Baitul Aman Jame Masjid and Islami Complex

Baitul Aman Jame Masjid and Islami Complex Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Baitul Aman Jame Masjid and Islami Complex, kalerkhai , Mollabari, Hanua, Bakerganj, Barishal.

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,প্রিয় দ্বীনি ভাই/বোন,আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:> “নিঃসন্দেহে তারাই তো আ...
01/09/2026

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,
প্রিয় দ্বীনি ভাই/বোন,
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:
> “নিঃসন্দেহে তারাই তো আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে, যারা ঈমান আনে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি...” — (সূরা আত-তাওবাহ: ১৮)
>
আলহামদুলিল্লাহ, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আমাদের কালের কাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদর দ্বিতীয় ধাপের কাজ (গ্রেট ভীম, ১৮টি খুঁটি ও ছাদ ঢালাই) শুরু হতে যাচ্ছে।
আখেরাতের শ্রেষ্ঠ সঞ্চয় ও সদকায়ে জারিয়ার এই মহান কাজে আপনার প্রতিশ্রুত অনুদানটি অতি দ্রুত পরিশোধ করে আল্লাহর ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করতে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।
অনুরোধক্রমে:
হাফেজ মাওলানা মুফতি কাউসার বিন হোসাইন
ইমাম ও খতিব, সাভার ডিওএইচএস কেন্দ্রীয় মসজিদ
মোবাইল: 01312962030 (বিকাশ/নগদ)

**মসজিদ আল্লাহর ঘর—আপনার দান হোক পরকালের পাথেয়!** 🕌✨আলহামদুলিল্লাহ! কালেরকাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ ...
06/08/2026

**মসজিদ আল্লাহর ঘর—আপনার দান হোক পরকালের পাথেয়!** 🕌✨

আলহামদুলিল্লাহ! কালেরকাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে এগিয়ে চলেছে। এই মহৎ কাজে শরীক হয়ে কুয়েত প্রবাসী আমাদের প্রিয় দ্বীনি ভাই **জনাব হারুনুর রশিদ** ৫০ বস্তা সিমেন্ট দান করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আল্লাহ তাঁর এই দানকে কবুল করুন এবং একে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কিয়ামত পর্যন্ত জারি রাখুন। আমীন।

**কুরআনের ঘোষণা:**
> "যারা আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি শস্যবীজের মতো, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায় এবং প্রতিটি শীষে থাকে একশটি করে দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।" (সূরা আল-বাকারা: ২৬১)

**রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুসংবাদ:**
> "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করবেন।" (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,
আপনার সামান্য সহযোগিতা হতে পারে পরকালের মুক্তির উসিলা। মসজিদের প্রতিটি ইটের সাথে জড়িয়ে থাকুক আপনার নাম। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই পবিত্র ঘর নির্মাণে সাধ্যমতো অংশগ্রহণ করি।

**দান পাঠানোর ঠিকানা:**
🏦 **ব্যাংক তথ্য:**
- **ব্যাংক:** ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Islami Bank Bangladesh PLC)
- **অ্যাকাউন্টের নাম:** Kalerkathi Jame Masjid
- **অ্যাকাউন্ট নম্বর:** 20507770225475044
- **রাউটিং নম্বর:** 125270607
- **শাখা:** বরিশাল

📞 **যোগাযোগ ও অনুদান নিশ্চিত করতে:**
০১৩৪১-৯০৪ ১০০ (Donation Confirmation)

আসুন, আমরা সবাই মিলে আল্লাহর ঘর নির্মাণে অংশ নিয়ে আখেরাতের সওয়াব হাসিল করি। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও এই সওয়াবের কাজে উৎসাহিত করুন।

#মসজিদ_নির্মাণ #সদকায়ে_জারিয়া #ইসলামিক_দান #কালেরকাঠি_মসজিদ #জুম্মা_মোবারক #আখেরাতের_পাথেয়

---

এই পৃথিবীতে মানুষ নানা ধরনের শুভেচ্ছা ও সম্মান লাভের আকাঙ্ক্ষা করে। কিন্তু জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ তাআলা যে সম্ভাষণ প...
06/08/2026

