রয়োজন মেটায়, নিজের ক্লান্তি লুকিয়ে হাসিমুখে দিন পার করে।

কিন্তু—

🔹 বাচ্চা অসুস্থ হলে বলে— “মা ঠিকমতো দেখেনি।”
🔹 বাচ্চা ভুল করলে বলে— “মা সঠিক শিক্ষা দেয়নি।”
🔹 স্বামী অসুস্থ হলে বলে— “স্ত্রী খেয়াল রাখেনি।”

কেউ দেখে না—
সে রাত জেগে সেবা করে,
চিন্তায় ঘুম হারায়,
নিজের ইচ্ছেগুলো চুপচাপ গিলে ফেলে।

একজন নারী শুধু গৃহিণী নয়—
সে একটি বিদ্যালয়।
সে প্রথম শিক্ষক।
সে সেই ডাক্তার, যে মনের ক্ষত সারিয়ে দেয়।
সে সেই নার্স, যে রাতভর পাহারা দেয়।
সে সেই লাইব্রেরি, যেখানে জমা থাকে জীবনের জ্ঞান, মমতা আর মূল্যবোধ।

---

হে নারী…

তুমি নিঃশব্দ যোদ্ধা।
তুমি প্রজন্মের নির্মাতা।
তুমি পৃথিবীর ভালোবাসার উৎস।

আজ একবার নিজের দিকে তাকাও।
নিজের ত্যাগকে স্বীকার করো।
নিজেকে নিয়ে গর্ব করো।

কারণ তুমি শুধু সংসার চালাও না—
তুমি একটি পৃথিবী গড়ে তোলো। ❤️

যদি তুমি একজন নারী হও— এই লেখা তোমার জন্য।
আর যদি তুমি একজন পুরুষ হও— তাহলে একবার ভেবে দেখো, তোমার পাশে থাকা মানুষটির মূল্য কতটা।

শেয়ার করো, যেন প্রতিটি নারী বুঝতে পারে—
সে অমূল্য।

C

আমি বুঝিনি,,, দুনিয়ার মানুষ সরলতা এবং পবিত্রতার দাম অপবাদ আর কলঙ্ক দিয়ে শোধ করে!আমার সাথে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা,প্রতারণা করল...
24/02/2026

আমি বুঝিনি,,,
দুনিয়ার মানুষ সরলতা এবং পবিত্রতার দাম
অপবাদ আর কলঙ্ক দিয়ে শোধ করে!
আমার সাথে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা,
প্রতারণা করলে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই!
কেননা, আমি নিজেই তো সব চাইতে বেশি
নিজের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ ও প্রতারণা করেছি।
কেউ প্রতিশ্রুতি, ওয়াদা রক্ষা না করলে
আমার একটুও কষ্ট হয়না।
কেননা, আমি নিজেই তো নিজের সাথে করা
ওয়াদা হাজারো বার ভঙ্গ করেছি!
আমি কি করে অন্য কাউকে দোষ দেই ....???

~সন্ধ্যাবাতি

👇১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাযে ঘটনাটি আজও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।এই গল্প পড়ার পর হয়...
05/02/2026

👇১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা
যে ঘটনাটি আজও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
এই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন,
আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন।

গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে…

🧪 ১৯৫০ সাল, আমেরিকা

বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়।
খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম।

ব্যবস্থা এমন
ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে,
তার মস্তিষ্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল।
আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন
অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি 🥰

সহজ ভাষায় বললে,
বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে—
যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়।

🔥 শুরু হলো সেই মরণনেশা

শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর।

মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে।
ইঁদুরটি থমকে গেল
“এই সুখ এলো কোথা থেকে?”

সে আবার বোতাম চাপল।
আবারও সেই অনুভূতি।

এবার সে বুঝে গেল
এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস।

তারপর?
তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি।

ইঁদুরটি বারবার… শুধু বোতামই চাপতে লাগল।

🧠 যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন।

খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার।
ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর।

এখন আপনার কী মনে হয়? 🤔
সে কি খাবার খেল?
নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল?

