সিলহাট-Sylhaat

Call Contact the business

সিলহাট-Sylhaat সিলহাট একটি সিলেটি ঐতিহ্যবাহী পণ্যে?

সকালের সতেজতা, এক কাপ চা ছাড়া অসম্ভব। প্রায় সব পরিবারের সকাল শুরু হয় এক কাপ চা দিয়ে .. … তারমানে চা এখন শখের কিছু না,...
03/11/2021

সকালের সতেজতা, এক কাপ চা ছাড়া অসম্ভব। প্রায় সব পরিবারের সকাল শুরু হয় এক কাপ চা দিয়ে .. … তারমানে চা এখন শখের কিছু না, চা হচ্ছে চাহিদা, বেশীরভাগ পরিবারেই মাসে ২/৩ কেজি চা নিয়মিত কিনতে হয় । বাজারে সব নামকরা ব্র্যান্ডের চা প্রতি কেজি ৫০০.০০ থেকে ৬০০টাকায় বিক্রি হয়।

বাজার থেকে কিনে তো চা - অনেক খেয়েছেন, এবার চা কিনুন সিলহাট থেকে, প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম রঙ মুক্ত বাগানের ফ্রেশ চা পাচ্ছেন আমাদের কাছে।

আমাদের সিগনেচার টি ৪৫০.০০ টাকা প্রতি কেজি
আর প্রিমিয়াম টি ৫৫০.০০ টাকা প্রতি কেজি ।

সম্পর্কের খাতিরে বাসায় পৌছে দেয়াকে আমরা ভালোবাসা মনে করি, তাই দুই কেজি চা অর্ডার করলে সারা বাংলাদেশে চা পৌছেদিব নিজ দ্বায়িত্বে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কুরিয়ার করা হবে)

চা মানে ভালোবাসা - চা মানে বন্ধুতা , আর তাই আজই অর্ডার করুন।

+8801711736108 Whatsapp [Emon]
+8801881220120 Whatsapp [Jubaer]
+88001715096010 Whatsapp [Shaheen]

SIGNATURE Black Tea = 450tk/kg
PREMIUM Black Tea = 550tk/kg
(Delivery charge free for 2kg and above order)

ஜ۩۞۩ஜ শীতলপাটির সাতকাহন ஜ۩۞۩ஜশীতলপাটি নিপুণ হাতের বুননে মুরতা নামে একধরনের ঝোপজাতীয় গাছের বেত দিয়ে তৈরি হয়। গ্রীষ্মকালে ...
01/11/2021

ஜ۩۞۩ஜ শীতলপাটির সাতকাহন ஜ۩۞۩ஜ

শীতলপাটি নিপুণ হাতের বুননে মুরতা নামে একধরনের ঝোপজাতীয় গাছের বেত দিয়ে তৈরি হয়। গ্রীষ্মকালে শীতল পরশের জন্য বেড়ে যায় শীতলপাটির কদর। পাটির সঙ্গে ‘শীতল’ নামকরণের মাহাত্ম্য এখানেই। এটি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্প। সিলেটের বালাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা মূলত এ শিল্পের আদি স্থান। এর বাইরে সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাড়াও সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর; হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখা, রাজনগরসহ সিলেট বিভাগের চার জেলার দুই শতাধিক গ্রামে শীতলপাটি বুননের সঙ্গে কয়েক সহস্রাধিক পরিবার যুক্ত রয়েছে। যুগ যুগ ধরেই বংশপরম্পরায় এসব গ্রামের নারী-পুরুষেরা এই কাজ করেন।