এই পৃথিবীতে মানুষ নানা ধরনের শুভেচ্ছা ও সম্মান লাভের আকাঙ্ক্ষা করে। কিন্তু জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ তাআলা যে সম্ভাষণ প্রস্তুত করে রেখেছেন, তার তুলনা দুনিয়ার কোনো সম্মান, উপহার বা প্রশংসার সঙ্গে হয় না। জান্নাতে প্রবেশের মুহূর্ত থেকে শুরু করে সেখানে অবস্থানের প্রতিটি স্তরে তাদের সম্ভাষণ হবে "সালাম"—শান্তি, নিরাপত্তা ও অনন্ত কল্যাণের ঘোষণা।

একজন মুমিনের হৃদয়ের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হওয়া উচিত এমন জীবন গড়ে তোলা, যার পরিণতিতে সে আল্লাহর পক্ষ থেকে এই মহান সম্ভাষণ লাভ করবে। তাই আমাদের দোয়া হওয়া উচিত—

اللهم أسمعنا منك السلام يا رب العالمين

“হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে ‘সালাম’ শোনার সৌভাগ্য দান করুন।”

জান্নাতে ‘সালাম’—কুরআনের অপূর্ব চিত্র

আল্লাহ তাআলা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে জান্নাতবাসীদের জন্য "সালাম" সম্ভাষণের কথা উল্লেখ করেছেন।

১. জান্নাতবাসীদের উদ্দেশ্যে সালামের ঘোষণা

﴿وَنَادَوْا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ أَنْ سَلَامٌ عَلَيْكُمْ﴾

“তাদেরকে ডেকে বলা হবে, ‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।’”— সূরা আল-আ'রাফ, ৭:৪৬

২. জান্নাতবাসীদের পারস্পরিক সম্ভাষণ হবে সালাম

﴿دَعْوَاهُمْ فِيهَا سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَامٌ﴾

“সেখানে তাদের প্রার্থনা হবে, ‘হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র।’ আর সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।”— সূরা ইউনুস, ১০:১০

৩. ধৈর্যশীলদের জন্য ফেরেশতাদের সালাম

﴿سَلَامٌ عَلَيْكُمْ بِمَا صَبَرْتُمْ فَنِعْمَ عُقْبَى الدَّارِ﴾

“তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, কারণ তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছিলে। কতই না উত্তম এই চিরস্থায়ী আবাস!”
— সূরা আর-রা'দ, ১৩:২৪

৪. জান্নাতে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম

﴿خَالِدِينَ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ تَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَامٌ﴾

“তারা সেখানে তাদের রবের অনুমতিতে চিরকাল অবস্থান করবে, আর সেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে ‘সালাম’।”
— সূরা ইবরাহিম, ১৪:২৩

৫. ফেরেশতারা জান্নাতে প্রবেশের সময় সালাম জানাবেন

﴿يَقُولُونَ سَلَامٌ عَلَيْكُمُ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ﴾

“ফেরেশতারা বলবেন, ‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যে আমল করতে, তার প্রতিদানস্বরূপ জান্নাতে প্রবেশ করো।’”
— সূরা আন-নাহল, ১৬:৩২

৬. আল্লাহর সাক্ষাতের দিন সম্ভাষণ হবে সালাম

﴿تَحِيَّتُهُمْ يَوْمَ يَلْقَوْنَهُ سَلَامٌ وَأَعَدَّ لَهُمْ أَجْرًا كَرِيمًا﴾

“যেদিন তারা আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করবে, সেদিন তাদের সম্ভাষণ হবে ‘সালাম’। আর তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন সম্মানজনক প্রতিদান।”
— সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৪৪

৭. সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান—স্বয়ং আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম

﴿سَلَامٌ قَوْلًا مِنْ رَبٍّ رَحِيمٍ﴾

“পরম দয়ালু রবের পক্ষ থেকে বলা হবে—‘সালাম।’”
— সূরা ইয়াসীন, ৩৬:৫৮

এটাই জান্নাতবাসীদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান। কারণ এটি হবে স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার পক্ষ থেকে সরাসরি সম্ভাষণ।

৮. জান্নাতের রক্ষীরা বলবেন—সালাম

> ﴿وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا سَلَامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوهَا خَالِدِينَ﴾

