AMIN Store

AMIN Store সার্চ ইন্ঞ্জিন

সুরা শু'রার ১৯ নাম্বার আয়াত, প্রতি ফজরের পরে,৭০ বার করে পাঠ করুন। রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী আমল।সুরা শু'রার ১৯ নম্বর আয়াত...
25/12/2025

সুরা শু'রার ১৯ নাম্বার আয়াত, প্রতি ফজরের পরে,৭০ বার করে পাঠ করুন। রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী আমল।

সুরা শু'রার ১৯ নম্বর আয়াত (ٱللَّهُ لَطِيفٌۢ بِعِبَادِهِۦ يَرۡزُقُ مَن يَشَآءُۖ وَهُوَ ٱلۡقَوِيُّ ٱلۡعَزِيزُ - আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি স্নেহশীল, তিনি যাকে ইচ্ছা রিযিক দেন এবং তিনি শক্তিমান, পরাক্রমশালী) ফজরের পর ৭০ বার পাঠ করা একটি কার্যকরী আমল, যা রিজিকের অভাব দূর করতে এবং বরকত আনতে সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করা হয়, এবং এটি নিয়মিত, একনিষ্ঠতার সাথে পালন করলে আল্লাহ তা'আলা রিজিকের সংকট থেকে রক্ষা করেন বলে অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত।
আমলের নিয়ম:
আয়াত: সূরা আশ-শুরা (৪২): ১৯ - Quran.com আয়াতটি হলো: ٱللَّهُ لَطِيفٌۢ بِعِبَادِهِۦ يَرۡزُقُ مَن يَشَآءُۖ وَهُوَ ٱلۡقَوِيُّ ٱلۡعَزِيزُ।
সময়: প্রতি ফজরের নামাজের পর।
সংখ্যা: ৭০ বার।
শর্ত: একনিষ্ঠতা ও নিয়মানুবর্তিতা।
তাফসির ও ফজিলত:
অর্থ: আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ও স্নেহশীল। তিনি যাকে চান, পর্যাপ্ত রিযিক দান করেন। তিনি সর্বশক্তিমান ও মহাপরাক্রমশালী।
রিজিকের প্রাচুর্য: এই আয়াত নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তা'আলা রিজিকের সংকট থেকে সুরক্ষা দেন এবং অভাব দূর করেন।
অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞ আলেমগণ এবং বুজুর্গদের মতে, এটি রিজিক বৃদ্ধির একটি পরীক্ষিত ও কার্যকর আমল।

The Quran translated into many languages in a simple and easy interface

20/12/2025

আসসালামু আলাইকুম আপনারা যারা রিজিকের প্রতিবন্ধকতায় ভুগছেন ব্যবসা চাকরি, কাজ কর্মে মনোনিবেশ হারিয়ে ফেলেছেন বার বার বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা এই সেল্ফ সাজেশন টি টানা ৭ দিন ফলো করতে পারেন। ৩০ মিনিট করে।

‎প্রথমে নিজের সমস্যার জন্য নিয়ত করে নিবেন তারপর এক ঝগ পানি, অলিভ ওয়েল সাথে নিয়ে আয়াও ও দোয়া গুলো টানা ৩০ মিনিট সময় নিয়ে রিপিট করে পড়বেন।

‎তরপর তেল ও পানিতে ফু দিয়ে সেই পানি খাবেন এবং ৭ দিন গুসল করবেন আর তেলটা রাত্রে শুবার আগে পুরো শরীরে মেখে নিবেন।

‎ প্রথমে দুরুদ শরিফ, সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি পড়ে নিবেন তারপর নিম্নের আয়াত ও দোয়া গুলো পড়ুন মাথায় হাত রেখে।

‎আয়াত:
‎إِنَّ اللّٰهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو القُوَّةِ المَتِينُ
‎ এই অংশ বেশি পড়ুন
‎إِنَّ اللّٰهَ هُوَ الرَّزَّاقُ
‎ দোয়া:
‎① بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهُ كُلَّ سِحْرٍ لِوَقْفِ الحَالِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিলি-ওয়াকফিল হাল
‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার কাজ-কর্ম কর্মস্থল থামিয়ে দেয়।

‎আয়াত:
‎كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَكِنْ كَانُوا أَنْفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ
‎দোয়া:
‎② بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهُ كُلَّ سِحْرٍ لِتَعْطِيلِ الأَرْزَاقِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিলি-তা‘তীলিল আরযাক

‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার রিজিক–উপার্জন বন্ধ করে দেওয়ার জন্যে করা হয়েছে।


