আসাদ ভাই

আসাদ ভাই সদয় সত্য কথা বলিব। নামাজ কায়েম করুন। আলহামদুলিল্লাহ।

22/06/2026

ইন্সপেক্টর শীপে আসা প্রশ্ন-2026
শোনা সাক্ষ্য (Hearsay Evidence) বর্জনের সাধারন নিয়ম কী? এই নিয়মের প্রধান ৩টি আইনী ব্যতিক্রম আলোচনা করুন।

উত্তর-
শোনা সাক্ষ্য (Hearsay Evidence) বর্জনের সাধারণ নিয়ম ও ব্যতিক্রম
শোনা সাক্ষ্য (Hearsay Evidence) কী?

যে সাক্ষ্য কোনো সাক্ষী নিজে সরাসরি দেখেনি, শোনেনি বা অনুভব করেনি; বরং অন্য কারো কাছ থেকে শুনে আদালতে উপস্থাপন করে—তাকে শোনা সাক্ষ্য বলা হয়।

শোনা সাক্ষ্য বর্জনের সাধারণ নিয়ম

সাক্ষ্য আইনের মূল নীতি হলো—

“Direct Evidence is the best evidence”
অর্থাৎ, আদালতে সাধারণত শুধু প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) গ্রহণযোগ্য। সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা

তাই সাধারণ নিয়ম হলো:

কোনো ব্যক্তি যদি নিজে ঘটনা না দেখে শুধু অন্যের কথা বলে,
সেই “শোনা কথা” আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়,
কারণ এতে সত্যতা যাচাই করা কঠিন এবং জেরা (cross-examination) করা যায় না।

👉 এই কারণে শোনা সাক্ষ্য সাধারণত অগ্রহণযোগ্য (inadmissible)।

শোনা সাক্ষ্যের প্রধান ৩টি আইনী ব্যতিক্রম

যদিও সাধারণভাবে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে আইন এটিকে গ্রহণ করে। প্রধান ৩টি ব্যতিক্রম হলো—

1️⃣ স্বীকারোক্তি (Admission & Confession) ধারা ১৭-৩১

যদি কোনো পক্ষ নিজে কোনো অপরাধ বা ঘটনার কথা স্বীকার করে, তবে সেই বক্তব্য শোনা সাক্ষ্য হলেও গ্রহণযোগ্য।

উদাহরণ:

A বলে, “আমি চুরি করেছি” — এই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য।

কারণ এটি সত্যের একটি শক্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।

2️⃣ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration) ধারা ৩২(১)

কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর নিকটবর্তী অবস্থায় (expectation of death) তার মৃত্যুর কারণ বা ঘটনার বিবরণ দিলে, তা শোনা সাক্ষ্য হলেও গ্রহণযোগ্য।

উদাহরণ:

আহত ব্যক্তি মৃত্যুর আগে বলে, “B আমাকে গুলি করেছে” — এটি আদালতে গ্রহণযোগ্য।

কারণ মৃত্যুর সময় মিথ্যা বলার প্রবণতা কম থাকে।

3️⃣ সরকারি নথি ও বিশেষ ব্যতিক্রম (Public Documents & Res Gestae)

কিছু পরিস্থিতিতে ঘটনা-সংলগ্ন কথা বা সরকারি নথিভুক্ত তথ্য গ্রহণযোগ্য হয়।

উদাহরণ:

FIR (First Information Report)
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন
ঘটনাকালীন স্বতঃস্ফূর্ত কথা (Res Gestae) ধারা ৬

কারণ এগুলো ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং বিশ্বাসযোগ্য ধরা হয়।

পরিশেষে বলা যায়-
শোনা সাক্ষ্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এটি সরাসরি প্রমাণ নয়। তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যেমন স্বীকারোক্তি, মৃত্যুকালীন ঘোষণা এবং Res Gestae-কে ব্যতিক্রম হিসেবে গ্রহণ করা হয়

04/05/2026

প্রশ্নঃ-১৬। আপনি এএসআই হিসেবে থানার চার্জে থাকাকালে একজন ভদ্র লোক থানায় এসে জানায় যে, তার গ্রামে খাদের উপর অজ্ঞাতনামা মাথা বিহীন একটি লাশ পরে আছে। এমতাবস্থায় আপনার করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করুন।

