Smart Kids BD

Smart Kids BD Smart Kids BD
বাচ্চাদের জন্য আরবি, বাংলা ও ইংরেজি শেখার সুন্দর প্ল্যাটফর্ম 🌈
শিখি খেলতে খেলতে 📚✨

24/02/2026

24/02/2026
24/02/2026

24/02/2026
24/02/2026

22/02/2026
*_যেসব কারণে ‘ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ’ সমাজের জন্য হুমকি..._* || হাসান আল মাহমুদ ||সম্প্রতি ‘ট্রান্সজেন্ডার’ নামে একটি অদ্ভ...
26/01/2024

*_যেসব কারণে ‘ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ’ সমাজের জন্য হুমকি..._*


|| হাসান আল মাহমুদ ||

সম্প্রতি ‘ট্রান্সজেন্ডার’ নামে একটি অদ্ভূত মতবাদ প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এ মতবাদের অধিকারীদের উপস্থিতি জানান দিতে দেখা যাচ্ছে। সরকারের কাছে নানারকম দাবিও তারা উত্থাপন করছে। শুধু কর্মসংস্থানের দাবি নয়, জাতীয় সংসদে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব দেখতে চায় তারা।

ট্র্যান্সজেন্ডার মতবাদ কী?
পশ্চিমা বিশ্বের ওপর রাজত্ব কায়েম করে গড়ে ওঠা এ মতবাদের নাম 'ট্র্যান্সজেন্ডারবাদ'। অনেকে একে 'জেন্ডার আইডেন্টিটি' বা লিঙ্গ পরিচয় মতবাদও বলে থাকেন।

ইংরেজি শব্দ Transgenderism) এর বাংলা অর্থ হচ্ছে রূপান্তরকামিতা। রূপান্তরিত লিঙ্গ হলো সেসব ব্যক্তি, যাদের মানসিক লিঙ্গবোধ জন্মগত লিঙ্গ চিহ্ন হতে ভিন্ন। রূপান্তরিত লিঙ্গের ব্যক্তিবর্গ যদি তাদের লিঙ্গ পরিবর্তন করতে ডাক্তারি সাহায্য কামনা করে তবে তাদেরকে অনেকসময় রূপান্তরকামী নামে ডাকা হয়।

এই মতবাদ বলে, কোন পুরুষের যদি 'নিজেকে নারী বলে মনে হয়', তাহলে সে একজন নারী। সমাজ ও আইন নারী হিসেবেই তাকে বিবেচনা করতে হবে। সেই পুরুষ শারীরিকভাবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হোক, তিন বাচ্চার বাপ হোক, কিছু আসে যায় না তাতে।

ট্র্যান্সজেন্ডারবাদ বলে, ‘কোন নারীর নিজেকে যদি পুরুষ মনে হয়, তাহলে সে পুরুষ। যদিও তার মাসিক হয়, সে গর্ভবতী হয়, শারীরিকভাবে সে হয় ১০০% সুস্থ। নিজেকে পুরুষ মনে করা নারী যদি সন্তানের জন্ম দেয়, তাহলে সেটা ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের ভ্রান্তির প্রমাণ না। বরং ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের চোখে এটাই প্রমাণ করে যে, 'পুরুষও সন্তান জন্ম দিতে পারে'!

এই মতবাদ অনুযায়ী কোনো বালকের যদি 'মনে হয়' সে বালিকা অথবা কোনো বালিকার যদি মনে হয় সে বালক, তাহলে এই 'মনে হওয়া'র ভিত্তিতে সেই বালক কিংবা বালিকাকে চাহিবামাত্র হরমোন ট্রিটমেন্ট আর বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে কাটাকুটি করে নিজের শরীরকে বদলে ফেলার 'অধিকার' দিতে হবে। তার এই 'মনে হওয়া'র চিকিৎসা করা যাবে না, বরং বদলে দিতে হবে শরীরকে।