‎আয়াত:
‎قُلِ اللّٰهُمَّ مَالِكَ المُلْكِ، تُؤْتِي المُلْكَ مَنْ تَشَاءُ،وَتَنْزِعُ المُلْكَ مِمَّنْ تَشَاءُ،وَتُعِزُّ مَنْ تَشَاءُ،وَتُذِلُّ مَنْ تَشَاءُ،بِيَدِكَ الخَيْرُ، إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
‎ দোয়া:
‎③ بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهُ كُلَّ سِحْرٍ لِتَعْطِيلِ الْوَظِيفَةِ وَالعَمَلِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিলি-তা‘তীলিল ওয়াজীফাহ ওয়াল-আমাল

‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার চাকরি, কাজ বা কর্মজীবনকে প্রতিবন্ধকতার জন্যে করা হয়েছে।

‎আয়াত:
‎وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا قُلْ مَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ مِنَ اللَّهْوِ وَمِنَ التِّجَارَةِ وَاللَّهُ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

‎দোয়া:
‎④ بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهُ كُلَّ سِحْرٍ لِتَعْطِيلِ التِّجَارَةِ وَالبَيْعِ وَالشِّرَاءِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিলি-তা‘তীলিত তিজারাহ ওয়াল-বাই‘ি ওয়াশ-শিরা’

‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার ব্যবসা বানিজ্য,কেনাবেচা বা লেনাদেনায় বাধা দেয়ার জন্যে করা হয়েছে।

‎ আয়াত:
‎يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ تِجَارَةٍ تُنْجِيكُمْ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ

‎ দোয়া:
‎⑤ بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهُ كُلَّ سِحْرٍ لِلْكَسَلِ وَالخُمُولِ وَالفَشَلِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিল-কাসাল ওয়াল-খুমূল ওয়াল-ফাশালি

‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার অলসতা, শক্তিহীনতা এবং কোন কাজে কর্মে বারবার ব্যর্থ হওয়ার জন্যে করা হয়েছে।

‎ আয়াত টা বেশি পড়ুন
‎وَاللَّهُ يَعْلَمُ الْمُفْسِدَ مِنَ الْمُصْلِحِ وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَأَعْنَتَكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
‎ দোয়া:
‎⑥ بِسْمِ اللّٰهِ يُبْطِلُ اللّٰهِ كُلَّ سِحْرٍ مَوْرُوثٍ لِوَقْفِ الحَالِ

‎উচ্চারণ: বিস্মিল্লাহি ইউবতিলুল্লাহু কুল্লা সিহরিন মাওরূসিন লি-ওয়াকফিল হাল

‎অর্থ: আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যাবে প্রত্যেক এমন যাদু যা আমার বংশের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী চলে আসা অগ্রগতি বন্ধ করে দেয়ার জন্যে করা হয়েছে।

‎কপি করার কোন অনুমতি নেই প্রয়োজনে
‎শেয়ার করে দিতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

19/12/2025

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।

১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০

17/12/2025

জীবনের সব দরজা বন্ধ মনে হয়?
‘ইয়া আলিম, ইয়া কদির, ইয়া হাকীম’ ধরে তাওয়াক্কুলের আমল

অনেক সময় জীবন এমন জায়গায় এসে দাঁড়ায়,
যেখানে মানুষ মনে মনে শুধু একটাই কথা বলে—

“এখন আর কাকে বলব?”
“কার কাছে যাব?”
“সব পথ বন্ধ…”

চাকরি নেই, ব্যবসা চলছে না,
বিয়ে, সংসার, সন্তানের ভবিষ্যৎ—
সবকিছু যেন এক অজানা অন্ধকারে আটকে আছে।

নামাজ পড়ছি, দোয়া করছি,
তবু ভিতরে ভিতরে একটা ভয় কাজ করে—
আল্লাহ কি আমার অবস্থা জানেন?
আল্লাহ কি আমার জন্য কিছু করতে পারবেন?
নাকি আমার জন্য ভালো কিছু লিখাই নেই?

কুরআন আমাদের শেখায়—
যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়,
তখন আল্লাহর তিনটি গুণ একসাথে মনে আনতে হয়।

-আল্লাহ সব জানেন — يَا عَلِيمُ (ইয়া আলিমু)

আপনার চোখের জল,
অভিমান, না–বলা কষ্ট—
এর কিছুই আল্লাহর অজানা নয়।

আপনি কত রাত জেগেছেন,
কতবার চুপ করে সহ্য করেছেন—
সবই তিনি জানেন।

-আল্লাহ সব পারেন — يَا قَدِيرُ (ইয়া কদিরু)

মানুষের হাতে আসল ক্ষমতা নেই।
ডাক্তার, বস, অফিস, পরিস্থিতি—
সবই সীমাবদ্ধ।

ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই,
যিনি চাইলে এক মুহূর্তে সব হিসাব উল্টে দিতে পারেন।

-আল্লাহ ভুল করেন না — يَا حَكِيمُ (ইয়া হাকীমু)

