16/07/2023
রীতিমতো অট্টহাসি হাসার মতো বই এই 'কী একটা অবস্থা'!
বইয়ের মূল চরিত্রের নাম ইভান। বাসার সবার ছোট, তবে বয়স এখন ২৮৷ এখনো ব্যাচেলর, তাই ৩৫ হাজার টাকার বেতন নিয়ে সে ভালোই আছে। যদি সে তার বসকে একটুও সহ্য করতে পারে না, তবুও সেখানে অন্তত বাসার মতো খারাপ অবস্থাতে সে নেই।
বাসায় সে একেবারেই মানবেতর জীবনযাপন করে। কারণ তার রুমটাই যে বাসার ড্রয়িংরুম! গেস্ট আসুক কি তার বাবা, সবাই তার রুমটাই দখল করে বসে। শুধু কি তাই?
ইভানের মতে একটা ফার্নিচারের গুরুত্ব থাকলেও বাসায় তার কোনো গুরুত্বই নাই। বাজার-সদাই করে দেয়, মেহমান আসলে দোকানে যায়, ডিশের লাইন, ইন্টারনেটের লাইনওয়ালাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, বিদ্যুতের বিল দেই এবং বাসার প্রতিটি সদস্যের ঝাড়ি খায়। এত কিছুর পরও সে ‘তুই তো বাসার কোনো কাজ করিস না’ টাইপ অভিযোগও তার শুনতে হয়। বাড়ির ছোট ছেলে যত বড় হোক না কেন, সে যে সবসময় ছোটই থাকে, তার জলজ্যান্ত প্রমাণ এই ইভান।
আরো ভুগিচুগি ব্যাপার হচ্ছে ইভানের সব বন্ধুই বিবাহিত। বন্ধুদের তুমুল আড্ডার মধ্যে কোনো একজনের বউ ফোন দেয়, তক্ষুণি আসর ভণ্ডুল! সে যদি তাদের বলে, ‘মন খারাপ’, বলবে ‘বিয়া কর, মন ভালো হয়ে যাবে।’ আবার যদি বলে, ‘মন ভালো’, বলবে, ‘বিয়া কর, তখন দেখব কেমনে মন ভালো থাকে।’ কী একটা অবস্থা!
যারা রস-আলোর নিয়মিত পাঠক ছিলেন, তাদের আদনান মুকিতের লেখার ধরন বুঝতে না পারার কথা না।
একদম ঝরঝরে লেখা, লেখার মাঝে বিখ্যাত সিনেমা আর বিজ্ঞাপনের ট্যাগলাইন এনে কাহিনীটাকে আরো রসালো করে দিয়েছেন।
বইটি সংগ্রহে রাখতে আজই অর্ডার করুন আমাদের ইনবক্সে।