25/06/2016
ভোলায় মহিষের দুধের দই রফতানি হচ্ছে বিদেশে:
ভোলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের মহিষের দুধের দই রফতানি হচ্ছে বিদেশে। ভোলা, মেঘনা ও তেতুলিয়ার মধ্যবর্তী চরাঞ্চলের মহিষের দুধের দই ভোলাসহ দেশে বেশ জনপ্রিয়। দুধের উৎপাদন কম হলেও এর চাহিদা থাকে অনেক বেশি। তাই বেশ লাভবান দই বিক্রেতা আর গোয়ালারাও। যে কারণে দেশের বাহিরেও রফতানি হচ্ছে মহিষের দুধের এই দই। তবে লবন পানি, ঘাসের স্বল্পতা, স্বাস্থ্যসেবা আর চোরের উপদ্রপই হচ্ছে এখন প্রধান সমস্যা।
মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মাঝখানে সৌন্দর্যের রানী হিসেবে আখ্যায়িত এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ দ্বীপজেলা ভোলা। আর এসব নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চরে ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে উঠেছে অন্তত অর্ধশতাধিক মহিষের খামার। যেসব খামারে এক একজন মালিকের রয়েছে শত শত মহিষের পাল। আর তেমনি একটি চর হচ্ছে মূল-ভূখন্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন মদনপুর, ভোলার চর। তেমনি মনপুরার কোল ঘেষা পাতার চরও। আর সেই চরে রয়েছে একাধিক ব্যক্তির খামার। যে খামারে রয়েছে শত শত মহিষের পাল। বাতানদের সাথে মহিষের এক বিশেষ সম্পর্ক। সকালে খামারের বাতানেরা ঐ মহিষগুলো যখন ছেড়ে দেয় তখন বাতানদের রাখা মহিষের বাহারি ধরনের রাখা নাম ধরে ডাক দিতেই সারা দেয় আর ঐ মহিষের বাচ্চাটি ছুটে যায় তার মায়ের কাছে।
মহিষগুলোর অসাধারণ এক সম্পর্কের প্রতিফলন। তবে তার আগে বাতানেরা মহিষের দুধ সংগ্রহ করে নেয়। এজন্য তারা বাঁশের তৈরি বিশেষ এক ধরনের পাত্র ব্যবহার করে থাকেন। এক একজন বাতান ২ থেকে ৩ শত করে মহিষ রাখেন।