“জান্নাতের প্রহরীরা তাদের বলবেন, ‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তোমরা পবিত্র হয়েছ; অতএব চিরস্থায়ীভাবে জান্নাতে প্রবেশ করো।’”— সূরা আয-যুমার, ৩৯:৭৩

রাসূল ﷺ-এর শিক্ষা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

«أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ»

“তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।”
— সহীহ মুসলিম, হাদিস: ৫৪

আরও ইরশাদ করেছেন—

«لَا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا، وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا، أَوَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى شَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ؟ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ»

“তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর পরস্পরকে ভালোবাসা ছাড়া পূর্ণ ঈমান অর্জিত হবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজের কথা বলব না, যা করলে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।”
— সহীহ মুসলিম, হাদিস: ৫৪

আমাদের করণীয়

যে জান্নাতে প্রতিটি মুহূর্তে ‘সালাম’ শুনতে চায়, সে যেন দুনিয়াতেও সালামের চর্চা করে, মানুষের প্রতি শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেয়। ধৈর্য, ঈমান, নেক আমল, তাকওয়া এবং রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমেই মানুষ সেই সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে, যখন তার রব নিজেই তাকে বলবেন—

﴿سَلَامٌ قَوْلًا مِنْ رَبٍّ رَحِيمٍ﴾

“পরম দয়ালু রবের পক্ষ থেকে—সালাম।”— সূরা ইয়াসীন, ৩৬:৫৮

---

02/08/2026

আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিল স্বাভাবিকভাবে আগে কত ছিল, আর এইমাসে কত এসেছে?

👉 আসসালামু আলাইকুম!👉সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোন! 👇🕋কালেরকাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদ নির্মাণে আপনাদের উদারতা আমাদের অনুপ্রে...
23/07/2026

👉 আসসালামু আলাইকুম!
👉সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোন! 👇
🕋কালেরকাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদ নির্মাণে আপনাদের উদারতা আমাদের অনুপ্রেরণা। মসজিদ নির্মাণ সাদকায়ে জারিয়াহ, যা আপনার আখেরাতের পাথেয়।🥰আমাদের সম্মানিত দাতাগণ:
👉•মোঃ সাইদুর রহমান: ১০,০০০ টাকা
👉•মোঃ মাসুদ মোল্লা: মোট ২০,০০০ টাকা (মসজিদের কাজে সর্বদা অগ্রবর্তী)
👉•মোঃ আনোয়ার হোসাইন: ৫,০০০ টাকা
👉•মরহুম নজরুল মোল্লা: ৫,০০০ টাকা (জীবিত থাকাকালীন নিয়তকৃত)
👉•মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান: মোট ৮,০০০ টাকা
👉•মোঃ সুজন: ২,০০০ টাকা
👉•সুজন ভাইয়ের কলিগ: ২,০০০ টাকা
🤲আল্লাহ তাদের দান কবুল করুন, দুনিয়া এবং আখেরাতে সফলতা দান করুন আমিন। প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোন!

🙏আপনিও এই মহৎ কাজে অংশ নিন! আপনার দানে গড়ে উঠুক আল্লাহর ঘর।
ব্যাংক বিবরণ:
•ব্যাংক: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
•হিসাব নাম: কালেরকাঠি জামে মসজিদ•
হিসাব নম্বর: ২০৫০৭৭৭০২৫৪৪৭৫৬৬০৪৪
•রাউটিং নম্বর: ১২৫২৭৭৩৩০৭
•শাখা: বরিশাল
যোগাযোগ ও বিকাশ: ০১৩৪১-৯০৪১০০
#মসজিদ_নির্মাণ #সাদকায়ে_জারিয়াহ #দান #ইসলামী_জীবন #মসজিদ #আল্লাহর_ঘর #নেক_আমল #জান্নাত #সওয়াব #মুসলিম_উম্মাহ #কালেরকাঠি_জামে_মসজিদ #দান_করুন #ইসলামী_ব্যাংক #বিকাশ

21/07/2026

হিংসা

21/07/2026

👉কোন সূরা ছাড়া নামাজ হবে না?