উত্তরঃ ফৌঃ কাঃ আইনের ৪ (ত) উপধারা এবং পিআরবি ২০১, ২০৭(গ) বিধি অনুযায়ী থানার অফিসার ইনচার্জ হিসাবে কর্তব্য পালন করার সময় প্রশ্নে উল্লেখিত সংবাদের প্রেক্ষিতে যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করব তা নিম্নে আলোচনা করা হলঃ

০১। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারকে জানাব। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫০ ধারা, পিআরবি ১২০ বিধি, পুলিশ আইনের ২৩(৩) উপধারা

০২। বিষয়টি জেনারেল ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করব। পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা, পিআরবি ৩৭৭ বিধি ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪,১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা

০৩। মোবাইল পার্টিকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিব। পিআরবি ১১৮ বিধি

০৪। খানার চার্জ সিনিয়র কনস্টবলকে বুঝিয়ে দিব। পিআরবি ২৩৯ (ক) বিধি

০৫। ফৌঃ কাঃ ১৫৬, ১৫৭ ধারা মোতাবেক ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করার জন্য সঙ্গীয় ফোর্সসহ রওনা হব। পিআরবি ১৪৫বিধি

০৬। পিআরবি ২৫৮ বিধি মোতাবেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্রাইমসিন বা বস্তুগত সাক্ষ্যসমূহ

যথাযথভাবে সংরক্ষণ করব। পিআরবি ৬৩৫, ৬৩৮ বিধি

০৭। ঘটনাস্থলের একটি খসড়া মানচিত্র তৈরি করব। পিআরবি ২৭৩ বিধি

০৮। মৃত লাশের আশপাশে পরে থাকা আলামত সংগ্রহ করে জব্দ তালিকা তৈরি করব।

ফৌঃ কাঃ ১০৩(২) ধারা, পিআরবি ২৮০ বিধি ০১। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অপমৃত্যুর লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করব।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি ১০। মৃত লাশটির হাতের আঙ্গুলের ছাপ/পায়ের ছাপ ও পূর্ণাঙ্গ ছবি নিব।

পিআরবি ৩১৩, ৩১৪ বিধি ১২। লাশটির ওয়ারিশ খোঁজার চেষ্টা করব। পুলিশ আইনের ২৩ ধারা, পিআরবি ১১৮ বিধি

১৩। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মর্গে প্রেরণ করব। পিআরবি ৩০৪, ৩০৫ বিধি

১৪। ঘটনার সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করব।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৬১ ধারা, পিআরবি ২৬৫ বিধি

১৫। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রকাশ্যে ও গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করে কাউকে সন্দেহ হলে ফৌঃ কাঃ আইনের ৫৪(১) উপধারায় বিনা পরোয়নায় গ্রেফতার করব।পিআরবি ৩১৬ বিধি

১৬। থানায় এসে ঘটনার সারমর্ম পুনরায় জিডিতে লিপিবদ্ধ করব।

১৭। বাদি পাওয়া গেলে তার কাছ থেকে এজাহার নিব অথবা বাদি না পাওয়া গেলে নিজে বাদি হয়ে একটি খুন মামলা রজু করব। পেনাল কোডের ৩০২ ধারা

১৮। মর্গে থেকে লাশটি ফেরত আসার পর সৎকারের নির্দেশ দিব। পিআরবি ৩১০ বিধি।

04/05/2026

প্রশ্নঃ-১৫। আপনি এএসআই হিসাবে থানায় দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পরে অনেক যাত্রি আহত ও মারা গেছে মর্মে সংবাদ পেলেন এ অবস্থায় আপনার করণীয় কী আলোচনা করুন। অথবা একটি সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পেলেন, এ অবস্থায় আপনার করণীয় কী আলোচনা করুন।

উত্তরঃ- ফৌঃ কাঃ আইনের ৪(১) (ত) উপধারা এবং পিআরবি ২০১, ২০৭(গ) বিধি অনুযায়ী আমি এএসআই হিসাবে থানার চার্জে থাকাকালীন প্রশ্নে উল্লেখিত সংবাদের প্রেক্ষিতে যে সকল ব্যবস্থা

