প্রত্যাশা

Website Contact the business

প্রত্যাশা 🌻 السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُه
প্রত্যাশায় সাশ্রয়ী মূল্যে হরেক রকমের পণ্য পাবেন ইনশাআল্লাহ্!

আচ্ছা আপনার স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার রাখতে কি কি করছেন? 🤔ধুলাবালি, ঘাম, বিল্ডআপ সব মিলিয়ে আমাদের স্ক্যাল্প অনেক সময় ঠিকভাবে ...
08/10/2026

আচ্ছা আপনার স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার রাখতে কি কি করছেন? 🤔

ধুলাবালি, ঘাম, বিল্ডআপ সব মিলিয়ে আমাদের স্ক্যাল্প অনেক সময় ঠিকভাবে পরিষ্কারই হয় না। শ্যাম্পু ব্যবহার করলেও দেখা যায় ভেতরের ময়লা জমে থাকে, যার ফলে চুল পড়া, খুশকি আর চুলের গ্রোথ কমে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো আরও বেড়ে যায়।

আমাদের এই স্ক্যাল্প ম্যাসাজার এর নরম সিলিকনের দাঁত খুব সহজেই স্ক্যাল্পের গভীরে গিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়—ফলে চুলের গোড়া মজবুত হয়।
একটু ভেবে দেখুন তো, প্রতিবার শ্যাম্পুর সময় যদি এমন একটা রিল্যাক্সিং ম্যাসাজ পান, যেখানে একসাথে ক্লিনিং + হেয়ার কেয়ার পাওয়া যাবে—তাহলে আপনার স্ক্যাল্প আর চুল কতটা ফ্রেশএবং হেলদি লাগবে! 🌿

প্রত্যাশা

রোজমেরি থেকে কি কি উপকার পাওয়া যায় জানেন কি? 🌿— শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপোর্ট দেয়।— হজমে সহায়তা করে।— স্মৃতিশক্তি ও ম...
08/10/2026

রোজমেরি থেকে কি কি উপকার পাওয়া যায় জানেন কি? 🌿

— শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপোর্ট দেয়।
— হজমে সহায়তা করে।
— স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।
— চুলের গোড়া মজবুত রাখতে ও চুলের যত্নে উপকারী।
— শরীরের স্বাভাবিক প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

প্রকৃতির এই উপকারী হার্বটি পরিমিত পরিমাণে আপনার প্রতিদিনের খাবার বা চায়ের সাথে যোগ করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোনো খাবারই কিন্তু একা একা সব সমস্যার সমাধান নয়, সুস্থ থাকতে প্রয়োজন সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। ☘️

প্রত্যাশা

প্রতিটা পার্সেল যা আপনাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সেগুলো কিন্তু কিছুক্ষণ আগেও আমার কাছেই ছিলো! আবার কিছু সময় পর আপনার হাতে প...
08/10/2026

প্রতিটা পার্সেল যা আপনাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সেগুলো কিন্তু কিছুক্ষণ আগেও আমার কাছেই ছিলো! আবার কিছু সময় পর আপনার হাতে পৌঁছে যাবে। আর ওপাশে আপনি হয়তো এতটা সময় অনেক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবেন।

সত্যি বলতে, আপনাদের প্রতিটা অর্ডারের মেমো করা, প্রোডাক্ট গুলো গুছিয়ে সুন্দর করে প্যাকেট করা এই কাজগুলো অন্য রকম শান্তি দেয়।
আল্লাহুমা বারিক ☘️

প্রত্যাশা

আপনি কি এখনো প্লাস্টিকের চিরুনি ব্যবহার করে আপনার চুলকে কষ্ট দিচ্ছেন? 💔চুল আঁচড়ানোর সময় অতিরিক্ত টান ও ঘর্ষণ চুলের জন্য ...
08/10/2026

আপনি কি এখনো প্লাস্টিকের চিরুনি ব্যবহার করে আপনার চুলকে কষ্ট দিচ্ছেন? 💔

চুল আঁচড়ানোর সময় অতিরিক্ত টান ও ঘর্ষণ চুলের জন্য অনেকটাই অস্বস্তিকর। তাই চুলের যত্নে বেছে নিন মসৃণ দাঁতের ভালো মানের কাঠের চিরুনি। যার দরুন চুল আঁচড়ানো হবে তুলনামূলক আরামদায়ক, চুলের অতিরিক্ত ফ্রিজি ভাব কমে আসবে, সেই সাথে হালকা ম্যাসাজের কারণে স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে, আর প্রতিদিনের চুলের যত্নেও পাওয়া যাবে প্রকৃতির ছোঁয়া।