20/07/2026

রাসূলের উপদেশ

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার শক্তিশালী ১০টি আমল ও দোয়াশয়তান থেকে নিরাপদ থাকার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনাশয়তান...
19/07/2026

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার শক্তিশালী ১০টি আমল ও দোয়া

শয়তান থেকে নিরাপদ থাকার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা

শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। তার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া, পাপের দিকে আকৃষ্ট করা এবং ঈমানকে দুর্বল করে দেওয়া।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا

“নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু, অতএব তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো।”—সূরা ফাতির: ৬

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন—

“বান্দা ১০টি উপায়ের মাধ্যমে শয়তান থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।”—বাদায়েউল ফাওয়ায়েদ: ২/২৬৭

▪️১. শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া

শয়তানের কুমন্ত্রণা অনুভব করলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে।

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম।

“আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।”

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ

“যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করো।”
—সূরা ফুসসিলাত: ৩৬

▪️২. সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা

রাসূলুল্লাহ ﷺ সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমানোর সময় এই দুই সূরা পাঠ করতেন।

হাদিসে এসেছে—

“রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন দুই হাত একত্র করে তাতে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে ফুঁ দিতেন।—সহিহ বুখারি: ৫০১৭

▪️৩. আয়াতুল কুরসি পাঠ করা

আয়াতুল কুরসির

االلَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা'খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাওম। লাহু মা ফিস্-সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান যাল্লাযি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি। ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাই'ইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা'আ। ওয়াসিআ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা। ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আযীম।

আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সমগ্র সৃষ্টির ধারক ও পালনকর্তা। তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তিনি জানেন তাদের সামনে যা আছে এবং তাদের পেছনে যা আছে। আর তারা তাঁর জ্ঞানের কোনো অংশই আয়ত্ত করতে পারে না, তবে যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি আসমানসমূহ ও জমিনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে মোটেই ক্লান্ত করে না। আর তিনি সর্বোচ্চ, সর্বমহান।—সূরা আল-বাকারা: ২৫৫

হাদিসে এসেছে—

“যে ব্যক্তি রাতে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।”—সহিহ বুখারি: ২৩১১

▪️৪. সূরা আল-বাকারা পাঠ করা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানিও না। যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পাঠ করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”—সহিহ মুসলিম: ৭৮০

▪️৫. সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা

آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ.
لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ.

আ-মানার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু'মিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি, লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহি। ওয়া কালূ সামি'না ওয়া আতা'না। গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।
লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা। লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত। রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতা'না। রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা। রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি। ওয়া'ফু আন্না, ওয়াগফির লানা, ওয়ারহামনা। আন্তা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন।

রাসূল তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান এনেছেন এবং মুমিনরাও ঈমান এনেছে। তারা সবাই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। তারা বলে, “আমরা তাঁর কোনো রাসূলের মধ্যে পার্থক্য করি না।” তারা আরও বলে, “আমরা শুনলাম এবং আনুগত্য করলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার ক্ষমা চাই, আর আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তন।”

আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন না। সে যা ভালো কাজ করে তার প্রতিদান সে পাবে এবং যা মন্দ কাজ করে তার দায় তার ওপরই বর্তাবে। “হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা ভুলে যাই বা ভুল করে ফেলি, তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আপনি আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়েছিলেন। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন দায়িত্ব দেবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের গুনাহ মাফ করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব, কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।”
—সূরা আল-বাকারা – শেষ দুই আয়াত (২:২৮৫–২৮৬)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।”—সহিহ বুখারি: ৫০০৯, সহিহ মুসলিম: ৮০৮

▪️৬. সূরা গাফিরের প্রথম অংশ পাঠ করা

আল্লাহ তাআলা বলেন—

حم ۚ تَنزِيلُ الْكِتَابِ مِنَ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ

“হা-মীম। এই কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর পক্ষ থেকে।”—সূরা গাফির: ১-২

▪️৭. তাওহিদের যিকির বেশি বেশি করা

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীর।

“আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।”

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“যে ব্যক্তি দিনে একশত বার এই যিকির করবে, তার জন্য একশত নেকি লেখা হবে, একশত গুনাহ মুছে দেওয়া হবে এবং সে দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে।”
—সহিহ বুখারি: ৬৪০৩, সহিহ মুসলিম: ২৬৯১