আমরা বুঝি না কেন দেরি হচ্ছে,
কেন পথ আটকে আছে।

কিন্তু তিনি আল-হাকীম—
মুমিনের জীবনে
কোনো ঘটনাই অর্থহীন নয়।

-২১ দিনের তাওয়াক্কুলের আমল

এটা কোনো তাবিজ না।
এটা নিজের সব চিন্তা
আল্লাহর জ্ঞান, ক্ষমতা ও হিকমতের হাতে তুলে দেওয়ার আমল।

সময়:
তাহাজ্জুদের পর / ফজরের পর / ইশার পর—একটা সময় ঠিক করুন।

ধাপ:
১) ২ রাকাআত নফল নামাজ (হাজতের নিয়তে)
২) ১১ বার দরুদ শরিফ
৩) ১০০ বার ইস্তিগফার
৪) এরপর পড়ুন—
৩৩ বার ইয়া আলিমু
৩৩ বার ইয়া কদিরু
৩৩ বার ইয়া হাকীমু

পড়ার সময় মনে মনে বলুন—
“হে আল্লাহ, আপনি জানেন…
আপনি পারেন…
আপনি ভুল করেন না…”

এরপর নিজের ভাষায় দোয়া করুন।
অন্তত ২১ দিন নিয়মিত।

এই আমল করতে করতে অনেকেই অনুভব করেন—
ভেতরের ভয় হালকা হয়,
হারাম পথে সমাধান খোঁজার তাড়না কমে,
তাওয়াক্কুল ধীরে ধীরে শক্ত হয়।

-এই তিনটি নাম শুধু শুরু।
আল্লাহর প্রতিটি নামের মধ্যেই আছে
দোয়া, সমাধান আর হৃদয়ের প্রশান্তি।

এই জায়গাটা গুছিয়ে শেখার জন্যই সাজানো হয়েছে—

📘 আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা

এই বইতে থাকছে—
আল্লাহর প্রতিটি নামের অর্থ ও সহজ ব্যাখ্যা,
কোন সমস্যায় কোন নাম ধরবেন,
প্রতিটি নামের নির্দিষ্ট জিকির ও বাস্তব আমল,
রিজিক, ভয়, সিদ্ধান্ত, সন্তান, অস্থিরতার ব্যবহারিক গাইড।

হাদিয়া:
– হার্ডকপি: ৩৫০ টাকা
– PDF ইবুক: ১৪৯ টাকা

অর্ডার করতে—
👉 WhatsApp করুন: 01984-563362
মেসেজে লিখুন: “৯৯ নামের বই চাই”

অথবা
👉 বইয়ের বিস্তারিত ও পাঠকদের রিভিউ দেখতে
কমেন্টে দেওয়া ওয়েবসাইটের লিংকে ক্লিক করে
সরাসরি অনলাইন থেকেও অর্ডার করতে পারবেন।

-আর আপনি যদি চান
নিজের পাশাপাশি পুরো পরিবারের আমল একসাথে গুছাতে—

🟩 মেগা ফ্যামিলি কম্বো (৫ বই)

১. কুরআনের সূরার আমল ও ফজিলত
২. রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা
৩. কুরআনের বরকতময় দোয়া
৪. সন্তান যেন নেক ও সালেহ হয়
৫. আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা

হাদিয়া:
– হার্ডকপি কম্বো: ৯৫০ টাকা
– PDF কম্বো: ৩৫০ টাকা
– ডেলিভারি: ফ্রি

অর্ডার করতে—
👉 WhatsApp: 01984563362
লিখুন: “মেগা ফ্যামিলি কম্বো চাই”

অথবা
👉 সম্পূর্ণ কম্বোর বিস্তারিত দেখতে
কমেন্টে দেওয়া ওয়েবসাইট লিংক থেকেও
সরাসরি অর্ডার করতে পারবেন।

-শেষ কথা

কখনো কখনো সত্যিই
জীবনের সব দরজা বন্ধ মনে হয়।

কিন্তু মুমিনের জন্য
একটা দরজা কখনোই বন্ধ হয় না—
আল্লাহর দরজা।

যে বান্দা
ইয়া আলিম, ইয়া কদির, ইয়া হাকীম ধরে
আল্লাহর দরজায় লেগে থাকে,

আল্লাহ তার জন্য
এমন পথ খুলে দেন,
যার কথা সে নিজেও কোনোদিন ভাবেনি।

আপনি কি আজ থেকে
এই তাওয়াক্কুলের আমল শুরু করবেন?