ছবিতে আমাদের চন্দন কাঠের চিরুনি আর প্যাডেল ব্রাশ। ☘️

প্রত্যাশা

দেখেন তো এটা কি! 👀টোট ব্যাগটা ৩ টা কালার এসেছে। মাশাআল্লাহ্ ৩ টা কালারই এত্তো কুটু। 🫶🏻বেশ কিছুদিন ধরে অনেকেই তো এই ব্যাগ...
08/10/2026

দেখেন তো এটা কি! 👀
টোট ব্যাগটা ৩ টা কালার এসেছে। মাশাআল্লাহ্ ৩ টা কালারই এত্তো কুটু। 🫶🏻

বেশ কিছুদিন ধরে অনেকেই তো এই ব্যাগটা খুঁজেছেন। এখন প্রত্যাশায় রিজনেবল মূল্যে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। ☘️

প্রত্যাশা

এটা ঠিক যে মধু প্রাকৃতিক জিনিস। 🍯কিন্তু মধুতেও যথেষ্ট পরিমাণ চিনি ও ক্যালরি থাকে। তাই খাবারে চিনি বাদ দিয়ে মধু ইচ্ছেমতো ...
07/10/2026

এটা ঠিক যে মধু প্রাকৃতিক জিনিস। 🍯
কিন্তু মধুতেও যথেষ্ট পরিমাণ চিনি ও ক্যালরি থাকে। তাই খাবারে চিনি বাদ দিয়ে মধু ইচ্ছেমতো খেলে সেটাকে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বলা যাবে না। পরিমাণটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রত্যাশা

07/10/2026

আমার স্ত্রী কখনো একা বাথরুমে যায় না।
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে হয়।
একবার দেরি হচ্ছে দেখে দরজায় টুকা দিয়ে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

দেখি দরজাটা খুলে যাচ্ছে। সেদিন বুঝলাম সে ভেতর থেকে দরজা আটকায় না।

প্রথম প্রথম মনে হত ভয়ে এরকমটা করে। বিয়ের পর নতুন বাড়িতে এসেছে। হয়তো এখানে মানিয়ে নিতে পারছে না। কিন্তু পরে দেখলাম সে সবসময়ই এমন।

অন্য কোনোকিছুতে তার বিন্দুমাত্র ভয় নেই। সন্ধ্যার পরও একা ছাদ থেকে কাপড় আনতে পারে। মাঝেমাঝে অনেক রাতে একা বেলকনিতে দাঁড়িয়ে থাকে। শুধু বাথরুমে যেতে হলেই তার চেহারা বদলে যায়। আমার হাতটা আলতো করে ধরে বলে,

"অ্যাই শুনো না..."

তখন তাকে আর স্বাভাবিক মানুষ বলে মনে হয় না। চেহারাটা কেমন যেন সাদাটে হয়ে যায়। কাঁপাকাঁপা ঠোঁটে অস্ফুট স্বরে বলে,

"আমার খুব ভয় করছে।"


সেবার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ব্যাপারটা ভুলেই গিয়েছিলাম। আমার তিন শ্যালিকা। তিনজনই দুলাভাই ভক্ত। শ্বশুর মারা গেছেন বহু বছর আগে। শ্বাশুড়ি আছেন। তিনি আমাকে শ্বশুরের কমতি বুঝতে দেন না।

আর শ্যালিকাদের কথা কী বলব! এত খাতিরযত্ন করল, আমি ওই বাথরুমের ব্যাপারটা একরকম ভুলেই গেলাম।

ঘটনাটা ঘটল তৃতীয় দিন।
তখন রাতের কয়টা বাজে জানি না। তীব্র ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়ফড়িয়ে উঠে বসেছি। দেখি নাবিলা নেই। বিছানা, বেলকনি, ড্রয়িং কোথাও নেই।

আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল।

ভয়েভয়ে শোবার ঘরের সাথে লাগোয়া বাথরুমটার দিকে তাকালাম। আর ঠিক তখনি নাবিলা বাথরুমের দরজা খুলে বেরিয়ে এল। একেবারে স্বাভাবিক তার চেহারা। আর সেটাই আমি সহ্য করতে পারছিলাম না।

এটা কীভাবে হতে পারে? যে মেয়ে দিনের আলোতেও আমাকে ছাড়া বাথরুমে যায় না, সে এত রাতে একা...