না।

সে কিছুই করল না।

খাবার পড়ে রইল সে তাকাল না।
সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না।

দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে
সে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল
লাল বোতাম চাপা।

কারণ,
খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়,
তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ
এই কৃত্রিম সুখে।

💔 শেষ পরিণতি

এক দিন… দুই দিন… তিন দিন…

ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল।
শক্তি ফুরিয়ে এলো।
কিন্তু বোতাম চাপা থামল না।

শেষ পর্যন্ত
ইঁদুরটি মারা গেল।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? 😥
মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল
লাল বোতামের ওপর।

মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত
সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল।

❓এই পরীক্ষা কি সত্যিই শেষ?

আপনি ভাবতে পারেন
১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ!

কিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো
পরীক্ষাটি আজও চলছে।

শুধু ইঁদুর বদলেছে।

আজ সেই খাঁচার ইঁদুর
আপনি… আর আমি।

📱 লাল বোতাম বদলে গেছে

১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম
২০২৪ সালে এসে নিয়েছে
একটি চারকোনা আয়তাকার স্ক্রিনের রূপ।

একটু ভেবে দেখুন

👉 আমরা কি খাবারের টেবিলেও ওই স্ক্রিনে সুখ খুঁজি না?
👉 পাশের মানুষটিকে উপেক্ষা করে কি স্ক্রিনেই ডুবে থাকি না?
👉 ঘুম নেই, শান্তি নেই তবু কি মাঝরাতে স্ক্রল থামে?

ইঁদুরটি যেমন সুখের নেশায় জীবন দিয়েছিল,
আমরাও কি প্রতিদিন
আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবন
এই চারকোনা যন্ত্রটার কাছে তুলে দিচ্ছি না? 🤔

🛑 সেই আয়তাকার জিনিসটির নাম কী?
কমেন্টে লিখুন।
লেখাটি শেয়ার করুন
সময় থাকতে খাঁচা ভাঙুন।

কারণ কৃত্রিম সুখ কখনোই জীবনের বিকল্প হতে পারে না।

The Millennium stars school and college Rangpur.Annual sports 2026
01/02/2026

The Millennium stars school and college Rangpur.
Annual sports 2026

লাভ বোম্বিং মিষ্টি মোড়কে ভয়ংকর ফাঁদলাভ বোম্বিং—শব্দটা শুনতে যতটা রোমান্টিক লাগে, এর পেছনের বাস্তবতা ততটাই অন্ধকারাচ্ছন্ন...
24/01/2026

লাভ বোম্বিং

মিষ্টি মোড়কে ভয়ংকর ফাঁদ
লাভ বোম্বিং—শব্দটা শুনতে যতটা রোমান্টিক লাগে, এর পেছনের বাস্তবতা ততটাই অন্ধকারাচ্ছন্ন।

এটি কোনো নিছক ভালোবাসার প্রকাশ নয়, বরং এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল (psychological manipulation) যা অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।
যেভাবে কাজ করে লাভ বোম্বিং
ভাবুন তো, আপনার জীবনে এমন একজন মানুষ এলো যে হঠাৎ করেই আপনাকে অঢেল ভালোবাসা, মনোযোগ, প্রশংসা আর উপহারে ভরিয়ে দিল।

আপনার মনে হতে পারে, "আহা! এমন মানুষই তো আমি সারা জীবন খুঁজেছি!" সে আপনার প্রতি এতটাই যত্নশীল আচরণ করবে যে মনে হবে যেন সে আপনার জন্যই তৈরি হয়েছে। রাতারাতি আপনার দুনিয়াটা যেন ভালোবাসার বন্যায় ভেসে যাবে। এটাই হলো লাভ বোম্বিংয়ের প্রথম ধাপ— তীব্র মুগ্ধতা এবং আসক্তি (intense idealization and addiction) তৈরি করা।