কমেন্টে লিখুন—
“ইনশাআল্লাহ, আমার দরজা আল্লাহই খুলে দেবেন।”

17/12/2025

জাদুকর ও জালিমকে ধ্বংস করার নিয়তে নিচের আয়াতগুলো ৭/১১/২১ যতবার ইচ্ছা পড়ুন ইনশাআল্লাহ।
খুব দ্রুতই এর ফলাফল দেখবেন ইনশাআল্লাহ।

اَلَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِیۡدٌ ۬ؕ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَهُمۡ مَّغۡفِرَۃٌ وَّ اَجۡرٌ كَبِیۡرٌ ﴿۷}

যারা কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব; আর যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও বড় প্রতিদান। (সুরা ফাতির ৭)

ثُمَّ اَخَذۡتُ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا فَكَیۡفَ كَانَ نَكِیۡرِ ﴿۲۶﴾

তারপর যারা কুফরী করেছিল তাদেরকে আমি পাকড়াও করেছিলাম; অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি?! ( সুরা ফাতির ২৬)

رَبَّنَاۤ اٰتِهِمۡ ضِعۡفَیۡنِ مِنَ الۡعَذَابِ وَ الۡعَنۡهُمۡ لَعۡنًا كَبِیۡرًا ﴿۶۸﴾

হে আমাদের রব, আপনি তাদেরকে দ্বিগুণ আযাব দিন এবং তাদেরকে বেশী করে লা‘নত করুন’। ( সুরা আহযাব ৬৮)

وَ رَدَّ اللّٰهُ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا بِغَیۡظِهِمۡ لَمۡ یَنَالُوۡا خَیۡرًا ؕ وَ كَفَی اللّٰهُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ الۡقِتَالَ ؕ وَ كَانَ اللّٰهُ قَوِیًّا عَزِیۡزًا ﴿ۚ۲۵﴾

আল্লাহ কাফিরদেরকে তাদের আক্রোশসহ ফিরিয়ে দিলেন, তারা কোন কল্যাণ লাভ করেনি। যুদ্ধে মুমিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ প্রবল শক্তিমান, পরাক্রমশালী।( সুরা আহযাব ২৫)

সুরা লাহাব-

تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ (1) مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ (2) سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ (3) وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ (4) فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِنْ مَسَدٍ (5)

(১) আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হৌক এবং ধ্বংস হৌক সে নিজে (২) তার কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা কিছু সে উপার্জন করেছে (৩) সত্বর সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে (৪) এবং তার স্ত্রীও; যে ইন্ধন বহনকারিণী (৫) তার গলদেশে খর্জুর পত্রের পাকানো রশি।

সুরা ফীল -

اَلَمۡ تَرَ كَیۡفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِاَصۡحٰبِ الۡفِیۡلِ ؕ﴿۱﴾اَلَمۡ یَجۡعَلۡ كَیۡدَهُمۡ فِیۡ تَضۡلِیۡلٍ ۙ﴿۲﴾وَّ اَرۡسَلَ عَلَیۡهِمۡ طَیۡرًا اَبَابِیۡلَ ۙ﴿۳﴾تَرۡمِیۡهِمۡ بِحِجَارَۃٍ مِّنۡ سِجِّیۡلٍ ۪ۙ﴿۴﴾فَجَعَلَهُمۡ كَعَصۡفٍ مَّاۡكُوۡلٍ ﴿۵﴾

তুমি কি দেখনি তোমার রব হাতীওয়ালাদের সাথে কী করেছিলেন? তিনি কি তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেননি? আর তিনি তাদের বিরুদ্ধে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি প্রেরণ করেছিলেন। তারা তাদের ওপর নিক্ষেপ করে পোড়ামাটির কঙ্কর। অতঃপর তিনি তাদেরকে করলেন ভক্ষিত শস্যপাতার ন্যায়।

16/12/2025

স্বপ্নে যাদু খাওয়ানো!

অসংখ্য মানুষ যাদুতে আক্রান্ত হচ্ছে শুধু স্বপ্নের যাদু খাওয়ানোর মাধ্যমে। ।

স্বপ্নে খাওয়ানো যাদু বন্ধের পরামর্শ খুব ইফেক্টিভ আমাদের অসংখ্য রিভিউ আছে এই আমলের বারাকাল্লাহ।

🔸১। ঘুমের আগে খুব গুরুত্বের সাথে ঘুমের আমল করা।

ক। আয়াতুল কুরসি (১ বার)
খ। ইখলাস ফালাক ও নাস (৩ বার)
গ। সুরা ফাতেহা (১)

সারা শরীরে মাসেহ করুন হাতে হালকা থুথু দিয়ে।

🔸২। স্বপ্নে যেনো খাওয়াতে না পারে এজন্য নিয়ত করুন।

ক। হে আল্লাহ আমাকে যেনো স্বপ্নে না খাওয়াতে পারে।

খ। ৩ বার সুরা ফাতেহা পড়ুন।
গ। শাহাদাত আঙ্গুলে থুথু দিন এবং পুরো ঠুটে লিপিস্টিক এর মত করে লাগিয়ে নিন।