নাবিলা আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে লাজুক হেসে বলল,

"অ্যাই, ঘুম আসছে না?"

"নাবিলা, তোমার কি ভয় লাগছে না?"

"ভয় লাগবে কেন? আমি কি ছোটো বাচ্চা নাকি? আসো ঘুমাবে।"

বলে শুয়ে পড়ল। আমি আর ঘুমাতে পারলাম না। মাথায় শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল। তবে কি নাবিলার ভয় কেটে গেছে?


পরদিন সকালে সবচেয়ে ছোটো শ্যালিকাকে কাছে ডাকলাম। তার বয়স কেবল সতেরোতে পড়েছে। দুরন্ত মেয়ে। চঞ্চল দুটি চোখ সারাক্ষণ টইটই করতে থাকে। কাছে ডেকে ফিসফিস করে বললাম,

"তোমার নাবিলা আপু কি বাথরুমে যেতে ভয় পায়?"

সে প্রশ্ন শুনে হেসে গড়িয়ে পড়তে শুরু করল।

"দুলাভাই যে কী বলেন! আপু ভয় পাবে, তাও আবার বাথরুমে যেতে! হাহাহা! আপু কি ছোটো বাচ্চা?"

অঙ্কটা কিছুতেই মিলাতে পারছিলাম না। ভয় যদি না পায়, তাহলে এতদিন আমাকে বাথরুমের সামনে পাহারায় রাখল কেন? তবে কি সত্যিই নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে বলে...

যেটাই হোক, নাবিলার ভয় কেটে গেছে দেখে আনন্দ হচ্ছিল। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না।


সেদিন বাসায় ফিরে তেমন কিছু ঘটল না। নাবিলার আচরণ স্বাভাবিক। সে নিজে চার পদের রান্না করল। আমি তার কাজে টুকটাক সাহায্য করলাম।

রাত নয়টার দিকে নাবিলা হঠাৎ আমার গা ঘেঁষে দাঁড়ালো।

তার চেহারা বর্ণহীন। ঠোঁট কাঁপছে। আমার হাতটা আলতো করে ধরল।

"শুনো না..."

জিজ্ঞেস করলাম, "ভয় করছে?"

নাবিলা আরো শক্ত করে আমাকে ধরল। মাথাটা আমার হৃদপিণ্ডের সাথে মিশিয়ে দিলো।

আমার শিরদাঁড়া বেয়ে একফোঁটা ঘাম নেমে গেল। ভাঙাভাঙা গলায় জিজ্ঞেস করলাম,

"বাথরুমে যাবে?"

কফিনের শেষ পেরেক মারার মতো শেষ কথাটা বলল নাবিলা।

"হুমম।"

সবকিছু আমার কল্পনার বাইরে। যে মেয়ে বাপের বাড়িতে হেসেখেলে কাটিয়েছে। আমি নিজে দেখেছি গভীর রাতে একা বাথরুমে যেতে। তার মধ্যে ভয়ের ছিটেফোঁটাও ছিল না। সেই মেয়ে এখানে এসে আবার ভয় পাচ্ছে। হিসেবটা এখানেই গড়মিল হয়ে যাচ্ছে।


এই প্রথম অভদ্রের মতো একটা কাজ করলাম।
নাবিলা বাথরুমে। ভেজানো দরজায় কান পেতে রাখলাম। কোনো ভদ্রলোক এটা করতে পারে না। আমিও করতাম না। কিন্তু ইদানীং যা হচ্ছে, তাতে রহস্য ভেদ না করেও থাকতে পারছি না।

তাই কান খাড়া করে শুনতে লাগলাম। এবং এই প্রথম এমন একটা জিনিস আবিষ্কার করলাম, যেটা কখনো কল্পনাও করতে পারিনি।

ভেতরে নাবিলা কার সাথে যেন কথা বলছে। কানটা একেবারে দরজার সাথে লাগিয়ে দিতেই স্পষ্ট শুনতে পেলাম। একটা লোক বলছে,

"লাল চাদর না কি নীল চাদর?"