গ্রহণ করব তা নিম্নে আলোচনা করা হল: ০১। দুর্ঘটনার সংবাদটি ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারকে অবগত করব।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫০ ধারা ও পুলিশ আইনের ২৩(৩) ধারা মোতাবেক উক্ত পিআরবি ১২০ বিধি ০২। সংবাদটি জেনারেল ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করব। পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা, পিআরবি ৩৭৭

বিধি, ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪,১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা

০৩। খানার মোবাইল পার্টিকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিব। পিআরবি ৩৫৬, ১১৮ বিধি ০৪। থানায় অন্য কোনো এএসআই না থাকলে থানার চার্জ সিনিয়র কনস্টবলকে বুঝিয়ে দিব।

পিআরবি ২৩১ (ক) বিধি

০৫। ফৌঃ কাঃ ১৫৬, ১৫৭ ধারা মোতাবেক ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করার জন্য সঙ্গীয় ফোর্সসহ রওনা হব। পিআরবি ১৪৫ বিধি

০৬। পিআরবি ২৫৮ বিধি মোতাবেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করব।

পিআরবি ৩১২ বিধি

০৭। বাসের চালককে বিনা পরোয়ানার গ্রেফতার করব।

সড়ক পরিবহন আইনের ১১০ ধারা, পিআরবি ৩১৬ বিধি

০৮। ঘটনাস্থলে থাকা ক্রাইসিন সংগ্রহ করব। পিআরবি ৬৩৫, ৬৩৮ বিধি

০১। ঘটনাস্থলের একটি খসড়া মানচিত্র তৈরি করব। পিআরবি ২৭৩ বিধি

১০। যাত্রীদের মালামাল নিজ হেফাজতে নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করব এবং উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষ বিলি ব্যবস্থা করব এবং রাস্তায় যানযট নিরসন করব। পিআরবি ১১৮ বিধি

১২। দুর্ঘটনায় কবলিত বাসটি হেফাজতে নিয়ে এর একটি জব্দ তালিকা তৈরি করব।

ফৌঃ কাঃ ১০৩ (২) ধারা, পিআরবি ২৮০ বিধি ১৩। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে নিহতদের পৃথকভাবে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করব এবং সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিব। ফৌঃ কাঃ ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি

১৪। মৃত লাশের হাতের আঙ্গুলের ছাপ/পায়ের ছাপ ও পূর্ণাঙ্গ ছবি নিব। পিআরবি ৩১৩, ৩১৪ বিধি

১৫। নিহতদের অভিবাবক বা ওয়ারিশ খোঁজার লক্ষ্যে মাইকিং, সংবাদপত্রে ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়

বিজ্ঞানের ব্যবস্থা কবর। পুলিশ আইনের ২৩ ধারা, পিআরবি ১১৮ বিধি

১৬। ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করব। পিআরবি ৩০৪, ৩০৫ বিধি

১৭। ঘটনার সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করব।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৬১ ধারা, পিআরবি ২৬৫ বিধি

১৮। খানায় এসে ঘটনার সারমর্ম পূনরায় জিডিতে এন্ট্রি করব।

১৯। মর্গ থেকে লাশগুলোর ফেরত আসার পর সৎকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। পিআরবি ৩১০ বিধি

২০। গ্রেফতারকৃত চালকের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩০৪(খ), ৩৩৮ (ক) ও ২৭৯ ধারা মোতাবেক মামলা রজু করে যথা সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করব। ফৌঃ কাঃ আইনের ৬০, ৬১, ৮১ ধারা

04/05/2026

প্রশ্নঃ-১৪। হারুন অর-রশিদ নামে এক ব্যক্তি থানায় এসে সংবাদ দিল যে তার স্ত্রী ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ আপনাকে এএসদাই হিসেবে ঘটনাস্থলে পাঠালেন। আপনার কর্তব্য কর্ম কী কী আলোচনা করুন।

উত্তরঃ- ১৮৬১ সালে প্রণীত পুলিশ আইনের ২৩(১) উপধারা মোতাবেক যেহেতু উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের সকল বৈধ আদেশ অধস্তন পুলিশ অফিসার মানতে বাধ্য থাকবে, তাই আলোচ্য প্রশ্নের আলোকে আমার কর্তব্য কর্ম সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলঃ

০১। থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিকট হতেবিধি মোতাবেক ঘটনাস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি কমান্ড সার্টিফিকেট সংগ্রহ করব। পিআরবি-১৬৩/৯০৯ বিধি