যখন মুখোশটা খুলে যায়
কিন্তু এই মধুচন্দ্রিমা চিরস্থায়ী হয় না। যখন আপনি পুরোপুরি তার ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল (emotionally dependent) হয়ে পড়বেন এবং তার প্রতি অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন, তখনই খেলাটা পাল্টে যাবে। হঠাৎ করেই সে দূরে সরে যাবে, যোগাযোগ কমিয়ে দেবে, বিরক্তি প্রকাশ করবে, এমনকি আপনাকে দোষারোপ করা শুরু করবে।

আপনি হতবিহ্বল হয়ে ভাববেন, "আমি কি এমন কিছু ভুল করলাম?" এই পর্যায়ে আপনার আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায় এবং নিজেকে দোষী মনে হতে থাকে।
এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ কৌশল
আসলে, লাভ বোম্বিং হলো এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ কৌশল (control technique)। যারা এই খেলায় পারদর্শী, তারা জানে কীভাবে একজন মানুষকে দ্রুত তাদের জালে জড়াতে হয়। তাদের উদ্দেশ্য হলো আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল (mentally vulnerable) করে তোলা, যাতে আপনি তাদের কথায় ওঠাবসা করেন।

একবার আপনি তাদের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়লে, তারা আপনার আবেগ, সিদ্ধান্ত এবং এমনকি আপনার জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে।
নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন
দুঃখজনক হলেও সত্যি, বর্তমানে অনেকেই এই লাভ বোম্বিংয়ের শিকার হচ্ছেন।

মনে রাখবেন, যে ভালোবাসা হঠাৎ করে বিস্ফোরিত হয়, তা হঠাৎ করেই মিলিয়ে যেতে পারে। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা সম্পর্কই (relationships built over time) দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সত্যিকারের গভীরতা পায়। তাই কারও অতিরিক্ত যত্ন বা প্রশংসায় মুগ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সতর্ক হন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন, এই যত্ন কি genuine, নাকি এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে? নিজের অনুভূতি আর মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকাটা সবচেয়ে জরুরি।

আপনিও এই লাভবম্বিং এর শিকার হচ্ছেন না তো সামাজিক মাধ্যমে বা এই সমাজের মানুষের মাধ্যমে?

♻️ জীবনের পথে চলতে চলতে আমরা হাজারটা সিদ্ধান্ত নিই।কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের এগিয়ে নেয়, কিছু আমাদের শিক্ষা দেয়।মনে রাখবেন জী...
21/01/2026

♻️ জীবনের পথে চলতে চলতে আমরা হাজারটা সিদ্ধান্ত নিই।
কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের এগিয়ে নেয়, কিছু আমাদের শিক্ষা দেয়।
মনে রাখবেন জীবনে ১০০টা ভুল সিদ্ধান্ত নিলেও, ১০০ বার ব্যর্থ হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।
কিন্তু যদি জীবনের এই দুটি সিদ্ধান্তে আপনি ভুল করেন,
তাহলে তার মাশুল আপনাকে দিতে হবে সারাজীবন
প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে, নিঃশব্দে।
👉🔥 জীবনের দুটি কঠিন সত্য যেখানে ভুল করলে ফেরার পথ থাকে না ⚠️🧭
আমরা অনেক সময় অন্যের কথা, সামাজিক চাপ কিংবা সাময়িক আবেগে গা ভাসাই।
কিন্তু দিনশেষে মনে রাখবেন
আপনার জীবনের বোঝা আপনাকেই বইতে হবে।
এই দুটি ক্ষেত্রে কখনো আপস করবেন না।
✅ ১) ভুল ক্যারিয়ার: সোনার খাঁচায় বন্দী জীবন 🏢💔
অনেকেই মা–বাবার ইচ্ছা, সমাজের চোখ কিংবা বন্ধুদের দেখাদেখিতে এমন একটি পেশা বেছে নেয়,
যার প্রতি তাদের বিন্দুমাত্র ভালোবাসা নেই।
👉🌻 বাস্তব উদাহরণ:
ধরুন, আপনার স্বপ্ন ছিল ব্যবসা করা বা টেকনোলজি শেখা।
কিন্তু “সম্মানজনক চাকরি”র নামে আজ আপনি একটি ব্যাংকের ডেস্কে বসে হিসাব মেলাচ্ছেন।
মাস শেষে মোটা বেতন আসে ঠিকই,
কিন্তু প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙে এই অনুভূতিতে আপনি যেন জেলখানায় যাচ্ছেন।