একজন সমাজসচেতন গবেষক জানান, ‘ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের বক্তব্য এতোটাই বিচিত্র, এতোটাই বিদঘুটে যে প্রথম শোনার পর কেউ বিশ্বাসই করতে পারে না আদৌ এমন কোনো মতবাদ থাকতে পারে। অনেকে মনে করেন হয়তো কোনো কারণে ট্র্যান্সজেন্ডারবাদকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। হয়তো এটা তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজড়াদের অধিকার নিয়ে কোনো আন্দোলন। হয়তো এটা মানবিক বিবেচনা আর অধিকারের বিষয়। হয়তো লিঙ্গ পরিবর্তন করতে চাওয়া, নিজেদের বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেওয়া মানুষের শারীরিক কোনো সমস্যা আছে।’

এ মতবাদের প্রধান দাবি
ট্রান্সজেন্ডার মতবাদের প্রধান দাবি হলো- ‘জন্মগত দেহ যা-ই হোক না কেন, নিজেকে যে নারী দাবি করবে তাকে নারী বলে মেনে নিতে হবে, নিজেকে যে পুরুষ দাবি করবে তাকে মেনে নিতে হবে পুরুষ বলে, আইনি ও সামাজিকভাবে। মানুষ ইচ্ছেমতো পোশাক পরবে, ইচ্ছেমতো ওষুধ আর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বদলে নেবে নিজের দেহকে। আর কেউ যদি অস্ত্রোপচার না করেই নিজেকে বিপরীত লিঙ্গের বলে দাবি করে, তাও মেনে নিতে হবে মুখ বুজে। রাষ্ট্র ও সমাজ কোনো বাধা দিতে পারবে না, বরং 'সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী' হিসেবে এ ধরনের মানুষকে দিতে হবে বিশেষ সুবিধা। সেই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে একদম ছোটবেলা থেকে সবাইকে শেখাতে হবে যে, মানুষের মনটাই গুরুত্বপূর্ণ; দেহ না।’

যেভাবে চলছে ট্রান্সজেন্ডারবাদের প্রচার-প্রসার
পশ্চিমা দেশগুলোর স্কুলগুলোতে এই মতবাদ শেখানো হচ্ছে বলে জানা যায়। প্রবল আগ্রহে এই মতবাদকে গ্রহণও করে নিয়েছে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো। মধ্যপন্থী থেকে শুরু করে বামপন্থী, সব রাজনৈতিক দল ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান এই মতবাদ প্রচার করে চলছে উগ্রভাবে। আমেরিকার রাষ্ট্রপ্রধানের এক্সিকিউটিভ নির্দেশ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় আইন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পলিসিও ঠিক হচ্ছে নতুন এই মতবাদের আলোকে। এই মতবাদের ওপর ভিত্তি করে আইন তৈরি হচ্ছে এবং এই মতবাদ শেখানো হচ্ছে শিশুদের ক্লাসরুমে। এই বিচিত্র আদর্শকে উপস্থাপন করা হচ্ছে নাগরিক ও মানবাধিকারের প্রশ্ন হিসেবে। মানবাধিকারের নামে সারা বিশ্বজুড়ে এই মতবাদ ফেরি করে বেড়াচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব এবং জাতিসংঘ। বিলিয়ে বেড়াচ্ছে বিপুল অর্থ। ফলে বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে পাকিস্তানের আদালতের রায়েও ঢুকে পড়েছে ট্রান্সজেন্ডারবাদ।

বাংলাদেশে ট্রান্সডেন্ডার
বাংলাদেশেও বেড়ে চলেছে ট্রান্সজেন্ডারবাদের প্রচার ও প্রসার। নারী থেকে পুরুষ ও পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হতে দেখা যাচ্ছে অনেককে। এদের সঙখ্যা যদিও এখন কম, কিন্তু এর ভয়াবহতা নিয়ে শংকিত সমাজসচেতন বিশেষজ্ঞ মহল।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩-এ দৈনিক প্রথম আলোতে ‘নারী থেকে পুরুষ হয়েছেন তিনি, এখন জটিলতা বাংলাদেশ রেলওয়ের চাকরিতে’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে শারমিন আক্তার ঝিনুক নামে এক নারীর কথা বলা হয়েছে। এই মহিলা শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ। কিন্তু 'অন্য নারীর প্রতি আকৃষ্ট' হওয়ার কারণে তিনি 'নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত' হয়েছিলেন। নতুন নাম নেন জিবরান সওদাগর।