ইনশাআল্লাহ রিনিউ যাদুর বন্ধ হবে,
নতুন কোনো যাদু খাওয়াতে পারবেনা।

যদি পেটের যাদু অনেক বেশি এবং শক্তিশালী হয় তাহলে অবশ্যই যাদু নষ্টের পদ্ধতিতে রুকইয়্যাহ সেন্টারে অথবা রাক্কির গাইডলাইনে বাসায় পেটের যাদু নষ্ট করা অতন্ত্য জরুরি।

16/12/2025

আপনার পেটে যাদু আছে কিনা যদি বুঝতে চান তাহলে এই আয়াত গুলি পড়ুন

👉 ৩৩ বার

اُولٰٓئِكَ مَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ اِلَّا النَّا رَ

উলাইকা মা-ইয়া’কুলূনা ফী বুতূনিহিম ইল্লান্-নারা
(বাকারা -১৭৪)

👉 ৩৩ বার

اِنَّمَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ نَا رًا, وَسَيَـصْلَوْنَ سَعِيْرًا
ইন্নামা-ইয়া’কুলূনা ফী বুতুনিহিম না-রাওঁ ওয়া ছাইয়াসলাওনা ছা‘ঈরা।
(নিসা -১০)

33 বার
يُصْهَرُ بِهٖ مَا فِيْ بُطُوْنِهِمْ وَا لْجُلُوْدُ
ইউসহারু বিহী মা-ফী বুতূনিহিম ওয়াল জুলূদ।
(হজ্ব -২০)

আয়াত পড়ার আগে আপনি দুই গ্লাস পানিতে তিন কুল পড়ে ফু দিয়ে পান করে নিবেন

পাশাপাশি নিয়্যত করে নিবেন হে আল্লাহ! আমার পেটে যাদুর জিনিসপত্র থাকলে সেগুলো নষ্ট করে দিন।

পানি পান করার সময় খেয়াল রাখবেন আপনার জিহ্বা তিতা তিতা স্বাদ অনুভব হয় কিনা।

আয়াত পাঠ করার সময় খেয়াল রাখুন কি কি প্রতিক্রিয়া হয় আপনার শরীরে

সাধারণ এই সিমটম গুলি হতে পারে

---বমি বমি ভাব -বা বমি হওয়া
---পেটের ভেতরে বলের মতো এদিক সেদিক কিছু নড়াচড়া করা
--পেটে গ্যাসের মাত্র বেড়ে যাওয়া
---বায়ু ত্যাগ হওয়া
---মুখ দিয়ে গ্যাস নির্গত হওয়া
-- বৃষ্টির সময় আকাশে যেভাবে গর্জন করে পেটে সেভাবে গর্জন করা
---বুকে বা গলায় কফের মতো কিছু আটকে আছে এমন অনুভব হওয়া
--পেট ফুলে যাচ্ছে বা শক্ত হয়ে যাচ্ছে অনুভব করা
ইত্যাদি

এইরকম হলে বুঝে নিবেন আপনার পেটে যাদু আছে।

16/12/2025

🌿🌸 সূরা ফাতিহার গোপন আমল — চাওয়া পূরণের অসাধারণ দোয়া 🌸🌿

🌿“যে ব্যক্তি এই আয়াত দ্বারা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে, আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করেন।”
📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৫

✨✨ সূরা ফাতিহার বিশেষ আয়াত✨✨

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

🍂🍂উচ্চারণ: ইয়্যা-কানা'বুদু ওয়া ইয়্যা-কানাস্তা'ঈন
বাংলা অর্থ: “আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।”
📖সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৫

🌙 আমল করার পদ্ধতি

১️⃣ প্রথমে অজু করে দু’ রাকাআত নামাজ আদায় করুন।
২️⃣ এরপর যেকোনো দুরুদ শরীফ ৫ বার বা ৭ বার পাঠ করুন।
৩️⃣ তারপর সূরা ফাতিহার আয়াত ৫ —
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
এই আয়াতটি ৪১ বার মনোযোগসহ পাঠ করুন।
৪️⃣ প্রতিবার পাঠের পর আল্লাহর কাছে আপনার প্রয়োজন ও কষ্টের কথা চোখের পানি ফেলে তুলে ধরুন।

🤲 দোয়া করার সময় বলুন উদাহরণস্বরূপ:

✨হে আল্লাহ! আমি অভাবগ্রস্ত — আমার অভাব দূর করে দিন।
✨হে আল্লাহ! আমি ঋণগ্রস্ত — ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিন।
✨হে আল্লাহ! আমি মামলা-মোকদ্দমায় ফেঁসে গেছি — আমাকে মুক্তি দিন।
✨হে আল্লাহ! আমি বিপদে ও পেরেশানিতে আছি — আমার পেরেশানি দূর করুন।
✨হে আল্লাহ! আমি অসুস্থ — আমাকে সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।
✨হে আল্লাহ! আমি বিয়ের জন্য ভালো পাত্র/পাত্রীর প্রার্থনা করছি — ব্যবস্থা করে দিন।
✨হে আল্লাহ! আমি চাকরি চাই — হালাল রুজির ব্যবস্থা করে দিন।
✨হে আল্লাহ! আমি বিদেশে যেতে চাই — তা সহজ করে দিন।
✨হে আল্লাহ! আমার চাকরি-বাকরিতে ও জীবনে বরকত দান করুন।