০২। আত্মহত্যার সংবাদটি জেনারেল ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করব। পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা, পিআরবি ৩৭৭ বিধি, ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪,১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা

০৩। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৬, ১৫৭ ধারা মোতাবেক ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করার জন্য সঙ্গীর ফোর্সসহ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হব।

পিআরবি ১৪৫ বিধি

০৪। পিআরবি ২৫৮ বিধি মোতাবেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থলটি লাল বা হলুদ ফিতা খার ঘেরাও করে একটি নির্দিষ্ট পথে ঘটনাস্থলে গমন পূর্বক ক্রাইমসিন বা বস্তুগত সংরক্ষণ করবো।

০৫। ঘটনাস্থলের একটি খসড়া মানচিত্র তৈরি করব। পিআরবি ২৭৩ বিধি

পিআরবি ৬৩৫, ৬০৮ বিদি

০৬। আলামত হিসাবে রশি, গায়ের উড়না ও পায়ের স্যান্ডেলসহ অন্যন্য জিনিসপত্রের একটি জব্দ তালিকা তৈরি করে তা হেফাজতে নিব। ফৌঃ কাঃ আইনের ১০৩ (২) ধারা, পিআরবি ২৮০ বিধি

০৭। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অপমৃত্যুর লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করব এবং সুরতহাল রিপোর্টে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিব। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি২৯৯, ৩০০ বিধি ০৮। মৃত লাশটির হাতের আঙ্গুলের ছাপ/পায়ের ছাপ ও পূর্ণাঙ্গ ছবি নিব। পিআরবি ৩১৩, ৩১৪ বিধি

০৯। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি দুইজন কনস্টবলের মাধ্যমে লাশ চালানের কপি, সিসি, সুরতহাল রিপোর্টের কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মর্গে প্রেরণ করব। পিআরবি ৩০৪, ৩০৫ বিধি

১০। ঘটনার সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করব।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৬১ ধারা, পিআরবি ২৬৫ বিধি

১১। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রকাশ্যে ও গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করে কাউকে সন্দেহ হলে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে হবে। ফৌঃ কাঃ আইনের ৫৪ (১) উপধারা, পিআরবি ৩১৬ বিধি

১২। থানায় এসে ঘটনার সারমর্ম পুনরায় জিডিতে লিপিবদ্ধ করব এবং একটি অপমৃত্যুর মামলা রঘু করব। ফৌঃ কাঃ ১৭৪ ধারা ও পিআরবি ২৯৯ বিধি

১৩। মর্গে থেকে লাশটি ফেরত আসার পর লাশটি সৎকারের নির্দেশ দিব। ১৪। বিস্তারিত ঘটনা থানার অফিসার ইনচার্জকে জানাব। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৬৮ ধারা)

পিআরবি ৩১০ বিধি

১৫। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রাপ্তির পর থানার অফিসার উক্ত অপমৃত্যু মামলার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
পিআরবি ৩০৬ বিধি, ফৌঃ কাঃ ৫০৯-ক ধারা।

04/05/2026

প্রশ্নঃ-০৭। সুরতহাল রিপোর্ট কাকে বলে? সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করার নিয়মাবলী বা পদ্ধতিগুলি বা কৌশল গুলি কী কী আলোচনা করুন।

উত্তরঃ- সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest report): ১৮৯৮ সালের প্রণীত ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪/১৭৫, ১৭৬(১) উপধারা অনুযায়ী কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যু বা পুলিশ হেফাজতে বন্দির মৃত্যুর সংবাদের প্রেক্ষিতে পুলিশ অফিসার/ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে সনাক্তকারীর সনাক্ত মতে মৃত ব্যক্তির মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে যে উপায়ে মৃত্যু সংঘটিত হয়েছে আপাতত দৃষ্টিতে উক্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে রিপোর্ট তৈরি করেন তাকে সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest report) বলে।

পিআরবি ২৯৯, ৩০০, ৩০২ (খ) বিধি

নিম্নে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করার নিয়মাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ

০১। অপমৃত্যুর সুরতহাল সংক্রান্ত বিষয়টি জিডিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। পুলিশ আইনের ৪৪

ধারা, পিআরবি ৩৭৭ বিধি, ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪,১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা ০২। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।