শীতলপাটির বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে গরমে ঠান্ডা অনুভূত হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হওয়ার কারণে এই পাটি একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত। সিলেটের চার জেলা ছাড়াও নোয়াখালী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় শীতলপাটির কারিগরদের দেখা মেলে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পাটি তৈরি হলেও সিলেটেই বুননশিল্পীদের দেখা বেশি মেলে। এখানে বুননশিল্পীরা বংশপরম্পরায় পাটির বুননকৌশল আয়ত্ত করেছেন।
শীতলপাটির রয়েছে নানা নাম আর জাত। এর মধ্যে ‘পয়সা’, ‘সিকি’, ‘আধুলি’, ‘টাকা’, ‘নয়নতারা’, ‘আসমান তারা’, ‘শাপলা’, ‘সোনামুড়ি’, ‘টিক্কা’ নামের পাটির ব্যবহার গ্রামের গৃহস্থ পরিবারে বেশি। এ ছাড়া অভিজাত পাটি হিসেবে ‘লালগালিচা’, ‘ধাধুলি’, ‘মিহি’ চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করা হয়। বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ১০ হাজার টাকায়। ‘সিকি’ পাটি খুবই মসৃণ হয়। কথিত আছে, মসৃণতার কারণে সিকির ওপর দিয়ে সাপ চলাচল করতে পারে না। এসবের বাইরে দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী নানা ধরনের পাটি রয়েছে। বুননের মাধ্যমে পাটিতে পৌরাণিক কাহিনিচিত্র, পাখি, ফুল-লতা-পাতা বা অন্যান্য জ্যামিতিক নকশা ও মোটিফ তুলে ধরা হয়। পাটিগুলো সচরাচর ৭ X ৫ ফুট হয়ে থাকে।

সুত্র: প্রথম আলো

▌│█║▌║▌║ সিলেটি জারা লেম্বু / লেবু ║▌║▌║█│▌জারা লেবু অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রপ্তানিযোগ্য ফসল। সাধারণ লেবুর চেয়ে জারা লেবু একট...
01/11/2021

▌│█║▌║▌║ সিলেটি জারা লেম্বু / লেবু ║▌║▌║█│▌

জারা লেবু অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রপ্তানিযোগ্য ফসল। সাধারণ লেবুর চেয়ে জারা লেবু একটু ব্যতিক্রমই বটে। জারা লেবুর রস নয় মূলত বাকল খাওয়া হয়। খাবার টেবিলে জারা লেবুর সালাদের বেশ কদর রয়েছে। লেবুটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর আকার সাধারণ লেবুর চেয়ে বেশ বড়, এক একটি লেবুর ওজন প্রায় দুই থেকে চার কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর চামড়া বেশ পুরু তবে রসের পরিমাণ খুবই কম।

লেবুটির চামড়ার একটি বিশেষ মিষ্টি গন্ধ রয়েছে। যার মিষ্টি স্বাধের আবদার রয়েছে ভোক্তাদের। খোসা দিয়ে আচারও তৈরি করা হয়। এ লেবুটি বিদেশে রপ্তানি হয়। প্রবাসী বাংলাদেশীরা এ লেবুর প্রধান ভোক্তা। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলসহ বাংলাদেশের সব এলাকায় এ লেবুর ব্যাপক চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জারা লেবুর বাজার মূল্য বেশ চড়া, একেকটি লেবুর দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সিলেট অঞ্চল তথা সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর উপজেলায় জারা লেবুর চাষ করা হচ্ছে।




【সিলেটের সাতকরা】সাতকরা বা সাতকড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrus macroptera) হল Rutaceae পরিবারের সাইট্রাস গণের অন্তর্ভুক্ত লেবু...
01/11/2021

【সিলেটের সাতকরা】

সাতকরা বা সাতকড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrus macroptera) হল Rutaceae পরিবারের সাইট্রাস গণের অন্তর্ভুক্ত লেবু জাতীয় ফলের গাছ। এটি সিলেট, মালেসিয়া এবং মেলানেশিয়ার একটি স্থানীয় ফল।

সাতকরা বিশেষ ঘ্রাণযুক্ত লেবু জাতীয় এক প্রকার টক ফল, যা সব্জির আনুষঙ্গিক হিসেবে রান্নায় ব্যবহৃত হয়। সাইট্রাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত লেবুজাতীয় একটি ফল। লেবুগাছের মতো সাতকরার কাঁটাভরা গাছ ২০ থেকে ২৫ ফুট লম্বা হয়। ফাল্গুন মাসে ফুল আসে। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ে ফল হয়। কমলা চাষের মতো নিরবচ্ছিন্ন কোনো চাষপদ্ধতি না থাকায় সাতকরার উৎপাদন সংক্রান্ত কোনো পরিসংখ্যান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নেই। সিলেটে এর প্রচুর চাহিদার কারণে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের আসাম ও মেঘালয় থেকেও সাতকরা আমদানি হয়।