🌿 বিশেষ নির্দেশনা

🔸 এই আমলটি নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে যতদিন না দোয়া কবুল হয়।
🔸 দোয়ার সময় মনোযোগ ও খুশু-খুযু থাকা জরুরি।
🔸 আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে — তিনিই সব সমস্যার সমাধানকারী।

📚 রেফারেন্স

✨✨সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৫✨✨

🌿সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৫ — (দোয়া কবুলে সূরা ফাতিহার বিশেষ গুরুত্বের উল্লেখ)

🌿সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭৫৬ — “সূরা ফাতিহা হলো দোয়ার সূচনা, এটি ছাড়া নামাজ পূর্ণ হয় না।”

🌸 অত এব,

✨“যখন তোমার চাওয়া কেবল আল্লাহর কাছেই হয়, তখন তিনিই তোমার সব চাওয়া পূরণ করেন।”
🌿 ইনশাআল্লাহ এই আমলটি নিয়মিত করলে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করবেন।

✍️ Raqi Hossain🌿
fans

15/12/2025

স্বপ্নে যাদু খাওয়ানো বন্ধ করার উপায়

শরীরে থাকা জ্বিন শয়তান তার অবস্থানকে ধরে রাখতে, ঘুমের মধ্যে ভিক্টিমের নাকে কানে মুখে মন্ত্র পড়ে থুতু দেয়। এরপর স্বপ্নে বিভিন্ন খাবার ভিক্টিমের সামনে উপস্থান করা হয়, ভিক্টিম যখন সেই খাবার স্বপ্নে খায় তখন মন্ত্র পড়া সেই থুতু গিলে ফেলে, এই থুথুই পেটে গিয়ে আগের জাদুকে শক্তিশালী করে ।

স্বপ্নে খাওয়ানোর মাধ্যমে কখনো কখনো শরীরের বাহিরে থাকা যাদুর খাদিম জ্বিনেরা স্বপ্নে ভিক্টিমকে বিভিন্ন যাদুর বস্তু যেমন, গিট দেওয়া সুতা, চুল, তাবিজ ইত্যাদি পেটের ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। আর বারবার স্বপ্ন খাওয়ানোর নামে এই জাদু গুলাকে শরিরে প্রটেকশন দিয়ে রাখে

পেটে যতক্ষন খাওয়ানো যাদু থাকে ততক্ষন যাদুর খাদিম শয়তানের শক্তি আছর প্রভাব অনেক থাকে।

পেটের খাওয়ানো যাদু নষ্ট করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যেমন
সুরা বাকারার রেগুলার খতম,
ইখলাস ফালাক নাস কন্টিনিউ পড়ে আল্লাহর কাছে জাদু নষ্টের দোয়া করা,
হিজামা
সোনা পাতা কালিজিরা আর অলিভ অয়েল খাওয়া রুকিয়াহ করা অবশ্যই
রুকইয়াহকৃত পড়া পানি খাওয়ার
সিডর পাতার গোসল
রুকইয়াহর মাধ্যমেও এর প্রভাব নষ্ট হয়, ঘাম পেশাব পায়খানার মাধ্যমে নীচ দিয়ে হিজামায় রক্ত আর বমি করার মাধ্যমে সরাসরি যাদু পেট থেকে বের হয়ে আসে, আবার দ্বারাও এটা নষ্ট হয়ে যায় আল্লাহর ইচ্ছায়।

স্বপ্নে যাদু খাওয়ানো বন্ধের সম্ভাব্য কিছু উপায় দেওয়া হলো—

১। ঘুমানোর আগে মিসওয়াক করবেন।
২। অজু করে 3 বার বিসমিল্লাহ বলে বিছানায় ঝেরে তারপর যাবেন।
৩। সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস ৩ বার করে দুই হাতের তালু মুখের কাছে নিয়ে পড়বেন তারপর শুকনা থু থু দিয়ে দিয়ে সমস্ত শরীর মাসেহ করবেন।আয়াতুল কুরসি পড়বেন। আর সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়বেন।
৪। শত্রুর দৃষ্টি থে কে হিফাজতের বিশেষ আয়াত
সুরা ইয়াসিনের ১ থেকে ৯ আয়াত পড়বেন।
সূরা কাহাফের (৫৭ নং) আয়াত
সূরা নাহলের (১০৮ নং) আয়াত
সূরা জা ’ সিয়া র (২৩ নং)