জিবরান বলেন, 'আমি একজন নারী ছিলাম। মাসিকসহ সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি বুঝতে পেরেছি যে আমি অন্য ছেলে বা পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়েছি। স্কুল ড্রেস ওড়না পরা বা মেয়েদের মতো পোশাক পরা পছন্দ করতাম না। এক সময় এক মেয়ের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। চার বছর ধরে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়েটা চলে যাওয়ার পর আমার মনে হয়, আমি যদি পুরুষ হতাম তাহলে সে এভাবে চলে যেত না।

এছাড়া আরো অনেক পুরুষ নারীতে ও নারী পুরুষে রূপান্তরিত হতে দেখা গেছে নানা মাধ্যমে।

দেশে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার রক্ষায় আইন
এদিকে গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা ও সুরক্ষা আইন-২০২৩’ নামে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. খায়রুল আলম শেখ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই আইনটি পাস করা হবে বলে জানান।

তিনি বলেন, ‘সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস করার জন্য আমরা কাজ করছি। এক বছরের মধ্যে আইনটি করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সরকার চায় এই বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায় হোক। তাই এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নেতৃত্বে এর

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দ্বারা গঠিত একটি কমিটি আইনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। এখন কিছু পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের কাজ বাকি আছে। একই সঙ্গে তিনি এই আইনটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য এই কমিটিকেই একটি বিধি করার সুপারিশ করেন। কারণ আইন হলেও আইনের বিধি না থাকলে আইন কার্যকর হয় না।’

‘ট্রান্সডেন্ডার’ আতংকের কেন
বেশ ক’বছর ধরে বাংলাদেশেও ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগী মনোভাব লক্ষ করা গেছে। তাদের কর্মতৎপরতার কিছু কিছু ফলাফল সম্প্রতি সবার সামনে এলেও, এর সত্যিকারের মাত্রা এবং পরিধি এখনো অধিকাংশেরই অজানা। ব্যাপারটাকে স্রেফ কিছু মানসিক রোগী কিংবা বিকৃত রুচির মানুষের উদ্ভট কর্মকাণ্ড মনে করে ভুল করছেন অনেকে। এর পেছনে বিশাল এবং প্রচণ্ড শক্তিশালী এক নেটওয়ার্ক আছে মনে করছে সমাজসচেতন ব্যক্তিবর্গ।
তাদের বক্তব্য, ‘আমরা যখন প্রতিক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে ভাবছি, ওরা তখন সামনের দশটা ধাপ ভেবে রেখেছে। বছরখানেকের মধ্যে হয়তো আমাদের এ বাংলাতেই ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের বৈধতা দেওয়া হবে। বিষাক্ত এ মতবাদ গ্রাস করে নেবে আমাদের সমাজকে। ফলে সমাজে ট্যান্সজেন্ডারবাদের হুমকি নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সমাজসচেতন ব্যক্তিবর্গ।

তাদের মতে, এ মতবাদ সমাজের ভারসাম্যতা ও স্বাভাবিক রীতিকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিচ্ছে। উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে তৈরি করছে মারাত্মক সামাজিক বিশৃঙ্খলা।’

এছাড়া, ‘সাধারণ মানুষের তুলনায় এদের মধ্যে ১৪ গুণ বেশি আত্মহত্যা চিন্তা এবং ২২ গুণ আত্মহত্যার আশংকা থাকে বলে জানা গেছে একটি জরিপ থেকে।

ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে ইসলাম যা বলে
কুরআন ও হাদিসের সমন্নিত রূপ ইসলাম মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এক অতুলনীয় মাইলফলক। ইসলামের অকাট্য দাবি, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের বেশ ধারণ করা এবং অনুকরণ করা নিষিদ্ধ। বিখ্যাত সাহাবী হজরত আব্দুল্লাহ ইনে আব্বাস রা. বলেছেন: ‘রাসূলুল্লাহ পুরুষদের মধ্যে নারীর বেশ ধারণকারীদের এবং নারীদের মধ্যে পুরুষের বেশ ধারণকারিণীদের অভিশাপ দিয়েছেন।" -সহীহ বুখারী; মিশকাত, হাদীস নং ৪৪২৯

ট্রান্সজেন্ডার তথা যারা আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি ঘটায় তাদের অভিসম্পাত করা হয়েছে মর্মে রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, ‘আল্লাহ সেসব মানুষদের উপর অভিসম্পাত করেছেন যারা তাঁর সৃষ্টিতে বিকৃতি আনে’। -বুখারী, হাদীস নং ৪৮৮৬

সম্পূর্ণ সুস্থ শরীর নিয়ে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের বলে দাবি করে, বিপরীত লিঙ্গের পোশাক পরে, অনুকরণ করে এবং 'লিঙ্গ পরিবর্তন করে তাদের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তাকে (শয়তানকে) অভিসম্পাত করেছেন এবং সে (শয়তান) বলেছে, আমি তোমার দাসদের এক নির্দিষ্ট অংশকে (নিজের দলে) গ্রহণ করবই। এবং তাদের পথভ্রষ্ট করবই; তাদের হৃদয়ে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করবই, আমি তাদের নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে তারা পশুর কর্ণচ্ছেদ করবেই এবং তাদের নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবেই। আর যে আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে, নিশ্চয় সে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ -সুরা নিসা, আয়াত : ১১৮-১১৯
(সূত্র- আওয়ার ইসলাম অনলাইন নিউজ)
______ ______

25/10/2023
Nice
25/10/2023

Nice

16/11/2022

যাদের সবাই ছোট চোখে দেখে
এটা কি চোখের সমস্যা নাকি এদের সমস্যা?

জন সচেতন মূলক পোস্ট...নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে...'চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'।করণীয়ঃ-✔ আক্রান্ত ব্যক্তি সংস...
07/10/2022

জন সচেতন মূলক পোস্ট...

নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে...
'চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'।

করণীয়ঃ-
✔ আক্রান্ত ব্যক্তি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখ লাল হয়ে গেলে জনসমাগম এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখে হাত লাগাবেন না।
✔ চোখে পানি দিবেন না।
✔ উজ্জ্বল আলো কিংবা সূর্যালোকে কালো চশমা কিংবা সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
✔ চোখের পাতা ফুলে গেলে শুকনো গরম সেঁক দিতে পারেন।
✔ ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন কাপড়চোপড়, গ্লাস, প্লেট, গরম পানি দিয়ে ধৌত করুন এবং আলাদা রাখুন।
✔ কোনো অবস্থাতেই ফার্মেসী বা ঔষধের দোকান থেকে নিজে নিজে ঔষধ কিনে ব্যবহার শুরু করবেন না। চোখ অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ। নিজে নিজে ডাক্তারির ফলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

সাধারণত জটিল কোনো উপসর্গ না থাকলে ৭-১০দিনের মধ্যেই এটি সেরে যায়।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
✔ চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরতে থাকলে
✔ কেতুরের জন্য চোখ খুলতে অসুবিধা হলে
✔ চোখে পুর্বের চাইতে ঝাপসা দেখলে
✔ চোখে ব্যথা শুরু হলে।

চোখ উঠার রোগের দোয়াঃ

الهم عافني في بصري. আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাছারি । অর্থ,হে আল্লাহ আমার চোখে সুস্থতা দান করুন ।

Address

Bagerhat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smart Kids BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smart Kids BD:

Share