Nakphool 'নাকফুল'

Nakphool 'নাকফুল' Women wear ornaments on eight parts of their bodies. These eight parts ornaments are collectively called octa-ornaments.

The 'Nakphool' page has been brought to you for the purpose of promotion, advertisement, and marketing of women's ornaments.

শেষ সংবাদ: হোস্সাম শাবাতের চিঠিযদি আপনি এই লেখা পড়েন, বুঝবেন আমি আর বেঁচে নেই। আমার গলা হয়তো চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে, কিন...
21/06/2025

শেষ সংবাদ: হোস্সাম শাবাতের চিঠি

যদি আপনি এই লেখা পড়েন, বুঝবেন আমি আর বেঁচে নেই। আমার গলা হয়তো চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু আমি জানি—আমার কণ্ঠ, আমার শব্দ, আমার লেন্সে ধরা সত্য আজও কারো চোখে ঝিলিক দিয়ে উঠছে। আমি হোস্সাম শাবাত, গাজার বেইত লাহিয়ার এক তরুণ সাংবাদিক। আমার বয়স মাত্র ২৩। আমি সাংবাদিকতা বেছে নিইনি জীবিকা হিসেবে, এটা ছিল আমার দায়িত্ব, আমার অস্তিত্বের আত্মঘোষণা। গাজার প্রতিটি ধুলোর কণা আমার শরীরে লেগে আছে, প্রতিটি শিশুর কান্না আমার মগজে গেঁথে আছে, আর প্রতিটি মায়ের আর্তনাদ আমার হৃদয়ে অঙ্কিত। আমি জানতাম, এই পেশা বেছে নেওয়া মানে মৃত্যু খুব কাছাকাছি নিয়ে আসা। কিন্তু আমি ভয় পাইনি। কারণ আমি জানি, কিছু সত্য আছে যা বলা না হলে ইতিহাস বিকৃত হয়ে যায়। আমি দেখেছি, এক রাতে আমার ছোটবোন তার বই খোলা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিল—কিন্তু আর কখনো জাগেনি। আমি দেখেছি, একটি ক্লিনিকে সারি সারি লাশ পড়ে আছে, যাদের নাম জানে না কেউ। আমি দেখেছি, একটি শিশুর মাথা তার দেহ থেকে অনেক দূরে ছিটকে গেছে, তার পাশে পড়ে আছে তার খেলার পুতুল। এইসব দৃশ্য শুধু রিপোর্ট করার বিষয় ছিল না, এগুলো আমার হৃদয়ের ক্ষত হয়ে ছিল। আমি কাঁদিনি, আমি মুখ ফিরিয়ে নিইনি, আমি প্রতিবাদ করিনি স্লোগানে—আমি কেবল ক্যামেরা চালিয়ে গেছি, লিখে গেছি, কথা বলে গেছি। আমি গাজার মানুষের কণ্ঠ হতে চেয়েছিলাম, কারণ ওরা চিৎকার করলেও কেউ শুনত না। আমি নিজের জীবন বাজি রেখে বলেছিলাম—তাদের কথা জানাও, জানাও, জানাও। মৃত্যুর কিছুদিন আগে আমি একটি চিঠি লিখে রেখেছিলাম। তাতে লিখেছিলাম—If you’re reading this, it means I have been killed. I dedicated every moment of my life to my people. I risked everything to report the truth. Keep fighting, keep telling our stories—until Palestine is free. আমি জানতাম আমার সময় ফুরিয়ে আসছে, তবু আমি এক মুহূর্তের জন্য থামিনি। সেই শেষ সকালেও, যখন চারদিকে ধুলোর ঘূর্ণি, আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম ক্যামেরা হাতে। আমার গায়ে লেখা ছিল PRESS, কিন্তু তারচেয়ে বড় করে আমার বুকে লেখা ছিল ‘মানবতা’। হঠাৎ এক মুহূর্ত। শুধু আলো। শুধু শব্দ। তারপর সব শেষ। হয়তো আমার শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে, কিন্তু আমার গল্পটা শেষ হয়নি। এই লেখা পড়ার সময় কেউ যদি এক মুহূর্তের জন্যও থমকে যায়, কেউ যদি চোখ বন্ধ করে সত্য অনুভব করে—তবে আমি বেঁচে আছি। আমি চাই না আমার মৃত্যু শুধু একটি সংখ্যায় পরিণত হোক। আমি চাই, তুমি—হ্যাঁ, তুমিই—আমার গল্প শোনো, আমার চোখ দিয়ে পৃথিবীকে দেখো। কারণ আমি আর কিছু চাইনি, শুধু চেয়েছি কেউ সত্য জানুক। আমি হোস্সাম শাবাত। একজন ভাই, একজন সন্তান, একজন সাংবাদিক। আমার অস্ত্র ছিল না, ছিল শুধু সত্য। শেষবারের মতো… হোস্সাম শাবাত, উত্তর গাজা থেকে।