নাবিলা বলছে,

"আমার স্বামী দরজার কাছে দাঁড়ানো। তাকে জিজ্ঞেস করে উত্তর দেই?"

লোকটা আবারো বলছে,

"লাল চাদর না কি নীল চাদর?"

নাবিলা বলছে,

"দরজা কিন্তু খোলা। ওকে জিজ্ঞেস করেই উত্তরটা দিচ্ছি।"

বলেই বেরিয়ে এল। প্রতিবারের মতো এবারও তার চেহারা ঘামে জবজবা। ওড়না দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে অন্য ঘরে চলে গেল। আমি দরজাটা খুলে ভেতরে চলে গেলাম।

মানুষ তো দূর, একটা পোকার চিহ্নমাত্র নেই। ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে তাকালাম। এই ছোট্ট ফাঁক দিয়ে একটা আস্ত লোক ভেতরে আসবে-যাবে এটা অসম্ভব। আবার বাইরে থেকে কথা বলাও যুক্তিসঙ্গত নয়। কারণ আমাদের ফ্ল্যাটটা তিনতলায়।

তাহলে নাবিলা কার সাথে কথা বলল? লোকটা গেলই বা কোথায়?


সেবার বাৎসরিক ছুটিতে ঠিক করলাম দেশের বাইরে বেড়াতে যাব। নাবিলা যেহেতু জাপানে চারবছর পড়াশোনা করেছে, তার প্রথম পছন্দ ছিল জাপান। সুতরাং উড়ে চললাম উদীয়মান সূর্যের দেশ জাপানে।

ওসাকা, জাপান।
নাম্বার ব্যস্ত রাস্তা থেকে একটু ভেতরে একটি হোটেলের দ্বিতীয় তলায় উঠেছি আমরা।

নাবিলা জাপানে আসার খবর শুনে তার কিছু পুরনো বান্ধবীরা এসেছিল। সবাই দেখা করে চলে গেছে। রয়ে গেছে শুধু একজন। তার নাম ইউকি। পুরোদস্তুর সাদা চামড়ার মেয়ে। মোমের মতো চেহারা। পরনে উইকাতা নামের হালকা সুতির পোশাক।

মেয়েটি আসার পর থেকেই আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল। দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা বলার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো এক কারণে বলতে পারছে না। কারণটা যে নাবিলা, সেটা তার চোরা দৃষ্টি দেখেই আন্দাজ করা যায়।

একবার নাবিলা কী একটা আনতে গেল, তখনি সুযোগ পেয়ে গেল মেয়েটা। ইতস্তত করে কিছুটা এগিয়ে এসে বসল আমার পাশে। ফিসফিস করে ভাঙা ইংরেজিতে বলল,

"নাবিলা কি বাথরুমে একা যায়?"

আমার দেহে যেন চার হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক শক লাগলো। বাংলাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার দূরের এই মেয়ে কীভাবে জানলো নাবিলার ভয়ের কথা? তবে কি নাবিলার ভয়ের সাথে এই দেশের কোনো যোগসূত্র আছে?

ইউকি একটি কাগজে ঠিকানা লিখে দিয়ে চলে গেল। যাবার সময় বলল আমি যেন তার সাথে দেখা করি।


রাতে নাবিলা দুবার বাথরুমে গেল। একবারও আমাকে ডাকলো না। দরজার কাছে দাঁড়াতেও বলল না। সময়ে সময়ে অঙ্কটা আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে আমার কাছে।

পরদিন সকালে নাবিলাকে ঘুমন্ত অবস্থায় হোটেলে রেখে ইউকির কাছে ছুটলাম। মেয়েটা আমার অপেক্ষায় ছিল।

ছোট্ট সিরামিকের হাতলবিহীন কাপে ওচা দিয়ে আমাকে আপ্যায়ন করল। আমি চুমুক দিতেদিতে অতীতের সব কথা খুলে বললাম। শোনা শেষে ইউকি ভাঙা ইংরেজিতে বলে উঠল,

"আমি ঠিকই ভেবেছিলাম। ওটা নাবিলার পিছুও নিয়েছে।"

"ওটা? কে ওটা?"