👉🪷 পরিণতি:
টাকা অভাব মেটাতে পারে,
কিন্তু ভেতরের শূন্যতা, তৃপ্তি আর মানসিক শান্তি কোনোদিন পূরণ করতে পারে না।
কাজ তখন আর কাজ থাকে না একটা অসহ্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
✅ ২) ভুল জীবনসঙ্গী: ঘরের ভেতর নীরব যুদ্ধক্ষেত্র 🏠💔🔥
ভুল ক্যারিয়ারের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে ভুল জীবনসঙ্গী নির্বাচন।
বিয়ে শুধু একটি সামাজিক অনুষ্ঠান নয়
এটা আপনার বাকি জীবনের মানসিক শান্তির চুক্তি।

👉🌻 বাস্তব উদাহরণ:
রূপ, টাকা কিংবা পারিবারিক চাপে আপনি এমন একজনকে বিয়ে করলেন,
যার সাথে আপনার চিন্তা, মূল্যবোধ আর জীবনের লক্ষ্য একেবারেই আলাদা।
💔🥀 পরিণতি:
মানুষ যতই শক্ত হোক, দিনশেষে সে ঘরে ফিরে একটু শান্তি খোঁজে।
কিন্তু যদি সেই ঘরটাই অশান্তির আখড়া হয়,
তাহলে ধীরে ধীরে আপনার হাসি, আত্মবিশ্বাস আর সৃজনশীলতা সব হারিয়ে যাবে।
একজন ভুল মানুষ এমনভাবে ভেঙে দিতে পারে,
যা কোনোদিন আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয়। ❌🔥
👉 তাহলে আমরা কেন এই ভুলগুলো করি? 🗣️🤔
উত্তর একটাই
“লোকেরা কী বলবে?”
👉 “অমুকের ছেলে বড় অফিসার না হলে মানায় না।”
👉 “বয়স হয়ে যাচ্ছে, যাকেই হোক বিয়ে করে ফেলো।”
🥀🌻 একটা নির্মম সত্য মনে রাখুন:
যেদিন আপনার ডিপ্রেশন হবে,
যেদিন আপনার পকেট খালি থাকবে,
যেদিন আপনি ঘরের কোণে একা বসে কাঁদবেন
সেদিন এই ‘লোকেরা’ আপনার ফোন পর্যন্ত ধরবে না।
যারা আপনার বিপদে পাশে দাঁড়াবে না,
তাদের আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেবেন না।
🥀🚶🏽‍♂️ আপনার জন্য কয়েকটি জরুরি পরামর্শ 💡
👉 শুনুন, কিন্তু চালিত হবেন না:
সবার কথা শুনুন, কিন্তু সিদ্ধান্ত নিন নিজের বিবেক আর মন দিয়ে।
👉 সময় নিন:
ক্যারিয়ার বা জীবনসঙ্গী বেছে নিতে দরকার হলে আরও সময় নিন।
তবুও তাড়াহুড়ো করে ভুল করবেন না।
মনে রাখবেন
ট্রেনের বগি ভুল করলে পরের স্টেশনে নামা যায়,
কিন্তু জীবনের এই দুটি বগি ভুল করলে পুরো যাত্রাই বৃথা হয়ে যায়।
🪷🌻🪷 শেষ কথা 🪷🌻🪷
নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই লিখুন।
এমন কাজ বেছে নিন যা আপনাকে জীবিত অনুভব করায়,
আর এমন মানুষকে পাশে রাখুন
যে আপনার না বলা কষ্টটুকুও বুঝতে পারে।
কারণ জীবনটা আপনার।
আর এই জীবন দ্বিতীয়বার পাওয়া যাবে না।