পিআরবি ২৫৮ বিধি

০৩। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এবং সনাক্তকারী/সনাক্তকারিণীর সনাক্তমতে লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪/১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯/৩০০ বিধি

০৪। সুরতহাল রির্পোটে মামলার সূত্র (থানার অপমৃত্যু মামলা নম্বর অথবা জিডি নং ও তারিখ) উল্লেখ করতে হবে।

০৫। মৃত ব্যক্তির পরিচয় (যেমন-নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, গ্রাম, পোঃ, থানা ও জেলা) উল্লেখ করতে হবে।

০৬। প্রস্তুতকারী অফিসারের নাম, পদবী ও ঠিকানা উল্লেখ থাকতে হবে।

০৭। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুর করার স্থান, তারিখ ও সময় উল্লেখ করতে হবে।

০৮। সুরতহাল রিপোর্টে সাক্ষীদের নাম-ঠিকানা ও সনাক্তকারীর নাম ঠিকানা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে এবং সনাক্তকারী ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। ফৌঃ কাঃ ১৭৪ (২) উপধারা

০৯। মৃত ব্যক্তির সাথে সনাক্তকারী/সনাক্তারিনীর সম্পর্ক উল্লেখ করতে হবে।

১০। মৃত ব্যক্তি যদি মহিলা হয় তাহলে সনাক্তকারিনী হিসেবে অপর একজন মহিলা নিয়োগ করতে হবে।

১১। মৃত দেহের শারিরীক বর্ণনা। (যেমন-গায়ের রং, বয়স, উচ্চতা, চুলের রং ও প্রকৃতি, লিঙ্গ)।

১২। ফাঁসিতে মৃত্যু, পানিতে ডুবে মৃত্যু, বিষপানে মৃত্যু বা অন্য কোনো কারনে মৃত্যু হয়ে থাকলে তার লক্ষণ সমূহ সু-স্পষ্টভাবে সুরতহাল রির্পোটে উল্লেখ করতে হবে।

১৩। একাধিক মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আলাদা আলাদাভাবে সুরতহাল রির্পোট তৈরি করতে হবে।

১৪। প্রকাশ্যে ও গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করে মৃত্যুর সম্ভব্য কারণ নির্ণয় পূর্বক তার বিবরণ সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।

১৫। পুলিশ হেফাজতে কোনো আসামির মৃত্যু ঘটলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন।
ফৌঃ কাঃ ১৭৬ (১) ধারা, পিআরবি ৩০২ (খ) বিধি

১৬। মৃত দেহ সৎকারের লক্ষ্যে গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করতে হবে।

পিআরবি ৩১০ বিধি।

04/05/2026

প্রশ্নঃ-০৬। সুরতহাল রিপোর্টে কী কী বিষয় উল্লেখ থাকে লিখুন?

উত্তরঃ- ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪/১৭৫ ধারা ও পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্টে নিম্নলিখিত বিষয় উল্লেখ থাকে।

০১। সূত্রঃ- (থানার অপমৃত্যু মামলা নম্বর ও তারিখ অথবা জিডি নং ও তারিখ)।

০২। মৃত ব্যক্তির পরিচয়। (যেমন নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, গ্রাম, পোঃ, থানা ও জেলা)।

০৩। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করার স্থান, তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকে।

০৪। মৃত দেহের অবস্থানের বর্ণনা।

০৫। সুরতহাল রিপোর্টে সাক্ষীদের নাম-ঠিকানা ও সনাক্তকারীর নাম ঠিকানা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে এবং সনাক্তকারী ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। ফৌঃ কাঃ ১৭৪ (২) উপধারা]

০৬। মৃত দেহের সাথে সনাক্তকারীনির সম্পর্ক উল্লেখ করতে হয়।

০৭। মৃত দেহের শারীরিক বর্ণনা উল্লেখ করতে হয়।

(যেমন- গায়ের রং, বয়স, উচ্চতা, চুলের রং ও প্রকৃতি, লিঙ্গ)।

০৮। মৃত দেহের পরিহিত পোশাকের বর্ণনা।

০৯। মৃত দেহের দৃশ্যমান চিহ্ন/ক্ষতের চিহ্নসমুহের বর্ণনা।

১০। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

১১। মৃত দেহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ থাকতে হবে। পিআরবি ৩১০ বিধি]