"আকা মান্তো।"

নামটা বলার সময় ইউকির গলা কেঁপে উঠা আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম। এই মুহূর্তে তার চেহারা ততটাই ফ্যাকাশে, যতটা নাবিলা বাথরুমে যাবার সময় হয়।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কী নাম বললেন?"

"আকা মান্তো। একটা বদ লোক। লাল আলখাল্লা পরে স্কুলের বাথরুমে দেখা দেয়।"

"আপনি কী বলছেন আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। একটু খুলে বলুন।"

তারপর ইউকি যা যা বলল তা হলো এমন,

জাপানে একটি প্রাচীন মিথ আছে। একটা লাল আলখাল্লা পরা লোক স্কুলের বাথরুমে হঠাৎ দেখা দেয়। এবং জিজ্ঞেস করে,

"লাল চাদর না কি নীল চাদর?"

আমার বুকের ভেতর হিম হয়ে গেল। আমিও তো বাথরুমের কাছে কান পেতে শুনেছি একটা লোক নাবিলাকে জিজ্ঞেস করেছিল, "লাল চাদর না কি নীল চাদর?"

ইউকি আরো বলল, নাবিলা আর ইউকি যখন জাপানে পড়াশোনা করছিল, তখন পড়াশোনার পাশাপাশি একটি স্কুলে পার্টটাইম চাকরি করত। সেই স্কুলের বাথরুমেই ওদের সাথে দেখা হয় আকা মান্তোর। সৌভাগ্যক্রমে ওরা একে অন্যের সময় দরজার বাইরে অপেক্ষায় ছিল বলে, "বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করে জানাচ্ছি।" বলে বেঁচে ফিরতে পেরেছে।

তা না হলে লাল চাদর বললে ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় মেরে ফেলে। আর নীল বললে রক্ত শুষে নিয়ে শরীর নীল করে মেরে ফেলে।


সব শুনে আমার মাথা ভনভন করছিল। পৃথিবীতে কত বিচিত্র জিনিস রয়েছে, যা হয়তো আমরা কল্পনাও করতে পারি না। তার মধ্যে আকা মান্তো একটি।

এই জিনিসটা আমি এত সহজে বিশ্বাস করতাম না। তবে আকা মান্তোর গলা আমি নিজের কানে শুনেছি।

আসার সময় ইউকি বলে দিয়েছে, নাবিলাকে যেন কোনো স্কুলের বাথরুমে যেতে না দেই। আর যদি যায়ও, একা যাতে না থাকে।



দেশে ফেরার পর বাড়িওয়ালার সাথে দেখা করলাম। এবং তার মুখ থেকে সত্যিটা জানার পর আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেল।

এ-বাড়িটা আগে বাড়ি ছিলই না। বছর পাঁচেক আগে এই বিল্ডিংয়ে একটি স্কুল ছিল!

তাইতো শ্বশুরবাড়িতে নাবিলা ভয় পায় না। জাপানের হোটেলেও ভয় পায় না। ভয় পায় শুধু সেখানে, যেখানে স্কুল আছে বা আগে ছিল।


বাড়িটা ছেড়ে দিলাম একদিনের মধ্যেই। নতুন বাড়িতে উঠে সবকিছু গোছগাছ করছি। নাবিলা হাতের কাজ শেষ করে বাথরুমে গোসল করতে ঢুকেছে। আমি ড্রইং রুমের জিনিসপত্র ঠিকমতো বসানো হয়েছে কি না দেখছিলাম। এমন সময় বাড়িওয়ালার কলেজপড়ুয়া মেয়ে তিশা কফি নিয়ে এল। বলল,

"ভাইয়া, আপনাদের জন্য কফি। মা পাঠিয়েছেন।"

একটি ছোট্ট থ্যাঙ্কিউ দিয়ে কফির মগ রাখলাম। বললাম,

"স্টোররুমে কিছু বস্তা দেখলাম। আগের ভাড়াটিয়ার নাকি?"

মেয়েটি বলল, "হ্যাঁ, ভাইয়া। আগে যারা ছিল তারা ফেলে গেছে। দরকারি কিছু নেই। কিছু পরীক্ষার উত্তরপত্র।"

"পরীক্ষার উত্তরপত্র এখানে কেন?"