▪️৮. হারাম দৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকা

আল্লাহ বলেন—

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ

“মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে।”
—সূরা আন-নূর: ৩০

▪️৯. অতিরিক্ত কথা ও অতিরিক্ত খাবার থেকে বিরত থাকা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“আদম সন্তান তার পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো পাত্র পূর্ণ করে না।”—জামে আত-তিরমিজি: ২৩৮০

▪️১০. খারাপ সঙ্গ থেকে বেঁচে থাকা

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“মানুষ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর দ্বীনের ওপর থাকে। অতএব তোমাদের প্রত্যেকের দেখা উচিত, সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে।”—সুনান আবু দাউদ: ৪৮৩৩, জামে আত-তিরমিজি: ২৩৭৮

শয়তানের বিরুদ্ধে মুমিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো—আল্লাহর যিকির, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া এবং তাকওয়া।





🕌 জান্নাতে নিজের জন্য একটি ঘর বানাতে চান? সুবর্ণ সুযোগ আপনার হাতের মুঠোয়! 🌟আলহামদুলিল্লাহ! কালের কাঠি বাইতুল আমান জামে ম...
17/07/2026

🕌 জান্নাতে নিজের জন্য একটি ঘর বানাতে চান? সুবর্ণ সুযোগ আপনার হাতের মুঠোয়! 🌟
আলহামদুলিল্লাহ! কালের কাঠি বাইতুল আমান জামে মসজিদ-এর নির্মাণ কাজে শরিক হয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমাদের এক প্রবাসী ভাই (কুয়েত প্রবাসী) একাই দান করেছেন ৳ ৫০,০০০ এর বেশি টাকা! সুবহানাল্লাহ!
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের এই প্রবাসী ভাইয়ের দানকে কবুল করুন, তাঁর হায়াতে বরকত দিন এবং সকল বিপদ-আপদ থেকে তাঁকে হেফাজত করুন। আমিন। 🤲
ভাইয়ের এই অসাধারণ উদ্যোগ কি আমাদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা নয়? দুনিয়ার সব জমানো সম্পদ এখানেই পড়ে থাকবে, কবরে আমাদের সাথে যাবে শুধু আমাদের নেক আমল আর 'সদকায়ে জারিয়া'।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
"যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর নির্মাণ করবেন।" (সহীহ বুখারী)
আপনি কেন এই সওয়াব থেকে বঞ্চিত থাকবেন?
আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ১০ টাকা, ১০০ টাকা, ১০০০ টাকা বা তার বেশি—যাই হোক না কেন, আজই শরিক হোন আল্লাহর ঘর নির্মাণে। কে জানে, হয়তো আপনার এই ছোট্ট দানটিই কাল কিয়ামতের ময়দানে আপনার নাজাতের সবচেয়ে বড় উসিলা হয়ে যাবে!
⏳ আর এক মুহূর্তও দেরি করবেন না! দেখার সাথে সাথেই আমাদের কল করুন অথবা নিচের নাম্বারে আপনার অনুদান পাঠিয়ে দিন:
📲 সার্বিক যোগাযোগ, বিকাশ ও নগদ নম্বর:
০১৩৪১৯০৪১০০ (এখনই কল করে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন)
🏦 ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইলস (সরাসরি পাঠানোর জন্য):
* ব্যাংকের নাম: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
* একাউন্ট নাম: কালেরকাঠি জামে মসজিদ
* একাউন্ট নম্বর: ২০৫৭৭৭০২২৫৪৭৫০৪৪
* রাউটিং নম্বর: ১২৫২৭০৬০৭
* ব্রাঞ্চ: বরিশাল শাখা
দ্বীনের স্বার্থে পোস্টটি এখনই শেয়ার করুন!
আপনার একটি শেয়ারের কারণে যদি অন্য কেউ এই মসজিদে দান করে, তবে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াবের অংশীদার হবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর ঘরের খেদমত করার তৌফিক দান করুন। আমিন। ❤️

Address

Kalerkhai , Mollabari, Hanua, Bakerganj
Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baitul Aman Jame Masjid and Islami Complex posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share