১২। প্রস্তুতকারী অফিসারের নাম, পদবী, ঠিকানা ও স্বাক্ষর উল্লেখ করতে হবে।

04/05/2026

প্রশ্নঃ-০৪। কোনো অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ বা বেওয়ারিশ লাশের নিষ্পত্তি মূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করুন।

উত্তরঃ কোনো অজ্ঞাতনামা মৃতদেহের নিষ্পত্তি মূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলঃ

০১। অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ বা বেওয়ারিশ লাশের ক্ষেত্রে তা নিষ্পতি করার জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সাথে পরামর্শ করতে হবে। ফৌঃ কাঃ ১৫০ ধারা, পিআরবি ১২০ বিধি ও পুলিশ আইনের ২৩(৩) উপধারা

০২। অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ বা বেওয়ারিশ লাশের বিষয়টি জিডিতে এন্ট্রি করতে হবে। পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা, পিআরবি ৩৭৭ বিধি, ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪,১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা

০৩। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে হবে এবং সুরতহাল রিপোর্টে

সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি

০৪। মৃত লাশটি যদি সনাক্ত করা না যায় তাহলে তার হাত ও পায়ের আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে তা

পরীক্ষা করার জন্য বিশেষজ্ঞের নিকট প্রেরণ করতে হবে। পিআরবি ৩১৩/৪৯৪ বিধি

০৫। লাশটির একটি পূর্ণাঙ্গ ফটো তোলে রাখতে হবে।

পিআরবি ৩১৪ বিধি

০৬। লাশটির ওয়ারিশ খোঁজে পাওয়ার জন্য মাইকিং, সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়

বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ আইনের ২৩ ধারা, পিআরবি ১১৮ বিধি

৭। ঘটনার সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করব।

ফৌঃ কাঃ ১৬১ ধারা, পিআরবি ২৬৫ বিধি

০৮। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি দুইজন কনস্টবলের মাধ্যমে লাশ চালানের কপি, সিসি, সুরতহাল রিপোর্টের কপি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মর্গে প্রেরণ করতে হবে।

পিআরবি ৩০৪, ৩০৫ বিধি।

০৯। এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রজু করতে হবে।

ফৌঃ কাঃ ১৭৪ ধারা ও পিআরবি ২৯৯ বিধি

১০। লাশটি অভিবাবক না পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে সরকারি গোরস্থানে দাফন করার ব্যবস্থা করতে হবে। পিআরবি ৩১০ বিধি

১১। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রাপ্তির পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

পিআরবি ৩০৬ বিধি, ফৌঃ কাঃ ৫০৯-ক ধারা।

04/05/2026

প্রশ্নঃ-০১। অপমৃত্যু মামলা কী? অপমৃত্যু মামলা কীভাবে রজু করতে হয়, কোন অপমৃত্যুর সংবাদ প্রাপ্তির পর পুলিশ অফিসারের করণীয় কী?

অথবা, অপমৃত্যু মামলার তদন্ত পদ্ধতি বা আইনগত পদ্ধতিগুলি কি কি আলোচনার করুন।

উত্তরা- অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা (Unnatural death case):

প্রকৃতির নিয়মের বাহিরে যে সকল মৃত্যু সংঘটিত হয় (যেমনঃ আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি) সেই সকল মৃত্যুর জন্য বিপি নং ৪৮ মোতাবেক থানায় যে মামলা রজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা (Unnatural death case) বা UD মামলা বলা হয়।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪ ধারা, পিআরবি ২৯৯ বিধি

আলোচ্য প্রশ্নানুসারে নিম্নলিখিতভাবে অপমৃত্যু মামলা রজু করা হয়ঃ

থানা এলাকার মধ্যে কোন নারী/পুরুষ-

০১। আত্মহত্যা করলে;

০২। অপর কোনো ব্যক্তি বা কোনো প্রাণী কর্তৃক বা কোনো যন্ত্র দ্বারা বা কোনো দুর্ঘটনার কারনে

কেউ নিহত হলে;

০৩। এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে, যার ফলে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ হয় যে, অপর কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে;