"আপনাকে হয়তো জানানো হয়নি ভাইয়া, আগে এই ফ্লোর সহ উপরের দুই ফ্লোরে একটা হাইস্কুল ছিল।"

কথাটা শুনেই আমার বুকের ভেতর ধড়াস করে উঠল।

এটা যদি স্কুল হয়, তবে নাবিলা একা বাথরুমে কী করছে?

~ আকা মান্তো
~ ইয়াছিন নাইম

প্রত্যাশা

হিট ইরেজেবল পেন আর মাত্র কয়েক পিস আছে। নতুন স্টক আনবো নাকি? কার কার লাগবে? এত কালার তো লাগে না। সাদা আর নীল হলেই চলে। এজ...
07/10/2026

হিট ইরেজেবল পেন আর মাত্র কয়েক পিস আছে।
নতুন স্টক আনবো নাকি? কার কার লাগবে? এত কালার তো লাগে না। সাদা আর নীল হলেই চলে। এজন্য এবার আর এতগুলো কালার না এনে সাদা আর নীল বেশি করে আনতে চাচ্ছি।

কি বলেন আপনারা?
আপনার কোন কালার বেশি প্রয়োজন হয় জানাবেন। ☘️

প্রত্যাশা

একসময় রিমার চুল ছিল ঘন আর প্রাণবন্ত। কিন্তু ধুলোবালি, রোদ, ব্যস্ত জীবন আর নিয়মিত যত্নের অভাবে চুল হয়ে যায় রুক্ষ, নিষ্প্র...
06/10/2026

একসময় রিমার চুল ছিল ঘন আর প্রাণবন্ত। কিন্তু ধুলোবালি, রোদ, ব্যস্ত জীবন আর নিয়মিত যত্নের অভাবে চুল হয়ে যায় রুক্ষ, নিষ্প্রাণ আর জট পাকানো।

নতুন কিছু খুঁজতে গিয়ে সব নামি-দামি ব্র্যান্ড বাদ দিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে এবার সে বেছে নিলো দেশের সেনাবাহিনীর তৈরি সিগনেচার শ্যাম্পু। 🍃
আর এখন নিয়মিত এই শ্যাম্পু ব্যবহারে রিমা খেয়াল করলো
— তার চুল চুল বেশ পরিষ্কার থাকে,
— মাথার ত্বকে সতেজ অনুভূতি পাচ্ছে,
— রুক্ষ চুলগুলো আরও মসৃণ ও পরিচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে।
তাই প্রতিদিনের চুলের যত্নে এই সিগনেচার শ্যাম্পু হতে পারে আপনার নির্ভরযোগ্য এক সঙ্গী।

প্রত্যাশায় এই শ্যাম্পুর ২০০ মিলি আর ৪০০ মিলি সাইজের বোতল পাবেন, ৫ মিলি সাইজের মিনি প্যাক পাবেন। নিজের চুলের যত্নে বেছে নিন দেশীয় পণ্য, বেছে নিন সিগনেচার শ্যাম্পু। ☘️

প্রত্যাশা

স্ত্রীকে খুশি করা দুর্বলতা নয়—এটাই একজন প্রকৃত পুরুষের সৌন্দর্য ⤵️আপনি যদি মনে করেন, স্ত্রী রাগ করে কাঁদতে কাঁদতে চলে গে...
04/10/2026

স্ত্রীকে খুশি করা দুর্বলতা নয়—এটাই একজন প্রকৃত পুরুষের সৌন্দর্য ⤵️
আপনি যদি মনে করেন, স্ত্রী রাগ করে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলে তাকে একা ছেড়ে দেওয়াই পুরুষত্ব—তাহলে একটু থামুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনি কি সত্যিই সংসার সামলাচ্ছেন, নাকি নিজের অহংকারকে জিতিয়ে দিচ্ছেন?