৭। ঘুমানোর সময় আল্লাহর কাছে রহমত আর হেফাজতের জন্য ফজর সালাত পড়ার নিয়ামত আর দয়া চেয়ে আর শয়তান থেকে হেফাজতের জন্য দোয়া পড়ে ঘুমিয়ে যাবেন।
৮। ঘুমানোর পর যদি আবার 1/2টার দিগে ঘুম ভাঙ্গে আবার শরির বন্ধ করে ঘুমাবেন

রাত, দিন, দুপর যখনই ঘুমান একই নিয়ম ফলো করবেন।

যাদের ঘুমাতে সমস্যা চোখ বন্ধ করে সুরার বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়তে থাকুন ঘুম চলে আসবে।

স্বপ্নে যাদু খেয়ে ফেললে সোনা পাতা অলিভ অয়েল খাবেন রুকিয়াহ পানি দিয়ে খাবেন। দরকার হলে বড়ুই পাতা আর লবন দিয়ে রুকিয়াহ পানি খেয়ে বমি করুন।
এর 1.3ঘন্টা পরে আজ‌ওয়া খেজুর 7টা খেয়ে ফেলুন আর আল্লাহর কাছে জাদু যাতে রিনিউ না করতে পারে তার দোয়া করতে থাকুন। আর পেটে থাকা জাদু নষ্টের রুকিয়াহ করুন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সকলকে জ্বিন এবং মানুষ শয়তানের অনিষ্ঠতা থেকে হেফাযত করুন, জ্বিন, যাদু, বদনজর থেকে হেফাজত করুন এবং সকল যাদুগ্রস্থ ভাই বোনদের পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুন, আমীন।

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

15/12/2025

নামাজ পড়ছেন, কোরআন তিলাওয়াত করছেন—তবুও কেন জাদু বা অস্বস্তি পিছু ছাড়ছে না?
এই প্রশ্নটা অনেকেই মনে মনে করেন।

প্রথমেই বুঝতে হবে, নামাজ ও কোরআন পড়া কখনোই বৃথা যায় না। কিন্তু অনেক সময় আমরা কিছু ভুল ধারণা বা ঘাটতির কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল দ্রুত দেখতে পাই না।

একটি বিষয় হলো—আমল নিয়মিত হলেও পদ্ধতি ঠিক না হওয়া। শুধু তিলাওয়াত করলেই যথেষ্ট নয়, নির্দিষ্ট আয়াত দিয়ে সঠিক রুকইয়াহ করা, নিজের উপর ফুঁ দেওয়া, পানি বা তেলে দম করা—এসব সুন্নাহ পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।

দ্বিতীয়ত—গুনাহের প্রভাব। অনেক সময় আমরা ইবাদত করছি, কিন্তু একই সাথে হারাম কাজ, পর্দার অবহেলা, সুদ, ঝগড়া, হিংসা বা অহংকার ধরে রাখছি। এগুলো শয়তানের দরজা খোলা রাখে, ফলে জাদু বা ওয়াসওয়াসা সহজে প্রভাব ফেলে।

তৃতীয়ত—ধৈর্যের অভাব। জাদু অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়। যেমন রোগ সারতে সময় লাগে, তেমনি রুকইয়াহও কখনো সময় নেয়। কয়েকদিন আমল করে ছেড়ে দিলে উপকার পুরোপুরি আসে না।

চতুর্থত—পূর্ণ ভরসার ঘাটতি। আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল শুধু মুখে নয়, অন্তরে হতে হবে। “আল্লাহই আমাকে শিফা দিবেন”—এই বিশ্বাস যত দৃঢ় হবে, প্রভাব তত দ্রুত কমবে।

মনে রাখবেন, নামাজ ও কোরআন হচ্ছে মূল শক্তি। এর সাথে সহিহ রুকইয়াহ, তাওবা, গুনাহ ছাড়ার চেষ্টা ও ধৈর্য যুক্ত হলে—আল্লাহর অনুমতিতে জাদুর বন্ধন একসময় ভেঙে যাবেই।

আল্লাহ কাউকে পরীক্ষায় ফেললে, সেই পরীক্ষার সমাধানও তিনিই রেখে দেন।

সমস্যা বেশী মনে হলে আমাদের অভিজ্ঞ রাকির সাহায্যে কুরআনের আলেকে রুকইয়াহ করতে কল করুন +8801336-202150 (whatsap)

15/12/2025

গিট আসলে কি? গিট হলো এমন একটি দৃশ্য অথবা অদৃশ্য জিনিস, যা মূলত যাদুকররা যাদুর বস্তুতে সৃষ্টি করে থাকে এবং শাইত্বান ভিক্টিমের শরীরের বিভিন্ন যায়গায় তৈরি করে থাকে। গিট মূলত এক প্রকার জট, বাঁধন ইত্যাদি।