তাহলে পুলিশ অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উক্ত লাশের সুরতহাল করার পর বিপি নং ৪৮ মোতাবেক থানায় অপমৃত্যু মামলা রজু করা হয়।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি

অপমৃত্যুর সংবাদ প্রাপ্তির পর পুলিশ অফিসারের করণীয় বা তদন্ত পদ্ধতিঃ

০১। অপমৃত্যুর সংবাদের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারকে অবগত করতে হবে।

ফৌঃ কাঃ ১৫০ ধারা, পিআরবি ১২০ বিধি ও পুলিশ আইনের ২৩(৩) উপধারা

০২। অপমৃত্যুর সংবাদের বিষয়টি জিডিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা, পিআরবি ৩৭৭ বিধি,

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪, ১৫৫ ধারা, সাক্ষ্য আইনের ৯/৩৫ ধারা

০৩। ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৬, ১৫৭ ধারা অনুসারে ঘটনাস্থলের প্রাথমিক তদন্ত করার জন্য সঙ্গীয়

ফোর্স নিয়ে রওনা হতে হবে। পিআরবি ১৪৫ বিধি

০৪। পিআরবি ২৫৮ বিধি মোতাবেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অপরাধস্থলটি লাল বা হলুদ ফিতা দ্বারা ঘেরাও করে একটি নির্দিষ্ট পথে অপরাধস্থলে গমন পূর্বক ঘটনাস্থলে থাকা বস্তুগত সাক্ষ্যসমূহ

যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। পিআরবি ৬৩৫, ৬৩৮ বিধি

০৫। ঘটনাস্থলের একটি খসড়া মানচিত্র তৈরি করতে হবে। পিআরবি ২৭৩ বিধি

০৬। মৃত লাশের আশপাশে পরে থাকা আলামতসমূহ সংগ্রহ করে একটি জব্দ তালিকা তৈরি করতে হবে। ফৌঃ কাঃ আইনের ১০৩ (২) ধারা, পিআরবি ২৮০ বিধি

০৭। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অপমৃত্যু লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে হবে এবং সুরতহাল রিপোর্টে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে।

ফৌঃ কাঃ আইনের ১৭৪, ১৭৫ ধারা, পিআরবি ২৯৯, ৩০০ বিধি।

০৮। মৃত লাশটি যদি সনাক্ত করা না যায় তাহলে তার হাত ও পায়ের আঙ্গুলের ছাপ নিতে হবে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি তুলে রাখতে হবে। পিআরবি ৩১৩, ৩১৪ বিষি

০৯। ঘটনার সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে।

ফৌঃ কাঃ ১৬১ ধারা, পিআরবি ২৬৫ বিধি

১০। লাশটি যদি বেওয়ারিশ হয় তাহলে ওয়ারিশ খোঁজার জন্য সংবাদপত্রে ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুলিশ আইনের ২৩ ধারা ও পিআরবি ১১৮ বিষি

১১। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি দুইজন কনস্টবলের মাধ্যমে লাশ চালানের কপি, সিসি, সুরতহাল রিপোর্টের কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মর্গে প্রেরণ করতে হবে।পিআরবি ৩০৪, ৩০৫ বিধি

১২। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রকাশ্যে ও গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করে কাউকে সন্দেহ হলে তাকে বিনা পরোয়নায় গ্রেফতার করতে হবে। ফৌঃ কাঃ আইনের ৫৪(১) উপধারা, পিআরবি ৩১৬ বিধি

১৩। সংবাদ দাতার কাছ থেকে এজাহার নিয়ে এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রজু

করতে হবে। ফৌঃ কাঃ ১৭৪ ধারা, পিআরবি ২৯৯ বিধি

১৪। মর্গ থেকে লাশটি ফেরত আসার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে লাশটির সৎকারের ব্যবস্থা গ্রহণ

করতে হবে। পিআরবি ৩১০ বিধি

১৫। মামলার আলামত ও বস্তুগত সাক্ষ্যসমূহ পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

সাক্ষ্য আইনের ৭, ২৭, ৪৫ ধারা, পিআরবি ২৯৭ বিধি

১৬। পরিশেষে ময়না তদন্তের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রজুকৃত অপমৃত্যু মামলার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পিআরবি ৩০৬ বিধি, ফৌঃ কাঃ ৫০৯-ক ধারা

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসাদ ভাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share