স্ত্রীকে খুশি করা, তার অভিমান ভাঙানো কিংবা কষ্টের সময়ে পাশে দাঁড়ানো দুর্বলতা নয়; বরং এটি একজন স্বামীর উত্তম চরিত্র, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার প্রকাশ।

▪️স্ত্রীকে খুশি করার চেষ্টা—ইসলামের দৃষ্টিতে

আল্লাহ তাআলা বলেন—

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ۖ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ ۚ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

“হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, আপনি তা কেন নিজের জন্য হারাম করছেন—আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনা করছেন?”—সূরা আত-তাহরীম, ৬৬:১

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে পরস্পরের সন্তুষ্টি ও অনুভূতির গুরুত্ব রয়েছে। তবে স্ত্রীকে খুশি করতে গিয়ে কোনো হারামকে হালাল করা যাবে না।

▪️প্রকৃত পুরুষের পরিচয় কী?

“সে রাগ করেছে, সে-ই ফিরে আসবে।” “যেতে চাইলে যাক।” “আগে সে ক্ষমা চাইবে।”

এগুলো অনেক সময় ভালোবাসার নয়, অহংকারের ভাষা।

স্ত্রী কষ্ট পেয়েছে বুঝেও তাকে উপেক্ষা করা সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ায়। অথচ একটি কথা—“তুমি কষ্ট পেয়েছো, আমি বুঝতে পারছি।” অথবা “চলো, আমরা কথা বলে বিষয়টা ঠিক করি।”—অনেক অভিমান গলিয়ে দিতে পারে।

▪️রাসুলুল্লাহ ﷺ স্ত্রীদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতেন

আয়িশা رضي الله عنها বলেন—

لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَوْمًا عَلَى بَابِ حُجْرَتِي، وَالْحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ فِي الْمَسْجِدِ، وَرَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَسْتُرُنِي بِرِدَائِهِ، أَنْظُرُ إِلَى لَعِبِهِمْ

“আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে দেখেছি, তিনি তাঁর চাদর দিয়ে আমাকে আড়াল করে হাবশিদের ক্রীড়া দেখার সুযোগ দিচ্ছিলেন।”—সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ৪৫৪

স্ত্রীর ছোট্ট আনন্দকেও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। এটাই দাম্পত্যের সৌন্দর্য—প্রিয় মানুষের ছোট ছোট আনন্দকেও মূল্য দেওয়া।

▪️“সেরা পুরুষ” হওয়া মানে শুধু উপার্জন করা নয়

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا، وَخِيَارُكُمْ خِيَارُكُمْ لِنِسَائِهِمْ

“মুমিনদের মধ্যে ঈমানে সবচেয়ে পরিপূর্ণ সে, যার চরিত্র সবচেয়ে উত্তম। আর তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা, যারা তাদের স্ত্রীদের কাছে সর্বোত্তম।”—জামে‘ আত-তিরমিজি, হাদিস ১১৬২

পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু অর্থ, শক্তি বা পদমর্যাদায় নয়। তার আসল পরীক্ষা—সে ঘরের মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে।

▪️স্ত্রী কাঁদছে—আর স্বামী বলছে, “যা ইচ্ছা করো!”

অনেক স্ত্রী দামি উপহার চায় না। সে চায় স্বামী তার কথা শুনুক, অনুভূতিকে গুরুত্ব দিক, ভুল হলে “দুঃখিত” বলুক এবং তাকে অনুভব করাক—“তুমি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”

একটু মনোযোগ, একটু কোমলতা, একটু নিরাপত্তা—অনেক সময় এগুলোই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

▪️রাগের সময় কে আগে এগিয়ে যাবে?

দাম্পত্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক বাক্য—“আমি কেন আগে কথা বলব?”

স্বামী ভাবছেন, “সে আসুক।” স্ত্রী ভাবছেন, “সে ভালোবাসলে নিজেই আসবে।” এভাবেই একই ঘরে থেকেও দুজন মানুষ মানসিকভাবে দূরে চলে যায়।

তাই মনে রাখুন—আগে কথা বলা মানে হেরে যাওয়া নয়। আগে ক্ষমা চাওয়া মানে ছোট হওয়া নয়। আগে কাছে যাওয়া মানে দুর্বল হওয়া নয়।

বরং এর অর্থ—সম্পর্কটি আপনার অহংকারের চেয়েও বেশি মূল্যবান।

▪️স্ত্রীকে অবহেলা করা শুধু সম্পর্কের সমস্যা নয়—দায়িত্বেরও বিষয়

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يُضَيِّعَ مَنْ يَقُوتُ

“একজন মানুষের গুনাহগার হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যাদের ভরণপোষণের দায়িত্বে আছে, তাদের অবহেলা করে।”—সুনান আবু দাউদ, হাদিস ১৬৯২

স্বামীর দায়িত্ব শুধু অর্থ উপার্জন নয়; স্ত্রী ও পরিবারের অধিকার, সম্মান, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনের প্রতিও দায়িত্বশীল হওয়া।

▪️স্ত্রী যদি অভিমান করে বাবার বাড়িতে চলে যায়?