---







20/08/2024

আপনে আমারে ছাইড়া যাওনের পর থেইকা আমার খুব আফসোস হইতো। মনে হইতো আপনারে না পাইলে এই জীবন খানার কোনো মূল্য নাই। তারপর সময়ের কাছে আমি সব শিখলাম। এহন আর আপনে এইডা ভাইবেন না আপনারে ছাড়া আমার জীবন মূল্যহীন। জীবনের মূল্য তো আপনারে হারাইয়্যা বুঝলাম। আপনে হারাইছেন বইলাই আমি এহন খুব সহজে দুঃখ আলিঙ্গন করতে পারি। আপনে ঠকাইছেন বইলাই আমি এহন খুব সহজে ঠইকা যাই না। আপনে বিশ্বাস ভাঙছেন বইলাই আমি এহন খুব সহজে কাউরে আপন বানাই না। এহন এই জীবন মেঘের মতোন। বাতাস আমারে যেইদিকে লইয়্যা যাইতে চায় আমি সেইদিকেই যাই। এহন তোমারেও আর ভালোবাসি না। ভালোবাসা হইলো ক্ষনিকের আনন্দ। সুখের চাইতে দুঃখটাই বেশি বুঝলা। পৃথিবীর কাছে আমার আর কিছু চাওয়ার নাই। চাওয়ার নাই বইলাই কোনোকিছু হারানোর ডর নাই।

লেখা : Sanjid Hasan Sojib

05/08/2024

সবার বিজয়ের আনন্দের সাথে মৃত্যুর মিছিল।।

ঢামেক থেকে বলছি।

আহারে বিজয়, আহারে স্বাধীনতা।

18/06/2024

ইদানিং আমার কবিতা ভালো লাগে। বিশেষ করে উর্দু কবিতা। সুফিয়ানা গানও ভালো লাগে।

কি জানি হইছে!!

বেশ কয়েকদিনে কয়েকজন জিজ্ঞেস করেছে কোন প্রেমে পড়েছি কিনা বা কারো বিরহে দিন যাচ্ছে নাকি।

সাথে উপদেশও দেয়। যেহেতু বিয়ের বয়স হইছে, তাই এই বয়সে আর প্রেম বিরহ তে না থাকা ভালো।
কিন্তু আমাকে বলার সুযোগটা দেয় না কেওই।

তাই এইখানে এসে বলতে হচ্ছে, হ্যা প্রেম বিরহ আছে, তবে সেটা নাড়ি বিরহ বলতে পারেন, কোন নারী বিরহ না। কোন নারীর জন্য প্রেম বিলাস করার মত সক্ষমতাই হয়তো আর বেচে নাই আমার মধ্যে।

আমার মত এতিম আছে অনেক, কিন্তু আমি এতিমের মততো আর কেও নাই। যাকির খানের একটা কবিতা আছে, 'ভাই গেলে বল কমে, বাপ গেলে ছাদ যায়। কিন্তু যেদিন যায় মা, সারা জগৎ শূন্য করে দিয়ে যায়।'

এখন এই কবিতা গান বা প্রেম সব উপরওয়ালা সাথেই। আমার অনুভূতির সবই এখন ওইদিকেই যায়। রাগ, ক্ষভ, অভিমান, অভিযোগ সবই।

ভাবছি জগৎ সংসার ছেড়ে নাগা সন্যাসী হব। জগতের মহ মায়া ত্যাগ করে পাসপোর্টটা নিয়ে জংগলে জংগলে ঘুরবো। দেশে জংগল নাই। গাছ কেটে সাবার দিছে, তাই বিদেশি জংগলের যাইতে হবে।

নোট: এই পোস্টের ভাবার্থ না খোজাই ভালো। আমারে জিজ্ঞেস করলেও লাভ নাই। হাসি ঠাট্টার জন্য কমেন্ট বক্স খোলা আছে।

ইদ মোবারক।

07/04/2024

Importance of relationship..

















02/04/2024

Embrace the journey, every step counts. 🌟
Cristiano Ronaldo







02/04/2024

Embrace the journey, every step counts. 🌟
Cristiano Ronaldo







01/04/2024
24/03/2024

Epic!! 🤣🤣

Address

Ati
1312

Telephone

+8801833027649

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nakphool 'নাকফুল' posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nakphool 'নাকফুল':

Shortcuts

Share