খাটিয়ায় থাকা লা/শটি ঢাকনা সরিয়ে বসে জিজ্ঞেস করলো"ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া...
18/01/2026

খাটিয়ায় থাকা লা/শটি ঢাকনা সরিয়ে বসে জিজ্ঞেস করলো"ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"
এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা।শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন
এভাবে:আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মা/রা গেছেন।
নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন।
আল্লাহ ওনাকে জান্নাতনসিব করুন।
তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃ/তদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ।
তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের
উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।
রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা।
এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ।
সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না।
ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই
খাটি/য়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল।
ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটি/য়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা
কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!
আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা
খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে,
তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে।
মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল।
খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটি/য়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল।
সবাই ভাবছে ভেতরে লা/শ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি।
তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।
ফজরের আজান হয়ে গেল।
মসজিদে প্রায় ৫০ জনের
মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম।
আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে!
ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি?
চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম
সাহেবের ঠিক পেছনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের
সামনে সত্যিই নড়ছে!
আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।
ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভে/ঙে ঢাকনাটা সরাল।
মাথা বের করে সোজা
জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'
ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর
কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল।
আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে!
ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়ে মাথা ঠুকল।
কেউ কেউ আমার মতো খালি পায়েই ভোঁ দৌড়।
একজন তো ভয়ে
অজুখানার হাউজেই পড়ে গেল। সোজা কথায়, কয়েক
সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মসজিদ ফাঁকা!
কিন্তু হাসির ব্যাপার হলো,ওই খাটি/য়ার লোকটাও
আমাদের সাথে সাথে দৌড়াতে শুরু করল! সে
দৌড়াচ্ছে আর সবার পিছু পিছু চিৎকার করছে:
'ও ভাই! কী হয়েছে?
কে/য়ামত হয়ে গেল নাকি?
আপনারা দৌড়াচ্ছেন কেন?'
আর পেছনের লোকজন
যতবার দেখছে যে 'লা/শ' তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছে,
তাদের দৌড়ানোর গতি তত বাড়ছে! বেচারা লোকটা
তখনও চিল্লাচ্ছে, 'আমাকে ফজরের জন্য ডাক দিলেন
না কেন?
আল্লাহ আপনাদের বিচার
করবেন!'
আসলে সে বুঝতেই পারছিল না যে এই ল/ঙ্কা/কাণ্ডের মূল
হোতা আসলে সে নিজেই!

কার কার চাই এই কামিজ 🤣😅
05/01/2026

কার কার চাই এই কামিজ 🤣😅

আসসালামু আলাইকুম। রংপুরের মধ্যে আমার পরিচিত কাছের কেউ কি এই হুডি গুলো নিতে চান। তাহলে দ্রুত যোগাযোগ করুন। বেশ কিছু অর্ডা...
30/12/2025

আসসালামু আলাইকুম। রংপুরের মধ্যে আমার পরিচিত কাছের কেউ কি এই হুডি গুলো নিতে চান। তাহলে দ্রুত যোগাযোগ করুন। বেশ কিছু অর্ডার হয়েছে আরও কিছু হলে আপনার আমার কুরিয়ার খরচটা কমে যাবে। আশা রাখি ১৬০০ থেকে ১৬৫০ এর মধ্যে হয়ে যাবে। তবে এগুলোর কোয়ালিটি আছে আপনারা ৮০০ থেকে ৯০০ এর মধ্যে এক গুলো পেয়ে যাবেন, কিন্তু আমার গুলো সেই টাইপের নয়। যারা অর্ডার করবেন খুব কাছের মানুষদের অর্ডার নিব এডভান্স করতে হবে বলে।
রংপুরের জন্য উত্তম হুডি ট্রাস্ট মি।

22/12/2025

Address

464/H DIT Road, Islam Tower, 7 Floor, West Rampura, Dhaka/1219
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fatima's Mirror posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fatima's Mirror:

Share