প্রথম চিন্তা যেন না হয়—“সে নিজে গেছে, নিজেই ফিরে আসুক।”

বরং ভাবুন—কেন সে কষ্ট পেয়েছে? কোন আচরণ তাকে আঘাত করেছে? আপনার কোনো ভুল ছিল কি?

সম্ভব হলে শান্তভাবে যোগাযোগ করুন। ভুল হলে ক্ষমা চান। প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত ও বিচক্ষণ মানুষদের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করুন।

তবে দাম্পত্য বিরোধে সবসময় একজনই দোষী—এমন নয়। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই দায়িত্ব অন্যায় থেকে বিরত থাকা এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে সমস্যা সমাধান করা।

▪️ভালোবাসা শুধু বড় উপহারে প্রকাশ পায় না

ভালোবাসা কখনো প্রকাশ পায়—“আজ তুমি অনেক ক্লান্ত, বিশ্রাম নাও।”

কখনো—“তোমার কষ্টটা আমি বুঝতে পারছি।”

কখনো—“তুমি আমার জীবনে আল্লাহর দেওয়া বড় একটি নিয়ামত।”

আবার কখনো তার কথা মন দিয়ে শোনা, পছন্দের ছোট্ট কিছু নিয়ে বাসায় ফেরা কিংবা শুধু পাশে বসে থাকাতেই।

একজন স্ত্রী সবচেয়ে বেশি কী অনুভব করতে চায়?

সে জানতে চায়—“আমি কি আমার স্বামীর কাছে মূল্যবান?”

সে অনুভব করতে চায়—“আমার স্বামী আমাকে শুধু দায়িত্ব হিসেবে নয়, ভালোবাসার মানুষ হিসেবেও দেখে।”

তার কষ্টকে উপহাস নয়, চোখের পানিকে বিরক্তি নয়, অভিমানকে তুচ্ছ নয়—প্রয়োজন ভালোবাসা ও বোঝাপড়া।

কারণ বড় ভাঙন অনেক সময় শুরু হয় ছোট ছোট অবহেলা থেকে। একটি কথা বলা হয়নি, একটি ক্ষমা চাওয়া হয়নি, কথা কমে গেল, অভিমান জমল—একসময় পাশাপাশি থেকেও দুজন মানুষ অনেক দূরে চলে গেল।

▪️তাই পুরুষত্বের সংজ্ঞাটা নতুন করে ভাবুন

পুরুষত্ব মানে স্ত্রীকে ভয় দেখানো নয়। তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া নয়। রাগের সময় দরজা বন্ধ করে চলে যাওয়া নয়।

পুরুষত্ব মানে—রাগের মধ্যেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, ভুল হলে ক্ষমা চাওয়া, স্ত্রীর কষ্ট বুঝতে চেষ্টা করা, তার সম্মান রক্ষা করা, দুর্বল সময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং অহংকারের চেয়ে সংসারের শান্তিকে বড় মনে করা।

আর সবচেয়ে বড় কথা—স্ত্রীকে ভালোবাসা, সম্মান করা এবং তার সঙ্গে উত্তম আচরণ করা।

কারণ প্রকৃত শক্তি তখনই প্রকাশ পায়, যখন একজন পুরুষ শক্তি থাকা সত্ত্বেও কোমল হতে জানে।

একটি ঘর চিৎকারে বড় হয় না। অর্থ দিয়ে সবসময় সুখী হয় না। কঠোরতা দিয়ে সম্পর্ক টেকে না।

একটি সংসার টিকে থাকে—ভালোবাসা, সম্মান, ক্ষমা, ধৈর্য এবং সুন্দর কথার ওপর।
- সংগৃহীত

প্রত্যাশা

Address

Savar, Dhaka Division
Savar
1344

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রত্যাশা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to প্রত্যাশা:

Shortcuts

Share