এই ফল ভারতের আসামের পাহাড়ি এলাকার আদি ফল, যা বর্তমানে বাংলাদেশের সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাটের জাফলং ছাড়াও এখানকার পাহাড়-টিলায় চাষ হয়।

সাতকরা একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল এবং এর পুষ্টিমান অনেক উন্নত। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। এটি ওষধি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে, এটিকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। এটির মজ্জাটি টক-মিষ্টি স্বাদের কারণে সাধারণতফেলে দেওয়া হয়। ঘন বাহিরের অংশ ছোট ছোট টুকরো টুকরো করে কাটা হয় এবং (সবুজ বা পাকা) গরুর মাংস, মাটন এবং মাছের তরকারীতে দিয়ে রান্না করা হয়। রন্ধন এবং গ্রাহনের জন্য বাহিরের অংশটি প্রায়শই রোদে শুকানো হয়। ফলটি আচারেরও প্রাথমিক উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এটি ব্রিটিশ বাংলাদেশী ফাস্টফুডের রেস্তোঁরাগুলিতে ডোনার কাবাবেও ব্যবহৃত হয়। - তথ্য: উইকিপিডিয়া


˜”*°•.˜”*°• চা সম্পর্কিয় তথ্য •°*”˜.•°*”˜চা বলতে সচরাচর সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদবিশিষ্ট এক ধরনের উষ্ণ পানীয়কে বোঝায় যা চা প...
01/11/2021

˜”*°•.˜”*°• চা সম্পর্কিয় তথ্য •°*”˜.•°*”˜

চা বলতে সচরাচর সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদবিশিষ্ট এক ধরনের উষ্ণ পানীয়কে বোঝায় যা চা পাতা পানিতে ফুটিয়ে বা গরম পানিতে ভিজিয়ে তৈরী করা হয়। চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায়। চা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। 'চা পাতা' কার্যত চা গাছের পাতা, পর্ব ও মুকুলের একটি কৃষিজাত পণ্য যা বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুত করা হয়।

ইংরজিতে চা-এর প্রতিশব্দ হলো টি (tea)। গ্রীকদেবী থিয়ার নামানুসারে এরূপ নামকরণ করা হয়েছিল। চীনে ‘টি’-এর উচ্চারণ ছিল ‘চি’। পরে হয়ে যায় ‘চা’।

পানির পরেই চা বিশ্বের সর্বাধিক উপভোগ্য পানীয়। এর একধরনের স্নিগ্ধ, প্রশান্তিদায়ক স্বাদ রয়েছে এবং অনেকেই এটি উপভোগ করে। প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া অনুসারে চা-কে পাঁচটি প্রধান শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যেমন –
১. কালো চা,
২. সবুজ চা,
৩. ইষ্টক চা,
৪. উলং বা ওলোং চা
৫. প্যারাগুয়ে চা।

এছাড়াও, সাদা চা, হলুদ চা, পুয়ের চা-সহ আরো বিভিন্ন ধরনের চা রয়েছে। তবে সর্বাধিক পরিচিত ও ব্যবহৃত চা হল সাদা, সবুজ, উলং এবং কাল চা। প্রায় সবরকম চা-ই ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থেকে তৈরি হলেও বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুতের কারণে এক এক ধরনের চা এক এক রকম স্বাদযুক্ত। পুয়ের চা একধরনের গাঁজনোত্তর চা যা অনেক ক্ষেত্রে ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ক্যামেলিয়া সিনেনসিস বিহীন এক কাপ চা। এক্ষেত্রে চা তৈরীর জন্য অপরাজিতা ফুল ব্যবহার করা হয়েছে কিছু কিছু চায়ে ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থাকে না। ভেষজ চা হল একধরনের নিষিক্ত পাতা, ফুল, লতা ও উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ যাতে কোন ক্যামেলিয়া সিনেনসিস নেই। লাল চা সাধারণত কাল চা (কোরিয়া, চীন ও জাপানে ব্যবহৃত হয়) অথবা দক্ষিণ আফ্রিকার রুইবস গাছ থেকে তৈরি হয় এবং এতেও কোন ক্যামেলিয়া সিনেনসিস নেই। - তথ্য: উইকিপিডিয়া




Address

Rohim Tower, Subhanighat
Sylhet
3100

Telephone

+8801881220120

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিলহাট-Sylhaat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সিলহাট-Sylhaat:

Shortcuts

Share