কুরআন-সুন্নাহতে গিট এর ব্যপারে বর্ণনা।

ক. সূরা ফালাক্ব এর ৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন,

وَ مِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الۡعُقَدِ ۙ
অর্থ: আর ( আমি আশ্রয় চাই, জাদু করার উদ্দেশে) গিরায় ফুৎকারকারিণী (যাদুকরদের) অনিষ্ট হতে। [ সূরা ফালাক্ব, আয়াত নং ০৪ ]

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা'আলা উকাদ তথা গিট এর আলোচনা করেছেন। যাদুকররা যাদুকে শক্তিশালী করার প্রসেস সম্পর্কেও বলেছেন। মূলত গিটই যাদুকে শক্তিশালী করার সবচেয়ে মজবুত প্রসেস। একারণেই প্রায় যাদুর বস্তুতেই পিন বিধানো থাকো, সুতো দিয়ে গিরা দেয়া থাকে।

খ. সূরা ত্বহার ২৭ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন,
وَ احۡلُلۡ عُقۡدَۃً مِّنۡ لِّسَانِیۡ

অর্থ: ( হে আল্লাহ) আপনি আমার জ্বিহবায় থাকা গিটকে খুলে দিন।
উক্ত আয়াতেও এমন গিট এর ব্যপারে বলা হয়েছে, যার কারণে কথা জড়িয়ে যায়। মূলত তিনি ঘটনাবশত আগুনের আঙ্গার মুখে নেয়াতে উনার জিহবায় গিট তৈরি হয় এবং উনি তোতলা হয়ে যান।

গ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেহ যখন ঘুমিয়ে যায় শয়তান তখন তার মাথার কাছে বসে তিনটি গিরা লাগায়। প্রতিটি গিরা দেয়ার সময় একটি কথা বলে: তোমার সামনে আছে দীর্ঘ রাত, তুমি ঘুমাও। যখন সে নিদ্রা থেকে উঠে আল্লাহর জিকির করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। এরপর যখন সে অজু করে তখন আরেকটি গিরা খুলে যায়। এরপর যখন নামাজ পড়ে তখন শেষ গিরাটি খুলে যায়। ফলে সে সারাদিন কর্মতৎপর ও সুন্দর মন নিয়ে দিন কাটায়। আর যদি এমন না করে, তাহলে সারাদিন তার কাটে খারাপ মন ও অলসভাব নিয়ে।” [বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম]
উক্ত হাদীসে এমন গিট এর ব্যপারে বলা হয়েছে যা ক্বারিন শাইত্বান আমাদের প্রতি রাতেই দিয়ে থাকে। উদ্দেশ্য হলো আমাদের ইবাদতে বাধা তৈরি করা ও আনপ্রোডাক্টিভ করা।

গিট কয় প্রকারের হয়!

গিট সাধারণত ৬ প্রকারের হয়।

১. সাধারণ গিট। যে গিট শয়তান মানুষকে দিয়ে থাকে যেকোনো বিষয়ের প্রোডাক্টিভিটি কমিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে।

২. যাদুর গিট। এই গিট সাধারণত, যাদুকররা কোন সুতোতে দিয়ে থাকে, অথবা পুতুলে উপর পিন দিয়ে বিধানোর ফলে গিট তৈরি হয়।

৩. বদনজরের গিট। জ্বিন শরীরে রোগ সৃষ্টি করতে এই গিট দিয়ে থাকে। বদনজর এর গিট আমাদের জয়েন্ট এবং পেশিতে থাকে সাধারণত। এই গিট এর ফলে শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা তৈরি হয়।

৪. হাসাদের গিট। হাসাদের গিট সাধারণত বুকে এবং মাথায় থাকে বেশি পরিমাণে। হাসাদের গিটের ফলে মন-মেজাজের পরিবর্তন ঘটে। অহেতুক ভয়, রাগ, ওসিডি, এনজাইটি, শর্ট টাইম মেমরি লস ইত্যাদি সহ নানান সমস্যা তৈরি হয়।

৫. সালালিলের গিট। এই গিট এর ফলে পুরো শরীরে মাকড়সার জালের মত শেকল তৈরি হয়। এই সালাসিলের গিটের কারণে পুরো শরীর অবশের মত লাগে, অনেক সময় পেশেন্ট প্যারালাইসডও হয়ে যায়।

৬. যাদুর খাদেম শাইত্বানের গিট। এই গিট এর মাধ্যমে শাইত্বান তার হুসুন ( দুর্গ) সৃষ্টি করে। এটি যদিও আলাদা প্রকারের মধ্যে পড়ে না। উপর্যুক্ত ৫ টি গিটই মূলত হুসুন ই সৃষ্টি করে।

Address

Kaptan Bazar
Wari
1203

Opening Hours

15:00 - 00:00

Telephone

+8801712578918

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AMIN Store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AMIN Store:

Share